Categories
লাইফস্টাইল

রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া ঠিক নয় যেসব খাবার

সুস্থ-সবল থাকার ক্ষেত্রে খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে কী খেয়ে ঘুমোচ্ছেন, তা শরীরের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। রাতে কিছু খাবার খেলে ঘুমের সমস্যা হয়। আবার কোনো কোনো খাবার বদহজমও বাড়ায়। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা রাতে হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ঘুমানোর আগে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত-

ডার্ক চকোলেট : রাতে ঘুমানোর আগে ডার্ক চকোলেটে খেলে, ঘুমের সমস্যা হতে পারে। ডার্ক চকোলেটে থাকা ক্যাফিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তাই দুপুরের ঘুম তাড়ানোর ক্ষেত্রে, ডার্ক চকোলেটের ব্যবহার একটি দুর্দান্ত উপায় হলেও, রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে চাইলে এটি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

আইসক্রিম : রাতে ঘুমানোর আগে আইসক্রিম, অনিদ্রা এবং বদহজমের অন্যতম কারণ হতে পারে। আইসক্রিমে থাকা চিনি, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকায় এটি হজম হতে সময় নেয়।

মিষ্টি খাবার : মিষ্টি বা চিনি জাতীয় খাদ্য, ঘুম না আসার অন্যতম কারণ হতে পারে। চিনি শক্তি বাড়ায়, তাই ঘুমানোর আগে চিনি কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। নাহলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

কফি : রাতে ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে, কফি পান করা এড়িয়ে চলুন। কফিতে থাকা ক্যাফিন, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করতে সক্ষম। যার প্রভাব ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তাই রাতে কফি পান করলে, অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মূত্রবর্ধক খাদ্য ও পানীয় এড়িয়ে চলুন : রাতে ঘুমোনোর আগে, মূত্রবর্ধক খাবার যেমন- সেলারি, গাজর, শসা, আদা, তরমুজ, অ্যালকোহল, তরল খাদ্য, শরবত এবং অতিরিক্ত মাত্রায় পানি এড়িয়ে চলুন। ঘুমানোর আগে এই ধরনের খাদ্য এবং পানীয়ের সেবন করলে বার বার মূত্রত্যাগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যার ফলে রাতের ঘুম ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

রেড মিট ও প্রাণীভিত্তিক প্রোটিন : রাতে রেড মিট এবং প্রাণীভিত্তিক প্রোটিন হজম করতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয় এবং এর প্রক্রিয়াটিও সময়সাপেক্ষ। এই প্রোটিনে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড-টাইরোসাইন, মস্তিষ্কের কার্যকলাপকে উৎসাহিত করে। মসলাদার মাংস খাওয়া হলে, মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। যার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

অ্যালকোহল পান : গবেষণায় দেখা গেছে , ঘুমানোর আগে মদ্যপান করলে, সারারাত জেগে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়া, নাক ডাকার সমস্যাও হতে পারে।

Categories
লাইফস্টাইল

হাড় শক্তিশালী করতে কী ধরনের খাবার খাবেন

হাড় শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ । হাড় দুর্বল থাকলে কিংবা হাড়ের কোনও সমস্যা হলে শারীরিক গঠনেও সমস্যা দেখা দেয়। শুধুমাত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করাই সুস্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি হাড় শক্তিশালী করে তোলাও অত্যন্ত জরুরি। দুর্বল হাড়ের কারণে অনেক সময় অল্প আঘাতেই ফ্র্যাকচার বা হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও, আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস-এর মতো বিভিন্ন হাড় সংক্রান্ত রোগও দেখা দিতে পারে। এ কারণে খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার যোগ করা উচিত যা হাড় শক্তিশালী করতে পারে। যেমন-

১. ক্যালসিয়াম হাড়ের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় পুষ্টি হিসেবে বিবেচিত । ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে, হাড়ের রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে এবং পেশি নিয়ন্ত্রণ ও রক্ত ​​সঞ্চালনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কাজকর্ম সহজ করে তোলে। তবে শরীর নিজে থেকে ক্যালসিয়াম তৈরি করতে পারে না। খাদ্যতালিকায় থাকা খাবারগুলি থেকেই শরীর ক্যালসিয়াম শোষণ করে। তাই খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন – দুধ এবং দুগ্ধজাত খাদ্য, ব্রকোলি, ওটমিল, সয়া, সবুজ শাকসবজি, বাদাম, ডুমুর ইত্যাদি যোগ করুন।

২. ভিটামিন-ডি হাড় তৈরিতে এবং খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম শোষণের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি এর সর্বোত্তম উৎস হল সূর্যের আলো। এছাড়াও, মাশরুম, ডিমের কুসুম, ফ্যাটি ফিস এবং সয়া দুধের মতো খাবারও ভিটামিন-ডি এর অন্যতম উৎস।

৩. ভিটামিন-সি সুস্থ হাড়ের বিকাশে সহায়তা করে। বিভিন্ন ধরনের সাইট্রাস ফল, যেমন – কমলালেবু, জাম্বুরা, লেবু, স্ট্রবেরি, ব্রকোলি এবং বেল পেপার ভিটামিন-সি এর দুর্দান্ত উৎস।

