Categories
লাইফস্টাইল

শীতে কি দই খাওয়া ভালো?

প্রকৃতিতে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরে এবং রাতের দিকে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়। শীতকাল মানে নানা ধরনের রমুখরোচক খাবার খাওয়ার দিন। তবে এটা মনে রাখা দরকার, এ সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া ঠিক নয়।

দই অনেকেরই পছন্দের একটি খাবার। বিশেষ করে গরমের সময় অনেকেই খাওয়ার পর একটু দই খেতে ভালোবাসেন। তবে এটি তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা খাবার হওয়ায় অনেকেই শীতকালে দই এড়িয়ে চলেন। সাধারণভাবে মনে করা হয়, শীতকালে দই খেলে ঠান্ডা লাগা এবং গলাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসলেই এ ধারণাটি কতটা ঠিক?

আয়ুর্বেদ চিকিৎসা যা বলছে

আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুসারে, শীতকালে দই না খাওয়াই ভালো। কারণ দই আমাদের গ্ল্যান্ড নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মিউকাস নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের শীতকালে মোটেও দই খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া যাদের সাইনাস এবং সর্দি-কাশির সমস্যা আছে তারা শীতকালে দই এড়িয়ে চলুন। আয়ুর্বেদের পরামর্শ অনুসারে শীতের রাতে কখনোই দই খাওয়া ঠিক নয়।

বিজ্ঞান কী বলছে

দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভলো ভ্যাকটেরিয়া থাকায় এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে। দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি১২ এবং ফসফরাস আছে। বিজ্ঞানের ভাষায়, শীতকালে দই খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকলে বিকেল ৫টার পর দই খেতে বারণ করছেন বিজ্ঞানীরাও। কারণ এর ফলে মিউকাস বৃদ্ধি পেয়ে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।

অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি সর্দি-কাশিতে নিরাময়ে বেশ কার্যকরী। কিন্তু সেক্ষেত্রে দই ঘরের তাপমাত্রায় রেখে খাওয়া উচিত। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা দই খাওয়া ঠিক নয়। এছাড়া এ সময়ে সর্দি এবং জ্বরে আক্রান্ত হলে দই খাওয়া ঠিক নয়।

Categories
লাইফস্টাইল

এই সময়ে আমলকী খাওয়া জরুরি যেসব কারণে

আমলকী ঔষধি গুণে ভরপুর একটি ফল। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এই ফলের নানাবিধ ব্যবহার দেখা যায়। চুলের বৃদ্ধি, রুক্ষতা কমানো, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, পেটের সমস্যা দূর করতে, শরীরে সতেজ ভাব ফিরিয়ে আনতে আমলকীর জুড়ি নেই।

শীতকালে অনেকেরই সর্দি-কাশির প্রবণতা বাড়ে। এ সময় আমলকী খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এছাড়াও শীতের সময় আমলকী খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : আমলকীতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় বিপাকের হার বাড়াতে সাহায্য করে। ভাইরাল এবং ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণের জন্য সর্দি কাশির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে এসব উপাদান। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে : প্রচুর পরিমাণে ক্রোমিয়াম থাকায় আমলকী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ কারণে নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি দিনের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি রাখতে পারেন।

ভিটামিন সি-তে ভরপুর : কমলার চেয়ে আট গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে আমলকীতে। এছাড়া বেদানার চেয়ে ১৭ গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাওয়া যায় এই ফলে। এক গ্লাস পানিতে দু চামচ আমলকী পাউডার, দু’চামচ মধু দিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে আরাম পাওয়া যায়। যারা শীতে এই সমস্যায় বেশি ভোগেন তারা দিনে তিন-চারবার এই মিশ্রণটি খেতে পারেন।

চুল এবং ত্বকের স্বাস্থ্য মজবুত রাখে : অসময়ে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতে সহায়তা করে আমলকী। এছাড়া চুলের গোড়া মজবুত করতে, খুশকি দূর করতে এবং ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া কমাতেও সাহায্য করে আমলকী।

হজম শক্তি বাড়ায় : আমলকী বিপাকে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বদ হজম এবং অ্যাসিডিটিতেও খুব কাজে দেয় এই ফলটি। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Categories
লাইফস্টাইল

খালি পেটে চার খাবারে সর্বনাশ!

বেশিরভাগ লোকজন ওজন কমানোর জন্যে ডায়েটকেই বেছে নেন। দিনের শুরুতে আপনি কি খাচ্ছেন তার ওপরেও এটা অনেকটা নির্ভর করে। খালি পেটে কিছু খাবার খেলে অ্যাসিডিটি এবং জ্বালা হতে পারে।

একই সঙ্গে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা আপনার ওজন কমানোর স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে। আসুন জেনে নেই কী কী জিনিস কখনো খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়-

টক ফল

কখনো খালি পেটে টক ফল খাবেন না। এর ফলে শরীরে প্রচুর অ্যাসিড তৈরি হয়। কারণ টকজাতীয় ফলে প্রচুর অ্যাসিড থাকে। এতে পেট ও বুক জ্বালাপোড়া করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়। খালি পেটে টক ফল খেলে আপনার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পরিবর্তে কিসমিস বা ভেজানো বাদাম খেয়ে দিনটি শুরু করা যেতে পারে।

সফট ড্রিঙ্ক

সোডা বা কোনো সফট ড্রিঙ্কস খালি পেটে পান করা উচিত নয়। যদিও এই পানীয়গুলো স্বাস্থ্যের পক্ষে একেবারেই ভালো না। তবে খালি পেটে এগুলো আরো ক্ষতিকর।

খালি পেটে এগুলি পান করলে গ্যাস বাড়ে এবং বমি বমি ভাব দেখা দেয়। এর পাশাপাশি স্থূলতা বাড়ে। পরিবর্তে খালি পেটে লেবু পান করুন। এটি ওজন হ্রাসেও সহায়ক।

মশলাদার খাবার

খালি পেট থাকার পরে প্রাতঃরাশে মশলাদার খাবার খেলে আপনার পেটে জ্বালা করতে পারে। মশলাদার খাবার খেয়ে পেটে অম্বলও হতে পারে। প্রাতঃরাশ সবসময় হালকা এবং সহজ হওয়া উচিত।

কোল্ড ড্রিঙ্কস

কোনো ভাবেই আপনার দিন কোল্ড ড্রিঙ্কস দিয়ে শুরু করা উচিত নয়। কোল্ড কফি বা আইস টি পান করা আপনার হজম ক্ষমতাকে কমিয়ে দিতে পারে। পরিবর্তে হালকা গরম পানি, লেবু বা আদা চা নিন। এই তিনটি জিনিস ওজন কমানোর পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে।

আরও পড়ুন : কাশি হলে যে ৫টি সহজ ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ করবেন

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
লাইফস্টাইল

কাশি হলে যে ৫টি সহজ ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ করবেন

সাধারত কাশি স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ নয়। এটি একটি স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক ক্রিয়া যা শ্বাসনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত অস্থায়ী। তবে একটানা কাশি হলে বিরক্তিকর হতে পারে। এটি অ্যালার্জেন, ধুলা, ধোঁয়া বা দূষণের কারণে ঘটতে পারে যা শীতের সময় আরও খারাপ আকার ধারণ করতে পারে। যদি আপনিও এমন সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে স্বস্তির জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার ব্যবহার করতে পারেন। কিছু ঘরোয়া প্রতিকার শ্বাসনালী পরিষ্কার করার জন্য বেশ কার্যকরী, এতে শ্বাস প্রশ্বাস সহজ হয়। তবে সমস্যাটি যদি দীর্ঘদিন ধরে থেকে যায় তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রকাশ করেছে ৫টি প্রাকৃতিক প্রতিকার যা কাশির বন্ধ করতে সাহায্য করবে।

মধু
মধু হলো সর্দি এবং কাশির জন্য একটি পরীক্ষিত ঘরোয়া প্রতিকার। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গেছে যে, সর্দি এবং কাশি নিরাময়ের জন্য ওষুধের চেয়ে মধু ভালো। ভেষজ চা বা হালকা গরম পানি এবং লেবুর রসে ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন দুইবার পান করলে উপকার পাবেন।

লবণ-পানির গার্গল
লবণ-পানির গার্গলে গলার খুশখুশে ভাব কমে এবং এটি শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে পারে। ১ কাপ হালকা গরম পানিতে ১/৪ চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে একাধিকবার এটি দিয়ে গার্গেল করুন। এই প্রতিকারটি শিশুর জন্য নয় কারণ তারা ঠিকমতো গার্গল করতে সক্ষম না হতে পারে এবং লবণের পানি গিলে ফেলতে পারে।

আদা
আদা কাশির সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে। আদা চা বা মধু এবং কালো মরিচের সাথে আদার রস খাওয়া কাশি নিরাময়ের অন্যতম কার্যকরী প্রতিকারঅ তবে বেশি আদা চা পান করবেন না কারণ এটি পাকস্থলীর সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

তুলসি পাতা
তুলসি পাতায় মেন্থল নামক একটি যৌগ থাকে যা কাশি দূর করার কাজে লাগে। এটি গলা ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এছাড়াও, তুলসি পাতা শ্লেষ্মা কমাতে সাহায্য করতে পারে। সমস্যা কমানোর জন্য দিনে ২-৩ বার গোল মরিচের চা পান করা সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। অ্যারোমাথেরাপি হিসাবে তুলসি পাতার তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

ইউক্যালিপটাস তেল
ইউক্যালিপটাসের তেল নিশ্বাস পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নারিকেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল মিশিয়ে বুকে এবং গলায় ঘষুন। ইউক্যালিপটাস পানিতে মিশিয়ে ভাপ নেয়ার চেষ্টাও করতে পারেন। এক বাটি গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল যোগ করুন এবং ভাপ নিন। নিঃশ্বাস পরিষ্কার হবে। দূর হবে কাশিও।

Categories
লাইফস্টাইল

এই সময়ে হাতের যত্ন নেবেন যেভাবে

প্রকৃতিতে এরই মধ্যে হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে অনেকেরই ত্বকে রুক্ষ ভাব দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির কারণে ঘর থেকে বের হলে কিংবা ঘরে থেকেও বারবার হাত ধুতে হচ্ছে বা স্যানিটাইজার লাগাতে হচ্ছে। এ কারণেও হাতের ত্বক খসখসে হয়ে যাচ্ছে। সারাদিনে কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় হাতের। কিন্তু হাতের যত্নের ব্যাপারে কাউকে ততটা মনোযোগী হতে দেখা যায় না। এ কারণে শীতের সময়ে হাতের যত্ন নেওয়া বেশি জরুরি। এই সময়ে হাতের যত্ন নিতে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

১. হাত ভালো রাখতে মুসুর ডাল ব্যবহার করতে পারেন । তিন চামচ মুসুরের ডাল বেটে নিন। এরপর তার সঙ্গে ২ চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। ৩০ মিনিট হাতে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

২. মধু, লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে ২০ মিনিট হাতে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাত নরম থাকে।

৩. হাতের কাজ শেষ হলে তিন চামচ চালের গুঁড়া, ২ চামচ গ্লিসারিন আর মধু দিয়ে প্যাক বানান। ১৫ মিনিট হাতে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এরপর অন্তত ২ ঘণ্টা সাবান ব্যবহার করবেন না।

৪. প্রতিদিন বাসনপত্র পরিষ্কার কিংবা কাপড় কাচার কারণে হাত অনেকটাই শুষ্ক হয়ে যায়। এ কারণে খুব ক্ষারযুক্ত কোনো সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। থালা-বাসন পরিষ্কারের সময় গ্লাভস পরার অভ্যাস করুন।

৫. নিয়মিত হাতের ব্যায়াম করুন। পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

Categories
লাইফস্টাইল

চুলের গোড়া শক্ত ও বৃদ্ধিতে করণীয়

নিয়মিত ম্যাসাজ করুন চুলের গোড়া। এটি বাড়াবে চুলের বৃদ্ধি। রাতে ঘুমানর আগে শুকনো চুলের গোড়া ম্যাসাজ করতে পারেন দশ মিনিট। এরপর উল্টো দিক থেকে আঁচড়ে নিন। হেয়ার প্যাক অথবা গরম তেল দিয়েও গোসলের আগে খানিকক্ষণ ম্যাসাজ করুন চুলের গোড়া।

চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করতে চাইলে নারকেল তেল ভীষণ জরুরি। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন চুলে।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে চাইলে ডায়েট চার্টে রাখুন ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার। তেলযুক্ত মাছ ও বাদামে মিলবে ওমেগা। তবে সাপ্লিমেন্টারি খেতে চাইলে আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

খাবার তালিকায় রাখুন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। ওজন ও বয়স অনুযায়ী প্রতিদিন আমাদের ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
ধূমপানের অভ্যাস থাকলে সেটি ত্যাগ করুন আজই।

নিয়মিত চুলের আগা ছেঁটে ফেলুন। দীর্ঘদিন আগা না ছাঁটলে চুল বাড়ে না সহজে।

চুল ভালো রাখার জন্য সঠিক ডায়েট প্ল্যান জরুরি। ভিটামিনযুক্ত খাবার খান প্রতিদিন। ভিটামিন এ, বি, সি, বায়োটিন, জিঙ্ক ও আয়রনযুক্ত খাবার খান।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

মাস্ক পরে ব্যায়াম? ডেকে আনছেন যেসব বিপদ

বিশ্বজোড়া করোনার ত্রাস এখনও কমার নাম নেই। গোটা পৃথিবীতেই মানুষ সংক্রমণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছেন। মুখে মাস্ক পরে বেরোনো এখন দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ।

কিন্তু সম্প্রতি সেই ফেস মাস্কেরই একটি বিপজ্জনক দিক উঠে এসেছে সামনে। মাস্ক পরে জগিং করতে করতে আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এক ব্যক্তি। প্রচণ্ড বুকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায় মুখে মাস্ক থাকা অবস্থায় শারীরিক পরিশ্রমের ধকল নিতে পারেনি ওই ব্যক্তির ফুসফুস।

আসলে সংক্রমণ রুখতে মাস্ক যত কার্যকরই হোক, অন্তত ব্যায়াম বা অন্য কোনও শারীরিক কসরত করার সময় তা থেকে দূরে থাকতেই হবে। নিজের নিরাপত্তার জন্যই জগিং বা ব্যায়ামের সময় কখনও মাস্ক পরবেন না।

যদি নিজের বাড়িতেই ব্যায়াম করেন, মাস্ক পরার এমনিতেই প্রয়োজন নেই। আর লকডাউন উঠে যাওয়ার পর যদি পার্কে যান, তা হলে খেয়াল রাখবেন যেন আপনার থেকে বাকি ব্যক্তিদের দূরত্ব অন্তত ছ’ ফুট হয়। এই দূর‍ত্ব বজায় রেখে দৌড়োলে বা ব্যায়াম করলে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় নেই।

ব্যায়ামের সময় কেন মাস্ক পরবেন না
মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় ব্যায়াম করার মধ্যে অনেক ঝুঁকি রয়েছে। ব্যায়াম, বা যে কোনও শারীরিক কসরত করার সময় আমরা ফুসফুসে বাতাস বেশি টানি, ফুসফুসকেও অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। মুখে মাস্ক থাকলে ফুসফুসে বাতাস ঢোকার পথে একটা বাধার সৃষ্টি হয়, যার ফলে আপনি একটুতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন, হাঁফিয়ে যান। তা ছাড়া একটানা অনেকক্ষণ মাস্ক পরে থাকলে তা ঘামে ভিজে গিয়ে একটা অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়।

কখন মাস্ক পরতেই হবে
আউটডোর ব্যায়াম করতে চান অথচ মাস্ক ছাড়া স্বস্তিবোধ করছেন না? আপনার হাঁপানি বা হার্টের সমস্যা থাকলে কিন্তু একেবারেই মাস্ক পরে ব্যায়াম করা চলবে না। এমনিতে যাঁরা সুস্থ, তাঁরাও মাস্ক পরে কোনওরকম ভারী এক্সারসাইজ করা থেকে বিরত থাকুন। জোর করে ব্যায়াম চালিয়ে যাবেন না, একটু ক্লান্ত লাগলেই থামিয়ে দিন।

আরও পড়ুন- ‘ভালো মানুষ’ হওয়া সম্ভব?

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
লাইফস্টাইল

করোনার পর স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি ফেরাতে যা করবেন

যে কোনও ভাইরাস আক্রমণের পর পরই মুখের স্বাদ নষ্ট হয়। সেরে উঠলেও মুখের স্বাদ ফিরতে বেশ কিছুদিন সময় লাগে। এখন অন্য ভাইরাসের পাশাপাশি করোনাও আক্রমণ করছে শ্বাসযন্ত্রে। এজন্য অনেকে সেরে উঠলেও স্বাদ আর ঘ্রাণের অনুভূতি হারাচ্ছেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব কোষ ঘ্রাণশক্তিকে সক্রিয় রাখে করোনাভাইরাস সেই কোষকেই আক্রমণ করে। এসব কোষ তখন শরীরের অন্য সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যে কারণে ঘ্রাণ কোষ আর কাজ করে না। কোনও জিনিসের ঘ্রাণ পলেও সেই সংকেত মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছায় না।

করোনা আক্রান্তদের জ্বর বা সর্দি খুব বেশি না থাকলেও দেখা যাচ্ছে আক্রান্ত হবার পাঁচ দিনের মাথায় তাদের স্বাদ আর গন্ধের অনুভূতি হারিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যেটাকে বলা হয় ‘অ্যানোস্মিয়া’। মাত্র ১৬ শতাংশের ক্ষেত্রে করোনা থেকে সেরে যাওয়ার পরও অনেকের ফিরছে না ঘ্রাণশক্তি। কেউ কেউ আবার একটি গন্ধের সঙ্গে অন্য গন্ধকে গুলিয়ে ফেলছেন । এছাড়াও যাদের কোনও শারীরিক সমস্যা থাকছে না তাদেরও ক্লান্তি কাটতে আর মুখের স্বাদ ফিরতে বেশ সময় লাগছে। যারা এমন সমস্যায় ভূগছেন তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়াও স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি ফেরাতে করোনামুক্ত হয়ে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

রসুন : রসুনের নিজস্ব একটা গন্ধ আছে। এছাড়াও স্বাদ ফেরাতে এটি খুবই উপকারী। ২ থেকে ৩ কোয়া রসুন পানিতে ফেলে গরম করুন। একটু ঠান্ডা করে খেয়ে নিন। এই ভাবে নিয়মিত দুবার খান। এতে ঘ্রাণকোষ ঠিকমতো কাজ করবে আর অল্পদিনের মধ্যে স্বাদও ফিরবে।

