Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

ছেলেদের যেসব গুণ পছন্দ করে মেয়েরা

প্রেমের প্রথম ধাপ হলো আকর্ষণ। আপনি যদি তার প্রতি আকর্ষণ অনুভব না করেন, তাহলে সেটিকে প্রেম বলা যায় না। আর যদি ঘটনাচক্রে প্রেম হয়েও যায়, তাহলে সেই সম্পর্ক বেশি দিন টেকে না। মেয়েদের কিছু গুণ দেখে ছেলেরা যেমন আকর্ষণ অনুভব করে, ঠিক তেমনি ছেলেদেরও কিছু গুণ আছে যা মেয়েরা পছন্দ করে। চলুন দেখে নিই ছেলেদের কোন গুণগুলো মেয়েদের আকর্ষণ করে।

হাসি
মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে হাসি। এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস এবং সৌজন্যতা প্রকাশ পায়। মুখে কিছু না বলেও সুন্দর হাসি দিয়ে অনেক কিছু প্রকাশ করা যায়।

সত্যবাদিতা
কেউ প্রশ্ন করলে, আমরা কোনো কিছু না ভেবেই সত্য উত্তর দিই। সব সময় সত্য বলাটা শুধুমাত্র ভালোলাগা বা শ্রদ্ধা পাওয়ারই বিষয় নয়, বরং আকর্ষণীয়ও। মেয়েরা সোজা উত্তর পছন্দ করে।

কেয়ারিং দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিচ্ছন্নতা
বাহ্যিক সৌন্দর্য সঙ্গীকে যতটা আকর্ষণ করে, তার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণ করে তার প্রতি আপনার কেয়ারিং দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়া ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করে পরিপাটি উপস্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়।

অন্যকে গুরুত্ব দেওয়া
সবার কথা মন দিয়ে শোনা, প্রয়োজনীয় তারিখ এবং বিভিন্ন ইভেন্ট নোটবুকে লিখে রাখা। নির্দিষ্ট দিনে তাকে কাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়া অথবা শুভেচ্ছা জানানোও আকর্ষণীয় করার একটি কৌশল।

আই কনটাক্ট
গায়ের রং যেমনই হোক, চোখ কিন্তু সব মানুষেরই সুন্দর। চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বললে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

অন্তর্মুখীতা
নারীরা মনে করেন অন্তর্মুখী লোকদের সঙ্গে সম্পর্ক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে বর্হিমুখী লোকেরা অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চান। নারীরা এটা বেশ বুঝতে পারেন। তাই বন্ধু হিসেবে এমন ছেলে পছন্দ করলেও জীবনসঙ্গীর বেলায় নারীরা এটা মাথায় রাখেন।

ভালো শ্রোতা
অনেকেই আছেন যারা ভালো শ্রোতা নন। কেবল নিজের কথাই বলতে ভালোবোসেন। মেয়েরা চান তাদের কথা প্রিয় মানুষটি মনোযোগ দিয়ে শুনবে। তাই ভালো শ্রোতা না হলে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

কখন পানি পান করা দেহের জন্যে ভালো

আমাদের শরীরে প্রায় তিন শতাংশের দুই শতাংশই পানি। সুস্থভাবে বাঁচতে হলে চাহিদামাফিক পানি পানের বিকল্প নেই।

কিন্তু, শরীরে সুস্থ রাখতে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি পান করা উচিত। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা মতে কোন সময়ে পানি পান সবচেয়ে ভালো, আসুন তা জেনে নিন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীরের জন্য খুবই উপকারী। পানি পানের ফলে শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গ সক্রিয় হয়।

দুপুর ও রাতের খাবারের অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করা ভালো। দুপুর ও রাতের খাবারের সময়ে পানি পান করতে ভুলবেন না। যখনই আপনার পিপাসা অনুভব করবেন তখনই পানি পান করবেন।

গোসল করার আগে এক গ্লাস পানি পান করলে উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। খাবারের অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করতে হবে। এতে হজমশক্তি ভালো হবে।

এছাড়া পানি কম পান করার কারণে অনেকের ইউরিন ইনফেকশন এবং কিডনির জটিলতা বাড়ে। তাই চাহিদামাফিক পানি পান করা উচিত।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি!

মানুষের সুস্থতার জন্য  ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে বিশ্বজুড়ে নানা গবেষণা হয়েছে। চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও দ্রুত হয়ে থাকে।

এদিকে বিশ্বে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। আর তাই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দরকার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো।

আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রমতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি অনুসরণ একটি কার্যকর উপায় হতে পারে। যা ঘরোয়া পদ্ধতিতে কার্যকর হয়ে উঠে।

ভেষজ চা
নিজেকে সতেজ রাখতে আমরা চা পান করি। দীর্ঘসময় টানা কাজ করার ফলে শরীরে যে ক্লান্তি আসে, তা এই পানীয় দূর করতে সাহায্য করে থাকে। চায়ে শুধু ক্লান্তিই দূর হয় না, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

বিভিন্ন মসলা, ভেষজ ও ফল দিয়ে তৈরি করা ভেষজ চা নিয়মিত পান করলে তা থেকে আমরা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন পেতে পারি। এগুলো ওজন কমাতে, ডিটক্সিফিকেশন এবং হজমে সহায়তা করে থাকে। তুলসি, পুদিনা, আদা, লেবু, মধু ইত্যাদি ব্যবহার করে এ ভেষজ চা তৈরি করা হয়। ভেষজ চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে থাকে ।

হলুদ মেশানো দুধ
হলুদের গুঁড়া বা শিকড় দিয়ে সিদ্ধ এক কাপ দুধ শুধু ভালো ঘুমের জন্যই সাহায্য করে না, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্যও বিস্ময়কর কাজ করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি পান করা ক্লান্তি কমাতে পারে, পাশাপাশি গলা চুলকানি প্রশমিত করতেও সাহায্য করে। আমাদের শরীরে যেসব রোগ জীবাণু সংক্রমণ ঘটায় সেগুলো ধ্বংস করতে সাহায্য করে। হলুদে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা শরীরের প্রদাহ প্রতিরোধ করতে পারে এবং আমাদের মস্তিষ্ককে ভালো রাখতেও সাহায্য করে। ১৫০ গ্রাম গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে খাওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে থাকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র।

চবনপ্রাশ
প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ চবনপ্রাশ অন্যতম জনপ্রিয় একটি আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ। সুস্বাস্থ্য গড়ে তুলতে যুগ যুগ ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে। সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যা থেকে বাঁচতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চবনপ্রাশ খাওয়ার কথা আজও বলেন বাড়ির বয়স্ক মানুষরা। এর মধ্যে থাকা ভেষজ উপাদানগুলি সর্দি, কাশি, ঠান্ডা লাগার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। চবনপ্রাশ আয়ুর্বেদিক ওষুধের মতো কাজ করে, যা এই অতিমারির সময় শরীর সুস্থ এবং ফিট রাখতে সাহায্য করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণায় দেখেছেন, এতে উপস্থিত পিপ্পলি শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য কার্যকরী। হলুদ মেশানো দুধ অথবা গরম পানির সাথে এক চা চামচ চবনপ্রাশ মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যেসব ফল

নস্য থেরাপি
নস্য থেরাপি হল সংক্রমণ সৃষ্টিকারী ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াগুলো প্রবেশ রোধ করতে নাকের মধ্যে ঘি, তিলের তেল বা নারিকেল তেলের কয়েক ফোঁটা প্রয়োগ করার একটি সহজ কৌশল। এই থেরাপিটি নাক বন্ধ করার জন্য একটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত আয়ুর্বেদিক প্রতিকার। তেল লাগানোর সবচেয়ে ভালো সময় হলো ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বা গোসলের আগে। শুধু নাকের ছিদ্রে দুই ফোঁটা তেল দিতে হবে এবং কয়েক মিনিট শুয়ে থাকতে হবে।

যোগ ব্যায়াম
ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষতা বাড়াতে বিশেষ কার্যকর। আমাদের শরীরে খাদ্যের চেয়ে শ্বাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ, খাদ্য ছাড়াও মানুষ বা অন্যান্য জীব বেশ কিছুদিন বেঁচে থাকতে পারে, কিন্তু কয়েক মিনিট অক্সিজেন বন্ধ থাকলেই জীবন শেষ। নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করার মাধ্যমে আমাদের শরীর ও মন ভালো রাখা সম্ভব। আর করোনার এই মহামারির সময়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করার বিকল্প নেই। শারীরিক ও মানসিক শান্তি লাভ করা এবং রক্তে অক্সিজেন এর পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য যোগ ব্যায়াম করার কথা বলা হয়ে থাকে।

ভয়েসটিভি/আরকে

Categories
লাইফস্টাইল

সর্দি-কাশিতে ভুগছেন? যেভাবে বুঝবেন করোনা না সাধারণ ফ্লু

আবারও শুরু হয়েছে করোনার সংক্রমণ। নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত হারে বাড়ছে। এদিকে শীতকালের এই সময়ে অনেকেরই জ্বর, সর্দি-কাশি কিংবা ফ্লু-এর মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।। সব মিলিয়ে কোনটা সাধারণ ঠান্ডা লাগা, কোনটা ফ্লু, আর কোনটাই বা কোভিড বোঝা মুশ্কিল হযে পড়েছে ।

কোভিড এবং ফ্লুয়ের উপসর্গগুলো অনেকটা একইরকম হওয়ায়, অনেকেই ফ্লু এবং কোভিডের মধ্যে গুলিয়ে ফেলছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি উপসর্গের দিকে নজর দিতে। তাহলেই নিজের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। তবে কোভিড এবং ফ্লু-এর লক্ষণগুলোর তীব্রতা ব্যক্তি বিশেষে পরিবর্তিত হয় হতে পারে।

সর্দি, কাশি, জ্বর, ক্লান্তি- এগুলো কোভিড-১৯ এবং ফ্লুর সাধারণ লক্ষণ। এছাড়াও, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া, ডায়রিয়া, গলা ব্যথা, পেশির ব্যথা এবং ঠান্ডা লাগা উভয় অবস্থারই লক্ষণ, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। তবে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট এবং স্বাদ ও গন্ধ হারানো এই দু’টি লক্ষণ মোটামুটি সাধারণ, কিন্তু ফ্লু-র ক্ষেত্রে এই লক্ষণগুলো দেখা যায় না।

ফ্লুয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয়-

১. জ্বরের পাশাপাশি খুব ঠান্ডা লাগা

২. সর্দি, কাশি, এবং গলায় ব্যথা হওয়া

৩. নাক থেকে অনবরত পানি পড়া

৪. সারা শরীরে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা হওয়া

৫. আলসেমি এবং ক্লান্তির অনুভূতি হওয়া

৬. অনেকের ক্ষেত্রে ডায়রিয়ার সমস্যাও দেখা দেয়

অন্যদিকে কোভিড হলে যেসব উপসর্গগুলো দেখা দেয়-

১. করোনার প্রথম লক্ষণ হল জ্বর হওয়া

২. জ্বরের সাথে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, ক্লান্তিভাব

৩. স্বাদ-গন্ধ চলে যাওয়া

৪. মাথা যন্ত্রণা এবং সারা শরীরে ব্যথা

৫. কারও কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে

৬. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোভিডে আক্রান্ত হলে ত্বকে সংক্রমণ, চুলকানি হওয়া, ত্বক লালচে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়

৭. বুকে ব্যথা অনুভব হতে পারে।

কোভিড-১৯ এবং ফ্লু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল টিকাকরণ। কিন্তু ভাইরাস যেহেতু পরিবর্তিত হতে থাকে, তাই শুধুমাত্র টিকা নেওয়াই ফ্লু বা কোভিডের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয় না। নিরাপদ থাকার জন্য কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নিতে হবে । যেমন-

১. ঘন ঘন হাত ধোওয়া

২. চোখ, নাক, মুখ স্পর্শ না করা

৩. অন্যদের থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা

৪. হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা

৫. অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতে থাকা

৬. ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলা

৭. সব সময় মাস্ক ব্যবহার করা

সূত্র: বোল্ড স্কাই

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

মোজা পরে পায়ে দুর্গন্ধ, সমাধানে যা করবেন

শীতে ঠান্ডার মধ্যে অনেকেই সারা দিন জুতো মোজা পরে থাকেন। তাতে পা-ফাটার সমস্যা কম, শরীর গরমও থাকে। অনেকে বাড়িতে থাকলেও তাই মোজা পরে থাকেন। স্নান করে উঠে পায়ে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে মোজা পরে নিলে পায়ের চামড়াও নরম থাকে। কিন্তু অনেকেই রয়েছেন, যাদের দীর্ঘক্ষণ মোজা পরে থাকলে পায়ে অসম্ভব দুর্গন্ধ হয়। তখন মোজা খোলার সময়ে আর এক বিড়ম্বনা তৈরি হয়। কী ভাবে নিস্তার পাবেন এই সমস্যা থেকে? ছোটখাটো ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে এর সমাধান।

বেকিং সোডা এবং কর্ন ফ্লাওয়ার

বেকিং সোডা জীবাণু দূর করতে দারুণ কাজে দেয়। পায়ে পাউডারের মতো কর্ন ফ্লাওয়ার মিশিয়ে লাগান। সারা দিনের জমে থাকা ঘাম শুষে নিতে সাহায্য করবে।

র-চা

র-চা খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনই পায়ের দুর্গন্ধের জন্য কার্যকর। দু’টো টি ব্যাগ জলে ফুটিয়ে নিন। সেটা আরও কিছু জলে মিশিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পায়ে কোনও রকম ছত্রাকজাত সংক্রমণ হওয়ার সম্ভবনা কমবে।

ল্যাভেন্ডার অয়েল

কয়েক ফোটা ল্যভেন্ডার অয়েল আপনার ফুট ক্রিমে মিশিয়ে পায়ে মাসাজ করুন। সব ক্লান্তি মুছে যাবে এবং পায়ের দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটাই কমবে। ল্যাভেন্ডার ছাড়াও চলতে পারে টি ট্রি অয়েল, লেমন অয়েল, পিপারমেন্ট অয়েলের মতো কিছু এসেনশিয়াল অয়েল।

ভিনেগার

একটা গামলায়ে গরম জল নিন। কয়েক চামচ ভিনেগার এবং সি-সল্ট দিতে পারেন। পা ডুবিয়ে বসে থাকুন মিনিট ২০। পায়ের সব ধকল কেটে যাবে এবং দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটাই মিটবে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বাহারি পিঠায় উৎসবমুখর শিল্পকলা

শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের স্টলে স্টলে পিঠার পসরা সাজিয়ে চলছে বিকিকিনি। বাহারি রঙের সাথে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন ও নকশায় অনন্য হয়ে উঠেছে কনকনে হিমেল শীতের পৌষের সন্ধ্যা। দোকানে বানাচ্ছে বিক্রেতা আর কিনছে ক্রেতারা। আবহমান বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য পিঠাপুলির সাথে সেলফি তুলে পিঠা কেনা ও খাওয়ার দৃশ্যকে স্মৃতিময় করে রাখার চেষ্টাও লক্ষনীয় ছিল শিল্পকলা একাডেমিতে আগত পিঠাপ্রেমীদের মাঝে।

অন্যদিকে মঞ্চ থেকে ভেসে আসছে নৃত্যের ছন্দ ও সুরের মূর্চ্ছনা। নৃত্যের তালে আর গানের সুরে পিঠা কেনা ও খাওয়ায় শিল্পকলা একাডেমিজুড়ে ফুটে উঠেছে চিরচেনা বাঙালি সংস্কৃতির শ্বাশতরূপ। এমন দৃশ্যই দেখা যায় প্রতিদিন শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হওয়া জাতীয় পিঠা উৎসবে। সারাদেশের পিঠাশিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রায় ৫০টি স্টল দিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের উৎসব।

গত ৫ জানুয়ারি শিল্পকলা একাডেমির কফিহাউজের মুক্তমঞ্চ থেকে নানা রঙের বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দশদিনের এই পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এসময় উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের বিভিন্নস্থান থেকে বেলুন পৌষের সাঁঝের আকাশে বেলুন ওড়ান অনুষ্ঠানে আগতরা। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের আয়োজনে পঞ্চদশ আসর এটি। উৎসবের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে পিঠা খাওয়া ও বিকিকিনির পাশাপাশি প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলছে নাচ, গান, আবৃত্তি, অ্যাক্রোবেটিক ও পথনাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা।

পিঠা বাঙালির চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। শীত আর পিঠা একে অপরের পরিপূরক। বাংলার গ্রামের মা, চাচি, খালা, বোন, ভাবিদের চিরায়ত সেই ঐতিহ্য নগরজীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে। আবহমান বাংলার এই ঐতিহ্যকে তুলে ধরার লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় পিঠা উৎসবের আয়োজন করে।

দুধ চিতই, চিতই পিঠা, ভাঁপা পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, নারকেল পিঠা, নকশি পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, পাটিসাপটা, পাতা পিঠা, ক্ষীর কুলি, সুন্দরী পাকান, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, কাটা পিঠা, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কলা পিঠা, খেজুর পিঠা, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিফা, রসফুল পিঠা, সর ভাজা, পুলি পিঠা, পাকান পিঠা, নারকেল জিলাপি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, বিবিখানা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, সেমাই পিঠা, দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ প্রায় শতাধিক রকমের পিঠা দিয়ে সাজানো হয়েছে উৎসবের স্টলগুলো।

১৪ জানুয়ারি শুক্রবার শেষ হবে দশদিনের এই পিঠা উৎসব। সমাপনী আসরে সেরা পাঁচজন পিঠাশিল্পীকে প্রদান করা হবে সম্মাননা।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

এক্স বয়-গার্লফ্রেন্ডকে এড়িয়ে চলতে যা করবেন

এক্স বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ব্রেকআপের পর কষ্ট-দুঃখ কাটিয়ে না উঠতে পেরে হতাশার মধ্যে ডুবে যান কেউ কেউ। তবে, যে সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে, সেখান থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে গিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করাই শ্রেয়।

এক্ষেত্রে এক্স বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডকে এড়িয়ে চলতে যা করবেন-

একদম যোগাযোগ করবেন না
একবারে ব্রেকআপ করে ফেললে তার সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখবেন না। কারণ ব্রেকআপ মানেই আপনি তাকে বাদ দিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন। এরপর কোনো রকম যোগাযোগ আপনি তার সঙ্গে করবেন না। আর যোগাযোগ না করলে আপনি নিজেকে সময় দিতে পারবেন এবং পরে কী করা উচিত, সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বিষয়টা কঠিন হলেও করতে হবে। একটা সময় গিয়ে দেখবেন সব কিছু সহজ হয়ে যাবে।

মেনে নিতে শেখা
ব্রেকআপের পর স্বাভাবিকভাবে খুব হতাশ লাগবে। নিজেকে সময় দিন। জীবনে উত্থান-পতন আসবে- এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু তা আপনাকে ধৈর্য নিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। তাই বলে নিজের ওপর চাপ দেবেন না। নিজেকে সময় দিন। ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে আর অনেক সুযোগ জীবনে তৈরি হবে।

বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন
ব্রেকআপের পর নিজেকে খুব একা লাগতে পারে। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করুন। যার সঙ্গে অনেক দিন দেখা হয়নি এমন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করুন, মজার খাবার খেতে যান। এতে করে ভালো সময় কাটবে। আপনার কারো সঙ্গে ডেট করতে হবে এমন না, তবে চেষ্টা করুন ভালো সময় কাটাতে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর না রাখা
ব্রেকআপের পরেও অনেকে সাবেকের ওপর নজর রাখার চেষ্টা করে। সে কী করছে, কেমন আছে এই বিষয় জানার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি মোটেই গ্রহণযোগ্য না। কারণ যে আপনাকে ছেড়ে গেছে বা আপনি ছেড়ে গেছেন, সে কী করছে তা আপনার দেখার বিষয় না। আপনি নিজের দিকে ফোকাস করুন যেন জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায়।

ব্যায়াম ও খাবারের দিকে নজর দেবেন
ব্যায়াম করলে শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই আপনি ভালো থাকতে পারবেন। অনেক সময় আপনি এর তাৎক্ষণিক উপকারিতা না বুঝলেও আপনি যদি ওয়ার্কআউট করা বন্ধ করে দেন, তবে এরপরে বুঝবেন প্রতিক্রিয়া। এটি হরমোন রিলিজ করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে এনার্জি লেভেল বাড়ে। সেসঙ্গে মন-মেজাজও ফুরফুরে রাখে।

ব্রেকাপের পর সাবেককে ভুলে থাকা সহজ না। তবে, সামনে আগাতে হলে যত দ্রুত ভুলতে পারবেন ততই ভালো। এতে কোনো সময়সীমা নেই। একেকজনের ক্ষেত্রে এ সময় একেকরকম হতে পারে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বিরল পাখি টিমটিমে

টিমটিমে! ছোট্ট, সুন্দর ও অতিচঞ্চল এক জলজ পাখি। যা ছোট খেনি, আম ডক বা টেনটেনে নামেও পরিচিত। সব ধরনের খেনির মধ্যে এই টিমটিমেই সবচেয়ে ছোট। টিমটিমে একটি পরিযায়ী পাখি।

এ পাখি মূলত ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল ও অস্ট্রেলিয়ার আবাসিক পাখিটি শীতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে আসে। বাংলাদেশে মূলত খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের হাওর, বিল, নলবন ও জলাভূমিতে দেখা যায়।

অতিচতুর, সতর্ক ও বুদ্ধিমান এ পাখিটি চঞ্চলতা ও দ্রুততায় ডাহুককেও হার মানায়। এগুলোর লাজুকতা যেমন আছে, তেমনই আছে ভয় ভয় ভাব। মাঝে মধ্যে দু-তিনটি টিমটিমে মিলে শরীরে কাদামাটি মেখে কাত-চিত হয়ে শুয়ে রোদে শুকিয়ে পরে গোসল করে।

নির্জন দুপুর, খুব ভোর ও শেষ বিকেলে নরম ও মিহি স্বরে এ পাখি ডাকে। স্বাভাবিক ওড়ার সময়ে বা ভয় পেয়ে উড়লে ডাকে টিমটিম স্বরে।এ পাখির সবচেয়ে প্রিয় খাবার কালো রঙের ছোট পাখাওয়ালা জলজ কচড়া পোকা।

দেহের দৈর্ঘ্য ১৭ থেকে ১৯ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রসারিত অবস্থায় দু’ডানার মাপ ৩৩ থেকে ৩৭ সেন্টিমিটার। পুরুষ ও স্ত্রী পাখির ওজন ২৩ থেকে ৪৫ এবং ১৭ থেকে ৫৫ গ্রাম।

মাথা-ঘাড়সহ দেহের ওপরটা লালচে-বাদামি, তার ওপর কালচে-বাদামি লম্বা দাগ। কাঁধ-ঢাকনি, পিঠ, কোমর ও লেজ-ঢাকনিতে হলদে ফোঁটা। ভ্রু-রেখা, কান-ঢাকনি, গলা ও দেহের নিচটা নীলচে-ধূসর। চোখ লাল, চঞ্চু সবুজাভ। পা ও আঙুল হলদে-সবুজ। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির দেহতল সাদা, ঘাড়ের পাশ ও বুক বাদামি এবং মুখমণ্ডল লালচে-হলুদ।

সচরাচর একাকী বা জোড়ায় এদের দেখা যায়। ভোর ও সন্ধ্যায় বেশি সক্রিয় থাকে। জলজ আগাছার ওপর হেঁটে হেঁটে উদ্ভিদের বীজ, কীটপতঙ্গ, কেঁচো, শামুকজাতীয় প্রাণী খায়। খুবই সতর্ক ও লাজুক পাখিটি খাবার সময় ছোট্ট খাড়া লেজটি ঘনঘন নাড়াতে থাকে।

মে-জুন প্রজননকাল। কাপের মতো বাসায় স্ত্রী খেনি ৪ থেকে ৮টি লালচে-বাদামি ডিম পাড়ে। ফোটে ১৬ থেকে ২০ দিনে। স্ত্রী-পুরুষ মিলে ডিমে তা দেয় ছানার যত্ন নেয়। কয়েক দিনেই খাবার খেতে শেখে। উড়তে শেখে ৩৪ থেকে ৪৫ দিনে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

নকশী কাঁথা : বাঙ্গালি জীবন সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী অনুষঙ্গ

বাঙালি ঐতিহ্য লোকশিল্পের মধ্যে নকশী কাঁথাও প্রায় বিলীনের পথে। কালের পরিবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে বাঙ্গালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। নকশী কাঁথা আবহমান বাঙ্গালি জীবন সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী অনুষঙ্গ। যুগ যুগ ধরে এই ঐতিহ্যের গর্বিত ধারক বঙ্গের শিল্পমনা নারীরা।

সুই সুতার সু-নিপুন নকশায় অলংকৃত কাঁথাই নকশী কাঁথা। লাল, নীল, হলুদ, সাদাসহ নানা রঙের সুতায় নকশা গড়া হয় কাঁথায়। কাঁথা সাধারণত তৈরি হয় পুরনো শাড়ি লুঙ্গি ধুতির কয়েক পরতের কাপড় দিয়ে। এখন বেড়েছে নতুন কাপড়ের ব্যবহার।

নকশী কাঁথার জমিন জুড়ে দারুন রঙ বাহারি নকশা। বেশির ভাগ নকশী কাঁথার প্রান্ত জুড়ে থাকে আলাদা রঙ নকশার পাড়। কাঁথা সেলাই সাধারণত চলে অবসর সময়ে। কথোপোকথনের তালে তালে সেলাইয়ের ফোঁড়ে ফোঁড়ে কাঁথায় ফোটে উঠে যাপিত জীবনের চিত্র।

ধারণা করা হয় সংস্কৃত শব্দ কন্থা ও প্রাকৃত শব্দ কত্থা থেকে কাঁথা শব্দের উৎপত্তি। অঞ্চল ভেদে বলা হয় খাতা, খ্যাতা, ক্যাথা বা ক্যাতা কোনো কোনো জায়গায় নকঁশী কাথার আরেক নাম সাজের কাঁথা।

উত্তর বঙ্গের নারীদের সৃজনশীল শিল্পী সত্তার অপূর্ব অভিব্যাক্তি এই নকঁশী কাঁথা। কাঁথায় সুই সুতোর ফোড়ে তারা মূর্ত করেন লোকায়ত ভাবনা, আবেগ ও কল্পনা।

ব্যবহারিক জীবনের নানা বিষয় বস্তুকে কাঁথা সেলাইয়ের এই কারিগররা আকর্ষণীয় প্রতীক ও রুপকের আদলে ঠাই দেন তাদের এই নকঁশী কাঁথায়। প্রতিটি নকঁশী কাঁথায় শৈল্পিক বয়ন ভঙ্গির অনবদ্য প্রকাশ ঘটে কেন্দ্রিয় কৌণিক ও আবর্তক মোটিফের সমবায়ে।

কারুপণ্য বিক্রির নানা প্রতিষ্ঠার ও সরকারি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যগের মাধ্যমে উৎপাদন ও বিপনন নিশ্চিত হওয়ায় উত্তর বঙ্গের নকঁশী কাঁথা এখন উল্লেখ যোগ্য এক কুটির শিল্প।

কাইত্তা ফোঁড়, তারা ফোঁড়, কাটা ফোঁড়, ত্যাড়ছা ফোঁড়সহ নানা রকম ফোঁড়ের গুনে নকঁশা ফোটে কাঁথা শিল্পদের নকঁশী কাঁথায়।

আকার ও ব্যবহার ভেদে কাঁথা আছে নানা নামের সুজনী কাঁথা, লেপ কাঁথা, আসন কাঁথা, পাড়ুনী কাঁথা, গাটুড়ী কাঁথা, আরশী লতা, দস্তর খাঁন, চাদর কাঁথা ও রুমাল কাঁথা সহ হরেক রকম কাঁথা বানান বাংলার নারীরা।

বঙ্গের শিল্প মণা নারীদের গড়া দৃষ্টিনন্দন এই নকঁশী কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য আমাদের অহংকার।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

তক্ষকের দাম কোটি টাকা, কিন্তু কেন?

তক্ষক, ছোট্ট একটি প্রাণী। যা আমার আপনার এবং আমাদের আশপাশে মাঝে মাঝে দেখা যায়। কিন্তু কেন এই তক্ষকের এত দাম? কারা কেনে এই তক্ষক? আজ জানব তক্ষক কেন এত দামী প্রাণী, কি কারণে এদের এত দাম?

টিকিটিকির মতো দেখতে ছোট একটি প্রাণী যা বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। অসমিয়া ভাষায় যাকে বলা হয় তক্ষক এবং বাংলাতেও এই প্রানীটি তক্ষক নামেই পরিচিত।এই তক্ষককে ঘিরে মানুষের কৌতুলের শেষ নেই।

তক্ষক পাচার বা কেনা-বেচা করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে ধরা পরার ঘটনাও ঘটছে অহরহ। জানা যায় চীন, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো দেশে একেকটি পূর্ণবয়স্ক তক্ষক ১০-১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়। আবার এমন কিছু তক্ষক আছে যার দাম কোটি টাকা।

প্রায়ই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তক্ষক উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। দেশজুড়ে সংঘবদ্ধ চক্র নির্বিচারে তক্ষক ধরছে। কেউ কেউ তক্ষকের কঙ্কাল বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। অধিক লাভের জন্যে সংঘবদ্ধ মাদক কারবারিরাও এখন তক্ষক কেনাবেচার ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে।

আসলে তক্ষকের দাম ও তক্ষকের প্রয়োজনিয়তা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটি গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তক্ষক দিয়ে ক্যান্সারের মূল্যবান ওষুধ তৈরি হয়।এবং এর ব্যাপক চাহিদা মাথার ম্যাগনেটের দাম কোটি টাকা এমন গুজবের ওপর ভর করে সংঘবদ্ধ চক্র নির্বিচারে তক্ষক ধরছে। নানা রকম গুজব সৃষ্টির মাধ্যমে একটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। চক্রটি সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন ধারনা সৃষ্টি করেছে যে এক একটি তক্ষকের দাম কোটি টাকা।

কিন্তু আসল কথা হল তক্ষকের তেমন কোন দামই নেই। কারণ তক্ষকে দেহে মূল্যবান কিছুই নেই। এবয় ক্যান্সারের মূল্যবান ওষুধ তৈরিতেও তক্ষকের কোন ভূমিকা নেই। তক্ষক শুধুমাত্র টিকটিকির চেয়ে বড় একটি সরীসৃপ প্রাণী মাত্র।

তবে চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বেশকিছু দেশে অদ্ভুত রহস্যময় কিছু বিশ্বাস জড়িয়ে আছে। চীন দেশে মনে করা হয় তক্ষক ড্রাগন থেকে উৎপন্ন হয়েছে। তাই এতে চিরযৌবন ও প্রজনন ক্ষমতাবর্ধক শক্তি থাকে। এছাড়া চীনের পরাম্পরা চিকিৎসা ব্যবস্থায়ও এটিকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বিলুপ্ত প্রানী বলে এটি খাওয়া বা ধরা নিষিদ্ধ থাকায় বেশ মূল্য দিয়ে তাদের এটি কিনতে হয়।

ভয়েসটিভি/এএস