৪. হাড়কে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে ভিটামিন-কে অত্যন্ত কার্যকর। ভিটামিন-কে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। যাদের হাড় দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সহজেই হাড় ভেঙে যাওয়া রোধ করতে সহায়তা করে এই ভিটামিন। তুলসি পাতা, থাইম, পার্সলে, লেটুস, বাঁধাকপি এবং ফুলকপিতে ভিটামিন-কে’র ভালো উৎস।

৫. ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের কাঠামোগত বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং হাড়কে আরও শক্তিশালী করে তোলে। বয়স্কদের মধ্যে বেশিরভাগের ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ডার্ক চকোলেট, অ্যাভোকাডো, সবুজ শাকসবজি, কুমড়োর বীজ, কলা, ম্যাগনেসিয়ামের দুর্দান্ত উৎস।

৬. পর্যাপ্ত পরিমাণে দৈনিক প্রোটিনের গ্রহণ, শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে এবং হাড়-পাতলা হওয়ার ঝুঁকি রোধ করতে সাহায্য করে। প্রোটিন হাড়কে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করে। দুধ, দই, পনির, সোয়াবিন, ডিম, ওটস, ব্রকলি, মাংস, টোফু ইত্যাদি খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়।

৭. ক্যালসিয়াম শোষণের ক্ষেত্রে সাহায্যকারী অন্যতম পুষ্টি উপাদান হল ফসফরাস। তাই হাড় শক্তিশালী করে তুলতে, খাদ্যতালিকায় ফসফরাস সমৃদ্ধ খাদ্যের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। মাছ, মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য, অ্যাভোকাডো, আঙুর, ডুমুর, কলা ইত্যাদি খাবার ফসফরাসের দুর্দান্ত উৎস।

Categories
লাইফস্টাইল

নিয়মিত বাদাম খেলে যেসব উপকার

গুণের কারণে আজকাল অনেকেই নিয়মিত বাদাম খান। প্রায় সব ধরনের বাদামই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

পুষ্টিবিদদের মতে, বাদামে ফ্যাট এবং ক্যালোরি পাওয়া যায়। এছাড়া খাদ্যের আরও নানা ধরনের উপাদানে ভরপুর থাকে বাদাম। এতে থাকা প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ফসফরাস যথেষ্ট যত্ন নেয় শরীরের। নিয়মিত বাদাম খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. বাদামে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। বাদামে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালরি থাকলেও তা হৃৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে বাদাম।

২. ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য বাদাম একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য। কারণ এই খাবারে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা নীচের দিকে থাকে। বাদাম মানসিক চাপ এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

৩. নিয়মিত বাদাম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪. বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পানিতে ভেজানো কাজুবাদাম খেলে দেহের ভিতরে বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে গ্যাসের সমস্যাও কমে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

মানসিক চাপ কমাতে স্বস্তিদায়ক খাবার!

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস থেকে একটু স্বস্তি পেতে মানুষ খুঁজে ফেরে বিভিন্ন অনুষঙ্গ। কারণ, এটাই তাকে অল্প সময়ের জন্য হলেও প্রশান্তি দেয়। এমনকি অনেকেই স্বস্তি খোঁজেন খাবারে; যা মনকে শান্ত করে, ভালো লাগা অনুভব করায়। এ ধরনের খাবারকেই পশ্চিমা বিশ্বে কমফোর্ট ফুড বা স্বস্তিদায়ক খাবার হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

১৯৬৬ সালে দ্য পাম বিচ পোস্ট পত্রিকায় অবেসিটি বিষয়ক একটি আর্টিকেলে কমফোর্ট ফুডের ধারণাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। যেখানে বলা হয়, কেউ যখন প্রচণ্ড মানসিক স্ট্রেস বা যন্ত্রণায় ভোগে, তখন কমফোর্ট ফুডে স্বস্তি পায়। ধারণা করা হয়, এ জন্যই দুঃখ ভারাক্রান্ত মানুষগুলোর মোটা হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি।

প্রবন্ধটিতে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের খাবারের খাদ্য উপযোগিতা অনেক কম এবং এ ধরনের খাবার সাধারণত অস্বাস্থ্যকর। বছরের পর বছর ধরে কমফোর্ট ফুড নিয়ে চলছে নানা তর্ক–বিতর্ক এবং গবেষণা।

কমফোর্ট ফুডের প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে এগুলো হাই কার্বোহাইড্রেট, হাই ফ্যাট, হাই ক্যালরিসমৃদ্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর। আরেক গবেষণায় একে একটু ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী এবং আত্মার সঙ্গে সম্পর্কিত খাবারই কমফোর্ট ফুড। অর্থাৎ যে খাবার খেলে মানুষ সহজেই নস্টালজিক হয়ে পড়ে। আমেরিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় কমফোর্ট ফুড হচ্ছে আইসক্রিম।

এরপরই আসে চকলেট, চকলেট কেক, ব্রাউনি, ম্যাক এন চিজ, ম্যাশড পটেটো, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার—এসবের নাম। এমনকি সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতিটি দেশেরই রয়েছে কমফোর্ট ফুড। যেমন আমাদের দেশে এই তালিকায় সবার প্রথমে আসবে ফুচকা, চটপটি, ঝালমুড়ি, চানাচুর, আচার ইত্যাদি খাবারের নাম।

আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে, লিঙ্গ ও বয়সভেদে কমফোর্ট ফুড একেকজনের কাছে একেক রকম। যেমন পুরুষেরা গরম, ভারী খাবার যেমন স্টেক, চিকেন স্যুপ, বিভিন্ন রকমের ডাল, মাংস দিয়ে তৈরি খাবার কমফোর্ট ফুড হিসেবে গ্রহণ করে।

নারীদের ক্ষেত্রে তা বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস আইটেম যেমন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস, ব্রাউনি, চকলেট কেক ইত্যাদি। কম বয়সীদের কাছে আইসক্রিম, বার্গার, পিজা এবং বৃদ্ধ মানুষদের কাছে ভারী গরম খাবারই প্রিয় কমফোর্ট ফুড। আবার কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, কমফোর্ট ফুড আদৌ মনে বিশেষ কোনো স্বস্তি আনে না।

এটি কেবল ব্যবসা বাড়ানোর একটি উপায়। একে প্রপাগান্ডাও বলেছে অনেকে। অনেকে আবার রসিকতা করে বলেছে, অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে বা বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া অনুতপ্ত না হওয়ার বাহানামাত্র। এ বিষয়ে সবচেয়ে আলোচিত গবেষণাটি হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার মনোবিজ্ঞান বিভাগে। সেই গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু কমফোর্ট ফুড নয়, সব ধরনের খাবারই মানুষের মনের ওপর প্রভাব ফেলে।

এমনকি কিছু না খেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাময়িক বা দীর্ঘ সময়ের খারাপ লাগা অনুভূতিটা কেটে যায়। এ গবেষণার পর থেকে কমফোর্ট ফুড নিয়ে বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কী খাবেন

বয়সের সঙ্গে অনেকেরেই স্মৃতিশক্তি কমে যায়। কারও আবার এমনিতে ভুলে যাওয়া রোগে আছে। অনেক সময় ছোটখাটো ভুলে যাওয়া সমস্যা থেকেই পরবর্তীকালে অ্যালঝাইমার্স, ডিমেনশিয়ার মতো স্মৃতিলোপ হওয়ার অসুখ দেখা যায়। তাই মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কিছু জিনিস যোগ করা প্রয়োজন।

কুমড়ার বীজ : অনেকেই কুমড়া খান। কিন্তু এর বীজ ফেলে দেন। কিন্তু কুমড়ার বীজ শুধু মনে রাখার ক্ষমতাই বাড়ায় না, সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের পক্ষেও এটি খুবই উপকারী। কম বয়স থেকেই কুমড়ার বীজ খাওয়া শুরু করুন। কুমড়াতে থাকা কপার মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ব্রকোলি : অনেকেই ব্রকোলি খেতে ভালবাসেন। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজিতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফ্ল্যাভোনয়েড, ভিটামিন ই ও প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। এই সব পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্রকোলি খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

বাদাম : স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে প্রতিদিন ১০-১২টি বাদাম খান। এজন্য দুধের সঙ্গে পেষা বাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন, আর না হলে শুকনো বাদামও খেতে পারেন। এতে মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়বে।

আখরোট : মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে আখরোট। এতে থাকা ভিটামিন ই ও ম্যাঙ্গানিজ মস্তিষ্ককে সক্রিয় করতে সহায়তা করে। ভুলে যাওয়ার মতো বিপত্তি এড়াতে এখন থেকেই নিয়মিত আখরোট খেতে শুরু করুন। একমুঠো আখরোট ওটমিল বা ফ্রুট সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে রোজ খেলে উপকার পাবেন।

Categories
লাইফস্টাইল

হঠাৎ পেটে ব্যাথা শুরু হলে করণীয়

বাসাবাড়িতে তৈরি  মুখরোচক খাবার দাবার হরহামেশায় হয়ে থাকে। এরইমধ্যে এখন আবার চলছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম। কিন্তু মুখরোচক খাবারের পর অনেক সময় পেটে ব্যাথা দেখা। এ থেকে সুস্থ থাকতে হলে খাওয়া দাওয়ার প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।

বিশেষ করে বর্ষায় একটু অনিয়মে হতে পারে জ্বর,সর্দি, পেটের সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষা আসলেই পেটের সমস্যার আশঙ্কা কয়েকগুণে বেড়ে যায়। তাহলে কীভাবে বর্ষায় সুস্থ থাকবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।

খাবারের বিষক্রিয়া থেকে অসুস্থ হলে পেটে ব্যথা, বমি, ডায়ারিয়া, শারীরিক দুর্বলতা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। অল্প সমস্যা হলে বাড়িতে থেকে নিয়মিত ওষুধ খেলে সুস্থ থাকা সম্ভব। কিন্তু পরিস্থিতি বেশি খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে। লিভারের সমস্যায় যারা ভুগছেন বা যারা ক্যান্সারে আক্রান্ত তাদের জন্য পরিস্থিতি মারাত্মক হতে পারে।

প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ফলের রস, নারকেলের পানি এই সময় খেলে উপকার পাওয়া যায়। সাধারণ পানিও ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খাওয়া উচিত। খাদ্যতালিকায় ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ভাত, সবজি সিদ্ধ, ডাল খাওয়া যেতে পারে। মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। সহজপাচ্য খাবারের দিকে নজর দিতে হবে।

আরও পড়ুন : খালি পেটে চার খাবারে সর্বনাশ!

