Categories
ধর্ম

আল্লাহর সাহায্য লাভের দোয়া

উচ্চারণ : হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল, আলাল্লাহি তাওয়াক্কালনা।

অর্থ : মহান আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধানকারী। আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম।

সূত্র : আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, কিয়ামতের বর্ণনা শুনে সাহাবারা ভীত হলে রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়তে বলেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৩১)

Categories
ধর্ম

বৈঠক শেষে যে দোয়া পড়তে হয়

উচ্চারণ : ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইক।’

অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তাওবা করছি।

উপকার : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বৈঠক শেষে যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে আল্লাহ বৈঠকে করা তার ভুলত্রুটি ও গুনাহ ক্ষমা করবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৩৩)

Categories
ধর্ম

উত্তম জীবন লাভের দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাজআল সারিরাতি খইরাম মিন আলানিয়াতি, ওয়াজআল আলানিয়াতি সালিহাতান, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন সালিহি মা তু-তিন নাসা মিনাল মালি ওয়াল আহলি ওয়াল ওয়ালাদি গাইরিদ দ্বাল্লি ওয়ালাল মুদ্বিল্লি।

অর্থ : হে আল্লাহ, আমার বাইরের অবস্থার চেয়ে আমার ভেতরের অবস্থাকে বেশি ভালো করুন এবং আমার বাইরের অবস্থাকেও অতি উত্তম করুন। হে আল্লাহ, আপনি মানুষকে যে ধন-দৌলত, পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে থাকেন, তাতে আমাকে উত্তমগুলোই দিন, যারা বিপথগামী এবং বিপথগামীকারীও নয়।

উপকার : উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে এই দোয়া শিখিয়েছেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৮৬)

Categories
ধর্ম

ইবাদতে মনোযোগ লাভের দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।

উপকার : মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর হাত ধরে বলেন, হে মুআজ, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি। তিনি বলেন, হে মুআজ, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক নামাজের পর এ দোয়াটি (উপরোক্ত) কখনো পরিহার করবে না। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২২)

Categories
ধর্ম

পবিত্র অন্তরের দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা মুসররিফাল কুলুবি সাররিফ কুলুবানা আলা তা-আতিকা।

অর্থ : অন্তরসমূহের পরিচালক হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার বশ্যতার ওপর স্থির রাখুন।

উপকার : আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছেন যে তিনি বলেছেন, আদম সন্তানের অন্তরসমূহ পরম দয়াময় আল্লাহ তাআলার দুই আঙুলের মধ্যে এমনভাবে আছে, যেন তা একটি অন্তর। তিনি যেভাবে চান সেভাবেই তা উলটপালট করেন। তারপর তিনি এই দোয়া করেন। (মুসলিম, হাদিস : ৬৬৪৩)

Categories
ধর্ম

সব ধরনের গুনাহ থেকে ক্ষমা চেয়ে দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফিরলি খাতিআতি, ওয়া জাহলি, ওয়া ইসরাফি ফি আমরি, ওয়া মা আনতা আ‘লামু বিহি মিন্নি, আল্লাহুম্মাগফিরলি হাজলি ওয়া জিদ্দি ওয়া খাতায়া, ওয়া আমদি, ওয়া কুল্লু জালিকা ইনদি।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল-ত্রুটিজনিত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার বাড়াবাড়ি এবং আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করে দিন আমার হাসি-ঠাট্টামূলক গুনাহ, আমার প্রকৃত গুনাহ, আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ এবং ইচ্ছাকৃত গুনাহ, এসব গুনাহ যা আমার মধ্যে আছে।

উপকার : আবু মুসা আশআরি (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) এই দোয়া করতেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৩৯৯)

Categories
ধর্ম

রজব মাসে নবীজি যে দোয়া পড়তেন

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।

অর্থ : হে আল্লাহ, আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দিন এবং রমজানে পৌঁছে দিন।

উপকার : আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) রজব মাস শুরু হলে এই দোয়া পড়তেন। (আল মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৩৯৩৯)

Categories
ধর্ম

যে ফুল থেকে তৈরি হয় সবচেয়ে মূল্যবান সুগন্ধি

মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই সুগন্ধিপ্রিয়। আমাদের মহানবীও (সা.) সুগন্ধি পছন্দ করতেন। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের দুনিয়া থেকে আমার কাছে তিনটি জিনিস অধিক প্রিয়। নারী, সুগন্ধি, আর আমার চক্ষু শীতল হয় নামাজের মাধ্যমে।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৩৯৩৯)

বিশ্বব্যাপী নানা রকম সুগন্ধির প্রচলন। সাধারণত কস্তুরী বা মৃগনাভি, আগর, ফুল ও ফলের নির্যাস থেকেই তৈরি হয় পৃথিবীর বিখ্যাত সব সুগন্ধি। তবে ‘তায়েফি রোজ’ থেকে তৈরি হয় সবচেয়ে মূল্যবান সুগন্ধি। ফুল থেকে তৈরি সুগন্ধিকে ‘জাহরা’ বলা হয়। আর পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান ‘জাহরা’ তৈরি হয় সৌদি আরবের তায়েফে উৎপাদিত ‘তায়েফি রোজ’ নামে এক প্রকার গোলাপ ফুল থেকে। রুক্ষ্ম মরুর মধ্যে সবুজ বৃক্ষ ও নানা রকম ফুলে-ফলে শোভিত অঞ্চল হিসেবে তায়েফের আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। এখানেই বাণিজ্যিকভাবে বিশেষ ধরনের এই গোলাপের চাষ হয়। মোহনীয় সুবাসের জন্য তায়েফি রোজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।

এ বছর তায়েফি গোলাপের বাম্পার ফলন হয়েছে। চাষিরা মনে করছেন এ বছর ‘তায়েফি রোজ’-এর ফলন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হবে। আল হুদা পাহাড়ের চূড়া, আশ শিফা, বিলাদে তুআইরিক, মুহাররম উপত্যকাসহ তায়েফের বেশ কয়েকটি এলাকায় চাষিরা নিজস্ব উদ্যোগে বাড়িতে এই সুগন্ধি তৈরি করে। তা ছাড়া এ অঞ্চলে সুগন্ধি তৈরির একাধিক কারখানাও গড়ে উঠেছে।

সুগন্ধি প্রস্তুতকারক আব্দুল আজিজ আত-তুআইরিকি জানান, তিনি নিজ বাগানে অন্তত ১৫ হাজার ‘তায়েফি রোজ’-এর চারা রোপণ করেছেন। কয়েক ধাপ প্রক্রিয়া শেষে বাছাইকৃত ফুল দিয়ে ‘জাহরা’ সুগন্ধি তৈরি হয়। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ক্ষেত থেকে সাধারণ নিয়মেই ফুল তোলা হয়। তবে সূর্যাস্তের আগে ফুল তোলার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কারণ তখন ফুল থেকে তার নিরেট নির্যাস আহরণ করা সুবিধাজনক। সূত্র : আল আরাবিয়া।

Categories
ধর্ম

মহানবী (সা.) যেসব কারণে খেজুর-দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন

মহানবী (সা.) এর ঘুম, খাওয়া, হাটা, চলা এই সকল বিষয়ের মাঝেই আমাদের জন্যে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। এমনকি তিনি তার নাস্তার এই মেনু কখনো পরিবর্তন করেননি।

সাহাবারা নবীর (সা.) কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কেনো প্রতিদিন দুধ ও ৭টি খেজুর দিয়ে নাস্তা করেন। তিনি বলেছিলেন, ৭টি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করা মস্তিষ্কের জন্যে ভালো। এরপরে সাহাবিরাও সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন।

কয়েক বছর আগে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন, কেনো নবী (সা.) সাতটি খেজুর ও এক কাপ দুধ দিয়ে নাস্তা করেছেন। তারা গবেষণার ফলাফল হিসেবে যেটা পেয়েছেন সেটা হচ্ছে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করলে মানুষের শরীরের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এনজাইমগুলো দ্রুত কাজ করা শুরু করে। এতে করে মানুষের শরীর ভালো থাকে।

বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় আরও জানতে পেয়েছে, প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও এক কাপ দুধ নিয়ে নাস্তা করলে মানুষের মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। লিভার ভালো থাকে। ত্বক সুন্দর হয়।

আমাদের নবীর (সা.) প্রতিটি সুন্নত মানার মাঝেই যে কল্যাণ বিজ্ঞানীদের এই একটি বিষয়ের উপর গবেষণা থেকেই বোঝা যায়। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আমাদের নবী (সা.) যেভাবে নাস্তা করেছেন সেভাবে নাস্তা করার মাঝে বিজ্ঞানীরা কল্যাণ খুঁজে পেয়েছে।

অথচ আমাদের নবী বিজ্ঞানীও ছিলেন না, আবার ডাক্তারও না। আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের সবার উচিত নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি সুন্নতের উপর আমল করা। নিঃসন্দেহে এতেই আমাদের মাঝে রয়েছে কল্যাণ।

আরও পড়ুন : নিয়মিত আমল করি জান্নাতে আবাস গড়ি

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
ধর্ম

ইন্দোনেশিয়ায় রমজানের তারিখ ঘোষণা

রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে ইন্দোনেশিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশটি আগামী ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার প্রথম রোজা পালন করা হবে। দেশটির মোহাম্মাদিয়া অর্গানাইজেশনের প্রধান কার্যালয় জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত গণনার মাধ্যমে ১৪৪২ হিজরির পবিত্র রমজান মাসের প্রথম তারিখ ঘোষণা করেছে।

সংস্থাটি জানায়, ইন্দোনেশিয়ায় ১৩ এপ্রিল রমজান শুরু হবে। পাশাপাশি আরব বিশ্বেও একই দিন রোজা শুরু হবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন। তবে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ কিছু দেশে ১৪ এপ্রিল রমজান শুরু হবে বলে জানিয়েছে হামারিওয়েব ডটকম।

সিএনবিসি ইন্দোনেশিয়া ডটকমের তথ্য মতে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদিয়া অর্গানাইজেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ১৪৪২ হিজরির আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের শুরুর দিন ঘোষণা করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রমজান মাস ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল, মঙ্গলবার শুরু হতে যাচ্ছে।

এই গণনা অনুসারে, ১৪৪২ হিজরির শাওয়াল মাস শুরু হচ্ছে ১৩ মে, বৃহস্পতিবার। অর্থাৎ এই দিনে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। এছাড়াও তাদের গণনা হিসাবে জিলহজ মাসের সূচনা হবে ২০২১ সালের ১১ জুলাই, রোববার।

আরাফার দিন হবে ( ৯ জিলহজ ১৪৪২ হি:) ১৯ জুলাই, সোমবার এবং কুরবানি ঈদ পালিত হবে (১০ জিলহজ) ২০শে জুলাই, মঙ্গলবার।

তবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অফিশিয়াল ক্যালেন্ডার অনুসারে, পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল বুধবার। ১৩ মে বৃহস্পতিবার শুরু হবে শাওয়াল মাস।

রমজানের রোজা, ঈদ, কুরবানি- এ সবই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। সে অনুযায়ী এ ইসলামি আচার-অনুষ্ঠানগুলো পালন করার নির্দেশ দেয় ইসলাম।

ভয়েসটিভি/এএস