Categories
অর্থনীতি

আরও কমলো সোনার দাম

বিশ্ববাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে দেশে সোনার দাম আরও কমেছে। বর্তমানে প্রতিভরিতে দেড় হাজার টাকা কমিয়ে নতুন দাম ধার্য করেছে বাজুস।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের ৩ তারিখ থেকে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ হাজার ১৫১ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছে ৬৮ হাজার ১০০ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ হাজার ২৫২ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ হাজার ৯৩১ টাকায়।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৩ জানুয়ারি স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৯৮৩ টাকা কমানো হয়। সে হিসাবে দুই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে ভরিতে স্বর্ণের দাম কমেছে।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ১ হাজার ৫১৬ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ৯৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অর্থনীতি

দুই সপ্তাহে ১২০ টাকা বেড়ে সোনালি মুরগির কেজি ৩৬০

হঠাৎ করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে অস্থির হয়ে উঠেছে মুরগির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা আর সোনালি কক মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৭০ টাকা পর্যন্ত। আর দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ২০ টাকা আর সোনলি মুরগির ১২০ টাকা পর্যন্ত।

সামনে মুরগির দাম কমবে, এমন কোনো আশার কথাও শোনাতে পারেননি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, শবে বরাত, রমজান মাস ও ঈদ আসছে। তাই দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

৫ মার্চ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগির থেকেও দ্রুত গতিতে ছুটছে সোনালী বা কক মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালী মুরগির দাম বেড়ে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর দুই সপ্তাহ আগে এই মুরগির দাম ছিল ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৭০ টাকা এবং দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১২০ টাকা।

যাত্রাবাড়ী কাঁচা বাজারে কথা হয় মনিরা বেগমের সঙ্গে। স্বামী পরিত্যাক্তা এই নারী একটি চায়ের দোকান দিয়ে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেন। তিনি বলেন, গরুর মাংস আমাদের কপাল থেকে অনেক আগেই উঠে গেছে। এখন যে অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে মুরগিটাও কপাল থেকে উঠে যাবে। এত দাম দিয়ে তো আমাদের পক্ষে মুরগি কিনে খাওয়া সম্ভব না।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষে রোজ রোজ মাংস খাওয়া সম্ভব না। ছেলেমেয়েদের আবদার পূরণ করতে সপ্তাহে একদিন মাংস খাওয়ার চেষ্টা করি। এ ক্ষেত্রে আমাদের ভরসা ব্রয়লার মুরগি। ব্রয়লার মুরগির দাম কম থাকলে আমরা শান্তি পাই। আর দাম বাড়লে আমাদের কষ্ট বেড়ে যায়।

মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী কবির মিয়া বলেন, আমাদের কিছু করার নেই। বাড়তি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে, তাই বাড়তি দামে বিক্রি করছি। পাইকারি বাজারে এখন মুরগি কম আসছে। শুনছি খামারে ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন কম হচ্ছে।

তিনি বলেন, যে হারে মুরগির দাম বাড়ছে তাতে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা হয়ে যেতে পারে। আর সোনালী মুরগির কেজি ৪০০ টাকা হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ কিছুদিন আগে যে সোনালী মুরগির কেজি ২২০ টাকা ছিল, এখন তা ৩৬০ টাকা হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: সবজির সঙ্গে দাম বাড়ছে মুরগি পেঁয়াজ আদারও

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি জাতীয়

ভরিতে দেড় হাজার টাকা কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৫১৬ দশমিক ৩২ টাকা ক‌মি‌য়ে স্ব‌র্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।। ২২ ক্যারেটের ভরি প্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭১ হাজার ১৫০ দশমিক ৩২ টাকা। আজ ৩ মার্চ বুধবার থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু।

২ মার্চ মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর খবর গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। সবশেষ স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ হাজার ১৫০ দশমিক ৩২ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের বাজার দর ছিল ৭২ হাজার ৬৬৬ দশমিক ৭২ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে এক হাজার ৫১৬ দশমিক ৩২ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৬৮ হাজার এক দশমিক ১২ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত দাম ছিল ৬৯ হাজার ৫১৭ দশমিক ৪৪ টাকা। দাম কমেছে এক হাজার ৫১৬ দশমিক ৩২ টাকা।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৫৯ হাজার ২৫৩ দশমিক ১২ টাকা। আগে দাম ছিল ৬০ হাজার ৭৬৯ দশমিক ৪৪ টাকা। ভরিতে কমেছে এক হাজার ৫১৬ দশমিক ৩২ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৪৮ হাজার ৯৩০ দশমিক ৪৮ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫০ হাজার ৪৪৬ দশমিক ৮০ টাকা। প্রতি ভরির দাম কমেছে এক হাজার ৫১৬ দশমিক ৩২ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক হাজার ২২৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরির দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে এতদিন সনাতন পদ্ধতিতে রূপার ভরি বিক্রি হতো ৯৩৩ টাকায়। নতুন করে রূপার ক্যারেট শ্রেণি বিন্যাস করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাজুস।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস নির্ধারিত মূল্য তালিকায় বিক্রির অনুরোধ করা হলো।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অর্থনীতি

