Categories
চিকিৎসা শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা মানলেও অভিভাবকরা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অধিকাংশ জায়গায় অভিভাবকেরা সেটা মানছেন না জানিয়ে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে এলে সব ক্লাসই নেওয়া যাবে। তবে সংক্রমণের হার যদি বেড়ে যায়, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বরের পর যে কোনো দিন বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে পারবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার জন্য সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এ প্রক্রিয়া শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে টিকা নিতে পারবেন। স্থানীয় টিকাকেন্দ্রেও টিকা নেওয়া যাবে। টিকা দেওয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে উপাচার্যদের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে খুলছে ঢাবির হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্যে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ আগামী ৫ অক্টোবর থেকে আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের যেসব শিক্ষার্থী অন্তত কোভিড-১৯ এর প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন তারা স্বাস্থ্যবিধি ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর মেনে টিকাকার্ড বা সনদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখিয়ে গ্রন্থাগার ব্যবহার ও নিজ নিজ হলে উঠতে পারবে।

প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, বিজ্ঞান গ্রন্থাগার ও বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের সেমিনার লাইব্রেরিগুলো ব্যবহার করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট আবাসিক শিক্ষার্থীরা ৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে নিজ নিজ হলে উঠতে পারবে। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরও টিকা নেওয়ার সনদ বা প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

আরও বলা হয়, সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের দৃশ্যমান জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের নির্দেশিকা সম্বলিত ব্যানার/ফেস্টুন থাকবে। টিকা নেওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অনার্স প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ নিজ আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে। আবাসিক হলগুলোতে আগের মতো ঠাসাঠাসি করে বসবাস ও কথিত কোনো ‘গণরুম’ রাখা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র নিয়মিত আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করবে। সভায় হল ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

শতভাগ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় আসার পর সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসার পর সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রমের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে টিকাদান কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকার নিবন্ধন করেননি, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধনের আওতায় এসে টিকা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাসও সপ্তাহে দুই দিন

পঞ্চম শ্রেণি এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মতো অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসও সপ্তাহে দুই দিন নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত আদেশে ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সব সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্তে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়। শুরুতে পঞ্চম শ্রেণি এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন এবং অন্য শ্রেণিগুলোর ক্লাস সপ্তাহে একদিন করে নেয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল সরকার।

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম নিয়ে নতুন আদেশে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশের মাধ্যমিক স্তরের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম নতুন সূচি অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়, শনিবার ও বুধবার নবম শ্রেণি এবং রোববার ও বুধবার অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়াও সোমবার সপ্তম শ্রেণি এবং মঙ্গলবার ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস হবে।

আর চলতি বছরের এবং আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন নিতে হবে বলে নির্দেশনায় স্মরণ করে দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণি কার্যক্রম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে পরিচালনা করতে হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির (নিম্ন মাধ্যমিক) শ্রেণি কার্যক্রম মাধ্যমিকের (ষষ্ঠ থেকে নবম) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করতে হবে।

শ্রেণি কার্যক্রম বাড়ানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের হার কমে গেলে ক্রমান্বয়ে ক্লাসের দিনসংখ্যা বাড়ানো হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে আইনি নোটিশ

করোনা মহামারি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ছয়জনকে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।

নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে নোটিশে করোনাকালীন পুরো সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যৌথ কমিটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে অনলাইনে শতভাগ ক্লাস নেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ খুলে দিতে সরকারকে আরেকটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে দফায় দফার বন্ধ বাড়িয়ে চলতি মাসের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

এ মাসে খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

চলতি মাসের ২৭ তারিখের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।

১৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাসে পাঠদান শুরুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাদের আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার একটি ডোজ নেওয়া হয়েছে এবং যাদের ক্যাম্পাসের মধ্যে সুযোগ আছে সেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। সুরক্ষা অ্যাপে জন্ম নিবন্ধন নম্বর যুক্ত করে টিকার জন্য সেসব শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তখন জানানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে। তবে এর আগে সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউজিসিতে টিকা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সেগুলো আগে খুলবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেড় বছর পর গত রোববার থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। সোমবার খুলেছে মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ও নার্সিং সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

নভেম্বরের মাঝামাঝিতে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ১০-১২ নভেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন শুরু করা হতে পারে। পরীক্ষা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরীক্ষা শুরুর ১৫ দিন আগে সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার জন্য প্রশ্নপত্র ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রশ্নপত্র জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে।

সূত্র জানায়, আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের যেকোনো দিন থেকে পরীক্ষা শুরু করতে চায় শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেহেতু ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে, সেহেতু উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করলে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বাছাইয়ের সুযোগ বাড়ানো হবে। আগে ১০টি প্রশ্নের মধ্যে ৭-৮টির উত্তর দিতে হলেও এবার সেখানে চারটির উত্তর দিতে বলা হবে।

এদিকে, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রের বেঞ্চগুলোতে ইংরেজি বর্ণ ‘জেড’ আকারে বসানো হবে পরীক্ষার্থীদের। কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সবাইকে মাস্ক পরে ঢুকতে হবে। প্রবেশের ফটকে রাখা হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চালাতে হবে যাবতীয় কার্যক্রম।

জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক নেহাল আহমেদ সোমবার রাতে বলেন, ‘আগামী ১০, ১১ বা ১২ নভেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করতে পারলে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। পরীক্ষা শেষে পরবর্তী এক মাস পর ফল প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে চলতি সপ্তাহে পরীক্ষা শুরুর দিন চূড়ান্ত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু চলতি বছরের মধ্যে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করতে হবে। সে কারণে পরীক্ষা শুরু ও ফলাফল প্রকাশের জন্য আমরা হিসাব-নিকাশ করছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সম্মতি দিলে আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের যেকোনো দিন এসএসসি পরীক্ষা শুরু করা হবে।’

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতি বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এজন্য কেন্দ্রগুলোর জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হবে। আমরা পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় যখন ঘোষণা দেবে, তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে।’

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু সংক্ষিপ্ত আকারে তিন বিষয়ের পরীক্ষা হবে এবং বিভাগভিত্তিক সকাল-বিকেল পরীক্ষার আয়োজন করা হবে, সেহেতু এসএসসির জন্য কেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে এবার সারাদেশে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। তার মধ্যে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে চার লাখ ৭৩ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

একাদশ-দ্বাদশ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পরীক্ষা নিয়ে সেই দুই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল দেওয়া হবে। পরিবর্তন হতে পারে এইচএসসির নাম-গ্রেডিং পদ্ধতিও।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে ১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপনের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকবে না বার্ষিক পরীক্ষা। নতুন প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমে নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের বিভাজন করা হবে না, কারিগরি শিক্ষা প্রাধান্য পাবে।

তিনি আরো বলেন, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমের ওপর। উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এর ফলাফল হবে একাদশ ও দ্বাদশের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল মিলিয়ে।

এ সময় দীপু মনি জানান, সংক্রমণের হার দেখে চতুর্থ সপ্তাহ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন রুটিন হবে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমে নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের বিভাজন করা হবে না, কারিগরি শিক্ষা প্রাধান্য পাবে। যা ২০২৩ সাল থেকে কার্যকর হবে।

এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা থাকছে না

নতুন প্রণীত জাতীয় শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা তুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না। সাময়িক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

থাকছে না পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘২০২৩ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না। সাময়িক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় শিক্ষার্থীরা আনন্দিত: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে অভিভাবকদের অযথা জটলা না করে স্বাস্থ্যবিধি মানার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।

১২ সেপ্টেম্বর রোববার মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। তারা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদানে অংশ নিয়েছে। নিজেরাই হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে এসেছে, মাস্ক পড়েছে এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও তাদের হ্যান্ড থার্মাল দিয়ে তাপমাত্রা মেপে দেখছেন। মনে হচ্ছে সেই পুরোনো পরিবেশ ফিরে এসেছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। আমাদের মনিটরিং টিম কাজ করছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের কাউন্সিলিং করা হচ্ছে নিজ নিজ বাসা-বাড়ি পরিষ্কারের জন্য। তবে করোনা পরিস্থিতি এখনো সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়নি তাই অভিভাবকদের বলবো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অযথা ভিড় করবেন না। শিক্ষার্থীরা যেমন শারীরিক দূরুত্ব মানছেন আপনারাও সেটা মেনে চলুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা খানমসহ স্থানীয় কাউন্সিলর ও মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তারা।