Categories
বিনোদন

আমার মুখ দেখানো ২৫ বছর

এই লাইনটি পড়ার সাথে সাথে অনেকেই আমার বয়স বা শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু কথা বলতে পারেন। যেমন অনেকই আমাকে ইদানীং প্রায়ই বলে থাকেন, আমার শরীরটা একটু ভারী হয়ে গেছে, মাথার চুল পাতলা হয়ে গেছে, দেখতে আগের মতো নেই … মোট কথা আমার ভেতর সেই কচি (!) ভাবটা নেই।

এটাই বাস্তবতা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এ রকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। অনেকে আবার হলিউড বলিউডের অনেক অভিনেতাদের সাথেও তুলনা করতে কুণ্ঠা বোধ করেন না। তাঁরা যদি দীর্ঘ বয়স পর্যন্ত নিজেদের সুন্দর ও সুঠাম দেহী রাখতে পারেন, আমি বা আমরা কেন পারছি না? এই দীর্ঘ লেখাটি পুরোটা পড়লে, অনেক প্রশ্নেরই জবাব মিলতে পারে। বোঝা যাবে আমরা কোথায়, কীভাবে কাজ করছি।

তবে এই লেখাটি আমার টেলিভিশন-সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষগুলোকে উদ্দেশ্যে করে লেখা। এর বাইরে যারা পড়বেন, টেলিভিশন সম্পর্কে তাঁদের কিছু নতুন ধারণা হতে পারে। কারণ এটা দর্শকের প্রতিদিনের প্রশ্ন … “আগের মতো সুস্থ, সুন্দর, রুচিশীল, জনপ্রিয় নাটক এখন কেন নির্মিত হচ্ছে না?”

আমাদের সিনেমার এক সময় সোনালি অতীত ছিল। কিছু অযোগ্য এবং স্বার্থপর লোকের আধিপত্যে আমরা সে অতীত হারিয়েছি। পরবর্তীতে টেলিভিশন নাটক দেশের অধিকাংশ মানুষের সুস্থ বিনোদনের মূল ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং আস্থা অর্জন করে।

বিভিন্ন সময়ে নানান সংকট পার করে টেলিভিশন শিল্প একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারলেও পূর্ণাঙ্গ পেশাদারি কখনই এই মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফলে টেলিভিশন নাটকও এক সময় বাংলা সিনেমার মতোই, কিছু সুবিধাভোগী অযোগ্য মানুষের দখলে চলে যায়। সুস্থ সুন্দর পরিশীলিত টেলিভিশন নাটকের ধারাটি নানান চক্রে পড়ে,নিজস্ব শিল্প ও সৌন্দর্য হারাতে থাকে। সেগুলো আমাদের চোখের সামনেই।

দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে, শিল্পের খোলস থেকে টেনে বের করে নাটককে শুধুই ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। অধিকাংশ চ্যানেল, এজেন্সি, প্রোডিউসার, ডিরেক্টর, কলাকুশলী, শুধু নিজেদের স্বার্থ আর ব্যবসা দেখতে গিয়ে, প্রকৃত ভালো আর মন্দের পার্থক্য গুলিয়ে, টেলিভিশন নাটককে অখাদ্যে পরিণত করেছে। আস্তে আস্তে টেলিভিশন নাটককে, শিল্পের মাপকাঠি থেকে বের করে এনে, ভিউ এর মাপ কাঠিতে মাপা শুরু হয়েছে। ভিউ আর টিআরপির দোহাই দিয়ে, এর চক্করে পড়ে আমরা আমাদের নাটকের মান কোথায় নামিয়ে ফেলেছি, সেটাও মনে রাখা দরকার।

ইদানীং ভালো টেলিভিশন নাটকের সংখ্যা এতটাই কমে গেছে যে, তা দিয়ে এত বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি চলতে পারে না। এ ক্ষেত্রে সকলেরই সমান দায় রয়েছে। শুধু ভিউ না দেখে, সংশ্লিষ্ট সকলেরই নাটকের মানটা দেখা অনেক বেশি জরুরি বলে আমি মনে করি।