যে কোনও ফল ভালো করে ধুয়ে এবং ওপরের খোসা ছাড়িয়ে খেতে হবে। ডিম, মাংস খাওয়া যেতে পারে। তবে মাথায় রাখতে হবে তা যেন ভালো করে রান্না হয়। কম মশলা দিয়ে, ভালো করে সিদ্ধ করে খাওয়া যেতে পারে।

নিয়মমত খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন গোসল করুন। পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন।

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

ঈদের ছুটিতে কোমল পানীয়!

ঈদ মানেই সারাদিন অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া। ভারি খাবারের পর তাই কোল্ড ড্রিংকস না খেলেই নয়। আর তাছাড়া বাংলাদেশের দু:সহ গরমে মাঝেমধ্যে ঠান্ডা কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকস না খেলে শরীর যেন আর চলতেই চায় না। বিয়ে-শাদি বা যে কোনো অনুষ্ঠানে ঠান্ডা পানীয় থাকবে না এ কথা এখন কল্পনাই করা যায় না। আর এখন তো কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকস খাওয়া আমাদের তারুণ্যের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমরা অনেকেই জানি না সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয় আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কত ক্ষতিকর। করোনার এই দু:সময়ে তো কোল্ড ড্রিংকসের চেয়ে গরম চা বা কফি পান করাটাই বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। প্রতিদিন মানুষ খেয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এনার্জি ড্রিংকস। নানা রকম প্রলোভন আর চাকচিক্যময় বিজ্ঞাপনের হুজুগে এগুলো বিক্রিও হচ্ছে দেদারছে।

বিয়ে বা কোনো উৎসবে ভরপেট খাওয়ার পর মহানন্দে কোমল পানীয় পান না করলেই নয়। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, অধিকাংশেরই ধারণা এতে খাবারটা ভালো হজম হবে। খাবার সবচেয়ে ভালো হজম হয় যখন পাকস্থলীর তাপমাত্রা থাকে ৩৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এ তাপমাত্রায় পাকস্থলীর এনজাইম বা পাচক-রস খাবার হজমের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী অবস্থায় থাকে। কিন্তু ভরপেট খাওয়ার পরই যখন পাকস্থলীতে শূন্য থেকে চার ডিগ্রি তাপমাত্রার কোমল পানীয় ঢেলে দেয়া হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই হজমের পুরো প্রক্রিয়াটি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হজমের বদলে তখন পাকস্থলীতে থাকা খাবার গাঁজন প্রক্রিয়ায় পঁচতে শুরু করে। কোমল পানীয় পানের কিছুক্ষণ পর খাবার হজমের লক্ষণ মনে করে সবাই যে তৃপ্তির ঢেঁকুরটি তোলে, তা আসলে খাবার হজমের নয় বরং পচনের ফলে সৃষ্ট গ্যাস।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে কোমল পানীয়ে রয়েছে ইথিলিন গ্লাইকল, কৃত্রিম রঙ, ফসফরিক এসিড, বেশি মাত্রার ক্যাফেইন, ঘনচিনি, অপিয়েট ও সিলডেনাফিল সাইট্রেট-এর মতো ক্ষতিকর উপাদান। যার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।

চিকিৎসকদের মতে, বিশ্বজুড়ে গত কয়েক দশকে সব বয়সী বিশেষত শিশুদের মধ্যে কিডনি রোগ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই কোমল পানীয়। এনার্জি ড্রিংকস পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌনশক্তি হ্রাস, সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা, হৃদরোগ ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আর নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভপাত ও দুর্বল শিশু জন্ম দেয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষনা মতে, সিলডেনাফিল সাইট্রেট মেশানো পানীয় পর্যায়ক্রমে পুরুষত্ব নষ্ট করে ফেলবে। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে লিভার ও কিডনি।

ফ্রিজে চার ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বা তার কম তাপমাত্রায় কোনো তরল দীর্ঘক্ষণ রাখলে তা জমে বরফ হয়ে যায়। কিন্তু কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংকসের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে না। কারণ এগুলোতে এন্টি-ফ্রিজার হিসেবে মেশানো হয় এই ইথিলিন গ্লাইকল। এটি মানবদেহের জন্যে স্বল্প মাত্রার আর্সেনিকের মতোই একটি বিষ।

কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংকসে মেশানো হয় কিছু কৃত্রিম রঙ। যেমন টারট্রাজিন, কারমোসিন, ব্রিলিয়ান্ট ব্লু, সালফেট ইয়েলো ইত্যাদি। নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে এগুলোর বিক্রয় নিষিদ্ধ। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এ উপাদানগুলো ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রচলিত পানীয়গুলোতে প্রতি লিটারে ক্যাফেইনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ মিগ্রা, সেখানে আমাদের দেশের পানীয়গুলোতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে পাঁচগুণ। এমনকি কোনো কোনোটাতে তারও বেশি পরিমাণ ক্যাফেইন পাওয়া গেছে। এছাড়াও এসব কার্বোনেটেড পানীয়ে ব্যবহৃত হয় সিনথেটিক ক্যাফেইন, যা আরো ভয়াবহ।

আমরা অনেক ক্ষেত্রেই পশ্চিমা বিশ্বকে আমাদের অগ্রপথিক মনে করি কিন্তু আমরা সবাই কি জানি, আমেরিকা ও কানাডার অধিকাংশ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে কামল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকস বিক্রয়ের মেশিন বাধ্যতামূলক ভাবে অপসারণ করা হয়েছে। অনেক ক্যাম্পাসে কামল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকস বিক্রিও নিষিদ্ধ।

পাশের দেশ ভারতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় কয়েকটি বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানির কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকসে অত্যধিক মাত্রায় কীটনাশক পাওয়ায় মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট ও কেরালায় এসব পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধও করা হয়। ভারতে কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকসের ওপর উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এসব পানীয় যে ক্ষতিকর নয়, তা ওইসব কোম্পানিকে প্রমাণ করতে বলা হয়েছে। চিনির মাত্রাধিক্যের কারণে সিঙ্গাপুর সরকার সকল ধরনের কোমল পানীয় স্কুল পর্যায়ে বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

একেবারেই হাইলি কোনো উপাদান না থাকলেও কোমল পানীয়তে কোক মিক্সার বা পাউডার , সোডা, ফেভার, আনুপাতিক পরিমাণ স্যাকারিন, কীটনাশক, ক্যাফেইন, রঙ, পানি ইত্যাদি ন্যুনতম হলেও মেশানো থাকে, যা শরীরের জন্য সম-পরিমান ক্ষতিকর।

কোনো তরল কতটা এসিডিক হবে তা নির্ভর করে তার pH মানের ওপর। যে পানীয়ের pH মান যত কম সে পানীয় তত এসিডিক। কোনো পানীয়ের pH মান ৫.৫ বা তার কম হলে সে পানীয় শরীরের জন্যে ক্ষতিকর বলে বিবেচিত হয়। এর সঠিক মাত্রা না থাকলে শরীরে ক্রমান্বয়ে জমা হতে থাকা এই এসিড দাঁত ও হাড়সহ শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ পানিয়তেই এর উপস্থিতি থাকে সর্বোচ্চ ৩.৩ অনুপাতে।

গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইন গর্ভপাত, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রসব, কম ওজনের সন্তান প্রসব ও গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঘটানোর মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও মূত্রাশয় ও পাকস্থলীর ক্যান্সারসহ কমপক্ষে ছয় ধরনের ক্যান্সার ও উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ এই অতিরিক্ত ক্যাফেইন। পাকস্থলীর ভেতরের আবরণের ওপরও রয়েছে ক্যাফেইনের ক্ষতিকর প্রভাব।

কোমল পানীয়ের আরেকটি উপাদান হলো কার্বন-ডাই-অক্সাইড, যা আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় শরীর থেকে বর্জ্য হিসেবে বের করে দিই। অথচ কোমল পানীয় পানের মাধ্যমে এটি শরীরে প্রবেশ করে।

গত কয়েক দশকে সারা বিশ্বে এসব রোগে অকালমৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ হিসেবে কোমল পানীয়ের উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য-গবেষকরা।

তাই বলে যে সফট ড্রিংক খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে এমনটা অবশ্যই নয়। ঘরে বানানো প্রিজারভেটিভ ও ক্যামিক্যালমুক্ত ফলের জুস বাজারে কেনা রঙিন ও মজাদার জুস ও ড্রিংকসের চেয়ে অনেক বেশি মানসম্মত ও পুষ্টিকর। শিশুদের যদি ঘরে বানানো জুসের প্রতি আকৃষ্ট করা যায় তাহলে দেহের সঠিক বৃদ্ধি ও পুষ্টি দুটোরই সমন্বয় ঘটানো সম্ভব। ক্লান্তি দূরেও ঘরে বানানো জুসের তুলনা নেই।

ভয়েস টিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

মাংস বেশি খাবেন, সাবধান!

পবিত্র ঈদুল আজহা আসন্ন। এবারের ঈদও উদ্‌যাপন হবে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। একদিকে কোরবানি, অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কাজেই গবাদিপশু কোরবানির আগ থেকে রান্না পর্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। অন্যথায় কোরবানির আয়োজনও হয়ে উঠতে পারে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর উৎস।

কোরবানির ঈদে গরু বা খাসির মাংস একটু বেশি খাওয়া পড়বে- এটাই স্বাভাবিক। তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হলো, লাল মাংস। অর্থাৎ গরু বা খাসির মাংস বেশি খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ায় হৃদরোগের সমস্যা হতে পারে।

সবজির তুলনায় মাংস হজম করা কঠিন। কোরবানির ঈদে মানুষ বেশি মাংস খায়। বিশেষ করে লাল মাংস। এটি শরীরে রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। মাংস বেশি পরিমাণে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই এর সঙ্গে সাদা ভাত এবং সালাদ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।

অনেকে শাকসবজি এবং ফল উপেক্ষা করে উৎসবে শুধু মাংস খান। শাকসবজি ও ফলের গুরুত্ব সবারই জানা। হজমে সহায়তা করে এসব খাবার। এগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং মাংসের পাশাপাশি এ ক’দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন সবজি বা ফল।

ঈদে হাই প্রোটিন ডায়েট হজম করার জন্য মানুষ কোমল পানীয় বেশি পান করে। যার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে। কোমল পানীয়তে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার চিনি স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে থাকে।

