Categories
চিকিৎসা শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা মানলেও অভিভাবকরা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অধিকাংশ জায়গায় অভিভাবকেরা সেটা মানছেন না জানিয়ে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে এলে সব ক্লাসই নেওয়া যাবে। তবে সংক্রমণের হার যদি বেড়ে যায়, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বরের পর যে কোনো দিন বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে পারবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার জন্য সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এ প্রক্রিয়া শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে টিকা নিতে পারবেন। স্থানীয় টিকাকেন্দ্রেও টিকা নেওয়া যাবে। টিকা দেওয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে উপাচার্যদের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
চিকিৎসা

দেশে করোনায় ৫৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৭২৯ জনে। এটি গত ৫৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু। এর আগে গত ২৮ জুন ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এছাড়া একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৬৯৮ জন। দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৮২ হাজার ৬২৮ জনে।

২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Categories
চিকিৎসা

ডেঙ্গু রোগীর তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেশি

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর তুলনায় মৃতের সংখ্যা বেশি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১৮ আগস্ট বুধবার দুপুরে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ নিয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অধিদফতরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।
নাজমুল ইসলাম বলেন, সর্বমোট ২৬ জনের মৃত্যু আমরা রেকর্ড করেছি। যদি রোগীর সংখ্যার দিকে তাকাই তাহলে এই ৬ হাজার ৬৫০ জন রোগীর বিপরীতে ২৬ মৃত্যু, এটি অত্যন্ত শঙ্কার বিষয়।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুর যে পরিস্থিতি তাতে অন্য যেকোনও সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি নয়, কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।
জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায় জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত আগস্ট মাসে ৩ হাজার ৯৯২ জন রোগী শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। জুলাই মাসে ২ হাজার ২৮৬ রোগী পেয়েছিলাম। জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর- এই মাসগুলোতে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব-কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে হবে উল্লেখ করে অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি, এ বিষয় নিয়ে সম্মিলিতভাবে সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগ যেভাবে কাজ করছে, এই কাজের গতি বাড়িয়ে দিলে খুব সহজেই পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করা সম্ভব।
আরও পড়ুন : আরও ১৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি
ভয়েস টিভি/এএন
Categories
চিকিৎসা জাতীয়

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে টিকা কার্যকার কিনা নিশ্চত নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মাহমারী করোনাভাইরাসে সবেচেয় বেশি প্রাণঘাতী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বেশি । সেই সাথে ভারতীয় ধরেন অধিক সংক্রামক ছড়ায় দ্রুত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছ বিশ্বে চলমান করোনার টিকা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট এর বিরুেদ্ধ কতো টা কার্যকার তা এখেনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি । যার কারেণ
ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ আরো বাড়লো ।

করোনার বি.১.৬১৭ বা ভারতীয় ভ্যারিেয়ন্ট গেলো অক্টোবরে শনাক্ত হয়। ভারতীয় ভ্যারিেয়ন্টটি এখন বিশ্বের ৪৪টি দেশে সনাক্ত হয়েছ। কোভিট এর এই ধরনের কারেণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে টিকা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। দেশটিতে গত এক মাসের হিসাব দেখলে দেখা যায় প্রতিদিন তিন লাখের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত ও শনাক্ত হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হালনাগাদ সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রেমই বাড়েছ ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্তের সংখ্যা । অন্যদিকে কমেছ যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনার বি.১.১৭ ভ্যারিয়েন্ট এ সনাক্তের সংখ্যা ।

Categories
চিকিৎসা

ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তারদের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের শিকার মানুষের জীবন বাঁচাতে সম্মুখসারির যোদ্ধা চিকিৎসকরা। দেশে দেশে নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মানুষের প্রাণ বাঁচাতে লড়ে যাচ্ছেন ডাক্তাররা। সংক্রমিত হওয়ার ভয়ের চাইতেও হাসপাতালগুলোতে করোনা আক্রান্ত মানুষের সেবা দেয়ার মানসিক ও শারীরিক চাপ চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের অনেক সময় ক্লান্ত করে দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর স্বল্পতা, অন্যদিকে অক্সিজেন ও আইসিইউ এর জন্য করোনা রোগীদের হাহাকার হাসপাতালগুলোর পরিবেশ আরও নাজুক ও শীতল করে তুলছে।

এই শীতল পরিবেশের মধ্যে জীবনের উষ্ণতা নিয়ে এসেছে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের নাচের একটি ভিডিও।

জানা যায়, সারাক্ষণ করোনা ওয়ার্ডে কর্মরত চিকিৎসক ও সেবাদানকারীদের উৎসাহ দিতে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন তিন ডাক্তার। ডিউটির ফাঁকে ডা. শাশ্বত চন্দন, ডা. আনিকা ও ডা. দীপা বিশ্বাস এই নাচের আয়োজন করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের করিডরে এই তিন চিকিৎসক মুখে মাস্ক দিয়ে সিলেট অঞ্চলের একটি বিয়ের গীতের তালে তালে নৃত্যছন্দে মেতে ওঠেন। ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন।

কিছুদিন আগে করোনার সংক্রমণে হিমশিম খাওয়া ভারতের কেরালার দুই চিকিৎসকের বনি এমের গানের তালে নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
চিকিৎসা

ভারত-বাংলাদেশ পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠক

ভারত-বাংলাদেশ পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ মার্চ মঙ্গলবার নয়াদিল্লীতে যৌথ নদী কমিশন কাঠামোর আওতায় দুদেশের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পানিসম্পদ, আরডি ও জিআর সচিব শ্রী পঙ্কজ কুমার এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদী দুই দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। উভয়পক্ষই এই বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রশংসা করেছে।

উভয়পক্ষই নদীর পানিবণ্টন, দূষণ প্রশমন, নদীর তীর রক্ষা, বন্যা ব্যবস্থাপনা, অববাহিকা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি পানিসম্পদ বিষয়ক ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে। একটি যৌথ প্রযুক্তিগত কার্যনির্বাহী দল এই বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করবে। আলোচনা ফলপ্রসূ ছিল এবং একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পারস্পরিক সুবিধাজনক তারিখে জেআরসি কাঠামোর আওতায় ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সচিব পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠকের সময় নির্ধারণে উভয়পক্ষ সম্মত হয় বলেও জানানো হয়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
চিকিৎসা ভিডিও সংবাদ

বিশ্বে এখনও যেসব রোগের বৈজ্ঞানিক কোনো চিকিৎসা নেই

এগিয়ে চলছে বিজ্ঞান, এগিয়ে চলছে চিকিৎসাব্যবস্থাও। সর্বাধুনিক চিকিৎসার এই যুগেও এমন অনেক রোগ রয়েছে যাদের চিকিৎসা নেই বা নিরাময় পুরোপুরি বের করা যায়নি। এগুলো সবই মারাত্মক রোগ। আধুনিকতার শীর্ষে অবস্থান করলেও এখনও এমন অনেক রোগ আছে, যার চিকিৎসাও আবিস্কার হয় নি। এসব রোগের নিরাময় আজও সম্ভব হয়নি। আজো পৃথিবীতে এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ।

ক্যান্সার বা কর্কটরোগ

চিকিৎসা নেই এমন আরেকটি রোগ হলো ক্যান্সার বা কর্কটরোগ। যা অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগসমূহের সমষ্টি। এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার রোগ সহজে ধরা পড়ে না, ফলে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভালো কোন চিকিৎসা দেয়াও সম্ভব হয় না। বাস্তবিক অর্থে এখনও পর্যন্ত ক্যান্সারের চিকিৎসায় পুরোপুরি কার্যকর কোনও ওষুধ আবিষ্কৃত হয় নি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পরলে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা অনেকাংশ বেড়ে যায়। পৃথিবীতে ২০০ প্রকারেরও বেশি ক্যান্সার রয়েছে।

বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ এসে জায়গা করে নেয়। সাধারনভাবে কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়। সাধারনভাবে বলতে গেলে যখন এই কোষগুলো কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমার বলে। এই টিউমার বিনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট হতে পারে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকেই ক্যান্সার বলে।

ক্যান্সার বা কর্কটরোগ

ঠিক কি কারণে ক্যান্সার হয় সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে সাধারণ কিছু কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে। সাধারণত বয়স যত বাড়তে থাকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে, কারণ এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক হিসেবে দেখা যায় যত মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের ওপর।

খাবার এবং জীবনযাপনের ধারার সাথে ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে গবেষকরা। যেমন, ধুমপান বা মদ্যপানের সাথে ফুসফুস, মুখ ও কণ্ঠনালীর এবং যকৃৎ বা লিভারের ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে। তেমনই ভাবে পান-সুপারি, জর্দা, মাংস, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ইত্যাদি খাবারের সাথেও ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম কম করে তাদের মধ্যেও ক্যান্সারের প্রবণতাটা বেশি।

আরও পড়ুন : শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যেসব ফল

মানবদেহে যে সকল স্থানে ক্যান্সার ধরা পড়েছে তা হল প্রস্টেট গ্রন্থি, স্তন, জরায়ু, অগ্ন্যাশয়, রক্তের ক্যান্সার, চামড়ায় ক্যান্সার ইত্যাদি। একেক ক্যান্সারের জন্য একেক ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ হচ্ছে, খুব ক্লান্ত বোধ করা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, শরীরের যে কোনজায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা, মলত্যাগে পরিবর্তন আসা যেমন, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া, জ্বর, রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া, অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা, অস্বাভাবিক রক্তপাত হওয়া, ত্বকের পরিবর্তন দেখা যাওয়া, মানসিক অস্বস্তি ইত্যাদি।

যে জায়গাটি ক্যান্সার আক্রান্ত হয় সেটির ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো এবং তার আশেপাশের কোষগুলোকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে সরিয়ে ফেলা হয়। ক্যান্সার যদি অল্প একটু জায়গা জুড়ে থাকে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে এ ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়া ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি, কেমিওথেরাপি, হরমোন থেরাপিও দেয়া হয়।

আরও পড়ুন : ফ্যাটি লিভারের সমস্যা হলে যেভাবে বুঝবেন

গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত কিছু ব্যাপার মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকখানি কমানো যায়। যেমন, প্রত্যেকদিন নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করা যেমন-দৌড়ানো, সাইকেল চালনো, নাচ করা, হাঁটা। ধূমপান বা মদ্যপান ছেড়ে দেয়া বা পরিমাণ কমিয়ে আনা। পান-সুপারি জর্দা, তামাকপাতা খাওয়া বন্ধ করা। চর্বিজাতীয় পদার্থ কম খাওয়া। সম্ভব হলে মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়া বা কমিয়ে দেয়া। প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি, ফলমূল এবং আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া।

এইডস

ইংরেজি এইডস শব্দের পূর্ণরূপ হল Acquired Immuno Deficiency Syndrome। যে ভাইরাস দ্বারা মানব দেহ আক্রান্ত হয় তার নাম HIV। এর পূর্ণরূপ হল human immunodeficiency virus। এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত। একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এইচ.আই.ভি. সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গেই সর্বদা এইডস হয়না। সংক্রমণের এক পর্যায়ে রোগীর অনিচ্ছাকৃতভাবে ও অত্যধিক পরিমাণে ওজন হ্রাস পায়। যেহেতু একবার সংক্রামক এইচ.আই.ভি. শরীরে ঢুকলে তাকে পুরোপুরি দূর করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি, তাই এইচ.আই.ভি. সংক্রমণ হলে এইডস প্রায় অনিবার্য।

২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ লোক এইচআইভি দ্বারা আক্রান্ত ছিল। ঐ বছর এইডসের কারণে ১০ লক্ষ লোকের মৃত্যু হয়। বেশির ভাগ এইডস আক্রান্ত রোগীই সাহারা-নিম্ন আফ্রিকাতে বাস করে। ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে এইচ.আই.ভি. আক্রান্তের ৭০ শতাংশই সমকামী এবং উভকামী পুরুষ।

এইচ আই ভি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই কোন লক্ষণ ছাড়া এই রোগ বহন করে। তবে কখনো কখনো এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবার ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ পরে কিছু অনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিতে পারে যেমন জ্বর, গলা ব্যাথা, মাথা ব্যথা, ফুলে ওঠা লসিকা গ্রন্থি ইত্যাদি। এইসব লক্ষণ কোনও রকম চিকিৎসা ছাড়াই সেরে যায়, যার কারণে রোগী এ ভাইরাস সম্পর্কে অবগত হয়না। এইচ আই ভি ভাইরাস কোনরকম লক্ষণ ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ বছর মানুষের শরীরে নিরবে বাস করতে পারে।

আরও পড়ুন : এইডস নিয়ন্ত্রণে, ৩০ সালে ‘নির্মূল’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এইডস এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালের গণনা অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৩ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষ এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে যাদের মধ্যে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ছিলো শিশু। এর তিন-চতুর্থাংশেরই মৃত্যু ঘটেছে আফ্রিকার সাহারা-নিম্ন ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর অঞ্চলে।

এইচ.আই.ভি. ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে, বা তার ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা সূঁচ ব্যবহার করলে দ্রুত এই রোগ ছড়ায়।এইচ.আই.ভি. ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এইচ.আই.ভি. ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কারো সাথে অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলেও ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এই রোগের লক্ষণগুলির মধ্যে দেখা যায় জ্বর, গলা প্রদাহ, ফুসকুড়ি, মাথা ব্যথা, ক্লান্তি এবং মুখ এবং যৌনাঙ্গে ঘা ইত্যাদি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বমি বা ডায়রিয়াও হতে দেখা যায়।

বাংলাদেশে এইডস রোগীর সংখ্যা এখনও খুব বেশি নয়, মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ। তবে নতুন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হার বাড়ছে। এর চিকিৎসা নেই  ।

আরও পড়ুন : সিগারেটের সঙ্গে গরম চা, যে বিপদ ডেকে আনছেন

প্লেগ

চিকিৎসা নেই এমনটি  একটি প্রাচীনতম রোগ হলো প্লেগ। এটি একটি জীবনঘাতী রোগ যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট। এই ব্যাকটেরিয়াটি ফ্রান্স-সুইস ব্যাকটেরিওলজিস্ট আলেকজেন্ডার ইরসিন কর্তৃক আবিস্কৃত। ২০০৭ সাল পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক এটি বিশ্বের ভয়ংকর প্রাণঘাতী তিনটি রোগের একটি হিসেবে চিহ্নিত ছিলো।

হঠাৎ জ্বর, অত্যন্ত অসুস্থ ও দূর্বলতা বোধ করা প্লেগ রোগের লক্ষণ হিসেবে চিন্হিত।এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে রোগীর লিম্ফনোডগুলো ব্লক হয়ে ফুলে উঠে। এ ধরনের প্লেগকে বুবনিক প্লেগ বলে। বুবনিক প্লেগ দেহে ছড়িয়ে পড়লে পরবর্তীতে নিউমোনিয়া দেখা দেয়। একে নিউমোনিয়া প্লেগ বলে।

ত্রয়োদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইউরোপ ও এশিয়ায় মহামারি আকার ধারণ করেছিল প্লেগ। একে তখন বলা হত ‘ব্ল্যাক ডেথ’। ১৩৪৭ সালের অক্টোবরে ইউরোপে পৌঁছে প্লেগ। কৃষ্ণ সাগরের ১২টি জাহাজ মেসিনার সিসিলিয়ান বন্দরে নোঙর করে। জাহাজের ডেকে জড়ো হয়ে মানুষ দেখতে পান এক ভয়াবহ অবস্থা। জাহাজের বেশিরভাগ নাবিক ছিলেন মৃত।

প্লেগ

যারা বেঁচেছিলেন তারাও মারাত্মকভাবে অসুস্থ। তাদের শরীর রক্ত ও পুঁজে ভরা কালো ফোঁড়ায় ঢাকা। এর পরের পাঁচ বছরে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ ইউরোপের দুই কোটি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। যা ইউরোপ মহাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। মূলত, ১৩৪০ এর শুরুর দিকে এই রোগটি চীন, ভারত, সিরিয়া ও মিশরে ছড়িয়ে পড়ে।‘ব্ল্যাক ডেথ’ মহামারি ১৩৫০ সালের শুরুর দিকে শেষ হয়।

প্লেগ মানুষ থেকে মানুষে, বাতাসের মাধ্যমে এবং সংক্রমিত মাছি ও ইঁদুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক শতাব্দী পরপর এটি ফিরে আসত। আধুনিক স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ব্যাপকহারে কমেছে। তবে এটা এখনো একেবারে নির্মূল হয়নি।

আলঝেইমার্স ডিজিস

যে সব রোগের এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা বের হয় নি সেগুলোর মধ্য একটি আলঝেইমার্স ডিজিস। এটা ডেমেনশিয়ার সবচেয়ে সাধারণ অবস্থা। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয় এ রোগে। চিন্তা-ভাবনা এবং কারণ বের করতেও পারেন না রোগীরা। সাধারণত বয়সস্কালে এ রোগ দেখা দেয়। তার মানে এই নয় যে ৬৫ বা তার বেশি বয়স হলে আলঝেইমার্স হওয়ার বেশি সম্ভাবনা থাকে। চল্লিশের কোঠাতেও এই রোগ দেখা দিতে পারে। আর এ রোগের কার্যকর নিরাময়ব্যবস্থা এখনো আবিষ্কার হয়নি।

আলঝেইমার্স ডিজিস

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস গোটা বিশ্বে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেহে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এটা বিপজ্জনক পর্যায়ে চলে যায় এবং ডায়াবেটিস দেখা দেয়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, কম বয়সীদের টাইপ ১ ডায়াবেটিস দেখা দেয়। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিস দেখা দেয়। এ রোগ হলে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না। ওষুধ ও জীবযাপনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু নিরাময় নেই।ডায়াবেটিস

পারকিনসন্স ডিজিস

পারকিনসন্স ডিজিস একটি প্রাণঘাতী রোগ। আমেরিকান ন্যাশনাল পারকিনসন্স ফাউন্ডেশন জানায়, মস্তিষ্কের ডোপামাইন উৎপাদনের প্রক্রিয়া, স্নায়বিক অংশের সঙ্গে জড়িত নিউরোট্রান্সমিটার, মোটোর স্কিল এবং মস্তিষ্কের অন্যান্য কার্যপ্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে আক্রান্ত রোগীর নড়াচড়া, আচরণ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। এ রোগের কোনো চিকিৎসা নেই যার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব।

পারকিনসন্স ডিজিস

মাল্টিপল স্কেলেরোসিস

সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই এমন আরেকটি রোগ মাল্টিপল স্কেলেরোসিস। এই রোগ ঘিরে অনেক রহস্য বিরাজ করে। যিনি আক্রান্ত হন, তার সমস্যা বুঝতেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। এ রোগের কারণে রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থা দেহের স্নায়বিক অংশকে আক্রমণ করে। কোনো একটি কারণে এ রোগ হয় না। বরং রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা, জেনেটিক অবস্থা এবং পরিবেশ এর জন্য দায়ী থাকে। চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে, কিন্তু তা পুরোপুরি সারায় না।

মাল্টিপল স্কেলেরোসিস

পোলিও

ভ্যাক্সিন আবিস্কার হলেও চিকিৎসা বের হয় নি এমন একটি রোগ পোলিও। পৃথিবীতে এখনো এমন দেশ আছে যেখানে এ রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। পোলিওভাইরাসের কারণে এ রোগের আবির্ভাব। এটি মানুষ সারাজীবনের জন্য বিকলাঙ্গ করে দেয় কিংবা মৃত্যু ঘটায়। এমনকি আমেরিকাতেও প্রতিবছর ১৫ হাজার মানুষ পোলিও-তে আক্রান্ত হয়। এ রোগ হলে আর সারানোর পথ নেই।

পোলিও

অ্যাজমা

চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এমন একটি রোগের নাম অ্যাজমা। কিন্তু নিরাময়ের কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নেই। এর কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাপক সমস্যা হয়। কাশি, বুকে আওয়াজ এবং শ্বাস নিতে বাতাসের অভাব বোধ হয়।

অ্যাজমা

সিজোফ্রেনিয়া

সিজোফ্রেনিয়া রোগের কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয় বিজ্ঞান। আর এর কোনো নিরাময় পদ্ধতিও জানা নেই কারো। তবে চিকিৎসা নিতে হয়। একজন মানুষ কিভাবে চিন্তা করে, তার আচরণ এবং অনুভূতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে সিজোফ্রেনিয়া। এ রোগে আক্রান্তদের হেলুসিনেশন দেখা দিতে পারে। অনেকে তার আবেগ সামলাতে পারেন না। স্মৃতিশক্তিও হারিয়ে যায় অনেক সময়।

সিজোফ্রেনিয়া

করোনা

বিশ্বজুড়ে এক আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। করোনাভাইরাস স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদেরকে আক্রান্ত করে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর সংক্রমণ ঘটায়। এই সংক্রমণের লক্ষণ মৃদু হতে পারে, অনেকসময় যা সাধারণ সর্দিকাশির ন্যায় মনে হয়। অন্যান্য প্রজাতিতে এই লক্ষণের তারতম্য দেখা যায়। যেমন মুরগির মধ্যে এটা উর্ধ্ব শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরে এটি ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা নেই

মানবদেহে সৃষ্ট করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়ানোর মত কোনো টিকা বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আজও আবিষ্কৃত হয়নি। তবে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়েছে। করোনাভাইরাস” নামটির উৎপত্তি লাতিন শব্দ করোনা থেকে যার অর্থ “মুকুট” বা “হার”। নামটি ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে ভিরিয়নের বৈশিষ্ট্যমূলক উপস্থিতিকে নির্দেশ করে।২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতির সংক্রামণ দেখা দেয়। বর্তমানে ৩ লাখের বেশী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে এবং ১৬ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছে। এ রোগটির এখনও চিকিৎসা নেই ।

আরও পড়ুন : যেসব খাবার বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে কার্যকরী

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
চিকিৎসা

বাংলাদেশকে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেবে ভারতের সিরাম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশকে করোনার ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট । ভ্যাকসিনটি মানবদেহের জন্য নিরাপদ হবে। এটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের করোনা ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই শেষে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রতি ব্যক্তির জন্য দুটি ডোজ হিসেবে দেড় কোটি মানুষকে দেয়া যাবে এ ভ্যাকসিন।

সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশের বাজারে শুধুমাত্র বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসই সরবরাহ করতে পারবে।

সংখ্যার হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনটি বাদেও করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য আরো দু’টি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পরিচালনা করছে তারা।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
চিকিৎসা

যেসব খাবারেও হতে পারে মৃত্যু

বাঙালি রসনা বিলাসী। এটা অতি প্রাচীণ কাল থেকেই। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের পিঠাসহ নানা জাতের মাছ ও ফলমূল নিত্য খাবার। বাংলাদেশের মানুষ চাল, মাছ, মাংস, শাক-সবজি মিলিয়ে কয়েক হাজার ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন, তবে এসবের মধ্যে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা অনেক সময় মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আপাত দৃষ্টিতে এসব খাবারের অনেকগুলোকেই নিরাপদ মনে হলেও বিশেষ কারণে বা বিশেষ অবস্থায় এগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে, হয়ে উঠতে পারে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

আবার কোনো কোনো খাবার রয়েছে যা তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারে। আবার অনেক ধরনের খাবারের ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও তা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি করে।

পটকা মাছ
বাংলাদেশ, চীন, জাপান, কোরিয়া-সহ বেশ কিছু দেশের মানুষের কাছে পটকা মাছ বা পাফার ফিশ বেশ জনপ্রিয় একটি মাছ। কিন্তু এই মাছটি ঠিকভাবে প্রসেস করা সম্ভব না হলে সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এর শরীরে থাকে বিষাক্ত টিউরোটক্সিন নামক উপাদান, যা সায়ানাইডের তুলনায় বহুগুণ বেশি কার্যকর।

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, এই মাছ খাওয়ার আগে দক্ষতার সঙ্গে মাছের শরীরের বিষাক্ত অংশটি আলাদা করে ফেলতে হবে।

তিনি বলেন, এমনিতে মাছটি হয়তো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু বিষাক্ত অংশটি কোনোভাবে মাছের শরীরে রয়ে গেলে আর তা মানুষের পাকস্থলীতে গেলে অল্পক্ষণের মধ্যে এটা মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে পারে – এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

মাশরুম
বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, ‘পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরণের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।’

খেসারি ডাল
বাংলাদেশে মসুর ও মুগডালের পাশাপাশি অনেকের খাদ্য তালিকায় খেসারি ডালও থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডালে বোয়া (BOAA) নামের এক প্রকার অ্যালানাইন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকতে পারে, যা বিষাক্ত নিউরোটক্সিন তৈরি করে। এই অ্যাসিড ‘নিউরো-ল্যাথারিজম’ বা স্নায়ুবিক পঙ্গুতা তৈরি করতে পারে।

এই রোগের লক্ষণ অনেক সময় হঠাৎ করেই দেখা দেয়। এতে করে হাঁটতে গিয়ে অসুবিধা এবং অসহ্য যন্ত্রণা হওয়া কিংবা পা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পরে।

পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা জানান, বেশিদিন ধরে খেসারির ডাল খেলে এই রোগ হতে পারে।

আলু
আলুতে শেকড়ের জন্ম হলে সেখানে গ্লাইকোঅ্যালকালোইড নামের এক ধরণের উপাদান তৈরি হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবৎ আলু পড়ে থাকলে এই ধরণের উপাদানের জন্ম হয়।

অনেক সময় গাছের পাতায় বা কাণ্ডেও এই উপাদান থাকে। বিশেষ করে আলুর গায়ে শেকড় জন্মালে যে লাল রঙের গাদ তৈরি হয়, সেখানে এই উপাদান বেশি থাকে।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, এই গ্লাইকোঅ্যালকালোইড শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়ারিয়া, মাথাব্যথা, এমনকি মানুষ কোমায়ও চলে যেতে পারেন।

বলা হয়ে থাকে, কেউ কোনভাবে তিন থেকে ছয় মিলিগ্রাম পরিমাণ এই উপাদান খেয়ে ফেললে মৃত্যু হতে পারে।

টমেটো
টমেটো গাছের পাতা এবং কাণ্ডে অ্যালকালাই থাকে, যা পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাঁচা টমেটোর ভেতর এই উপাদান থাকে বলে মনে করা হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, এই কারণে ভালো করে রান্না না করে কাঁচা টমেটো খাওয়া উচিত নয়। কারণ বেশি পরিমাণে কাঁচা টমেটো খেলে যে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

কাজু বাদাম
কাজু বাদামের দুইটি জাত রয়েছে – একটি মিষ্টি, অপরটি তিতকুটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও তেতো কাজুবাদামের ভেতর সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামের একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ তা শরীরে হাইড্রোজেন সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

কাঁচা অবস্থায় তেতো কাজুবাদাম খাওয়া একেবারে উচিত নয়।

বলা হয়, প্রতিটা তেতো কাজুবাদামের ভেতর ছয় মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। কারো শরীরে ১০০ মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রবেশ করলে তা তার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

আপেল
আসলে ঠিক আপেল নয়, আপেলের বিচির ভেতর খানিকটা পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। ফলে কারো শরীরের ভেতর যদি বেশি পরিমাণে আপেল বিচি বা বিচির নির্যাস প্রবেশ করে, তাহলে তা তাকে মেরে ফেলার মতো সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

আর সায়ানাইড হলো একটি মারাত্মক বিষ।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘অনেক সময় অনেকে আপেলের জুস তৈরি করে খান। তখন যদি অনেকগুলো বিচি-সহ আপেলের জুস করা হয়, তাহলে সেই বিচির কারণে ওই জুসে মারাত্মক বিষ তৈরি হতে পারে।’

কাঁচা মধু
মৌমাছির চাক ভাঙ্গা তাজা মধু সংগ্রহ করতে অনেকেই পছন্দ করেন।

কিন্তু খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাস্তুরায়িত করা হয়নি এমন কাঁচা মধু শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ কাঁচা মধুর মধ্যে অনেক বিষাক্ত উপাদান থাকতে পারে, যার কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া এমন মধু খাওয়ার ফলে ঘোর ঘোর ভাব আসা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বমি করার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কাঁচা মধুর ভেতর গ্রায়ানোটক্সিন নামের একটি উপাদান থাকে। এর এক চামচ পেটে গেলে হালকাভাবে এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কিন্তু বেশি খাওয়া হলে সেটার ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।

তাই বিশেষজ্ঞরা কাঁচা মধু না খেয়ে সেটা প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সেই মধুর ভেতর যেন মৌমাছির চাকের বা মৌমাছির কোন অংশ না থাকে।

কাসাভা
আফ্রিকার অনেকগুলো দেশে এই খাবারটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে কাসাভা এখনো ততোটা জনপ্রিয় নয়, তবে দেশের কোনো কোনো স্থানে অল্প পরিমাণে চাষাবাদ এবং এর খাওয়ার চল শুরু হয়েছে।

ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, কাসাভা যদি ঠিকমতো প্রক্রিয়াজাত করা না হয়, তাহলে সেটা স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন যে কাসাভার পাতা ও শিকড়ে অনেক বেশি পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। এটি একটি বিষাক্ত উপাদান, যা মানুষের শরীরে গেলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

মটরশুঁটি-শিমের বিচি
বাংলাদেশে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। শিমের বিচি অবশ্য সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় খাবার।

কিন্তু পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, ‘মটরশুঁটি ও শিমের মধ্যে ফাইটোহেমাগ্লুটিনিন নামের একটা পদার্থ থাকে, যা অনেকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ কারণে তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন যে রান্নার আগে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অবশ্যই ১৫ মিনিটি ধরে পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি ফেলে দিয়ে আবারও রান্না করতে হবে।

কামরাঙ্গা
এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল।

সাধারণ মানুষ এটি খেলে কোন সমস্যা নেই। তবে যাদের কিডনির বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ফলটি ক্ষতিকারক বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা।

কচু
কচু বাংলাদেশে একটি সবজি এবং এর পাতা শাক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কচু গাছ যদি ছায়ায় জন্মে বা বড় হয়, তাহলে এর মধ্যে এমন একটি কম্পোনেন্ট তৈরি হয়, যা অনেকের জন্য অ্যালার্জি তৈরি করে।

ফলে কচু খেলে তাদের চুলকানি হয়, গলা ফুলে যায়। এর কারণ হলো, কচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট। অনেক সময় এতে করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, কচু জাতীয় জিনিস খেতে হলে সঙ্গে লেবু খেতে হবে। সেটা কচুর অক্সালেটের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে বলে তিনি জানান।

ডিম
বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানান, ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো – কিন্তু কাঁচা ডিম খাওয়া, আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া, বা ডিমের এক পাশ পোঁচ করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর, বলছেন তিনি।

ধুতরা ফুল ও ফল

একসময় বাংলাদেশি বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধে এই ফলের ব্যবহার হতো। কিন্তু এটি অত্যন্ত বিষাক্ত একটি ফল এবং এর পাতাও বিষাক্ত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে এখন অবশ্য এই গাছটি অনেকটাই দুর্লভ হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ‘তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি ভোগ করব’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
চিকিৎসা

জরুরী বিভাগের দাবিতে কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

জরুরী বিভাগ চালুর দাবিতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনিদৃষ্টকালের জন্যে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। ১৪ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, দফায় দফায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগ চালুর জন্যে কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করলেও এখনও চালু করেনি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জরুরী বিভাগ চালুর দাবিতে কর্মবিরতিতে যায়। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সাজর্ন ও ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সাত দিনের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগ চালুর ঘোষণা দিলেও আজো চালু হয়নি। এসময় জরুরী বিভাগ চালু না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতির ষোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম মেহেদী, নয়ন চন্দ্র হালদার, তৃনা মণ্ডল, তানজিনা সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস টিভি/এমএইচ