Categories
রাজনীতি সারাদেশ

বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ভয়েস রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যেও বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘করোনা সংকটের শুরু থেকে আজ অবদি শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগ, গৃহীত ও বাস্তবায়িত সিদ্ধান্ত যখন দেশ বিদেশে প্রশংসিত, তখন মির্জা ফখরুল সাহেবেরা পুরানো নেতিবাচকতার বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের আজ মঙ্গলবার তার সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদের দিনে মানুষের পাশে না থেকে, মানুষকে সাহস না যুগিয়ে মির্জা ফখরুল সাহেবেরা সরকারের বিরুদ্ধে বিশোধগার ও সমালোচনার তীর ছুড়ছেন, যা অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত । নিজেরা জনগণের পাশে দাঁড়াবেন না, ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ খবরও নেবেন না, অথচ মিডিয়ায় সরকারের সমালোচনা করবেন। এটা কি বিএনপির রাজনীতি ?’
বিএনপিকে কোন কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেয় নি দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও জনগণ তাদের মুখের বিষ থেকে রেহাই পায় নি। সরকার একদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমন রোধ ও আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছে, অপর দিকে ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুরক্ষায় পূর্ণ মনোনিবেশ করছেন। এমতাবস্থায় বিএনপিকে কোন কর্মসূচিতে বাধা প্রদান, মিথ্যাবাদী রাখাল বালকের গল্পের মত।’
সামনে বাংলাদেশের জন্য আরও কঠিন সময় আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণঘাতী এ ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারের কোন বিকল্প নেই। সামনের কঠিন সময় আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ধৈর্যহারা না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি অধিকাংশ মানুষের মাঝে ধৈর্য্য ও শৃঙ্খলার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অনেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে অবস্থান করলেও, অনেকেই এসব কানে তুলছে না। স্বাভাবিক সময়ের মত ঘোরাফেরা করছেন, হাটবাজারের ভীড়ে অংশ নিচ্ছেন, স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে চলছেন না। করছেন না দায়িত্বশীল আচরণ। এই উদাসিনতা নিজের ও আশপাশের সকলের ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন উদ্যোগের অবনতি ঘটাচ্ছে ।
সবাইকে করোনা প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দয়া করে আসুন সবাই সচেতন হই। কারণ প্রতিকার সমাধান নয়, এই রোগ থেকে বাঁচতে ও সুরক্ষা পেতে প্রতিরোধের বিকল্প নেই। আপনার সামান্যতম শৈথিল্য নিজ পরিবার এবং পার্শ্ববর্তীদের ভয়াবহ অবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ঈদের প্রাক্কালে গ্রাম ও শহরের মানুষের অবাদ বিচরণ, করোনাভাইরাসের সংক্রমনের ঝুকি বাড়িয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি ক্রমে অবনতি হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্বের ২১৫টি দেশ এবং অঞ্চল সমুহের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে, বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ২৩ তম। এই সংক্রমন থেকে ছোট বড় ধনী-গরীব কেউই রেহাই পাচ্ছে না। প্রাণঘাতি এই ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোড়দার তথা সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। সামনে কঠিন সময়ে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্মিলিত ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনে কিছু দিন বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ধৈর্য্যহারা না হয়ে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আবারও আহ্বান জানান তিনি। যারা ফ্রন্ট লাইনে যুদ্ধ করছেন তাদেরও মনোবল না হারিয়ে সাহসিকতার সাথে লড়াই চালিয়ে যাবার অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের। তাদের উদ্দেশ্যে কাদের বলেন, আপনারা মনে সাহস রাখুন ধৈর্য্য ধরুন। সাহসী নেতৃত্ব দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তার সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। জনগনের সাহসিকতা নিয়ে আমরা অনিশ্চয়তার আধার কাটিয়ে উঠবো ইনশাল্লাহ ।

Categories
জাতীয় রাজনীতি

দুই বছর পর স্বজনদের সাথে খালেদার ঈদ : দেখা করলেন নেতারা

ভয়েস রিপোর্ট: সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্ত দন্ড প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুই বছর পর এবার বাসায় ঈদ উদযাপন করছেন। ঈদে পাশে ছিলো তার স্বজনরা দেখা করেছেন নেতা-কর্মীরাও ।

