Categories
লাইফস্টাইল

আম খেলে কি ওজন বাড়ে?

এখন আমের মৌসুম চলছে। নানা স্বাদের বাহারি সব আম পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। স্বাদের জন্য শিশু থেকে বয়স্ক সবারই এটা পছন্দের ফল। তবে অতিরিক্ত মিষ্টি হওয়ার কারণে কেউ কেউ আবার আম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। কারও কারও ধারণা, অতিরিক্ত আম খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। পুষ্টিবিদরাও অবশ্য আম খাওয়ার ব্যাপারে কিছু বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

আম শুধুমাত্র স্বাদে নয়, গুণেও অনন্য। এতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন এ, আয়রন, কপার এবং পটাশিয়াম রয়েছে।

আম একটি শক্তিশালী ফল। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি জোগায় এবং সারাদিন শরীর সক্রিয় রাখে।

আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশও থাকে যা হজমে সহায়তা করে।

দৈনিক চাহিদার ২৫ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’ এবং ৭৬ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ ১০০ গ্রাম আম থেকে মিলতে পারে।

একটা মাঝারি আকৃতির আমে ১৫০ ক্যালরি থাকে। বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। এ কারণে অতিরিক্ত আম না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের ভাষায়, আম ফ্যাট, কোলেস্টেরল, লবণবিহীন গ্রীষ্মকালের সুপার ফল। এই ফল শরীরের জন্য দারুন পুষ্টিকর। কিন্তু তার মানে এই নয় সকাল, দুপুর এবং রাতে আম খেতে হবে। তাদের মতে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। আমের ক্ষেত্রেও তাই। অতিরিক্ত পরিমাণে আম খেলেও ওজন বাড়াতে পারে।

এছাড়া খাওয়ার পর আম খেলে শরীরে বেশি ক্যালরি যোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে সকালের নাস্তা খাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর কিংবা বিকালে আম খাওয়ার উপযুক্ত সময় বলছেন পুষ্টিবিদরা। সেই সঙ্গে রাতে আম না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

Categories
লাইফস্টাইল

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

বজ্রপাত সম্পর্কে সচেতন হলেই অনেক মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। বজ্রপাতের সময় মৃত্যু এড়াতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেগুলো হলো-

পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিন : ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় থাকা যাবে না। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয়, কোনো দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।

উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন : সাধারণত উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

জানালা থেকে দূরে থাকুন : বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন : বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান : বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

গাড়ির ভেতরে থাকলে : বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ অবস্থানে ফেরার চেষ্টা করুন। যদি প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্মুখীন হন, তবে গাড়ি কোনো গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে নিয়ে যান। এ সময় গাড়ির কাঁচে হাত দেয়া বিপৎজনক হতে পারে।

পানিতে নামা যাবে না : ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তায় পানি জমাটা আশ্চর্য নয়। তবে বাজ পড়া অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। উপরন্তু কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লে বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

খালি পায়ে বা পা খোলা জুতো নয়: বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপৎজনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয়, তবে পা ঢাকা জুতো পরে বের হন। রাবারের গামবুট এক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো কাজ করবে।

চারপাশে খেয়াল রাখুন: বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যেদিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সেদিকটি বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

Categories
লাইফস্টাইল

সিদ্ধ করলে আরও স্বাস্থ্যকর হয় যেসব খাবার

খাবার নিয়ে অনেকেরই খুঁতখুতে স্বভাব আছে। শুধুমাত্র স্বাদ ভালো হলেই সেসব খাবার খান। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, শুধুমাত্র স্বাদ দেখেই খাবার খাওয়া ঠিক নয়। বরং যেভাবে খেলে খাবার থেকে বেশি পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় সেই পদ্ধতিতেই খাবার খাওয়া উচিত। তাদের ভাষায়, এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা কেবল সিদ্ধ হওয়ার পরেই খাওয়া উচিত। কারণ এসব খাবারে যে পরিমাণে পুষ্টি আছে সিদ্ধ হওয়ার পরে সেগুলোর ভিতরের উপাদানগুলি কিছুটা পরিবর্তন হয়।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সবজি যদি সিদ্ধ করা হয় তবে আরও বেশি স্বাস্থ্যকর হয়। এই গবেষণায় বলা হয়, কিছু সবজি রয়েছে যেগুলো সিদ্ধ করা হলে ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ বেশি ধরে রাখে। এই সবজিগুলো সিদ্ধ করে খেলে ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

যে কারণে সিদ্ধ খাবার সবচেয়ে ভালো

খাবার-দাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা সহজে হজম হতে পারে না। তবে যখন খাবারটি সঠিকভাবে সিদ্ধ করা হয় তখন এই উপাদানগুলি শরীরে যায় এবং সহজে হজম হয়। এছাড়াও সিদ্ধ খাবার ওজন হ্রাস করতে সহায়তা করে, ত্বকের গঠন উন্নত করে, অ্যাসিডিটি কমায়, কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

যেসব খাবার সিদ্ধ করে খেলে বেশি স্বাস্থ্যকর হয়-

ভুট্টা : সারা দিন শরীরে অনেক পুষ্টি দরকার। ভুট্টাতে যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি পাওয়া যায়। এর ভিতরে থাকা ভিটামিন বি স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। এ ছাড়া এতে কপার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় এমন অনেক খনিজ উপাদান পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে নানা রোগ থেকে দূরে রাখে।

ব্রকলি : ব্রকরি সুপারফুড হিসেবে পরিচিত। এতে কেবল ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন এবং পটাসিয়ামই থাকে না, এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনও পাওয়া যায়। শরীরের পুষ্টির জন্য সিদ্ধ করে স্যুপ হিসেবে ব্রকলি খেতে পারেন।

আলু : আলু যখন সিদ্ধ করা হয়, তখন ক্যালরি কমে যায়। যারা ওজন কমাতে চান, তারা এটি খেতে পারেন।

চিংড়ি : চিংড়ি অন্যতম সেরা সামুদ্রিক খাবার হিসেবে পরিচিত। এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান শরীরকে নানা রোগ থেকে দূরে রাখে। এটি সিদ্ধ করে সালাদ বা স্যুপ দিয়ে খেতে পারেন।

ডিম : সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশে পাওয়া প্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। কারণ এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।

মটরশুঁটি : বিশেষজ্ঞরা বলেন, মটরশুঁটি কমপক্ষে ছয় মিনিট সিদ্ধ করা প্রয়োজন। সামান্য পরিমাণ লবণ ও মরিচ মিশিয়ে এটা সিদ্ধ করতে পারেন। এটা ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য ভালো।

পুঁইশাক : গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি ও পুঁইশাক সিদ্ধ করলে বেশি স্বাস্থ্যকর উপাদান পাওয়া যায়।

ফুলকপি : ফুলকপি সিদ্ধ করে খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর। এই পদ্ধতিতে ফুলকপিতে পুষ্টি ও ভিটামিন জমা থাকে।

বাঁধাকপি : বাঁধাকপি সিদ্ধ করলে এর ভাপের একটি গন্ধ হয়। এই সিদ্ধ পানি খাবারের সুগন্ধ করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

গাজর : গাজর সিদ্ধ করার সময় সামান্য পরিমাণ লবণ ও মরিচ ছিটিয়ে দিন। সিদ্ধ গাজর চোখের জন্য ভালো।

Categories
লাইফস্টাইল

করোনা মোকাবিলায় গরম পানি খাওয়া কতটা কার্যকরী

করোনা মোকাবিলায় অনেক ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতির কথা শোনা যায়। তার মধ্যে গরম পানি অন্যতম। অনেকের মতে, বাইরে থেকে ফিরে গরম পানিতে গোসল করলে ভাইরাস মরে যাবে। আবার সারাক্ষণ গরম পানি খেলে তা সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম পানিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকানো সম্ভব নয়। সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে মৃত্যু হতে পারে এই ভাইরাসের। কিন্তু সেটা ল্যাবরেটরির নিয়ন্ত্রিত আবহেই সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, এমনিতে গরম পানি খাওয়া বা গরম পানিতে কুচিকুচি করার উপকারিতা অনেক। খাওয়ার পর হালকা গরম পানি খেলে হজমশক্তি বাড়তে পারে।

গলায় কোনও রকম অস্বস্তি বা শুকনো কাশি থাকলেও কুলিকুচি করলে আরাম পাবেন। যাদের নাক বন্ধ হয়ে আসার সমস্যা রয়েছে, তারাও গরমে পানিতে ভাপ নিতে পারেন। আর এসব পদ্ধতি করোনা রোগীদের সুস্থ হতে সাহায্য করে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

যেভাবে করোনার পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন

করোনা থেকে সেরে ওঠার পরও অনেকেরই নানারকম শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে। অনেকের শরীরে দীর্ঘ দিন দুর্বলতাও থাকছে। এ কারণে বিশ্রামের প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময জোর করে অনেক পরিশ্রমের কাজ করার চেষ্টা করা ঠিক নয়। রোগমুক্ত হওয়ার পরও অন্তত এক সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রাম করাই ভালো। এতে আরও দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।

এছাড়াও করোনার পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কিছু বিষয় অনুসরণ করা জরুরি। যেমন-

পুষ্টিকর খাবার : করোনার পর কী খেলে শরীরে শক্তি ফিরে পাবেন এই নিয়ে নানা রকম তথ্য আজকাল নেটে পাওয়া যায়। কিন্তু কারও যদি করোনার পাশাপাশি অন্য কোনও দীর্ঘকালীন অসুখও থাকে, তা হলে অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা ঠিক করা উচিত। এমনিতে এই সময় প্রোটিন বেশি আছে, এমন খাবার বেশি খাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

ব্যায়াম : প্রত্যেক দিন ধীরে ধীরে ব্যায়াম করা প্রয়োজন। এতে শরীর শক্তি ফিরে পাবে। তবে নিজের শরীর বুঝে ব্যায়াম করা উচিত। খুব বেশি ক্লান্ত লাগলে বা মাথা ঘুরলে আরও বিশ্রাম নিন। নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন প্রত্যেকদিন।

রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপুন : করোনা সেরে যাওয়ার বেশ কিছুদিন পরও হঠাৎ রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত মেপে দেখুন। কোভিডের কারণে ফুসফুসের যদি বেশি ক্ষতি হয়, তা হলে অক্সিজেনের মাত্রা হঠাৎ কমে যেতে পারে।

স্মৃতিশক্তির খেলা : কয়েকটি সহজ স্মৃতিশক্তির খেলা খেলুন, বা ধাঁধার সমাধান করুন। পাজ্‌ল খেলতে পারেন। করোনার কারণে মস্তিষ্কের কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যাতে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে, সেটা খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

টাক পড়া কমাতে উপকারী যেসব খাবার

বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকেরই চুলের ঘনত্ব কমে যায়। অনেকের আবার অল্প বয়সেই টাক পড়া শুরু হয়। কারণ যাই হোক না কেন, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কয়েকটি খাবার রাখলে টাক পড়া অনেকটা প্রতিরোধ হবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, চুলের ঘনত্ব বাড়াতে বা চুল ওঠা কমাতে তিনটি খাবার বেশ উপকারী। যেমন-

আমন্ড বা কাঠবাদাম: এই বাদামে প্রচুর পরিমাণে বায়োটিন নামের যৌগ আছে। এটি চুলের ঘনত্ব বাড়াতে এবং চুল ওঠা কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ৮-১০টা কাঠবাদাম সকালে খালি পেটে খেলে টাক পড়া অনেকটা প্রতিরোধ হয়।

ডিম: ডিমেও বায়োটিন বা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৭ রয়েছে। তাই যারা চুল উঠে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত, নিয়মিত ডিম খেলে উপকার পাবেন। এর বাইরে ডিমে প্রচুর প্রোটিনও রয়েছে। এটিও চুলের বৃদ্ধি এবং চুল শক্ত করতে সাহায্য করে।

স্ট্রবেরি: এই ফলে প্রচুর উপকারী সিলিকা রয়েছে। চুলের বৃদ্ধির অন্যতম উপাদান এটি। নিয়মিত স্ট্রবেরি খেলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয়। এ ছাড়াও স্ট্রবেরিতে এলাজিক অ্যাসিড রয়েছে। এটি চুল ওঠা আটকায়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

সম্পর্ক ভেঙে যায় যেসব কারণে

আজকাল সম্পর্কও যেমন দ্রুত তৈরি হয় তেমনি তাড়তাড়ি ভেঙেও যায়। প্রেমের স্থায়ীত্ব বেশিদিন থাকে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্ক ভাঙার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। যেমন-

সঙ্গীকে কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারেন না : মেয়েদের ক্ষেত্রেই সাধারণত এই সমস্যা বেশি হয়। কেন তারা সঙ্গীর প্রেমে পড়েছিলেন সে কথা নিজেরাও জানেন না। ফলে কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের নানা রকম খুঁত বের করেন। যেমন- তাদের মনে হয় সঙ্গী ঠিক করে কথা বলতে পারে না, আবার কারও মনে হয় সঙ্গী তাকে ঠিক মতো বোঝে না, কারও সঙ্গী আবার অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বচ্ছল না হলেও সমস্যা তৈরি হয়।

বেশি চাহিদা : সঙ্গীর থেকে অতিরিক্ত চাহিদা থাকলে কিছুতেই সেই প্রেম টেকে না। প্রত্যেক মানুষেরই চাওয়া, পাওয়ার একটা সীমা থাকা প্রয়োজন। এমন কিছু মানুষ আছেন যারা সঙ্গীকে ঠকিয়ে প্রচুর জিনিস আদায় করতে চান। এটা সম্পর্কে ফাটল তৈরি করে।

ভরসা এবং বিশ্বাস : যে কোনও সম্পর্কের ভিত্তি হল ভরসা এবং বিশ্বাস। যেখানে বিশ্বাস নেই সেই সম্পর্ক কিন্তু কখনই টেকে না। যারা ঘন ঘন সঙ্গী বদলান তাদের নিজের উপরই কোনও ভরসা থাকে না। সম্পর্কে পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা প্রয়োজন।

যোগাযোগের সমস্যা : অনেকেই ভাবেন প্রেম করলে বুঝি সারাদিন কথা বলাটাই নিয়ম। কিন্তু এটা ঠিক নয়। এছাড়াও অনেকেই থাকেন যারা সঙ্গীর সাথে ঠিক করে কথা বলেন না। ফোন, টেক্সট কোনও কিছুই করেন না। এই মানসিকতা থেকেও অনেক প্রেম কেটে যায়।

বাস্তববোধ থাকে না : অনেকর মধ্যেই বাস্তববোধের প্রচণ্ড অভাব থাকে। এরা অনেক বেশি আবেগে ভাসতে পছন্দ করেন। জীবনটাকে সিনেমার মতো দেখতে চান। সারাক্ষণ সঙ্গীর সঙ্গে ঘোরাঘুরি, বেড়ানো, শপিং, রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়া, সিনেমা দেখা এসব করতে পছন্দ করেন। কিন্তু এরকমটা সবসময় হয় না। জীবনে অর্থ, প্রতিষ্ঠা এসব না থাকলে প্রেম টেকে না।

Categories
লাইফস্টাইল

আমের যত স্বাস্থ্য উপকারিতা

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। আমের পুষ্ঠিগুণ অশেষ। প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে। এছাড়া আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- এ এবং ভিটামিন বি থাকে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। খাবারের তালিকায় সব সময়ই আঁশযুক্ত খাবার থাকা দরকার। প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ১.৫ গ্রাম আঁশ থাকে।

আমের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১. আম আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, পেট পরিষ্কার রাখে এবং রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।

২. গবেষণায় দেখা গেছে, আম রক্তে গ্লুকোজ কমাতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য উপকার। ওজন কমাতে চাইলে কাঁচা আম খেতে পারেন। কেননা পাকা আমে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। এছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, হৃৎপিণ্ডের রোগের ঝুঁকি কমাতেও আম সাহায্য করে।

৩. ক্যানসার প্রতিরোধেও আম সহায়ক। আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়।

৪. আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম।

৫. অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীদের জন্য ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে আম। সন্তানসম্ভবা নারী এবং মেনোপোজ হওয়া নারীর আয়রনের ঘাটতি পূরণে আম বেশি উপকারী।

৬. আয়রন ও সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকরী আম। ত্বক ভালো রাখতেও পাকা আম খুব ভালো কাজ করে।

Categories
লাইফস্টাইল

কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারে যেসব সতর্কতা জরুরি

মাস্ক এখন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। যে হারে সংক্রমণ এবং মৃত্যু বেড়ে চলেছে গোটা বিশ্বে, তাতে আগামী কয়েক বছর মাস্ক ব্যবহার অপরিহার্য মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কাপড়ের মাস্ক না সার্জিক্যাল মাস্ক, সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে কোনটা বেশি ভালো, তা নিয়ে এখনও দ্বিধা রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় বহু মানুষ আবার কাপড়ের মাস্কই বেছে নিচ্ছেন। কাপড়ের মাস্ক পরার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, যে কোনও সময় মাস্ক ধরার আগে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মাস্কের কোথাও কোনও ছিদ্র বা ছেঁড়া রয়েছে কি না তা ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, মাস্ক পরার পর মুখের দু’পাশে ফাঁক রয়েছে। তা কোনও ভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। মাস্ক পরার পর মুখ, নাক এবং থুতনি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা থাকতে হবে।

গ্রীষ্মের দাবদাহে অনেকেই মাস্ক পরে হাঁফিয়ে উঠছেন। এ কারণে নিজের অজান্তেই অনেকের মাস্কে হাত চলে যাচ্ছে। কেউ কেউ টানাটানি করে মাস্ক আলগা করছেন, অস্বস্তি হলে উপরের অংশ ধরে মাস্ক ঠিক করতেও দেখা যায় অনেককে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন মাস্ক না ছোঁয়াই ভাল। আর যদিও বা মাস্ক খুলতে হয় বা ঠিক করতে হয়, তা কানের পাশে অথবা মাথার পিছন দিক থে‌কে মাস্কের ফিতা ধরেই খুলতে বা পরতে হবে। খোলার পরই মুখের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে মাস্ক।

সার্জিক্যাল মাস্কের ক্ষেত্রে এক বার পরার পরই তা ফেলে দিতে হয়। তবে কাপড়ের মাস্ক আবারও ব্যবহার করা যায় বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক ভিজে না গেলে, নোংরা না হলে খোলার পর পরিষ্কার থলিতে রেখে দেওয়া যাবে। ফের ব্যবহার করতে চাইলে সাবান বা ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। দিনে এক বার গরম পানিতে সাবান মিশিয়ে মাস্ক ধুয়ে নিলে ভালো হয়।

কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এর আগে ত্রিস্তরীয় মাস্কের উপর গুরত্ব দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি জানিয়েছে, দোকান থেকে কিনে বা বাড়িতে তৈরি করা মাস্ক পরা যাবে। তবে সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষমতা মাস্কের কাপড়ের উপর যেহেতু নির্ভর করে, তাই তিনটি স্তরে আলাদা রকমের কাপড় দিতে হবে। মাস্কের যে অংশটি ভিতরের দিকে থাকবে, তাতে সুতির কাপড় ব্যবহার করলে ভালো। কারণ তা মুখ থেকে নির্গত ড্রপলেটস দ্রুত শুষে নিতে পারে। মাঝের স্তরে থাকবে পলিপ্রোলাইনের মতো এমন উপকরণ, যা ফিল্টারের কাজ করবে। বাইরের স্তরটি তৈরি হবে পলিয়েস্টারের মতো উপকরণ দিয়ে, যা মুখের ভিতর থেকে সংক্রমণ বাইরে ছড়াতে দেবে না, আবার বাইরে থেকেও সংক্রমণ মুখে প্রবেশ করা আটকাবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

করোনাকালে বাড়িতে যেসব জিনিস রাখা জরুরি

করোনাকালে কখন কী ভাবে বিপদ আসে, তার ঠিক নেই। এ কারণে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। লকডাউন হতে পারে, সেই আশঙ্কায় যেমন অনেকে মাসের বাজার করে রাখছেন ঠিক তেমনি এই সময় বাড়িতে জরুরি কিছু জিনিস কিনে রাখা প্রয়োজন। যেমন-

পাল্‌স অক্সিমিটার : কনোরাকালে এর থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আর নেই। হঠাৎ করে কারও শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে নিয়মিত রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপা প্রয়োজন। শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা একটু কমে গেলেই সতর্ক হতে হবে।

ডিজিটাল থার্মোমিটার : গায়ে জ্বর জ্বর ভাব হলেই সতর্ক হতে হবে। ঘন ঘন দেহের তাপমাত্রা মাপতে হবে। তাই বাড়িতে একটা থার্মোমিটার থাকা খুব প্রয়োজন।

অক্সিজেন-ডায়েরি : একটা ডায়েরি বা নোটবুক বাড়িতে রয়েছে কি না দেখে নিন। করোনার কোনও উপসর্গ দেখা গেলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা, দেহের তাপমাত্রা এবং পাল্‌স রেট নিয়মিত মেপে লিখে রাখতে পারেন।

সার্জিক্যাল মাস্ক : অনেকগুলো সার্জিক্যাল মাস্ক একসঙ্গে কিনে রাখুন। মনে রাখবেন, এই মাস্ক ব্যবহার করে ফেলে দিতে হয়। বড় জোর ২ থেকে ৩ বারের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয় এই মাস্ক। এ কারণে একসঙ্গে অনেকগুলো মাস্ক কিনে রাখাই ভালো।

প্যারাসিটামল : জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে প্যারাসিটামল নিতে হবে। তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাকি ওষুধ খেতে হবে। এ কারণে ঘরে সবসময় প্যারাসিটামল মজুদ রাখুন।