Categories
রাজনীতি

আগামী জাতীয় নির্বাচনেও আ.লীগ বিজয়ী হবে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার সততা এবং দেশপ্রেমের কারণে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে।

২৯ সেপ্টেম্বর বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় জাদুঘরে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সততা এবং সাহসীই হচ্ছে শেখ হাসিনার ম্যাজিক। দেশের রাজনীতি থেকে অপকর্মকারী ও দুর্নীতিবাজদের না বলতে হবে। ভালো মানুষকে দেশের রাজনীতিতে আসতে হবে। ভালো মানুষ রাজনীতিতে না এলে দেশের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই মেধাবী, সৎ ও চরিত্রবান সুনাগরিকদের রাজনীতিতে আসতে হবে।

তিনি বলেন, টেমস নদীর পাড় থেকে আসা বার্তায় দেশে আন্দোলনের হাঁকডাক দিচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ হাঁকডাক আমরা অনেক শুনেছি। বিএনপির ভাঙাহাট আর জমবে না।

তিনি আরও বলেন, ঘুম থেকে উঠলেই পত্রিকা এবং টেলিভিশনে কিছু খবর দেখি। ১৩ বছর ধরে বিএনপির আন্দোলনের হুমকি-ধমকিতেই সীমাবদ্ধ। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্দোলনের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। ১২ বছরে যারা কিছুই করতে পারেনি আগামী দিনেও তারা কিছুই করতে পারবে না। টেমস নদীর পাড় থেকে আসা বার্তায় মির্জা ফখরুল কিছুদিন নড়েচড়ে বসেন এরপরে আবার হারিয়ে যান। বক্তৃতা বিবৃতি মধ্যেই সীমাবদ্ধ বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি। আওয়ামী লীগ জানে আন্দোলন কি ও কত প্রকার সুতরাং আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।

সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মানুষের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার সততা এবং দেশপ্রেমের কারণে আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। শেখ হাসিনার জন্যই দেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্র আজ শৃঙ্খল মুক্ত হয়েছে।

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অসাধু মানুষের পদচারণা বেড়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, চরিত্রহীন অসৎ রাজনীতিবিদরা ইতোমধ্যে দেশের রাজনীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন। সৎ, সাহসী এবং চরিত্রবান মানুষকে রাজনীতিতে আসতে হবে। মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের রাজনীতিতে না এলে দেশের রাজনীতির ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব কে এম শহীদউল্যা, উপদেষ্টা তরফদার মো. রুহুল আমিন ও সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।

ভয়েসটিভি/এসএস

Categories
রাজনীতি

‘শেখ হাসিনার জন্মে আমরা ধন্য’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুর কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের রোল মডেল। তার জন্মে আমরা ধন্য। দেশের প্রতিটি স্থানেই তার রয়েছে অসামান্য কৃতী। তার অসামান্য সাহসে তিনি পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। দেশ তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার শরীয়াতপুরের নড়িয়ায় দোয়া ও পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি তিনি এই কথা বলেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কেএম এনামুল হক শামীমের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী যোগ দেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান। আগামী বছর আপনারা এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারবেন। অনেকেই ষড়যন্ত্র করেছে পদ্মা সেতুর বিপক্ষে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটার পাত্তা দেননি। নিজেদের অর্থায়নে এই সেতু করেছেন। নড়িয়াবাসী এখন উন্নয়নের পথে। তারা এখন প্রতি বছর ভাঙন আতঙ্কে থাকে না। সেটা এখন পর্যটন কেন্দ্রে রূপ নিয়েছে।

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, আজ আমাদের আনন্দের দিন। এই দিনে প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেছে। আমরা ধন্য তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবো।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান খোকা, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান, জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান, বাহাদুরপুরের পীর সাহেব ফক্বীর আব্দুল্লাহ মোহাম্মাদ হাসানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় নড়িয়া ও সখিপুরের সকল মসজিদের ইমামদের হাতে কোরআন শরীফ তুলে দেয়া হয়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
রাজনীতি

শেখ হাসিনা আজ একটি ব্রান্ডের নাম: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা আজ একটি ব্রান্ডের নাম। শেখ হাসিনা নিজেই একটি ইতিহাস। ইতিহাসের প্রয়োজনে শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ওঠে এসেছেন। দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব নেতার কাতারে পৌঁছেছেন।

২৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকল নেতাকর্মীদের শপথ নিতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। ত্যাগী কর্মীদের দিয়ে দল সাজাতে হবে। যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তারা আগামীতে আওয়ামী লীগের টিকেট পাবেন না।

আগামী নির্বাচনে আরও আধুনিক স্মার্ট আওয়ামী গড়ে তুলতে চাই। এজন্য দলের মধ্যে কোনো বসন্তের কোকিল নয় ত্যাগীদেরই জায়গা করে দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা আজ একটি ব্র্যান্ডের নাম। শেখ হাসিনা নিজেই একটি ইতিহাস। ইতিহাসের প্রয়োজন শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ওঠে এসেছেন। দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব নেতার কাতারে পৌঁছেছেন শেখ হাসিনা। তাই তো শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্ব ও জাতিসংঘের বক্তব্যের কারণে বিশ্বে প্রসংশিত।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন যথা সময় গণতন্ত্র অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি সিরিজ সভা করছে, তারা নাকি আন্দোলন করবে। দেশের মধ্যে আন্দোলনের নামে কোনো সহিংসতা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমোচিত জবাব দেওয়া হবে। এজন্য আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, শাজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দিপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনসহ কেন্দ্রীয়ও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
রাজনীতি

‌‌‌‌‌‌‌‘সাহস থাকলে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনুন’

সরকার তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখেছে বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাহস থাকলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনুন।

২৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ওবায়দুল কাদের তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশ যখনই এগিয়ে যায় বিএনপির নেতৃত্বে প্রতিক্রিয়াশীল একটি মহল দেশের অগ্রযাত্রার গতিকে থামিয়ে দিতে চায়। তারা চায় দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে এবং আন্দোলনের নামে জনগণের সম্পদ বিনষ্ট করতে।

করোনার স্থবিরতা কাটিয়ে জনজীবনে গতি ফিরতে শুরু করেছে, মানুষ ফিরে পেতে শুরু করেছে চিরচেনা কোলাহল আর চাঞ্চল্য, এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ সময়ে আমাদের সবার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

সরকার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসলে বিএনপিই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কোনো মূল্য দেয়নি।

আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য গতিতে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের মনে আশা জাগিয়েছে, লাখ লাখ তরুণ প্রাণে স্বপ্ন জাগিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার।

সরকার বেগম জিয়াকে বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে বন্দি করে রাখেনি বরং বেগম জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে বিএনপির কৃতজ্ঞতাবোধ নেই, থাকলে তারা শেখ হাসিনার ঔদার্যের কাছে কৃতজ্ঞ থাকতো।

বিএনপি নেতারা বলেছেন সরকার তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখেছে, তাদের এই বক্তব্যকে অসংখ্য মিথ্যাচারের একটি বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানতে চান, কে মুচলেকা দিয়ে চিকিৎসার নামে দেশ থেকে পালিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে রাজনীতি না করার শর্তে তিনি (তারেক) নিজেই দেশ থেকে পালিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, সাহস থাকলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনুন।

তারেক রহমানকে রাজনীতি করতে হলে দেশের মাটিতেই করতে হবে উল্লেখ করে কাদের বলেন, দেশের রাজনীতি টেমস নদীর ওপার থেকে ডাক দিলেই হবে না, তাতে দেশের জনগণ সাড়া দেবে না।

নির্বাচনে প্রতিযোগিতা না থাকার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতার জন্য তো বিএনপিরও অংশগ্রহণ প্রয়োজন, কিন্তু মাহবুব তালুকদার তো নির্বাচনে বিএনপিকে আনতে পারেননি।

মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তা না হলে মাহবুব তালুকদার একটি দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে এ ধরনের বক্তব্য কিভাবে দেন?

তিনি আরও বলেন, মাহবুব তালুকদার নির্বাচনে ভোটারদের অনাগ্রহের কথা বলেন, অথচ এই করোনার মধ্যেও সম্প্রতি শেষ হওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৬৯ শতাংশ।

Categories
জাতীয় রাজনীতি

খালেদার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়লো

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে এবং আগের সব শর্ত বহাল রেখে মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপাসন। গত ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে গত ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
রাজনীতি

আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতি হতে হবে জ্ঞান নির্ভর : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী দিনের রাজনীতি হতে হবে জ্ঞান নির্ভর, সেজন্য ছাত্র রাজনীতিকে জ্ঞান এবং মূল্যবোধের মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শিক্ষা দিবস উপলক্ষে দলটির শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কমিটি আয়োজিত ‘শিক্ষা: ২০৪১ সালের লক্ষমাত্রা অর্জনের বাস্তবিক কৌশল’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।

পরীক্ষার্থী নয়, চাই শিক্ষার্থী, জীবিকা নয়, জীবনের জন্যই শিক্ষা প্রয়োজন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বাস্তবতা শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকদের সবার আগে উপলব্ধি করতে হবে।

শিক্ষা দিবস নিয়ে ছাত্র সংগঠনের কোনো কর্মসূচি না থাকায় দুঃখ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকের দিবসটা ছাত্র সমাজের জন্য অপরিহার্য, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন নিয়ে আজ কয়জন জানে? তা জানা নেই। ছাত্রনেতারা এখন তাদের ক্যাম্পাস, শিক্ষা, শিক্ষার সমস্যা এমনকি কোনো সংগঠন এই দিবসের তাৎপর্য নিয়ে কোনো সেমিনারও করে না। এ ধারা চলতে থাকলে ছাত্র সংগঠনগুলোর জৌলুস হারিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে জরুরি হচ্ছে গবেষণা নির্ভর হয়ে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে নতুন কলাকৌশলে এগিয়ে যাওয়া। মেধাবীদের মেধার মূল্যায়ন করতে হবে। শিক্ষার মান যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি শিক্ষকতার মানও বাড়াতে হবে। করোনার এই অতিমারিতে অনেক ছাত্রছাত্রী ঝরে গেছে, স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিছে, তাদের খুঁজে বের করে আবারও শিক্ষাঙ্গনমুখী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে ভাবেন না, তিনি ভাবেন আগামী প্রজন্ম নিয়ে, আর এটাই হওয়া উচিত জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় আছে বলেই তিনি আজ রাষ্ট্রনায়ক। এ মাসের শেষেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে, হলগুলোতে জীবনযাত্রা কেমন তা দেখতে হবে। হলগুলোতে অছাত্ররা অবস্থান করে, তাদের লিখিতভাবে হলে থাকা বন্ধ করতে হবে। এ নিয়ে কে খুশি হলো, কে অখুশি হলো তাতে কিছু যায় আসে না। শিক্ষাকে গুণগত গভীরতায় আনতে হলে এসব সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।

প্রতিযোগিতাময় গ্লোবাল ভিলেজে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের, এ কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা আর প্রযুক্তি মনস্কতায় গড়ে তুলতে হবে নতুন প্রজন্মকে। দেশের উদ্যমী তরুণদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধ আগামীর জন্য, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার জন্য, শেখ হাসিনার সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের জন্য এবং সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুনাজ আহমেদ নুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপকমিটির সদস্য সচিব শামসুন্নাহার চাঁপা।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
রাজনীতি

‘বিএনপির আমলে দেশটা ছিল মগের মুল্লুক’

সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ কল্পিত এবং বরাবরের মতো চর্বিত চর্বন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিয়মিত অসত্য বক্তব্য উপস্থাপনকে রেওয়াজে পরিণত করেছে বিএনপি।

সেতুমন্ত্রী ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দমন-পীড়নে বিশ্বাসী নয় জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা কেন দেবে সরকার? দেশের আইন-আদালতের প্রতি সরকারের কোনোরূপ হস্তক্ষেপ বা চাপ নেই।

বিএনপি নেতাদের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কোনো মামলায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার করলেই সরকারের দোষ। গুরুতর অপরাধীকেও শাস্তির আওতায় আনা যাবে না, এ কোন ধরনের অভিযোগ? তাহলে কি দেশে বিচারব্যবস্থা বা আইন আদালত থাকবে না?

