Categories
বিনোদন

ঢাকায় আসছেন শান্ত খানের নায়িকা কৌশানী

অভিনেতা শান্ত খানের নায়িকা হয়ে  ‘পিয়া রে’ শিরোনামে একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন কলকাতার অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। সিনেমাটিতে উঠতি চিত্রনায়ক শান্ত খানের নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে তাঁকে।

সোমবার দুপুরে সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া  ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসছেন কৌশানী। এর পর টানা শুটিংয়ে অংশ নেবেন। মাঝে পূজার একটা ব্রেক দেওয়া হবে। শুধু কৌশানী নয়, কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখার্জিও এই সিনেমার শুটে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন।

দেশে বিদেশি শিল্পীদের শুটিংয়ের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ এরই মধ্যে পেয়েছেন বলেও দাবি করেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের এই কর্মকর্তা।

এর আগে শাপলা মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের প্রযোজনায় কলকাতার দুই সিনেমার শুট শেষ করেছেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। কৌশানি কাজ করেছেন ‘ছুটি’ নামের একটি সিনেমায়। শামীম আহমেদ রনির পরিচালনায় দুটি সিনেমায় তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রেমিক বনি সেনগুপ্ত। যিনি বাস্তব জীবনেও তার প্রেমিক। বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানি মুখোপাধ্যায় টালিউডের ‘লাভবার্ড’ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি সিনেমাটির একটি গান প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ‘হীরকগড়ের হীরে’ নামের একটি অ্যাডভেঞ্চার সিনেমার কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী।

ভয়েস টিভি/ডি

 

 

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের যত হাসির রাজা

চলচ্চিত্র হচ্ছে বিনোদনের প্রধান মাধ্যম আর কৌতুক হচ্ছে চলচ্চিত্রের প্রাণরস। কৌতুক অভিনেতারা এই বিনোদন দেয়ার চেষ্টা করেন। ঢাকাই চলচ্চিত্রের সূচনালগ্ন থেকে কৌতুক অভিনেতারা দর্শকদের বিনোদিত করেছেন সুঅভিনয় দিয়ে।

ষাটের দশকে ‘১৩ নাম্বার ফেকু ওস্তাগার লেন’ ছবির মাধ্যমে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে বড় পর্দায় আসেন খান জয়নুল। নাচের পুতুল সিনেমায় বাবুগিরি করে বেড়ানো নায়িকার ছোট ভাই, ছন্দ হারিয়ে গেল-তে সেই অর্থকষ্টে থাকা অথচ প্রফুল্ল বন্ধু, অবুঝ মন’-এর কম্পাউন্ডার ইত্যাদি চরিত্রগুলোতে লাফালাফি-ঝাপাঝাপি না করে শুধু ভ্রু আর মুখের ভাঁজের অনবদ্য অভিনয় দিয়ে প্রচণ্ড হাস্যমুখর পরিবেশ তৈরি করতে পারার অসামান্য ক্ষমতা তার। বশীর হোসেন পরিচালিত ‘১৩ নাম্বার ফেকু ওস্তাগার লেন’ সিনেমার কাহিনিকার এবং সংলাপ রচয়িতা। ১৯৭৬ সালের ১৫ জানুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান এ কৌতুক অভিনেতা।

বিশিষ্ট নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, লেখক, অভিনেতা ও কৌতুক অভিনেতা আশীষ কুমার লৌহ। ১৯৫৫ সালে বিভিন্ন মঞ্চনাটকে অভিনয় ও কৌতুক প্রদর্শন করে প্রচুর খ্যাতি অর্জন করেন। এ সময় তিনি বেতার ও টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত অভিনয়শিল্পী হয়ে যান। শিল্পী হিসেবে তিনি বেতার ও টেলিভিশনে বিভিন্ন নাটকে অভিনয় এবং নাটক লেখা শুরু করেন। ষাটের দশকে টেলিভিশনে প্রথম ধারাবাহিক কৌতুক নাটক ‘হীরা-চুনি-পান্না’ নাটকে হীরার ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া জাগিয়েছিলেন। ষাটের দশকেই তিনি চলচ্চিত্র জগতে অভিনয় শুরু করেন।

কৌতুক অভিনেতা সাইফুদ্দিন ১৯৫৬ সালে ঢাকার প্রথম সবাক বাংলা ছবি ‘মুখ ও মুখোশ’ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ষাটের দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত চলচ্চিত্রে নিয়মিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রায় ৪০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে মুখ ও মুখোশ, চাওয়া-পাওয়া, আঁকাবাঁকা, ময়নামতি, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, জল ছবি, মধু মিলন, বধূ বিদায়, আরাধনা, সুন্দরী, শহর থেকে দূরে, শেষ উত্তর, বড় ভালো লোক ছিল, চন্দ্রনাথ, দহন ও বেদের মেয়ে জোসনা উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৯ সালে সুন্দরী ছবির জন্য সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৫৯ সালে ‘আকাশ আর মাটি’ ছবির মাধ্যমে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক প্রকৌশলী রবিউল আলমের। শতাধিক ছবিতে অভিনয় করা এ অভিনেতার অন্যতম গুণ ছিল তিনি কুলার মতো কান দুটোকে তালে তালে নাচাতে পারতেন। উল্লেখযোগ্য ছবি ছুটির ঘণ্টা, গুণ্ডা, আলোর মিছিল, চৌধুরী বাড়ী, নীল আকাশের নিচে প্রভৃতি। ১৯৮৭ সালে মারা যান রবিউল।

১৯৬০ সালে বিষকন্যা ছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন আনিস। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পায়নি। ১৯৬৩ সালে মুক্তি পায় আনিস অভিনীত প্রথম ছবি জিল্লুর রহমান পরিচালিত ‘এই তো জীবন’। তার পর থেকে তিনি অভিনয় করেই গেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি অভিনয় করেছেন। নবাব সিরাজদ্দৌলা নাটকে গোলাম হোসেন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি মঞ্চে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আড়াই শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

টেলিসামাদ ১৯৬৬ সালে ‘কার বউ’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। চার দশকে প্রায় ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। চারুকলা ও সংগীতেও রয়েছে এ গুণী অভিনেতার পারদর্শিতা। দিলদার আলী ও মনা পাগলা ছবির প্রযোজনা, সংগীত পরিচালনা ও প্লেব্যাক করেছেন তিনি। এ দুই ছবিতে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক নজর কাড়েন এ অভিনেতা। ২০১৫ সালে তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি মুক্তি পায় ‘জিরো ডিগ্রি’। গত শনিবার মারা যান এ জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা।

মঞ্চাভিনয় থেকে সত্তরের দশকে চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। হাবা হাসমত নামে একটি ছবি পরিচালনা ও এতে মর্মস্পর্শী অভিনয় করে এ নামেই খ্যাতি পান তিনি। নতুন বউ,আলোর মিছিল, রংবাজ, অবুঝ মন এবং নীল আকাশের নিচে-সহ শতাধিক ছবিতে অভিনয় এবং ‘স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, এখানে আকাশ নীল, হাসি-কান্না, নকল মানুষ, মধুমিতা শিরোনামের ছবিগুলো নির্মাণ করেন তিনি। ২০১৪ সালে না ফেরার দেশে চলে যান এ অভিনেতা।

দিলদার চলচ্চিত্রে আসেন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কেন এমন হয় চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। তিনি ২০০৩ সালে সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ‘তুমি শুধু আমার’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০০১ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ৫ শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে আরও যারা দর্শক মাতিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- ব্ল্যাক আনোয়ার, আফজাল শরীফ, লালু ও মন্টু, ফরিদ আলী, আবদুল আজিজ, শেখর আহমেদ, কাজল, জ্যাকি আলমগীর, রতন, সুরুজ বাঙালি, গিট্টু আজিজ, চিকন আলী, ববি, বেবী জামান, মতি ও সোনা মিয়া।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বলিউডের ক্ষণজন্মা গ্লামার কুইন দিব্যা ভারতী

নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ পান তিনি। সমসাময়িক এমনকি সিনিয়র নায়িকাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখেও সমানে পাল্লা দিয়েছেন। নিজের গ্লামার এবং অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দ্রুত উঠে এসেছেন জনপ্রিয়তার প্রথম সারিতে। কিন্তু রহস্যময় অকালমৃত্যু তাকে থামিয়ে না দিলে আরও অনেক আলোকবর্ষ পাড়ি দিত তার তারকা খ্যাতি।

বলছিলাম ১৯৯৩ সালের ৫ এপ্রিল, মুম্বাইয়ের ৫ তলা বিল্ডিংয়ের ব্যালকনি থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করা বলিউডের অন্যতম সুন্দরী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর কথা। যিনি ধুমকেতুর মতো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এসে পেয়েছিলেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। কিন্তু হারিয়ে গেছেন খুবই তাড়াতাড়ি। সেই রাতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় ভারতীয় উদীয়মান নায়িকা দিব্যা ভারতীর। তখন দিব্যার বয়স মাত্র ১৯ বছর। হত্যা, আত্মহত্যা নাকি নেহায়েত দুর্ঘটনা কী ঘটেছিল সেই রাতে তা নিয়ে আজও রয়েছে অনেক বিতর্ক।

বলিউডে সুন্দরী অভিনেত্রীদের তালিকায় প্রথম সারিতেই উঠে আসে দিব্যা ভারতীর নাম। নব্বইয়ের দশকের অন্যতম সুন্দরী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিব্যার সৌন্দর্যের তুলনা করা হয়েছিল স্বয়ং শ্রীদেবীর সাথেও। লাগাতার দর্শকদের হিট ছবি উপহার দিয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

দিব্যার জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। বাবা ওমপ্রকাশ ভারতী ছিলেন জীবনবিমা কর্মী। মা মিতা গৃহিণী। ছোট ভাই কুণাল এবং সৎ বোন পুনমের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠা দিব্যার। ছোটবেলা থেকেই হিন্দি, মারাঠি আর ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ছিলেন দিব্যা। পড়তেন মানেকজি কুপার হাই স্কুলে। তবে অভিনয়ে আসার পর আর পড়াশোনা করেননি তিনি। অভিনয় জগতে ভীষণ আগ্রহ ছিল ছোট থেকেই। অল্প বয়সেই হিন্দি গানের সাথে নাচে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। স্কুলের পড়া বাদ দিয়েই তিনি অনুশীলন করতেন অভিনয় আর নাচ।

স্কুলে পড়ার সময়ই তিনি বেশ কিছু বলিউড সিনেমার প্রস্তাব পান, তবে কম বয়সের কারণে এবং অভিনয়ে পরিপক্কতা না আসায় অডিশনেই বাদ পড়েন তিনি। এরপর ১৯৯০ সালে তেলেগু ছবির বিখ্যাত প্রযোজক ডি রামানাইড়ু ‘ববিলি রাজা’ সিনেমার জন্য নিজের ছেলের বিপরীতে নায়িকা হওয়ার প্রস্তাব দিলে তা লুফে নেন। ৯ম শ্রেণীতে পড়াকালীন দিব্যার প্রথম সিনেমা ‘ববিলি রাজা’ মুক্তি পায়। সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে আশাতীত সাফল্য পায় এবং দিব্যার হাসিমাখা পুতুল সদৃশ চেহারা সকলের নজর কাড়ে।

সেবছরই তামিল সিনেমা ‘নিলা পানি’ এবং ১৯৯১ সালে ‘না ইল্লে না সরগাম’, ‘রডি আলুডু’, ‘এসেম্বলি রোডি’, ‘ধর্ম ক্ষেত্রাম’ নামক ৪টি তেলেগু সিনেমায় কাজ করেন তিনি এবং প্রতিটি সিনেমাই বাণিজ্যিক সফলতা পায়। এরপর ১৯৯২ সালে সানি দেওলের বিপরীতে রাজিব রাই পরিচালিত ‘বিশ্বাত্মা‘ ছবির প্রস্তাব পান তিনি। মুক্তির পর সিনেমাটি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে, বিশেষ করে সিনেমাটির প্রতিটি গানই জনপ্রিয়তা লাভ করে। ‘সাত সামুন্দর’ গানের সুর ও কথায় বাংলাদেশেও তৈরি হয় ‘নীল সাগর পার হয়ে’ গানটি, যার চিত্রায়নে সালমান শাহ ও সোনিয়াকে দেখা যায়। ‘বিশ্বাত্মা’ সিনেমাটিতে অভিনয়ের প্রশংসা প্রাপ্তির সাথে সুন্দর চেহারার নায়িকা হিসেবেও বেশ আলোচিত হন তিনি। বিভিন্ন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদেও জায়গা করে নেয় দিব্যার ছবি।

