Categories
জাতীয়

এনআইডি হস্তান্তর জেনে বুঝেই হচ্ছে বললেন মন্ত্রী, সিইসি চায় আলোচনা

এনআইডি নিবন্ধন কার্যক্রমকে নির্বাচন কমিশনের হাত থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের দায়িত্বে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফ থেকে।

সরকার এরইমধ্যে স্থানন্তরের প্রক্রিয়া শুরু করলেও এ বিষয়ে আলোচনা করার ওপর জোর দিয়ে সিইসি কে এমন নূরুল হুদা বলেছেন, “আলোচনা করতে হবে। কীভাবে নেবে না নেবে অবশ্যই তা নিয়ে আলোচনা হবে। এটা তো টেবিল চেয়ার না যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম। এরপরে সরকার কী সিদ্ধান্ত… কী দেবে না দেবে এটা পরের কথা।”

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সব ‘জেনে-বুঝেই’ এনআইডি সেবাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয়েছে।

এক যুগ আগে নাগরিকদের এনআইডি দেয়ার শুরু থেকেই এ কাজ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে চলছিল। ইসির আপত্তির মধ্যেই সম্প্রতি সেই দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও ইসির মধ্যে চিঠি চালাচালি চলছে।
বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠান শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা।
উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের চিঠি পাঠিয়েছে, এটা নিয়ে যেতে চায়। এরপরও আমাদের সঙ্গে তাদের কথা বলতে হবে।… আলোচনার জায়গা থাকছে। এটা তো বড় প্রতিষ্ঠান, এটা বড় ধরনের কমপ্লিকেটেড বিষয়।”

সিইসির মতে, সরকারের রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী সুরক্ষা সেবা বিভাগের দায়িত্বে এনআইডি কার্যক্রম যুক্ত করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে প্রজ্ঞাপন জারির পরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

“ইসির যে দক্ষ লোকবল রয়েছে, তাদের দিয়ে সেবাটা দিতে পারি- এটা আমাদের যুক্তি। ইভেনচুয়ালি কী হবে না হবে তা তো এখন বলা যাবে না।”

এদিকে দুপুরে কারা অধিদপ্তরে কারাবন্দি পোষ্যদের ‘বঙ্গবন্ধু বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে যেসব কথা হচ্ছে, তা একেবারেই অবান্তর। আমরা জেনে-বুঝে সবার মতামত নিয়ে এনআইডি সেবাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে দিয়েছি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে।”

এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে দেওয়ার বিষয়ে মে মাসের মাঝামাঝি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনে পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

তখনই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে ইসিতে। আগের মতোই তা ইসির অধীনে রাখার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জুনের প্রথম সপ্তাহে চিঠি দেওয়া হয়। সবশেষ গত ২১ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইসি সচিবালয়কে আরেকটি চিঠি দেয়।

তাতে বলা হয়, সরকার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম ‘আইনানুগভাবে’ নির্বাচন কমিশন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ অবস্থায় ইসি যেন নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালন করে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি বলেন, “নিশ্চয় সচিব পর্যায়ে এ বিষয়ে কথাবার্তা হবে।… কেবিনেট থেকে আমরা চিঠি পেয়েছি। তাদেরকে আমরা উত্তর দিয়েছি। আমরা এই পর্যায়ে আছি।

“যদি এ বিষয়ে আমাদের কাছে মতামত, পরামর্শ বা তারা কি করতে চায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের সচিবের সঙ্গে বসে, তখন আমাদের বক্তব্য তুলে ধরা হবে।”

নির্বাচন কমিশন ২০০৭-০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকার কাজ শুরু করে। বর্তমানে দেশের ১১ কোটি ১৭ লাখের বেশি নাগরিক ভোটার তালিকাভুক্ত রয়েছে।

ভোটার তালিকার সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কাজটিও হয় ইসির মাধ্যমে। ২০১০ সালে ইসির অধীনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ একটি আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পায়।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
জাতীয়

১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্যে হুমকি : প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘চার বছরের বেশি সময় ধরে জোরপূর্বক বিতাড়িত ১ দশমিক ১ মিলিয়নের বেশি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় দিয়ে আসছি আমরা। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের আশ্রয় দিয়েছি।

কিন্তু দীর্ঘসময় ধরে এখানে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের আশ্রয়স্থল হতে পারে না। বিশ্ব সম্প্রদায়কে অনুরোধ করবো, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের তাদের মাতৃভূমিতে সম্মানজনক ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আমাদের সহায়তা করুন।’