ঈদে মুখরোচক মসলাদার খাবার মানুষ বেশি রান্না করে। খাবারে লবণ এবং অধিক মসলা রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এজন্য কম মসলা দিয়ে মাংস রান্না করা উচিত। অনেকে আবার রান্নার তেল হিসেবে পশুর চর্বি ব্যবহার করেন। যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রান্না করার জন্য উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করা উচিত।

গরুর মাংসে প্রচুর কোলেস্টেরল থাকায় অনেকেই সেটি খাওয়া এড়িয়ে চলেন। অনেকেরই ধারণা গরুর মাংস খেলেই বুঝি স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। তবে গরুর মাংস নিয়ম মেনে খেলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, গরুর মাংসের ক্ষতিকর দিক যেমন আছে, তেমনি এই মাংস অনেক উপকারও করে থাকে। এবং গরুর মাংসে যতো পুষ্টিগুণ আছে সেগুলো অন্য কোন খাবার থেকে পাওয়া কঠিন। এখন এই মাংস আপনার জন্য ক্ষতিকর হবে নাকি উপকারী, সেটা নির্ভর করবে আপনি সেটা কতোটা নিয়ম মেনে, কি পরিমাণে খাচ্ছেন তার উপর।

পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, গরুর মাংসে রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিনস, মিনারেলস বা খনিজ উপাদান যেমন, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, আয়রন। আবার ভিটামিনের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি২ বি৩, বি৬, এবং বি১২। আর এই পুষ্টিকর উপাদানগুলো –

• শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
• পেশি, দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে।
• ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
• শরীরের বৃদ্ধি ও বুদ্ধি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
• ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে।
• দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
• অতিরিক্ত আলসেমি, ক্লান্তি বা শরীরের অসাড়তা দূর করে কর্মোদ্যম রাখে।
• ডায়রিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।
• রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
• খাবার থেকে দেহে শক্তি যোগান দেয়।
• স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
• অবসাদ, মানসিক বিভ্রান্তি, হতাশা দূর করে।

কোরবানির মৌসুমে গরুর মাংস বেশি খাওয়া হয়ে থাকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। মগজ ও কলিজায়, প্রোটিন থাকলেও সেটার পরিমান কম, বরং এর বেশিরভাগ জুড়ে রয়েছে কোলেস্টেরল।

প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা নির্ভর করে মানুষের ওজনের ওপর। একজন মানুষের আদর্শ ওজন ৫০ কেজি হলে প্রতিদিন তার ৫০ গ্রামের মতো প্রোটিন প্রয়োজন। তবে এর রেশিও মানুষের সুস্থতার ওপর নর্ভর করে। আবার গর্ভাবস্থায় অবস্থায় এই পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তবে কারো প্রতিদিন ৭০ গ্রামের বেশি এবং সপ্তাহে ৫০০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাওয়া উচিত না বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২৬ গ্রাম প্রোটিন এবং ২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। তবে দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা শুধু একটি খাবার নয় বরং বিভিন্ন খাবার ও পানীয় দিয়ে পূরণ হয়ে থাকে।

ভয়েস টিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম

দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনাময় একটি বড় খাত চামড়া শিল্প। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে চামড়া রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে প্রায় ৫১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেশি। সঠিক পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ না করায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়। ক্ষতির সম্মুখীন হয় হাজারো ব্যবসায়ী।

সঠিকভাবে চামড়া ছাড়ানোর কৌশল এবং তা সংরক্ষণের নিয়ম না জানার কারনেই চামড়া নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পশু কোরবানির পর প্রয়োজন সঠিক উপায়ে চামড়া সংরক্ষণ করা। নাহলে মূল্যবান চামড়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। জবাইয়ের পর থেকে চামড়া ছাড়ানো পর্যন্ত সচেতন থাকা সবচেয়ে জরুরি। না হলে চামড়ায় সৃষ্টি হতে পারে ক্ষত। চামড়া সংরক্ষণের জন্য কোরবানির আগ থেকেই সচেতন থাকাটা জরুরি।

জেনে নিন কীভাবে সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করবেন পশুর চামড়া-

• পশু কেনার পর যেখানে রাখবেন সেখানে খড় বা চট বিছিয়ে দিন যাতে কোনওভাবে পশুর শরীরে আঘাত না লাগে। কেনার সময়ও লক্ষ রাখা উচিত যাতে চামড়ায় কোনও ক্ষতচিহ্ন না থাকে।
• নাইলন বা প্লাস্টিকের দড়ি অথবা লোহার শিকল দিয়ে পশু বাঁধবেন না। এতে চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পশু বাঁধার জন্য পাটের দড়ি ব্যবহার করতে হবে।
• পশুকে এমন ভাবে টানা-হেঁচড়া করা যাবে না যাতে চামড়ায় আঘাত লাগে।
• চামড়া সহজে ছাড়ানোর জন্য জবাইয়ের আগে পশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়াতে হবে।
• কোরবানির দিন পশুকে ভুসি, খড় বা ঘাস খাওয়ানো ঠিক না।
• পশু কোরবানির জন্য সমতল জায়গা বেছে নিতে হবে। আঁকাবাঁকা কিংবা গর্তযুক্ত স্থানে কোরবানি দেয়া যাবে না।
• পশুর চামড়া ছাড়ানোর জন্য দক্ষ লোক বেছে নেয়া জরুরি।
• জবাইয়ের পর পশুকে শক্ত কোনও খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ঝুলিয়ে দিলে চামড়া ছাড়ানো সহজ হয়। খুঁটির সঙ্গে বেঁধে জবাইয়ের দাগ থেকে ধারালো ছুরি দিয়ে ধীরে ধীরে হালকা করে নিচের দিকে টেনে আলাদা করতে হবে চামড়া।
• চামড়া ছাড়ানোর পর লেগে থাকা রক্ত, চর্বি যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে ফেলতে হবে। না হলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমনে পচন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে চামড়ায়। পরিষ্কার পানি দিয়ে চামড়া ভালো করে ধুয়ে হালকা রোদে দিন পানি ঝরে যাওয়ার জন্য।
• চামড়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়ার সময় চামড়া টানা-হেঁচড়া করা যাবে না।
• চামড়া ছাড়ানোর তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে তা বিক্রি করা না গেলে দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত।

