Categories
ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ সারাদেশ

অনিন্দ্য সুন্দর গাইবান্ধার দর্শনীয় স্থান

হাজার বছরের পুরোনো উত্তরাঞ্চলের অন্যতম স্থান গাইবান্ধা। আগে এর নাম ছিলো ভবানীগঞ্জ। কিন্তু ১৮৭৫ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় গাইবান্ধা। আর ১৯৮৪ সালে গাইবান্ধা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। কথিত আছে, গাইবান্ধার গোবন্দিগঞ্জে রাজধানী বানিয়েছিলেন বিরাট রাজা। তার প্রায় ৬০ হাজার গাভী ছিল। সেই গাভী বা গাই বাধা হতো এখানে। সেই থেকে গাইবান্ধা নামটি এসেছে। এ জেলার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে তিস্তা ও যমুনা নদী। রয়েছে বেশ কিছু আর্কষনীয় স্থান। যার মধ্যে বালাসী ঘাট, ঘগোর বাজার মাজার, গাইবান্ধা পৌর পার্ক, ড্রিমল্যান্ড, হযরত শাহ জামালের মাজার পর্যটকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়।

পৌর পার্ক
গাইবান্ধা পৌরসভার ভেতর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পৌরপার্ক। ১৯২৭ সালে গাইবান্ধা শহরবাসীর বিনোদনের জন্য জমিদার গোবন্দি লাল রায়ের দান করা ১ একর ৭ শতক জমিতে এই পৌর পার্ক তৈরি করা হয়। এই পার্কটি গড়ে উঠেছে একটি পুকুরকে ঘিরে। চারপাশে রয়েছে হরেক রকম ফুল, ফল ও বনজ গাছ। আর পুকুরে শান বাধানো ঘাট ও মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। প্রতিদিনই বেলা বাড়ার সাথে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীর সংখ্যা।

বালাসী ঘাট
রাজধানী ঢাকার সাথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বাড়াতে ১৯৩৮ সালে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাটে রেল ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। সেসময় ইংরজেরা গাইবান্ধাকে ফুলছড়ি ঘাটে নামেই চিনতো। ১৯৯০ সালের পর যমুনা নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় ফেরি সার্ভিসটি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়ার বালাসীতে সরিয়ে নেয়া হয়। আর তখন থেকেই এলাকাটি পরিচিতি পায় বালাসী ঘাট নামে।

যমুনা নদীর তীরে হওয়ায় এই বালাসী ঘাটও এখন একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। গাইবান্ধা শহর থেকে বালাসী ঘাটের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। বর্ষায় যমুনার দুকুল ভরে গেলেও শীতে জেগে ওঠে চর।এই নির্মল প্রকৃতি দেখতে প্রতিদিনই ভ্রমণ পিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে বালাসী ঘাটে। প্রমত্ত যমুনার উত্তাল ঢেউ, নির্মল বাতাস প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে টানে।

এসকে এস ইন্
গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়কের রাধাকৃঞ্চপুরে গড়ে উঠেছে এসকে.এস.ইন্ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি। ভ্রমণপিপাসুদের কথা চিন্তা করে গাইবান্ধার বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন এসকে.এস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলে। এখানে রয়েছে আধুনিক আবাসন সুবিধাসহ খাবারের ব্যবস্থা। এছাড়া বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার, কর্মশালা আয়োজনের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৫টি হলরুম। এরমধ্যে একটি ২০০ আসনের, ও ৫০ আসনের, একটি ৮০ আসনের এবং দুটি ৩৫ আসনের। এখানে উন্মুক্ত জলাধারের পাশে তৈরি রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় দেশি সবধরনের খাবারসহ, চাইনজি ও ফার্স্টফুড। এছাড়া বাড়িতে বসেই যে কেউ খাবারের অর্ডার দিতে পারবেন।

জামালপুর শাহী মসজিদ
গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার পশ্চিম সাদুল্লাপুর উপজলার বড় জামালপুর গ্রামে রয়েছে জামালপুর শাহী মসজিদ। জনশ্রুতি আছে, প্রায় ৬০০ বছর আগে ইসলাম প্রচারের জন্য ইরাক থেকে গাইবান্ধা শহরে আসেন সুফি হযরত শাহ জামাল (রঃ)। তার তত্ত্বাবধানেই এই ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি তৈরি হয়। পরে তার নামেই ইউনিয়ন পরিষদ ও মসজিদের নাম দেয়া হয়। মসজিদের উত্তর পাশে রয়েছে হযরত শাহ জামালের মাজার।

তবে জামালপুর শাহী মসজিদটি র্দীঘদিন মাটির নিচে চাপা ছিলো। ষাটের দশকে গাইবান্ধা মহকুমার প্রশাসক হক্কানী কুতুবউদ্দনি নামের এক ব্যক্তি বেশ কয়েকবার মসজিদটির অনুসন্ধান করে ব্যর্থ হন। কিন্তু হঠাৎ প্রচন্ড ঝড়ে একটি বটগাছ ভেঙ্গে গেলে সেখানে মসজিদটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। এ কারণে স্থানীয়রা এই মসজিদকে গায়েবি মসজিদ নামেও চেনে। মসজিদের সামনে আছে একটি বিশাল দিঘী। আর দিঘীটি ঘিরেও রয়েছে নানা লোককথা।

শাহ সুলতান গাজী মসজিদ
বর্তমানে গাইবান্ধা জেলার দাড়িয়াপুরে অবস্থিত প্রাচীন একটি মসজিদ শাহ সুলতান গাজী মসজিদ। বিভিন্ন শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৩০৮ সালে সৈয়দ ওয়াজেদ আলী এই মসজিদটি খুজে বের করে সংস্কার করেন। পরে শাহ্ সুলতান নামের এক ধর্ম প্রচারকের নামে মসজিদটি পরিচিতি পায়। এই মসজিদের পাশে রয়েছে শাহ্ সুলতান গাজীর মাজার। প্রতি বছর বৈশাখে এখানে মেলা বসে।

সবুজে ঘেরা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম্য প্রাচীন স্থান গাইবান্ধায় জেলা রয়েছে ঐতিহ্যের নিবিড় ছোয়াঁ। তাইতো দেশি-বিদেশি ভ্রমন পিপাসু প্রতিবছরই ছুটে আসেন এখানে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ সারাদেশ

নান্দনিক সৌন্দর্যের জেলা নীলফামারী

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নীলফামারী। ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য হতে পারে বিনোদনের জন্য বিশেষ একটি জায়গা। রাজধানী ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন এবং আকাশ পথেও এখানে আসা যাওয়া করা যায়।

ছয় উপজেলা, চার পৌরসভা আর ৬০টি ইউনিয়ন নিয়ে এই জেলায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের বসবাস।

বিনোদনের জন্য পর্যটকরা জেলা সদরে যাদুঘর, নটখানা, বিন্নাদিঘী বা নীলসাগর এবং উত্তরা ইপিজেড পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

এছাড়া বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরে চিনি মসজিদ, রেলওয়ে কারখানা ও বিমান বন্দরে ঘুরে ডোমার উপজেলার সীমান্ত এলাকা চিলাহাটি হয়ে ডিমলার শেষাংষে বহৎ সেচ প্রকল্প সেচ ব্যারেজ ঘুরে আসতে পারেন স্বাচ্ছন্দে।

ডিমলা, জলঢাকা, সদর, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সুইচ গেট, ক্যানেল, বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র বেড়িয়ে কিশোরগঞ্জে চা বাগান, জলঢাকায় পাল রাজার গড় ঘুরে খোলা বাতাসের স্বাদ নিতে পারেন।

রয়েছে দর্শনীয় স্পট হিসেবে বেছে নিতে পারেন জলঢাকা উপজেলা পরিষদ। নান্দনিক শিল্পকর্মে বিশেষ আকর্ষণ বাড়িয়েছে মানুষদের কাছে।

জেলা প্রশাসন থেকে বিনোদনের জন্য পর্যটন শিল্পকে আরো সম্প্রসারণের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভ্রমণ

এবার খুলছে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্র

খাগড়াছড়ি: আজ ২৮ আগস্ট থেকে খুলছে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। করোনার কারণে গত পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি ৬টি শর্তে এবার খাগড়াছড়ি ঘুরতে যেতে পারবেন পর্যটকরা।

শুক্রবার থেকে জেলার চারটি পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা, মায়াবিনী লেক ও হর্টিকালচার পার্ক খুলে দেয়া হয়েছে। খোলা হয়েছে পর্যটকদের থাকা ও খাওয়ার জন্য খাগড়াছড়ির হোটেল-মোটেলও।

করোনা সংক্রমণ এড়াতে শর্তের মধ্যে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের আগে মাস্ক পরিধান, স্যানিটাইজার/সাবান দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা, অসুস্থ অবস্থায় পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ না করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পর্যটন কর্পোরেশনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অন্যতম।

এদিকে, জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাজেক খোলা হবে আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে। করোনার কারণে গত ১৮ই মার্চ থেকে খাগড়াছড়ির সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

পার্বত্য সবশেষ জেলা হিসেবে খাগড়াছড়ির পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেয়ার বিষয়ে গত ২৩ আগস্ট খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এর আগে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলো শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হয়। তবে, অনেকেই বলছেন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও আতঙ্কের কারণে পর্যটন খাতে আস্থা ফেরাতে সময় লাগবে।

ভয়েস টিভি/টিআর

Categories
ভ্রমণ

ভ্রমণে করোনায় আক্রান্ত হলে পাবেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা!

Hzমহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ লকডাউনের পর সারাবিশ্ব পর্যটনের জন্য ধীরে ধীরে উন্মুক্ত হচ্ছে। সংক্রমণের এই সময়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন দেশ নানাবিধ উদ্যোগ নিচ্ছে।

তেমনি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উজবেকিস্তান। দেশটিতে ভ্রমণের সময় যদি কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন, তা হলে তিনি পাবেন তিন হাজার ডলার (২ লাখ ৬০ হাজার টাকা)!

উজবেকিস্তান ইতোমধ্যে ‘সেফ ট্রাভেল গ্যারান্টেড’ (নিরাপদ ভ্রমণের নিশ্চয়তা) শীর্ষক প্রচার শুরু করেছে। মূলত এর আওতায় কোনো বিদেশি ভ্রমণকালে করোনায় আক্রান্ত হলে তিন হাজার ডলার পাবেন।

গত ২৩ জুন উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজায়োইয়েভ এ সংক্রান্ত একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

চিকিৎসা ব্যয়ের কথা ভেবে টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করেছে উজবেক সরকার। সেখানে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করাতে তিন হাজার ডলার লাগে।

যুক্তরাজ্যে উজবেকিস্তানের পর্যটন দূত সোফি ইবোটসন বলেন, ভ্রমণের ব্যাপারে আমরা পর্যটকদের আশ্বস্ত করতে চাই। সরকার আত্মবিশ্বাসী, পর্যটন খাতে কার্যকর হওয়া নতুন সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধির সুবাদে করোনাঝুঁকি এড়ানো যাবে।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট কথা দিয়েছেন– ভ্রমণে এসে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

উজবেকিস্তানের শহর কীভাবে এই সুবিধা পাবেন-

১. অবশ্যই উজবেকিস্তানের স্থানীয় ট্যুর গাইড নিয়ে ভ্রমণ করতে হবে।

২. গাইড, হোটেল ও পর্যটন স্পটগুলোর স্থানীয় সরকারের কাছ থেকে পাওয়া সনদ থাকতে হবে।

৩. উজবেকিস্তান শুধু কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে। যেমন– চীন, ইসরাইল, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

৪. যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ থেকে যাওয়া সবাইকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

গত মার্চের মাঝামাঝি দ্রুত লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল উজবেকিস্তান। যেসব দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা কম, উজবেকিস্তান এর মধ্যে অন্যতম। তথ্যসূত্র: টেলিগ্রাফ

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভ্রমণ

ছয় শর্তে খুলছে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্র

করোনা সংকটের কথা মাথায় নিয়েই দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পট খুলতে শুরু করেছে। কক্সবাজার-রাঙ্গামাটি-বান্দরবানের পর এবার পর শর্তসাপেক্ষে ও সীমিত পরিসরে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এজন্য দর্শনার্থীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধানসহ মানতে হবে ছয় শর্ত।

২৩ আগস্ট রোববার করোনা ভাইরাস বিষয়ক জেলা কমিটির সভা শেষে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ২৮ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত ছয় শর্ত মেনে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্ক, রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ও মায়াবিনী লেক সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হবে।

শর্তের মধ্যে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের আগে মাস্ক পরিধান, স্যানিটাইজার/সাবান দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা, অসুস্থ অবস্থায় পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ না করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পর্যটন কর্পোরেশনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অন্যতম।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
ভ্রমণ

মুজিবনগরে পর্যটন সুবিধা বাড়াতে কাজ চলমান: প্রতিমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত মুজিবনগরে পর্যটন সুবিধা উন্নয়নে কাজ চলমান রয়েছে। মুজিবনগরের মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্সের আশপাশে সৌন্দর্যবর্ধনসহ পর্যটকদের নানা সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মুজিবনগরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার জন্য প্রশিক্ষিত গাইড নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

২৩ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড মেহেরপুর জেলার সঙ্গে আয়োজিত অনলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বর্তমানে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা, সমস্যা ও তার থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে বের করার জন্য পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। এ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শেষে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে করণীয় সম্পর্কে একটি সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যাবে। মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী মুজিবনগরসহ সমগ্র মেহেরপুর জেলার পর্যটন উন্নয়নে করণীয় সব কিছু সম্পাদন করা হবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের সঞ্চালনায় ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ, জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা,গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও পর্যটনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সেক্টরের অংশীজন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
ভ্রমণ

২২ আগস্ট খুলছে চট্টগ্রামের সব বিনোদনকেন্দ্র

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২২ আগস্ট থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে চট্টগ্রামের সব বিনোদনকেন্দ্র। ১৯ আগস্ট বুধবার জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, দর্শনার্থীদের সার্বক্ষণিক মাস্ক পরিধানসহ ১৭টি শর্তে চট্টগ্রামের সব বিনোদনকেন্দ্র খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ‘শর্ত মেনে ২২ তারিখ থেকে সরকারি, বেসরকারি সব বিনোদনকেন্দ্রের পাশাপাশি পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত উন্মুক্ত থাকবে। ’

এর আগে গত ১৯ মার্চ করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম জেলার সব পিকনিক স্পট, বিনোদন পার্ক পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের এই নির্দেশনার পর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ফয়েস লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, স্বাধীনতা পার্কসহ চট্টগ্রামের সরকারি, বেসরকারি সব বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর ২২ আগস্ট শনিবার থেকে এইসব বিনোদনকেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে।

ভয়েস টিভি/চট্টগ্রাম প্রতিনিধি/এসএফ

Categories
ভ্রমণ

জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ট্রেন ভ্রমণের সিদ্ধান্ত বাতিল

ঢাকা: জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে ট্রেন ভ্রমণের বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। তবে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পরিবারের সর্বোচ্চ ৪ সদস্যের টিকিট কেনা ও ভ্রমণ করা যাবে।

২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেনে যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ভ্রমণের কথা বলা হয়। কিন্তু বর্তমানে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক সঙ্গে রাখার বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে। তবে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পরিবারের সর্বোচ্চ ৪ সদস্যের টিকিট কেনা ও ট্রেন ভ্রমণ করা যাবে।

রেলের টিকেট কালোবাজারি বন্ধ এবং ভ্রমণের সময় যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নামে একটি প্রকল্প অনুমোদন করে রেলওয়ে মন্ত্রণালয়। গত ২৭শে জুলাই এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছিলো।

সেই নিয়মে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া টিকেট কেনা যেতো না। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পরিচিতি নিশ্চিত করা না গেলে রেল-ভ্রমণে পরতে হতো বিরম্বনায়।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ

সব শহরের শেষেই আছে গ্রাম

রাজধানী ঢাকার অদূরে আছে অসংখ্য গ্রাম। ভয়েস টেলিভিশন আপনাদের দেখাবে ঠিক গ্রাম নয়; গ্রামীণ কিছু মনোরম দৃশ্য।

ব্যস্ততম ঢাকার সড়কগুলো পার হতেই চোখ জুড়ানো অনেক কিছু সামনে আসতে পারে। যা অনেকেরই অজানা। অনেকে ভাবতেই পারেন- তার বা তাদের গ্রাম খুব সুন্দর।

অথচ কিছুটা সময় বাস কিম্বা প্রাইভেট কারে দেখে আসতে পারেন গ্রামের প্রতিচ্ছবি। যা আপনার শৈশব বা কৈশরকে নাড়া দিতে পারে।

জলাধার আর সবুজ কার না ভালোলাগে। যদি হয় সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ঘুরে আসাই যায়- নারায়ণগঞ্জ।

অবশ্য এই জায়গাগুলো ঢাকার শেষ এবং নারায়ণগঞ্জের শুরুতেই। সবই আছে এখানে। কিছুটা ইট পাথরের আস্তর থাকলেও জলাধারগুলো সত্যিই মন ভরিয়ে দেবে।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
ভ্রমণ

টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওর ও টেকেরঘাট নিলাদ্রি লেকে পর্যটকদের রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ১৭ আগস্ট সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রথমে সুনামগঞ্জের পর্যটনস্পটগুলো পর্যটকের জন্য বন্ধ করে দেয়া হলেও পরে সীমিত পরিসরে তা খুলে দেয়া হয়। কিন্তু পর্যটকদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় এবং পর্যটকরা টাঙ্গুয়ার হাওর ও টেকেরঘাট নিলাদ্রি লেকে রাত্রিযাপন করায় তা নিষিদ্ধ করা হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিনের বেলায় নৌকা নিয়ে পর্যটনস্পটগুলোতে ঘুরতে পারবেন পর্যটকরা।

এদিকে রাতে যেন পর্যটকরা টাঙ্গুয়ার হাওর, নিলাদ্রি লেকসহ পর্যটনস্থানগুলোতে অবস্থান করতে না পারেন সেজন্য পুলিশ অভিযান চালাবে বলেও জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্যটকদের টাঙ্গুয়ার হাওর, নিলাদ্রি লেকসহ উপজেলার পর্যটনস্থানগুলোতে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পর্যটকরা উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে এলে দিনের বেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের সহযোগিতা করা হবে। রাতে পর্যটনস্পটগুলোতে কেউ যাতে অবস্থান করতে না পারে সেজন্য পুলিশ টহল অব্যাহত থাকবে।

ভয়েস টিভি/সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি/এসএফ