Categories
প্রবাসী

মালয়েশিয়ায় ৮ বাংলাদেশিসহ ৮৮ প্রবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরের পাইকারি বাজার থেকে ৮৮ বিদেশি কর্মী গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যার মধ্যে আটজন বাংলাদেশিও রয়েছেন।

সারডাং জেলা পুলিশ সদর দপ্তরের (আইপিডি) ৯২ জন সদস্য ও ১০ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৬ মার্চ শনিবার মালয়েশিয়া সময় সকাল ১১টায় বিশেষ অভিযানে অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়।

সেরডাং জেলা উপ-পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ রোসদী দাউদ সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতার ৮৮ জনের মধ্যে ৭৮ জন মিয়ানমারের, ৮ জন বাংলাদেশের এবং বাকি দুইজন নেপাল ও ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দা। তাদের সবার বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।

অভিবাসী কর্মীদের গ্রেফতারের কারণ হিসেবে জেলা উপ-পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ রোসদী দাউদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, বেশির ভাগ বিদেশিরা অবৈধভাবে পাইকারি বাজারে ব্যবসা করছেন। তাদের কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। তাদের কাছে বৈধ কাগজপত্রও পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে আসছেন পুলিশের কাছে। তাই অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করার পাশাপাশি বাজারে বিশৃঙ্খল সৃষ্টি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের আইপিডি সারডাং -এ নেয়া হয়েছে এবং সেকসন ৬ (১) সি অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুসারে তদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইপিডি বিভাগ।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রবাসী

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি প্রবাসীকে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিত্য সরকারের (৩৮) দোকানের ভিতরে ঢুকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তারা দোকানের মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

২৮ ফেব্রুয়ারি রোববার রাতে দেশটির ইস্টার্ন কেপ প্রভিন্সের ফোটবিফৌট এলাকায় এ লুটতরাজ ও হত্যার ঘটনা ঘটে।  তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়।

জানা যায়, রোববার রাতে নিত্য সরকারের দোকানের দেয়াল ভেঙে ঢুকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তার গলা ও মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।

পরদিন সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন তার দোকান বন্ধ দেখে আশপাশের বাংলাদেশিদের খবর দেয়। তারা এসে দোকানের পেছনের দেয়াল ভাঙা দেখেন। এ সময় দেয়ালের ভাঙা অংশ দিয়ে রক্তমাখা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিত্য সরকারের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ কমিউনিটি জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে কয়েকদিনের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানো হবে।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
প্রবাসী

সৌদি আরবে লিফট ছিঁড়ে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত

সৌদি আরবের দাম্মামে লিফট ছিঁড়ে এক সিলেটি প্রবাসী যুবকের নিহত হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে দাম্মামের জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত প্রবাসী মো. শাহীন খান (পনির) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নবম খণ্ড গ্রামের আশরাফ খানের ছেলে। তিনি আড়াই বছর ধরে সৌদি আরবে ছিলেন। সেখানে তিনি একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

শাহীন খানের বাবা আশরাফ খান জানান, বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের শাহীন ও তার সহকর্মীরা নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পানির লাইনে কাজ করছিলেন। কাজ করার সময় ভবনটিতে মালামাল ওঠানোর কাজে ব্যবহৃত অস্থায়ী লিফট ছিঁড়ে শাহীনের ওপর পড়ে যায়।

এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আল জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।

আরও পড়ুন : নোয়াখালীতে হাসপাতালে লিফট দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
প্রবাসী

ম্যানিটোবায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কানাডার ম্যানিটোবায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

নিহতরা হলেন- আদিত্য নোমান, আরানুর আজাদ চৌধুরী এবং রিসুল বাঁধন। তাদের বয়স আনুমানিক ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

কানাডার স্থানীয় সময় ১৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটের দিকে উইনিপেগ শহর থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে আরবর্গ শহরের উত্তরে দুটি গাড়ির সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটির আবদুল বাতেন জানান, নিহত ছাত্ররা ম্যানিটোবা শহরে নর্দার্ন লাইফের অরোরার আলোকচ্ছটা দেখতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তারা এ দুর্ঘটনার শিকার হন। কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তারা জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যাপক পরিচিত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ম্যানিটোবায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসছে।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

 

Categories
প্রবাসী

সৌদিতে পাহাড় ধসে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে পাহাড় ধসে ৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে…

Categories
প্রবাসী

দেশে ফেরা হলো না প্রবাসী আমিন মিয়ার

লেবানন প্রবাসী আমিন মিয়া দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। অবশেষে বাড়ি ফেরার জন্যে লেবাননস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বেচ্ছায় নাম নিবন্ধন কর্মসূচিতে নিজের নাম নিবন্ধনও করেন। তবে দেশে ফেরা হলো না বাংলাদেশি আমিন মিয়ার। এর আগেই আকস্মিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে পরপারে পাড়ি দেন তিনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে সাহেল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে আছে।

জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে আমিন মিয়া ২০১৭ সালে বৈধভাবে লেবানন আসলেও পরে অবৈধ হয়ে পড়েন। দেশটির সাবরা বাজারে তার ছোট একটি দর্জির দোকান ছিল।

সোমবার রাতে সাবরা বাজারের নিজ ঘরে হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে সহকর্মীরা তাকে সাহেল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। কয়েক ঘণ্টা পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমিন মিয়া মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার বাস্তা গ্রামের আব্দুল করিম ছেলে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রবাসী

সিডনিতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সিডনির পোর্ট ক্যাম্বেলার হিল সিক্সটি লুক আউটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মুন্সীগঞ্জের মাহাদী খান (৩৩) ও ফেনীর মোজাফ্ফর আহমেদ (৪২)।

জানা গেছে, লাইফগার্ড ও হাইওয়ে পেট্রোল পুলিশ দুজনকে ডুবে যেতে দেখলে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। উদ্ধারকারীরা হেলিকপ্টার ও অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে উদ্ধারকাজ চালান।

কিন্তু ঘটনাস্থলেই মাহাদী খান এবং উলংগং হাসপাতালে নেয়ার পর মোজাফ্ফর আহমেদ মারা যান।

মাহাদী খান লাকেম্বায় তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। বছর খানেক আগে তিনি বিয়ে করেন। তার স্ত্রী এখনও বাংলাদেশেই আছেন। সিডনিতে মাহাদী তার পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করতেন।

অন্যদিকে সিডনির ওয়ালি পার্কে বসবাসকারী মোজাফ্ফর আহমেদ লাকেম্বায় বাংলাদেশি মুদির দোকানে কাজ করতেন।

তাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রবাসী

সৌদিতে বাংলাদেশি গৃহকর্মী হত্যার দায়ে গৃহকর্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশি গৃহকর্মী আবিরন হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের নাগরিক গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত।

১৫ ফেব্রুয়ারি রোববার রিয়াদের ক্রিমিনাল কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন। দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রায়ে প্রধান আসামি গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আদালত রায়ে গৃহকর্তা বাসেম সালেমের বিরুদ্ধে আলামত ধ্বংসের অভিযোগ, আবিরন বেগমকে নিজ বাসার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় কাজে পাঠানো ও চিকিৎসার ব্যবস্থা না করায় পৃথক পৃথক অভিযোগে মোট ৩ বছর ২ মাস কারাদণ্ডের আদেশ দেন এবং ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করেন।

আদালত অপর আসামি সৌদি দম্পতির কিশোর ছেলে ওয়ালিদ বাসেম সালেমকে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করার প্রমাণ পায়নি বলে জানান। তবে আবিরন বেগমকে বিভিন্নভাবে অসহযোগিতা করায় তাকে সাত মাস কিশোর সংশোধনাগারে থাকার আদেশ দেয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তার এই তিন আসামি আগে জামিন চাইলেও আদালত দেয়নি।

খুলনার পাইকগাছার মেয়ে আবিরন স্থানীয় দালাল রবিউলের মাধ্যমে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সি থেকে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালে। ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তাকে হত্যা করা হয়। তবে দীর্ঘদিনেও পরিবার আবিরনের মরদেহ পাচ্ছিল না। পরিবারটি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহায়তায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর তার মরদেহ দেশে আনা হয়।

মরদেহের সঙ্গে থাকা আবিরনের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণের জায়গায় লেখা ছিল মার্ডার (হত্যা)।

মরদেহ যেদিন আসে ওই দিন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) হয়ে একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করে। কমিশনের অবৈতনিক সদস্য নমিতা হালদারকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি ২৫ নভেম্বর খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রামনগর গ্রামে আবিরনের বাবা আনছার সরদারের বাড়ি সরেজমিন পরিদর্শন করে, এজেন্সি, মন্ত্রণালয়, দূতাবাসসহ সবার সঙ্গে কথা বলে ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, আবিরন যে বাসায় কাজ করতেন, সেখানে মোট আটজন পুরুষ থাকতেন। তারা আবিরনকে যৌন নির্যাতন করতেন। খাবার খেতে না দেয়া, গ্রিলে মাথা ঠুকে দেওয়াসহ নানান নির্যাতন তো ছিলই।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪০ বছরের বেশি বয়সী আবিরনকে পিটিয়ে, গরম পানিতে ঝলসে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে তাকে খুন করা হয়। সাত মাস সেখানকার এক মর্গে ছিল আবিরনের মরদেহ।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রবাসী

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ৫ জন নিহত

ওমানে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তারা সবাই বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে দেশটির দুকুমের একটি সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- মো. ওমর ফারুক, মিনহাজ, মামুন, মিলাদ ও রুবেল। এরা সবাই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার ও প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, আরব সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনায় শিকার হন তারা। গাড়িতে মোট ১০ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া বাকি পাঁচজন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রবাসী

মদিনায় নিহত ছয় বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

সৌদি আরবের মদিনায় সোফা কারখানার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয় বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার তাদের মৃত্যুতে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশির রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

নিহতরা হলেন, মিজানুর রহমান, মো. আরাফাত হোসেন মানিক, ইসহাক মিয়া, আব্দুল আজিজ ও রফিক উদ্দিন। এদের মধ্যে মিজান ও আরাফাত সহোদর ভাই। এছাড়া স্থানীয় প্রবাসীদের থেকে জানা অপর নিহত হলেন সাইফুল ইসলাম।

এদের পাঁচজনের পরিচয় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম ও একজনের পরিচয় স্থানীয় প্রবাসীদের সূত্রে জানা গেছে।

রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, মৃতদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব। রাষ্ট্রদূত জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সিলরকে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে দূতাবাসকে অবহিত করার নির্দেশ দেন।

স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহতদের জন্যে ক্ষতিপূরণ আদায় ও মৃতদেহ দ্রুত দেশে প্রেরণের নির্দেশ তিনি।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বুধবার গভীর রাতে মদিনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন সাত শ্রমিক। এদের মধ্যে ছয়জনই বাংলাদেশি। মদিনা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে হেরাজ মার্কেটের কাছে আল খলিল সড়কের পাশে অবস্থিত একটি সোফা তৈরির কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২০১৭ সালের অক্টোবরে রিয়াদের শিফা সানাইয়া এলাকায় এরকম একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি, ২০১৬ সালের এপ্রিলে পূর্বাঞ্চলীয় শহর জুবাইলের এক পেট্রো ক্যামিক্যাল কারখানায় আগুনে ১২ জন প্রাণ হারান।

একই বছর আগস্টে রিয়াদের হারাজ বিন কাশেম মানফুহা এলাকার একটি সোফা কারখানায় চার বাংলাদেশি শ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যান। ঠিক তার এক বছর আগে দাম্মামের দাল্লা সানাইয়া এলাকার একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে চার বাংলাদেশি নাগরিকসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালের মে মাসে রিয়াদের সিফা সানাইয়ার আরেকটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে কুমিল্লার ৯ জন ও ফেনীর একজনসহ মোট ১০ জন নিহত হন।

গত এক দশকে সৌদি আরবের বিভিন্ন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় অর্ধশত প্রবাসী নিহত হয়েছে।

আরও পড়ুন : সৌদিতে করোনায় শতাধিক বাংলাদেশির মৃত্যু

ভয়েস টিভি/এমএইচ