প্রত্যেকটি টেলিভিশন চ্যানেল বা নাটক ব্যবসায়ীরা, নাটকসহ বিভিন্ন কনটেন্ট দিয়ে আয়ের নতুন পথ খুঁজে পেতে ইউটিউব চ্যানেল খুলে বসেছে। সেখানে ভিউ ব্যবসা বেশ জমেও উঠেছে।

ব্যবসার কায়দা যেমন বেড়ে চলেছে নানাভাবে, সেই সাথে নাটকের বাজেটও কমেছে অবিশ্বাস্য গতিতে। কেউ হয়তো বিশ্বাসই করবেন না, ১০ বছর আগে নাটকের যে বাজেট ছিল,এখন তা চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, যে বাজেটটুকু বরাদ্দ হচ্ছে চ্যানেল থেকে, কন্ট্রাক্ট প্রথার প্যাঁচে পড়ে অর্ধেক চলে যাচ্ছে এজেন্সি, প্রোডিউসার ও ডিরেক্টরদের পকেটে। কোন মতে বাকি টাকাটুকু দিয়ে ‘ধর তক্তা, মার পেরেক’ পদ্ধতিতে নাটক নির্মাণ হচ্ছে।

সম্মানিত অধিকাংশ ডিরেক্টরগণ এখন নাটক নির্মাণের কন্ট্রাক্টর হয়ে গেছেন। যে কারণে বাজেট স্বল্পতার জন্য তিন দিনের কাজ একদিনে করতে গিয়ে কলাকুশলীসহ সকলের প্রাণ ওষ্ঠাগত। নাটকের গুণগত মান রক্ষা, এই কার্য ধারাবাহিকতায় সম্পূর্ণই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

হাতেগোনা কিছু অভিনয়শিল্পীর ভিউ আর টিআরপিকে পুঁজি করে চলছে এই নাটক ব্যবসা। তাতে করে অনেক যোগ্য অভিনেতা অভিনেত্রী, ডিরেক্টর, প্রোডিউসাররা হচ্ছেন বঞ্চিত। আর যোগ্য নাট্যকাররা তো অপ্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিণত হয়ে গেছেন। কারণ তথাকথিত নাটক নির্মাণ করতে কোন স্ক্রিপ্ট লাগে না। সে কারণেই ভালো নাট্যকারের সংখ্যা বাড়েনি। হাতে গোনা কয়েকজন নাট্যকারকে আমরা জাদুঘরে সাজিয়ে রেখেছি।

পেশাগত যোগ্যতা বিচার করে খুবই কম কাজ হচ্ছে। ব্যক্তিগত লেনদেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নাটককে প্রভাবিত করছে। যার যার সুবিধা বুঝে অধিকাংশ মানুষ চুপ করে আছে, মুখ খোলারও প্রয়োজন বোধ করছে না। টেলিভিশন নাটকের বিভিন্ন সংগঠনগুলো নানান কার্যক্রম নিয়ে, নানান ব্যাপারে সচেতন থাকলেও নাটকের বাজেট ও সার্বিক মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করণীয় পথ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

আরও দেখুন- এবার বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন বনি-কৌশানি

টেলিভিশন নাটকের দেয়ালে আসলে অনেক আগেই শেষ পেরেক ঠোকা হয়ে গেছে। দেশি-বিদেশি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েব চ্যানেলগুলো আমাদের টেলিভিশনের দুর্বল জায়গা মানে অসুখটা বুঝতে পেরেছে। সেভাবেই তারা আগাচ্ছে।

কে টিকে থাকবে? টেলিভিশন নাকি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম? যারা দর্শককে ভালো কিছু দেবে, তারাই টিকে যাবে। আমাদের দেশে কিন্তু ওয়েব চ্যানেলের দর্শক নেহাতই কম নয়। আগামী দুই বছরে সব হিসেব কিন্তু গড় মিল হয়ে যাবে।

নিশ্চয়ই টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল মানুষ এবং দর্শক কেউই চান না আমাদের টেলিভিশনও সিনেমার মতো তলিয়ে যাক। আমাদের টেলিভিশন যদি ওয়েব চ্যানেলগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে আগাতে চায়, টিকে থাকতে চায়, তাহলে বোধ হয় নতুন করে ভাবা খুবই দরকার। টেলিভিশন নাটকের সেই গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে, নতুন সময়ে টিকে থাকতে, এখন আশু প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, যোগ্য মানুষ, যোগ্য বাজেট।

যেহেতু দীর্ঘদিন টেলিভিশনে কাজ করছি, টেলিভিশনকে ভালোবাসি, এই কথা গুলো বলা আমি আমার দায়িত্ব মনে করছি। আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে, আমি ক্ষমাপ্রার্থী। সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠন, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সাথে

আলোচনা করে, তার অসুখ সারিয়ে তুললেই, বেঁচে যাবে আমাদের টেলিভিশন নাটক, বাঁচবে টেলিভিশন। (অভিনেতার ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া)

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
বিনোদন

বৃক্ষ প্রেমিক কারিনা কাপুর

দিন গুনছেন কারিনা কাপুর। তিন থেকে চার হবেন তারা। নতুন করে ‘মা’ ডাক শুনবেন। তার মধ্যেই চুটিয়ে কাজও করেছেন নায়িকা। আমির খানের সঙ্গে ‘লাল সিং চড্ডা’র শুটিং করতে স্বামী এবং পুত্রকে নিয়ে উড়ে গিয়েছিলেন দিল্লিতে। তবে শুটিং শেষে এখন অবসর উপভোগ করছেন এ হবু মা।

অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে ভালবাসার বাড়িকে নিজের মতো করে সাজিয়ে তুলেছেন কারিনা। সখ করে একটি বাগানও তৈরি করেছেন নবাবপত্নী। এই বিশেষ সময় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চেয়েই এই পদক্ষেপ।

কারিনা

কারিনা জানিয়েছেন, এই করোনাকালে নিজেকে সবুজের সংস্পর্শে রাখতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ১ মিনিটের একটি ভিডিও শেয়ার করে সাধের বাগানের কিছুটা ঘুরিয়ে দেখালেন নায়িকা। নিজের হাতে প্রিয় গাছগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন অনুরাগীদের। কোনটার সৌরভ তাকে মাতিয়ে রাখে, আবার অন্যটা জল-রোদ ছাড়াই বেঁচে থাকে নিজের মতো করে। এই প্রত্যেকটা গাছই তার খুব কাছের। ভালবাসার।

এ বছর করিনা আলোর উৎসবকে সবুজ করে তুলতে চেয়ে বাগান তৈরি করেছেন নিজের বাড়িতে। অনুরাগীদেরও প্রকৃতিকে ভালোবেসে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে আলোর উৎসব উদযাপন করতে অনুরোধ করেছেন।

আরও পড়ুন: এবার বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন বনি-কৌশানি

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

শুভ জন্মদিন হুমায়ূন আহমেদ

তার সাবলীল বাক্যে অজস্র গল্প নদীর মতো বয়ে চলছে। তার সৃষ্ট বাউন্ডলে চরিত্র হিমু, মীরা ও রুপার অপেক্ষা, রহস্যময় মিসির আলি, বাকের ভাই- এসব মোহিত করে রেখেছে পাঠকদের। বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে তিনি ধ্রুবতারা। তার বইয়ের ভাষায় কথার জাদুতে মোহিত হননি এমন বাঙালি পাঠক পাওয়া যাবে না। তিনি আর কেউ নন আমাদের কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ।

আজ (১৩ নভেম্বর) বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক, নির্মাতা, নাট্যকার হ‌ুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মবার্ষিকী।

হ‌ুমায়ূন আহমেদ তার কীর্তি রেখেছেন শিল্প-সাহিত্যের বেশিরভাগ শাখাতেই। একাধারে তিনি সাহিত্য দিয়ে মন্ত্রমুগ্ধ রেখেছেন বাংলার মানুষকে, অন্যদিকে নির্মাণ করেছেন অনন্য সব নাটক, চলচ্চিত্র ও গান। তার হাত ধরেই তারকার সম্মান পেয়েছেন এ দেশের অনেক শিল্পী।

তার নির্মাণে উঠে এসেছে নৈসর্গিক দৃশ্য, জোছনা, বৃষ্টিসহ বাংলার অসামান্য সব ব্যঞ্জনা। তরুণ প্রজন্মকে ভিন্নভাবে প্রকৃতি চিনিয়েছেন এই দার্শনিক লেখক।

বাংলা সাহিত্য, নাটক, চলচ্চিত্র ও গান পালাবদলের এ কারিগর ১৯৭২ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ দিয়ে নিজের জানান দেন। এরপর তিন শতাধিক গ্রন্থ লিখেছেন তিনি। টেলিভিশন নাটকেও আনেন ভিন্ন অধ্যায়। এসেছে বাকের ভাই, বদি, মুনা, লবঙ্গ, তিতলি, কঙ্কা, হাসান, ছোট চাচা, বড় চাচার মতো অনবদ্য সব চরিত্র।

১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তার পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ও ২০০১ সালে ‘দুই দুয়ারী’ দর্শকদের দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মাণ করেন ‘চন্দ্রকথা’।

১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মাণ করেন ‘শ্যামল ছায়া’ সিনেমাটি। এটি ২০০৬ সালে ‘সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র’ বিভাগে অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এছাড়াও এটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

হ‌ুমায়ূন  আহমেদ পরিচালিত সিনেমা অন্তর্জাল’র পর ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘৯ নম্বর বিপদ সংকেত’। ২০০৮-এ ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেন। ২০১২ সালে তার পরিচালনার সর্বশেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ মুক্তি পায়। যা দেশ-বিদেশে প্রচুর আলোচনায় আসে। তার চলচ্চিত্রের মৌলিক গানগুলো তিনি নিজেই রচনা করেন, যার বেশিরভাগই পায় তুমুল জনপ্রিয়তা।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

হ‌ুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনার কুতুবপুরে, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে শহীদ হন। মায়ের নাম আয়েশা ফয়েজ। তার দুই ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও আহসান হাবীব। প্রত্যেককেই লেখালেখিতে পাওয়া গেছে।

এদিকে আজ (১৩ নভেম্বর) এই কিংবদন্তির জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে তার জন্মস্থান নেত্রকোনা এবং তার সবচেয়ে প্রিয় স্থান গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে।

আরও পড়ুন: পোশাকের সমালোচনায় নেটিজেনরা, প্রতিক্রিয়াহীন ‘পাখি’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

পরিচালনায় আসছেন শ্রীলেখা

কলকাতার জনপ্রিয় টেলিভিশন জি বাংলায় প্রচারিত রিয়েলিটি শো মীরাক্কেল থেকে বাদ পড়া নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন কাজ শুরু করে দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র ।

আগামী মাসেই ওয়েব ছবি পরিচালনা করার মধ্য দিয়ে পরিচালক হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে এ অভিনেত্রীর। শ্রীলেখা বলেন, ‘আমারই লেখা গল্প, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। ইন্দ্ররূপ ভট্টাচার্যের সঙ্গে চিত্রনাট্য লেখার কাজ প্রায় শেষ।’

শ্রীলেখা মিত্র

অভিনয়ে থাকছেন শ্রীলেখা, ভরত কল, চান্দ্রি মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

দীর্ঘ বিরতির পর ছোট পর্দাতেও ফিরছেন তিনি। ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’ ধারাবাহিকে খোক্কসী রানির ভূমিকায়।

শ্রীলেখার ভাষায়, ‘সিরিয়াল করার মতো ধৈর্য নেই। ফ্যান্টাসি চরিত্র আগে করিনি বলেই এটা চ্যালেঞ্জিং। ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে চলে যাইনি। খামখেয়ালি স্বভাবের জন্য মাঝেমাঝে দূরে থাকি। এখনও অনেক কিছু দেওয়া বাকি আছে আমার।’

সিনেমায় অভিনয়ও চালিয়ে যাবেন বলে জানালেন অভিনেত্রী।

শ্রীলেখা মিত্র ১৯৯৫ সালে তৃষ্ণা  ধারাবাহিকে মানসী চরিত্রে অভিনয় করে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে শুরু করেন তিনি। বাংলা ও ওড়িয়া চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ আসতে শুরু করে সেই সময়। ১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এই ছবির দারুন সাফল্য বাংলা ছবির দর্শকের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতাকে প্রসারিত করে। অভিনেত্রীর দাবি এই ছবির সাফল্যের পরেও বড়পর্দায় কোন উল্লেখযোগ্য কাজের প্রস্তাব তার কাছে আসেনি।

তার দাবি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

পোশাকের সমালোচনায় নেটিজেনরা, প্রতিক্রিয়াহীন ‘পাখি’

লাল রঙের জামা পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেছেন পাখি খ্যাত মধুমিতা সরকার। লিখেছেন, ‘লালটুকু থাকুক না!’ এরপরই তার এই ছবি নিয়ে শুরু হয় তোলপাড়।

১১ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে দেখা যায় ৯ ঘণ্টা আগে পোস্ট করা ছবিটিতে এক লাখ ৭০ হাজার ব্যবহারকারী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৬ হাজার লাভ প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে ৩০ হাজার হাসির প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নেটিজেনরা। আর মন্তব্য করেছেন ৩৮ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী।

পাখি চরিত্রটিকে বাংলাদেশের মানুষ ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছে। এমনকি কয়েক বছর আগে এক ঈদে পাখি ড্রেসও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আর এ কারণেই এই ছবিতে তারা নেতিবাচক ও ইতিবাচক ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে ৩৮ হাজার মন্তব্যের মধ্যে অধিকাংশ মন্তব্যই মধুমিতার পোশাক নিয়ে। প্রচুর অশ্লীল মন্তব্যও রয়েছে এর মধ্যে। তবে এর কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি মধুমিতা খ্যাত পাখি।

রাইসা ইসলাম নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘লালটুকু তো আছেই! কিন্তু এত কম কাপড় কিনছ ক্যান! লালটুকু আর একটু থাকলে ভালো হত।’

‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ নামের সিরিয়ালটি স্টার জলসায় সম্প্রচারিত একটি জনপ্রিয় টিভি ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন মধুমিতা সরকার। এ নাটকে পাখি চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। পাখি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হন তিনি। পাখির আড়ালে তার আসল নামটা মনে করতে এখনো বেশ সময় নেয় দর্শক।

আরও পড়ুন: টাইটানিকের নায়ক জ্যাকের জন্মদিন আজ

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

টাইটানিকের নায়ক জ্যাকের জন্মদিন আজ

টাইটানিকের নায়ক লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও’র জন্মদিন আজ। ১৯৭৪ সালের ১১ নভেম্বর ক্যালিফর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন হালের অন্যতম জনপ্রিয় এ অভিনেতা। এবার তিনি ৪৬ বছরে পা রাখলেন। অস্কারজয়ী এই তারকার খ্যাতি বিশ্বময়। জন্মদিনে তাই কোটি ভক্তের শুভেচ্ছায় ভাসছেন টাইটানিকের জ্যাক।

নিঃসন্দেহে হলিউডের সেরা অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন ডিক্যাপ্রিও।

১৯৯০-এর দশকের শুরুতে টেলিভিশন ধারাবাহিক দিয়ে তিনি শুরু করেন তার অভিনয় জীবন।

মহাকাব্যিক প্রণয়ধর্মী টাইটানিক চলচ্চিত্রে জ্যাক ডসন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী তারকা খ্যাতি লাভ করেন। ছবিটি সে সময় ও পরবর্তী এক দশক সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হিসেবে তালিকায় ছিল।

