Categories
অর্থনীতি সারাদেশ

নীলফামারীতে ব্যাংক এশিয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারী পৌরসভা ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোগে পৌর সুপার মার্কেটে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট পয়েন্টে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ।

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচালক হোসেন খান মানিকের সভাপতিত্বে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তারিক রেজা, ব্যাংক এশিয়ার জেলা ব্যবস্থাপক উজ্জল আলী, পৌর সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান স্বপন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় নীলফামারী পৌরসভার সচিব মশিউর রহমান, প্যানেল মেয়র ঈসা আলী, কাউন্সিলর আব্দুল জলিল ও কলিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকটির এজেন্ট ও নীলফামারী পৌরসভার ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রানা ইসলাম সভার সঞ্চালনা করেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

সবজির দাম আরও কমেছে

করোনার শুরু থেকেই সবজির দাম বাড়তে থাকে। পরে কয়েক দফা বন্যায় সবজি হয় লাগামছাড়া। বাজারে মাছ-মুরগির চেয়ে অনেকাংশে সবজি বিক্রি হত চড়া দামে। শীতের সবজির আগমনে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম বেশ কমেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে দাম কমে আসছে। তবে সবজির দাম কমলেও সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, সবজির সরবরাহের তুলনায় মোটেও দাম কমছে না।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজিভেদে কেজিতে দাম কমেছে ১০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। তবে কিছুটা দাম বেড়েছে আলু, রসুন ও আদার। অন্যদিকে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও দাম কমেছে মাছ ও মুরগির।

২৭ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর কমলাপুর, টিঅ্যান্ডটি, ফকিরাপুল, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, মগবাজার, মালিবাগ ও রামপুরা কাঁচা বাজার ঘুরে এসব চিত্রে উঠে এসেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১২০ টাকা কেজি।

শিমের পাশাপাশি শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও কমেছে। মাঝারি সাইজের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আর ছোট ফুলকপি গত সপ্তাহের মতো ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে ছোট ফুলকপির দাম ৪০ টাকার ওপরে ছিল।

এসব বাজারে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বিট ৪০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতিকেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিংগা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, উস্তা ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। কলা প্রতিহালি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতিপিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে দুই টাকা দাম বেড়ে প্রতিকেজি বগুড়া ও বিক্রমপুরের আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি ডায়মন্ড আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ছোট আলু (ভর্তা আলু) বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

বাজারে প্রতিমোড়া (আঁটি) শাকে দুই থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম কমে লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, ডাটা শাক ১৫ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, লাউ ও কুমড়ার শাক ৩০ টাকায়।

কারওয়ানবাজার থেকে বাজার করা মিফতাহুল জান্নাত বলেন, শিম, ফুলকপির দাম কিছুটা কমেছে। এতে ভালো লাগছে। তবে পাকা টমেটো ও গাজরের কেজি এখনো ১০০ টাকা। বরবটি, বেগুনের কেজি ৫০ টাকার ওপরে। এসব সবজির দাম না কমা পর্যন্ত সবজির বাজারে স্বস্তি আসবে না।

এসব বাজারে প্রতিকেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকা, চিনি ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৩ টাকা, পায়জাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, মিনিকেট প্রকারভেদে ৫৭ থেকে ৬০ টাকা, নাজির ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা, পোলাও চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। প্রতিকেজি খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১০৮ টাকার মধ্যে।

আরও পড়ুন: নিলামে রক্তবর্ণ-গোলাপি হীরা!

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

বেশ কয়েক মাস ঊর্ধ্বগতির পর এবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। মূল্যবান এ ধাতুটির মূল্য  ২৩ নভেম্বর থেকে  প্রায় দুই শতাংশ কমেছে । করোনাকালে স্বর্ণের দাম প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক কার্যক্রম প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে এবং করোনাভাইরাসের একটি কার্যকর টিকার কাছাকাছি চলে এসেছে বিশ্ব এমন সব খবরেই ‘সেফ হ্যাভেন’ বা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের মূল্য নিম্নমূখী কমেছে। খবর: রয়টার্স।

২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার  যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফিউচার মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮২০ ডলার ৬০ সেন্টে। আগের দিনের তুলনায় এ দাম  দশমিক ৯ শতাংশ কম।  একইভাবে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণ এক হাজার ৮২৩ ডলার ৫৮ সেন্টে স্থির হয়। আগের দিনের তুলনায় এটি দশমিক আট শতাংশ কম।

আরও পড়ুন- শাহজালালে বিমানবন্দরে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নভেম্বরে দেশটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম পাঁচ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে দ্রুত হারে প্রসারিত হয়েছে। এ খবরে প্রথমে পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে। এর মধ্যে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলে তাদের তৈরি করা করোনাভাইরাসের টিকা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।

যে কোনো অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মন্দার সময় মূলত স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যায়। আর এ কারণেই চলতি বছরে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকেই বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ কেনার দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। এতে করে স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। গত আগস্টে আউন্সপ্রতি দুই হাজার ৭২ ডলার ৫০ সেন্ট পর্যন্ত উঠে যায়। মূলত এ সময়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের মজুত শুরু হয়। এসব দেশের বিনিয়োগকারীরা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ দাম পেতে মজুতে জোর দিতে থাকেন। সব মিলিয়ে চলতি বছর স্বর্ণের মূল্য ২১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে স্বর্ণের মূল্যের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। প্রতি আউন্সে দুই দশমিক ছয় শতাংশ দাম কমেছে। প্রতি আউন্সের মূল্য ২৩ দশমিক শূন্য ৫২ ডলার। তবে বেড়েছে প্লাটিনামের দাম। প্রতি আউন্সের মূল্য শূন্য দশমিক চার শতাংশ বেড়েছে।

ভয়েসটিভি/ডিএইচ

Categories
অর্থনীতি

কমেছে সবজির দাম, চড়া তেল-চাল

সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ শীতের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। আগের চেয়ে একটু বড় আকারের ফুলকপি-বাঁধাকপি বাজারে আসছে। এদিকে ক্রেতাদের সবজির স্বস্তি মিলিয়ে গেছে চাল ও ভোজ্যতেলের ঊর্ধগতিতে। এ দুটি নিত্য পণ্যের দাম বেড়েছে আগের তুলনায়।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের টাউন হল, শান্তিনগর বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে ২০ নভেম্বর শুক্রবার দেখা যায়, মোটামুটি মাঝারি আকারের একটি ফুলকপির দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা। গত সপ্তাহে দাম কিছুটা বেশি ছিল। আকারেও ছিল এখনকার তুলনায় কিছুটা ছোট।

বেশি কমেছে শিমের দাম। এত দিন যে শিম প্রতি কেজি ১০০ টাকার বেশি ছিল, তা ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছিল। লাউও দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় বেশ কম দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি পাওয়া যায় আকার ও বাজারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে আসা একেবারে তরতাজা লাউয়ের দাম আরেকটু বেশি। বাজারে নতুন এসেছে কলিসহ পেঁয়াজ। প্রতি কেজি ৫০ টাকা।

কাঁচা মরিচের দাম কমেছে; তবে ততটা নয়। কারওয়ান বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি পাইকারিতে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। টাউন হল মার্কেটে কাঁচা মরিচ প্রতি আড়াই শ গ্রাম ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে গতকাল টাউন হল মার্কেটের কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ সবজি প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারে তা ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত আছে শাকের দাম। বাজারে প্রতি মোড়া লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৫ টাকা, পালং শাক ২০ থেকে ২৫ টাকা, ডাটা শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, মুলা শাকা ১০ থেকে ১২ টাকা, লাউ ও কমুড়ার শাক ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।

প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকা এবং চিনি ৬২ থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারের এই স্বস্তি মিলিয়ে যায় চাল ও ভোজ্যতেলের বাজারে। সরু চালের দাম আবার বেড়েছে। কারওয়ান বাজারে সরু মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং মানভেদে নাজিরশাইল কেজিতে ৬০ থেকে ৬২ টাকা দরে বিক্রি হয়। মাঝারি মানের চাল প্রতি কেজি ৫২ থেকে ৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের মোটা চালের দাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

কারওয়ান বাজারের চালের আড়তের বিক্রেতা আবু রায়হান বলেন, সরু চালের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে এক থেকে দুই টাকা বাড়তি।

খোলা ভোজ্যতেলের দাম আরও বেড়েছে। কারওয়ান বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১০৫ টাকা ও পাম সুপার ৯৮ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। লিটারে দাম আরেকটু কম।

অপরিবর্তিত আছে মাছ, মাংস ও মুরগির দাম। এসব বাজারে প্রতি কেজি শিং মাছ (আকার ভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই (আকার ভেদে) মাছ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কৈ মাছ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা, মিরর কাপ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩৮০ থেকে ৫৫০ টাকা, হরিণা চিংরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ও গলদা ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

এক ডজন লাল ডিমের দাম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, বকরির মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা, মহিষ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়, সোনালি মুরগি ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা কেজি দরে।

আরও পড়ুন: শীতের সবজিতে অস্বস্তি

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

রোহিঙ্গাদের উন্নয়নে ১০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গদের জন্য জ্বালানি, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন সেবা ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

নতুন এই অনুদানে এই প্রকল্পের আওতায় ৮১ হাজার মানুষের জন্য ৪০টি বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র, জলবায়ু সহনশীল রাস্তা, ৪ হাজার সৌর বিদ্যুৎচালিত সড়ক বাতি লাগনোসহ বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, গতকাল বুধবার বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাহাবুদ্দিন পাটোয়ারী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন চুক্তিতে সই করেন।

এ অর্থায়ন সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা ও সমন্বয়, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রেও এই অনুদান সহায়তা করবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে কক্সবাজারের অবকাঠামোসহ মৌলিক যেসব চাহিদা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই অনুদান সেই চাপ কিছুটা হলেও কমাতে সহযোগিতা করবে।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
অর্থনীতি

এক যুগ পর শেয়ারবাজারে আসছে নতুন ব্যাংক

দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর পুঁজিবাজারে আসতে যাচ্ছে নতুন একটি ব্যাংক। এরই মধ্যে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ব্যাংকটিকে অনুমোদনও দিয়েছে। ব্যাংকটি শেয়ার ছেড়ে ১২০ কোটি টাকা তুলবে। নতুন এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম এনআরবিসি ব্যাংক। এটিই চতুর্থ প্রজন্মের প্রথম ব্যাংক, যা পুঁজিবাজারে আসার অনুমোদন পেলো।

১৮ নভেম্বর বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসি এই ব্যাংকের অনুমোদন দেয়। এর মাধ্যমে প্রায় এক যুগ পর ব্যাংক খাতের কোনও কোম্পানির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পথ সুগম হলো।

অর্থাৎ পুঁজিবাজারে আসছে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক-এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংক লিমিটেড।

বিএসইসি’র মুখপাত্র রেজাউল করিম অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক- ব্যাংক খাতের কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে এসেছিল।

এনআরবিসি পুঁজিবাজারে মোট ১২ কোটি শেয়ার ছাড়বে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালু হবে ১০ টাকা।

এনআরবিসি জানায়, ব্যাংকের পুঁজির গুণগত মানের আন্তর্জাতিক চর্চা ব্যাসেল-৩ এর শর্ত পরিপালনে, উত্তোলিত টাকার ১১০ কোটিই বিনিয়োগ করা হবে সরকারি সিকিউরিটিজে। তবে সাড়ে ৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে শেয়ারবাজারে। আর আইপিও’র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে খরচ হবে বাকি সাড়ে তিন কোটি টাকা।

বর্তমানে এনআরবিসির পরিশোধিত মূলধন ৫৮২ কোটি টাকা। নতুন করে উত্তোলিত টাকা যোগ হলে, তা ৭০২ কোটি টাকা হবে।

এনআরবিসি ব্যাংক ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধক পরিদফতর-আরজেএসসি’র ব্যাংক কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন পায়।

ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে আসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

‘দেশে অর্থ পাঠাতে বিদেশি কর্মীদের বাধা দেয়া যাবে না’

বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে ডলার পাঠাতে পারেন। কিন্তু অনেক ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের ব্যাংক হিসাবে জমা ডলার যেকোনো সময় নিজ দেশে নির্বিঘ্নে পাঠাতে দিতে হবে। এতে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন নীতিমালার আলোকে সাধারণ অনুমোদনের ভিত্তিতেই যোগ্য ব্যক্তিরা হিসাবে থাকা বিদেশি মুদ্রা বাইরের দেশে পাঠাতে পারেন। এর জন্য নতুন করে বা আলাদা অনুমোদনের দরকার হয় না।

কিন্তু কোনো কোনো ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। এতে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে অর্থ পাঠাতে গিয়ে অহেতুক ভোগান্তিতে পড়ছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে কর্মরত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্থানীয় ব্যাংকে বিদেশি মুদ্রায় ‍হিসাব খুলতে পারেন। এছাড়া প্রবাসীরাও দেশের ব্যাংকগুলোতে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ধরনের হিসাব থেকে অর্থ পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