২৩ জুন বুধবার তিন দিনব্যাপী নবম মস্কো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘একটি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যকার সংঘাত আন্তঃদেশীয় নিরাপত্তা সমস্যার জন্ম দেয়। এখন নিরাপত্তা ধারণার মধ্যে সামরিক হুমকি, ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজন, স্বেচ্ছায় গণঅভিবাসন, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং অন্যান্য অপ্রচলিত নিরাপত্তা হুমকি অন্তর্ভুক্ত।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এমনকি সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, বিছিন্নতাবাদ, ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র, সাইবার অপরাধ, আঞ্চলিক কোন্দল এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা দেখা দিয়েছে।’

এক্ষেত্রে সন্ত্রাস ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করার কথা দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য অংশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করবে।’

কোভিড-১৯ মহামারি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমান সময়ে এটি বিশ্বের অন্যতম বড় সমস্যা। এটি শুধু লাখ লাখ জীবনই নেয়নি, অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে এবং সারাবিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবিকাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জনস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত এবং বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এ মহামারিবিরোধী লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে।’

যে কোনো মূল্যে দেশের সব নাগরিককে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ টিকাদানের আওতায় আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য সব উৎস থেকে সরকার টিকা সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সরকার টিকার জন্য রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংযুক্ত আছে। বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে এমনকি আমাদের যদি টিকা উৎপাদন চেইনে নেয়া হয়, আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়কে সহায়তা দিতে পারবো।’

বিশ্ব সম্প্রদায়কে কোভিড-১৯ যুদ্ধে সবার জন্য টিকা নিশ্চিত, অসহায় মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা, রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন, সন্ত্রাসীদের অস্ত্র ও অর্থসহায়তা বন্ধ করা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সামরিক সংস্থারগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জলবায়ু সমস্যাকে বড় ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ইস্যুতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের যথাযথ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের কোনো অবদান নেই, তারপরও বাংলাদেশ অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ।’

জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায় জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সবার জন্য শিক্ষা ও সব সুবিধা সরবরাহের মাধ্যমে মানুষের মধ্যকার বৈষম্য এবং পরিবেশ নিশ্চিত করার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।’

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
জাতীয়

২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৮৫ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭৮৭ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫ হাজার ৭২৭ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৭ জনে।

বুধবার (২৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৮ হাজার ২৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৫ হাজার ৭২৭ জনের রিপোর্ট পজিটিভি আসে। নমুনা পরীক্ষার হিসাবে শনাক্তের হার ২০ দশমিক ২৭ শতাংশ।

এর আগে ২২ জুন মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৭৬ জনের মৃত্যু এবং ৪ হাজার ৮৪৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
জাতীয়

ভ্যাকসিন দিতে না পারলে সেরাম টাকা ফেরত দেবেই : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট যথাসময়ে করোনার ভ্যাকসিন দিতে না পারলে টাকা ফেরত দেবে। ২৩ জুন বুধবার দুপুরে ১৮তম অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও ২২তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজকের অর্থনৈতিক সংক্রান্ত সভায় দুটি এজেন্ডা এবং ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভায় ১৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদিত ১৬ প্রস্তাবের মোটর অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৯ কোটি ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৮টাকা।

ভারতের কাছ থেকে টিকা নিতে না পারলে টাকা ফেরতের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এটা দেখভাল করবে। চুক্তি অনুযায়ী কতেদিন সময় নিয়েছিল সেটি দেখতে হবে। তাদেরও (ভারত) সেখানে টিকা প্রয়োজন। সেসমস্ত কারণ বিবেচনায় নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। অবশ্যই এটা ঠিক, তারা ফেইল করলে টাকা ফেরত দেবেই।’

রিজার্ভ চুরির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চুরি হওয়া টাকার বিষয়ে আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় গেছি। যারা যারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বা আমাদের চিন্তায় যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করেছি, মামলা এখনও চলমান। এ সময়ে এ বিষয়ে কোনো মামলা করা সমীচীন নয়। সেজন্য আমি কোনো মন্তব্য করব না।’

সংসদীয় কমিটিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি সার্জিক্যাল মাস্ক ৩৫৬ টাকা দরে কেনা হয়েছে, এগুলো সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে। কেবিনেট কমিটি মনিটর করলে ২ থেকে ১০ টাকার মাস্ক কীভাবে ৩৫৬ টাকা দিয়ে কেনা হয় এমন প্রশ্নের জাবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে যেভাবে বরাদ্দ দেয়া হয় তেমনিভাবে তাদের ক্রয় করার সুযোগও আছে। তারা নির্দিষ্ট লিমিটের মধ্যে কিনতে পারে, সেই লিমিট যখন ক্রস হয়ে যাবে তখন আমাদের কমিটিতে আসবে। তার আগে মন্ত্রণালয় যথাযথ কর্তৃপক্ষ, তাদের ক্রয়ের ক্ষমতা রয়েছে।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয়

