Categories
রাজনীতি

দেশে মত প্রকাশের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে বিরাজ করছে।

৮ মার্চ সোমবার নিজের সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এমন দাবি করেছেন তিনি।

দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই বলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করার জন্য এ পর্যন্ত একজন বিএনপি নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়নি। তাই দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে বিরাজ করছে।’

বিএনপির ‘বিকল্প আন্দোলনের’ হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির বিকল্প আন্দোলন হচ্ছে দেশ-বিদেশে গোপন বৈঠক আর ষড়যন্ত্র। এসব আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলনের বিকল্প হচ্ছে আগুন-সন্ত্রাস, অপরাজনীতি আর গুজব তৈরি করা।

বিএনপির নেতাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, বিকল্প আন্দোলনের নামে দেশের সম্পদ এবং মানুষের জীবনহানি ঘটানোর অপপ্রয়াস জনগণ ও সরকার মেনে নেবে না।

অবশ্য ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা এ পর্যন্ত রাজপথে কোনো ধরনের আন্দোলনের ঢেউ তুলতে পারেনি, তাদের বাধা দেয়ার দরকার হয় না। বিএনপি আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে বিএনপি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যে বিএনপি ৭ মার্চকে নিষিদ্ধ করেছিল, আজ সেই বিএনপি রাজনৈতিক কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে। বাংলাদেশের সব অপশক্তিকে পরাজিত করে সোনার বাংলা গড়ে তোলা হবে।’

৭ মার্চ রোববার সকাল ৯টায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে, এটি তাঁদের রাজনৈতিক কৌশল। বাংলাদেশের সব অপশক্তিকে পরাজিত করে সোনার বাংলা গড়ে তোলা হবে।

এর আগে সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

বিএনপি নেতার উসকানিমূলক বক্তব্যে দেশবাসী বিক্ষুব্ধ: কাদের

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির এক নেতা দেশে আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটানোর যে ইঙ্গিতপূর্ণ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে দেশবাসী বিক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এই বক্তব্য বিএনপির ফ্যাসিবাদী মানসিকতা, ষড়যন্ত্র এবং খুনের রাজনীতির চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

৫ মার্চ শুক্রবার ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

গত মঙ্গলবার রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগস্টের কথা মনে নেই আপনার? তার এ বক্তব্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলেও বিএনপির পক্ষ থেকে এর কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য দেওয়া হয়নি, তা হলে কি ধরে নেব এটি বিএনপির দলীয় বক্তব্য?

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ আশা করে বিএনপি এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করবে।

১৫ ও ২১ আগস্ট একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতার এ বক্তব্যে তাদের খুনের রাজনীতির স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।

‘এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় বিএনপি এখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে। এ ষড়যন্ত্রের জাল দেশ-বিদেশে বিস্তৃত। তাদের বক্তব্য লন্ডনের ছক অনুযায়ী গোপন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতোমধ্যে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ এ বক্তব্য প্রত্যাহারে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে। আশা করছি কেন্দ্রীয় বিএনপি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে।

সরকার নির্বাচিত নয়, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সরকারের পতন হবে- বিএনপি মহাসচিবের এ বক্তব্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির এমন হুমকি-ধামকি আমরা বছরের পর বছর শুনেছি, তাদের আন্দোলন এবং সরকার পতনের ঘোষণার একযুগ পূর্তি হয়ে গেছে এরই মধ্যে। জনগণ এখনো কোনো আন্দোলন দেখতে পায়নি রাজপথে।

তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি সরকার পরিচালনায় একাধিক বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্র তৈরি করেছিলো। এখনো তাদের আন্দোলনের ডাক আসে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ক্ষমতাকেন্দ্র থেকে। বিএনপি নেতারা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অন্ধ বিরোধিতা করছে, আইনটির যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটছে কিনা, সে বিষয়টির প্রতি সরকার কড়া নজর রাখছে। প্রযুক্তির এ যুগে জনস্বার্থেই এ আইন করা হয়েছে, আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয়, সে বিষয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। বিএনপি এখন এ আইন নিয়ে মানবাধিকারের কথা বলছে, অথচ ১৯৭৫ এর হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতির পিতার খুনিদের বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি সারাদেশ

‘জিয়াউর রহমান কোনোদিন বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করেননি’

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, স্বাধীনতা সংগ্রামকে সুসংহত ও দৃঢ় করেছে সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, লেখকরা। জিয়াউর রহমান তার জীবনে কোনোদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি। বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতা। কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য যারা খেতাব পেয়েছে, তাদের অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশে আর মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া যাবে না।

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশের আর কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে আপনারা সম্মান করবেন বিএনপি সেটা বিশ্বাস করতে পারে না। জিয়াউর রহমানকে অগ্রাজ্য করা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করার সমান। জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করা মানে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা। মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। সেই গণতন্ত্র হত্যা করেছে আওয়ামী লীগ। খন্দকার মোশতাক মার্শাল ল করেছে। খন্দকার মোশতাক তো বিএনপির ছিলো না। বিএনপি গণতন্ত্রকে বার বার উদ্ধার করেছে।

নজরুল

ইকবাল হাসান টুকুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম ও মিডিয়া কমিটির সদস্য সচিব শ্যামা ওবায়েদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এ সময় ময়মনসিংহ বিভাগে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

‘পুড়িয়ে মানুষ মেরে বিএনপি এখন কৃত্রিম দরদ দেখায়’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশের মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আছে বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের আস্থার বাতিঘরে পরিণত হয়েছেন। তিনি হয়েছেন মাদার অব হিউম্যানিটি। পক্ষান্তরে বিএনপি জীবন্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মারে আর এখন কৃত্রিম দরদ দেখায়।’

৪ মার্চ বৃহস্পতিবার নিজ সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল। সেই সময়ের সরকার দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল। মানুষের জানমাল ছিল নিরাপত্তাহীন। অথচ তারা এখন বলছে দেশের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। বিএনপি করোনাকালে অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে তারা এখন মায়া কান্না কাঁদছে।’

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সড়ক ও জনপথ অধিদফতরে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভায় তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হন।

এিই সময় তিনি দেশের যেসব এলাকায় নির্মাণাধীন সড়কের কাজ ঢিলেঢালাভাবে চলছে সেসব সড়কগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বর্ষার আগেই সারাদেশে চলমান সংস্কার কাজগুলোও শেষ করতে বলেন।

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্প আমাদের দুর্ভাবনার একটি প্রকল্প, এই প্রকল্প অনেক অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। ২০১২ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের সওজ অংশের অগ্রগতি মাত্র ৩৫ শতাংশ। এই ব্যর্থতা সবার।’

তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রকল্পসহ বিভিন্ন চলমান কাজ মানসম্মত রেখে দ্রুত শেষ করার কঠোর নির্দেশ দেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। ২ মার্চ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বরাবর এ আবেদন করা হয়। ৩ মার্চ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দফতর থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ঠিকমতো করতে না পারায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন করা হয়।

গত বছরর ২৫ মার্চ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়া হয়। এরপর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়।

মুক্তির পর থেকেই গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন খালেদা জিয়া। সেখানেই চলছে তার চিকিৎসা। তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ব্যহত হচ্ছে, এমনটা জানিয়ে তার পরিবার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবারও আবেদন করেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। এর মধ্যে ১১ মাস তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মামলা দায়ের হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সর্ম্পকিত দুটি দুর্নীতির মামলায় ১৭ বছরের সাজা নিয়ে খালেদা জিয়া কারাভোগ করছিলেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

বিএনপির স্বাধীনতা দিবস পালন তামাশা ছাড়া কিছু নয় : কাদের

‘স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে মিলে বিএনপির স্বাধীনতা দিবস পালন তামাশা ছাড়া কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে বিএনপি বারবার স্বাধীনতার চেতনা ও মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

৩ মার্চ বুধবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ-কমিটির পরিচিতি সভায় এ কথা বলেন কাদের। তিনি তার সরকারি বাস ভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সভায় যুক্ত হন।