আরও পড়ুন: করোনার মধ্যেও রেকর্ড পরিমান রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

মাত্র ১২ দিনে দেশে ১শ’ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স রেকর্ড

বিশ্বব্যাপী করোনা সঙ্কটের মধ্যেও চলতি মাসের মাত্র ১২ দিনেই এক বিলিয়ন বা ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এত অল্প সময়ে প্রবাসী আয়ের রেকর্ড এটি।

অর্থমন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি অর্থবছরের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৯শ’ ৮৯ কোটি মার্কিন ডলার। যা এর আগে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের একই সময়ে ছিল ৬শ’ ৮৯ কোটি ডলার।

করোনা সঙ্কটের মধ্যেও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহ বাড়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বৈধ পথে পাঠানো প্রবাসী আয়ে সরকার ঘোষিত ২ শতাংশ নগদ সহায়তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ হয়েছে। এর আগে, কখনও এত অল্প সময়ে এত রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড নেই।’

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
অর্থনীতি

শীতের সবজিতে অস্বস্তি

ঢাকার বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু দামে লাগাম আসছে না। ছোট ছোট ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম প্রতিটি ৩০ থেকে ৫০ টাকা চাইছেন বিক্রেতারা। শিমের কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, বাজারে গিয়ে পণ্যের দামে এক প্রকার নাকানিচুবানি খাচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সবজির মতো চাল ও ভোজ্যতেলের দাম কমার লক্ষণ নেই। মসুর ডালের দাম গত সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। নতুন করে আর হেরফের হয়নি। আলুও আগের মতো বেশি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। স্বস্তির বিষয়, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে।

১৩ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন করে কোনো সবজির দাম বাড়েনি। আবার দাম কমেওনি। আগের সপ্তাহের দামেই সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে। গাজর, টমেটো, শিম, উস্তা, বেগুন, বরবটির কেজি একশ টাকার ঘরে রয়েছে। বাকি সবজিগুলোর দামও ব্যাপক চড়া। বেশিরভাগের দাম একশ টাকার কাছাকাছি।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. কামরুল খানের দোকানে গতকাল বৃহস্পতিবার শিম, শালগম ও নতুন আলু কেজি প্রতি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং মাঝারি আকারের প্রতিটি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। তার দোকানে বেগুন, গাজর, মুলা ও বরবটির কেজি চাওয়া হয় মানভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, শসা, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়স ও পটোলের দামও কম নয়, কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা চান তিনি। প্রতি আড়াই শ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

কামরুল বলেন, শীত যত বাড়বে, শীতের সবজির সরবরাহ তত বাড়তে থাকবে। তখন দাম কমবে।

বাজারে পুরোনো আলুর কেজি আকারভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যদিও সরকার নির্ধারিত দর ৩৫ টাকা। এ দামে কোথাও আলু বিক্রি করতে দেখা যায়নি। বাজারে এখন চার ধরনের পেঁয়াজ দেখা যায়। সবচেয়ে দাম কম চীনা ও তুরস্কের পেঁয়াজের, মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৬০ টাকার আশপাশে ও দেশি পেঁয়াজ মানভেদে কেজি ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। চীনা রসুন কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী জয়নাল মন্ডল বলেন, সবজির দাম কমতে আরও সময় লাগবে। শীতের সবজি বাজারে ভরপুর আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা কম। এখন বাজারে যে হারে আগাম সবজি আসছে চাহিদা তার চেয়ে বেশি। এ কারণেই দাম এমন চড়া।

এদিকে ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন (১২টি) ১০৫ টাকা। ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে ৪ নভেম্বর দিবাগত রাতে। কারওয়ান বাজারে গতকাল এক কেজি ওজনের একেকটি ইলিশ ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়। খাল, বিল ও নদীনালায় পানি কমতে শুরু করায় দেশি বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে, যা বাজারে আসছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সেগুফতা বখ্ত আর নেই

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সেগুফতা বখ্ত চৌধুরী আর নেই। ১১ নভেম্বর বুধবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক এ চেয়ারম্যানের নামাজে জানাজা বাদ মাগরিব রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেগুফতা বখ্ত চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংকের চতুর্থ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৭ সালের ১২ এপ্রিল গভর্নর হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ সালের ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।

এরপর তিনি ১৯৯৬-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, পাট এবং বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