Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৪ লাখ

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২ ডিসেম্বর। উচ্চমাধ্যমিকের এ পরীক্ষায় সারাদেশে ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬২৯ জন অংশ নওয়ার কথা রয়েছে। এইচএসসি ও সমমানে ১৫ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী ফরম পূরণ না করায় পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩২ হাজার ৯৮১ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। তার মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৭০৪ জন, রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭০৪, কুমিল্লা বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০৯, বরিশাল বোর্ডে ৬৮ হাজার ৪৪১, সিলেট বোর্ডে ৬২ হাজার ৭৯২, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৪ এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৭০ হাজার ৯২৫ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।

এর পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৪ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। সব মিলিয়ে সারাদেশে মোট ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬২৯ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৫ লাখ ৮৫ হাজার শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করলেও তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। সে হিসাবে ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে ঝড়ে পড়েছে।

১৭ নভেম্বর বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। প্রশ্নপত্র দেশের সব জেলার সরকারি ট্রেজারিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এই পরীক্ষা প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, এসএসসির মতো কাস্টমাইজড (পরিমার্জিত) সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষাও নেওয়া হবে। এসএসসিতে যেভাবে সিকিউ (সৃজনশীল প্রশ্ন) এবং এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয় এইচএসসির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করা হবে। ব্যবহারিকের ক্ষেত্রে কেবল ২৫ নম্বরের মধ্যে উত্তরপত্র (খাতা) জমা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগের মতো এতে আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা হবে না।

এসএসসিতে সৃজনশীল প্রশ্নের (সিকিউ) ক্ষেত্রে মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ১১টি প্রশ্নের মধ্যে তিনটির উত্তর লিখতে হচ্ছে। আগে লিখতে হতো সাতটি। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের আগে আটটি প্রশ্ন থেকে পাঁচটি লিখতে হতো, এখন লিখতে হবে দুইটি। অন্যদিকে বিজ্ঞানে ২৫টির মধ্যে ১২টি আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ৩০টির মধ্যে ১৫টি এমসিকিউয়ের উত্তর লিখতে হবে।

এদিকে ঢাকা বোর্ড থেকে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে ও প্রশ্নফাঁস রোধে আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড। সেটি আগামীকাল ঘোষণা দেওয়া হবে।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি পরীক্ষা প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে।

এছাড়া চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের কলা অনুষদে প্রথম মাদরাসাছাত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে মাদরাসাছাত্র প্রথম হয়েছেন। প্রথম হওয়া মো. নাজমুল ইসলাম রাজধানীর দারুন নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী।

তার ভর্তি পরীক্ষার স্কোর ৮৭। সর্বমোট প্রাপ্ত নাম্বার ১০৭। তিনি ইডেন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

এছাড়া দ্বিতীয় হয়েছেন ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. আবু কাউসার। তার ভর্তি পরীক্ষার স্কোর ৮৬। তার মোট স্কোর ১০৬। তিনি ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

তৃতীয় হয়েছেন সরকারি বাংলা কলেজের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন। তার ভর্তি পরীক্ষার স্কোর ৮৭। তার মোট স্কোর ১০৫.৯৪। তিনি সরকারি বাংলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

১৭ নভেম্বর বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে দুপুর ১২.৩০ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

এ বছর সাত কলেজের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ১১ হাজার ৯০৫ আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২১ হাজার ১৩২ জন। পাস করেছেন ১৪ হাজার ৩৮২ জন শিক্ষার্থী। যা মোট শিক্ষার্থীর ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

অনলাইনে স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু ২৫ নভেম্বর

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হবে ২৫ নভেম্বর। যা চলবে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আজ মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর দুপুরে ভর্তির নিয়মাবলি ও আবেদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এতে বলা হয়েছে, স্কুলে ভর্তির আবেদন ফি ১১০ টাকা, পরিশোধ করতে হবে টেলিটকের মাধ্যমে।

এখান থেকে অনলাইনে (https://gsa.teletalk.com.bd) আবেদন করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া শেষে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সরকারি স্কুলে ভর্তির লটারি হবে ১৫ ডিসেম্বর। আর বেসরকারি স্কুলের লটারি ১৯ ডিসেম্বর।

মানতে হবে যেসব শর্ত

সরকারি বিদ্যালয় : ঢাকা মহানগরে ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয় বার পছন্দ করা যাবে না।

বেসরকারি বিদ্যালয়

ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে। ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয় বার পছন্দ করা যাবে না।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

আগামী পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে নেওয়ার সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী

আগামী পাবলিক পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের যে সময় নষ্ট হয়েছে, তা পরবর্তীতে সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সকালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দীপু মনি বলেন, ‘করোনায় যেখানে সারা বিশ্বে মানুষের জীবন-জীবিকা স্থবির হয়ে পড়েছে, সেখানে আমরা এ অতিমারির মধ্যে পাবলিক পরীক্ষা নিতে পারছি, সে জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমাদের শিক্ষার্থীরা যে ধৈর্য ধরেছে, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ। কারণ, এ করোনা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সামাল দিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সবাই এ অতিমারিকে যেভাবে মোকাবিলা করেছে এবং জনগণ যেভাবে সহযোগিতা করেছে, এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এ সময় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, মাউশির আঞ্চলিক কুমিল্লা কার্যালয়ের উপপরিচালক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার, হাসান আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী এই কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আল আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

নতুন কারিকুলামে থাকছে না জেএসসি পরীক্ষা

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, নতুন কারিকুলামে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থাকার কথা নয়। এই কারিকুলামে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

এসএসসি পরীক্ষা শুরুর দিন ১৪ নভেম্বর রোববার সকালে মতিঝিল বয়েজ স্কুল কেন্দ্রে পরিদর্শনে গিয়ে সাংদিকদের প্রশ্নে একথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

নতুন কারিকুলামে জেএসসি পরীক্ষা হবে কিনা- প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম হলে জেএসসি থাকার কথা নয়। তখন ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী বছর থেকে নতুন কারকুলাম চালু করার কথা রয়েছে, যা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে ২০২৩ সালের মধ্যে।

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠন নিয়ে এক প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে নিয়ে আমরা উভয় মন্ত্রণালয় বসে কথা বলবো।

পরিদর্শনকালে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। তবে একটি চক্র গুজব রটানোর চেষ্টায় আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর আছি। কাউকে পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১৪ নভেম্বর রোববার রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে জেএসসি পরীক্ষা থাকার কথা নয়, মূল্যায়ন হবে ভিন্ন পদ্ধতিতে ‘

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আরো বলেন, ‌‘সারা দেশে এসএসসি, দাখিল, ভোকেশনাল পর্যায়ে ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছি। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, পরীক্ষার্থী ২২ লাখ ২৭ হাজার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ। রোববার থেকে এ পরীক্ষা চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার যথাসময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে করোনায় আক্রান্তের হার সহনীয় মাত্রায় পৌঁছানোয় পুনর্বিন্যাস করা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবার দেড় ঘণ্টায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ তিনটি বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ বিষয়গুলোর ফলাফল মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা হবে।

চলতি বছরে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী। মোট ৩ হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে এবারের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ২৯ হাজার ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সারা দেশে ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভকেশনাল) পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৯৯৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

অন্যদিকে, ৭১০টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ১ হাজার ৮৮৭ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। ৭৬০টি পরীক্ষাকেন্দ্রে ভকেশনাল পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৪ হাজার ২২৮ জন।

২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে মোট পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন। এই বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ৭৬। মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১৫১টি এবং কেন্দ্র বেড়েছে ১৬৭টি।

 

যেভাবে হবে পরীক্ষা:

এবার তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আবশ্যিক বিষয় বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত, আইসিটি ও ধর্ম এবং চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসব বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে।

বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উচ্চতর গণিত এবং জীববিজ্ঞানের পরীক্ষা হবে। প্রতিটি পরীক্ষায় রচনামূলক আটটি প্রশ্ন থাকবে। সেখান থেকে মাত্র দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ১০ নম্বর করে মোট নম্বর হবে ২০। এবং নৈর্ব্যক্তিকে ২০টি প্রশ্ন থাকবে। সেখান থেকে উত্তর দিতে হবে ১২টির। নম্বর ১২।

আর ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিকের হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় উদ্যোগ, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ভূগোল ও পরিবেশ, পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং অর্থনীতি বিষয়ে পরীক্ষা হবে। এসব বিষয়ে রচনামূলক ১১টি প্রশ্নের মধ্যে উত্তর দিতে হবে মাত্র তিনটির। ১০ নম্বর করে মোট নম্বর হবে ৩০। নৈর্ব্যক্তিক ৩০টির মধ্যে ১৫টির উত্তর দিতে হবে। নম্বর ১৫।

পরীক্ষার্থীর ব্যাবহারিক খাতার (নোট বুক) নম্বর হবে ২৫। বিজ্ঞান বিভাগের রচনামূলক ২০ নম্বরকে ৫০ এবং নৈর্ব্যক্তিকের ১২ নম্বরকে ২৫ নম্বরে এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের রচনামূলক ৩০ নম্বরকে ৭০ এবং নৈর্ব্যক্তিক ১৫ নম্বরকে ৩০ নম্বরে রূপান্তর করে প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণ করা হবে।

 

পরীক্ষার্থীর জন্য নির্দেশনা:

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ ও সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচিনী প্রশ্নপত্র বিতরণ, সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র (ওএমআর শিট সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ, দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ, আর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী (ওএমআর শিট) উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে।

পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিচার ফোন (স্মার্টফোন ছাড়া) ব্যবহার করতে পারবে। পরীক্ষার হলে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

 

বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যান:

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গ্রুপভিত্তিক বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে ঢাকা বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩১, রাজশাহী বোর্ডে ৮১ হাজার ২২৪, কুমিল্লা বোর্ডে ৫৪ হাজার ৫৮৩, যশোর বোর্ডে ৩৭ হাজার ৬০১, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৩১ হাজার ৫৭, বরিশাল বোর্ডে ২৫ হাজার ১১২, সিলেট বোর্ডে ২১ হাজার ৬২৩, দিনাজপুর বোর্ডে ৭৯ হাজার ৩৬৫ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৪১ হাজার ৮৩৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

মানবিক বিভাগে ঢাকা বোর্ডে ২ লাখ ৯৫৭, রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭২৫, কুমিল্লা বোর্ডে ৮৯ হাজার ৩৬১, যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ১০৯, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬৫ হাজার ১৫৭, বরিশাল বোর্ডে ৫৯ হাজার ৬৫৬, সিলেট বোর্ডে ৮৯ হাজার ৯৩৩, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ৯ হাজার ৭০৬ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৭ হাজার ৪৮১ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ঢাকা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৭১২, রাজশাহী বোর্ডে ১১ হাজার ৬১৯, কুমিল্লা বোর্ডে ৮০ হাজার ৯৩০, যশোর বোর্ডে ২৬ হাজার ৫৭২, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬৪ হাজার ৭১১, বরিশাল বোর্ডে ২০ হাজার ২২২, সিলেট বোর্ডে ৯ হাজার ৫৫৫, দিনাজপুর বোর্ডে ৪ হাজার ৩৭৫ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ১১ হাজার ৩৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বিজ্ঞান বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ৫ লাখ ৬ হাজার ৮৩১ জন, মানবিকে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮৫ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮২ জন।

২০২১ সালের সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে গ্রুপভিত্তিক তিনটি নির্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ে এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর অনলাইনে বোর্ডে পাঠাবে।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম চালু, ভর্তি ৪২

দেশের ভেতর বিদেশি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি সেন্টার খোলার অনুমোদন দেওয়া হলে বেড়ে যাবে সার্টিফিকেট বাণিজ্য। এমন চিন্তা থেকে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৬ সালে দেশে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ কলেজের স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। কিন্তু কৌশলে নানা বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে দিয়েছে স্টাডি সেন্টারটি। এরইমধ্যে ভর্তিও করানো হয়েছে ৪২ শিক্ষার্থীকে!

মূলত ২০১৫ সালের ইউজিসির একটি পরিদর্শন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সাময়িক অনুমোদন পেয়ে বাদবাকি নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না মোনাশ কলেজ স্টাডি সেন্টার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়নের পর বিদেশি কোনও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দেশে শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার খোলার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ২০১৪ সালের ৩১ মে দেশে স্টাডি সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার জন্য একটি বিধিমালাও জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সেই বিধিমালা অনুযায়ী অনুমোদনের শর্তে বলা হয়- ‘বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানটির।’

কিন্তু মোনাশ কলেজের স্টাডি সেন্টারের এমন কোনও পরিকল্পনার অনুমোদন নেই ইউজিসির।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ কলেজ স্টাডি সেন্টার স্থাপনের আবেদন যাচাই-বাছাই করে একটি প্রতিবেদন ওই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইউজিসি থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৭ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার খোলার বিষয়টি স্থগিত রাখা সমীচীন হবে বলে জানিয়ে দেয় ইউজিসিকে।

স্টাডি সেন্টারটির বিষয়ে জানতে চাইলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘২০১৫ সালে ইউজিসি মোনাশ পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের পর রিপোর্ট পজেটিভ ছিল। তবে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৬ সালে এর শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি একাধিকবার স্টাডি সেন্টার চালুর বিরোধিতা করে জানায়- এ ধরনের স্টাডি সেন্টার পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হলে দেশের ভেতর বিদেশি বিশ্ববিদ্যলয়ের সার্টিফিকেট বাণিজ্য শুরু হবে। ওই সময় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, মোনাশের স্টাডি সেন্টার অনেকটা কোচিং সেন্টারের মতোই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা কার্যক্রমের অনুমোদনের বিষয়টি এড়িয়ে যান মোনাশ কলেজ স্টাডি সেন্টারের হেড অব এনরোলমেন্ট জামাল উদ্দিন জামি। তিনি বলেন, ‘ইউজিসির অনুমোদন নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। সেপ্টেম্বর সেশনে ৪২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে।’ বছরে তিনটি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলেও জানান তিনি।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের নীলক্ষেত অবরোধ

বিশেষ পরীক্ষার দাবিতে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

৯ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর একটায় নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় তাদের গণহারে ফেল করানো হয়েছে ৷ ফেল করা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিশেষ পরীক্ষা দিতে চায় যাতে তারা চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশেষ পরীক্ষার দাবিতে একাধিকবার নিজ কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে দাবি জানালেও এর কোনো সমাধান পাননি তারা।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াসিন বলেন, আমাদের গণহারে ফেল করানো হয়েছে। আমরা বিশেষ পরীক্ষা দিয়ে চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে চাই। আমাদের সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি।

ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী প্রমা বলেন, আমরা বিশেষ পরীক্ষা দিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হতে চাই। আমরা চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে চাই। অধ্যক্ষকে জানিয়েছি কেউ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রাস্তায় নামা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

‘বিশাল সিলেবাসে আর পরীক্ষা নয়’

বড় সিলেবাসে আর পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এই নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে।

৭ নভেম্বর রোববার রাজধানীর টিকাটুলিতে শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে দেয়ালিকা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শেখ রাসেল দিবস উদ্বোধনী বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নতুন পাঠ্যক্রমের আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছ— শিক্ষা হবে আনন্দময়। সারাক্ষণ পরীক্ষার ভয় আর অনেক বইয়ের চাপ শুধু যেন না হয়। বিশাল সিলেবাসে পরীক্ষা আর হবে না। সারা বছরে স্কুলে বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।’

করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষা নির্ভর মূল্যায়নের চেয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশি। সেই বিবেচনায় আগে থেকে শিক্ষামন্ত্রী বলে আসছেন, পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। জিপিএ-৫ ও পরীক্ষা ও সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠান উদ্বোধন এবং বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ভয়েসটিভি/এএস