Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

এইচএসসিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা : শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে একাদশ শ্রেণির (এইচএসসি) ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। তবে নীতিমালার আলোকে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে।

৯ জুলাই বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সদস্য শফিউল ইসলামের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

করোনা পরিস্থিতিতেও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা-২০২০ প্রণয়ন করার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলেও কোভিড-১৯ এর কারণে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ভর্তির বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে। খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমামের এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. দীপু মনি বলেন, দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে সংক্রমিত না হয় তার জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার লক্ষ্যে এবং শিক্ষার মান ধরে রাখার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ভয়েস টিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ফ্রি ইন্টারনেট দিতে শিক্ষামন্ত্রীর আহবান

ঢাকা: চলমান করোনার সংকটময় পরিস্থিতিতে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ফ্রি অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দিতে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

৬ জুলাই সোমবার আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মহামারির করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে শিক্ষাদান করে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে।

শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়া যায় কি-না সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। করোনা পরবর্তী সময়ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা পৌঁছাতে পারছে জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাকি শিক্ষার্থীদের কাছেও অনলাইনে শিক্ষা পৌঁছে দিতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।

টিউশন ফি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবক সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, একেবারে টিউশন ফি না দিলে প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারবে না। তাই দুই পক্ষকেই কিছুটা ছাড় দিয়ে মানবিক হতে হবে।

অনলাইনের এ আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত।

অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল খালেক।
সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা।
সম্পাদনা : দেলোয়ার

Categories
শিক্ষাঙ্গন

এইচএসসি পরীক্ষায় বিষয় সংখ্যা ও সময় কমানোর চিন্তা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

ভয়েস রিপোর্ট: করোনা ভাইরাসের জন্য আটকে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমানো এবং কম সময়ে নেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ-ইরাব আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে এ ভাবনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছরের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন হতে পারে যে, পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হবে এবং এতো লাখ লাখ পরিবার, এতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এতো প্রশাসনের মানুষ, এতো শিক্ষক- সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? তাহলে সেটি আমরা কম সময়ে করতে পারি কি-না? কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারি কি-না? আমরা সবকিছুই ভাবছি।

গত ১ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে। পরীক্ষা কবে হবে- তা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেয়া হবে। এই ১৫ দিন শিক্ষার্থীদের নোটিশ দিতে হবে। তাদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর হোসেন এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইরাব সভাপতি মুসতাক আহমদ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইরাবের সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান

ভয়েস টিভি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একটি গাছ কাটলে অন্তত দশটি গাছ লাগানোর আহ্বানও জানান তিনি। অনলাইনে স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষরোপন অভিযানের উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় আমাদের বনাঞ্চল নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বনাঞ্চলকে রক্ষা করতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বৃক্ষরোপন অভিযানের সূচনা করেন।
স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের আহ্বায়ক প্রফেসর নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনলাইন অনুষ্ঠানে আরও যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল চন্দ্র, সদস্য সচিব জাফর আলী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কুমার ঘোষ প্রমুখ।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকৃতি-পরিবেশ সংরক্ষণে বহু নীতি, আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করেছে আমাদের সরকার। পরিবেশ সংরক্ষণে সংবিধানেরও সংশোধন করা হয়েছে। সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজন করে ১৮(ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—‘রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা বিধান করিবেন।’
মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের সবাইকে চাকরির বাইরেও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। করোনার এ মহামারির সময়েও আমাদের কোন কিছুই থেমে থাকবে না। আমাদের সব রকমের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের মহামারির সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আজকের এই বৃক্ষরোপণ অভিযান একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এজন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে টেলিভিশন এবং অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়েকে নিয়ে গেছে উচ্চতম মর্যাদায়। যার অংশীদার আপনারাও।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

প্রাথমিকে নতুন শিশু শ্রেণি, প্রাক-প্রাথমিক দুই বছর

ভয়েস রিপোর্ট: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরেকটি শ্রেণি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্ডার গার্টেনের মতো ‘প্লে গ্রুপ’ এর আদলে নতুন সৃষ্টি করা এ শ্রেণির নাম হবে ‘শিশু শ্রেণি’। এরপর ‘নার্সারি’ শেষ করে প্রথম শ্রেণি। নতুন ‘শিশু শ্রেণি’র ফলে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা হবে এখন থেকে দুই বছর।
নতুন শ্রেণি যুক্ত করে পরীক্ষামূলকভাবে ২০২১ সালে দেশের দুই হাজার ৫৮৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু করবে সরকার। আর এ কার্যক্রমে সফলতা এলে ২০২৩ সাল থেকে সব বিদ্যালয়েই ‘শিশু শ্রেণি’ চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নতুন ‘শিশু শ্রেণি’ চালুর সিদ্ধান্তে দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন একজন করে শিক্ষক ও একজন করে আয়া নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আর চার বছর বয়সেই শিশুরা নতুন শেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিকক্ষ তৈরি করার কথাও বলা হয়েছে পরিকল্পনায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৩ জুন এ সংক্রান্ত সার-সংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
জাতীয় শিক্ষানীতিতে দুই বছর মেয়াদে প্রাক-প্রাথমিকের কথা বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগামী বছরে প্রাক-প্রাথমিকের দুটি শ্রেণির জন্যই কারিকুলাম প্রণয়ন করা হচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন গড়ে ওঠায় সরকার নতুন শেণি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম জানান, ইতোমধ্যে আমরা কনসেপ্ট ডেভেলপ করেছি। আগামী সোমবার একটি ভার্চ্যুয়াল সভা করে প্ল্যান চূড়ান্ত করবো। বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুরা প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে এক বছর ধরে পড়াশোনা করে। ২০১০ সালে স্বল্প পরিসরে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালুর পর ২০১৪ সালে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি এই শ্রেণি চালু করে সরকার।
মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারিভাবে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু না থাকায় শহর ও গ্রামে বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন স্কুল ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠছে। এতে অসম প্রতিযোগিতা ও বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার ব্যয়ও বাড়ছে। প্রাক-প্রাথমিক চালুর পর প্রথম শ্রেণিতে নিট ভর্তি, শিক্ষাচক্র সমাপনী, উপস্থিতি ও সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। অন্যদিকে অনুপস্থিতি এবং পুনরাবৃত্তির হার কমেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ৬৫ হাজার ৬২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ৭৯৯টিতে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য নির্ধারিত শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। ৩৭ হাজার ৬৭২টি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকের একজন করে সহকারী শিক্ষকও রয়েছেন। ২৬ হাজার ৩৬৬ বিদ্যালয়ে একজন করে সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে, যা শিগগিরই নিয়োগ করা হবে। নতুন শ্রেণি খোলার ফলে শিক্ষার্থীদের আনুসঙ্গিক খরচের জন্য গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন থেকে ৫৩ দশমিক ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি থেকে ব্যয় করার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর তথ্য দিয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উন্নত দেশসহ ৫২ শতাংশ দেশের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা তিন বছর মেয়াদি এবং ৩৩ শতাংশ দেশে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু রয়েছে। এসব বিষয় মাথায় নিয়েই নতুন শ্রেণি খুলছে সরকার।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

নন-এমপিও শিক্ষকদের ৫০০০, কর্মচারীদের ২৫০০ টাকা করে প্রণোদনা

ভয়েস রিপোর্ট: বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিশেষ অনুদান দিয়েছেন বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৪ জেলার ৮ হাজার ৪৯২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) নন-এমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষকের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা হারে এবং ২৫ হাজার ৩৮ জন নন-এমপিও কর্মচারীর প্রত্যেককে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ৭৮৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী তার ‘বিশেষ অনুদান’ খাত থেকে ৬৪ জন জেলা প্রশাসকের অনুকূলে বরাদ্দ দিয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের তালিকাভুক্ত ইআইআইএন-ধারী নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশালসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীদের হালনাগাদ তথ্যাদি ইতোপূর্বে সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয় এবং স্থানীয় প্রাশাসনের মাধ্যমে নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ অনুদান’ খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে চেক/ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চলতি জুন মাসের মধ্যে বিতরণ করবেন।
করোনা মহামারির চলমান দুর্যোকালীন এই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিশাল সংখ্যক নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে প্রধানমন্ত্রী থেকে প্রাপ্ত বিশেষ অনুদান এবং ইতোপূর্বে চলতি অর্থবছরে নতুন ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিসহ উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির আওতায় এনে তাদের বেতন-ভাতাসহ চাকরি সুনিশ্চিত করা বর্তমান সরকার তথা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী এবং সর্বসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ‘শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ স্লোগান ধারণ করে এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন’ এর মাধ্যমে ‘আমার ঘরে, আমার স্কুল’ প্রোগ্রাম চালু করে পাঠদান অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়াও, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজ নিজ এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
‘করোনা মহামারির এই দুর্যোগকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আর্থিক সংকটে থাকা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ অনুদান’ এর খাত থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ায় শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সমগ্র শিক্ষা পরিবার অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

Categories
শিক্ষাঙ্গন

উপযুক্ত পরিবেশ হলেই এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ভয়েস রিপোর্ট: উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এইচএসসি পরীক্ষার গ্রহণের সব প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মঙ্গলবার বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা সংকটকালে অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান করা হচ্ছে। টেলিভিশনের মাধ্যমে শতকরা প্রায় ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে আমরা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। অনলাইনে পাঠদানে আজ নতুন একটি প্লাটফর্ম চালু করা হবে। সব বিশ্ববিদ্যালয় এটি ব্যবহার করতে পারবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এরকম সময়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা থাকলেও সবাই এই সময়টাকে কাজে লাগাই। পারিবারিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করি। নতুন দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টা করি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবার প্রতি মানবিক আচরণ করি।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে অনলাইন শিক্ষা সহজলভ্য করতে মোবাইল ও ইন্টারনেটের ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরেক দফা ছুটি বাড়ছে

ভয়েস টিভি ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হতে পারে । এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সোমবার ১৫ জুন দেয়া হতে পারে । শিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক যোগে এ নির্দেশনা জারি করার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৮ মে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। এই ছুটির শেষ দিনে আবারও ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে প্রয়োজনে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ভিডিও ক্লাস চলছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন , ‘চলতি মাস (৩০ জুন) পর্যন্ত ছুটি বাড়ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে ।

গত ১৭ মার্চ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Categories
শিক্ষাঙ্গন

সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠনে ডিজিটাল উপস্থিতি বাধ্যতামুলক

ভয়েস ডেস্ক : এবার দেশের সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক স্কুল এবং স্কুল এন্ড কলেজে ডিজিটাল উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে বৃহস্পতিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক স্কুল এবং স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল উপস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা এবং ইআইআইএন নং ই-মেইলে আগামী রোববারের (৭ জুন-২০২০) মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লিখিত তথ্যাদির সফট্ কপি নিকষব্যান (NikoshBAN) ফন্টে ওয়ার্ড ডকুমেন্টস (Word Documents) হিসেবে dd.hm.dshe@gmail.com এই ই-মেইলে পাঠাতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

ইতোমধ্যে, মাউশি’র এ আদেশ সকল কলেজের অধ্যক্ষ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং আঞ্চলিক উপ-পরিচালক (কলেজ শাখা) ও আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের (বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখা) কাছে পাঠানো হয়েছে।

Categories
ভিডিও সংবাদ শিক্ষাঙ্গন

কুড়িগ্রামে অনলাইনে লেখাপড়া জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইনে ও কোর্স পদ্ধতিতে লেখাপড়া। করোনা ভাইরাস সংক্রমরোধে বাসায় থেকেই সাফল্য পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আর এই সাফল্য ধরে রাখতে কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা এন এস আমিন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল যুক্ত করেছে অভিভাবকদের। সাড়াও পেয়েছে অপ্রত্যাশিত। তাই স্কুল বন্ধ থাকলেও ঘরে বসেই চলছে পড়াশোনা।

করোনা পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এতে পিছিয়ে পড়ছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। এমন পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রামের উলিপুরে এন.এস আমিন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অনলাইন ও কোর্স পদ্ধতির মাধ্যমে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছে। মাস শেষে অভিভাকরা স্কুল থেকে পরীক্ষাপত্র এনে নিজ সন্তানদের বাড়িতেই পরীক্ষা নিচ্ছেন। তাই প্রথমবার এসএসিতে অংশ নিয়েই তারা জেলায় ফলাফলের দিক দিয়ে প্রথম স্থান দখল করেছে। এবার এ স্কুল থেকে ৮৮জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

শিক্ষকরা জানান, ‘আমরা স্কুলের’ নামে অনলাইন পেজে ক্লাসের টাস্কগুলো ভিডিওতে ছেড়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি যোগাযোগ রাখা হয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে। এ কারণে শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সবাই বাসায় অবস্থান করছে। তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান ধরে রাখতে সরকারের নির্দেশনা মেনে অনলাইন পদ্ধতিতে পড়াশুনা চালানো হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানানলেন, স্কুলটি নিজ উদ্যোগেই অনলাইনে ক্লাস চালু রেখেছে। এ কারণেই শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসে পড়াশোনা করতে পারছে।