Categories
জাতীয় লাইফস্টাইল

ভারত থেকে কেন ৯০ মেট্রিক টন তেঁতুলের বিচি কিনলো বাংলাদেশ?

প্রতি টন ২০০ মার্কিন ডলার মূল্যে সম্প্রতি ভারত থেকে ৯০ মেট্রিক টন তেঁতুলের বিচি আমদানি করেছে বাংলাদেশ। খবর বিবিসি বাংলার।

বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয় তেঁতুল কেবল ফল হিসেবে এর পরিচিতি থাকলেও, তেঁতুলের বিচিও যে কত প্রয়োজনীয় পণ্য তা হয়তো অনেকেই জানেন না।

যে কারণে ভারত থেকে তেঁতুল বিচি আমদানি করলো বাংলাদেশ?

তেঁতুল সহজলভ্য ও পরিচিত ফল হলেও, তেঁতুলের বিচি আমদানি করার কথা সচরাচর শোনা যায় না। দেশীয় উৎপাদনে বাজারের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলে এখন তেঁতুলের বিচি আমদানি হচ্ছে ।

তেঁতুলের বিচি আমদানিকারক সত্যজিৎ দাস বলেছেন, বাংলাদেশে মূলত পাটকল ও কাপড়ের মিলে সুতা রং করার কাজে তেঁতুল বিচি ব্যবহার করা হয়।

তিনি বলেছেন, সুতার রং টেকসই করার কাজে বহুদিন ধরেই তেঁতুল বিচি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মশার কয়েল তৈরির কাজে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয় তেঁতুল বিচি।

দেশে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় যেসব উদ্যোক্তারা এখন কয়েল তৈরি করছেন, তারাই এই আমদানিকৃত তেঁতুলের বিচির বড় ক্রেতা।

এসব শিল্প উৎপাদন কেন্দ্রিক প্রয়োজনের বাইরে তেঁতুল বিচি ঔষধি গুণের কারণেও খুবই দরকারি একটি জিনিস।

তেঁতুল বিচির যত গুণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শামীম শামছি বলেছেন, তেঁতুল বিচি ইউনানি, আয়ুর্বেদ, হোমিও এবং অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। শুষ্ক চোখের চিকিৎসায় যে ড্রপ তৈরি হয়, তাতে তেঁতুল বিচি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া পাকস্থলীর গোলযোগ, লিভার ও গল-ব্লাডারের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে তেঁতুল বিচি।

গর্ভকালীন বমিভাব ও মাথাঘোরার সমস্যায় তেঁতুল বিচির শরবত উপকারী। তেঁতুল বিচি গরম পানিতে ফুটিয়ে এক ধরণের আঠা তৈরি করা হয়, যা ছবি আকার কাজে ব্যবহার করা হয়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বিশ্বের যতো বৈচিত্র্যময় খাবারের দেশ

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খাবার তৈরিতে যেমন রয়েছে ভিন্নতা। তেমনি স্বাদেও আছে রকমফের। ভোজন রশিকই শুধু নয়। খাবারের রীতি ও প্রস্তুত করার কৌশলও এক এক দেশে একেক রকম। আজ জানবো ইতালি, জাপান ও থাইল্যান্ডের নানা রকম খাবারের বৈচত্র।

ইতালি
স্বাভাবিকভাবেই ভোজনরসিকদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে ইতালির রোম। প্রাচীন এই শহরটির খাবারের জন্য বেশ সুনাম রয়েছে। শুধু নানা সময়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার খেতেই শহরটিতে আসেন অসংখ্য পর্যটক। রোমান সাম্রাজ্যের পর থেকে এর ঐতিহাসিক পটভূমি এবং ভূমধ্যসাগরে যে ভৌগলিক অবস্থার কারণেও রয়েছে এর রান্নাও বৈচিত্র্যময়। ব্রেড রোল, মাখন, জ্যাম ও কফি দিয়ে প্রাতরাশ সারেন ইতালির বাসিন্দারা। যার পোশাকি নাম কোলাজিওন। পাস্তা, রিসোটো বা পেঁয়াজ এবং মাখন দিয়ে বোলে ভাত রান্না করা, আগুনের উপরে বোলেলনে রান্না করা ভুট্টা সব সময়ই বিখ্যাত। অন্য দিকে স্প্যাঘেটি এবং ম্যাকারনি শুকনো পাস্তাও দক্ষিণ ইতালির একটি নিয়মিত খাদ্য।

