জাতীয়

গভর্নরের চেয়ারে যে বসেন, অর্থনীতির ভাগ্যও তাঁর সঙ্গেই বসে

Admin ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0

অনেক পত্রিকায় ধারাবাহিক বিশ্লেষণ, সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের বিষয়টি এখন জাতীয় মনোযোগের কেন্দ্রে। এমন এক সময়ে নীরব দর্শক হয়ে থাকা যায় না, কলম ধরতেই হয়। কারণ এটি কোনো ব্যক্তিকে ঘিরে সাময়িক উত্তেজনা নয়, বরং রাষ্ট্রের আর্থিক কাঠামো, নীতিগত স্বাধীনতা এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্ন। তাই আবেগ নয়, প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ—আসলে বিষয়টি কী, এই নিয়োগ কেমন হওয়া উচিত, এবং একজন গভর্নর বাস্তবে কতটুকু ভূমিকা পালন করতে পারেন জনগণের দায়বদ্ধতা থেকে বা জনগণের আশা তার প্রতি কতটুকু—সেই প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয় আলোচনাই এখানে উপস্থাপিত হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়ে সাম্প্রতিক যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা নিছক ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রশ্ন নয়, এটি রাষ্ট্রের আর্থিক স্থিতিশীলতা, নীতিগত স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ। একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, তিনি অর্থনীতির “নার্ভ সেন্টার”-এর প্রধান অভিভাবক। তাঁর সিদ্ধান্ত সুদের হার থেকে শুরু করে মুদ্রানীতি, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা, এমনকি আন্তর্জাতিক আস্থার উপরও প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে। তাই এই পদে নিয়োগ কখনোই শুধুমাত্র আনুগত্য, রাজনৈতিক নৈকট্য বা আমলাতান্ত্রিক সুবিধাবাদের ভিত্তিতে হওয়া উচিত নয়, বরং তা হওয়া উচিত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, নৈতিক দৃঢ়তা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার সমন্বয়ে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা বহুবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। হলমার্ক কেলেঙ্কারি, রিজার্ভ চুরি, দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স প্রদান—এসব ঘটনা দেখিয়েছে, যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়, তখন পুরো অর্থনীতি তার মূল্য চুকায়। একজন গভর্নর যদি রাজনৈতিক চাপের বাইরে থেকে কাজ করতে না পারেন, তাহলে monetary policy হয়ে যায় reactive, proactive নয়, oversight হয়ে যায় selective, systemic নয়। অর্থনীতিবিদ মিল্টন ফ্রিডম্যান একবার বলেছিলেন, “Inflation is always and everywhere a monetary phenomenon.” অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি শেষ পর্যন্ত মুদ্রানীতির ব্যর্থতারই প্রতিফলন। সুতরাং গভর্নরের সিদ্ধান্তের গুণগত মান সরাসরি জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বহির্বিশ্বের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগে কয়েকটি মৌলিক নীতি অনুসরণ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন দেন, কিন্তু সিনেটের কঠোর শুনানি ও যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যুক্তরাজ্যে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর নিয়োগের আগে বিস্তৃত অনুসন্ধান ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া থাকে। ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পরামর্শ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়। এসব দেশে একটি মৌলিক দর্শন কাজ করে—Central Bank Independence is not a luxury, it is a necessity. নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগম্যান বলেছেন, “Credibility is a central bank’s most valuable asset.” আস্থা হারালে মুদ্রানীতি কার্যকর থাকে না, বিনিয়োগ কমে যায়, এবং বৈদেশিক লেনদেনে ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মধ্যে, ডলারের বিনিময় হার অস্থির, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক, তখন গভর্নরের পদে এমন একজন ব্যক্তির প্রয়োজন যিনি কেবল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নন, বরং আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত, তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম, এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত। যদি নিয়োগের ক্ষেত্রে অতীতের ভুলগুলো উপেক্ষা করা হয়, তবে আমরা আবারও “policy capture”-এর ফাঁদে পড়তে পারি—যেখানে নীতিনির্ধারণ জনস্বার্থের বদলে বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হয়।

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, “We cannot solve our problems with the same thinking we used when we created them.” বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যাগুলো—দুর্বল নিয়ন্ত্রণ, করপোরেট গভর্ন্যান্সের অভাব, রাজনৈতিক ঋণ সংস্কৃতি—এসব সমাধানে যদি আমরা একই ধাঁচের নেতৃত্ব বেছে নিই, তাহলে ফলাফল ভিন্ন হবে না। প্রয়োজন paradigm shift—একটি জবাবদিহিমূলক, তথ্যভিত্তিক, এবং প্রযুক্তিনির্ভর কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং কাঠামো।

বিশ্বের অনেক দেশে গভর্নররা অর্থনীতির শিক্ষক, গবেষক, এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেন। যেমন, মারিও দ্রাঘি যখন ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হন, তখন তিনি ইতালির কেন্দ্রীয় ব্যাংক, গোল্ডম্যান স্যাকস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি—“Whatever it takes”—ইউরোজোন সংকটের সময় বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনে। নেতৃত্বের শক্তি কেবল প্রশাসনিক পদে নয়, বরং সংকট মুহূর্তে সাহসী অবস্থানে।

বাংলাদেশে গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—তিনি কি ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ? খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার, দুর্বল ব্যাংক একীভূতকরণ, ডিজিটাল মনিটরিং, এবং আর্থিক অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান—এসব কি তাঁর অগ্রাধিকার হবে? যদি না হয়, তাহলে নিয়োগ যতই বিতর্কিত হোক, তার ফল হবে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি।

জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, “The difficulty lies not so much in developing new ideas as in escaping from old ones.” বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পুরোনো প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে এসে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করা। গভর্নরের পদটি তাই শুধুমাত্র প্রশাসনিক নিয়োগ নয়, এটি অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন। আমরা কি একটি স্বাধীন, পেশাদার এবং বিশ্বমানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাই, নাকি একটি প্রভাবাধীন প্রতিষ্ঠান?

অতীতের ইতিহাস, বর্তমানের সংকট এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা—এই তিনটি মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে গভর্নর নিয়োগ হওয়া উচিত। ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং তাঁর নৈতিক দৃঢ়তা, পেশাগত দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাই হওয়া উচিত মূল বিবেচ্য। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে ভুল মানে কেবল একটি পদক্ষেপের ভুল নয়, সেটি হতে পারে একটি প্রজন্মের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিপন্ন হওয়ার সূচনা।

অতএব, বিতর্ককে ব্যক্তিকেন্দ্রিক না করে আমাদের উচিত প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডের প্রশ্ন তোলা—নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ? জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত? এবং সবচেয়ে বড় কথা, গভর্নর কি জনগণের আস্থার প্রতীক হতে পারবেন? যদি উত্তর ইতিবাচক না হয়, তবে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।

Popular post
বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী)  সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান,  ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে  ও  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী  ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে: পরীমনি

অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী।   পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান।   যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’   তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী।   বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি।  পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা।   এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

নতুন যার প্রেমে পড়লেন বিল গেটস কন্যা

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের কনিষ্ঠ কন্যা ফোবি অ্যাডেল গেটস। ২৩ বছর বয়সী এই তরুণী তার ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাগত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রায়ই থাকেন আলোচনায়। এবার ফের শিরোনামে এলেন প্রেমের খবর নিয়ে।  সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছেন ফোবি। তবে এই প্রেম একেবারে নতুন নয়; শৈশব থেকেই গড়ে উঠেছে তাদের সম্পর্কটি। ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন ফোবি। ছবিতে দেখা যায়, তার শৈশবের বন্ধু চ্যাজ ফ্লিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে ধরা দিয়েছেন বিল গেটস কন্যা। ক্যাপশনে শুধু একটি লাভ ইমোজি! আর তাতেই নেটদুনিয়ায় শুরু আলোচনা। পোস্টটি প্রকাশের পরই অনুরাগীদের মন্তব্যে ভরে ওঠে কমেন্ট বক্স। কেউ অভিনন্দন জানাচ্ছেন, কেউ আবার মজা করে লিখেছেন, ‘পুরনো ভালোবাসা যেন এবার স্থায়ী হয়।’ টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফোবি ও চ্যাজ একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেই সময় তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের পাশাপাশি স্বল্প সময়ের জন্য সম্পর্কও ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সেই পুরনো সম্পর্কই নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এক সাক্ষাৎকারে ফোবি বলেছিলেন, ১৫ বছর বয়স থেকে চ্যাজকে চেনেন তিনি। এর আগে ব্রিটিশ সংগীত কিংবদন্তি পল ম্যাককার্টনির নাতি আর্থার ডোনাল্ডের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছিলেন ফোবি। ২০২৩ সালের শেষ দিকে তাদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়, এরপর ২০২৪ সালের মাঝামাঝি ফোবি নিজেই নিশ্চিত করেন বিষয়টি। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ দিকে সেই সম্পর্কে ইতি টানে দুজন। এদিকে ব্রেকাপের এক মাস বাদেই নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত দিলেন এই ধনকুবেরের কন্যা; যা নিয়ে তার ভক্ত মহলে ব্যাপক আলোচনা। ফোবি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ফ্যাশন শপিং টুল ‘ফিয়া’ নিয়ে কাজ করছেন। পাশাপাশি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেমিনারের সমাপনী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মত এই সেমিনারের আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। দুই দিনব্যাপী সেমিনারে ২০ টি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেছেন আমন্ত্রিত ও অংশগ্রহণকারী গবেষকবৃন্দ। শুক্রবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহম্মদ ও হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের সহযোগী পরিচালক ড. এমেলী আক্তার। সেমিনারে অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, কৃষি, মৎস্য-প্রাণিসম্পদ সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। দুই দিনব্যাপী সেমিনারের শেষ দিনের প্রথম সেশনে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জের ডেপুটি ডিরেক্টর কৃষিবিদ মো. আক্তারুজ্জামান ও মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন হবিগঞ্জের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরীফুল আলম। দ্বিতীয় সেশনে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ রিসোর্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অরুণ চন্দ্র বর্মন ও মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ল্যান্ট প্রটেকশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মৌলভীবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মোঃ হারুন-অর-রশীদ ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশের সাবেক ন্যাশনাল টেকনিক্যাল এডভাইজার ড. মোঃ হাবিবুর রহমান৷ কৃষি, পরিবেশ, প্রাণিস্বাস্থ্য ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা উপস্থাপিত হয়। এসব গবেষণায় ফসলের রোগ ও পোকামাকড়ের জৈবিক প্রক্রিয়া, টেকসই কৃষি ব্যবস্থায় উৎপাদন ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের ফলন ও গুণগত মান, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কৃষি রোগ শনাক্তকরণ, প্রাণিসম্পদের পুষ্টি ও প্রজননস্বাস্থ্য, সংক্রামক রোগ ও পরজীবীজনিত সমস্যার বিস্তার এবং নগর সমাজের কিশোর অপরাধের মতো সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়। দুই দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেমিনার আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি।

সাগর

জাতীয়

View more
বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে। তারা জনগণের কল্যাণে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপকৌশল অবলম্বন করছে।’ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত এবং স্থানীয় কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন। তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভূত রয়ে গেছে। জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’ তারেক রহমান বলেন, ‘অতীতে একটি গোষ্ঠী গণতন্ত্রের কথা বলে জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করেছে এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করেছে। সেই অশুভ শক্তির অপতৎপরতা এখনো বন্ধ হয়নি। তারা বিভিন্ন কায়দায় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকারপ্রধান বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষক ও মেহনতি মানুষের সরকার। আজ যে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হলো, তা কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখবে।” এ সময় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পৌঁছে দিতে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

Admin এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0

রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ, সংসদ থেকে ওয়াকআউট বিরোধী দলের

যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি

তিন কারণে পেট্রোল, অকটেন সংকট

শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শ্রদ্ধার ফুলে ভরে ওঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদী। সরেজমিনে দেখা যায়,বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ভরে যাচ্ছে শহীদ বেদী। একই সঙ্গে দলে দলে ফুল হাতে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে প্রবেশ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। মানিকগঞ্জে স্কুল শিক্ষক রবিউল আলম জানান, আমি প্রতিবছরই শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এসেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা দেশ পেয়েছিলাম। তাদের কাছে আমরা চিরঋণী। তাই শহীদ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি বলে জানান তিনি। অপরদিকে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী তানজিন আফরোজা বলেন, আমি বন্ধুদের সঙ্গে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসেছি। আমরা গর্বিত আমাদের শহীদদের জন্য।  তাদের জীবনের বিনিময়ে পরিচিত হয়েছে এই বাংলাদেশ ও আমাদের মাতৃভূমি। তাই তাদের শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি বলে জানান তিনি। এর আগে ভোর ৬টার দিকে রাষ্ট্রপতি ও  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর, সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রদান করে গার্ড অব অনার। তারা কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।

Admin মার্চ ২৬, ২০২৬ 0

সৌদিতে মিসাইল হামলায় আহত বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু

নির্বাচন নিয়ে জাতির কাছে যে ওয়াদা ছিল তা পূরণ করেছি: সিইসি

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। গত ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপ ঘটে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০১১ সালের সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন হলে নতুন করে আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত নেয় সর্বোচ্চ আদালত। পরে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

Admin মার্চ ১৫, ২০২৬ 0

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশ ছাড়া চলবে না: আইজিপি

0 Comments