Categories
অপরাধ

নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ ১২ মামলার আসামি গ্রেফতার

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ফজলুর রহমান মধু নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে একটি পাইপগান উদ্ধার করা হয়।

২১ জুন সোমবার দুপুরে তাকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এরআগে রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নোয়াখলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ফজলুল রহমান মধু শ্রীপুর গ্রামের শিকদার বাড়ির মাহমুদুল্যা সাম মিয়ার ছেলে। সে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর প্রধান জিসানের সহযোগি ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে রোববার গভীর রাতে নোয়াখলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মধুকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা, ৪টি মাদক মামলাসহ মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক মামলায় সে ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার পলাতক আসামি।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মধুর বিরুদ্ধে আগের ১২টি মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন থেকে আত্মগোপনে ছিল। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ

ধর্ষণে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা,অভিযুক্ত আটক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন ওই ছাত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক রুবেল ইসলাম বকুলকে (২৬) আটক করেছে উলিপুর থানা পুলিশ।

আটক রুবেল ইসলাম বকুল উপজেলার ধরনিবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ মধুপুর মধ্যপাড়া (ভাটিয়াপাড়া) এলাকার মোজ্জাম্মেল হকের পুত্র।

জানা গেছে, অভিযুক্ত রুবেল ইসলাম বকুল ওই স্কুল ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে স্কুল ছাত্রী রাজি না হওয়ায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ওই ছাত্রী দোকানে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীকে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে না জানাতে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। পরে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এক পর্যায়ে মেয়েটি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার বাবা-মায়ের জিজ্ঞাবাদে মেয়েটি সব স্বীকার করে। এ ঘটনায় শনিবার ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রুবেল ইসলাম বকুলকে আটক করে।

উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আটক আসামিকে রোববার দুপুরে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অপরাধ

দুই আ.লীগ নেতার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল

পাবনার গণপূর্ত ভবনে অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া দুই আওয়ামী লীগ নেতার দুটি শটগানের লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার দুই অস্ত্রের মালিককে জেলা পুলিশের মাধ্যমে এ–সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আজ বেলা ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, গণপূর্ত ভবনে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া লাইসেন্সধারী দুই ব্যক্তি অস্ত্র আইনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। জেলা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনে অস্ত্র দুটির লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই লাইসেন্স দুটি বাতিল করা হলো।

অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া ওই দুই আওয়ামী লীগ নেতা হলেন পাবনার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর খান ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু। ১৩ জুন পুলিশের নির্দেশে তাঁরা ব্যবহৃত দুটি শটগান থানায় জমা দেন।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
অপরাধ

হাতিয়ায় ইউপি সদস্য হত্যা মামলার আসামি অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চাঞ্চল্যকর ইউপি সদস্য রবীন্দ্র হত্যা মামলা ও জোবায়ের হত্যা মামলার আসামি মো. সামছুল ওরফে কোপা সামছুকে (৪৫) অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

১৫ জুন মঙ্গলবার দিনগত রাতে তাকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের কাটাখালী ঘাট থেকে নৌকা তৈরির ডেক থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি এলজি, দুই রাউন্ড গুলি, একটি হাতুড়ি জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মো. সামছুল ওরফে কোপা সামছু জাহাজমারা ইউনিয়নের মো. সাইদুল হক প্রকাশ সধু মাঝির ছেলে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৯ জুন দিবাগত গভীর রাতে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার ২০ নম্বর আসামি এবং গত ১৯ মে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোনাদিয়া ইউনিয়নে জোবায়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই হত্যা মামলার ৮ নম্বর আসামি কোপা সামছুকে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে দুপুরের দিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ

ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আাসামি ২৮ বছর পর গ্রেফতার

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামিকে ২৮ বছর পর গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪। এতো বছর নিজের পরিচয় গোপন রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থাকায় গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

১৫ জুন মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-১৪ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতের নাম হাসেম (৫৩)। সে তারাকান্দা উপজেলার কুঠুরাগাঁও গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে।

