Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১ অক্টোবর, প্রতি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৫ জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষা ১ অক্টোবর শুরু হচ্ছে। এদিন ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এবার ঢাবিতে ভর্তির জন্য প্রতি আসনে পরীক্ষা দেবেন ৪৫ জন।

২৯ সেপ্টেম্বর বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ভয়েসটিভি/এসএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনা সংক্রমণ রোধে ৪ দফা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনা সংক্রমণ রোধে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুনরায় শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুকরণের জন্য একটি গাইডলাইন ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) জারি করা হয়েছে। এছাড়া মনিটরিং চেক লিস্টের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দৈনিক ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি-

১. সব শিক্ষক শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে খোঁজ-খবর নেবেন।

২. শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ করোনা আক্রান্ত বা করোনার কোনো লক্ষণ (জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি) আছে কিনা তার খোঁজ নেবেন।

৩. কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনা বা করোনার লক্ষণাক্রান্ত হয়ে থাকলে দ্রুত সেই শিক্ষার্থীকে আইসোলেশনে রেখে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

৪. প্রতিষ্ঠান প্রধান ওই শ্রেণি কক্ষের শিক্ষক ও সব শিক্ষার্থীর দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনা টেস্ট করার ব্যবস্থা নেবেন।

এমতাবস্থায় অধিদপ্তরের সব পরিচালক, উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তার আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবহিতকরণ, বাস্তবায়নে তত্ত্বাবধান এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং) প্রফেসর মো. আমির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো হয়েছে।

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

যেসব নির্দেশনা মানতে হবে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের

করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিততে গতবারের মতো ‘অটোপাশ’ থাকছে না এবার। তবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নভেম্বরে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত নেয়া হবে এই পরীক্ষা। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ১৩ দফা নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটি এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে। সেই রুটিনের সঙ্গেই এসেছে ১৩ দফা নির্দেশনা।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে শিক্ষার্থীদের। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে আসন নিতে হবে। আর দেড় ঘণ্টার পরীক্ষায় বহুনির্বচনি (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। আর পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষার শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকাল ১০টায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় বিতরণ করা হবে বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ করে সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে।

অন্যদিকে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর দেড়টায় উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। দুপুর ২টায় বিতরণ করা হবে বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ করে সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ উত্তরপত্রে ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/ রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক খাতার নম্বরের অংশে আলাদা আলাদাভাবে পাস করতে হবে। এ ক্ষেত্রেরা পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা বিষয়েই কেবল অংশ নিতে পারবে।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, কোনো পরীক্ষার পরীক্ষা নিজ বিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে না। পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। পরীক্ষার্থী বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেবল কেন্দ্র সচিব ফিচার ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ড আরও বলছে, সৃজনশীল/ রচনামূলক (তত্ত্বীয়) ও বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার ফলপ্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ে এনসিটিবি’র নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতার (নোটবুক) নম্বর দিয়ে নম্বরগুলো ২৮ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক খাতার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী প্রথম দিন ১৪ নভেম্বর সকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সকালে এবং হিসাববিজ্ঞান বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ নভেম্বর (তত্ত্বীয়) রসায়ন, ১৮ নভেম্বর শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) অনুষ্ঠিত হবে। ২১ নভেম্বর সকালে ভূগোল ও পরিবেশ এবং বিকেলে ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২২ নভেম্বর উচ্চতর গণিত ও জীববিজ্ঞান সকালে অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ নভেম্বর পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সকালে আর বিকেলে ব্যবসায় উদ্যোগ বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

১৪ নভেম্বর এসএসসি, ২ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা

চলতি বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার এই দুই পরীক্ষার সময়সূচির অনুমোদন দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত এসএসসি পরীক্ষার সূচিতে দেখা গেছে, আগামী ১৪ নভেম্বর পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু করা হবে। ২৩ নভেম্বর পৌরনীতি ও নাগরিকতা, অর্থনীতি এবং ব্যবসায় উদ্যোগ বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ হবে।

অন্যদিকে, এইচএসসি পরীক্ষায় তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

সময়সূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা, দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উভয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় অংশের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য দেড় ঘণ্টা করে সময় দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আমাদের প্রস্তাবনার ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার রুটিন অনুমোদন দিয়েছে। বিকেলে এটি নিয়ে বৈঠক আছে। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দুই পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত, প্রকাশ হবে আজ

মাধ্যমিক পর্যায়ের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা ২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড থেকে জানা গেছে, এসএসসি সমমান পরীক্ষা ১০, ১২, ১৪ ও ১৫ নভেম্বর শুরু করতে আলাদা চারটি প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ১৫ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু করে ২৮ নভেম্বর পরীক্ষা শেষ করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ২৬ সেপ্টেম্বর রোববার আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, এসএসসি পরীক্ষা শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চারটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের পাঠানো প্রস্তাবের অনুমোদন এখনও হাতে আসেনি। সোমবার সেটি পাওয়ার কথা রয়েছে। পরীক্ষার রুটিন পেলে সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

অন্যদিকে চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর। ২৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০২১ সালের দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি আলাদাভাবে ঘােষণা করেছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বাের্ড।

প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষা হয়। এবার করােনার কারণে এসব পরীক্ষা পিছিয়ে আগামী নভেম্বরে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ও মাত্র তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষাবোর্ডের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এবার এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা একই দিন শুরু না হলেও একদিন আগে-পরে হতে পারে।

এবারের দাখিল পরীক্ষা আগামী ১৪ নভেম্বর শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরের এইচএসসি পরীক্ষা

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, মধ্য নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের শেষের দিকে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

২৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু-বাপু ডিজিটাল এক্সিবিউশন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা আশা করছি সময়মতো হবে। নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে আমরা তারিখ ঠিক করছি। মধ্য নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের গোড়ায় এইচএসসি পরীক্ষা হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা প্রসঙ্গে দীপু মনি জানান, করোনা সংক্রমণ নিয়ে এমন কোন পরিস্থিতি তৈরী হয়নি, যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে; সংক্রমণের ঘটনাগুলোতে স্কুলের সবার পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি মনিটরিং করছে।

করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও এসময় জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তবে প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাক্রম শুরু নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলে গত বছরের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২০ সালের মার্চে সংক্রমণ দেখা দেওয়ার ঠিক আগেই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আটকে যান।

ছুটির সময় কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয়নি। গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করা হয় তাদের এসএসসি ও জেএসসির ফলের গড় করে। কিন্তু চলতি বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।

এরই মধ্যে একাধিকবার স্কুল ও কলেজ খোলার দিনক্ষণ নির্ধারণ এবং প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হলেও মহামারি পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। করোনা সংক্রমণ কমে আসায় সর্বশেষ ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল ও কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ইউজিসির সতর্কতা

বর্তমানে দেশে ১০৮টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমতিক্রমে ৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও তাদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেনি।

শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৬টিতে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে ২৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইউজিসি।

ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইউজিসির ওয়েবসাইট (www.ugc.gov.bd) ভিজিট করে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ক্যাম্পাস এবং অনুমোদিত প্রোগ্রামে কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০, কমিশনের নিয়ম-নীতি ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অননুমোদিত ক্যাম্পাস, অননুমোদিত প্রোগ্রাম এবং অনুমোদিত প্রোগ্রামে কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার অতিরিক্ত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তিপূর্বক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অননুমোদিত/অবৈধভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা থেকে বিরত থাকার জন্য কমিশন থেকে ইতোমধ্যে একাধিকবার সতর্ক ও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা- শিরোনামে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তারকা চিহ্নসহ কমিশনের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য প্রদর্শিত রয়েছে। নিয়মানুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে অর্জিত ডিগ্রির মূল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী হবেন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার সকলেই নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি রয়েছে ৬৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রো-ভিসি রয়েছে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ট্রেজারার রয়েছে ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার পদে কোন ব্যক্তি নিয়োজিত নেই।

কমিশনের ওয়েবসাইটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাবলি শিরোনামের সেবাবক্সে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে সঠিক তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কেউ কোনো অননুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত ক্যাম্পাস, অননুমোদিত প্রোগ্রামে এবং অনুমোদিত প্রোগ্রামে কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার বিপরীতে অতিরিক্ত আসনে ভর্তি হয়ে প্রতারিত হলে এবং এর ফলে পরবর্তীতে কোনো আইনগত সমস্যার সম্মুখীন হলে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষিত হলে অথবা সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম বাতিল হলে বা অনুমোদিত আসন সংখ্যার অধিক আসনে ভর্তি হওয়ার কারণে সনদ বাতিল হলে তার দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ওপর বর্তাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অবিভাবক/শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী কমিশন অনুমোদিত প্রোগ্রাম অনুমোদন পত্র প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে বিধায় ভর্তির সময় তা দেখে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তিতে।

এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য আরো জানানো যাচ্ছে যে, বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া নামে বা স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অবৈধভাবে ওয়েবসাইট বা অফিস খুলে তথাকথিত পিএইচডিসহ বিভিন্ন ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে, যা কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অদ্যাবধি কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা/ক্যাম্পাস/স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কমিশন কর্তৃক দেওয়া হয়নি। সুতরাং অননুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে বা ডিগ্রি নিয়ে প্রতারিত না হওয়ার জন্যও শিক্ষার্থী/অভিভাবকদের পরামর্শমূলক সতর্ক করা হলো। উল্লেখ্য যে, কমিশন থেকে এ অবধি কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনা করার অনুমোদন দেয়া হয়নি।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

আইনে রয়েছে জেলা সদরেই স্থাপিত হবে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন বাঁধাগ্রস্থ করার জন্যে নানা চক্রান্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠির এমন অপচেষ্টায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জেলার সচেতন মহল ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদনের পর প্রাথমিক স্থান নির্ধারণ করা হয়। এরপর খসড়া আইন পাশ হয় মন্ত্রিসভায়। পরর্তীতে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয় সংসদে। প্রকাশিত হয় গেজেট।

আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয় চাঁদপুর সদর উপজেলায়। বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক টিমের পর্যবেক্ষণ, মতামত এবং সুপারিশের ভিত্তিতে ভৌগলিকসহ নানা কারণে তিন জেলা থেকে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় সুবিধাজনক স্থান হিসেবে সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নে খাসজমিসহ ৬২ একর প্রায় খালি জায়গায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

ভুমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি অধিগ্রহণের নিয়ম অনুয়ায়ী ৫০ বিঘার বেশি জমি অধিগ্রহণ করতে হলে তা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে হিসেবে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবিত এলাকায় স্থাপনের জন্যে ভূমি অধিগ্রহণ এর জন্যে ফাইল অনুমোদন প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর ভূমি মন্ত্রণালয় দ্রুত সময়ে জমি অধিগ্রহণের জন্যে নির্দেশনাও প্রদান করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় নির্ধারিত স্থানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ এবং স্থাপনা নির্মাণসহ অন্যান্য কার্যক্রম চূড়ান্ত ভাবে শুরু করার উদ্যোগ নেয়র সময়ে শুরু হয়েছে অপপ্রচার আর বাঁধাগ্রস্থ করার নানা চক্রান্ত। কেউ কেউ দাবি তুলছেন হাজীগঞ্জ উপজেলায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হোক। অথচ প্রস্তাবিত স্থানে প্রত্যাশী সংস্থার চাহিদার প্রেক্ষিতে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে ভূমি মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করে। কারণ চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০ এর বিধান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় হতে হবে চাঁদপুর সদর উপজেলার মধ্যে। আইনের ১৬ নং ধারার ৩-এর ১ ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলায় চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ঈযধহফঢ়ঁৎ ঝপরবহপব ধহফ ঞবপযহড়ষড়মু টহরাবৎংরঃু) নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হইবে।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সংসদে বিল পাসের প্রস্তাব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খসড়া আইনটি পাস হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে।
২০২১ সাল থেকে ২৫ জানুয়ারি প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক ও কম্পিউটার সেন্টারে পরিচালক অধ্যাপক ড. নাছিম আখতারকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন একাডেমি কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময় ঠিক সেই সময়ে স্থান পরিবর্তনের ঠুকনো অজুহাত এবং দাবি নিয়ে জেলার সচেতন মহল চরম ভাবে ক্ষুদ্ধ। বিশেষ করে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের গাছতলা এলাকায় চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্যে স্থান চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হলে একটি মেডিকেল কলেজের স্থান পরিবর্তন করার নানা দাবি তোলে। এসব অপপ্রচার এবং দাবির প্রেক্ষিতে গেলো ৪ বছরে দৃশ্যমান হয়নি চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ। বাধাগ্রস্ত হয় উন্নয়ন ।

অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, মেডিকেল কলেজ এর ন্যায় লাল ফিতায় চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে বন্দি করার জন্যে কতিপয় ব্যক্তি ও গোষ্ঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকে তোয়াক্কা না করে নানা অপপ্রচার ও চক্রান্ত শুরু করেছে এবং নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

Categories
চিকিৎসা শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা মানলেও অভিভাবকরা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অধিকাংশ জায়গায় অভিভাবকেরা সেটা মানছেন না জানিয়ে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে এলে সব ক্লাসই নেওয়া যাবে। তবে সংক্রমণের হার যদি বেড়ে যায়, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বরের পর যে কোনো দিন বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে পারবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার জন্য সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এ প্রক্রিয়া শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে টিকা নিতে পারবেন। স্থানীয় টিকাকেন্দ্রেও টিকা নেওয়া যাবে। টিকা দেওয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে উপাচার্যদের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে খুলছে ঢাবির হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্যে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ আগামী ৫ অক্টোবর থেকে আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের যেসব শিক্ষার্থী অন্তত কোভিড-১৯ এর প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন তারা স্বাস্থ্যবিধি ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর মেনে টিকাকার্ড বা সনদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখিয়ে গ্রন্থাগার ব্যবহার ও নিজ নিজ হলে উঠতে পারবে।

প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, বিজ্ঞান গ্রন্থাগার ও বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের সেমিনার লাইব্রেরিগুলো ব্যবহার করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট আবাসিক শিক্ষার্থীরা ৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে নিজ নিজ হলে উঠতে পারবে। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরও টিকা নেওয়ার সনদ বা প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

আরও বলা হয়, সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের দৃশ্যমান জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের নির্দেশিকা সম্বলিত ব্যানার/ফেস্টুন থাকবে। টিকা নেওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অনার্স প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ নিজ আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে। আবাসিক হলগুলোতে আগের মতো ঠাসাঠাসি করে বসবাস ও কথিত কোনো ‘গণরুম’ রাখা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র নিয়মিত আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করবে। সভায় হল ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

শতভাগ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় আসার পর সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসার পর সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রমের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে টিকাদান কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকার নিবন্ধন করেননি, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধনের আওতায় এসে টিকা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস