বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ করতে কাজ করবে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অংশ নেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় তারেক রহমান বিজয়ী প্রশ্নের উত্তর দেন। এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা নিয়ে যে রিলস বানিয়েছেন। ওইখানে আপনারা বলেছেন প্রাইমারি শিক্ষা নিয়ে আমরা কী কাজ করেছি। সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কিন্তু স্কুলে শেখাতে হবে। এ জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সঙ্গে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’ সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখায়, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো—এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’
জিম্বাবুয়ের দক্ষিণাঞ্চলে ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় গাড়ি ভেসে যাওয়ার ঘটনায় অন্তত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে নারী-পুরুষের পাশাপাশি দুটি শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এক বিবৃতিতে গতকাল শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মাতাবেলেল্যান্ড সাউথ প্রদেশের ফিলাবুসির মুকুলা অঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একটি টয়োটা নোয়া গাড়ি নদী পার হওয়ার সময় স্রোতের তোড়ে ভেসে যায়। পুলিশ আরো জানায়, নিহতদের মধ্যে সাতজন প্রাপ্তবয়স্ক ও দুজন শিশু রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহায়তায় নদী ও আশপাশের এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জিম্বাবুয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর প্রভাবে এখন পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি সড়ক ও অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীতে তার দল ক্ষমতায় এলে এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে। বিভেদ নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এক দল ক্ষমতায় আসার আগে ১০ টাকা দরে চাল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু মানুষ কি তা পেয়েছে? দেশের মানুষ আর এ ধরনের রাজনৈতিক ধোঁকা দেখতে চায় না। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে মায়েদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে সংকোচহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি যুবকদের বেকারত্ব দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন ডা. শফিকুর রহমান। বগুড়ার স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে পুনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এ ছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা বিভক্তি চাই না। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। জামায়াতে ইসলামী সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে অতীতের মতো আর কেউ সরকারি কোষাগার থেকে চুরি করতে পারবে না। যারা জনগণের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে তাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে। দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’ যুবকদের উদ্দেশে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘আমরা দেশের যুবকদের বেকার অবস্থায় দেখতে চাই না। আমরা বেকারদের ভাতা দিয়ে অসম্মানিত করতে চাই না। আমরা যুবকদের হাতকে কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই।
ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের খুব প্রভাবশালী একজন নেতা ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যে দাবিটি করেছেন, তিনি একটি মিডিয়ার কথা বলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, তার স্বপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। আর কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন না। কারণ যে তথ্য মিডিয়ায় এসেছে বলে তিনি দাবি করেছেন, সেটির ন্যূনতম কোনো বাস্তবতা বা সত্যতা নাই। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে ৯০ নম্বর রোডের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, বিতর্ক তৈরি করার জন্য এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। আর যদি উনাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয় বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হয় তাহলে সেটা উনার অজ্ঞতা। আমরা মনে করি, এটা অপকৌশল বা অজ্ঞতা যেটিই হোক ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার। তিনি বলেন, আমরা গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বলতে সেটাই বুঝি যে এখানে ইতিবাচক রাজনীতি হবে। কোনো অপপ্রচার, অপরাজনীতি সেটা হওয়া উচিত না। কারণ বিএনপির রাজনীতি মানেই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের ক্ষমতা এটিকে কেন্দ্র করেই বিএনপির রাজনীতি। ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের নামে যদি কেউ কোনো টাকা পয়সা দাবি করে সেটা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি বলেন, একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার নামে কিছু কিছু জায়গায় টাকা চাচ্ছে। তারেক রহমানের নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার যে পরিকল্পনা, ইতোমধ্যে তা দেশব্যাপী আলোচিত-সমাদৃত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় ইনশআল্লাহ তখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এই কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এই বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হবেন। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী জনসংযোগে সমাবেশের অংশ নিতে আজ রাতেই আকাশপথে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন জানিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপত্র আরও বলেন, সফরের শুরুতে তিনি আজ ২৪ জানুয়ারি রাত ৭ টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে প্লেনে করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন এবং সেখানেই রাত্রি যাপন করবেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় স্থানীয় একটি হোটেলে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ইউথ পলিসি টকে অংশগ্রহণ করবেন। এই পলিসি টকে তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির পলিসি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন। তরুণ-তরুণীদের আকাঙ্ক্ষা এবং পরামর্শকে ধারণ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম পোলগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশ সংগ্রহণ করবেন।
গত ২১ জানুয়ারি আইসিসি তাদের পূর্ণ সদস্য দেশের বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে ভার্চুয়াল সভা করেছিল। বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ছিল মূল আলোচনা। সেখানেই ভোটাভুটিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়- বাংলাদেশকে খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে, নয়তো বিকল্প দলকে বাছাই করা হবে। বাংলাদেশকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড়। সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রায় দুই দিন পর বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইসিসি। এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকবাজ। বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ড ‘সি’ গ্রুপে জায়গা পাবে। তারা খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। তিন ম্যাচই হবে কলকাতায়। তারপর মুম্বাইয়ে তারা শেষ ম্যাচ খেলবে নেপালের বিপক্ষে। সকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। আইসিসি সিইও সংযোগ গুপ্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি বোর্ডকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের দাবিগুলো আইসিসির নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বোর্ডের সকল সদস্যদের উদ্দেশে লেখা সেই চিঠিতে সংযোগ উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে চলছে না এবং এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। চিঠির অনুলিপি স্বভাবতই বিসিবি সভাপতি ও আইসিসির বোর্ড সদস্য আমিনুল ইসলামকেও পাঠানো হয়েছে। একই সাথে, সংযোগ ক্রিকেট স্কটল্যান্ডকেও ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এই চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন বলে বোঝা যাচ্ছে। ক্রিকবাজ ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেডের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে ক্রিকবাজ জানতে পেরেছে, দুবাই ও এডিনবার্গের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) দুবাইয়ে আইসিসি বৈঠক করে। সেখানেই আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে ফেলেন। তার আগে ভেন্যু পরিবর্তনের শেষ চেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশের বোর্ড আইসিসির বিবাদ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) দ্বারস্থ হয়। কিন্তু ওই কমিটি তাদের আপিল খারিজ করে দেয়। আইসিসির সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের খুব প্রভাবশালী একজন নেতা ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যে দাবিটি করেছেন, তিনি একটি মিডিয়ার কথা বলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, তার স্বপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। আর কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন না। কারণ যে তথ্য মিডিয়ায় এসেছে বলে তিনি দাবি করেছেন, সেটির ন্যূনতম কোনো বাস্তবতা বা সত্যতা নাই। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে ৯০ নম্বর রোডের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, বিতর্ক তৈরি করার জন্য এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। আর যদি উনাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয় বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হয় তাহলে সেটা উনার অজ্ঞতা। আমরা মনে করি, এটা অপকৌশল বা অজ্ঞতা যেটিই হোক ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার। তিনি বলেন, আমরা গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বলতে সেটাই বুঝি যে এখানে ইতিবাচক রাজনীতি হবে। কোনো অপপ্রচার, অপরাজনীতি সেটা হওয়া উচিত না। কারণ বিএনপির রাজনীতি মানেই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের ক্ষমতা এটিকে কেন্দ্র করেই বিএনপির রাজনীতি। ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের নামে যদি কেউ কোনো টাকা পয়সা দাবি করে সেটা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি বলেন, একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার নামে কিছু কিছু জায়গায় টাকা চাচ্ছে। তারেক রহমানের নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার যে পরিকল্পনা, ইতোমধ্যে তা দেশব্যাপী আলোচিত-সমাদৃত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় ইনশআল্লাহ তখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এই কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এই বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হবেন। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী জনসংযোগে সমাবেশের অংশ নিতে আজ রাতেই আকাশপথে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন জানিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপত্র আরও বলেন, সফরের শুরুতে তিনি আজ ২৪ জানুয়ারি রাত ৭ টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে প্লেনে করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন এবং সেখানেই রাত্রি যাপন করবেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় স্থানীয় একটি হোটেলে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ইউথ পলিসি টকে অংশগ্রহণ করবেন। এই পলিসি টকে তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির পলিসি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন। তরুণ-তরুণীদের আকাঙ্ক্ষা এবং পরামর্শকে ধারণ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম পোলগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশ সংগ্রহণ করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীতে তার দল ক্ষমতায় এলে এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে। বিভেদ নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এক দল ক্ষমতায় আসার আগে ১০ টাকা দরে চাল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু মানুষ কি তা পেয়েছে? দেশের মানুষ আর এ ধরনের রাজনৈতিক ধোঁকা দেখতে চায় না। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে মায়েদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে সংকোচহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি যুবকদের বেকারত্ব দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন ডা. শফিকুর রহমান। বগুড়ার স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে পুনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এ ছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা বিভক্তি চাই না। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। জামায়াতে ইসলামী সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে অতীতের মতো আর কেউ সরকারি কোষাগার থেকে চুরি করতে পারবে না। যারা জনগণের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে তাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে। দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’ যুবকদের উদ্দেশে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘আমরা দেশের যুবকদের বেকার অবস্থায় দেখতে চাই না। আমরা বেকারদের ভাতা দিয়ে অসম্মানিত করতে চাই না। আমরা যুবকদের হাতকে কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই।
জিম্বাবুয়ের দক্ষিণাঞ্চলে ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় গাড়ি ভেসে যাওয়ার ঘটনায় অন্তত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে নারী-পুরুষের পাশাপাশি দুটি শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এক বিবৃতিতে গতকাল শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মাতাবেলেল্যান্ড সাউথ প্রদেশের ফিলাবুসির মুকুলা অঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একটি টয়োটা নোয়া গাড়ি নদী পার হওয়ার সময় স্রোতের তোড়ে ভেসে যায়। পুলিশ আরো জানায়, নিহতদের মধ্যে সাতজন প্রাপ্তবয়স্ক ও দুজন শিশু রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহায়তায় নদী ও আশপাশের এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জিম্বাবুয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর প্রভাবে এখন পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি সড়ক ও অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চলতি মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৩ কোটি ১০ লাখ বা ২ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। আর ২১ জানুয়ারি এক দিনে প্রবাসীরা দেশে ১১ কোটি ডলার পাঠিয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যে কোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ করতে কাজ করবে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অংশ নেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় তারেক রহমান বিজয়ী প্রশ্নের উত্তর দেন। এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা নিয়ে যে রিলস বানিয়েছেন। ওইখানে আপনারা বলেছেন প্রাইমারি শিক্ষা নিয়ে আমরা কী কাজ করেছি। সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কিন্তু স্কুলে শেখাতে হবে। এ জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সঙ্গে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’ সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখায়, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো—এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ করতে কাজ করবে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অংশ নেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এ সময় তারেক রহমান বিজয়ী প্রশ্নের উত্তর দেন। এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা নিয়ে যে রিলস বানিয়েছেন। ওইখানে আপনারা বলেছেন প্রাইমারি শিক্ষা নিয়ে আমরা কী কাজ করেছি। সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কিন্তু স্কুলে শেখাতে হবে। এ জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সঙ্গে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’ সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখায়, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো—এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীতে তার দল ক্ষমতায় এলে এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে। বিভেদ নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এক দল ক্ষমতায় আসার আগে ১০ টাকা দরে চাল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু মানুষ কি তা পেয়েছে? দেশের মানুষ আর এ ধরনের রাজনৈতিক ধোঁকা দেখতে চায় না। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে মায়েদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে সংকোচহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি যুবকদের বেকারত্ব দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন ডা. শফিকুর রহমান। বগুড়ার স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে পুনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এ ছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা বিভক্তি চাই না। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। জামায়াতে ইসলামী সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে অতীতের মতো আর কেউ সরকারি কোষাগার থেকে চুরি করতে পারবে না। যারা জনগণের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে তাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে। দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’ যুবকদের উদ্দেশে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘আমরা দেশের যুবকদের বেকার অবস্থায় দেখতে চাই না। আমরা বেকারদের ভাতা দিয়ে অসম্মানিত করতে চাই না। আমরা যুবকদের হাতকে কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই।
ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের খুব প্রভাবশালী একজন নেতা ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যে দাবিটি করেছেন, তিনি একটি মিডিয়ার কথা বলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, তার স্বপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। আর কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন না। কারণ যে তথ্য মিডিয়ায় এসেছে বলে তিনি দাবি করেছেন, সেটির ন্যূনতম কোনো বাস্তবতা বা সত্যতা নাই। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে ৯০ নম্বর রোডের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, বিতর্ক তৈরি করার জন্য এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। আর যদি উনাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয় বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হয় তাহলে সেটা উনার অজ্ঞতা। আমরা মনে করি, এটা অপকৌশল বা অজ্ঞতা যেটিই হোক ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার। তিনি বলেন, আমরা গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বলতে সেটাই বুঝি যে এখানে ইতিবাচক রাজনীতি হবে। কোনো অপপ্রচার, অপরাজনীতি সেটা হওয়া উচিত না। কারণ বিএনপির রাজনীতি মানেই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের ক্ষমতা এটিকে কেন্দ্র করেই বিএনপির রাজনীতি। ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের নামে যদি কেউ কোনো টাকা পয়সা দাবি করে সেটা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি বলেন, একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার নামে কিছু কিছু জায়গায় টাকা চাচ্ছে। তারেক রহমানের নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার যে পরিকল্পনা, ইতোমধ্যে তা দেশব্যাপী আলোচিত-সমাদৃত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় ইনশআল্লাহ তখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এই কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এই বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হবেন। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী জনসংযোগে সমাবেশের অংশ নিতে আজ রাতেই আকাশপথে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন জানিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপত্র আরও বলেন, সফরের শুরুতে তিনি আজ ২৪ জানুয়ারি রাত ৭ টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে প্লেনে করে চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন এবং সেখানেই রাত্রি যাপন করবেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় স্থানীয় একটি হোটেলে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ইউথ পলিসি টকে অংশগ্রহণ করবেন। এই পলিসি টকে তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির পলিসি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন। তরুণ-তরুণীদের আকাঙ্ক্ষা এবং পরামর্শকে ধারণ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম পোলগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশ সংগ্রহণ করবেন।
নৌকা ও ধানের শীষের প্রতিনিধি হিসেবে ট্রাকের পক্ষে ভোট চাইলেন পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কালিকাপুর মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। নুর বলেন, ‘বিএনপি তো অফিশিয়ালি গণঅধিকার পরিষদকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। এই অঞ্চলে বিশেষ করে বিগত নির্বাচনগুলোতে নৌকা ও ধানের শীষের নির্বাচন হতো। এবার ব্যালটে নৌকা নাই, ধানের শীষ নাই, ট্রাকই হচ্ছে নৌকা এবং ধানের শীষের প্রতিনিধি।’ তিনি বলেন, ‘এলাকার সন্তান হিসেবে আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে যে, যেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য, এলাকার উন্নয়ন করার জন্য আজকে সারা বাংলাদেশে নির্বাচন করার সুযোগ থাকলেও আমরা এই জনপদে ছুটে এসেছি, আপনারা আমার পাশে থাকবেন।’ ভোটারদের উদ্দেশে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা যদি পাশে থাকেন, ইনশাআল্লাহ আমি এটুকু বলতে পারি, এই মাগরিবের সময় আল্লাহর প্রতি আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। আল্লাহ কোনো কাজের প্রতি নাকচ হননি, আল্লাহর রহমত ছিল। ২৮ বছর পরে ডাকসু নির্বাচনে আমাদের পেছনে মিছিল করার জন্য ৫০টি ছেলেমেয়ে পাইনি। কিন্তু ১১ হাজার ভোট পেয়েছিলাম। ইনশাআল্লাহ গলাচিপা-দশমিনায় ও ওই দীর্ঘ ২৮ বছরে অনুষ্ঠিত হওয়ার ডাকসু নির্বাচনের মতোই ট্রাক মার্কার আরেকটি বিজয় এবং ইতিহাস সৃষ্টি হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণসহ প্রচারণার শুরুর প্রথম দিনেই পাঁচটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। যেগুলো বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে তার নীতিমালার মধ্যে যুক্ত করবেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করছি। যেগুলো বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার পলিসি বিষয়ে জনসম্পৃক্ততা ও জনমত তৈরির লক্ষ্যে কার্যকর করছেন। যার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের জন্য যে নীতিমালা তৈরি হচ্ছে সেখানে সম্পৃক্ত হতে পারবেন। প্রথম কর্মসূচি ‘তারেক রহমানকে পরামর্শ দিন’ : সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সারা দেশের মানুষের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ আহ্বান করেছেন। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে পোস্টার ও ড্যাংলারের মাধ্যমে একটি বিশেষ কিউআর কোড ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে যে কেউ সরাসরি নিজের চিন্তা, মতামত ও পরামর্শ জানাতে পারবেন। পরবর্তীতে মতামত ও পরামর্শগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান দেশ বিনির্মাণে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় কর্মসূচি, ‘লেটার টু তারেক রহমান’: তারেক রহমান শুনবেন আপনার কথা, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নাগরিকদের ভাবনা, প্রত্যাশা ও পরামর্শ সরাসরি তারেক রহমানের কাছে চিঠির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিঠি পাঠানো যাবে গুলশান-২-এর হাউজ-১০সি, রোড-৯০ ঠিকানায়। ই-মেইল করা যাবে mail@letter2tr.com। পাশাপাশি ফেসবুক গ্রুপ facebook.com/LetterToTariqueRahman এবং letter2tr.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও মতামত জানানো যাবে। তৃতীয় কর্মসূচি, ‘Match My Policy’: এই নামে একটি সোয়াইপ ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ চালু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে জুলাই-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা, পলিসিভিত্তিক আলোচনা ও তরুণ প্রজন্মের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যেই বিএনপির এমন পদক্ষেপ। ইতিমধ্যেই সারা দেশ থেকে তিন লক্ষাধিক মানুষ এতে মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন। চতুর্থ কর্মসূচি, ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’। এ কর্মসূচির আওতায় সিলেটে স্থানীয় তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, তথ্যপ্রযুক্তি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২৭ শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চম কর্মসূচি, ‘বিএনপির আটটি লিফলেট’: বিভিন্ন সেক্টরে বিএনপির পলিসি এবং তারেক রহমানের ভিশন নিয়ে তৈরি আটটি লিফলেটকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে প্রায় সব বিদেশি দূতাবাস থেকে কূটনীতিকরা উপস্থিত হয়ে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পলিসিগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করেন। যেখানে প্রতিটি খাতে আমাদের নেতার সুনির্দিষ্ট, সুবিস্তৃত রূপকল্প রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কেউ যায় দিল্লি, কেউ যায় পিন্ডি। দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ। যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সব ক্ষমতার উৎস। সে জন্যই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বিশ্বাস করি। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রস্তাবিত উপজেলা পরিষদের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন হচ্ছে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নির্বাচন, জনগণের শাসন কায়েমের নির্বাচন, দেশ গড়ার নির্বাচন। তাই ফজরের নামাজ নয়, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। দলীয় নেতাকর্মীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। একটা দল নানাভাবে ভোট দখলের চেষ্টা করছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাসুল (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা হবে।’ বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। ৫০ বছর আগেই তাদের দেখেছি। ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে তারা স্বাধীনতাবিরোধী পক্ষের সঙ্গে ছিল। যাদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লাখ লাখ ভাই শহীদ হয়েছেন। এই দেশের লাখ লাখ মা-বোনের সম্মানহানি হয়েছে। তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে। ’ শায়েস্তাগঞ্জে লক্ষাধিক জনগণের উপস্থিতিতে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় দেশবাসীর সাহায্য ও দোয়া কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। বিএনপি দেশের প্রত্যেক মানুষকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চা-বাগানের নারী শ্রমিক, গ্রামগঞ্জের নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে।’ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি কিভাবে একের পর এক প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’ তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কিভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।’ হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশ মঞ্চে তারেক রহমান আসেন ৫টা ৩৪ মিনিটে। নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চেই তিনি মাগরিবের নামাজ আদায় করেন এবং প্রায় ২৮ মিনিট বক্তব্য দেন। তিনি আসার আগেই লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে সমাবেশস্থল। মঞ্চে উঠে বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।
দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ কেন্দ্রীয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৫৯ জন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর বিভাগের ৩ নেতা। তারা হলেন, দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিরল উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আ ন ম বজলুর রশিদ (দিনাজপুর-২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজয়ানুল হক (দিনাজপুর-৫) ও সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরাফান সরকার রানা (নীলফামারী-৪) রাজশাহী বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি (নওগাঁ-৩), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ (নাটোর- ৩), পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খাইরুল হক শিমুল (রাজশাহী-৫), লন্ডন জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ব্যারিস্টার রেজাউল করিম (রাজশাহী-৫, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম (পাবনা-৩) ও পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু (পাবনা-৪)। খুলনা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (কুষ্টিয়া-১), নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (নড়াইল-২), মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শহিদ ইকবাল (যশোর-৫), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ডা. শহীদুল আলম (সাতক্ষীরা-৩), বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জি. মাসুদ (বাগেরহাট-১) ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য খায়রুজ্জামান শিপন (বাগেরহাট-৪)। বরিশাল বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১) ও বিএনপির ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক সদস্য মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন (পিরোজপুর-২)। ঢাকা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন (নারায়ণগঞ্জ-১ ), নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর (নারায়ণগঞ্জ-২), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (নারায়ণগঞ্জ-৩), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য এ্যড. মোহাম্মাদ আলী (টাঙ্গাইল-১), বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যড. ফরহাদ ইকবাল (টাঙ্গাইল-৫), নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী (নরসিংদী-৫), মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মুমিন আলী (মুন্সিগঞ্জ-১) ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন (মুন্সিগঞ্জ-৩)। ময়মনসিংহ বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-১), বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (কিশোরগঞ্জ-৫), হালুয়া ঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান ওমর রুবেল (ময়মনসিংহ-১), ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকুর রহমান (ময়মনসিংহ-১০), ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম (ময়মনসিংহ-১১), কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (নেত্রকোনা-৩) ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম বাদশাহ (শেরপুর-৩)। ফরিদপুর বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মাদারিপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক লাভলু সিদ্দিকী (মাদারিপুর -১), শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা (মাদারিপুর -১), মাদারিপুর জেলা বিএনপির সদস্য মিল্টন বৈদ্য (মাদারিপুর -২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসিরুল হক সাবু (রাজবাড়ী-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এম এস খান মঞ্জু (গোপালগঞ্জ-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২) ও গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব (গোপালগঞ্জ-৩)। সিলেট বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন (সুনামগঞ্জ-৩), সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪) সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) মামুনুর রশীদ (চাকসু) (সিলেট-৫), মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মহসিন মিয়া মধু (মৌলভীবাজার-৪) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ সুজাত মিয়া (হবিগঞ্জ-১)। কুমিল্লা বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১), ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫), জেলা বিএনপির সাধারণ সদস্য কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬), ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল মতিন (কুমিল্লা-২), চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন (কুমিল্লা-৭) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ হান্নান (চাঁদপুর-৪)। চট্টগ্রাম বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এড: মিজানুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান (চট্টগ্রাম-১৬), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান (নোয়াখালী-২), সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল আজীম (নোয়াখালী-৬) ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীব (নোয়াখালী-৬)।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।