এর আগে ১৩ জুন রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের কাঞ্চনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ডাকাতির অভিযোগে ১৯৯২ সালের ১০ ডিসেম্বর থানায় একটি মামলা হয়। এ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে এতো বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে নাম পরিচয় গোপন রেখে পলাতক ছিলো হাসেম।

রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার উপস্থিতি জানতে পেরে র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ ভৈরব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের কাঞ্চনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ বছর বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে হাসেম পলাতক ছিলো। তাকে গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘরের সুড়ঙ্গ থেকে মাদকসহ আটক ৩

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ৮ ইষ্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৩০০ পিস এমফিটামিন জাতীয় ট্যাবলেট, স্বর্ণালঙ্কার ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে এপিবিএন পুলিশ।

১৪ জুন সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের বালুখালী পানবাজার পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোহিঙ্গা নারী আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মহিলাসহ ৩ জনকে আটক করে।

এপিবিএন পুলিশের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) নাঈমুল হক অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বসত বাড়ির ভিতরে সুকৌশলে সুরঙ্গ তৈরি করে মাদক জাতীয় দ্রব্য, স্বর্ণাংকার ও টাকা লুকিয়ে রেখেছিল।

অভিযানে উদ্ধারের মধ্যে রয়েছে তিন লাখ তেইশ হাজার ৩৭৫ পিস এমফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট, দুই লাখ আটান্ন হাজার ৫২০ (বাংলাদেশি) টাকা, এক হাজার ২৩৫ মিয়ানমার মূদ্রা (কিয়াট) এবং আনুমানিক ১৮ ভরি স্বর্ণালংকার।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে রোহিঙ্গা ছিদ্দিক আহমদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (২৭), কেফায়েত উল্লাহর ছেলে ওবায়দুল্লাহ (২৯) ও মাহবুবুর রহমানের ছেলে মো. ইয়াহিয়া(১৯) কে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ বিনোদন

নাসির উদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন পরীমণি

ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি।

১৪ জুন সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সাভার থানায় মামলাটি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম।

এতে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে আরও ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এর আগে সকালে রূপনগর থানার মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেন পরীমণি।

ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, পরীমণি নিজে বাদী হয়ে মোট ৬ জনের নামে এ মামলা করেছেন। মামলা নম্বর- ৩৮।

এর আগে রোববার (১৩ জুন) প্রথমে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে অভিযোগ তোলার পর রাতে সাংবাদিকদের বনানীর বাসায় ডেকে ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি লেখেন, ‘বরাবর, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি পরীমণি। এই দেশের একজন বাধ্যগত নাগরিক। আমার পেশা চলচ্চিত্র। আমি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমাকে রেপ এবং হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’

‘এই বিচার কই চাইবো আমি? কোথায় চাইবো? কে করবে সঠিক বিচার? আমি খুঁজে পাইনি চার দিন ধরে। থানা থেকে শুরু করে আমাদের চলচ্চিত্র বন্ধু বেনজীর আহমেদ আইজিপি স্যার! আমি কাউকে পাই না মা। যাদের পেয়েছি সবাই শুধু ঘটনার বিস্তারিত জেনে, দেখছি বলে চুপ হয়ে যায়!’

পরীমণি আরও লেখেন, ‘আমি মেয়ে, আমি নায়িকা, তার আগে আমি মানুষ। আমি চুপ করে থাকতে পারি না। আজ আমার সাথে যা হয়েছে তা যদি আমি কেবল মেয়ে বলে, লোকে কী বলবে এই গিলানো বাক্য মেনে নিয়ে চুপ হয়ে যাই, তাহলে অনেকের মতো (যাদের অনেক নাম এক্ষুণি মনে পড়ে গেল) তাদের মতো আমিও কেবল তাদের দল ভারী করতে চলেছি হয়তো। আফসোস ছাড়া কারোর কি করার থাকবে তখন! আমি তাদের মতো চুপ কি করে থাকতে পারি মা? আমি তো আপনাকে দেখিনি চুপ থেকে কোনো অন্যায় মেনে নিতে!’

