Categories
প্রযুক্তি

ইন্টারনেটের ধীরগতি সমাধানের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে রিট

মোবাইল ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের ধীরগতি সমস্যার সমাধান করে মানসম্মত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে গ্রাহকদের স্বার্থে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইন্টারনেটের গতিসম্পন্ন সেবা দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

১২ জানুয়ারি মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ এবং ল রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্য, সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রাশিদুল হাসানের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এই রিট করেন।

এতে তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে মোবাইল ফোন গ্রাহকরা মারাত্মক ভোগান্তিতে আছেন। গ্রাহকের কাছ থেকে যে পরিমাণ খরচ নেয়া হয় সে তুলনায় সেবার মান হতাশাজনক। মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো সে অনুযায়ী সেবা দেয়নি। ফলে গ্রাহকদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

২০২০ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, ডিজিটাল সেবার মান নিশ্চিতকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তালিকায় শেষ দিকে।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, দেশের ইন্টারনেট গতি এতটাই দুর্বল যে, দেশের অনেক জায়গায় মানুষ ইন্টারনেটের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের যে টাকা দিয়ে নেট কেনা হয় তার মেয়াদ শেষ হলে ব্যবহার করা যায় না। অথচ নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহার করতে না পারার অন্যতম কারণ হলো ধীরগতি। বছরে সাড়ে পাঁচ লাখ অভিযোগ জমা হয় বিটিআরসিতে, কিন্তু গ্রাহকেরা এখনো ভোগান্তির শিকার।

এর আগে গত বছরের ২৭ নভেম্বর মোবাইল ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের ধীরগতি সমস্যার সমাধান করে মানসম্মত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশ পাওয়ার পরও এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেয়ায় এ রিট দায়ের করা হয় বলে জানান আইনজীবী।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আদালতে তলব রিজাল ব্যাংককে

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রযুক্তি

লক্ষের লক্ষ্য পূরণ করলো বাংলা উইকিপিডিয়া

অনলাইনের বৃহত্তম বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার বাংলা সংস্করণ বাংলা উইকিপিডিয়া এক লাখ নিবন্ধের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ২০০৪ সালের ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করার প্রায় ১৬ বছর ১১ মাসের মাথায় এ অর্জন করলো বাংলা উইকিপিডিয়া।

লক্ষ নিবন্ধের মাইলফলক অর্জনকে ত্বরান্বিত করতে এ বছরের আগস্টে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ ‘লক্ষ্য এবার লক্ষ’ নামে একটি নিবন্ধ প্রতিযোগিতার ক্যাম্পেইন শুরু করে। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অবদানকারীগণ ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র ও খেলাধুলা বিষয়ক ১ হাজার ৬ শত’র বেশি নিবন্ধ তৈরি করেছেন।

মার্কিন ইন্টারনেট উদ্যোক্তা জিমি ওয়েলস বিনামূল্যে সকলের জন্য তথ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি অনলাইন জ্ঞানভাণ্ডার হিসেবে ২০০১ সালে উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন। ল্যারি স্যাঙ্গার এর নামকরণ করেন। শুরুর মূলমন্ত্র ছিল, “ভাবুনতো এমন এক পৃথিবীর কথা যেখানে সমস্ত জ্ঞানে সব মানুষের থাকবে অবাধ প্রবেশাধিকার। এটিই আমাদের প্রতিশ্রুতি।” প্রথমে ইংরেজি সংস্করণ দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও ধীরে ধীরে অন্যান্য ভাষায়ও উন্মুক্ত জ্ঞানের এ মাধ্যম চালু হয়। ২০০৪ সালে বাংলাসহ আরও প্রায় ৫০টি ভাষা এতে যুক্ত হয়। যে কোন বিষয় সম্পর্কে তথ্য জানার জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইটটি বর্তমানে প্রায় ৩১০টিরও অধিক ভাষায় বিদ্যমান রয়েছে।

আরও পড়ুন- পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া

বাংলা উইকিপিডিয়া প্রতি মাসে বিশ্বব্যাপী আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ পড়ে থাকেন। গড়ে হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক প্রতিমাসে বাংলা উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখেন। জীবনী, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র, ইতিহাসসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কেই তথ্য রয়েছে এখানে। ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন যে কেউ যেকোনো স্থান থেকে এই তথ্য আহরণ করতে পারেন, একই সাথে অবদানও রাখতে পারেন।

উইকিপিডিয়ায় প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকেরা অবদান রাখতে শুরু করেন। কিছু সহজ নীতিমালা মেনে যে কেউ অবদান রাখতে পারেন এই বিশ্বকোষে। উইকিপিডিয়ায় কোনো বিষয়ের ওপর লেখা একটি নিবন্ধ একাধিক অবদানকারী মিলে সম্পন্ন করেন। বর্তমানে বাংলা উইকিপিডিয়া স্বেচ্ছাসেবীরা গড়ে প্রতিমাসে প্রায় ১৫০০-এর অধিক নতুন নিবন্ধ তৈরি করেন এই স্বেচ্ছাসেবকেরা। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরুর প্রায় ১৩ বছরের মাথায় ২০১৭ সালে অর্ধলক্ষ নিবন্ধ অর্জন করে বাংলা উইকিপিডিয়া। এর তিন বছরের মাথায় এক লক্ষ নিবন্ধের মাইলফলক প্রমাণ করে বাংলা উইকিপিডিয়ায় নতুনদের অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান।

উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অলাভজনক সংস্থা বিশ্বব্যাপী উইকিপিডিয়ার তত্ত্বাবধান করে থাকে। বাংলাদেশে উইকিপিডিয়া নিয়ে কাজ করছে ‘উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ’, যারা উইকিপিডিয়ার শিক্ষামূলক কাজ প্রচার, প্রসার ও এ সম্পর্কে সকলকে জানাতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা, নিবন্ধ প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, উইকিমিডিয়া প্রকল্পে নারীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের সচেতনতা কর্মসূচি এবং সম্মেলনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
বিশ্ব প্রযুক্তি

চাঁদের ‘মাটি’ নিয়ে ফিরেছে চীনের চ্যাং’ই

চাঁদের ‘মাটি’ ও পাথরের নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরেছে চীনের চন্দ্রযান চ্যাং’ই। চীনের স্থানীয় সময় ১৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ভোররাতে চন্দ্রযানটি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় অন্তঃমঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সিজিওয়াং ব্যানারে অবতরণ করেছে। চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ) এর বরাতে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।

১৯৭০ এর দশকের পর এই প্রথম কোনো চন্দ্রযান চাঁদের নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরল বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত ২৪ নভেম্বর চ্যাং’ই মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছিল চীন। এই মহাকাশযানে চাঁদের কক্ষপথে যাওয়ার জন্য নকশা করা একটি অর্বিটার, একটি চন্দ্রযান ও চন্দ্রযানকে চাঁদের পিঠে নামানোর ও ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা সম্পন্ন আরও দুটি যান ছিল।

১ ডিসেম্বর চীনের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১১ মিনিটে চন্দ্রযানটি চাঁদে অবতরণ করেছিল।

চায়না এয়ারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করপোরেশনের আওতাধীন চায়না একাডেমি অব স্পেস টেকনোলজির চ্যাং’ই মিশনের উপপ্রধান নকশাবিদ পাং জিং জানিয়েছিলেন, চ্যাং’ই ৪৪ বছরের মধ্যে পৃথিবী থেকে চাঁদের নমুনা সংগ্রহে যাওয়া প্রথম মিশন।

তাদের চন্দ্রযানটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি পৃষ্ঠ খুঁড়ে ভিতর থেকেও নমুনা সংগ্রহ করবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

এই অভিযানে চাঁদ থেকে দুই কেজি নমুনা সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত কতোটা আনা গেছে তা পরবর্তীতে জানা যাবে।

এই অভিযান পুরোপুরি সফল হলে যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পর চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা তৃতীয় দেশ হবে চীন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
প্রযুক্তি

মায়ের মোবাইল দিয়ে ১১ লাখ টাকার গেমস কিনলো শিশু

মায়ের মোবাইল নিয়ে খেলছিল ছ’বছরের ছেলে। সেই খেলার ছলেই মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে গচ্চা গেল কয়েক হাজার ডলার। কীভাবে গচ্চা গেল এত টাকা?

নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, জেসিকা জনসনের ছেলে অ্যাপলের ভার্চুয়াল স্টোর থেকে একাধিক গেমস অ্যাপ কিনেছে। তার দরুণই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই মাথায় হাত পড়েছে জেসিকার।

জানা গেছে, গত জুলাই মাসের ঘটনা। ৮ জুলাই জেসিকার অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ বার টাকা কাটে। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ভেবেছিলেন কোনও জালিয়াতের খপ্পরে পড়েছেন তিনি। অ্যাকাউন্টে অ্যাপল স্টোরে টাকা ট্রান্সফার হওয়ার কথা উল্লেখ ছিল। যা দেখে জেসিকা ভেবেছেন কোনও ভুয়া সংস্থা অ্যাপলের নাম করে টাকা হাতিয়েছে। ছ’মাস পর বিষয়টা স্পষ্ট হলো।

জেসিকার ছেলে জর্জ জনসন জুলাই মাস থেকেই অনলাইন গেমিং-এর জন্য মায়ের আইপ্যাড ব্যবহার করছিল। সেই সময় থেকেই জেসিকার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটতে শুরু করে। ৮ জুলাই ২৫ বার টাকা কেটেছিল। পরে জানতে পারেন, তার ছেলে একের পর এক অ্যাপ আপডেট করেছে। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই।

অ্যাপলের কাছ টাকা ফেরত চেয়েছিলেন জেসিকা। কিন্তু তার অনুরোধ খারিজ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কারণ ৬০ দিনের মধ্যে ওই আবেদন জানাননি তিনি। অ্যাপেলের পালটা অভিযোগ, জেসিকার উচিৎ ছিল অ্যাই প্যাডের প্যারেনটাল লক অন রাখা। তিনি তা করেননি। তাই এই কাণ্ড ঘটেছে।

এদিকে লকডাউনে জেসিকার আর্থিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, তার বেতনের ৮০ শতাংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। পরিবার চালাতে সম্পত্তি বন্ধক রাখতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় অ্যাপেল ওই টাকা ফেরত দিলে তার উপকার হত।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
প্রযুক্তি

গুগল ইউটিউব সার্ভার ডাউন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব ও গুগলের জিমেইল, গুগল ড্রাইভ সার্ভিসহ বেশ কিছু সাইট ডাউন হয়ে গেছে। বর্তমানে ব্যবহারকারীরা কেবল “ওফস”, একটি নোট পাচ্ছে যাতে “Something went wrong… লেখা একটি বার্তা দেখাচ্ছে।

তবে এর সাথে গুগলের অন্যান্য সেবাগুলোও ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে জিমেইল, গুগল ড্রাইভ এবং এর অন্যান্য সার্ভিসগুলোও এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল। তবে এ রিপার্ট লেখা পর্যন্ত গুগল সার্চ ইঞ্জিন পাতাটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

এর আগে গত আগস্টে গুগল একাধিক আক্রমণের শিকার হয়ে ইউটিউবকে কিছু সময়ের জন্যে বন্ধ ছিলো। এছাড়া গুগলের অন্যান্য সার্ভিস গত মাসে কিছুটা সমস্যা করেছিলো।

সংস্থাটি তার অনলাইন সেবার জন্যে যেমন জিমেইলের জন্য একটি স্থিতিশিল পাতা দিয়ে রাখছে, যাতে বলা হচ্ছে সামযিক সমস্যা। ইউটিউবে সম্পর্কে ট্র্যাক বা তথ্য না দিয়ে Something went wrong লেখা দেখাচ্ছে।

এ ধরনের সমস্যা বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত করেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ডাউন ডিটেক্টর অনুসারে ইউটিউব ও গুগলের সার্ভিস এশিয়া, ইউরোপ এবং জাপানে সমস্যাগ্রস্ত।

ভয়েস টিভি/ডিএইচ

Categories
প্রযুক্তি

৮শ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি আসছে দুটি গ্রহ

সৌরমণ্ডলের দুই বৃহৎ গ্রহ বৃহস্পতি ও শনি ৮০০ বছরের মধ্যে একে অপরের সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসছে। গত ৮শ বছরের মধ্যে এই গ্রহযুগলকে এতটা কাছাকাছি অবস্থানে আর দেখা যায়নি। চলতি মাসের (ডিসেম্বর) ১৬ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত এমন দৃশ্য দেখা যাবে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ খবর জানিয়েছে।

২১ ডিসেম্বর গ্রহ দুটি এতটা কাছাকাছি চলে আসবে যে এদের দেখে ‘যুগ্ম গ্রহ’ বলে ভ্রম হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের রাইস ইউনিভার্সিটির পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক প্যাট্রিক হার্টিগান বলেন, ‘এই দুই গ্রহের বিন্যাস অত্যন্ত বিরল। প্রতি ২০ বছর অন্তর ব্যবধানের তারতম্য ঘটে। কিন্তু এবারের যুগলবন্দি অত্যন্ত বিরল। কারণ এ সময় গ্রহ দুটি একে অপরের অনেক কাছে চলে আসবে। এমন এক মহাজাগতিক কাণ্ড দেখার জন্য বহু বছর অপেক্ষা করতে হয় বিজ্ঞানীদের। সবশেষ ১২২৬ সালের ৪ মার্চ ভোরে কাছাকাছি এসেছিল এই দুটি গ্রহ।’

২১ ডিসেম্বর দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখলে গ্রহ দুটির উপগ্রহগুলোও দেখা যেতে পারে। তবে আপাতদৃষ্টিতে দুই গ্রহকে যতই কাছাকাছি দেখা যাক না কেন, বাস্তবে তাদের মধ্যে কয়েক শ হাজার লাখ মাইলের দূরত্ব বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে নাসা। গ্রহ দুটি এতটাই উজ্জ্বল থাকবে যে, গোধূলিতেও আকাশে তাদের দেখা মিলবে। তবে এবার এই যুগলবন্দি দেখতে না পেলে গ্রহ দুটিকে ফের কাছাকাছি অবস্থানে দেখতে ২০৮০ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
প্রযুক্তি

সরকারি ৩০ হাজার ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সার্ভারে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশে সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার ওয়েবসাইটে দিনভর সমস্যা ছিল।

৬ ডিসেম্বর রোববার সকাল ১০টার দিকে মগবাজারে বিটিসিএলের ইনভার্টারে বৈদ্যুতিক গোলযোগের পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায়নি।

সরকারি ওয়েবসাইটগুলো সরকারি সংস্থা বিটিসিএলের ডটবিডি ডটগভ (.bd.gov) ডোমেইন দ্বারা পরিচালিত হয়। মগবাজারে বিটিসিএল অফিস থেকে সার্ভার পরিচালিত হয়। সরকারের এটুআই সরকারি ওয়েবসাইটগুলোর কারিগরি দিক তদারকি করে থাকে।

সন্ধ্যা ৭টার দিকেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পাওয়ার রিজেনারেটের কাজ চলছে, দ্রুতই সমস্যা কেটে যাবে।

এ বিষয়ে বিটিসিএলের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) মীর মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, মগবাজারে বিটিসিএলের সার্ভারে বিদ্যুৎ গোলযোগ দেখা যাওয়ায় ওয়েবসাইটগুলো সাময়িক সমস্যা ছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। সাইটগুলো এখন চালু হবে।

এটুআই’র প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা আরফে এলাহী বলেন, সকাল ১০টার দিকে মগবাজারে বিটিসিএলের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। যেখানে আমাদের সার্ভার রয়েছে। এর কারণে ৩০ হাজারেরও বেশি সরকারি ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে আছে, সাইটগুলোতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, সরকারি মন্ত্রণালয় ও দফতরের মিলে মোট ওয়েবসাইট রয়েছে ৪২ হাজারের মতো। আমাদের বেশিরভাগ ওয়েবসাইট এখন বিটিসিলের সার্ভারে। বাকিগুলো রয়েছে ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারে।

এটুআই’র প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা বলেন, পাওয়ার না থাকলে আমরা সার্ভার রান করাতে পারি না। গতরাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, সেটা ঠিকও করা হয়েছে। কিন্তু সকালে দ্বিতীয় দফায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের পোর্টালে কিংবা সার্ভারে সমস্যা নেই।

সকালে বিটিসিএলের ইনভার্টার পুড়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে আরফে এলাহী বলেন, ছোট ছোট ইনভার্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন কানেকশনের কাজ চলছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে সার্ভারের একটা অংশ চালু করতে পারব। গ্রাজুয়ালি একটির পর একটি ওয়েবসাইট ভিজিবল হতে শুরু করবে।

ইনভার্টারে সারারাত কাজ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিটিসিএলের সঙ্গে আমাদের (এটুআই) টিমও সেখানে থাকবে।

এটুআইয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি ওয়েবসাইটকে আমরা একটু সংবেদনশীল মনে করি। এই সাইটগুলোর কয়েকটিও বন্ধ রয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় প্রযুক্তি

ঢাকার আদালতে মামলা করলো ফেসবুক

ঢাকায় একটি আদালতে এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা করেছে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। ওই বাংলাদেশির নাম এসকে শামসুল আলম। ফেসবুক ডটকম ডটবিডি নামে বিটিসিএল থেকে ডোমেইন বরাদ্দ নেয়ায় এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফেসবুক। মামলায় ৫০ হাজার ইউএস ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

২২ নভেম্বর রোববার ঢাকা জেলা জজ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম। জানা গেছে, আগামী ১ ডিসেম্বর কোর্ট ফি জমা দেয়া হবে।

জেলা জজ আদালতের আপিল সহকারী ও ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলামের জুনিয়র আইনজীবী মো. আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আইনজীবী আরিফুল জানান, ফেসবুক ডটকম ডটবিডি নামে বিটিসিএল থেকে ডোমেইন বরাদ্দ নেয়ার বিষয়টি নজরে আসার পর এটি বন্ধ করার জন্য বিটিসিএল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম নোটিশ দেন। কিন্তু ডোমেইনটি এখনও বন্ধ করা হয়নি। বরং ডোমেইনটি বিক্রির জন্য ওই ব্যক্তি বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। এ জন্য আদালতে মামলা করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

মামলায় ডোমেইনটির ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাওয়ার পাশাপাশি ৫০ হাজার ইউএস ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে বলে জানান আরিফুল ইসলাম।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
প্রযুক্তি

কর্মীদের অফিসে ফিরতে বাধ্য করছে ফেসবুক

করোনা মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকার পরও কন্টেন্ট মডারেটরদের অফিসে ফিরতে বাধ্য করছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

এক খোলা চিঠিতে ফেসবুকের ২ শতাধিক কর্মী এ অভিযোগ করেছেন । তারা বলেছেন, ‘মুনাফা ধরে রাখতে কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে কর্তৃপক্ষ।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এবং চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গকে উদ্দেশ্য করে দুই শতাধিক কর্মীর স্বাক্ষরিত খোলা চিঠিটি দেয়া হয়েছে।

খোলা চিঠিতে কর্মীরা জানিয়েছেন, সমস্যাযুক্ত পোস্টগুলো চিহ্নিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ার চেষ্টা করেছিল ফেসবুক। তবে সেটা সেভাবে কাজ করেনি। এরপর কর্মীদের অফিসে এসে কাজ করার জন্যে দেয় ফেসবুক।

তারা বলেন, কনটেন্ট মডারেটরদের কয়েক মাস বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে ফেসবুক ঘৃণা ও গুজবমুক্ত রাখতে তীব্র চাপে পড়েন তারা। এরপর অফিসে এসে কাজ করার জন্যে কর্মীদের চাপ দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে কর্মীরা বলেন, আমাদের দরকার রয়েছে ফেসবুকের। এটা স্বীকার করা ও আমাদের কাজের মূল্যায়ন করার সময় এসেছে। লাভের জন্যে আমাদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা না ভেবে অফিসে আসার চাপ দেয়া অনৈতিক।

তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। অফিসে কাজ করার ক্ষেত্রে তারা যেন সুরক্ষিত থাকেন। সেজন্যে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা রয়েছে। তাদেরকে ঝুঁকিভাতাও দেয়া হবে।

খোলা চিঠির বিষয়ে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেছেন, যেহেতু আমরা যেকোনো বিষয়ে অভ্যন্তরীণভাবে খোলাখুলি আলোচনায় বিশ্বাসী, তাই এ নিয়ে আলোচনার ব্যাপারেও সৎ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, সারাবিশ্বে ফেসবুকের দেড় হাজার কনটেন্ট পর্যবেক্ষক রয়েছেন। করোনার পর থেকে তাদের অধিকাংশই বাসায় থেকে কাজ করেন। মহামারির মধ্যেও তারা বাসায় বসেই কাজ করবেন।

এর আগে করোনা মহামারির কারণে গত আগস্টে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয়, ২০২১ সালের গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত তাদের কর্মীরা বাসায় বসে কাজ করতে পারবেন।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
প্রযুক্তি

জিমেইলে স্মার্ট ফিচার্স

জিমেইলে স্মার্ট ফিচার্স এবং পার্সোনালাইজেশনের ক্ষেত্রে নতুন সেটিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহককে ডেটার ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ এবং ভালো অভিজ্ঞতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে গুগল।

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, শীঘ্রই আপনি নতুন একটি সেটিং দেখতে পাবেন, যার মাধ্যমে জিমেইল, মিট এবং চ্যাটিংয়ের ডেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এই ডেটার মাধ্যমে এই সেবা এবং অন্যান্য গুগল সেবায় ‘স্মার্ট’ ফিচার্স সুবিধা পাবেন গ্রাহক।

গুগলের পণ্য ব্যবস্থাপক মালিকা মানোহারান বলেছেন, ‘ভাবুন, জিমেইলে ট্যাবড ইনবক্স, স্মার্ট কম্পোজ এবং স্মার্ট রিপ্লাই; গুগল অ্যাসিস্টেন্ট আপনাকে বিলের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এবং গুগল ম্যাপস-এ রেস্টুরেন্টের বুকিং।’

আলাদাভাবে এই স্মার্ট ফিচারগুলোর ক্ষমতা নতুন কিছু নয়।

বিবৃতিতে মানোহারান বলেছেন, ‘এখানে নতুন বিষয় হলো ডেটা প্রক্রিয়াকরণে স্পষ্ট পছন্দ, যার মাধ্যমে এগুলো সম্ভব হচ্ছে।’

গ্রাহকের ডেটা এবং গোপনতা সুরক্ষা দিতে গুগল পণ্য, জিমেইল, মিট এবং চ্যাটিং নকশাগতভাবে সুরক্ষিত৷

মানোহারান আরও বলেছেন, ‘আগে এই স্মার্ট ফিচারগুলোর সেবা স্বয়ংক্রিয় ফিচারের মাধ্যমে দেয়া হত, ম্যানুয়াল পর্যালোচনার মাধ্যমে নয়। আর গুগল বিজ্ঞাপনও জিমেইলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় না, আপনি যে অপশনই বাছাই করেন না কেনো।’

ডেটার ওপর আরও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ দিতে এ বছরের শুরুতেই ডিফল্ট সেটিংস হিসেবে ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার অপশন চালু করেছে গুগল।

ভয়েস টিভি/এসএফ