এরপর তার অভিনীত কয়েকটি চলচ্চিত্র বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়। কিন্তু সেই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বেশি সময় নেননি তিনি। ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দ্য অ্যাভিয়েটর, দ্য ডির্পাটেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট, দ্য গ্রেট গ্যাটসবি, ইনসেপশন, রেভিন্যান্টের মতো সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকের মনে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ফিরে পান।

তবে গুণী এই অভিনেতার ক্যরিয়ারে অন্যতম একটি বছর ধরা হয় ২০১৬ সালকে। চারবার অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার পর অবশেষে ২০১৬ সালে আরাধ্য পুরস্কারটি নিজের ঝুলিতে তুলতে সক্ষম হন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও মেধাবী অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। আলেহান্দ্রো গনজালেস ইনারিতুর ‘রেভেন্যান্ট’ ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে তিনি পান ৮৮তম অস্কার আসরে সেরা অভিনেতার পুরস্কার।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

এবার নুসরাতের পোশাক নিয়ে সমালোচনা

কয়েক দিন আগেই ফরাসি পণ্য বয়কট করে আলোচনায় এসেছিলেন নুসরাত ফারিয়া। এবার আলোচনায় এলেন ব্যায়ামের পোশাকে। ৯ নভেম্বর সোমবার নুসরাত ফারিয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেই ছবিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানান নেটিজেনরা। মোট ৭৬ হাজার রিয়্যাক্টের মধ্যে ৪০ হাজার লাইক ও ১০ হাজার লাভ প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে হাসির প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ২০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী। আর মন্তব্য জানিয়েছেন ১৩ হাজার নেটিজেন।

ছবিতে নুসরাত ফারিয়াকে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করেছে নেটিজেনরা। ইবরাহিম অমি নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, বাংলাদেশ এর নায়িকা মানতে খুব কষ্ট হয়। তাদের পোশাক দেখে মনে হয় আমেরিকান নায়িকা। এদের কি বাবা-মায়ের চোখে এগুলা পরে না বুঝি না।

মন্তব্যকারীরা অধিকাংশই নুসরাত ফারিয়ার পোশাক নিয়ে ট্রল ও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছেন। বিশেষ করে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীরাও তাকে নিয়ে সমালোচনা করতে ছাড়েননি।

গত ৩১ অক্টোবর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ফরাসি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত ফারিয়া মাজহার। তিনি জানান, তিনি ফরাসি ব্র্যান্ডের একটি দামি ঘড়িও ফেলে দিয়েছেন। নুসরাত ফারিয়ার এ স্ট্যাটাসের পর অনেক প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। কেউ কেউ অবশ্য সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।

সমালোচনার জবাব দিয়ে নুসরাত ফারিয়া পরে আরও একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘কেন একটি সহজ বিষয়কে এতটা জটিল করে তুলতে হবে? যদি কারো কথা আমার অনুভূতিতে আঘাত করে তবে কি সেটা জানানোর আমার অধিকার নাই? নাকি অভিনেত্রী বলে আমার কোনো মতামতই থাকতে পারে না? ‘আমার ধর্ম আমার বিশ্বাস এবং আমার সহ্যসীমার বাইরে চলে যায় এমন কিছু নিয়ে কথা বলার ২০০ ভাগ অধিকার আমার আছে।’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

১৫ কেজি ওজন কমিয়ে অভিনয়ে ফিরছেন তনুশ্রী দত্ত

দীর্ঘদিন পর অভিনয় জগতে ফিরতে যাচ্ছেন তনুশ্রী দত্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই কামব্যাকের ঘোষণা দেন এই অভিনেত্রী। ২০১০ সালে তার শেষ সিনেমা ছিল ‘অ্যাপার্টমেন্ট’। সিনেমা থেকে বিরত থাকলেও অভিনেত্রীদের ওপর হওয়া যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে ‘#মিটু’ মুভমেন্ট নিয়ে বেশ সরব হয়েছিলেন তিনি।