বিএনপির সমাবেশ উপলক্ষে বাস বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের কারণে বাসমালিকরা জ্বালাও পোড়াওয়ের ভয়ে বাস চালানো বন্ধ করে দেয়। এতে সরকারের কোনো হাত নেই। বিএনপি লাঠিসোটা দিয়ে পুলিশকে পেটাচ্ছে এটা জনগণ দেখছে। এটাই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি তাদের নেতিবাচক রাজনীতির ধারা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অপরাজনীতির কারণে জনগণ ও নেতাকর্মী থেকে বিএনপি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ভোট নেই। তাই পরাজয় নিশ্চিত জেনে তৃণমূল নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে।’

এ সময় নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘অনেকেই উপ-কমিটিতে নাম লেখানোর পর আর খোঁজ-খবর পাওয়া যায় না। উপ-কমিটির সদস্য পদে নাম লিখিয়ে কেউ কেউ কার্ড ছাপিয়ে নানা অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আবার একজন বিভিন্ন কমিটেতে নাম লেখান, তাদের নাম সব কমিটি থেকে বাদ দেয়া হবে।’

এ সময় সততা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে সবাইকে কাজ করার পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দীর সঞ্চালনায় পরিচিতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপাসহ ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।

ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমতুল্লাহ অসুস্থ থাকায় সভায় অংশগ্রহণ করেননি।

এর আগে সকালে ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর নেতৃত্বে উপ-কমিটির সদস্যরা ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
রাজনীতি

আমাদের গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে দেশের একমাত্র প্রধান সংকট হচ্ছে যে, আমাদেরকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে-টু রেস্টোর ডেমোক্রেসি। আজকে আমাদের গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে, স্বাধীনতার সমস্ত চেতনা লুণ্ঠন করে নিয়েছে। বিএনপিকে নেতৃত্ব দিতে হবে এই ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবার জন্যে।

২ মার্চ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগ জাতিকে বিভক্ত করেছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গোটা জাতি বিভক্ত হয়ে গেছে। তারা শুধুমাত্র তাদের নেতা এবং যে সমস্ত নেতৃবর্গ আছেন তাদেরকে ছাড়া আর কাউকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্যে স্বীকৃতি দিতে চায় না।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা কোনো একজন বিশেষ ব্যক্তি বা কোনো বিশেষ গোষ্ঠি বা দলের কারণে আসেনি। স্বাধীনতা এসেছে দীর্ঘকাল ধরে এদেশের মানুষের যে স্বাধীনতা আকাঙ্ক্ষা আমি যতটুকু দেখেছি যে, সেই বৃটিশ পিরিয়ড থেকে এদেশের মানুষ স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা করে আসছিল, সেজন্য এখানে বৃটিশদের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলন হয়েছে, পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠে যার নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা জানাতে চাই যিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে এদে্শের স্বাধীন হওয়া হতো না, তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে সারা দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো না, তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে সত্যিকার অর্থেই যে চেতনার জন্য আমরা লড়াইটা করেছিলাম-একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সেটা সম্ভব হতো। দুর্ভাগ্য আমাদের স্বাধীনতার পরে যারা ক্ষমতায় বসলেন তাদের হাতে গণতন্ত্র হত্যা হলো, তারা সর্বপ্রথম পুরনো কালাকানুন বিশেষ ক্ষমতা আইন, জরুরি অবস্থার আইন এবং সর্বপরি সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করল। তাদের যে রাজনৈতিক ক্যামেস্টি, তাদের যে চিন্তা-দর্শন সেখানে একটা একনায়কতান্ত্রিকতা, একটা স্বৈরাচারী মনোভাব ইনহেরেন্ট তাদের মধ্যে রয়ে গেছে। সেই কারণে এতো দীর্ঘকাল পরে আবার ক্ষমতায় আসার পরে তারা সেই ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করবার জন্য একই পথ বেঁছে নিয়েছে।

ফখরুল বলেন, আজকে সরকার গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠান ধবংস করেছেন, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রকে ব্যবহার করছেন। আজকে সত্যিকার একটি স্বাধীন বাংলাদেশ নির্মাণ করা, সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করা, সত্যিকার অর্থে একটা উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সেটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

ছাত্রদলের গুণ্ডাদের অরাজকতার সুযোগ দেব না: জয়

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, ‘ছাত্রদলের গুণ্ডাদের বলতে চাই, আপনারা অছাত্রদের সংগঠন। অছাত্রদের এই সংগঠনকে আমরা আর কোনো ধরনের অরাজকতার সুযোগ দেব না।’

২ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক আনন্দ র‌্যালি-পরবর্তী সমাবেশ হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে এই র‌্যালি করা হয়। এতে অংশ নেন ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগের সভাপতি জয় বলেন, বিএনপি জোটের আমলে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদী দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। বিএনপির নেতৃত্বে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তখন লোডশেডিং ছিল। এখন আমরা জানতেও পারি না কখন লোডশেডিং হয়। করোনা মোকাবিলায় সারা বিশ্ব যখন হিমশিম ও হোঁচট খেয়েছে, সেই সময়ে বাংলাদেশে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ অব্যাহত রেখে করোনো মোকাবিলায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা এখন সারা পৃথিবীতে একটি আশ্চর্য। শেখ হাসিনা যখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করেছেন, তখন একটি পক্ষের চুলকানি শুরু হয়ে গেছে। তাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কারণ, তারা সরকার হটানোর দিবাস্বপ্ন দেখেছিল। এত সহজ নয়। এই দেশে পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা স্থান পাবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ আছে।

ছাত্রলীগ সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, ‘আজকে জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মারা বিভিন্ন জায়গায় মাথাচাড়া দিচ্ছে। তাদের ও ছাত্রদলের গুণ্ডাদের উদ্দেশে বলতে চাই, গুণ্ডামি করে লাভ নেই। ছাত্রলীগ মাঠে আছে। দুদিন আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। ছাত্রদলের গুণ্ডারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর বাঁশ দিয়ে অতর্কিত হামলা করেছিল। ছাত্রদলের গুণ্ডাদের বলতে চাই, আপনারা অছাত্রদের সংগঠন। অছাত্রদের এই সংগঠনকে আমরা আর কোনো ধরনের অরাজকতার সুযোগ দেব না।’

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক এজিএস সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: বিএনপিকে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি ছেড়ে উন্নয়নে শামিল হওয়ার আহ্বান

আরও পড়ুন: ‘আসামিকে দিয়ে বিএনপির অনুষ্ঠান উদ্বোধন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান’

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

‘আসামিকে দিয়ে বিএনপির অনুষ্ঠান উদ্বোধন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি দুর্নীতি মামলার একজন দণ্ডিত আসামিকে দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করার শামিল। দলে অনেক সিনিয়র নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা থাকতে টেমস নদীর পাড় থেকে আসামিকে দিয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন স্বাধীনতার প্রতি বিএনপির কমিটমেন্ট নিয়েই জনগণ এখন প্রশ্ন তুলছে।’

২ মার্চ মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রাম জেলার চট্টগ্রাম-বোয়ালমারী রুটে বিআরটিসির দোতলা বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন। তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানমালা একজন পলাতক আসামি দিয়ে উদ্বোধন করায় দেশবাসী বিস্মিত হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। বিএনপি উগ্র-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে দেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়ে কোন চেতনা বাস্তবায়ন করতে চায়?’

বিএনপির মুখে স্বাধীনতার চেতনা ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতোই বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘তারা যখন নির্বাচনে জিতে তখন এক কথা বলে, আর পরাজিত হলে বলে আরেক কথা। জনগণ ভোট না দিলেও তাদেরকে জোর করে জিতিয়ে তবেই প্রমাণ করতে হবে দেশে গণতন্ত্র আছে?’

আওয়ামী লাগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সন্ত্রাস নির্ভরতায় বিএনপির আন্দোলনে মানুষ এখন আর সাড়া দেয় না বরং মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয় তাদের আন্দোলনের কথা শুনলে। বিএনপির ভোট কেন কমে গেছে, এর দায় নির্বাচন কমিশনের নয়। তারা তাদের ব্যর্থতার দায় অন্যদের ওপর চাপাতে সবসময় সিদ্ধহস্ত।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গাড়ি চালনায় নারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তাই নারীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া উচিত।’

মন্ত্রী বিআরটিসিকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ পুরোদেশে বাস পরিচালনার জন্য নতুন রুট চিহ্নিত করে রুট সম্প্রসারণ করতে হবে।’

চট্টগ্রাম বোয়ালখালী প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং বিআরটিসির চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আরও অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভয়েস টিভি/এসএফ