লেবু : লেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও এর গন্ধ খুব কড়া। ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে লেবু। আর তাই লেবু খেলে বন্ধ নাক খোলা, সর্দি কফ দূর করার ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়। করোনা আক্রান্তরা যদি প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবু আর মধু দিয়ে খেতে পারেন তাহলে উপকার পাবেন। এটা একটানা বেশ কিছুদিন খেতে হবে। সেই সঙ্গে ভাত বা রুটির সঙ্গেও লেবুর আচার খান। লেবুর আচার না পেলেও অন্য যে কোনও আচার খেতে পারেন। এতেও রুচি ফিরবে।

পুদিনা : পুদিনার বেশ সুন্দর একটি গন্ধ রয়েছে। এই গন্ধ মন আর শরীরকে ফুরফুরে করে। সেই সঙ্গে স্নায়ুকে শান্ত রাখে। এই পাতা স্বাদ ফেরাতেও সাহায্য করে। চা বানানোর সময় পানির মধ্যে চা পাতার সঙ্গে কিছু পুদিনা পাতাও দিয়ে দিতে পারেন। এরপর ছেঁকে নিয়ে খান। এতে স্বাদ, গন্ধ দুটোই ফিরবে। গ্রিন টিয়ের মধ্যে দিতে পারলে আরও ভালো।

ভাপ নিন : একটি পাতিল বা বড় মুখ কোনও পাত্রে পানি গরম করুন। পানিটা ফুটে উঠলে নামিয়ে মাথা কাপড় দিয়ে ঢেকে ভাপ নিন। মুখ খুলে ভালোভাবে শ্বাস নিয়ে নাক দিয়ে ছাড়ুন। এভাবে বেশ কয়েকবার করুন। এতে নাকে-বুকে আটকা ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে ভালো করে শ্বাসও নিতে পারবেন। জমে থাকা কফ, সর্দি দূর হলেই গন্ধের অনুভূতি ফিরে আসবে। প্রতিদিন সকালে এটা করলে উপকার পাওয়া যাবে। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।

হালকা গরম পানি খান : যত বারই পানি খাবেন একদম ঠান্ডা না খেয়ে হালকা গরম পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে কখনই খুব গরম পানি খাওয়া ঠিক নয়। দিনে অন্তত দুবার হলেও গরম পানি খান। এতেও উপকার পাওয়া যাবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রকৃতিতে হালকা শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে সূর্যের তেজ থাকায় দিনের বেলায় বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। ঋতু বদলের এই সময়তে জ্বর, সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। পাশাপাশি করোনার আতঙ্ক তো রয়েছেই। এই সময়ে সর্দি-কাশি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে বাঁচতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন। যেমন-

১. শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে খুব সহজে কোনও ভাইরাসই আক্রমণ করতে পারবে না। এজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। শীত কালে পানি খাওয়ার তৃষ্ণা কমলেও শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। এছাড়া সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে পানির পাশাপাশি স্যুপ, ডাব, হারবাল চা খেতে পারেন।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। এটি শরীরে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে যা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। করোনাকালে তাই জিংক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। এই উপাদান ফ্লু ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং এর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। দুগ্ধজাত খাবার, ছোলা, বাদাম, মুসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে জিংক উপাদান রয়েছে। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জিংকের সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন।

৩. রসুন, আদা, হলুদে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যেকোন ধরনের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া চিনি ছাড়া লিকার চা, গ্রিন টি, আদা এবং হলুদ দেওয়া চা-ও এই সময় খুব উপকারী। চিনির বদলে চায়ে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এতে উপকার পাবেন। এছাড়া তুলসি পাতা ও লেবু দিয়েও চা বানিয়ে খেতে পারেন। তুলসি পাতা ও মধু একসঙ্গে খেলেও সর্দি-কাশির নিরাময় হয়।

৪. সর্দি-কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে মুক্তি পেতে লবণ পানি দিয়ে কুলিকুচি করুন। পাশাপাশি ভাপও নিতে পারেন। গরম পানির ভাপ নিলে সর্দি উপশম হয়। সেই সঙ্গে ফুসফুসও সচল রাখতে সহায়তা করে।

৫. ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং দ্রুত ফ্লু থেকে মুক্তি পেতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি।

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

সুস্থ থাকার সহজ কিছু উপায়

সুস্থ থাকার সহজ কিছু উপায়
ভেজাল বা বাইরের অধিকাংশ খাবারগুলোতে সাধারণত পুরোনো তেল ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। বাইরের খাবারে যে রঙ ব্যবহার করা যায় তার দাম খুব বেশি হওয়ায় বাইরের অধিকাংশ খাবারে টেক্সটাইলের রঙ ব্যবহার করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে এ ধরণের খাবার খেলে লিভার, কিডনি, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অচলসহ ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসম্মত জায়গায় যদি খাবার তৈরি না করা হয় সেটাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খোলা তেল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার অপরিচ্ছন্নতার কারণে বাইরের খাবার খাওয়ার কারণে অনেক সময় টাইফয়েড, আমাশয়, ডায়রিয়া থেকে শুরু করে খাদ্য এবং পানি-বাহিত যেকোনো রোগের কারণ হতে পারে এসব খাবার।

চিকিৎসকরা বলছেন, এসব খাবার খেয়ে শিশুরা পেটের পীড়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় দীর্ঘ মেয়াদে কিডনির জটিল রোগ, লিভার সিরোসিস, এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে।

প্রতিকারে প্রয়োজনঃ
যতটা সম্ভব বাইরের খোলা খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। বাইরের মুখরোচক খাবার সম্পর্কে পুষ্টি বিজ্ঞানীরা জানান, বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়া দরকার। তা না হলে আজকের শিশু দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই ঘরে তৈরি খাবারে শিশুদের অভ্যস্ত করতে হবে।
কখনও জেনে, কখনও না জেনে আমরা অনিরাপদ খাবার খাচ্ছি। নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়েরই সমান দায়িত্ব।

ইদানিং পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও বাজার করার দায়িত্বটি পালন করছে। এ ক্ষেত্রে কোনটাতে ফরমালিন আছে, কোনটাতে নেই এবং কীভাবে বোঝা যাবে এ জ্ঞানটুকু রাখতে হবে। কেনাকাটার পর ফলমূল, মাছ-তরকারি থেকে কীভাবে বিষাক্ত কেমিক্যাল দূর করা যায় তার জন্য নারীদেরই সচেতন হতে হবে।

আমরা অনেক সময় ফ্রিজে খাবার রেখে দিয়ে পরে খাই। এতে কখনও কখনও ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়ে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারপর রান্না-বান্না করার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট তাপমাত্রার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ যে কোনো ধরণের খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।

আরও পড়ুন- গর্ভবতী হতে মেনে চলুন সাতটি ধাপ

সুস্বাস্থ্যের জন্য কেমিক্যালযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। সচেতনতার বিকল্প নেই। এক সময় পুষ্টি সম্পর্কে মানুষ ততটা সচেতন ছিল না। এখন গ্রামের মানুষও পুষ্টি সম্পর্কে জানে।

সে ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে দেশের গণমাধ্যমগুলো আরও বেশি মানুষকে সচেতন করতে পারে। বিক্রেতার আচরণ পাল্টাতে হবে, সচেতন করে এবং নিরাপদ খাদ্য আইনের সংস্কার করে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। তাদের কোনোভাবে নিবন্ধিত করে মান তদারকি করা যায় কি-না ভাবতে হবে।

স্বাস্থ্যই সুস্থতা, আর সুস্থ থাকার সহজ উপায় সচেতন থাকা, আমাদের সচেতন হবার চেষ্টা করতে হবে এবং অন্যদেরও স্বাস্থ্য সচেতনতায় উৎসাহিত করতে হবে।

আরও পড়ুন- সুস্থ শারীরিক সম্পর্কে দূর হয় মাইগ্রেন, বলছে গবেষণা

ভয়েস টিভি/ডিএইচ