‘এনআইডি তো টেবিল-চেয়ার না যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম’

‘জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা টেবিল-চেয়ার না যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম’ এমন মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, এনআইডি নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে। সেখানে আমাদের আরও যে যুক্তি আছে সেগুলো তুলে ধরবো। এরপর সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেবে না নেবে এটা তো পরের কথা।

২৩ জুন বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

এনআইডি সেবা হস্তান্তরের প্রজ্ঞাপন হয়ে গেলেও আলোচনার সুযোগ থাকছে কি-না এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘থাকছে। অনেক বড় প্রতিষ্ঠান তো এটা। কিভাবে নেবে, না নেবে এ বিষয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে। এটা তো টেবিল চেয়ার না যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম। বসতে হবে। এই কথা তো আমি বলেছি অনেকবার যে, কমিশন চায় এনআইডি আমাদের কাছে থাকুক।’

এনআইডি সেবা চলে গেলে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অসুবিধা হবে। নিশ্চয়ই সচিব পর্যায়ে এ বিষয়ে কথাবার্তা হবে। আমাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো তাদেরকে জানাবো।’

নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছিল তার উত্তরে তারা কী বলেছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘তারা শুধু বলেছেন যে আগের সিদ্ধান্তেই আছেন। এটার ওপরে অনেক কাজ। আমাদের সাথে উনারা বসবেন, অবকাঠামো নিয়ে হিসাবপত্র আছে সেগুলো নিয়ে প্রক্রিয়া আছে তার ওপরে সিদ্ধান্ত হবে। আমরা তো আমাদের অবস্থান অনেক আগেই বলেছি।’

সিইসি আরও বলেন, ‘সরকারের কাছে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত হয়েছে এরকম বলা যায় না। তারা নিতে চায়, আমরা দেবো না এরকমও বলা যায় না। সেই রকম অবস্থানে আমরা নেই। আমাদের বসতে হবে তাদের সঙ্গে এটা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কথা। বসে আমাদের যে অবস্থান আছে সেটা তাদেরকে বুঝাবো, সিদ্ধান্ত কী হবে তখনকার টা তখন দেখা যাবে। এখন তো আগেই বলা যাবে না।’

সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে কমিশনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কেবিনেট তো আমাদের কাছে উচ্চ পর্যায়। কেবিনেট থেকে আমরা চিঠি পেয়েছি। তাদেরকে আমরা উত্তর দিয়েছি। আমরা এই পর্যায়ে আছি। তারা যদি এ বিষয়ে আমাদের কাছে মতামত অথবা পরামর্শ বা তারা কী করতে চায় সেটা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের সচিবের সাথে বসে তখন আমাদের বক্তব্য তুলে ধরা হবে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সরকার কী যুক্তিতে চায় তাদের অবশ্যই কিছু যুক্তি আছে। আমাদেরও কিছু যুক্তি আছে, এগুলো নিয়ে ডায়লগ হবে। তাদের বক্তব্য হলো- এই সেবা নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকে না এবং সেই যুক্তিটা ঠিক। আসলেই অন্যকোনো দেশে এটা থাকার বিষয় না। আর আমাদের যুক্তি হলো- এই কাজটা আমাদের অনেক পরিশ্রমের ফসল। এই কাজটা করার জন্য আমাদের কয়েক হাজার নিবেদিত কর্মী তৈরি হয়েছে এবং তারা অত্যন্ত প্রফেশনাল। এতদিনের ভুল-ভ্রান্তি শেষে সব পেরিয়ে অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের প্রযুক্তি সম্পন্ন কাজ তারা তৈরি করতে পেরেছে। এটার জন্য নির্বাচন কমিশন গর্ববোধ করে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলেছিলাম যে, এতগুলো লোক আবার তৈরি করা, আবার ১২ বছর ঘুরে অন্যকোনো ডিপার্টমেন্টের পক্ষে সম্ভব না। তাদের যুক্তি হলো- সরকারের জিনিস তারা নিয়ে যাবে। তোমরা তো সরকার না। আমরা বলি, আমরা সরকার না কিন্তু সরকারের যখন যা দরকার হয়, আমরা সরকারের সেসব সেবা দিতে পারি।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয়

