Categories
অপরাধ অর্থনীতি খেলার খবর চিকিৎসা জাতীয় ধর্ম প্রবাসী বিনোদন বিশ্ব ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

করোনার বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের অন্য রকম ইনিংস

মুশফিক সাকিব আশরাফুলের পর এগিয়ে আসছেন দেশের ক্রিকেটের আরও অনেক তারকা। উৎসাহিত হয়ে এবার একই উদ্যোগ নিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার।

এমন ভিন্ন উদ্যোগ আগে মুশফিক নিলেও বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নিলামে কোন কিছু বিক্রির মাধ্যমটা দেখিয়ে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে রানের বান ছোটানো ব্যাটটি নিলামে তুলেছিলেন তিনি। ২০ লাখ টাকায় তা কিনেছেন এক প্রবাসী।

মাশরাফী যথাসাধ্য সহায়তার পাশাপাশি এবার নিলামের মঞ্চে উঠাতে চাচ্ছেন তার জার্সি, ব্রেসলেট ও বেইমানী করা পায়ে পরা কেডস জোড়া।

অলরাউন্ডার সাইফুদ্দীনের সংগ্রহে সযত্নে রাখা সাকিব আল হাসান, বিরাট কোহলি ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এম এস ধোনির সাক্ষরিত বলটি দিচ্ছেন নিলাম বাজারে।

সতীর্থদের দেখানো পথে হাঁটছেন লিটন দাসও। নিলামে তুলতে যাচ্ছেন এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটখানা।

টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্যও পিছিয়ে নেই নিলামের দৌড়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে ৯৪ বল ক্যারিয়ারের ১ম টেস্ট সেঞ্চুরি করা ব্যাটটি দিচ্ছেন নিলামের বাজারে। এই তালিকায় আছেন স্পিড স্টার তাসকিন আহমেদও। গতির ঝড় তুলে ২০১৭ সালে ডাম্বুলায় লঙ্কানদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক কাব্য লিখা বলটি তুলছেন নিলামের মঞ্চে।

জাতীয় দলে জায়গা হারালেও, দেশের দুঃসময়ে হারিয়ে যায়নি বিজয়ের মানবিকতা। ২০১৬ সালে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটটি নিলামের তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়।

ক্রিকেটারদের এই সামগ্রীর নিলাম পরিচালনা করবে অকশন ফর একশন। যা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এই ক্রিকেট যোদ্ধাদের বিশ্বাস, করোনার আগ্রাসন একদিন পরাজিত হবেই। আবারও সুন্দর এক সকাল আসবে এই ধরণীতে।

Categories
চিকিৎসা

দেশের জন্য জীবনকে তুচ্ছ করে দিয়েছি: ডা. আলাদিন

মহামারী করোনা ভাইরাসে পুরো পৃথিবী জুড়ে সংক্রমিত হয়ে বহু চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখনো পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যকর্মীরা। এমন অবস্থার পরেও সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে বসে নেই তারা। তেমনই একজন মিসরীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক আলাদিন। এই চিকিৎসক ১ লাখ ৫৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে একজন যারা ব্রিটেনে জন্মগ্রহণ করেননি।

কিন্তু ব্রিটেনের এমন দুঃসময়ে ফ্রন্টলাইন ছেড়েও যাননি। আলাদিন বলেন, আমি এই দেশ ও দেশের মানুষের জন্যে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দিয়েছি। এই দেশকে যে ভালোবাসি তার প্রমাণ হিসেবে এর থেকে বেশি কিছু দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

বিবিসি লন্ডনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আলাদিন আরও বলেন, এখন যদি করোনা আক্রান্ত কোন রোগীর চিকিৎসা করতে যেয়ে তিনিও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তাহলে তাঁর তিন সন্তান ও স্ত্রী মিশরে ফিরে যেতে বাধ্য হবেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন বিদেশি বংশোদ্ভূত ডাক্তার এবং নার্সদের ব্রিটেনে থাকতে গেলে কয়েক হাজার পাউন্ড অর্থ দিতে হয়। বর্তমান আইন অনুযায়ী কটি পাঁচ বছরের একটি পরিবারের পাঁচ বছরের ওয়ার্ক পারমিট বা সীমিত ছুটিতে ভিসা থাকার জন্য ৯ হাজার ডলারের বেশি অর্থ দিতে হবে। এই বছরের শেষের দিকে চারজনের একই পরিবারকে ১৫ হাজার ডলারের বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনী প্রচারের সময় দলগুলি এই স্তরে শুল্ক বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এটিকে অন্যায় বলে মনে করছেন অভিবাসী স্বাস্থ্যকর্মীরা। শুল্কের সমালোচনা করে স্বাস্থ্যকর্মীরা বলেন, ‘আমার হৃদয় এখানে ফ্রন্টলাইনে রয়েছে, তবে আমি কেবল এতটুকু দিতে পারি।’