Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৩ জুন ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট এবং ১১ জুন ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের (সাধারণ জ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৬ এপ্রিল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির সভায় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এই প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভর্তি কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

রোজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত

করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে রমজান মাসের বেশিরভাগ সময়ই স্কুল-কলেজ খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব স্কুল-কলেজে ক্লাস চলবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত।

২৮ মার্চ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক আদেশে সরকারের এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অব্যাহত রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।

একইসঙ্গে আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক আদেশে ২০ রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এক্ষেত্রে প্রাথমিকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লাসের সময়সীমা নির্ধারণ করে অধিদপ্তর।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। প্রতিবছর রোজার মাস ঘিরে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকে। তবে করোনার দুই বছরে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অনেকটা ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবছর রোজার মাসে স্কুল-কলেজে ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিলো সরকার।

এদিকে রোজায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে ২০ রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রোজায় স্কুল-কলেজ খোলা রাখার বিষয়ে গত গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, অন্যান্য বছর রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও এবার ক্লাস চালু থাকবে। তবে ঈদের স্বাভাবিক ছুটি বহাল থাকবে।

গত ২৪ মার্চ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছিল, রমজানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে নামাজ পড়ার জন্য ৩০ মিনিট বিরতি পাবে শিক্ষকরা।

আদেশে আরও বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রম ২০ রমজান পর্যন্ত চালু থাকবে। শুধু রমজান মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি শ্রেণি পাঠদান পরিচালনার জন্য নির্দেশনাগুলো পালনে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দীর্ঘ ১৮ মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে খুলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর চার মাস যেতে না যেতেই চলতি বছরের শুরুতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। যা বহাল ছিল ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এরপর পর্যায়ক্রমে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয় সরকার। সবশেষ মার্চের প্রথম সপ্তাহে খুলে প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিকেরও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে।

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০ রমজান পর্যন্ত খোলা থাকবে

সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০ রমজান পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

১৯ মার্চ শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তোমরা এ দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশ। তোমরা সুশিক্ষা অর্জন করে কেউ সচিব, কেউ চিকিৎসক, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ রাজনীতিবিদ, আবার কেউ হবে এদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাই পড়াশোনা ভালো করে করতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়নে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্টের উন্নয়নসহ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে নতুন বই ও উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহীদুল ইসলাম মন্ডলের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন- ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন- রংপুর বিভাগের প্রাথমিকের উপ-পরিচালক মোজাহিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার স্মৃতি, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ও বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল কাদের।

এর আগে খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

সবার সহযোগিতায় ঘাটতি পুষিয়ে উঠতে পারবো: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনাকালে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যে ক্ষতি হয়েছে তা এক শিক্ষাবর্ষে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এই ক্ষতি শুধু আমাদের না, সারাবিশ্বেই হয়েছে। আশা করি শিক্ষক-অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতায় নিশ্চয়ই ঘাটতি পুষিয়ে উঠতে পারব।

১৯ মার্চ শনিবার সকালে বরিশাল বিমানবন্দরে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা ৬০-৬৫ ভাগের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে পারিনি। তবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে ৯৩ ভাগের মতো শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে পেরেছিলাম। আর বর্তমানে পুরোদমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে। অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে। ব্যাপারটি শিক্ষকরাও অ্যাসেস করছেন।

তিনি বলেন, সকল বিদ্যালয়ে বই পৌঁছেনি এমন তথ্য সম্ভবত সঠিক নয়। কারণ মাধ্যমিক স্তরের সকল স্কুলে বই পৌঁছানো হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য আমি বলতে পারছি না। তবে না পৌঁছানোর কোনো কারণ নেই। যদি কোনো বিদ্যালয়ে না পৌঁছে তা স্থানীয় সমস্যা। আমাকে সুনির্দিষ্ট করে বলা হলে সেই বিদ্যালয়ের বিষয়ে অবশ্যই খতিয়ে দেখব।

শিক্ষামন্ত্রী গোপালগঞ্জের একটি কর্মসূচিতে যোগদান করতে বরিশাল বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়ক পথে যাত্রা করেন। সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে বরিশালে পৌঁছান।

এ সময়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আরও ছিলেন- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ভয়েসটিভি/আরকে

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

স্বাভাবিক রুটিনে স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু, স্বস্তিতে অভিভাবকরা

মহামারীর ধাক্কা সামলে দীর্ঘ দু’বছর পর স্বাভাবিক রুটিনে ক্লাস শুরু হয়েছে স্কুল-কলেজগুলোতে। মাঝে সংক্রমণ কমে এলে সীমিত আকারে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়। মঙ্গলবার ১৫ মার্চ থেকে প্রতিদিন সব বিষয়ে পুরোদমে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।

সশরীরে শুরু হওয়া এ ক্লাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলবে। করোনার সংক্রমণে দুই শতাংশের নিচে নেমে আসায় সোমবার ১৪ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলে সশরীরে পূর্ণাঙ্গ শ্রেণি কার্যক্রমে ফিরতে দুই বছরের অপেক্ষার অবসান হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে অভিভাবকদের মনেও। শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ।

সরেজমিনে রাজধানীর আজিমপুরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল, আজিমপুর গার্লস স্কুল, অগ্রণী বালিকা স্কুল ও উদয়ন স্কুল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিকে রাজধানীতে শুরু হয়েছে যানজট। শিক্ষার্থীদের চাপে স্কুল ও আশপাশের এলাকায় প্রকট যানজট দেখা দেয়। যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সাত সকালে ট্রাফিক পুলিশকে দেখা যায় ব্যস্ত। কোনো কোনো অভিভাবককে স্কুলের আশপাশের বেকারি ও দোকান থেকে সন্তানদের জন্য টিফিন কিনতে দেখা যায়। ফলে এসব দোকানে বাড়ে বেচাকেনা।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে একাধিক অভিভাবক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুরোদমে ক্লাস শুরু হয়েছে। ফলে রাত থেকেই স্কুল ড্রেস, ব্যাগ, বই, খাতা-কলম গুছিয়ে রাখে সন্তানরা।

লালবাগের বাসিন্দা ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নুসাইবা রহমানের মা লায়লা রহমান বলেন, এতোদিন সীমিত আকারে ক্লাস থাকায় সন্তানদের ঘুমাতে দেরি হতো। এখন থেকে স্কুল শুরু হওয়ায় রাতে দ্রুত ঘুমাতে যাওয়াসহ রুটিনে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।

তিনি জানান, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মেয়ে ক্লাসে থাকবে। তাই টিফিন কিনে দিতে হয়েছে। তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।

রাজধানীর জিগাতলার বাসিন্দা উদয়ন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মনজুরুল হোসেনের বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, নতুন এক যুদ্ধ শুরু হলো। সকালে স্কুলে দৌড়ানো, ছুটি শেষে বাসায় নিয়ে যাওয়া, সেখান থেকে কোচিংয়ে নেওয়া।

তবে সন্তানের কথা ভেবে এসব কষ্টকে পাত্তা দিচ্ছেন না তিনি। বলেন, কষ্ট হলেও সন্তানরা পড়াশুনা করে ভালো মানুষ হবে এটাই চাওয়া।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
শিক্ষাঙ্গন

স্কলারশিপ চালু হচ্ছে স্কুল ক্রিক্রেটে, সেরা দশে সম্মানী

জাতীয় স্কুল ক্রিকেট দেশের সবচেয়ে বড় উৎসব। করোনার কারণে গত দুই বছর ধরে থেমেছিল সে উৎসব। নিয়মিত খেলা না হওয়ায় বিসিবিতে যোগ করা হয়নি নতুন প্রতিভা। করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকায় এবার স্কুল খুলে গেছে, খোলার অপেক্ষায় স্কুল ক্রিকেট। চলতিত মাসের শেষ বা আগামী মাসের প্রথম দিকে দেশব্যাপী শুরু হবে জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। প্রতিভাবান ক্রিকেটার খুঁজে পেতে টুর্নামেন্টটিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ওবেদ রশিদ নিজাম জেলায় জেলায় ভেন্যু পরিদর্শন করছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে খেলোয়াড় বাছাই করা হচ্ছে স্কুল দল গড়তে। স্কুলগুলোর কাছে টুর্নামেন্টটিকে আকর্ষণীয় করতে প্রাইজমানি এবং স্কলারশিপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিসিবির জাতীয় স্কুল টুর্নামেন্টে প্রতি বছর সাড়ে পাঁচশ দল খেলে। জেলা ও বিভাগীয় পর্বের প্রতিটি ধাপে উত্তীর্ণ হয়ে সুযোগ করে নিতে হয় জাতীয় পর্যায়ের খেলায়। চূড়ান্ত খেলা শেষে বাছাইকৃত প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ দেয় বিসিবি। এবার আরও পরিকল্পিত এবং গুছিয়ে করা হবে টুর্নামেন্টটি।

ওবেদ নিজাম বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেটের উৎসবকে আকর্ষণীয় করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক হতে হবে। যেখান থেকে ছেলেরা যোগ হবে জাতীয় পর্যায়ে। প্রতিভাবান ছেলেগুলো যাতে খেলার মধ্যে থাকতে পারে সে জন্য স্কলারশিপ চালু করতে চাচ্ছি। সেরা ১০ জন ছেলেকে এক বছরের জন্য ন্যূনতম সম্মানী দেওয়া গেলে ভালো হয়। চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ দলের জন্য ট্রফির সঙ্গে প্রাইজমানিও রাখতে পারব বলে আশা করি। মঙ্গলবার মিটিং আছে। সেখানে প্রস্তাবনাগুলো তোলা হবে। আমার বিশ্বাস বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া যাবে।’

জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চমকপ্রদ আরও কিছু জিনিস প্রবর্তন করা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের ডাটাবেজ সংরক্ষণ করা হবে ডিজিটালি। ন্যাশনাল গেম ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার আবু ইমাম মো. কাউসার বলেন, ‘পরীক্ষামূলক সার্ভারে ডাটা ইনপুট দেওয়া হচ্ছে। ফাইনাল হয়ে গেলেই নেটওয়ার্কে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের তথ্য পাওয়া যাবে।’

২০১৯ সালে ৫৫৬টি স্কুল অংশ নিলেও এবার সেটা চারশ থেকে সাড়ে চারশর মধ্যে রাখা হতে পারে। ওবেদ নিজাম জানান, সংখ্যার সঙ্গে কোয়ালিটিও দেখা হবে এবার। তিনি বলেন, ‘যেসব স্কুলে খেলাধুলা হয়, ক্রিকেট দল করে, তারাই কেবল সুযোগ পাবে। জেলা ও বিভাগীয় কোচ এবং ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে খেলোয়াড় বাছাই করে স্কুলগুলোকে দল গড়তে সাহায্য করা হবে। বিসিবি যেখানে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকবে।’

ঈদের আগেই জেলা পর্যায়ের খেলা শেষ করতে চায় বিসিবির বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটি। বিভাগীয় খেলাগুলো হবে পরে। টার্ফের উইকেটে ৫০ ওভারের ম্যাচ হবে। যেসব ভেন্যুতে টার্ফের উইকেট নেই সেখানে ম্যাট দেবে বিসিবি। ওবেদ নিজামের জন্য ভালো খবর হলো স্পন্সর ফিরেছে স্কুল ক্রিকেটে। মাঝে বিরতি দিলেও প্রাইম ব্যাংক লম্বা সময়ের জন্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বিসিবির সঙ্গে। বোর্ডের কোষাগার থেকে খুব বেশি খরচ করতে হবে না। ওবেদ নিজামও চান বাজেটের ভেতর থেকে টুর্নামেন্টকে আকর্ষণীয় করতে। শেষ পর্যন্ত কতটা জাঁকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্ট হলো সেটা বড় বিষয় না, স্কুল ক্রিকেট মাঠে ফেরানোই হবে করোনাকালের অর্জন।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

মঙ্গলবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান শুরু

দুই বছর পর আবার আগের স্বরূপে ফিরছে দেশের শিক্ষাঙ্গন। করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান সীমিত পরিসরে ছিল। তবে মঙ্গলবার ১৫ মার্চ থেকে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক সময়ের মতোই শতভাগ ক্লাস ও পরীক্ষা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অনলাইনে চলতে থাকে শিক্ষাকার্যক্রম। কিন্তু দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় হাঁপিয়ে ওঠেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এরপর বিভিন্ন সময় স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার দাবি ওঠে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় ২১ জানুয়ারি ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এক মাস পর ২২ ফেব্রুয়ারি শুধু মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি ক্লাস চালু করা হয়। এরপর ২ মার্চ সীমিত আকারে প্রাথমিক স্তরে পাঠদান শুরু হয়।

রাজধানীতে গত শনিবার ১২ মার্চ একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ১৫ মার্চ থেকে শুরু হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে পরীক্ষার সংখ্যা কমবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি দূর হবে। প্রতিদিনের লেখাপড়া প্রতিদিনই মূল্যায়ন করা হবে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণি কার্যক্রমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সচিব আমিনুল ইসলাম খান জানান, প্রাথমিক স্তরে ক্লাস চলছে পুরোদমে। শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ৬ দিনই স্কুলে যাচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস উন্মুক্ত করতে সময় নেওয়া হয়েছে। এখন তাদের জন্যও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বার খুলে দেওয়া হবে। ১৫ মার্চ থেকেই তাদের সশরীরে ক্লাস নেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পুরোদমে ক্লাস শুরুর ক্ষেত্রে প্রধান বাধা ছিল ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা। প্রথমে সারাদেশে এক কোটি ২৯ লাখ শিক্ষার্থী ছিল এই ক্লাবে। পরে সেখানে আরও ১০ লাখ শিক্ষার্থী যুক্ত হয়। এছাড়া সংক্রমণ পরিস্থিতি দুই শতাংশের মধ্যে নেমে আসার দিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছিল। গত রোববার (১৩ মার্চ) দেশে সন্দেহভাজনদের মধ্যে করোনা শনাক্তের হার ছিল এক দশমিক ৮৮ শতাংশ। গত কয়েকদিনে করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত মনে হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্র জানায়, সারাদেশে ১২ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে এক কোটি ৩৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থী আছে। ৯ মার্চের তথ্য অনুযায়ী তাদের মধ্যে এক কোটি ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৫০ জনকে দ্বিতীয় ডোজের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। আর প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৮০৩ জনকে। অর্থাৎ প্রায় ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথম ডোজ আর ৮০ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছে। তবে গত পাঁচদিনে এই সংখ্যা বেড়েছে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, প্রথম ডোজের পর দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে একটি সময়ের পার্থক্য থাকতে হয়। এটা মানতে গিয়ে সবাইকে দ্রুত টিকা দেওয়া যাচ্ছে না। তবে যারা টিকা পাচ্ছে তারা নিয়মিত ক্লাস করবে। পাশাপাশি অনলাইন ও দূরশিক্ষণের ব্যবস্থাও চালু থাকছে।

এদিকে এবারে রোজার ছুটি কমানো হয়েছে। অন্যান্য বছর প্রথম রোজা থেকেই স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হতো। কিন্তু এবছর ২০ রোজা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলবে।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
শিক্ষাঙ্গন

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হবে ৫ ধাপে

এবারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ৫ ধাপে হবে।নিয়ম পাল্টে ৫ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি এড়াতে কেন্দ্রীয়ভাবে শুধুমাত্র ঢাকার একাধিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হবে।

এছাড়াও ৮ এপ্রিল, ১৫ এপ্রিল ২২ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। পাঁচ ধাপে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এটিই অধিদপ্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ আটকে থাকায় স্কুলগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট নিরসনে প্রায় ৪৫ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আগামী এপ্রিল মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। জুলাই মাসে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ দেয়া হবে।

নিয়োগ পরীক্ষার গ্রহণের জন্য কেন্দ্রের আসন সংখ্যা তথ্য চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি চিঠি বাংলাদেশ জার্নালের হাতে রয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ।

পঞ্চমধাপে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা সকাল ১০টা/ বিকাল ৩টা হতে কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার বিভিন্নকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে অধিদপ্তর।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

এইচএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশ ১৩ মার্চ

২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ১৩ মার্চ রোববার। বেলা ১১টার পর যেকোনো সময় এই ফল প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশের সামগ্রিক প্রস্তুতি শেষ করেছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। রোববার বেলা ১১টার পর যেকোনো সময় এই ফল প্রকাশ হবে। যাদের ফল পরিবর্তন হয়েছে তাদের মোবাইলে এসএমএস চলে যাবে।

উল্লেখ্য , গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাসের হার ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী।

প্রকাশিত ফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। ২০ ফেব্রুয়ারি এ আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়।

ভয়েসটিভি/আরকে

Categories
শিক্ষাঙ্গন

১৫ মার্চ থেকে সশরীরে পুরোদমে ক্লাস শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

আগামী ১৫ মার্চ মঙ্গলবার থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পুরোদমে ক্লাস শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

১২ মার্চ শনিবার রাজধানীর টিকাটুলীতে শেরে-বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন শেষে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১৫ মার্চ থেকে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ওই দিন থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পুরোদমে ক্লাস শুরু হবে।’

আরও পড়ুন: চলতি মাসে মাধ্যমিকে পুরোদমে ক্লাস শুরু: শিক্ষামন্ত্রী 

দেশে করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে দীর্ঘ ১৮ মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও শ্রেণি কার্যক্রম চলছিল স্বল্প পরিসরে।

সব শ্রেণির ক্লাস সব দিন হচ্ছিল না। কিন্তু নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। প্রথম দফায় এই ছুটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ৬ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু পরে তা আবার বাড়িয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ভয়েসটিভি/আরকে