পরবর্তী বছর মুক্তি পায় ‘দিল কা ক্যায়া কাসুর’, সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে সফল না হলেও অভিনয়ের জন্য দিব্যা বেশ প্রশংসিত হন। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় ডেভিড ধাওয়ানের ‘শোলা অউর শবনম’, এ সিনেমাটিতে গোবিন্দের বিপরীতে দেখা যায় দিব্যাকে। ছবির এক দৃশ্যে সাঁতারের পোশাকে আবির্ভূত হয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে দিব্যা। তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয় ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দিওয়ানা’ সিনেমাটি। নবাগত শাহরুখ খানের বিপরীতে দিব্যার অনবদ্য অভিনয় আর ছবির গানগুলো বিশেষ করে ‘তেরা নাম রাখ দিয়া’ গানের জনপ্রিয়তায় বর্ষসেরা সিনেমার তকমা পায় ‘দিওয়ানা’। সেই বছরেই ফিল্মফেয়ার উৎসবে দিব্যা ও শাহরুখ দুজনেই ‘লাক্স ফেইস অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার অর্জন করেন।

এরই মধ্যে দিব্যার সাথে পরিচয় হয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সাথে। অভিনেতা গোবিন্দের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার সুবাদে ‘শোলা আউর শবনম’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন বেশ কয়েকবার দেখা হয় তাদের। সেখান থেকেই আলাপ এবং সম্পর্ক গড়ায় ভালবাসায়। ১৯৯২ সালের ১০ মে ইসলামী রীতিতে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের পূর্বেই দিব্যা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নতুন নাম হয় সানা নাদিয়াদওয়ালা।

পুলিশের তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ অনুযায়ী- মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পাঁচতলা ভবন তুলসীতে উপস্থিত ছিলেন- দিব্যার পোশাক ডিজাইনার ও বান্ধবী নিতা লুলা, তার স্বামী ড. শ্যাম লুলা ও বাসার পরিচারিকা অমৃতা। পরদিন ভোরে আউট ডোর শুটিং থাকায় নিতা নুলাকে বাসায় ডেকে পাঠান তিনি। তবে দিব্যার স্বামী সেদিন বাসায় ছিলেন না। লিভিং রুমে দুই অতিথির সাথে গল্প করছিলেন আর পরিচারিকা তাদের খাবারের আয়োজনে ব্যস্ত ছিলেন।

নিতার ভাষ্যানুযায়ী, তখন প্রায় রাত ১১:৪৫ মিনিট, দিব্যা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। বাড়ির সব জানলায় গ্রিল থাকলেও লিভিং রুমের লাগোয়া জানালাটিতে কোনো গ্রিল ছিল না। দিব্যা অমৃতার সাথে কিছুটা উচ্চস্বরে কথা বলতে বলতে জানালার পাশে গেলে হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। গাড়ি পার্কিংয়ের মাটিতে আছড়ে পড়ে তার দেহ। মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বলিউডের আকাশে ক্ষণস্থায়ী উজ্জ্বল এই নক্ষত্র মাত্র ১৯ বছর বয়সেই অর্জন করে গেছেন নাম, খ্যাতি আর ভক্তদের অপরিসীম ভালবাসা। আর এই ভালবাসাই সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণোচ্ছল, মায়াবী চেহারার দিব্যা ভারতীকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে সকলের মাঝে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

সিনেমার ‘নবাব’ আনোয়ার হোসেন

বাংলা সিনেমার নন্দিত অভিনেতার নাম আনোয়ার হোসেন। তাকে বলা হয় বাংলার মুকুটবিহীন নবাব। খান আতার ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ ছবিটির নাম ভূমিকায় দাপুটে অভিনয় সুবাদে তিনি পরিণত হয়েছিলেন কিংবদন্তিতে। আর এ ছবির আগে ও পরে অসংখ্য ছবিতে নানামুখী চরিত্রে তার অভিনয় সমৃদ্ধ করেছে বাংলা চলচ্চিত্রকে।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা হিসেবে খ্যাতি পাওয়া আনোয়ার হোসেন ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। আনোয়ার হোসেন ২০১০ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পান। ১৯৭৫ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেতা তিনি। নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘লাঠিয়াল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তাকে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার দেয়া হয়। এরপর আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ছবিতে সহ-অভিনেতার পুরস্কার পান ১৯৭৮ সালে।

আনোয়ার হোসেন ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর জামালপুর জেলার সরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবনে প্রথম অভিনয় করেন আসকার ইবনে সাইকের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে। ১৯৫৭ সালে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং নাসিমা খানমকে বিয়ে করেন।

অভিনয় জীবনের ৫১ বছরে পাঁচ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৭ সাল পর্যন্ত অভিনয় করেছেন আনোয়ার হোসেন। ১৯৫৮ সালে ‘তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমেই অভিনয়ের সূচনা। ১৯৬৪ সালের ১ মে তার অভিনীত ‘দুই দিগন্ত’ ছবি দিয়ে ঢাকার ‘বলাকা’ সিনেমা হলের উদ্বোধন হয়েছিল।

আনোয়ার হোসেন অভিনীত অন্যতম ছবিগুলোর মধ্যে মধ্যে রয়েছে- জহির রায়হান পরিচালিত ‘কাঁচের দেয়াল’ ও ‘জীবন থেকে নেয়া’, মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ ও ‘সূর্যস্নান’, কাজী জহির পরিচালিত ‘বন্ধন’, খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, এম এ হামিদ পরিচালিত ‘অপরাজেয়’, সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, জহিরুল হক পরিচালিত ‘রংবাজ’, আলমগীর কবির পরিচালিত ‘ধীরে বহে মেঘনা’, নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘লাঠিয়াল’, আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন

মুসলিম নুসরাত সিঁদুর পরে যশের সঙ্গে পূজায়!

সিঁথিতে সিঁদুর পরে যশদাশ গুপ্তের সঙ্গে বিশ্বকর্মা পূজা দেখেতে গেলেন কলকাতার এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত চিত্রনায়িকা নুসরাত জাহান। ১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার তারা একসঙ্গে পূজার অনুষ্ঠানে যান। দুই তারকার পূজার ছবি নেটিজেনদের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি রঙের কুর্তা পরেছেন নুসরাত। হাতে সোনার চুড়ি, কানে সোনার দুল। পরিপাটি করে আঁচড়ানো চুল, মাঝে সিঁথিতে স্পষ্ট সিঁদুর। একটি ছবিতে জনসংযোগ কর্মী রণজিতের সঙ্গে নুসরত। অন্যটিতে নুসরত এবং রণজিতের সঙ্গে যশ। তার পরনে হালকা নীল শার্ট এবং জিনস।

নুসরাত এবং সিঁদুর, এই দুই বিষয়ের যোগসূত্র অনেক দিনের। নিখিল জৈনের সঙ্গে বিয়ের পর মিমি চক্রবর্তী এবং নুসরাত সংসদে গিয়েছিলেন।

ইসলাম ধর্মাবলম্বী হয়ে সিঁদুর পরার জন্য তাকে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। তার পরে নিখিলের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যশ এবং নুসরাতকে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে দেখা যায়। সেখানে মদন মিত্রও উপস্থিত ছিলেন। তখনও নুসরাত সিঁদুর, শাখা-পলা পরেছিলেন। এ বারও সদ্য মা হওয়া নুসরত জোর বিতর্কেত মাঝে সিঁদুর পরে দেখা দিলেন। সঙ্গে তার সন্তানের বাবা যশ।

Categories
বিনোদন

এবার সিগারেট হাতে সাহসী পরীমণি!

মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবাস আর নিন্দুকের সমালোচনায় বিচলিত নন পরীমণি। বরং সর্বংসহা হয়ে সব প্রতিকূলতা মাড়িয়ে এগিয়ে চলছেন সম্মুখ পানে। প্রায় এক মাস কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়ে বারংবার তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছেন এ নায়িকা। কখনো হাতে মেহেদীর রঙে বিশেষ বার্তা লিখে, কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে নিজের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছেন তিনি।

১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুক পেজে নতুন দুটি ছবি শেয়ার করেছেন পরীমণি। সেখানে তাকে দেখা গেছে পাতলা টপস ও শর্টসে। ছবিতে তার উন্মুক্ত উরু, হাতে সিগারেট, আর হাতের তালুতে লেখা সেই ‘…ক মি মোর’ বার্তাটি পেয়েছে বেশি প্রাধান্য। যার ফলে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিগুলো।

হাতে জ্বলন্ত সিগারেট থাকলেও ক্যাপশনে পরী উপদেশ দিয়েছেন সিগারেট নিয়েই। লিখেছেন, ‘সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’

গত ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন পরীমণি। সেদিনই তার হাতের তালুতে সাহসী এ বাক্যটি দেখা যায়। তিনি নিজেই ক্যামেরায় পোজ দিয়ে বাক্যটি সবার নজরে এনেছেন। কেন এমন কথা লিখলেন? পরে এর জবাবও দিয়েছেন। বলেছিলেন, ‘যারা আমার জীবন নিয়ে খেলতে চায় বা ঘাটতে আসে, তাদের সবাইকে আমি ওয়েলকাম করছি। আসো। ওয়েলকাম। আমি তোমাদের সঙ্গে এই খেলায় অংশ নিতে প্রস্তুত। দম যতদিন আছে, আমি শেষ অবধি এই খেলায় লড়ে যাবো।’

প্রায় এক মাস বন্দী থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান পরীমণি। গত ৪ আগস্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব। মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী নাসরিন

ফখরুল হাসান বৈরাগী পরিচালিত ‘অগ্নিপথ’ ছবির মধ্য দিয়ে ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা করেন অভিনেত্রী নাসরিন আক্তার। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘লাভ’ তার দ্বিতীয় ছবি। নৃত্য সহশিল্পী হিসেবে যাত্রাটা শুরু হলেও দেশের প্রথম সারির অনেক নায়কের বিপরীতেও অভিনয় করেছেন তিনি। কৌতুক অভিনেতা দিলদারের নায়িকা হিসেবে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এখন তাকে সিনেমা অঙ্গনে খুব একটা দেখা যায় না। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক ভাইয়ের পরিচালনায় ‘আনন্দ অশ্রু’ সিনেমার কাজ শেষ হলেই বেকার। অথচ একটা সময় ছিল সিডিউল দেয়া নিয়েই আতঙ্কে থাকতেন তিনি।

নাসরিনের দাবি, এফডিসির সিনিয়র পরিচালকরা সিনেমায় অনিয়মিত হওয়ার কারণেই তার মতো সিনিয়র শিল্পীরাও কাজ পাচ্ছেন না। এখন নতুন পরিচালকদের সময় যাচ্ছে।

পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী নাসরিন আক্তার নার্গিস বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। পুরো নাম নাসরিন আক্তার নার্গিস হলেও চলচ্চিত্র অঙ্গনে শুধু নাসরিন নামেই অধিক পরিচিত।

নাসরিনের দুই সন্তানদের মধ্যে মেয়ে কামরুন্নাহার আফরিনের বয়স ছয় বছর। পড়ে ক্লাস ওয়ানে। আর ছেলে গোলাম মোরশেদ রিদয় বয়স চার বছর।

রুপালি পর্দায় কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদের সঙ্গে জুটি হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। তবে দিলদারের জুটি হিসেবে নাসরিনের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। তাকে দেখা গেছে আফজাল শরীফ ও কাবিলার সঙ্গেও।

নব্বই দশকের প্রায় সব ছবিতেই দেখা মিলতো তার। নানা রকম চরিত্রে হাস্য রসাত্মক দৃশ্য নিয়ে হাজির হতেন তিনি। ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের কাছে প্রিয় এক নাম নাসরিন।

চলচ্চিত্রের সোনালী দিন দেখেছেন। বহু সুপারহিট ও কালজয়ী সিনেমার অংশ তিনি। নব্বই দশকে নায়ক-নায়িকারা যতোটা জনপ্রিয় ছিলেন তার চেয়ে কম পরিচিত ছিলেন না চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাসরিন।

শাবনূর-মৌসুমীদেরও আগে সিনেমায় যাত্রা শুরু তার। এসেছিল নায়িকা হওয়ারও প্রস্তাব। তবে সে ভাগ্য আর হয়নি তার। ‘দিলদারের নায়িকা’ হিসেবেই জনপ্রিয় থেকে গেলেন নাসরিন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বাংলা চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনেতা দিলদার

একজন কৌতুক অভিনেতা শুধু মানুষকে হাসায় না, কাঁদায়ও। তার অভিব্যক্তি দর্শকদের মনকে নাড়িয়ে তোলে। সেই রকম একটি চরিত্র মানুষের মনে আজও গেঁথে আছে। তার নাম দিলদার। অনেক ছবির নায়ক-নায়িকার চেয়েও শক্তিশালী ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে দিলদার মানেই দম ফাটানো হাসি! বাংলাদেশে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে এক চেটিয়া বাংলা সিনেমায় দাপুটে অভিনয় করে গেছেন। আশি-নব্বই দশকে বাংলা চলচ্চিত্র জগত একপাক্ষিক ছিলো না। কাহিনী নির্ভর ছবি তৈরি হতো। নায়ক নায়িকার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকলেও খলনায়ক আর সঙ্গে জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতার ভূমিকা ছিলো তুলনাহীন। বিভিন্ন ভূমিকার কারণে চলচ্চিত্রগুলো থাকতো মানুষের মণিকোঠায়। এমনই একটি নাম দিলদার।

পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই দম ফাটানো হাসির রোল। দর্শক পর্দায় তার অঙ্গভঙ্গি দেখে হেসে গড়াগড়ি খেতো। মুহূর্তে কাঁদিয়েও ফেলতে পারতেন এই জাত অভিনেতা। চরিত্রের এই বৈচিত্রময়তাও প্রবল ছিল এই গুণী অভিনেতার মধ্যে।

দিলদার চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কেন এমন হয় চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর থেকে অসংখ্য সিনেমায় তার উপস্থিতি ঘটেছে। বিশেষ করে আশি ও নব্বইযের দশকের বাংলা সিনেমায় কৌতুক অভিনেতা মানেই দিলদার। অঘোষিতভাবে তিনি বাংলা কমেডির রাজপুত্র বনে গেয়েছিলেন।

কৌতুক অভিনেতা হিসেবে দিলদার জনপ্রিয়তার এমন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন যে, তাকে নায়ক করে ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি ছবিও নির্মাণ করা হয়। ওই ছবিতে একজন লোক হাসানো মানুষের খোলস ছেড়ে তিনি হাজির হয়েছিলেন অন্যরূপে। ছবিতে দর্শক তার অভিনয় দেখে যেমন মুগ্ধ হয়েছেন, তেমনি চরিত্রের বৈচিত্রও দেখিয়েছেন অভিনেতা দিলদার।

দিলদারের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মাস্তান’, ‘প্রিয়জন’, ‘বিচার হবে’ এবং ‘বীরপুরুষ’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘তুমি শুধু আমার’ নামের একটি চলচ্চিত্রের জন্য ২০০৩ সালে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি।

বিষন্ন মনকে কিছুটা ভালো রাখতে আশ্রয় নিতে হয় বিনোদনের। সেই বিনোদনগুলোর মধ্যে চলচ্চিত্র একটি উত্তম মাধ্যম। কেননা মনের মত একটি চলচ্চিত্রই পারে মনে প্রশান্তির ছোঁয়া দিতে। যা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দিয়ে গেছেন অভিনেতা দিলদার। বাংলা চলচ্চিত্রে কমেডিয়ান আর দিলদার যেন একে অপরের পরিপুরোক হয়ে উঠেছিলো।

১৯৪৫ সালে চাঁদপুরে জন্ম নেয়া এই গুণী অভিনেতা ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই মাত্র ৫৮ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন। সেই শুন্যতা আজও পূরণ হয়নি।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন

হলিউডের ৫টি সেরা রোমান্টিক সিনেমা

যারা মুভি পছন্দ করেন। তাদের সবসময় নজর থাকে হলিউডের দিকে। আর রোমান্টিক কোনো মুভি মানেই সেটি দেখতেই হবে। চলুন দেখে জানা যাক- হলিউডের ৫টি রোমান্টিক সিনেমা সম্পর্কে।

দ্য নোটবুক (The Note Book)
এটি একটি আমেরিকান রোম্যান্টিক ড্রামা ফিল্ম। নিকোলাস পার্ক্সের নোভেল থেকে বানানো হয় সিনেমাটি। একটি গরীব ছেলের একজন ধনী পরিবারের মেয়ের প্রেমে পড়ার গল্পের থেকেও আরও বেশি কিছু। বৃদ্ধ বয়সে স্ত্রীর ভুলে যাওয়া প্রেমকে আবারও মনে করিয়ে দেওয়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে।

পি.এস. আই লাভ ইউ (P.S. I Love You)
এটি একটি আমেরিকান মর্মভেদী রোম্যান্টিক ড্রামা মুভি। যেখানে একজন বিধবা মহিলার গল্প দেখানো হয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবন তাঁকে দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছে। যেখানে তাঁর মৃত স্বামীর লিখে যাওয়া চিঠিই তাঁর পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে। এই ছবি সত্যিই আপনার মন ছুঁয়ে যাবে।

এ ওয়াক টু রিমেম্বার (A Walk To Remember)
ছবিটিতে দুজন সদ্য প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়ের ঘটনা বর্নিত হয়েছে। যেখানে দেখানো হয়েছে ছেলেটি ভুল করে শাস্তি পাচ্ছে। সেই শাস্তির মাধ্যমেই জীবনকে অন্যরকমভাবে দেখতে শিখছে সে। এরপর আস্তে আস্তে প্রেমে পড়া। তারপর কীভাবে জীবন তাকে প্রাপ্ত মনস্ক হতে সাহায্য করছে তার ছবিই দেখানো হয়েছে সিনেমাটিতে। দুজনের অদ্ভুত কেমিস্ট্রি ফুটে উঠেছে ছবিটির মধ্যে।

ফাইভ হান্ড্রেড ডেস অফ সামার (500 Days of Summer)
এটি একটি রোম্যান্টিক কমেডি ড্রামা মুভি। ছবিটিতে আধুনিক প্রেমকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যেখানে প্রেম, ডেটিং এবং হৃদয় ভেঙে যাওয়ার গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছবিটির ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং স্টোরি লাইন সব কিছুই খুব অসাধারণ।

দ্য লাস্ট সঙ্গ (The Last Song)
এটি একটি রোম্যান্টিক ড্রামা মুভি। টিনেজ লাইফের প্রেম তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। বাবা-মায়ের মধ্যকার দূরত্ব, তার প্রভাব কিভাবে ছেলে মেয়ের মনের ওপরে পড়ে তার ছবিও দেখানো হয়েছে সিনেমাটিতে। এছাড়া ছবিটির অসাধারণ গান। টিনেজের প্রেম। সব কিছু মিলিয়ে সিনেমাটি একেবারে অনবদ্য।
তানজিলা বাবলী। ভয়েস টিভি। নিউজ ডেস্ক।

Categories
বিনোদন

থ্রিলার গল্পে একসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা-শ্রাবন্তী, থাকছে না কোনো নায়ক!

টলিউডের দুই সুন্দরী অভিনেত্রী নায়কদের ছেড়ে এবার নিজেরাই লুকোচুরি খেলবেন? তার ওপর লুকোচুরি খেলতে গিয়ে কড়া ডায়েট! পরিচালক অংশুমান প্রত্যুষ তৈরি করতে চলেছেন একটি থ্রিলার ছবি। যার নাম ‘ধপ্পা’। আর এই ছবিতেই প্রথমবার জুটি বাঁধছেন টলিউডের দুই সুন্দরী নায়িকা প্রিয়াঙ্কা সরকার ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণার শাসনে শুটিং শুরু হবে এই ছবির।

জানা গেছে, এই ছবি একেবারেই প্রিয়াঙ্কা ও শ্রাবন্তীর। এই ছবিতে থাকছে না কোনও নায়ক। দুই নারীর মনস্তত্ত্ব নিয়েই তৈরি হয়েছে এই ছবির গল্প। এই ছবিতে শ্রাবন্তী এমন এক চরিত্রে অভিনয় করছেন, যে নিজেকে বাইরের মানুষদের থেকে সরিয়ে রাখেন। এক বৃষ্টির রাতে ঘটনাচক্রে শ্রাবন্তীর বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় প্রিয়াঙ্কা। তারপরই গল্প নেয় এমন মোড় নেবে যা কিনা চমকে দেবে সবাইকে। এমনটাই জানিয়েছেন ছবির পরিচালক।

শ্রাবন্তী জানান, ‘এই ছবিতে আমার লুক নিয়ে একটু এক্সপেরিমেন্ট করতে হচ্ছে। মেদ ঝরাতে হবে। আর তাই তো কড়া ডায়েটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। লিক্য়ুইড ডায়েট ফলো করছি। আর প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রথম কাজ করব। খুব এক্সাইটেড ছবিটা নিয়ে।’

প্রিয়াঙ্কা জানান, ‘এরকম ধরনের ছবি খুব কম হয়। ছবির গল্পটাই দারুণ ইন্টারেস্টিং। আর শ্রাবন্তীর সঙ্গে কাজ করার জন্যও মুখিয়ে আছি।’

কয়েকদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে শ্রাবন্তী ও সোহম জুটি ওয়েব সিরিজ ‘দুজনে’। সিরিজটিতে শ্রাবন্তীর কাজ দর্শকরা পছন্দ করেছিল। অন্যদিকে, শ্রীজাত’র পরিচালনায় তৈরি ‘মানবজমীন’ ছবিতে দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কা সরকারকে।

ভয়েস টিভি/এসএফ