এবার জানা যাক কোরবানি পরবর্তি চামড়া সংরক্ষণ পদ্ধতি:
গরুর চামড়া ছাড়ানোর সময় পানি ও ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হয়। ভোঁতা ছুরি ব্যবহার করলে চামড়া ছিঁড়ে যেতে পারে। চামড়া ছাড়ানোর পর অনেকেই তা যেনতেনভাবে মাটিতে ফেলে রাখেন। একটু সময় করে ভাঁজ করে রাখুন। পানি লাগানোর প্রয়োজন নেই। ছাগল বা গরুর মাথার চামড়াও মূল্যবান। এটি আলাদা করার সময় অবহেলা করা উচিত নয়।

চামড়া ছাড়ানোর পর সাত থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি করা না গেলে অবশ্যই তা সংরক্ষণ করতে হবে। গরমকালে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে এবং শীতকালে চার থেকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। চামড়া সংরক্ষণের নানা পদ্ধতির মধ্যে আছে লবণ দিয়ে রোদে শুকানো এবং হিমাগারে সংরক্ষণ। তবে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি লবণ দিয়ে রোদে শুকানো।

চামড়ার ধরন বুঝে মাংসল স্থানে লবণ মাখিয়ে এর গুণাগুণ ঠিক রাখা সম্ভব। গরু বা মহিষের চামড়ার ক্ষেত্রে নাগরা সোল চামড়ায় তিন থেকে পাঁচ কেজি, ঢিলা চামড়ায় দুই থেকে চার কেজি এবং কুরুম চামড়ায় দেড় থেকে তিন কেজি লবণ লাগাতে হবে। ছাগল বা ভেড়ার চামড়ার ক্ষেত্রে স্টার চামড়ায় আধা কেজি, হেভি ও মেল চামড়ায় ২৫০ গ্রাম লবণ দিতে হবে। এভাবে লবণ মাখিয়ে চামড়াগুলো ভাঁজ করে একটির ওপর আরেকটি স্তূপাকারে রাখা হয়। লবণের পর্যাপ্ততা না থাকলে লবণ ও পানির মিশ্রণের সাহায্যেও চামড়াকে কিছুদিনের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

চামড়া অনেকভাবে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। যেমন- কোনো খোলা মাঠে বা খোলা মেঝেতে বিছিয়ে রেখে; কোনো খোলা স্থানে তারের সাহায্যে ঝুলিয়ে এবং কোনো খোলা মাঠ বা খোলা স্থানে বাঁশের তৈরি ফ্রেমের সঙ্গে বেঁধে চামড়া শুকানো যায়। তবে রোদে শুকানো চামড়ার কিছু কিছু অসুবিধাও রয়েছে। রোদে শুকালে চামড়ার গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চামড়া সংরক্ষণের জন্য লবণ সবচেয়ে সহজ ও সুবিধাজনক উপায়।

চামড়া সংরক্ষণের জন্য বড় ট্যানারিগুলোয় একটা করে হিমাগার থাকে, যেখানে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়। চামড়া সংরক্ষণের প্রধান কারণ হলো যেন পরবর্তী সময়ে সেগুলো বিক্রি করে বেশি টাকা আয় করা যায়। ব্যাকটেরিয়া অথবা অন্য কোনো কীটপতঙ্গের সংক্রমণের হাত থেকে চামড়া রক্ষা করার জন্য কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক রাসায়নিক পদার্থ লবণের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়।

ভারতীয় লবণে বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম দ্রব্য মিশ্রিত থাকে। ফলে লবণের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে কাঁচা চামড়ায় ভারতীয় লবণ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। দেশীয় লবণে এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য না থাকায় তা চামড়া সংরক্ষণের জন্য খুবই কার্যকর।

ভয়েস টিভি/এএস

Categories
লাইফস্টাইল

করোনায় ঈদের ছুটিতে বই

করোনা মহামারির এই দু:সময়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না কেউ। কঠোর বিধিনিষেধ মানতে হচ্ছে সবাইকে। ছুটির দিনে দেরি করে ঘুম থেকে উঠেই অনেকেই বসবে টেলিভিশনের সামনে। শিশুরা দেখবে কার্টুন, থ্রিরার সিরিজ বা মুভি নিয়ে। গৃহিনীর কাটবে গৃহস্থালি কাজ কিংবা ফোনের বাড়তি আলাপ করে। বাড়ির কর্তা পত্রিকার পাতা দিয়ে দিনের শুরু করলেও একটি সময় বিরক্তিতে ধরবে তাকেও। এ সময়ে অনেকটা একঘেয়েমিতে সময় কাটাবে বাড়ির তরুণ-তরুণিরা।