নিজের বাসায় ঈদ করলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। সারাদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দিন কাটান খালেদা জিয়া।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার পর চারটি ঈদ কারা করতে হয় কারাগারে । গত ২৫ মার্চ জামিনে মুক্তি পাওয়ায় এবার গুলশানের নিজ বাসায় ভাই-বোন ও তাদের সন্তানদের সঙ্গে ঈদের দিনটি কাটান তিনি।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ছয় মাস সাজা স্থগিত রেখে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তির পর নিজের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় ওঠেন খালেদা জিয়া।

বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে তার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ওই নেতারা ‘ফিরোজা’য় প্রবেশ করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুভেচ্ছা বিনিময়ে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

করোনা মহামারি প্রতিরোধে দেশবাসীকে ঘরে থাকার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘরে থাকুন, সাহস হারাবেন না। ঈদের দিন রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় প্রধানের এই বার্তা সাংবাদিকদের জানান।

তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে খালেদা জিয়া দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই যে মহাসংকট করোনাভাইরাস মহামারি সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে মোকাবিলা করার জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ম্যাডাম আহ্বান জানিয়েছেন।
খালেদা জিয়া বলেন, বাড়িতে থাকুন, একটু কষ্ট করুন। বাড়িতে থেকেই এই সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে হবে। জনগণ যেন ঘরে থাকে এবং এই মহামারিকে প্রতিরোধ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যে সমস্ত বিধান দিয়ে তা যেন তারা মেনে চলে।

Categories
রাজনীতি

‘ঘরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন’

ভয়েস রিপোর্ট: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এবার দেশবাসীকে ঘরে বসে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রোববার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত হয়। সব বেসরকারি বেতার, টেলিভিশন ও স্যোশাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে এ ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে সকল ধর্ম এবং বর্ণের মানুষ এ উৎসবে সমানভাবে শামিল হয়ে থাকেন। ঈদের আনন্দ সকলে ভাগাভাগি করে উপভোগ করেন। কিন্তু এ বছর এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। করোনা নামক এক প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। তার ওপর ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এবছর আমরা সকল ধরনের গণ-জমায়েতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছি। কাজেই স্বাভাবিক সময়ের মতো এবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করা সম্ভব হবে না। ঈদগাহ ময়দানের পরিবর্তে মসজিদে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রত্যেককে সামর্থ্য অনুযায়ী জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, সবাইকে আমি ঘরে বসেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানাই, এই দুঃসময়ে আপনি আপনার দরিদ্র প্রতিবেশী, গ্রামবাসী বা এলাকাবাসীর কথা ভুলে যাবেন না। আপনার যেটুকু সামর্থ্য আছে তাই নিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ান। তাহলেই ঈদের আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে আপনার ঘর এবং হৃদয়-মন।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে এবার ঈদের শুভেচ্ছার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছর আমরা সশরীরে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হতে বা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে না পারলেও টেলিফোন বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনের খোঁজখবর নেবো। এভাবেই সকলের সঙ্গে একযোগে আল্লাহ প্রদত্ত এই মহান নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবো। আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঘরে বসেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আবারও সবাইকে ঈদ মোবারক।

তিনি বলেন, আমরা ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য নিয়মনকানুন মেনে কিছু কিছু দোকানপাট খুলে দেয়ার অনুমোদন দিয়েছি। যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন এবং যারা দোকানে কেনাকাটা করতে যাচ্ছেন, আপনারা অবশ্যই নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন। ভিড় এড়িয়ে চলবেন। আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে। মনে রাখবেন আপনি সুরক্ষিত থাকলে আপনার পরিবার সুরক্ষিত থাকবে, প্রতিবেশী সুরক্ষিত থাকবে, দেশ সুরক্ষিত থাকবে।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক, নার্স, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল করোনাযোদ্ধাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

Categories
অর্থনীতি রাজনীতি

১ কোটি ২২ লাখ মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে সরকার

ভয়েস রিপোর্ট: করোনা দুর্যোগে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের নিরন্তর প্রচেস্টা অব্যাহত আছে । গত বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় সোয়া এক কোটি পরিবারের প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। সরকার এই ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে । বাড়বে নগদ অর্থ,ত্রান এবং খাদ্য সহায়তার পরিমান ।

বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, ৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন চাল এবং বিতরণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮০ মেট্রিক টন।
এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ১ কোটি ২২ লাখ ৪২ হাজার এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৫ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার।

নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ৯৭ কোটির বেশি টাকা। বিতরণ করা হয়েছে ৬৬ কোটি ৬০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৭৩ লাখ ১৫ হাজার ১০ এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৬ হাজার।

শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ ২০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১৬ কোটি ৭০ লাখ ১৯ হাজার ৩৬ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪৮৫ এবং লোক সংখ্যা ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৮।

Categories
রাজনীতি

আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: ওবায়দুল কাদের

ভয়েস রিপোর্ট: সুপার সাইক্লোন আম্পানে আশঙ্কার চেয়ে জানমালের ক্ষতি কম হয়েছে। এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের আগাম প্রস্তুতির জন্য ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারো শেখ হাসিনার সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন শুরু করতে এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্পানে ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক না হলেও একেবারে কম হয়নি। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী যশোর, হাতিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, ঘরবাড়ি ধ্বংস, বেড়িবাঁধের ক্ষতিসহ ফসলহানি ঘটিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু জায়গায় প্রাণহানিও ঘটেছে।
ওবায়দুল কাদের আম্পানে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আশঙ্কা ও পূর্বাভাস অনুযায়ী কম ক্ষয়ক্ষতিতে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শুকরিয়া জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসনে প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসনে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ করোনার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে কাদের এসব জনগোষ্ঠীর দুটো চ্যালেঞ্জ অতিক্রমের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, কিছুদিন ধরে অসাবধানতা অসচেতনতার জন্য করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে। যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন না, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না, অহেতুক যেখানে সেখানে সমাগম করছেন তারা জেনেশুনেই সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছেন।

Categories
রাজনীতি সারাদেশ

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে সহায়তার জন্য কাজ করছে সরকার: ডা. দীপু মনি

আনজাম খালেক: চিকিৎসক, নার্স, কৃষক, দিনমজুরসহ করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে সরকারি সহায়তার আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে বর্তমান সরকার। ব্যাপকভাবে এই সহায়তা এবং প্রণোদনার কার্যক্রম শুধুমাত্র শেখ হাসিনার মতো একজন দুরদর্শী-সাহসী রাষ্ট্রনায়কের জন্যই সম্ভব হচ্ছে। এভাবেই আগামীতেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দ্রুত মানুষের কল্যাণে, মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলায় সরকার ও দলের কর্মকাণ্ড এবং করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয় ঠিক করতে এক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার রাতে দলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘করোনাভাইরাস সংকটে মানবিক সহায়তা’ শীর্ষক এই আলোচনা অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
এসময় ত্রাণ বিতরণ বা যেকোনো কাজে দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহবান জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে মানুষের উপকার করতে গিয়ে যেনো অপকার না হয়। পাশাপাশি নিজেও যেনো ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকেও নজর রাখতে হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মনি।
আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিল, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, কৃষকলীগের সভাপতি সমির চন্দ্র, সিনিয়র সাংবাদিক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি
মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি শিপ্রা দাশ অংশ নেন।
এর আগে, গত ১৫ মে ‘করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় জনসচেতনতা’ শীর্ষক প্রথম পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের প্রশ্ন তুলে ধরেন এবং নিজেদের মতামত সরাসরি পৌঁছে দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই আয়োজনের মাধ্যমে।
প্রথম পর্বের আলোচনায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। আরও যুক্ত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মেহতাব খানম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী, একাত্তর টিভি’র সাংবাদিক ফারজানা রুপা, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞাপন নির্মাতা সংস্থা গ্রে-ইন্টারন্যাশনালের ঢাকা অফিসের ম্যানেজিং পার্টনার এবং ক্রিয়েটিভ চিফ সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন এবং অভিনেতা রিয়াজ আহমেদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ১০ জন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন।

Categories
জাতীয় রাজনীতি

ঈদে ঘরে ফেরার প্রবণতা করোনা বিপর্যয় তৈরি করতে পারে

ভয়েস রিপোর্ট: করোনা সংক্রমণকালে ঈদে মানুষের ঘরমুখী হওয়ার প্রবণতা বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার মতে, ঈদে বাড়ি ফিরতে গিয়ে মানুষ নিজে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে কেমন আশপাশের মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
মঙ্গলবার সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে, করোনার এই সংকটকালে আসন্ন রোজার ঈদকে ঘিরে মানুষ দলে দলে গ্রামমুখী হয়েছে, যা অত্যন্ত বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। জেনেশুনে এমন ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি অনাকাঙ্ক্ষিত। এতে নিজেরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি আশপাশের অন্যদের জীবন ও জীবিকায় হুমকি ডেকে আনবে। তাই তিনি যেখানে যারা অবস্থানে করছেন, এখানে থেকে ঈদ অতিবাহিত করার আহ্বান জানান।
এসময় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রসঙ্গ টেনে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, প্রাণঘাতী এই সংকটকালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এই সাইক্লোন বুধবার বিকেল নাগাদ উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। এটি সিডরের চেয়েও বিধ্বংসী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Categories
বিনোদন রাজনীতি

জাতির পিতাকে নিয়ে শাপলা মিডিয়ার আরো একটি নতুন গান

বিনোদন রিপোর্ট: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আরো একটি গান তৈরি করেছে দেশের জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া। শামীম মাহমুদের সুরে গানটি লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ। গেয়েছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী লিজা। বাঙালির মুক্তি ও ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়ে ‘বিশ্বনেতা’ শিরোনামের গানটিতে উঠে এসেছে দেশের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ, মায়া-মমতা ও অর্জন।
শাপলা মিডিয়ার সহযোগি প্রতিষ্ঠান ভয়েসটিভির জন্য তৈরি করা গানটি প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সেলিম খাঁন বলেন, ‘আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। প্রথম থেকেই তাঁর নীতি ও মহান আদর্শকে বুকে চেপে পথ চলা শুরু করেছি। আমাদের চ্যানেল দেশের ভালো-মন্দ এবং চাওয়া-পাওয়াসহ সব বিষয়ে আওয়ামী আদর্শের সঙ্গে থাকবে। কিছুদিন আগেও আমরা করোনা নিয়ে গান করেছি। করোনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে গানটি সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এবার জাতির পিতাকে নিয়ে তৈরি করেছি নতুন একটি গান। আগামীতে আমাদের এ ধরনের আরও কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর প্রামাণ্য ভিডিওসহ গানটি দেখতে সোমবার (১৮ মে) চোখ রাখুন ভয়েসটিভির ইউটিউব চ্যানেল voicetv24BD এবং voicetv24 ফেসবুক লাইক পেইজে।

Categories
রাজনীতি

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম করলে রেহাই মিলবে না: কাদের

যারা ভাসমান, ঘর নেই, খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে তাদের খুঁজে তালিকা করে ঈদের আগেই ত্রাণ সাহায্য দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি হুশিয়ারি দেন, ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির তালিকা প্রণয়নে কোনও ধরনের অনিয়ম সরকার বরদাশত করবে না। ত্রাণ বিতরণে যেই অনিয়ম করবে, দলীয় পরিচয় হলেও রেহাই পাবে না।
রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে শনিবার তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ সফল হবে আশা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
শপিংমল ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভিড় তৈরি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে নিজেদের এবং চারপাশের মানুষের জীবনের গভীর অমানিশা ডেকে আনবেন না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অন্যান্য নেতারা।

Categories
রাজনীতি

এ মাসেই প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষা করা যাবে


ভয়েস রিপোর্ট: এ মাসেই প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষা করা যাবে । এমন দাবি করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তার মতে, করোনা ভাইরাসের রেড জোন ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা। আনোয়ার খান মর্ডাণ মেডিকেল কলেজের করোনা ইউনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

এদিকে, এরইমধ্যে বাংলাদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আর মারা গেছে ৩১৬ জন। গেল দু’সপ্তাহেই আক্রান্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়াতে ধানমণ্ডির এই হাসপাতালে করোনা ইউনিট করা হয়েছে ২০০ বেডের। আলাদা ভবনে করোনা বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, দেশের ৫৫ টি জেলায় আক্রান্তের হার সবচেয়ে কম। তবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বে এ মাসের মধ্যেই। কিট এবং ল্যাবের সক্ষমতা বাড়লে দৈনিক ১০ হাজার পরীক্ষা করা যাবে। তার দাবি সম্পূর্ণ সামাজিক দুরত্ব মেনেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর  লকডাউনের বিষয়ে শুধু পরামর্শ দেয়া ছাড়া কিছুই করার নেই বলে জানা স্বাস্থ্য মন্ত্রী।