চালু হলো বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা

আজ জাতীয় বীমা দিবস। এ উপলক্ষে ১ মার্চ সোমবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীমা দিবসের অনুষ্ঠানে এ বীমা পলিসির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সহায়তায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ছিল অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

এই বীমা পলিসির প্রিমিয়াম দিতে হবে বছরে ৮৫ টাকা। পলিসির মেয়াদের মধ্যে বীমাগ্রহীতা মারা গেলে বা শারীরিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়লে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তার সন্তানকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেয়া হবে।

আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছরের জন্য পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে চালু করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা। এই বীমা পলিসির বীমাকৃত ব্যক্তি হবেন মা, বাবা অথবা আইনগত অভিভাবক। পলিসির মেয়াদের মধ্যে মা, বাবা বা আইনগত অভিভাবক মারা গেলে অথবা দুর্ঘটনাজনিত সম্পূর্ণ বা স্থায়ী অক্ষম হলে অথবা পঙ্গু হয়ে গেলে মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এ বৃত্তি দেয়া হবে পলিসির বাকি মেয়াদে অর্থাৎ বীমা পলিসি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগপর্যন্ত প্রতি মাসে।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা চালুর জন্য যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে, তাতে দেখা যায়, পলিসির মেয়াদ শিশুর বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা বীমা পলিসিটির আওতায় আসবে। শিশুর ১৮তম জন্মদিনে পলিসির মেয়াদ শেষ হবে। অর্থাৎ পলিসির মেয়াদ হবে ১৫ বছর।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা চালুর জন্য প্রতিটি জেলা থেকে একটি করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদরাসা (দশম শ্রেণি পর্যন্ত) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নেয়া হচ্ছে। এতে ৭০ হাজার শিক্ষার্থীর মা, বাবা বা অভিভাবক এ বীমার আওতায় আসবেন। আপাতত প্রিমিয়ামের অর্থ আইডিআরএর তহবিল থেকে দেয়া হবে জীবন বীমা করপোরেশনকে (জেবিসি)। কোনো দাবি উত্থাপিত হলে তা পরিশোধ করবে জেবিসি।

সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক তিন বছর আগেই এ বিষয়ে একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে জমা দিয়েছিল। এরপর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তা নিয়ে কাজ করতে দেয় আইডিআরএকে। এত বছর পর তা বাস্তব রূপ দেখতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের জন্যে এবার চালু হচ্ছে ‘শিক্ষা টিভি’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

স্বর্ণের বড় ধরনের দরপতন

টানা দুই সপ্তাহ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এতে আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে স্বর্ণের দাম। স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহজুড়ে দরপতন হয়েছে রূপারও। স্বর্ণ ও রূপার পাশাপাশি বড় দরপতন হয়েছে আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের।

গত সাত দিনে স্বর্ণের দাম কমেছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। রূপার দাম কমেছে ২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। অপরদিকে প্লাটিনামের দাম কমেছে ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ।

মহামারি করোনার প্রকোপ কমে আসায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮৩ টাকা কমিয়ে ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬০ হাজার ৭৬৯ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণ ৫০ হাজার ৪৪৭ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার পূর্বনির্ধারিত দাম বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা।

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানোর পর বিশ্ববাজারে কয়েক দফা দাম কমেছে। গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩৫ দশমিক ৪৯ ডলার কমেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৩৯ ডলারে নেমে এসেছে। আগের সপ্তাহে স্বর্ণের দাম কমে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। টানা দুই সপ্তাহের এই পতনে আট মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে।

এর আগে গত নভেম্বর মাসে স্বর্ণের দাম কমেছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। আর ফেব্রুয়ারিতে স্বর্ণের দাম কমল ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ যা একক মাস হিসেবে নভেম্বরের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

অপরদিকে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দশমিক ৭৪ শতাংশ কমার মাধ্যমে সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে রূপার দাম কমেছে ২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রূপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৬৬ ডলার। এই দরপতনের পরও মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে রূপার দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এদিকে স্বর্ণ ও রূপার দরপতনের সঙ্গে গেল সপ্তাহে বড় পতন হয়েছে আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম ২৭ দশমিক ৫৮ ডলার কমে ১ হাজার ১৮৮ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই দরপতনের ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে প্লাটিনামের দাম কমেছে ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে মাসের ব্যবধানে দামি এই ধাতুর দাম বেড়েছে ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
অর্থনীতি

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে মাইলফলক

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৪০০ কোটি (৪৪ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়েছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিন শেষে বাংলাদেশের রিজার্ভ দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪০২ কোটি ডলার। এর আগে ৪ হাজার ৩০০ কোটি (৪৩ বিলিয়ন) ডলার ছাড়ায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সঙ্গে রপ্তানি আয় বেড়েছে। এ কারণে রির্জাভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

প্রথমবারের মতো দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে গত বছরের ২৩ জুন। এর আগে ৩ জুন রির্জাভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ৩৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

দেশে উন্নয়নশীল অংশীদারদের বিনিয়োগও আসা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বর্তমানে যে পরিমাণ বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আছে সেটি দিয়ে ১১ মাসেরও বেশি আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা।

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। যেটি ছিল সর্বোচ্চ রিজার্ভ।

আর নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে, যা গত বছরের (২০২০) জানুয়ারির চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ দিনে (১ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি) ১৪৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

বেড়েছে মুরগির দাম, কমেছে আলুর

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার, সোনালি মুরগি ও লেবুর। তবে দাম কমেছে আলু ও সবজির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, গরু, খাসির মাংসসহ অন্য পণ্যের দাম।

২০ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে বাজারের এ চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, শালগম ১০ থেকে ১৫ টাকা, গাজর ২০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পাকা টমেটো ২০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। প্রতিটি লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়, ফুলকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। মিষ্টি কুমরার কেজি ৩০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি।

হালিতে ৫ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। ২০ টাকা দাম বেড়ে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

এছাড়াও আদা প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুনের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫-৬৮ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেলর লিটারের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা।

গত সপ্তাহের দামে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা।

প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি (কক) ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, মহিষ ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজু বলেন, একদিনের ব্যবধানে বাজারে সবজির দাম অনেক ওঠানামা করে। অনেক সময় বাজারে ক্রেতাই থাকেনা, তখন কম দামে সবজি বিক্রি করতে হয়। বাজারে কোন কিছু দাম বেড়ে গেলে সবাই তখন দাম বাড়া নিয়ে কথা বলে। দাম কম থাকলে তা নিয়ে কেউ কিছু বলে না। আমাদের এখন বেশির ভাগ সময় সবজি লসেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দিলো সরকার

ভোজ্যতেলের বিশেষ করে সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এখন থেকে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১১৫ টাকা আর বোতলজাত সয়াবিন ১৩৫ টাকায় বিক্রি হবে খুচরা বাজারে।

১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার সচিবালয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেলের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সামনে রমজান মাস, বর্তমানে যথেষ্ট মজুদ আছে। সব হিসেব-নিকেশ করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

তিনি বলেন, প্রতি লিটার সয়াবিন (খোলা) পাইকারি পর্যায়ে ১১০ টাকা, খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা আর মিলে গেটে ১০৭ টাকায় বিক্রি হবে।

আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের মিল গেট মূল্য ১২৩ টাকা, পাইকারি মূল্য ১২৭ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১৩৫ টাকা। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন মিল গেট মূল্য ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৬০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬২৫ টাকা।

আর পাম সুপার তেলে প্রতি লিটার মিল গেটে মূল্য (খোলা) ৯৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দিন, সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ভোজ্য তেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

প্রণোদনা পাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫ লাখ খামারি

মহামারী করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৬ জন খামারিকে আর্থিক প্রণোদনা দেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

১৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৬ জন খামারিকে আগামীকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আর্থিক প্রণোদনা দেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
অর্থনীতি

পেনশনের বিভ্রান্তি দূর করতে নতুন প্রজ্ঞাপন

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার জন্যে নতুন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ। ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব খালেদা নাছরিনের সই করা এ-সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সাধারণত অবসরে যাওয়ার এক বছর আগে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) যান সরকারি চাকরিজীবীরা। এলপিআর শেষ হওয়ার পর তারা যান অবসরে। এই অবসরের নামই অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল)। তবে কেউ কেউ এলপিআরে থাকতেই পিআরএলে যান, সেক্ষেত্রে পেনশন, আর্থিক সুবিধা, অবসরের তারিখ, এলপিআর শুরুর তারিখ এবং চূড়ান্ত অবসর শুরুর তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, এলপিআরকে পিআরএলে রূপান্তর করলে পিআরএলকাল পেনশনযোগ্য চাকরি হিসেবে গণনাযোগ্য হবে না। তবে ওই সরকারি কর্মচারী এলপিআরে থাকার সময় যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, পিআরএলে গেলেও সেগুলো বহাল থাকবে।

একটি উদাহরণ তুলে ধরে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনাব ‘ক’ এর বয়সপূর্তি হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং সেদিন অপরাহ্নে তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। ছুটি পাওনা সাপেক্ষে ‘ক’এর পিআরএল শুরু হবে অবসরে যাওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

‘ক’ ১২ মাস পিআরএল ভোগ করলে তার ছুটি শেষ হবে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং তার চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি। তবে পিআরএল ভোগ না করলে ‘ক’ এর চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

ভয়েসটিভি/এএস