একঘেয়েমি কাটাতে কোথাও বেড়াতে যাওয়া বা বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেয়ারও নেই উপায়। বাড়ির মেয়েরা মায়ের সাথে দু-একটা কাজে হাত দিলেও বিকেলটা কাটবে একেবারেই বোরিং। এই বোরিংনেস কাটাতে তখন খুব জরুরি বন্ধু হতে পারে বই। ঈদের দিন কয়েকের ছুটি দারুণভাবে কাজে লাগানোর একটা পথ হচ্ছে বই পড়া। পছন্দের কাগজের বই কিংবা ই-বুক পড়তে পারেন।

যেকোন ব্যাপার দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো থেকে শুরু করে বই আমাদের নতুন অনেক কিছু জানতে ও বুঝতে শেখায়। এমনকি আমরা দুঃখভারাক্রান্ত থাকলে ভালো কোন একটি বই পড়লে মন ভালো হয়ে যায় সঙ্গে সঙ্গে।

ঈদের ছুটিতে এমনই বই নির্বাচন করতে পারেন; যা কিনা খুব দ্রুতই শেষ করা যায়। আত্মজীবনী কিংবা পেশাজীবনে কাজে দেয় এমন কোনো বই পড়তে পারেন। আলোচিত উদ্যোক্তা কিংবা ব্যবসায়ীদের জীবন-দর্শনের ওপরে দারুণ সব বই পাওয়া যায়, তা কিনে কিংবা ই-বুক নামিয়ে নিয়ে পড়তে পারেন। একদিকে বই পড়াও হবে, অন্যদিকে বই থেকে কিছু শিখে-জেনে কাজের দুনিয়াতেও কাজে লাগানো যাবে। ইতিবাচক জীবন যাপনের ওপরেও বাংলা-ইংরেজি ভাষায় দারুণ সব বই আছে। এ ধরনের বইও পড়তে পারেন।

কোন বই পড়বেন আর কোন বই পড়বেন না, তা পছন্দ করতে হবে সতর্কতার সঙ্গে। কুরুচিপূর্ণ বই আমাদের চরিত্রহানি ঘটায়। ছোট বাচ্চা এবং বয়স্ক মানুষদের বুঝেশুনে ভালো বই পড়তে দেওয়া উচিৎ। কারণ, তাদের মন খুব নরম থাকে। একটি ভালো বই আমাদের বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শক হতে পারে।

খেলাধুলা, ঘুরে বেড়ানো কিংবা সিনেমা দেখে আমরা সকলেই সময়গুলো উপভোগ করতে পারি। কিন্তু আসল আনন্দ পাওয়া যায় বই পড়ার মাধ্যমে। ভালো বই পড়লে আমরা যেন নিজেদেরই ভুলে যাই। পৃথিবীর কোন দুশ্চিন্তা আমাদের স্পর্শ করতে পারেনা। আমরা যেন মুহূর্তের মধ্যেই সৌন্দর্য, কল্পনা এবং আনন্দের সাগরে ভেসে যায়।

যিনি সর্বদা বই পড়তে ভালোবাসেন, তিনি যেন একটি জ্ঞান-ভাণ্ডার! তিনি সব ব্যাপারেই কিছু না কিছু ধারণা রাখেন। একজন পড়ুয়া মানুষ কিন্তু ভালো বক্তা। তার একটি আলাদা সামাজিক সম্মান রয়েছে। তিনি যেকোন কিছুর ব্যাপারেই কথা বলতে পারেন। এজন্যে সকলেরই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিৎ।

কিছু বই আছে একেবারে প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে লেখা। সকলেই এমন বই পড়তে ভালোবাসে। কিছু বই আছে জ্ঞানভিত্তিক, কিছু আছে অনুপ্রেরণামূলক আবার কিছু রয়েছে হাস্যরসাত্মক। আপনার জন্য কোন বই মানানসই, তা বেছে নিন।

শিশুরা রূপকথার বই বা খণ্ড গল্পের বই পড়তে পারে। এতে ছোট ছোট গল্প থাকায় তাড়াতাড়ি শেষ করে নতুন গল্প পড়তে পারায় বইয়ের প্রতি একঘেয়েমিভাব আসবে না শিশুটির। কিশোরেরা পড়তে পারে বিজ্ঞানবিষয়ক বই। ইতিহাস পড়তে পারে তরুনরা। আত্মজীবনী পড়তে পারেন বাড়ির মুরুব্বিরা। এছাড়া কবিতাও পছন্দ করেন অনেকে।

যেকোন বই পড়তে শুরু করার আগে আমাদের খুব যত্নশীল হওয়া উচিৎ। ভালো বই আমাদের বিভিন্নভাবে গুণান্বিত করে তোলে। যে মানুষটি অনেক পড়াশোনা করেন, সমাজ ও সংস্কৃতির ব্যাপারে তার সমূহ ধারণা থাকে। আমাদের জীবন আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। কিন্তু খারাপ যেকোন বই আমাদের রুচিকে বিকৃত করে তোলে। এমন বই বর্জন করাই শ্রেয়।

ভয়েসটিভি/এএস