এ বার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানালেন, তিনি ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমার কাজ দুটোই করবেন। তনুশ্রী ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘অনেকেই ভাবছেন আমি আমেরিকায় আইটি কোম্পানিতে চাকরি করছি। এটা ভুল। ওখানকার আইটি কোম্পানি আমায় কাজের অফার দিলেও আমি সেই কাজ করিনি। আমি মুম্বাইতে আমার অভিনেত্রী সত্তাকে কাজে লাগাতে চাই। দিনের শেষে আমি একজন শিল্পী। মুম্বাইতে আমার পরিচিতি আছে। তাই দেশে ফিরে কাজ শুরু করেছি’।

তনুশ্রী জানান, এই করোনার সময় শ্যুট শুরুর কোনও নির্দিষ্ট দিন তিনি তাঁর অনুরাগীদের জানাতে পারছেন না। যদিও সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনের জন্য শ্যুট করেছেন তিনি। ছবিতে ফেরার জন্য তনুশ্রী ১৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এবার আমি আরও ভালো কাজ বাছাই করব। খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে যা শিখেছি তা পরবর্তীতে কাজে লাগাব। কেবল মেধাবী, নামী এবং ভালো মনোভাবের নির্দিষ্ট লোকদের সঙ্গেই শুধু কাজ করব’।

ইন্ডাস্ট্রির ‘এ-লিস্ট’-এর নির্মাতা বা অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তনুশ্রী। ২০০৫ সালে ‘চকোলেট’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটে তনুশ্রী দত্তের। এরপর ‘আশিক বানায়া আপনে’, ‘রাকিব’, ‘ঢোল’, ‘রিস্ক’, ‘গুড বয়, ব্যাড বয়’, ‘স্পিড’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ইমরান হাশমির বিপরীতে ‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমায় অভিনয় তাঁকে তুমুল জনপ্রিয়তা দেয়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

মধুচন্দ্রিমায় কাজল; একরাতের হোটেল ভাড়া ৩৩ লাখ

ভারতের দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল আগারওয়াল মধুচন্দ্রিমায়। ভক্তদের উদ্দ্যেশে ৮ নভেম্বর এ অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে কিছু ছবি আপলোড করেছেন । মধুচন্দ্রিমায় কাটানো সময়গুলোর ছবি কাউকে ঈর্ষায়, আবার কাউকে আক্ষেপের সাগরে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মধুচন্দ্রিমায় কাজল তার স্বামী গৌতম কিসলুকে নিয়ে এখন মালদ্বীপের কনরাড দ্বীপে অবকাশযাপন করছেন। এ দম্পতি যে হোটেলটিতে অবকাশ যাপন করছেন এতে এক রাত থাকতে খরচ করতে হয় প্রায় ৫০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৩ লাখেরও বেশি।

কাজলের ইনস্টাগ্রামের একটি ছবিতে দেখা যায়, লাল বিচ গাউনে তাকে জড়িয়ে রেখেছেন স্বামী গৌতম। ক্যাপশনে লেখা, ‘সুন্দর তুমি’। কাজলের মতো তার স্বামীও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা থেকে পিছিয়ে নেই। মালদ্বীপে পৌঁছে গৌতম লিখেন, ‘বেড়াতে বের হয়ে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। অবশ্য সতর্কতার সঙ্গেই বের হয়েছি। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক দিনে ফিরছি…।’

আরও পড়ুন- করোনার হানা ‘বাহুবলী’র নায়িকার ঘরে

গৌতম ও কাজলের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে জানা যায়, মালদ্বীপে রাঙ্গালি আইল্যান্ড রিসোর্টে তারা অবস্থান করছেন। এ হোটেলটি রাঙ্গালি দ্বীপের পানির নিচে অবস্থিত।

এখানেই তৈরি হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম অর্ধনিমজ্জিত জাদুঘর। সমুদ্র ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১৬ ফুট নিচে কনরাড মালদ্বীপ রাঙ্গালি আইল্যান্ড হোটেলের ভেতরে রয়েছে কাঁচে ঘেরা একটি রেস্তোরাঁ। যেখানে বসে সামুদ্রিক প্রাণীদের চলাফেরা করতে দেখা যায়। এই হোটেলে এক রাত থাকতে খরচ করতে হয় প্রায় ৫০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৩ লাখেরও বেশি।