টিকা ক্রয়ের জন্যে ৭৯৯০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি

করোনাভাইরাসের টিকা ক্রয়ের জন্যে বাংলাদেশকে সাত হাজার ৯৯০ কোটি টাকা (৯৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণের অনুমোদন দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

সংস্থার পক্ষ থেকে ২৩ জুন বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত ঋণের অর্থ দিয়ে বাংলাদেশ প্রায় ৪ কোটি ৪৭ লাখ (৪৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন) ডোজ টিকা কিনতে পারবে।

এ প্রসঙ্গে এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতুসুগু আসাকাওয়া বলেন, টিকা প্রদান করোনার বিস্তার রোধ করতে পারে, মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে এবং অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে আনতে পারে। করোনার থেকে রক্ষা এবং অর্থনীতিতে পুনরায় গতি ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার এডিবির চলমান প্রকল্প এটি।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয়

রাজধানীর মোড়ে মোড়ে অবৈধ সিসি ক্যামেরা, জানে না প্রশাসন

ঢাকার মোড়ে মোড়ে শতাধিক সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ক্যামেরাগুলো যুক্ত আছে পিপ দ্য প্লেস নামক একটি অ্যাপসে। এ অ্যাপসের সাহায্যে ঘরে বসেই দেখা যাবে ক্যামেরার আওতায় থাকা সড়কের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি। সাবস্ক্রিপশন ফি’র বিনিময়ে এসব ক্যামেরায় মিলবে লাইভ স্ট্রিমিং ও স্থির চিত্র।

ঢাকার বাইরের কয়েকটি জেলায়ও বসানো হয়েছে ক্যামেরা। তবে প্রতিষ্ঠানটির এ কার্যক্রমে অনুমোদন নেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), দুই সিটি করপোরেশন কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট থানার অনুমতি নিয়ে ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে। শুধু সড়কের পরিস্থিতি জানানোর উদ্দেশ্য ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হলেও এর অপব্যবহার নিয়ে শংকা দেখা দিয়েছে।

এসব ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম প্রাইভেট কোম্পানির হাতে গেলে তা জননিরাপত্তা ছাড়াও প্রাইভেসির ঝুঁকি রয়েছে।

কোনো দুর্বৃত্ত যদি কারও ক্ষতি করার জন্য তাকে অনুসরণ করতে চায় তবে সে সহজেই এই ক্যামেরার মাধ্যমে তার গতিবিধি অনুসরণ করতে পারে। এছাড়া ভিনদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এই ক্যামেরার সাহায্যে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি করতে পারে। তাই অনুমোদনহীনভাবে সিসি ক্যামেরা বসানোর কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশে প্রাথমিকভাবে দুই শতাধিক ক্যামেরা বসিয়েছিল। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরী ত্রুটির কারণে বেশকিছু ক্যামেরা অচল হয়ে পড়ে।

বর্তমানে ১০০ এর অধিক ক্যামেরা চালু আছে। ঢাকার মধ্যে প্রগতি সরণি, কুড়িল ফ্লাইওভার, খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ, টঙ্গী, বাংলামোটর, মিরপুর-১৪, মালিবাগ রেলগেট, আদাবর, ৩০০ ফিট রোড, মিরপুর-২, আবদুল্লাহপুর, মণিপুর স্কুল, সাত মসজিদ রোড, শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর-১, আনসার ক্যাম্প, কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড, কাজীপাড়া, টেকনিক্যাল, মেরুল বাড্ডা, অফিসার্স ক্লাব, কলেজ গেট, রাজমণি সিনেমা হল, শ্যামলী বাসস্টপ, পান্থপথ ক্রসিং, বেতার ভবন, মোহাম্মদপুর বাসস্টপ, কাজীপাড়া, পুরাতন রমনা থানা, ফার্মগেট, লালমাটিয়া, নবাবপুর রোড, ধানমন্ডি-২৭, বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার, তোপখানা রোড, খিলক্ষেত, কৃষি মার্কেট, বাড্ডা লিংক রোড, মোহাম্মদপুর টাউন হল, শ্যামপুর, মিরপুর চিড়িয়াখানা, ৬০ ফিট রোড, স্কয়ার হাসপাতাল, শ্যামলী রিং রোড, এমইএস, জাপান গার্ডেন সিটি, মানিক মিয়া মোড়, মগবাজার ওয়্যারলেস, রাসেল স্কয়ার, মহাখালী, গুলিস্তান, বেইলী রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, গাবতলী বাসস্টপ, সবুজবাগ, উত্তরা জসীম উদ্‌দীন, নিকুঞ্জ, মিরপুর সাড়ে ১১, শাহবাগ মোড়, মৎস্য ভবন মোড়, কমলাপুর, আসাদ গেট এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার বাইরে ভোগড়া বাইপাস, কাঁচপুর ব্রিজ, গাজীপুর চৌরাস্তা, বোর্ড বাজার, চিটাগাং রোড, গাজীপুরা বাসস্টপ, সাইনবোর্ড, চাষাঢ়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে পিপ দ্য প্লেস। ডিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ইফতেখায়রুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, ঢাকায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর বিষয়ে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে স্থানীয় কোন কোন থানা থেকে অনুমতি দেয়া হয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে তার জানা নেই। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানাতে পারবেন বলে জানান তিনি।