‘আমার মা যখন মারা যান তখন আমার বয়স আড়াই বছর। এতদিনে কখনো আমার এক মুহূর্ত মাকে খুব দরকার এখন, মনে হয়নি এটা। আজ মনে হচ্ছে, ভীষণ রকম মনে হচ্ছে মাকে দরকার, একটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরার জন্য দরকার। আমার আপনাকে দরকার মা। আমার এখন বেঁচে থাকার জন্য আপনাকে দরকার মা। মা আমি বাচঁতে চাই। আমাকে বাঁচিয়ে নাও মা।’

পরীমণির স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ সদরদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা বলেছিলেন, ‘তিনি অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। আমরা তার ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করব। তবে, কেন তিনি আইজিপি স্যারের নাম উল্লেখ করেছেন তা আমি বুঝতে পারছি না। আমরা নিশ্চিত, তিনি মোটেই আইজিপি স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। আইজিপি স্যার সর্বদা নারী ও শিশুদের অধিকারের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল।’

এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার বনানীর বাসায় সাংবাদিকদের কাছে ‘নির্যাতনকারীদের’ নাম-পরিচয় প্রকাশ করেন পরীমণি।

তিনি দুজনের নাম প্রকাশ করে জানান, তাদের একজন রাজধানীর উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাছির ইউ. মাহমুদ এবং অন্যজন তার (পরীমণি) কস্টিউম ডিজাইনার জেমীর স্কুলবন্ধু অমি নামের এক ব্যবসায়ী।

পরীমণি বলেন, ‘গত বুধবার (৯ জুন) রাত ১২টায় আমাকে বিরুলিয়ায় নাছির ইউ. মাহমুদের কাছে নিয়ে যায় অমি। সেসময় নাছির ইউ. মাহমুদ নিজেকে ঢাকা বোট ক্লাবের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। সেখানে নাছির ইউ. মাহমুদ আমাকে মদ খেতে অফার করেন। আমি রাজি না হলে আমাকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আমাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। তারপর আমাকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা করেন। অমিও এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ

ফেনীতে ইয়াবা ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

ফেনীতে ইয়াবা ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে শহরের বারাহীপুর আজমেরী বেগম সড়ক আফসার মিয়ার কলোনীর সামনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে ফেনী শহরের বারাহীপুর আজমেরী বেগম সড়ক আফসার মিয়ার কলোনীর সামনে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির স্মরঞ্জামসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি করে স্টীলের চাপাতি, স্টীলের টিপ ছুরি, কাটার, কাঠের হাতলযুক্ত চাপাতি ও ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলো- ভোলা জেলার সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের সৈয়দ বেপারী বাড়ির আব্দুর রহিমের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন রাজু (২৩), বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরন গ্রামের কুমারিয়া জোলা শেখ বাড়ির ফারুক শেখের ছেলে জুয়েল শেখ (৩২), ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মীর্জা মোল্লা বাড়ির বদিউজ্জামানের ছেলে মো. সাগর (২২) ও জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার দক্ষিণ সতের গ্রামের আবু আহম্মদের ছেলে মো. রুবেল (২০)।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন জানান, আটকদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ

অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ী তিনি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মিরাজ বিড়ি নামক অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪। এসময় ১২ লাখ ৬০ হাজার শলাকা মিরাজ বিড়ি জব্দ করা হয়।

ওই বিড়ি ব্যবসায়ীর নাম মো. শাহাদাৎ হোসেন উৎপল (৩০)। তিনি উপজেলার সইলহাটি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। সইলহাটি বাজারে নিজের গোডাউনে বিড়ি রেখে বাজারজাত করতেন।

১৩ জুন রোববার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১৪ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবত কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নকল স্টিকারযুক্ত অবৈধ বিড়ি বিক্রি করতেন শাহাদাৎ হোসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে শনিবার রাতে উপজেলার সইলহাটি বাজারে তার বিড়ির গোডাউনে অভিযান চালানো হয়।

