Categories
অর্থনীতি প্রযুক্তি

৩৬ টাকায় মিলছে এক কেজি পেঁয়াজ!

টিসিবির অনলাইন ডিলারশিপ পাওয়া ৫টি ই-কমার্স প্লাটফর্মে মাত্র ৩৬ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ১ কেজি পেঁয়াজ। প্লাটফর্মগুলো হল- যাচাই.কম, চালডাল, স্বপ্ন অনলাইন, সিন্দাবাদ.কম ও সবজি বাজার.কম।

একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৩ কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। তবে শিগগিরই এটি ৫ কেজি করা হবে। আর এই পেঁয়াজ বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্যে অতিরিক্ত ৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ নেওয়া হবে। তবে একমাত্র যাচাই.কম ডেলিভারি চার্জ ছাড়া পেঁয়াজ সরবরাহ করছে। শুরুতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের গ্রাহকরা এই সুবিধা পাচ্ছেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, টিসিবি ও ই-ক্যাবের উদ্যোগে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০ সেপ্টেম্বর রবিবার অনলাইনে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়য়ে অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুল আজম, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আরিফুল হাসান ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারসহ অনেকেই ট্রাকসেলের পেঁয়াজ কিনতে পারেন না। সেক্ষেত্রে ই-কমার্সের মাধ্যমে সাশ্রয়ী দামের এই পেঁয়াজ তাদের বাসায় পৌঁছে যাবে।

ই-ক্যাব জানায়, টিসিবির কাছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তালিকা দেওয়া হয়েছে। শুরুতেই ৫টি প্রতিষ্ঠান ডিলারশিপ পেয়েছে। তবে মোট ৮টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রির সুযোগ পাবে। করতে পারবে। চাহিদা ও যোগানোর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে উল্লেখ করে ই-ক্যাব।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দৈনিক আধা টন হারে তিনদিন পর পর টিসিবি থেকে পেঁয়াজ সংগ্রহ করবে। অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ হাজার টন পেঁয়াজ বিক্রির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
জাতীয় প্রযুক্তি

ফ্রিল্যান্সাররা পাবে পরিচয় পত্র

তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের সঙ্গে জড়িত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার পরিচয় পত্র দেয়া হবে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তাদেরকে ভার্চুয়াল এই পরিচয় পত্র দেওয়া হবে।

২০ সেপ্টেম্বর রোববার বাংলাদশের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নিয়ে আপওয়ার্ক এর এক ভার্চুয়াল উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের মূল কারিগর। শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে দেশকে এগিয়ে নিতে ফ্রিল্যান্সাররা আমাদের মূল কারিগর। ফ্রিল্যান্সারদের আপস্কেলিংয়ে সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়েছে সরকার।

তারুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি উল্লেখ করে পলক বলেন, শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে দেশকে এগিয়ে নিতে ফ্রিল্যান্সাররা আমাদের বড় শক্তি।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণের পর ফ্রিল্যান্সারদের মেন্টরিংয়ের বিষয়ে তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে ভার্চুয়াল কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে আত্মপরিচয়’র পাশাপাশি ব্যাংকের ঋণ সহায়তা এবং হাইটেক পার্কে অগ্রাধিকার পাবে।

এসময় ফ্রিল্যান্সারদের দাবি মোতাবেক দেশে পেপ্যাল সেবা আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান জুনাইদ আহমেদ পলক।

ফ্রিল্যান্সার সুলতান হোসেন নিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- ফ্রিল্যান্সার সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার ফাহিমুল করিম।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
প্রযুক্তি

উদ্ভাবনী স্টার্টআপের খোঁজে আইসিটি বিভাগ

তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আইডিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে ‘আইডিয়াথন’ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আগ্রহী স্টার্টআপগুলো অনলাইনে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

‘লেটস স্টার্ট ইউ আপ’ স্লোগানে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন ৩০টির বেশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও বিভিন্ন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।

আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এবং স্টার্টআপ প্রকল্পের এডভাইজার টিনা এফ জাবিন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী পাঁচ উদ্যোক্তারা পাবেন দক্ষিণ কোরিয়ায় ছয় মাসের প্রশিক্ষণ, ইনকিউবেশন, ফান্ডিং, আন্তর্জাতিক পেটেন্টসহ কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের সহযোগিতা। এছাড়া সেরা ২৫ উদ্যোক্তা পাবেন বিশেষ মেনটরিং এবং সম্মাননাপত্র। তবে এজন্য বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আগ্রহী স্টার্টআপগুলো অনলাইনে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জাতিগতভাবে আমাদের তরুণদের ঝুঁকি নেয়ার যোগ্যতা রয়েছে। তারা নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্ব জয় করবে। দেশে ইনোভেশন এবং এন্টারপ্রেইনিয়রস ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার, একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রিকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।

এ প্রতিযোগিতার জন্য ২১ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধন শেষে তাদের অংশ নিতে হবে আইডিয়াথন প্রতিযোগিতার সেরা স্টার্টআপ বাছাইপর্বে। প্রতিযোগিতায় সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে কোরিয়া প্রোডাক্টিভিটি সেন্টার (কেপিসি) এবং কোরিয়া ইনভেনশন প্রমোশন অ্যাসোসিয়েশন (কাইপা)। এছাড়া রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস ও গ্লোবাল স্টার্টআপ ইমিগ্রেশন সেন্টার।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রযুক্তি

সারাদিন মোবাইলে চোখ, যত্ন নেবেন যেভাবে

প্রতিদিনই বিভিন্ন কাজের জন্যে আমাদের কম্পিউটার ও মোবাইলে চোখ রাখতেই হয়। কেউ কেউ প্রয়োজন ছাড়াও সময় কাটাচ্ছি মোবাইল, টেলিভিশন অথবা ল্যাপটপ নিয়ে। আর একারণে চোখের ওপর অনেক চাপ পড়ে।

মোবাইল-ল্যাপটপে চোখ রাখতেই কারও কারও চোখ জ্বালা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, চোখে অস্বস্তি, চোখ লাল হওয়া, ভারী ভাব, ঝাপসা দেখা, কপাল, ঘাড়, পিঠ, কোমর, মাথা ব্যথা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

তাই চোখের যত্ননিতে হবে। চোখের সুরক্ষায় কিছু বিষয় অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যা করবেন- ১. প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত ২০ সেকেন্ড করে বিরতি নিন, ২০ ফুট দূরত্বে কোন জিনিসের দিকে তাকান। আবার ৩০ মিনিট পর ৫ মিনিটের বিরতি নিন।

২. প্রতি ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর চোখে পানির ঝাপটা দিতে পারলে ভালো হয়। এটি চোখকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও উপকার করবে।

৩. কাজের বিরতিতে নিয়মিত চোখের ব্যায়াম করলে চোখের পেশিগুলি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এতে চোখের নানা ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৪. স্ক্রিনে কোন জিনিস লেখা বা দেখার সময় লেখার সাইজ বাড়িয়ে নিন। এতে চোখে চাপ কম পড়বে এবং চোখ সুস্থ থাকবে।

৫. আইপ্যাড, ট্যাবলেট, টিভি, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় চোখের খুব কাছাকাছি রাখবেন না।

৬. কম্পিউটারের স্ক্রিনটি আই লেভেল থেকে ১৫-২০ ডিগ্রি নিচে রাখুন। সেই সঙ্গে ২০ থেকে ২৮ ইঞ্চি পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রাখুন।

৭. অতিরিক্ত বা কম আলো, চোখে বেশি চাপ সৃষ্টি করে এবং দৃষ্টির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে। তাই স্ক্রিনে আলোর মাত্রা ঠিক রাখুন।

৮. কখনই কম বা বেশি আলোতে কাজ করবেন না।

৯. যারা মাত্রাতিরিক্ত কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করেন তারা অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করুন। এই চশমা চোখের চাপ কমাতে, ঝাপসা ভাব, মাথা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

১০. ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খান। শাকসবজি, গাজর, পেঁপে, খেজুর ইত্যাদি খাবার চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

১১. চোখে আর্দ্রতা বজায় রাখতে ওমেগা-থ্রি অয়েল, ফ্ল্যাকসিড অয়েল, স্যামন ও সার্ডিনের মতো মাছ খেতে পারেন।

১২. পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। সারাদিনের কাজের পর অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

১৩. চোখের কোনও সমস্যা দেখা দিলে দেরী না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
প্রযুক্তি

দেশের মোবাইলে বাড়ছে ম্যালওয়্যার আক্রমণ

ম্যালওয়্যার একটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যেটি থার্ড পার্টির সুবিধার জন্য ইউজারের অনুমতি ছাড়া সংবেদনশীল তথ্য হস্তান্তর করতে পারে। ম্যালওয়্যার হলো এমন কিছু সফটওয়্যার যা মোবাইলের স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে।

সহজ ভাষায় আপনি একে ‘দুষ্ট’ সফটওয়্যার বলতে পারেন, যে দুষ্টুমির ছলে আপনার মারাত্মক ক্ষতি করে যায়। বিশ্বে ম্যালওয়্যার আক্রমণে এখনো সেই শীর্ষ তিনে রয়েছে বাংলাদেশ।

সিকিউরিটি ফার্ম ক্যাসপারস্কি তাদের চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদনে যে হিসাব দেখিয়েছে সেখানে আক্রমণের সংখ্যা অনেক বেশি দেখা গেছে। বছরের শুরুর প্রান্তিকে বাংলাদেশে মোবাইলে ম্যালওয়্যার আক্রমণ ছিল ১৮.৫৮ শতাংশ। সেটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে এখন ১৯.৩০ শতাংশ।

শীর্ষ দশ দেশের তালিকাটা এমন: ইরান (৪৩.৬২ শতাংশ), আলজেরিয়া (২১.৯৭), বাংলাদেশ (১৯.৩০), মরক্কো (১৭.৫৭), নাইজেরিয়া (১৫.১২), ভারত (১৩.৫৪), সৌদি আরব (১৩.৫২), কেনিয়া (১২.৬১), ইন্দোনেশিয়া (১২.১৭), পাকিস্তান (১২.১৬)।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে যেসব ম্যালওয়্যার বেশি আক্রমণ করে তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে হিডেনঅ্যাড। অন্যগুলোর মধ্যে অন্যতম: AdWare.AndroidOS.Outad.c এব AdWare.AndroidOS।

ক্যাসপারস্কি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন-দিন বাড়তে থাকায় হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিও বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কম্পারিটেকের ২০১৯ সালের প্রতিবেদন বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের ৩৬ শতাংশ মোবাইল ফোন ম্যালওয়্যার আক্রান্ত। পিসির মধ্যে ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ!

প্রযুক্তি জগতে বেশ কয়েক প্রকার ম্যালওয়্যার রয়েছে। তার মধ্যে ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, র‌্যানস্যামওয়্যার এবং ওয়ার্ম বেশি পরিচিত।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
জাতীয় প্রযুক্তি

নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন

অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। নিবন্ধন ফি বাবদ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ফি জারি থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর রোববরা রাতে তথ্য মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন, স্থাপন ও পরিচালনার জন্য নি¤œবর্ণিত ফি নির্ধারণ করা হলো। নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা, প্রতিবছর নিবন্ধন নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা, এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করলে সারচার্জ দুই হাজার টাকা ও এক মাসের মধ্যে পরিশোধ না করলে সারচার্জ পাঁচ হাজার টাকা।

গত ৩০শে জুলাই প্রথম ধাপে ৩৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধনের অনুমতি দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। ৩রা সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর ও বিভাগীয় শহরের ৯২টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন ভার্সনকেও নিবন্ধনের অনুমতি দেয়া হয়।

প্রথম ধাপে ৩৪টি অনলাইন পোর্টালকে নিবন্ধনের অনুমতি দেয়ার পর পোর্টালের নিবন্ধন ও পরিচালনার জন্য ফি নির্ধারণ করে তা অর্থ বিভাগে পাঠায় তথ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ বিভাগ নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে।

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা মোতাবেক কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য অধিদপ্তরকে নিবন্ধন দেয়ার ক্ষমতা দেবে তথ্য মন্ত্রণালয়।

ভয়েস টিভি/টিটআর

Categories
প্রযুক্তি

টিকটকের মার্কিন অপারেশনের দায়িত্ব পেল ওরাকল

টিকটকের মার্কিন অপারেশনের দায়িত্ব পেল ওরাকল। তবে টিকটক প্রস্তুতকারী চীনা সংস্থা বাইটডান্সের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হবে কীনা তা নির্ভর করছে দুই দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

মাসখানেক আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, বেশ কিছু চীনা অ্যাপ দেশের ডেটা চুরি করছে। ওই চীনা অ্যাপগুলোর জন্য আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যাহত হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেছিলেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে টিকটকের মতো অ্যাপ দেশে নিষিদ্ধ করা হবে। তবে মার্কিন কোনো কোম্পানি যদি তা কিনে নেয়, তাহলে নিষিদ্ধ নাও করা হতে পারে।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান কিনলে নিষিদ্ধ হবার সম্ভাবনা নেই এই ঘোষণার পর টিকটকের স্বত্ব কেনার প্রস্তুতি শুরু করে মাইক্রোসফট। রোববারের সেই নিলামে মাইক্রোসফট অংশ নিয়েছিল। কিন্তু রোববার রাতেই মাইক্রোসফট জানিয়ে দেয় তাদের নিলাম বাতিল হয়েছে।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা যায় আর এক মার্কিন টেক জায়েন্ট ওরাকল একটি কনসোরটিয়াম বা অনেকগুলো সংস্থাকে নিয়ে তৈরি একটি মঞ্চ তৈরি করে টিকটকের মার্কিন শেয়ার বাইটডান্সের কাছ থেকে কিনে নিয়েছে।

ওরাকলের সঙ্গে বাইটডান্সের যে চুক্তি হয়েছে, তা ঠিক বিক্রি বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাদের বক্তব্য, আমেরিকায় টিকটক চালানো এবং তার ডেটার দায়িত্ব নিয়েছে ওরাকেল। সেখানে বাইটডান্স হস্তক্ষেপ করবে না, এমনই রয়েছে চুক্তিতে।

তবে ওরাকলের সঙ্গে বাইটডান্সের এই চুক্তি ফলপ্রসূ হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

মার্কিন এবং চীনের প্রশাসন রাজি হলেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হবে। মার্কিন ও চীনাদের মাঝে যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে দুই দেশের প্রধান এই চুক্তিকে ছাড়পত্র নাও দিতে পারেন বলে অনেকেই মনে করছেন।

ট্রাম্প ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য, প্রেসিডেন্ট চেয়েছিলেন টিকটকের দায়িত্ব মাইক্রোসফট নিক। যেভাবে কনসোর্টয়াম তৈরি করে ওরাকেল এর দায়িত্ব নিয়েছে, তা নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
প্রযুক্তি

স্মার্টফোনের রেডিয়েশন লেভেল জানবেন যেভাবে

আধুনিক জীবন স্মার্টফোন ছাড়া অচল। বলতে গেলে এখন আমরা সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করি। নতুন স্মার্টফোন কেনার আগে সবাই প্রাধান্য দেয় ক্যামেরার মেগাপিক্সেল, ইন্টারনাল মেমরি কত জিবি, ব্যাটারি ব্যাকআপ কত ঘণ্টা দিবে এই সমস্ত বিষয়।

কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফিচার থাকে, যা নিয়ে আমরা একদমই চিন্তাভাবনা করি না বললেই চলে। তার মধ্যে যেমন স্মার্টফোনের রেডিয়েশন কত? স্মার্টফোনের একটা অন্যতম প্যারামিটার হল রেডিয়েশন লেভেল।

ফোনের মধ্যে থাকা ট্রান্সমিটিং ডিভাইস থেকে সব সময় নির্গত হয় অদৃশ্য রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গ। সেই তরঙ্গ নিঃসরণের হার একটি নির্দিষ্ট মাত্রা অবধি আমাদের শরীরের তেমন কোন ক্ষতি করে না।

কিন্তু এই রেডিয়েশন লেভেল অতিরিক্ত হলে, তখন আমাদের শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। স্মার্টফোনের রেডিয়েশনের পরিমাপ করা হয় ‘এসএআর ভ্যালু’ দিয়ে।

আপনার ফোন আপনার জন্য কতটা নিরাপদ জেনে নিন আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমেই। ফোন থেকে টাইপ করুন *#০৭#, তারপর আপনার ফোনের স্ক্রিনে দেখতে পাবেন SAR ইনফরমেশন। তার নিচে দেখতে পাবেন আপনার ফোনের রেডিয়েশন লেভেল।

এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে অনেক দেশেই। যেমন ভারতের সরকারের টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা অনুসারে এই এসএআর ভ্যালু প্রতি কিলোগ্রামে ১.৬ ওয়াটের বেশি হলে চলবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
প্রযুক্তি

এটিএম কার্ড হ্যাকিং থেকে বাঁচাতে যা করবেন

উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। বাড়ছে হ্যাকিং সহ নানা ধরণের অপরাধ। তাই হ্যাকিং থেকে বাঁচতে অবলম্বন করতে হয় নানা কৌশল।

ব্যাংকিং ক্ষেত্রে তো অপরাধীরা ফাঁদ পেতেই আছে। সেই ফাঁদে পরতে পারেন যে কেউ।

তবে একটু কৌশল মানলেই বাঁচতে পারবেন এটিএম কার্ড হ্যাক থেকে। চলুন জেনে নেই এটিএম কার্ড হ্যাক থেকে বাঁচবেন যেভাবে-

তথ্যসমূহ সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন:

১. আপনার পিন নম্বর অন্য কাউকে দিবেন না, ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও না।

২. আপনার ফিন্যান্সিয়াল ডকুমেন্ট অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাউকে দিবেন না।

৩. বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর আপনার ক্রেডিট কার্ডের ইউএসডি অংশটুকু বন্ধ রাখুন।

৪. পিন নম্বরটি মুখস্থ রাখুন। কোথাও লিখবেন না, এমনকি ব্যক্তিগত ডায়েরিতেও না।

৫. এটিএম/ পিওএস টার্মিনালে পাসওয়ার্ড প্রবেশের সময় পিন প্যাডটি ঢেকে রাখুন।

৬. এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্য আপনার কার্ড অন্য কাউকে দিবেন না।

৭. কোনো আউটলেটে ব্যাবহার করার সময় আপনার কার্ডটির দিকে নজর রাখুন।

৮. এটিএম/ পিওএস টার্মিনালে পিন হোল ক্যামেরা বা অন্যান্য অস্বাভাবিক ডিভাইসের ব্যাপারে সতর্ক হোন।

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে যা করবেন:

১. অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট থেকে শপিং করুন।

২. ইমেইলে অচেনা কোনো ওয়েবসাইটে আপনার পিন নম্বর/পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার অথবা কার্ডের তথ্য দেয়ার নির্দেশনা পেলে তা এড়িয়ে যান।

৩. শুধুমাত্র স্বনামধন্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাপগুলোই ব্যবহার করুন।

৪. অচেনা ইমেইল বা এসএমএস থেকে আসা লিংকে ক্লিক করবেন না।

৫. আইটি সংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবেলায় আপনার ডিভাইসগুলো (ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) নিরাপদভাবে কনফিগার করুন।
অবশ্যই আপনার ডিভাইসের অপারের্টিং সিস্টেম ( অ্যান্ড্রেয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ) আপডেট রাখুন।

৬. কার্ডের যেকোন সমস্যায় ডায়াল করুন ১৬৫৯৬ নম্বরে।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
প্রযুক্তি

যে কারণে দিয়াকে নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুক

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখার একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। সাবহানাজ রশীদ দিয়া নামের এই কর্মকর্তা যদিও গত এপ্রিল মাস থেকেই তিনি এই পদে কাজ করছেন, তবে সোমবারই তাকে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রথম এ তথ্যটি প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে প্রায় চার কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। এটি যেমন ব্যক্তিগত যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি ব্যবসার প্রয়োজনেও অনেকে এই মাধ্যমটিকে ব্যবহার করেন। এছাড়া বাংলাদেশে ফেসবুকের নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থও রয়েছে।
ফলে বাংলাদেশ বিষয়ক একজন কর্মকর্তা হিসেবে সাবহানাজ রশীদের নিয়োগকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ফেসবুকের পক্ষে জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান বেঞ্চমার্ক পিআর জানিয়েছে, সাবহানাজ রশীদ দিয়া ফেসবুকের বাংলাদেশ বিষয়ক পাবলিক পলিসি ম্যানেজার হিসাবে কাজ করছেন।

বেঞ্চমার্ক পিআর বলেন, ‘বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ফেসবুকের সম্পর্ক রক্ষা করাসহ এনজিও ও আই-এনজিও, টেক কোম্পানি এবং সিভিল সোসাইটির সঙ্গে ফেসবুকের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো তিনি দেখবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাবলিক পলিসি ম্যানেজার স্থানীয় ভাষা, জননীতি এবং বিধিবিধান বিশ্লেষণ করে দেশটি সম্পর্কে তথ্য যোগানের প্রথম কাজটি করবেন। সেসব তথ্যের ভেতর ওই দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক গভীর পর্যবেক্ষণ থাকবে, যার ভিত্তিতে ওই দেশের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিসহ সরকার, এনজিও, অ্যাকাডেমিয়া, শিল্প, প্রযুক্তিসহ অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন শাখার গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।’

সামাজিক মাধ্যম বিষয়ক গবেষক ড. নাসিম মাহমুদ জানাচ্ছেন যে অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশের সরকার চাইছিল, ফেসবুক যেন বাংলাদেশের বিষয়গুলো দেখার জন্য বাংলাভাষী কাউকে নিয়োগ দেয়।

‘কারণ ফেসবুকের অনেক বিষয়ে সরকারের বক্তব্য থাকে, আপত্তি থাকে, সেগুলো যেন অ্যাড্রেস করা হয়। সেই কারণেই ফেসবুক এই নিয়োগ দিয়েছে বলে মনে করা যেতে পারে। এখানে তিনি আসলে একটা পয়েন্ট অব কন্ট্রাক্ট হিসাবে কাজ করবেন’ জানান ড. নাসিম।

যেসব দায়িত্ব পালন করতে হবে

* প্রযুক্তি, সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সমাজের বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে, এমন দেশীয় নীতি সম্পর্কিত বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা

* নীতিনির্ধারক, সরকার, তদারকি কর্তৃপক্ষ, প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন পক্ষ এবং সিভিল সোসাইটির সঙ্গে বৈঠকে ফেসবুকের প্রতিনিধিত্ব করা

* দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি টিমের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে এমন কর্মসূচি তৈরি করা, যা সমাজের সব স্তরে ফেসবুক ব্যবহারের সুবিধা এবং এ ব্যাপারে আস্থা গড়ে তুলবে

* ফেসবুকের পলিসি প্রোগ্রাম টিমের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, ছোট ব্যবসা ইত্যাদিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশভিত্তিক পাবলিক পলিসি তৈরি করা

* কোম্পানির ভেতর পণ্য, বাজারজাতকরণ এবং যোগাযোগ টিমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা, যাতে প্রধান নীতি অনুসারে কার্যক্রম পরিচালিত হয়

* অ্যাডভোকেসি টিম, অ্যাকাডেমিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রি সংগঠনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা

* ফেসবুকের প্রধান নীতিগুলোর ব্যাপারে সবার কাছে ফেসবুকের অবস্থান তুলে ধরা।

সাবহানাজ রশীদ দিয়া বাংলাদেশের বেসরকারি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কেলেতে পড়াশোনা করেন।

এক সময় রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসাবেও ঢাকার একটি ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্প, বিশ্বব্যাংক, ইউএসএইড, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনেও কাজ করেছেন বলে তার লিঙ্কডইন প্রোফাইলে উল্লেখ করেছেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