পিপ দ্য প্লেসের উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার মোহছিয়ুল হক বলেন, বর্তমানে যানজট একটি বড় সমস্যা। প্রযুক্তি ব্যবহার করে যানজট এড়ানো সম্ভব। এই অ্যাপসের মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই রাস্তার তাৎক্ষণিক অবস্থা জানতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটি আইনগত বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি একটি স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান। আমরা বছর দেড়েক আগে কার্যক্রম শুরু করেছি। যেহেতু পরীক্ষামূলকভাবে ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে তাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমোদন নেয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান যেসব এলাকায় অনুমতি পাইনি সেসব এলাকায় আমরা ক্যামেরা লাগাইনি। অনেক থানা অনুমোদন দিলেও কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে ক্যামেরা বসানো হয়নি।

এদিকে গুগল প্লে স্টোরের তথ্য অনুযায়ী, পিপ দ্য প্লেস অ্যাপটি এক লাখেরও বেশি মানুষ ডাউনলোড করেছেন। অ্যাপটি ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারকারীকে প্রথমে তার ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পরবর্তীতে তাকে সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে সেবা নিতে হবে। প্রথম ১৬ বার বিনামূল্যে অ্যাপ থেকে সেবা নেয়া যাবে। পরবর্তীতে মাসিক ৩০ টাকা অথবা বাৎসরিক ৩০০ টাকা ফি দিয়ে সেবা অব্যাহত রাখা যাবে। এক হাজারের বেশি মানুষ অ্যাপটির ব্যাপারে তাদের রিভিউ দিয়েছেন। রেজিস্ট্রেশনে ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়ায় অনেকে অ্যাপটি সম্পর্কে বিরূপ রিভিউ দিয়েছেন।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
জাতীয়

শুক্রবারের পর ফের বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা

চলতি মাসের শুরু থেকেই ক্রমাগত বৃষ্টি হচ্ছে দেশে। তারপর থেকে রোদ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তবে গেল দুই দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে। দেখা যাচ্ছে রোদের দাপট। তবে এই অবস্থাও খুব বেশিদিন থাকছে না। ২৫ জুন শুক্রবারের পর ফের বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।

২৩ জুন বুধবার আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, ‘গত দুই দিন তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২৩, ২৪ ও ২৫ জুন মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে। ২৫ জুন রাত থেকে বা ২৬ জুন থেকে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা আছে।’

বুধবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হলেও তা পরিমাণে ছিল কম। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে চাঁদপুরে ৩৫ মিলিমিটার। আর ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৪ মিলিমিটার।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয়

আওয়ামী লীগ জনগণের সঙ্গে আছে ও থাকবে : ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘আওয়ামী লীগ জনগণের দল, জনগণের সঙ্গে আছে ও থাকবে। কেউ ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে দেশের মাটি ও জনগণের কাছ থেকে দূরে রাখতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ জুন বুধবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকের অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির মূলোৎপাটন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অতীতে যেমন জনগণের সঙ্গে ছিল, এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কেউ যড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে দেশের মাটি ও জনগণের কাছ থেকে দূরে রাখতে পারবে না।’

অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর বড়ুয়া প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন : বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস টিভি/ডি

 

Categories
জাতীয়

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এ বছর ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোনো এই সংগঠনটি।

২৩ জুন বুধবার সকালে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এ সময় সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৪৯ সালের এই দিনে রাজধানী ঢাকার কে এম দাস রোডের রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ হয় পূর্ব বাংলা আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরবর্তীতে ‘মুসলিম’ ও দেশ স্বাধীনের পর ‘পূর্ব বাংলা’র পরিবর্তে বাংলাদেশ যুক্ত হয়। আওয়ামী লীগ ৭২ বছরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাফল্যের দীর্ঘ রেখা তৈরি করেছে। দলটির নেতৃত্বে ভাষা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের স্বীকৃতি অর্জন হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস