Categories
শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়ছে, ঘোষণা আজ

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। মাসে মাসে ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বৃদ্ধির চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছুটি কত দিন বৃদ্ধি হবে, সে বিষয়ে আজ ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবে। বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেবেন।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে এখন স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। তাই চলমান ছুটি আরও বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি রয়েছে। এর আগেই ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। যেহেতু ৩০ ও ৩১ অক্টোবর সরকারি ছুটি। তাই বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।’

তবে ছুটি কত দিন বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান সিনিয়র সচিব।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়তে পারে বলে জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক জানান, ছুটি কত দিন বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত এ বিষয়ে জানানো হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

মহানবীকে কটূক্তি করায় নোবিপ্রবির ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কটূক্তি করায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তাদের হলের সিট বাতিল করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রতীক মজুমদার এবং একই শিক্ষাবর্ষের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী পাল দীপ্ত।

২৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আদেশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কটূক্তি যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং বাংলাদেশ সরকারের আইন মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়ায় শৃঙ্খলাবোর্ডের সিন্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার এবং হলের সিট বাতিল করা হলো।

একই সঙ্গে তাদেরকে কেনো স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এবং আইসিটি আইনে মামলা হবে না তা লিখিতভাবে আগামী ৪ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার দফতর বরাবর জানাতে বলা হয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বাড়ছে, ঘোষণা কাল

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। মাসে মাসে ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বৃদ্ধির চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছুটি কত দিন বৃদ্ধি হবে, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবে। বৈঠকটি ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেবেন।

২৮ অক্টোবর বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে এখন স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। তাই চলমান ছুটি আরও বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি রয়েছে। এর আগেই ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। যেহেতু ৩০ ও ৩১ অক্টোবর সরকারি ছুটি। তাই বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।’

তবে ছুটি কত দিন বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান সিনিয়র সচিব।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়তে পারে বলে জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক জানান, ছুটি কত দিন বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত এ বিষয়ে জানানো হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

চূড়ান্ত হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক দুই দিন ছুটি

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী বছর নতুন কারিকুলামে কর্মঘণ্টা কমবেশি করে ছুটির বিষয়টি চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের ছুটির খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত তালিকাটি অনুমোদন করার জন্যে শিগগির মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা এ তালিকা অনুমোদন দিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে। এ ছুটির ভিত্তিতে অনুমোদিত শিক্ষাপঞ্জি মোতাবেক, ২০২১ সালের ক্লাস-ছুটি-পরীক্ষাসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

খসড়া তালিকা মোতাবেক, ২০২১ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি আটদিন। মোট ২২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি হলেও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্রবার ও শনিবার। দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি কার্যকর হবে প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। বিদ্যমান ব্যবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে কেবল শুক্রবার।

মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপরই ২০২১ সালে ক্যালেন্ডার ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানও সরকারি ছুটি অনুসরণ করে ক্যালেন্ডার প্রকাশ করবে।

বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ২০২১ খ্রিস্টাব্দের সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছুটির তালিকা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। সেজন্য এরই মধ্যে তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাংলা একাডেমি প্রণীত ১৪২৭-২৮ বঙ্গাব্দের বর্ষপঞ্জি, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন ধর্মীয় পর্বের তালিকা, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং আরবি প্রত্যেক মাসের ইসলামী পর্বগুলোর তালিকার সঙ্গে সমন্বয় করে ২০২১ সালের ছুটির খসড়া তালিকা প্রণয়ন করেছে।

সেই তালিকা অনুযায়ী, ইসলামী পর্বের শবে বরাত ২৯ মার্চ সোমবার, শবে কদর ১০ মে সোমবার, ঈদুল ফিতর ১৩ মে বৃহস্পতিবার, ঈদুল আজহা ২০ জুলাই মঙ্গলবার, আশুরা ১৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার, ঈদে মিলাদুন্নবী ১৯ অক্টোবর মঙ্গলবার উদযাপন করা হবে।

বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের ছুটি সাধারণ ছুটির অন্তর্ভুক্ত। এ ছুটির মধ্যে ছয়টি সাপ্তাহিক ছুটির দিনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার। বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস উপলক্ষে আট দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে এক দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শনিবার) রয়েছে। সুতরাং সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের ছুটি ২২ দিন হলেও শুক্র ও শনিবারের (সাপ্তাহিক ছুটি) কারণে এই ছুটি কার্যত ১৫ দিন।

ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে বরাবরের মতোই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার সুযোগ থাকছে। একইভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে কর্মরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব উপলক্ষে দু’দিনের ঐচ্ছিক ছুটির বিধানও বহাল থাকছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
শিক্ষাঙ্গন

রাবিতে ফের কমলো শিক্ষক নিয়োগের শর্ত

মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক বানাতে নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক শেষ না হতেই ফের নিয়োগের শর্ত কমিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এম আব্দুস সোবহান। এছাড়া অস্থায়ী শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও আবারও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং ফলিত গণিত বিভাগে রাবি রেজিস্ট্রার এমএ বারী স্বাক্ষরিত বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত ৪৭২তম সিন্ডিকেট সভার ৪৩ নম্বর সিদ্ধান্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রভাষক পদে নিয়োগের ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সনাতন পদ্ধতিতে সব অনুষদ ও ইন্সটিটিউটের ক্ষেত্রে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় যে কোনো একটিতে প্রথম বিভাগ এবং অন্যটিতে দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে।

আর গ্রেডিং পদ্ধতিতে আইন অনুষদ, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং ব্যবসায় প্রশাসন ইন্সটিটিউটের ক্ষেত্রে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় জিপি (গ্রেড পয়েন্টে) ৫.০০ স্কেলে যে কোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং অন্যটিতে জিপিএ ৪.৫০ থাকতে হবে।

অথচ ওই অনুষদ অধীন হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্যতা কমিয়ে একটিতে ৩.৫০ এবং অন্যটিতে ৩.২৫ শর্ত দেয়া হয়েছে; যা সিন্ডিকেট কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের চেয়ে যোগ্যতা কমিয়ে আনা হয়েছে।

বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ, কৃষি অনুষদ, প্রকৌশল অনুষদের ক্ষেত্রে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় জিপি (গ্রেড পয়েন্টে) ৫.০০ স্কেলে ন্যূনতম একটি ৪.০০ এবং অন্যটিতে ৪.৫০ থাকতে হবে।

বিজ্ঞান অনুষদ অধীন ফলিত গণিত বিভাগে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান ২০০১, ২০০২, ২০০৩ সাল উল্লেখ করে গ্রেড পয়েন্ট জিপিএ ৫.০০ স্কেলে একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং অন্যটিতে ৩.২৫ থাকতে হবে।

এর আগে ২০১৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে পাস করা ভিসির কন্যা সানজানা সোবহান নিয়োগ পান হসপিটালিটি ও ট্যুরিজম বিভাগে এবং ভিসির জামাতা এটিএম শাহেদ পারভেজ নিয়োগ পান ব্যবসায় প্রশাসন ইন্সটিটিউটে।

আগের নীতিমালা অনুযায়ী তাদের আবেদন করার যোগ্যতাই ছিল না। কারণ ভিসির মেয়ে বিভাগে মেধাক্রম ছিল ২১তম আর জামাতার মেধাক্রম ছিল ৬৭তম।

সূত্র জানায়, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে স্থায়ী ও অস্থায়ী চারজন শিক্ষক, ফলিত গণিত বিভাগে চারজন শিক্ষকসহ মোট ২০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোলাইমান চৌধুরী বলেন, শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা বেশি থাকলে নিকটাত্মীয় অযোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষক নিয়োগ এবং টাকার বাণিজ্য করা যায় না। এছাড়াও মেয়ে-জামাতার চাকরিকে পাকাপোক্ত করতেই ওই বিভাগে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও আবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান ভিসির বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কোনো ভাবনা নেই বললেই চলে, শুধু নিয়োগ দিতে মরিয়া তিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এমএ বারী জানান, ২০১৭ সালে রাবি শিক্ষক নিয়োগে ন্যূনতম যোগ্যতার পরিবর্তনের সময় এসএসসি ও এইচএসসির যোগ্যতা বেশি থাকলেও চলতি মাসেই এটা কমিয়ে আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে রাবি ভিসির মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

রাবির ৩৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ৩৪ জন শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

এর আগে চলতি বছরের গত ৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত ৩০০ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগপত্র দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, ইউজিসিসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে তদন্তের দাবি জানান আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশ। তারা বর্তমান প্রশাসনের অপসারণ চেয়ে গত বছরের অক্টোবরে ‘দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজে’র ব্যানারে ধারাবাহিক আন্দোলনও করেন। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ইউজিসির চেয়ারম্যান তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

গণশুনানিসহ বিভিন্নভাবে তদন্ত কাজটি করে ইউজিসির এই কমিটি। তবে উপাচার্য গণশুনানিতে হাজির হননি। বরং ইউজিসি চেয়ারম্যানকে লেখা চিঠিতে তাঁর বিরুদ্ধে ইউজিসির তদন্ত কমিটি গঠনের এখতিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন উপাচার্য।

আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের মে থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথম মেয়াদেও (২০০৯-২০১৩) তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তদন্তে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যদের বিরুদ্ধে ২৫টি অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণে রাষ্ট্রপতিকে (আচার্য) অসত্য তথ্য দেওয়া, শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে সুপারিশসহ ৭৩৬ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। এতে ৩৬ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদন এবং ৭০০ পৃষ্ঠার সংযোজনী প্রতিবেদন রয়েছে। প্রতিবেদনে তাদের সম্পদের উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি‌ রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুল বারীকে অপসারণের সুপারিশও করা।

আরো জানা যায়, উপাচার্যের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে উপাচার্যের মতো সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে উপাচার্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

তারা বলেছে, উপাচার্যের নৈতিকতাবিবর্জিত এ ধরনের কর্মকাণ্ড জরুরি ভিত্তিতে বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেয়া দরকার। যাতে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও গবেষণার সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন সাধিত হয়। এছাড়া নীতিমালা পরিবর্তনের সুযোগে নিয়োগ পাওয়া ৩৪ জনের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশও করা হয়েছে।

জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিবর্তন করে যোগ্যতা কমিয়ে দেয় রাবি উপাচার্য এম আবদুস সোবহান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। এর ফলে কম যোগ্যতায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষক হন উপাচার্যের মেয়ে ও জামাতা। এ রকমভাবে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য ৩৪ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আগের নীতিমালা অনুযায়ী যাদের আবেদনের যোগ্যতা ছিল না।

উপাচার্য ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করে যোগ্যতা কমান। আগের নীতিমালায় আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম শ্রেণি বা সমমানের গ্রেড এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণি বা সিজিপিএ ৩.৫০। এছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মেধাক্রম প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে অবস্থান। পরিবর্তিত নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ৩.২৫-এ নামিয়ে আনা হয় এবং মেধাক্রমে থাকার শর্তও তুলে দেয়া হয়।

এই সুযোগে মার্কেটিং বিভাগ থেকে পাস করা উপাচার্যের মেয়ে সানজানা সোবহান নিয়োগ পান ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে এবং জামাতা এটিএম শাহেদ পারভেজ নিয়োগ পান ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটে (আইবিএ)।

আরও পড়ুন: ভিকারুননিসার সাবেক অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের জামিন বাতিল

তদন্ত কমিটি বলেছে, নীতিমালা পরিবর্তন করায় চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রাবির শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা এখন সর্বনিম্ন।

এছাড়া বিভিন্ন অনুষদে প্রথম হওয়া, প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাওয়া, এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি থাকা আবেদনকারীকে বাদ দিয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন দুজনকে নিয়োগ দেয়া হয়।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ, তাঁর জন্য নির্ধারিত বাসভবনে ওঠার পর তিনি আগের বরাদ্দ করা বাড়িটি কাগজপত্রে ছেড়ে দিলেও আসবাব রাখার জন্যে প্রায় দেড় বছর নিজের দখলে রেখেছিলেন। এরও সত্যতা পেয়েছে কমিটি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও ইউজিসি সদস্য (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, আমরা এরই মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। তবে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) বেলায়েত হোসেন তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তাঁর কাছে তদন্ত প্রতিবেদনটি এখনো আসেনি বলে জানান।

তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, তদন্ত প্রতিবেদনটি ইউজিসি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া হয়েছে।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

বশেমুরকৃবিতে চুকুরের নতুন জাত উদ্ভাবন

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরকৃবি) দুই শিক্ষক সম্প্রতি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ চুকুরের নতুন একটি জাত উদ্ভাবন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক ড. এ কে এম আমিনুল ইসলাম বিইউ রোজেল-১ নামে চুকুরের এ নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে চুকুরের জাতটি অবমুক্ত করা হয়েছে।

জাতটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এর গাছ ঝোপালো, খাটো আকৃতির এবং গাছের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফল ধরে। এছাড়া ফলের বৃত্তি মোটা, বড় ও মাংসালো, ফলন (৩.৫-৪.০ টন) বেশি। যেখানে দেশীয় বা অন্যান্য জাতের চুকুরের বৃদ্ধির তুলনায় ফলের সংখ্যা কম, আকৃতি ছোট, বৃত্তি পাতলা হওয়ায় ফলন কম এবং জীবনকাল ১৮০-২১০ দিন। কিন্তু বিইউ রোজেল-১ জাতটির জীবনকাল ১২০-১৫০ দিন।

জাতটির উদ্ভাবকের মতে, এই চুকুর শুধু নিজেদের খাবার হিসেবে নয়, কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি চুকুর প্রক্রিয়াজাত করেও ব্যবহার করা যায়। চুকুর দিয়ে উৎপাদিত চা, মেস্তাস্বত্ব, জ্যাম, জেলি, জুস, আচার ইত্যাদি বাজারজাত করা গেলে পাল্টে যাবে দেশের অর্থনীতির চিত্র।

এছাড়া বিদেশে চুকুরের প্রচুর চাহিদা থাকায় চুকুর থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য রফতানি করে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বাণিজ্যিকভাবে চুকুর চাষ করছে। বাংলাদেশেও চুকুরকে ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাতকরণ কলকারখানা গড়ে উঠতে পারে। যার ফলে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দেশের কৃষক ও জনগণকে এই ফসলের উপকারিতা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে পারলে চুকুর বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসলে পরিণত হবে।

চুকুর পাতা ও ফলে প্রচুর প্রোটিন, কেরোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে। বীজ থেকে শতকরা ২০ ভাগের বেশি খাবার তেল পাওয়া যায়। এছাড়াও চুকুরে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা শরীরে খারাপ কোলেস্টরল কমায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, রক্তে চিনির পরিমান কমাতে সাহায্য করে, ওজন কমাতে এবং বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে। উঁচু, মাঝারি উঁচু জমিতে, বাড়ির আঙ্গিনায় এ চুকুর চাষ করা যায়।

আরও পড়ুন: কোন ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি: হাঁস না মুরগি

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

স্নাতকের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ছাড়া ডিগ্রি নয়

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছর মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে। এদিকে এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছড়া জেএসসি শিক্ষার্থীদের গ্রেড বিহীন সনদ দেয়া হবে। তবে স্নাতকের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হবে। তাদের পরীক্ষা ছাড়া সনদ দেয়া ঠিক হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২১ অক্টোবর বুধবার মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, অনার্সের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ছাড়া ডিগ্রি দেয়া ঠিক হবে না। কারণ এই ডিগ্রি নিয়ে তারা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবেন। এক্ষেত্রে তাদের কর্মক্ষেত্রেও অন্যভাবে দেখা হতে পারে। এ পরীক্ষা কীভাবে নেয়া হবে তা ভেবে দেখা হবে।

মন্ত্রী বলেন, অনার্সের শিক্ষার্থীরা জানান তাদের কিছু পরীক্ষা হয়ে গেছে। কিছু পরীক্ষা বাকি। তারা অটোপাসের দাবি জানান, সার্বিক বিবেচনায় অনার্সের শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয়া ঠিক হবে না। তাদের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত করা হবে নাকি অন্য কোনো পদ্ধতিতে নেয়া হবে তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে সাধারণ বিষয়ে পরীক্ষা ছাড়া ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হলেও কারিগরি শিক্ষায় তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কারিগরি শিক্ষার্থীদের খাতা-কলমে লেখার চেয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সেটি না শিখলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেয়া সম্ভব হবে না। এ কারণে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে এ স্তরের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেয়া হবে। কারিগরি স্তরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আট মাস ধরে কারিগরি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিত হয়ে আছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো নেয়া হবে। এরপর তাদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে ফলাফল প্রকাশ হবে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

গ্রেড বিহীন সনদ পাবে জেএসসি শিক্ষার্থীরা

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছর মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে।

তবে যারা অষ্টম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে উঠবে, অর্থাৎ যাদের জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল, তাদের গ্রেডিং ছাড়াই সনদ দেয়া হবে। আর চলতি শিক্ষাবর্ষে ৩০ দিনে শেষ করতে পারে এমন একটি সিলেবাস দেয়া হবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের।

২১ অক্টোবর বুধবার এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সনদ দেয়ার বিষয়টির সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব। অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষা দিলে তারা সনদ পেত। এবার পরীক্ষা দিচ্ছে না বলে সনদ পাবে না তা তো নয়। জেএসসির সনদটি কারো কারো জন্য খুব জরুরি হতে পারে। সেজন্য পরীক্ষা যে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শেষ করেছে, কৃতকার্য হয়েছে সেটি উল্লেখ থাকবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নত বিশ্বের কথা বলি, উন্নত দেশ হতে চাই। উন্নত বিশ্বের অংশ হতে চাই। আবার উন্নত বিশ্বের যে শিক্ষা ব্যবস্থা সেখানে কিন্তু প্রত্যেক ক্লাসে গ্রেডিং পরীক্ষা, পাস, ফেল, জিপিএ-৫ এ ধরনের উন্মাদনা নেই। কাজেই আমরা আধুনিক হব ভাবছি, তাই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নত দিকে যেতে হবে। বছরের শেষে, বছরের মাঝখানে পরীক্ষা নিয়েই যে সেটি মূল্যায়ন করা যায় তা নয়। আরও অনেক ধরনের মূল্যায়নের পদ্ধতি রয়েছে। আমরা ধারাবাহিক মূল্যায়নের যে পদ্ধতিগুলো রয়েছে সেগুলোতে যেতে চাচ্ছি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে সামগ্রিকভাবে সেগুলো চিহ্নিত করে দুর্বলতা দূর করতে চাই। আমরা পরীক্ষা ভীতি, পরীক্ষার চাপ, শারীরিক মানসিক চাপ চাই না। শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করবে, দক্ষতা অর্জন করবে, সুযোগ্য নাগরিক হবে।’

প্রেস ব্রিফিংয়ে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

আরও পড়ুন: বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, মূল্যায়ন অ্যাসাইমেন্টের মাধ্যমে

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, মূল্যায়ন অ্যাসাইমেন্টের মাধ্যমে

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে চলতি বছর মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে।

মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ, সপ্তম, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে তা জানাতে  ২১ অক্টোবর বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

কোভিড-১৯ পরিস্থির কারণে গত মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাখাতে প্রায় স্থবিরতা নেমে এসেছে। শ্রেণিকক্ষে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় অনলাইন, টিভি ও বেতারে পাঠদান চালিয়ে আসছে সরকার।

চলতি বছরের পঞ্চমের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা এবং সবশেষ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তর ও অষ্টমের সমাপনীর বদলে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতের সিদ্ধান্ত হলেও এইচএসসির শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ভিত্তিতে ফল প্রকাশ করা হবে।

ভয়েসটিভি/এএস