Categories
শিক্ষাঙ্গন

হতাশাগ্রস্থ হয়ে চবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

হতাশাগ্রস্থ হয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল হাসান মিশন আত্মহত্যা করেছে। ৫ মার্চ শুক্রবার দিবাগত রাতে তিনি নিজ বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

নাইমুলের গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার সোনাইপুল গ্রামে। তার বাবা মো. কামাল হোসেন সেনাবাহিনীতে কর্মরত।

ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাইম হাসানের প্রতিবেশী ও বন্ধু মো. আরমান মজুমদার। তিনি বলেন, নাইমের মা ফজরের নামাজ পড়তে উঠলে তার রুমে বাতি জ্বলতে দেখে ডাকাডাকি করেন। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খুললে সকাল ৭টায় দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। এসময় রুমে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়।

আত্মহত্যার আগে চিঠিতে নাইমুল হাসান লিখেন, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, আমার বেঁচে থাকার জন্য কোনো ইচ্ছা নেই তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ডারউইন বলেছিলেন, surrvival for fittest, but I am not even fit. যদি আমার জন্য কেউ কখনো কষ্ট পেয়ে থাকেন, পারলে মাফ করে দিয়েন’।

আরমান বলেন, সেনাবাহিনীর অফিসার পদে দুবার ও মেডিকেলে ভর্তির জন্যে দুবার চেষ্টা করেও সফল হয়নি মিশন। এজন্যে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগড় থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করেছি। ময়না তদন্তের পর কারণ জানা যাবে।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

ভিসি কলিমউল্লাহর বক্তব্য ‘নিতান্তই রুচিবিবর্জিত’

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর বক্তব্যকে ‘নিতান্তই রুচিবিবর্জিত’ বলে মন্তব্য করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে বেরোবির উপাচার্য সংবাদ সম্মেলন করে তার নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে দোষারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা শিক্ষামন্ত্রীর আশ্রয় ও আশকারায় হয়েছে।’

এরপরই বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের বক্তব্যকে ‘শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনকই নয়, নিতান্তই রুচিবিবর্জিত’ বলে মন্তব্য করা হয়। এতে বলা হয়, ‘উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কয়েকটি অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ আজ এক সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য রেখেছেন তার প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বরাবর তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। ইউজিসি তাদের নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণে তদন্ত সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করে। ইউজিসি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বিধায় এ প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে মন্ত্রণালয় বা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কলিমউল্লাহ সরাসরি শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন, যা নিতান্তই অনভিপ্রেত।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকাশনার জন্য মন্ত্রীর একটি বাণী একবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাওয়া হয়েছিল। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলন চলছিল। সে পরিস্থিতিতে মন্ত্রী সে বাণীটি দেওয়া সমীচীন মনে করেননি। এরপরে বিগত এক বছরে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মন্ত্রীর কাছে আর কোনো বাণী চাওয়া হয়নি। কলিমউল্লাহ এর বাইরেও মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার কথা উল্লেখ করে রাজনীতিকে জড়িয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন যার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো বিষয়ের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।’

কলিমউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে যেসব বক্তব্য রেখেছেন সেসব বিষয়ে এ মুহূর্তে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ‘কারণ তার বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি ইউজিসি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে শিগগির মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

ভিসি কলিমউল্লাহর কুশপুতুল দাহ করল ছাত্রলীগ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতি, ঢাকায় বসে মিথ্যাচার এবং শিক্ষামন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও তার কুশপুতুল দাহ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল শেষে উপাচার্যের কুশপুতুল দাহ করা হয়। এ সময় তাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

কুশপুতুল দাহ শেষে বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি তুষার কিবরিয়া উপাচার্যের অনিয়ম-দুর্নীতির শাস্তি দাবি করে বলেন, তার দুর্নীতির তদন্ত করায় শিক্ষামন্ত্রীসহ ইউজিসির বিরুদ্ধে ঢাকায় বসে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পে তিনি অনিয়ম করে উল্টো তিনি সরকারের বিভিন্ন মহলের বিরুদ্ধে বিষেদাগার করছেন। আমরা চাই অতিসত্তর তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যাহার করা হোক।

বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া বলেন, বর্তমান উপাচার্য দিনের পর দিন ঢাকায় থেকে লিয়াজোঁ অফিসের নামে অনিয়ম-দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। এর প্রতিবাদ করলেই হামলা-মামলা দিয়ে যাচ্ছেন। আজ তিনি সরকার মহলের দিকে আঙুল তুলেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তাকে জাতির উদ্দেশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে নইলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

৯ মার্চ থেকে এইচএসসির ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণ শুরু

আগামী ৯ মার্চ মঙ্গলবার থেকে অটোপাসে ঢাকা বোর্ডে উত্তীর্ণ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চলবে ১১ মার্চ পর্যন্ত।  ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে এসব ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৯ মার্চ ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের; ১০ মার্চ ঢাকা জেলা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণ করা হবে। আর ১১ মার্চ ঢাকা মহানগরীর কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণ করা হবে।

কেবল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে বা তার প্রাধিকার প্রাপ্ত কোনো শিক্ষককে ঢাকা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা থেকে অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। শিক্ষক ছাড়া অন্য কাউকে ট্রান্সক্রিপ্ট দেয়া হবে না।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলে আবেদনপত্রে সভাপতি বা জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে।

ট্রান্সক্রিপ্টে কোনো ভুল থাকলে তা সাত দিনের মধ্যে ঢাকা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জানাতেও কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও পড়ুন : র‌্যাগ ডে’ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল, ঢাবির দুঃখ প্রকাশ

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

আমি আদালতে যাব : সামিয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। যে লেখা আমার না, আমি শুধু আইডিয়া দিয়েছি। আমাকে না জানিয়ে ছাপা হলো। আমি নিজেই তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করার জন্যে আবেদন করলাম, সেখানে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো। আমি রাজনীতির শিকার। এতদিন তদন্ত চলায় আমি চুপ ছিলাম। এখন আমি আদালতে যাব। আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে যা যা করা প্রয়োজন করব।

১ মার্চ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অভিভাবক চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির কাছে আমাদের আবেদন, তিনি যেন প্রকৃত সত্য উদঘাটনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। আমার বিশ্বাস তিনি নির্দেশ দিলে সত্য ঘটনা ও ষড়যন্ত্র সব প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে আমি একটি আইনি পদক্ষেপের মধ্যেও রয়েছি।

তদন্ত কমিটি শুরু থেকে প্রতিহিংসাপরায়ণ ছিল উল্লেখ করে সামিয়া রহমান বলেন, দীর্ঘ চার বছর তারা তদন্ত ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। প্রতিটি মিটিংয়ের পর যেচে পড়ে তদন্ত কমিটির দু-তিনজন সদস্য সাংবাদিকদের ডেকে আমার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই আমার বিরুদ্ধে রায় তারা তৈরি করে রাখেন।

তিনি বলেন, ঘটনাটি প্রথম জানতে পারি ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ফরিদউদ্দীনের ফোনের মাধ্যমে। এই বিতর্কিত নিবন্ধটি আমার লেখা নয়। নিবন্ধটি প্রকাশনার জন্য আমি জমা দেইনি। রিভিউয়ারের রিপোর্টে সম্পাদনা পরিষদ থেকে আমার কাছে কখনই পাঠানো হয়নি এবং কোনো অ্যাকসেপ্টেন্স লেটারও আমার বরাবর প্রেরণ করা হয়নি।

বিতর্কিত নিবন্ধটি যেহেতু আমি জমা দেইনি, সেহেতু জমা দেয়া থেকে ছাপানো পর্যন্ত আমার কোনো দালিলিক সম্পৃক্ততা তদন্ত কমিটি এবং ট্রাইব্যুনালও খুঁজে পায়নি। আমি মারজানকে একটি আইডিয়া পাঠিয়েছিলাম মাত্র।

সামিয়া রহমান বলেন, আমি জার্নাল থেকে লেখাটি সরিয়ে ফেলার জন্যে ডিন অফিসকে লিখিত অনুরোধ করি। তৎকালীন উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক স্যারকে লেখাটি দেখানো হলে তিনি এটা প্লেজারিজম না, সাইটেশন (উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার) হয়েছে বলে জানান। এটার দেখার দায়িত্ব রিভিউয়ারের। আমি ডিনকে বিষয়টি সিন্ডিকেটে ওঠানোর জন্য বলি।

যখন উপাচার্য পরিবর্তন হলো তখন সেটি নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হলো। আমি বহুবার বলার পরও সেটি সিন্ডিকেটে ওঠেনি। ছয় মাস পর কেন তোলা হলো? শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাটি যাওয়ার কথা নয়, ঈর্ষান্বিত হয়ে বা প্রতিহিংসাবশত কেউ সেটি পাঠিয়েছে।’

ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমার নামে অভিযোগ আসে যে, ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সোশ্যাল সাইন্স জার্নালে আমার আর সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের নামে প্রকাশিত ‘A New Dimension in Colonialism and Pop Culture : A Case Study of the Cultural Imperialism’ প্রবন্ধটি শিকাগো জার্নালে প্রকাশিত মিশেল ফুকোর ‘The Subject and Power’ রচিত কিছু অংশ প্লেজারিজম (চৌর্যবৃত্তি) করা।

সেই জার্নালের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যালেক্স মার্টিন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। শিকাগো জার্নালের যে চিঠির ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে, চার বছর ধরে মিডিয়া ট্রায়াল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শাস্তির সুপারিশ করেছে, ডিমোশন দিয়েছে।

চিঠিটি ভুয়া দাবি করে সামিয়া রহমান বলেন, চিঠিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। শিকাগো জার্নাল থেকে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এ ধরনের কোনো চিঠি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আজ পর্যন্ত পাঠানো হয়নি। অ্যালেক্স মার্টিন বলেও শিকাগো জার্নালে কেউ কখনো কাজ করেনি। এমনকি শিকাগো ইউনিভার্সিটি এবং শিকাগো প্রেসেও অ্যালেক্স মার্টিন বলে কেউ নেই। শিকাগো জার্নালের এডিটর ক্রেইগ ওয়াকার নিজে জানিয়েছেন, অ্যালেক্স মার্টিন বলে কেউ কখনো শিকাগো জার্নালে ছিল না, কেউ নেই।

চার বছর ধরে তার নিশ্চুপ থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘চার বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের চাপে ও তদন্তাধীন বিষয় বলে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলাম। তার সুযোগে ষড়যন্ত্রকারীরা দিনের পর দিন প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে আমার বিরুদ্ধে। অবশ্যই বাংলাদেশের আদালতের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখে আদালতেই যাচ্ছি।

যে লেখাটি আমি লিখিনি, জমা দেইনি, (আইডিয়া দেয়া আর গবেষণা এক বিষয় নয়) ডিন অফিসে আমার কাছ থেকে লেখার কোনো হার্ড বা সফট কপি জমা দেয়ার প্রমাণ তদন্ত কমিটি, ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত পায়নি, রিভিউয়ারের কপিও আমার কাছে আসেনি।’

সংবাদ সম্মেলনে সামিয়া রহমানের সঙ্গে উপস্থিতি ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজসহ তার পরিবারের সদস্যরা।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

১৪ জুন থেকে রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু 

আগামী ১৪ জুন থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ১ মার্চ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগমী ১৪ জুন ‘সি’ ইউনিট, ১৫ জুন ‘এ’ ইউনিট এবং ১৬ জুন ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন ৩টি শিফটে পরীক্ষা নেয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষার জন্যে আগামী ৭ই মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১৮ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ করা হবে। প্রাথমিক আবেদন বাছাই শেষে ২৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চূড়ান্ত আবেদন করা যাবে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.ru.ac.bd) পাওয়া যাবে।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডিজিটাল জালিয়াতি, অবৈধ পন্থায় ভর্তি, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে স্থায়ী ও ১৫১ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

১ মার্চ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সিন্ডিকেটের এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ জন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫১ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ৩০ মার্চ

আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, রোজার সময়ও ক্লাস চলবে। শুধু ঈদের সময় কয়েকদিন ছুটি থাকবে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, ৩০- মার্চ থেকে খুললেও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবে না।

শিক্ষামন্ত্রী এর আগেই বলেছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রাথমিকভাবে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস হবে। বাকিরা সপ্তাহে এক দিন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস করবে।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কিনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মহামারি করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে ৬ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক সন্ধ্যায়

মহামারি করোনার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কি না- সেই সিদ্ধান্ত নিতে বসছে ৬ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক। ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এই বৈঠক হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা) মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব এবং পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কি না- সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানিয়ে ওইদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘সরকার খোলার (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) পরিবেশটা প্রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ৫-৬ দিনের মধ্যে একটা মিটিংয়ে বসে যাব ইনশাআল্লাহ। এটা আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং হবে। কারণ অনেককে লাগবে।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

জাতির পিতার সমাধিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধা

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের নবগঠিত কমিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ঢাকা থেকে পরিষদের সদস্যরা টুঙ্গিপাড়া গিয়ে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সবাই এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শামিম হোসেন খান এবং সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহসভাপতি আশফাক আকতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অজু উল্লাহ, ফিরোজ, সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, দফতর সস্পাদক সাব্বির হান্নান, অর্থ সম্পাদক মোহাস্সাদ হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন শাহ নেওয়াজ, ইয়াসিন আলী, সালাউদ্দিন, মিজান, ফকরুল।

পরিষদের সভাপতি শামিম হোসেন খান বলেন, ছাত্রাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব যেভাবে নিষ্ঠার পালন করেছি, ঠিক তেমনি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, পূর্বের ন্যায় কোনো বাত্যয় হবে না। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল ফাযিল কামিল ও ডিগ্রি মাদরাসাগুলোতে মুক্তিযুদ্ধোর চেতনায় উজ্জীবিত করবো এটাই হবে আমার প্রথম কাজ।

ভয়েস টিভি/এসএফ/এমএইচ