২০০৪ সালে, কিউ! হো গায়া না… চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে ও ২০০৭ সালে, লক্ষ্মী কালিয়ানাম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্র শিল্পে যাত্রা করেন কাজল।

সৌন্দর্য সাবান প্রচারনায় ঐশ্বরিয়া রাই, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অসিন থত্তুমকালের পর কাজল লাক্সের জন্য ব্র্যান্ড দূত নির্বাচিত হন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে।  চলচ্চিত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে তিনি তেলুগু চলচ্চিত্রে শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
বিনোদন

১০ কেজি ওজন কমালেন অপু বিশ্বাস

করোনা মহামারির বর্তমান পরিস্থিতে ‘ছায়াবৃক্ষ’ নামের নতুন চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এ ছবি দিয়েই প্রায় এক বছরের বিরতি থেকে কাজে ফিরছেন এই ঢালিউড তারকা। ছবিটির শুটিং গত ৭ নভেম্বর শুক্রবার শুরু হয় বলে জানা গেছে।

নতুন সিনেমায় শুটিং শুরু করার আগে একটু বদলাতে হয়েছে ঢালিউডের এই চিত্রনায়িকাকে। ছবিতে যে চরিত্রে অপু অভিনয় করছেন, সেই চরিত্রের উপযোগী হয়ে উঠতে প্রায় তিন মাস সময় লেগেছে তাঁর।

অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ডায়েট ও শরীরচর্চা করে প্রায় ১০ কেজি ওজন কমাতে হয়েছে তাঁকে। কত কেজি থেকে ১০ কেজি কমালেন? এমন প্রশ্নে হাসতে হাসতে অপু বিশ্বাস বলেন, সেটা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, কত কেজি কমিয়ে শারীরিক সৌন্দর্য বাড়ালাম, সেটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নয়। চরিত্রের প্রয়োজনে সব দিক থেকেই নিজেকে তৈরি করে ক্যামেরার সামনে মানানসইভাবে উপস্থাপন করাটাই বড় ব্যাপার।

অপু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওজন কমাব কমাব বলে আসছিলাম, কিন্তু করোনার কারণে কোনো শুটিং না থাকায় চাপ বোধ করিনি। আসলে সময়ও হচ্ছিল না। এবার শুটিংয়ের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে ওজন কমানো যুদ্ধ শুরু করি।

রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা–বাগানে ছবির শুটিং শুরু হয়েছে, চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। ছবিতে অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করছেন নীরব। এ ছাড়া আরও অভিনয় করবেন নওশাবা, সুমিত সেনগুপ্ত, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাহমুদুল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে শুটিংয়ে অংশ নিতে গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পৌঁছেছেন অপু বিশ্বাস। প্রস্তুতি কেমন? জানতে চাইলে শুটিং স্পট থেকে ফোনে অপু বিশ্বাস বলেন, এ ধরনের চরিত্রে প্রথম কাজ করতে যাচ্ছি। যদিও এখন একজন মাঝি বা চা–শ্রমিকের চরিত্র বুঝতে তাঁদের কাছে না গেলেও চলে। হাতের কাছে ইউটিউব থেকেই এ পেশার মানুষগুলোকে মনোযোগ দিয়ে দেখা যায়। তা ছাড়া লোকেশনে বসেও অনেক কিছু শেখার আছে।

বাংলাদেশ সরকারের অনুদানের এ ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন তানভির আহমেদ। পরিচালনা করছেন বন্ধন বিশ্বাস। পরিচালক জানান, রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা–বাগানে ছবির শুটিং শুরু হয়েছে, চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। ছবিতে অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করছেন নীরব। এ ছাড়া আরও অভিনয় করবেন নওশাবা, সুমিত সেনগুপ্ত, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাহমুদুল ইসলাম প্রমুখ। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টু’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন অপু বিশ্বাস।

ভয়েসটিভি/এএস