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি বাছ-বিচার না করে ঢালাওভাবে অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে। অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছে এমন অপরাধীদের পক্ষে তারা বিবৃতি দিয়ে মুক্তি দাবি করেছে। বিএনপি স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের অবস্থান হচ্ছে স্পষ্ট, তা হলো সরকার রাজনৈতিক নিপীড়নে বিশ্বাস করে না।

‘সরকারের আচরণ এ দেশ স্বাধীন রাষ্ট্র নয়, মগের মুল্লুক’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখন আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে জীবন্ত মানুষ দগ্ধ করেছিল, গানপাউডার দিয়ে গাড়ি ও ভূমি অফিস পুড়িয়েছিল, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল তখন কি মগের মুল্লুক মনে হয়নি?

আওয়ামী লীগের একুশ হাজার নেতাকর্মী হত্যা করে বিএনপিই দেশকে সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে নালিশ করা কি কোনো স্বাধীন দেশের রাজনৈতিক দলকে মানায়?

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিই দেশকে মগের মুল্লুকে রূপান্তর করেছিল। শেখ হাসিনা সরকার সে অবস্থা থেকে উদ্ধার করে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজনীতিকে রাজনীতিবিদদের কাছে কঠিন করে দেওয়া হবে- এ প্রত্যয় নিয়ে তো বিএনপিই দেশের রাজনীতিকে দূষিত করার কাজ শুরু করেছিল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতিতে স্বার্থের অনুপ্রবেশ এবং সুবিধাবাদ চর্চা শুরু করেছিল বিএনপিই। যাদের রাজনীতি জনগণনির্ভর নয়, যারা নিজেরা নিজেদের সম্মান রক্ষা করতে জানে না তাদেরকে কে সম্মান করবে?

তিনি বলেন, জনগণ যাদের ওপর আস্থাশীল নয় তারাই রাজনীতির নামে ক্ষমতা দখলের জন্য সুবিধাবাদ কায়েম করে আর বিএনপি এখন সেটাই করছে। আওয়ামী লীগ তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল। নেতাদের সম্মান আওয়ামী লীগই দিতে জানে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
রাজনীতি

যাদের দলেই গণতন্ত্র নেই তারা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে, এটা হাস্যকর

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিই নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার হরণ করে, গণতন্ত্রকে সংকুচিত করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যাদের দলেই গণতন্ত্র নেই তারা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে, এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছু নয়। গণতন্ত্র একটি বিকাশমান সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া, একদিন বা এক বছরের বিষয় নয়। সরকার ও বিরোধীদলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং চর্চার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এগিয়ে চলে।

১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে ওবায়দুল কাদের তার বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, নিজেদের অপরাধ না দেখে ঢালাওভাবে সবকিছুর জন্য সরকারকে দায়ী করার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বিএনপি।

যাদের দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা নাই তারা দেশে কিভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি নেতাদের প্রতি এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির জাতীয় সম্মেলন তো দূরের কথা গত একযুগে তৃণমূল পর্যায়েও তারা কোনো সম্মেলন করতে পারেনি।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্রের বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

কারফিউ গণতন্ত্র আর মুখোশধারী সেবকদের হাত থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে পুনরুদ্ধার করেছেন শেখ হাসিনা- উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন , চলার পথে ভুলক্রটি যে হয়নি এমন নয়। তবে এ ক্রটি সংশোধনের সৎ সাহস শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন। গণতন্ত্র বিকাশের পথে বহু বিপত্তিকে অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অবিরাম কর্মপ্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দলগতভাবেও আওয়ামী লীগ অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চায় দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বরিশাল সড়ক জোনের অধীনে নির্মিত ১২টি সেতু ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, বরিশাল জোনের আওতায় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সেতুর কাজ চলমান রয়েছে এবং কিছু কাজ শেষ পর্যায়ে। লেবুখালী সেতুর কাজও শেষ পর্যায়ে, আগামী মাসের যে কোন সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর উদ্বোধন করবেন।

Categories
রাজনীতি

আওয়ামী লীগকে হুমকি দিয়ে লাভ নেই, বিএনপিকে কাদের

জাতীয় নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় বিএনপি বিভিন্ন হুমকি দিয়ে থাকে, এসব হুমকি আওয়ামী লীগকে দিয়ে লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

১২ সেপ্টেম্বর রোববার ঢাকা জোনের অধীনে নয়টি সেতু উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, কার অধীনে নির্বাচন হবে সেটা মীমাংসিত বিষয়, নির্বাচন যথাসময়ে সংবিধান অনুযায়ী হবে। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, বাংলাদেশেও সেভাবে হবে। নির্বাচনে কোনও পক্ষপাত হবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।

নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ কমিশন ছাড়া আগামীতে দেশে কোনও নির্বাচন হবে না- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ ধরনের হুমকি প্রতিটি জাতীয় নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি নিয়মিতই দিয়ে আসছে। এতে নতুনত্ব নেই। এসব হুমকি আওয়ামী লীগকে দিয়ে লাভ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়, ভয় পায় জনগণকে। তাই তারা নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রচার-প্রচারণা করে না। আবার প্রচার-প্রচারণা চালালেও নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে যায় না কিংবা দুপুরের আগেই কেন্দ্র ছেড়ে চলে যায়। তাই জনগণ এখন আর বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করতেই নির্বাচনে অংশ নেয়।

আগামী বছর পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ও বিআরটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেতুমন্ত্রী।

সারাদেশে প্রায় ৭২টি সেতু নির্মাণাধীন রয়েছে জানিয়ে কাদের বলেন, এসব কাজ সম্পূর্ণ হলে দেশের যোগাযোগ খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে। যাত্রাবাড়ী সুলতানা কামাল সড়কের জনভোগান্তির কথা স্মরণ করে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব সহকারে নজর দিতে হবে।

বনশ্রী-আশুলিয়া-ডেমরা সড়কটি পিপিপি ভিত্তিতে চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ দ্রুত করার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, জমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক সড়ক নিরাপত্তায় অর্থায়ন করবে বলে বারবার আগ্রহ প্রকাশ করেও সময়ক্ষেপণ করছে। এমতাবস্থায় তারা যদি আবারও বিলম্ব করে তাহলে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

ঢাকা সড়ক জোনের অধীনে আজ ‘বিশ্ব ইজতেমা সড়ক’ চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দৃষ্টিনন্দন কামারপাড়া সেতু, গাজীপুর সড়ক বিভাগের আওতায় ধলাগড় সেতু, পাথরধারা সেতু, মাওনা-ফুলবাড়িয়া-কালিয়াকৈর-ধামরাই-নবীনগর মহাসড়কে শালদহ সেতু, ফুলবাড়িয়া সেতু, বেগুনবাড়ি সেতু এবং মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের আওতায় বেনীপুর সেতু, ডেমরান সেতু ও শরীফবাগ সেতুসহ মোট নয়টি সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর এবং ধামরাই প্রান্তে সংসদ সদস্য বেনজির আহমদ।

Categories
রাজনীতি

৬ মাস বাড়ছে খালেদার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে দেয়া মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ছে। বেগম জিয়ার পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর এই মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

১১ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়ে দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য মতামতসহ প্রস্তাব আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা ওনার (খালেদা জিয়া) দণ্ড আরও ছয় মাস স্থগিতের জন্য মতামত দিয়েছি।

বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিতে হবে- আগের মতো এই দুটি শর্তে তার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

খালেদা জিয়ার নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা রয়েছে। এর মধ্যে গত এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাও নেন তিনি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই অবস্থায় খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মতামতের জন্য আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আবেদনের বিষয়ে মতামত জানিয়ে দেয় আইন মন্ত্রণালয়। এখন এতে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড আরও চয় মাস স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

গত বছরের মার্চে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে সরকার শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়। প্রথম দফা মুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে আসলে গত বছরের ২৫ আগস্ট বেগম জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদন করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দ্বিতীয় দফায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ছয় মাসের জন্য তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায়। সর্বশেষ গত ২৫ মার্চ থেকে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়।

ভয়েসটিভি/এএস