ইতালির তিনপাশে সমুদ্রবেষ্টিত এলাকায় প্রচলিত আছে সীফুড। ইটালিয়ানরা জলপাই তেল প্রচুর পরিমাণে খাবারের মধ্যে ব্যবহার করে। ইটালিয়ান বিখ্যাত কয়েকটি খাবার হলো—সার্ডিনিয়ান- স্টাফড বেগুন, অ্যান্টিপাসটো- সালাদ, ছাগলের পনির এবং সালসা রুস্টিকার সাথে ছোলা প্যানেল, গ্রিলড ম্যাকেরেল সিসিলিয়ান ক্যাপার, ইতালিয়ান আলু স্যুপ, ইতালিয়ান রামেন, চিকেন অলা ডায়াভোলা, টোস্টেড পিস্তা, টাস্কান, ইতালিয়ান সীফুড স্টু, পনির ও মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন আইটেম।

জাপান
সিদ্ধ ভাত, সুপ, মাছ মূলত খায় জাপানিজরা। এরসঙ্গে আচার বা সয়াবিনের কোনও পদও তারা খেয়ে থাকে। ভাত হচ্ছে জাপানিদের নিয়মিত খাবার। তবে তারা সাধারণত বাদামি চালের ভাত খেতে পছন্দ করে। এটি উচ্চ ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যা হার্ট ভাল রাখতে সহায়তা করে। আরো নানাবিধ কারণে যেমন ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, শরীরে সঠিক প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেড সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় শক্তি যোগানে বিশেষভাবে কার্যকর এই বাদামি চাল। জাপানিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর গম থেকে তৈরি নিম্ন কার্বোহাইড্রেড সমৃদ্ধ নুডুলস খেয়ে থাকে। সাধারণত সব ধরনের ফল মূল শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে। তবে ফুজি আপেল জাপানিদের প্রিয় ফল। তারা তাদের অঞ্চলের পেরসিমন ও মান্দারিন নামের বিশেষ ধরনের কমলা ও খেতে পছন্দ করে যা স্বাদে অনন্য। অঞ্চল ভেদে মাছের প্রপ্যতা ভিন্ন রকম। তবে জাপানিদের প্রিয় মাছ হলো ম্যাকেরেল ও স্যালমন। জাপানিরা প্রায় সব ধরনের শাক সবজি বিশেষ করে বেগুন, শিম, মাশরুম, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, আলু, কচি বাশের কেরুল, মুলা, গাজর ও বিভিন্ন সামুদ্রিক শৈবাল খেতে পছন্দ করে। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন বীজ জাতীয় খাবার যেমন সয়াবিন, খাবার উপযোগী বিভিন্ন ঘাসের বীজ, বিকল্প দুগ্ধ জাতীয় খাবার হিসাবে সয়া মিল্ক থেকে তৈরি টফু খেয়ে থাকে যা অনেক স্বাস্থ্যকর ও এন্টি অক্সিডেন্ট এ ভরপুর। এ সকল ডায়েট তালিকার খাবারের সাথে জাপানিদের সব সময়কার অতী গুরুত্বপূর্ণ পানিয় হচ্ছে চা এবং তা অবশ্যই গ্রিন টি যা অল্প মাত্রায় ক্যাফেইন এবং অধিক মাত্রায় পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামের দুটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

জাপানিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারের সময় হলো সকালের নাস্তা। তারা প্রতিদিন সকালের নাস্তাকে খুব প্রাধন্য দেয়। সাধারণত তারা সকালে মিশো সুপ, একটি মান্দারিন আর এক কাপ গ্রিন টি পান করে। বিশেষ করে তারা সকালে মিশো সুপ খায় কারন এটা কম চর্বিযুক্ত। এখানে আপনি তিনটি লাল আটার রুটি খেতে পারেন শাক সবজি দিয়ে।
জাপানি লোকেরা দূপুরে এক বাটি সুসি সয়া সস দিয়ে খায় যা কাঁচা মাছ দিয়ে তৈরি। সাথে মাশরুম দিয়ে এক বাটি নুডুলস ও একটি আপচ। আর সকালের মতই এক কাপ গ্রিন টি।

জাপানিদের রাতের খাবার তালিকায় থাকে এক বাটি ভাত, একটি কমলা ও সসিমি যা বিভিন্ন মাছের সমন্বয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহি জাপানি খাবার। আর প্রতিবেলা খাবারের পর তারা এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পছন্দ করে।

থাইল্যান্ড
সারা বিশ্বেই থাইল্যান্ডের খাবার বিখ্যাত। বাংলাদেশের মতো প্রায় সব দেশেই থাই রেস্টুরেন্ট আছে। থাইল্যান্ডে ডিনার ও ব্রেকফাস্টের মধ্যে সেরকম কোনও পার্থক্য থাকে না। দুবেলাতেই তারা একই খাবার খেয়ে থাকে। মূলত মেনুতে থাকে ভাত, মাংস, মাশরুম ও কিছু আঞ্চলিক সবজি। স্টার ফ্রাই, স্যুপ, কারি—এ ধরনের খাবার তৈরি করতেই থাইরা অনেক বেশি পাতা বা হার্ব এবং মরিচ ব্যবহার করে। এর মধ্যে লাল মরিচের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া খাবারকে মসলাদার করতে রান্নায় প্রচুর পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লেমনগ্রাস, পুদিনাপাতা দেয়া হয়। ‘কায়েং তাই প্লা’ নামের সবজি ও শুঁটকি দিয়ে বানানো তরকারিকে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি ঝাল খাবার বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া লাল মরিচের পেস্ট দিয়ে তৈরি মাছ, মাংস বা সবজির বিভিন্ন রেড কারিও বেশ ঝাল হয়ে থাকে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

ঘি না মাখন-কোনটি উপকারী?

ঘি ও মাখন দুটিই জনপ্রিয়। তবে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে ঘিয়ের চেয়ে মাখন খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে দুটি খাবারে পুষ্টি ও খাদ্যগুণের সমান সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই দুগ্ধজাত পণ্য দুটি একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা। ঘি হচ্ছে অপ্রক্রিয়াজাত ফ্যাট। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। মাখনেও ভিটামিন এ থাকে। দুগ্ধজাত এই পণ্য দুটি থেকে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. রান্নায় অনেকেই ঘি ব্যবহার করেন। এছাড়া নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে মাখন ফ্রাই, মাংস রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের ডিপস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

২. দুগ্ধজাত পণ্য দুটির মধ্যে ঘি দুই থেকে তিন মাস ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে মাখন অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হয় এবং বাটার পেপারে ঢেকে রাখতে হয়।

৩. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে বেশি ফ্যাট জমা থাকে। এতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্যাচুরেটেডে ফ্যাট রয়েছে এবং ১০০ গ্রামে ৯০০ ক্যালরির মতো পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মাখনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে তিন গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ৫১ শতাংশ এবং ১০০ গ্রাম মাখনে ৭১৭ কিলো ক্যালরি থাকে।

৪. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে কম পরিমাণে দুগ্ধজাত প্রোটিন থাকে। বাটারে ল্যাকটোজ সুগার এবং প্রোটিন কেসিনও থাকে।

৫. ঘি এবং মাখন উভয়েরই একই রকম পুষ্টিকর সংমিশ্রণ এবং ফ্যাটযুক্ত উপাদান রয়েছে। তবে ঘিয়ে ল্যাকটোজ চিনি এবং প্রোটিন কেসিন থাকে না বললেই চলে।

যেহেতু এসব দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ল্যাকটোজ চিনির উপস্থিতি থাকে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণমতো ঘি বা মাখন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত।

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বাহারি পিঠায় শিল্পকলায় উৎসব

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে দশ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব। চতুর্দশ বারের মতো আয়োজিত এ উৎসবের আজ নবম দিন। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সম্মিলিতভাবে উৎসবটির আয়োজন করেছে। উৎসবটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নানান ধরনের পিঠার সমারোহ নিয়ে ৪৫টি স্টল বসেছে এবার। সব বয়সের দর্শনার্থীর সমাগম দেখা যায় পিঠা উৎসবে। কেউ এসেছে বন্ধুবান্ধব নিয়ে আবার কেউবা এসেছে পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনের সাথে।

পিঠা উৎসব ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী সব পিঠার সমাহার। পরিচিতের মধ্যে ভাপা, পুলি, দুধ পুলি, পোয়া পিঠা তো আছেই। আছে সব মজার-সুস্বাদু ও নজরকাড়া পিঠা। নামগুলোও মনোহর। বিবিখানা, চিকেন কলসি পুলি, আলো ডোবা, মাছ পিঠা, মুগ পাকন, নানখাতা পিঠা, মালাই ঝিনুক, হৃদয় হরণসহ নতুন সব পিঠা আছে উৎসবে।

মাছ পিঠা বানানো হয় রুই মাছের পুর দিয়ে। আলো ডোবা পিঠা দেখতে আলুর মতো, যা রসে ডোবানো হয়।

চিরুনি ঝিনুক পিঠা দেখতে অনেকটা ঝিনুকের মতো, যার মুখে আবার রয়েছে চিরুনির মতো দাঁত। আর হৃদয় হরণ পিঠা দেখতে মানুষের হৃদয়ের মতো। চিকেন কলসি পুলি পিঠা দেখতে অনেকটা কলসির মতো।

পিঠা উৎসবের পাশাপাশি শিল্পকলা প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
লাইফস্টাইল

তিসির বীজের পুষ্টিগুণ

তিসির বীজ বা ফ্ল্যাক্সসিড হল এক প্রকার ফাংশনাল ফুড ৷ এর পুষ্টিগুণের কোনও তুলনা হয় না। দেখতে খয়েরি আর খেতে মচমচে এই বীজে শরীরের জন্য উপকারী লিগন্যানস, ফাইবার, প্রোটিন, আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড বা ওমেগা থ্রির মতো পলিআন স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। অন্যান্য খাবারের চেয়ে ৮০০ গুণ বেশি লিগন্যানস থাকায় এ বীজটিকে সুপারফুড বলা হয়।

এই বীজ থেকে সর্বাধিক উপকার পেতে হলে ফ্ল্যাক্সসিড তেল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া এই বীজ ভিজিয়ে রেখে খেলে বা গুঁড়ো করে খেলে এটি শরীরে তাড়াতাড়ি মিশে যায়। সকালে সিরিয়ালের সঙ্গে বা দই দিয়ে এই বীজ খেলেও উপকার পাওয়া যায়। প্রতি দিন একটু করে তিসির বীজ খেলে আরো যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : তিসির বীজ ডায়েটরি ফাইবার সমৃদ্ধ। এটিতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় দুই ধরনের ফাইবার রয়েছে। দ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং অন্ত্রের টক্সিন বের করতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে এই বীজ হজমক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে : রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তিসির বীজ খুব কার্যকরী। ফ্ল্যাকসিডে অদ্রবণীয় ফাইবারগুলি লিগন্যান দিয়ে তৈরি যা রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে।

হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে : তিসির বীজ অ্যামিনো অ্যাসিড, আর্জিনাইন এবং গ্লুটামাইন দ্বারা সমৃদ্ধ। এসব উপাদান হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে। তিসি বীজ রক্তচাপ কমায়, খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, ধমনীতে কোনও বস্তু জমা হওয়া রোধ করে। এ কারণে এই বীজ পরোক্ষভাবে স্ট্রোক বা হৃদরোগও প্রতিরোধ করে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কম করে : তিসির বীজে লিগন্যান থাকায় এটি কোলন, প্রসটেট, স্তনের ক্যানসার রোধ করে। এর অ্যান্টি অ্যাঞ্জিওজেনিক উপাদান শরীরে টিউমার হতে বাধা দেয়।

স্নায়ুতন্ত্রের জন্য ভালো : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তিসির বীজ স্নায়ুর জন্য উপকারী। এটি স্নায়ু ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।

চুল ও ত্বক সুন্দর রাখে : তিসির বীজের জেল ত্বক এবং চুলের জন্য দারুণ উপকারী। এটি ফ্লেকি বা খসখসে এবং রুক্ষ ত্বকের উপর খুব ভালো কাজ করে। নিয়মিত তিসি খেলে বা তেল লাগালে ত্বক নরম হয়। শুষ্ক স্কাল্প আর্দ্রও করে এই বীজ।

Categories
লাইফস্টাইল

পেটের মেদ ঝরাতে এড়িয়ে চলবেন যেসব খাবার

একবার ওজন বাড়লে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই ওজন কমাতে বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। কেউ কেউ জিমেও যান। কিন্তু এই সব কিছুর আগে নিজের খাওয়া-দাওয়ার উপরে নজর দিতে হবে। যদি পেটে চর্বি জমতে থাকে, কিছুতেই উপকার পাওয়া না যায়, সে ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। যেমন-

১. প্রক্রিয়াজাত মিটহট ডগ, বেকন, সসেজসহ সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত মাংস এড়িয়ে যেতে হবে। এগুলি সবই উচ্চ ক্যালরি সম্পন্ন খাবার। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণও বেশি থাকে। এ কারণে হজম করতে সমস্যা হয়। আর ফ্যাট জমার পরিমাণও বাড়তে শুরু করে।

২. অতিরিক্ত অ্যালকোহল মেদ বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল শরীরে গেলে মৌল বিপাকীয় হার প্রভাবিত হয়। এটি শরীরের মেদ ঝরানোর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে মেদ বাড়তে থাকে।

৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার বিশেষ করে হোয়াইট ব্রেড, হোয়াইট রাইস, সিরিয়াল, স্যুপ, আলুর চিপস, বিস্কুট, কুকিজ বা এই জাতীয় খাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। এসব খাবারে ফাইবার, ভিটামিন থাকে। তবে প্রচুর মাত্রায় চিনি, লবণ , তেল ও ক্যালরিও থাকে। এ কারণে এসব খাবার পরিমাণে বেশি খেলে স্বাভাবিকভাবে শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এর পাশাপাশি কর্ন সিরাপ, সোডা, নানা ধরনের কেক খাওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৪. প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো তেলেভাজা খাবারও শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এগুলি দ্রুত হারে মেদ বাড়ায়। কারণ এই ধরনের খাবারে তেল ও ফ্যাটের পরিমাণ খুব বেশি। তাই হজমেও সমস্যা হয়। অনেক সময়ে বদহজম ও অ্যাসিডিটি দেখা যায়। আর দিনের পর দিন এই ফ্যাট জমা হলে পেটের চর্বি বাড়তে থাকে।

Categories
লাইফস্টাইল

আখরোট কেন খাবেন

হৃৎপিণ্ডের মতো দেখতে এক প্রকার বাদাম জাতীয় ফল আখরোট। স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে এর তুলনা নেই। আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং আয়রন থাকায় এটি অন্যতম সুপারফুডে পরিণত হয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত আখরোট খেলে নানা উপকারিতা পাওয়া যায়।

আখরোট খাওয়ার কোনো নিয়ম নেই। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এই খাবারটি রাখলেই স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে আখরোট খেলে বেশি উপকারিতা মেলে। এজন্য রাতে ২ থেকে ৪ টি আখরোট ভিজিয়ে রেখে সকালে খেতে পারেন। নিয়মিত আখরোট খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

ডায়াবেটিসের জন্য ভালো : অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন আখরোট খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাক। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করে : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আখরোট শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

মানসিক চাপ কমায় : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আখরোট মানসিক চাপ ও হতাশা কমাতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত আখরোট খেলে মুড ভালো থাকে।

ওজন কমায় : আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, কপার ও জিঙ্ক রয়েছে। নিয়মিত আখরোট খেলে বিপাক ভালো হয় যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হতে সাহায্য করে। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে।

ঘুম ভালো করে : আখরোট বিপাকক্রিয়া উন্নত করায় ভালো ঘুমে সাহায্য করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আখরোট খেলে ভালো ঘুম হয়।

হাড় ও দাতেঁর স্বাস্থ্য উন্নত করে : স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকায় আখরোট হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে।

কোলেস্টেরল কমায় : নিয়মিত আখরোট খেলে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। এতে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Categories
লাইফস্টাইল

কাজের মাঝে ফিট থাকবেন কীভাবে

আজকাল অনেক নারীই ঘরের পাশাপাশি বাইরে কাজ করছেন। তবে ব্যস্ততার কারণে অনেকে নিজের যত্ন নেওয়ার সময় পাচ্ছেন না। কিন্তু কাজে টিকে থাকতে হলে শরীর সুস্থ থাকাটা জরুরি। শরীর সুস্থ রাখতে বা ফিটনেস ধরে রাখতে সকালের দিকে শারীরচর্চা সেরে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। প্রথম দিকে সপ্তাহে দু’দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে বেরিয়ে যেতে পারেন। হাঁটতে ভাল না লাগলে, দৌড়নো, সাইক্লিং, সাঁতার কাটার মধ্যে যা পছন্দ সেটাই করতে পারেন। এছাড়াও কাজের মাঝে ফিট থাকতে আরো কিছু অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। যেমন-

১. দীর্ঘ সময় টানা কাজ করতে হলে মাঝে মাঝে সেখানেই স্ট্রেচিং সেরে নিতে পারেন। হাত-পা ঘোরানোর মতো ব্যায়াম করে নেওয়া যায়। ঘাড়ের ব্যায়ামও সেরে নিতে পারেন সহজেই।

২. কোথাও লাইনে অনেকক্ষণ দাঁড়াতে হলে খানিকক্ষণ বাঁ পায়ের উপরে দাঁড়ান, খানিকক্ষণ ডান পায়ের উপরে। এ ভাবে ভারসাম্য রাখলে পায়ের পেশির গঠন মজবুত হবে।

৩. ফোনে কথা বলার সময় বসে না থেকে হাঁটতে-হাঁটতে কথা বলুন।

৪. রান্না করার সময়েও ভাত বসিয়ে বা অন্য রান্না বসিয়ে কয়েকটা ওয়াল পুশআপ বা কাফ স্ট্রেচ সেরে নিতে পারেন।

৫. দাঁত মাজতে মাজতে ১০-১২টা স্কোয়াট করে নিন।

৬. টিভি দেখতে দেখতেও ট্রেডমিলে হেঁটে নিতে পারেন বা প্যাডলিং করে নিতে পারেন। ফ্রি-হ্যান্ড কিছু ব্যায়াম, কাউচ পুশআপস, স্টার জাম্পও করে নেওয়া যায়।

শরীরে ফিটনেস ধরে রাখতে এসব অভ্যাসের পাশাপাশি কিছু টিপস মানতে পারেন। যেমন-

১. একা পরিকল্পনা করলে বেশির ভাগ সময়েই তা আর হয়ে ওঠে না। তাই পাড়ার কোনও বন্ধু বা প্রতিবেশীকে আপনার ফিটনেস রুটিনে সঙ্গে নিতে পারেন। একসঙ্গে মর্নিং ওয়াকে বা দৌড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করুন।

২. প্রতিদিনের রুটিন ডায়েরিতে লিখে রাখুন। আর সেখানেই কখন কী ব্যায়াম করবেন তাও লিখে রাখুন। তা হলে সেটা রিমাইন্ডার হিসেবে কাজ করবে।

৩. কিছু ব্যায়ামের তালিকা তৈরি করে নিন, যেগুলি খালি হাতে বসে বা দাঁড়িয়ে করা যায়। একটু ফাঁক পেলেই হাঁটুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।

৪. বাড়িতে সব সময় বাদাম রাখুন। অফিসে বা বাইরে কোথাও গেলে টিফিন বক্সে করে নিতে পারেন। যেহেতু সারা দিনের পরিশ্রমে অনেকটাই এনার্জি চলে যায়, তাই ক্লান্ত লাগলে তিন-চারটে বাদাম মুখে দিতে পারেন। দুধের মধ্যে বাদামের গুঁড়া মিশিয়েও খেতে পারেন।

Categories
লাইফস্টাইল

কিশমিশ না আঙুর, স্বাস্থ্যের জন্য কোনটা বেশি উপকারী?

কিশমিশ এবং আঙুর দুটির পুষ্টিগুণ আলাদা হয়। তাই কারো জন্য আঙুর ভালো, কারো জন্য আবার কিশমিশ। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে যে, এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো?

আঙুল ফলেরই শুকনো রূপ হচ্ছে কিশমিশ। আঙুরকে রোদে শুকিয়ে কিশমিশ বানানো হয়। বিভিন্ন রান্নায় কিশমিশ ব্যবহৃত হয়। এমনিতেও খাওয়া যায়। পটাশিয়াম, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টিতে ভরপুর কিশমিশ শক্তিবর্ধক হিসেবে পরিচিত।

আঙুর শুকিয়ে এলে এতে চিনির পরিমাণ অনেক ঘন হয়ে যায়। তাই কিশমিশে আঙুরের চেয়ে বেশি চিনি থাকে। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের জন্য এটি ক্ষতিকারক। ফল শুকিয়ে গেলে, তার মধ্যে উপস্থিত যৌগটি ঘন হয়ে যায়। তাই কিশমিশে আঙুরের চেয়ে তিন গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। আর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টিবিদদেরমতে মতে, কিশমিশে আঙুরের চেয়ে বেশি ক্যালরি থাকে। কারণ কিশমিশ আঙুরের চেয়ে বেশি শুকনো হয়, যার ফলে ক্যালরি ঘন হয়ে যায়। তাই, আঙুরের চেয়েও কিশমিশে ক্যালরি বেশি থাকে।

যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য কিশমিশ একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। যদিও কিশমিশে ক্যালরির মাত্রা বেশি থাকে, তারপরও আঙুরের থেকে কিশমিশ বেশি মাত্রায় মেদ ঝরাতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আঙুর ও কিশমিশের মধ্যে কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর তা ব্যক্তি বিশেষের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। যদি কেউ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় তাহলে তার কিশমিশ খাওয়া উচিত। যদি চিনির মাত্রা বেড়ে যাওয়া নিয়ে সমস্যা থাকে, তাহলে আঙুর খাওয়াই ভালো। সূত্র: বোল্ড স্কাই

Categories
লাইফস্টাইল

দিনে এক হাজার ক্যালরি ঝরাবেন যেভাবে

ওজন কমানো খুব সহজ নয়। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, ব্যায়ামই এর জন্য যথেষ্ট নয়।শরীরের ফিটনেস বজায় রাখতে অনেক ধরনের নিয়ম মেনে চলা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে এক হাজার ক্যালরি ঝরাতে পারলে ওজন কমাতে তা বেশ কাজে দেয়। এজন্য কিছু বিষয় অনুসরণ কর পারেন। যেমন-

১. ক্যালরি ঝরানোর প্রথম শর্তই হচ্ছে পর্যাপ্ত ঘুম। যদি কারো ঘুম ভালো না হয় তাহলে তার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে না, শরীরও সুস্থ বোধ করেন না। ক্যালরি ঝরাতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম জরুরি।

২. ওজন কমাতে অনেকেই ট্রেডমিল ব্যবহার করেন। দিনে ৬০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌড়ালে ১ হাজার ক্যালরি পোড়ে। এতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. ওজন কমাতে চাইলে সাইকেল চালাতে পারেন। প্রতিদিন সকাল বা সন্ধ্যায় ৩০ মিনিট করে সাইকেল চালালে ক্যালরি ঝরবে। এটি ওজন কমানোর জন্য কার্যকরীও হবে।

৪. হালকা গরম পানি খেলে তা ওজন কমাতে বেশ কাজ করে। ওজন কমাতে দিনে অন্তত পাঁচ লিটার করে পানি পানের চেষ্টা করুন। এটি আপনার ক্ষুধা কমাবে এবং ফিটনেস ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

৫. ভারোত্তোলনও ক্যালরি ঝরাতে সাহায্য করে। ওজন ঝরাতে চাইলে নিয়মিত ভারোত্তোলনের অভ্যাস করতে পারেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া