রাত তিনটার দিকে বিড়ির গোডাউনে গিয়ে ১২ লাখ ৬০ হাজার শলাকা মিরাজ বিড়ি জব্দ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সরকারের শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের জন্য তার বিরুদ্ধে তাড়াইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নকল স্টিকারযুক্ত অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চলছে। এর আগে ৫ জুন শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কালিয়াপাড়া বাজারে বিড়ির গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৮০ হাজার মোহনী নামের বিড়ি জব্দ করা হয়েছে। এসময় গ্রেফতার করা হয়েছে উপজেলা কালিয়াবাড়ি গ্রামের অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়া।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সরকারের শুল্ক ও কর ফাঁকি দিতেই বিড়ির বিভিন্ন নাম দিয়ে নকল স্টিকার লাগিয়ে ব্যবসা করেছেন তারা। অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চলছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অপরাধ জাতীয়

লাইকি-বিগো লাইভের মাধ্যমে পাচার শত কোটি টাকা

‘লাইকি’ ও ‘বিগো লাইভ’ মোবাইল অ্যাপে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজ ও প্রবাসীদের টার্গেট করে বছরে শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এই অ্যাপের মাধ্যমে যারা কথিত ডায়মন্ডের বিনিময়ে নির্ধারিত তরুণীদের অশ্লীল লাইভ আড্ডায় যুক্ত হন। বাংলাদেশি লক্ষাধিক এসব অ্যাপস ব্যবহারকারীরা অনলাইন ব্যাংকিং, হুন্ডি, ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা ও ব্যাংকের মাধ্যমে ডায়মন্ড কিনছে। আর সেসব ডায়মন্ড কেনার মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

দেশে এসব অ্যাপস পরিচালনাকারী এক বিদেশি নাগরিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। গ্রেফতাররা হলেন- মোস্তাফা সাইফ রেজা (২৬), মো. আরিফ হোসেন (২৭), এসএম নাজমুল হক (২৭), আসমা উল হুসনা সেজুতী (২৮) ও অজ্ঞাতপরিচয় একজন বিদেশি নাগরিক।

১৩ জুন রোববার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান সিআইডি সাইবার পুলিশের ডিআইজি জামিল আহমেদ।

গ্রেফতার বিদেশি নাগরিক বিগো লাইভ ও লাইকির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বাংলাদেশি নাগরিক মোস্তফা সাইফ রেজা বিগোর বাংলাদেশি অ্যাডমিন। মো. আরিফ হোসেন বাংলাদেশে মেয়েদের মাসিক বেতনে চাকরি দিয়ে বিগো লাইভের সঙ্গে যুক্ত করতেন। এসএম নাজমুল হক ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা-ডায়মন্ড বিক্রির অন্যতম প্রধান বাংলাদেশি এজেন্ট এবং আসমা উল হুসনা সেজুতী বিগো লাইভের প্রধান অ্যাডমিন।

ডিআইজি জামিল আহমেদ বলেন, এসব অ্যাপসে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে যুক্ত হতে ডিজিটাল কয়েন ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়। ডায়মন্ড বিক্রির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করছে এমন অভিযোগে তদন্তের সূত্র ধরে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

এসব লাইভে সাধারণত দেশের উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। এই ভিডিও লাইভে কথিত বিনোদনের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়া হতো। যিনি যত বেশি ডায়মন্ড ব্যবহার করতে পারেন, তিনি তত বেশি সময় ভিডিওতে অশ্লীলতা করতে পারতেন।

আর এসব ডায়মন্ড সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন এজেন্সি। এসব এজেন্সির প্রত্যেকের একাধিক পেমেন্ট গেটওয়ে রয়েছে। সাধারণত ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব এজেন্সির বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীরা এজেন্সির পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থ দিয়ে ডায়মন্ড কেনেন।

বাংলাদেশি এজেন্সিগুলো ডায়মন্ড কিনে আনে বিদেশি অ্যাডমিনদের কাছ থেকে। যার ফলে বিভিন্ন অবৈধ মাধ্যমে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থপাচার হয়ে যাচ্ছে। গ্রেফতারদের বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে গত এক বছরে প্রায় শত কোটি টাকারও বেশি লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, লাইকি ও বিগো লাইভ অ্যাপস বিদেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আমরা নিয়ন্ত্রণকারীদের এসব বিষয়ে নজরে আনবো। এছাড়াও আমরা এসব অ্যাপস সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি। যারা অশ্লীল ভিডিও দিচ্ছেন, তাদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস