Categories
শিক্ষাঙ্গন

ঢাবির ২০০৭ সালের ঘটনা স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী

২০০৭ সালের ২০-২৩ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘটিত ঘটনা মহান স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।

রোববার (২৩ আগস্ট) কালোদিবস উপলক্ষে অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, সেদিনের এই অমানবিক ও অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য তৎকালীন অনির্বাচিত ও অগণতান্ত্রিক সরকারের দুরভিসন্ধিই দায়ী। ক্যাম্পাসে তখন যে অরাজকতা চালানো হয়েছিল, সেটা ছিল আমাদের মহান স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। আর যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ২০০৭ সালের বিভীষিকাময় দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, অন্যায়-অপকর্ম করার জন্য এদেশের স্বাধীনতাবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক অপশক্তি বারবার আগস্ট মাসকেই বেছে নেয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট এবং ২০০৭ সালের ২০-২৩ আগস্ট একই সূত্রে গাঁথা।

এসব নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও অমানবিক ঘটনার মদদদাতা ও কুশীলবরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্রকারীর ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ইউজিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, ঢাবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া, ছাত্র নেতা সাদ্দাম হোসেন, কারা নির্যাতিত ছাত্র জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
ভিডিও সংবাদ শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

শিক্ষা কার্যক্রমে গতি আনতে ভৈরবে অনলাইন পাঠক্রম শুরু

ভৈরব: অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্লাস নেয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে গতি ফিরতে শুরু করেছে ভৈরবের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এতে করে মনোযোগীও হয়ে উঠছে এখানকার শিক্ষার্থীরা। ধীরে ধীরে এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী থেকে যাচ্ছে অনলাইন পাঠক্রমের বাইরে।

করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ই মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। লম্বা সময় পেরিয়ে গেলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফেরার অনিশ্চিয়তা কাটেনি এখনো। এতে করে শিক্ষা থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। পড়ায় মনোযোগ হারাতে থাকে শিক্ষার্থীরা।  ফলে চিন্তিত ছিলো অভিভাবকরা।

এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলমুখী করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিচ্ছে নানা ব্যবস্থা । এরইমধ্যে ভৈরবের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নেয়া হচ্ছে ক্লাস। ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে চলছে পাঠ আদান প্রদান ।

জানা গেছে, এ অবস্থায় কিছুটা সস্তিতে ফিরেছেন এখানকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এমন উদ্যোগে খুশি তারা।

অনলাইন স্কুলের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৩ মাস আগ থেকে অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ধীরে ধীরে এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলমুখী হচ্ছে।

এদিকে উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা ভয়েস টিভিকে জানান, প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষামূখী করতে উপজেলা পর্যায় থেকে নেয়া নানা উদ্যোগ।

ভৈরবে আটটি কলেজ, ২৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯৮টি কিন্ডার গার্টেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা দ্বারা পরিচালিত আরও কয়েকট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

ভয়েস টিভি/ভৈরব প্রতিনিধি/টিআর

Categories
শিক্ষাঙ্গন

প্রথম ধাপে সাড়ে ১৩ লাখ ভর্তি আবেদন

ঢাকা: একাদশ শ্রেণিতে প্রথম ধাপে ভর্তির আবেদন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছে।

২১ আগস্ট শুক্রবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ড. হারুন-অর-রশি বলেন, একাদশ শ্রেণির ভর্তির প্রথম দফার আবেদন বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৫ আগস্ট রাত ৮টায়। এরপর শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ২৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট রাত ৮টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের আবেদন বাতিল হবে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, এ বছর একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীদের www.xiclassadmission.gov.bd থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আর আবেদন ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ, সোনালী ব্যাংক, টেলিটক এবং রকেটের মাধ্যমে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৩১ আগস্ট শুরু হবে। চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পছন্দক্রম অনুসারে প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে একই দিন (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায়। শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন চলবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে দ্বিতীয় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

সব প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্নয়ন ফি ৩ হাজার টাকার বেশি করা যাবে না। প্রতিটি খাতে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে রশিদ প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া মফস্বল ও পৌর এলাকার জন্য ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার টাকা, পৌর জেলা সদরে ২ হাজার টাকা, ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না।

ভয়েস টিভি/ টিআর

Categories
শিক্ষাঙ্গন

পরিবেশ অনুকূলে এলে ১৫ দিনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, পরিবেশ অনুকূলে এলেই সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা চিন্তা করবে। সেই পরিবেশে ১৫ দিনের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে।

২০ আগস্ট সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি আপনারা সবাই অবহিত। প্রায় ১৪ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম, এখনো আছি। ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরও কয়েক লাখ লোকবল জড়িত। এত সংখ্যক মানুষকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না।

তিনি বলেন, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে তার ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেয়া হবে। যাতে পরীক্ষার্থীরাও জেনে প্রস্তুতি নিতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অনুকূল পরিবেশ হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা চিন্তা করবে সরকার।

গত এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। আর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

রাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে গণশুনানি করবে ইউজিসি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ ১৭টি বিষয়ে শিক্ষকদের একাংশের দেয়া অভিযোগ আমলে নিয়ে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

ইউজিসির জেনারেল সার্ভিসেস অ্যান্ড এস্টেট ডিভিশনের সিনিয়র সহকারি পরিচালক গোলাম দস্তগির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শুনানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় ইউজিসি অডিটোরিয়ামে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের দলিলপত্রসহ উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

নোটিশে জানানো হয়, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য এবং উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান কর্তৃক মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে ধোঁকা দেয়া ও শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা শিথিল করে উপাচার্যের মেয়ে ও জামাতাকে নিয়োগ প্রদান, অ্যাডহক ও মাস্টাররোলে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য, উপাচার্যের বাড়ি ভাড়া নিয়ে দুর্নীতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩ লঙ্ঘন করে বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি নিয়োগ ইত্যাদি অভিযোগসমূহ তদন্ত করার নিমিত্তে কমিশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আপনাদের সাক্ষাতকার গ্রহণের জন্য তদন্ত কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি উপাচার্যের দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত সংবলিত ৩০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) অভিযোগপত্র দাখিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকদের একাংশ।

ভয়েস টিভি/রাবি প্রতিনিধি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

করোনা গবেষণায় বিএসএমএমইউ’র ১৪ শিক্ষককে অনুদান

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রান্ত গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ভাইরাস নিয়ে গবেষণার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মোট ১৪ জন শিক্ষককে গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অনুদান তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন। সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, করোনাভাইরাসের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য, ভাইরাসটি মানুষের দেহে কতক্ষণ বেঁচে থাকে, কীভাবে ছড়ায়, কোন ধরণের সমতলে কতক্ষণ টিকে থাকে, ভাইরাসটি মানুষের দেহে কীভাবে পরিবর্তিত হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা, ভাইরাসটির প্রতিষেধক আবিষ্কারসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তর গবেষণার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসীকে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব মুক্ত করতে এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণার বিকল্প নাই।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

৫ দিন পর যবিপ্রবিতে ফের করোনা পরীক্ষা শুরু

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গত ১২ আগস্ট থেকে বন্ধ ছিল করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) শনাক্তের পরীক্ষা। ল্যাবের মেরামত ও উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হবার ৫ দিন পর পর গত সোমবার থেকে পুনরায় করোনা পরীক্ষা শুরু করেছে যবিপ্রবি জিনোম সেন্টার। ১৮ আগস্ট বুধবার পুনরায় চালু হওয়ার পরে প্রথম পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

করোনা পরীক্ষা দলের সদস্য, পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বুধবার সকালে ঘোষিত করোনা পরীক্ষার ফলাফলে মোট ২০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যশোরের ১০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪০ জনের, মাগুরার ৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯ জনের, নড়াইলের ৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের নমুনাতে কভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে।

ভয়েস টিভি/যশোর প্রতিনিধি/এসএফ

Categories
শিক্ষাঙ্গন

কেন্দ্রে নয়, স্কুলেই পিইসি পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব

ঢাকা: করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর পিইসি বা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে না নিয়ে স্কুলে নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্কুলে স্কুলে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার প্রস্তাবনাটি এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো হয়েছে।

১৯ আগস্ট বুধবার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, পরীক্ষা না হবার কারণ নেই। পরীক্ষা হবে নিজ নিজ স্কুলে। আর পিইসি পরীক্ষা হবার ব্যাপারও আছে প্রস্তাবনায়, এটিও নিজ নিজ স্কুলে করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। আগামী বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবারও চিন্তা রয়েছে।
এবার মেধাভিত্তিক বৃত্তি থাকবে না, তবে উপবৃত্তি চলমান থাকবে।

তিনি আরও জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রেখে বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনায় করণীয় বিষয়ক বিভিন্ন নিদের্শনা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মুখে মাস্ক পরা, হাত পরিষ্কার, থার্মোমিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে। সবাইকে সেসব মেনে চলতে হবে।

জাকির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য নিরাপত্তামূলক এমন ৫০টির বেশি নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এ সবগুলো বিষয়ে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
শিক্ষাঙ্গন

দুই দফা দাবিতে বশেমুরবিপ্রবি’তে মানববন্ধন

বশেমুরবিপ্রবি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ৪৯ টি কম্পিউটার চুরির প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশ এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৮ আগস্ট মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম, শেখ তারেক, বাবুল শিকদার বাবু এবং ফাহাদ সার্জিল।

কম্পিউটার চুরির ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় এবং জড়িতদের এখনো গ্রেপ্তার না করতে পারায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মানববন্ধনে থাকা শিক্ষার্থীরা। এসময় দুই দফা দাবিও তোলেন শিক্ষার্থীরা। এতে বলা হয় অতি দ্রুত চুরির ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের সকলকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।

মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা চুরির মূল রহস্য এবং জড়িতদের শাস্তি প্রদানের দাবি এবং সকল ধরনের দুর্নীতি মূলক কাজ থেকে বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালকে বাঁচাতে তার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে আহ্বান জানান।

কম্পিউটার চুরির ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. শাহজাহান এবং গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান খান। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ জড়িত আছে কিনা, তা ক্ষতিয়ে দেখতে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করছে বিশ্ববিদ্যালয়।

গত ৯ই আগস্ট বশেমুরবিপ্রবি ৪৯ টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা সামনে আসে। চুরি যাওয়া ৪৯ টি কম্পিউটারের মধ্যে ৩৪ টি উদ্ধার হলেও, এখনো উদ্ধার হয়নি ১৫ টি।

এ পর্যন্ত মোট সাতজন আটক হলেও উদঘাটন হয়নি চুরির মূল রহস্য। যাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী একজন, বাকীরা বহিরাগত। কিন্তু ধরা ছোয়ার বাইরে চুরির ঘটনার প্রধান মাস্টারমাইন্ড।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
শিক্ষাঙ্গন

পরিবর্তন আসছে প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে

ঢাকা: প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন ধরনের বিকল্প পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষাজট সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে স্নাতক পর্যায়ে অন্তত দুই বছরের সেশনজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মূলত এসব কথা চিন্তা করে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, করোনার এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে পরীক্ষা ছাড়াই পাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একাধিক রাজ্যেও এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আবার বিভিন্ন দেশে সিলেবাস কমিয়ে সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে মিল রেখে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে সরকার। জানা গেছে, যদি সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলে, তবে বিভিন্ন বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এ বছরের পড়াশোনা শেষ করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ জন্য প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন ধরনের বিকল্প পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করা হচ্ছে। আর পরীক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব আলোচনায় থাকলেও তা কবে এবং কীভাবে হবে, নাকি পরীক্ষা হবে না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডগুলোর দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, মূলত করোনায় বন্ধের আগে বছরের প্রথম আড়াই মাসে যতটুকু পাঠ্যসূচি শেষ করা হয়েছিল, সেটি বাদ দিয়ে পরবর্তী পাঠ্যসূচি কাটছাঁট করা হচ্ছে। নভেম্বরে খুললে যে পাঠ্যসূচি হচ্ছে, সেখানে বর্তমান শ্রেণি এবং ওপরের শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে পুনরাবৃত্তি থাকা বিষয়গুলো বাদ দিয়ে সবচেয়ে জরুরি বিষয়বস্তু থাকবে।

নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচি কাটছাঁট হচ্ছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথমত নবম ও দশম শ্রেণির বই একই। ফলে নবম শ্রেণিতে সব পাঠ্যসূচি শেষ না হলেও দশম শ্রেণিতে গিয়ে তা শেষ করার সুযোগ আছে। আর এই স্তরটি শেষ করে একেবারে নতুন আরেকটি স্তরে যায় শিক্ষার্থীরা।

তাই এখানে হঠাৎ করেই পাঠ্যসূচি কমিয়ে দিলে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আছে। একই কারণে উচ্চমাধ্যমিকেও পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত হচ্ছে না। তাই তারা কেবল অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত করছেন।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর