Categories
ভ্রমণ

কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলছে আজ

করেনার কারণে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন শিল্পগুলো। এরইমধ্যে শুধুমাত্র কক্সবাজার পৌর এলাকার পর্যটন শিল্প সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, জেলার পর্যটন শিল্পের সাথে বিভিন্ন ভাবে প্রায় ২ লাখ লোক জড়িত। তাদের জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে সীমিত আকারে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে সীমিত পরিসরে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়া হচ্ছে। এই সময়ে পর্যটকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হোটেল মোটেলসহ কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে বৈঠক করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও কেউ স্বাস্থ্যবিধি লঙ্গন করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

কক্সবাজারে টুরিস্ট পুলিশ বলছে, পর্যটক এবং পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনী প্রস্তত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলে যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সৈকতসহ সকল স্থানে বিচরণ করে তা কড়াকড়ি ভাবে লক্ষ্য রাখা হবে।

পর্যটন এলাকায় ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। দীর্ঘ ৫ মাস পর কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্ট, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে উচ্ছাস প্রকাশ করেছে। এরইমধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য তারা প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে।

ভয়েস টিভি/নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
ভ্রমণ

নতুন ফি যুক্ত হয়ে বাড়লো বিমান ভাড়া

ঢাকা: অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিটে প্যাসেঞ্জার সিকিউরিটি ফি ও এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফি যুক্ত হওয়ায় সব রুটে বাড়লো প্লেনের টিকিট খরচ।

এ বছেরের ২২ জুলাই বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এই দুই ধরনের ফি আরোপ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

জারি করা প্রজ্ঞাপনটি আজ ১৬ আগস্ট রোববার থেকে কার্যকর করা হয়। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ-উল-আহসান সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, সকাল থেকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন ও নভোএয়ারের টিকিটের দামের সঙ্গে অতিরিক্ত ফি আরোপ করতে দেখা গেছে। এছাড়াও এই দুই ফি আরোপের কারণে বেড়েছে ভ্যাটের অংকের পরিমাণও।

প্যাসেঞ্জার সিকিউরিটি ফি ও এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফি’র মধ্যে- দেশের অভ্যন্তরে যাত্রীদের প্রতিবার ভ্রমণে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি (এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফি) দিতে হবে ১০০ টাকা এবং যাত্রী নিরাপত্তা ফি (প্যাসেঞ্জার সিকিউরিটি ফি) দিতে হবে ৭০ টাকা।

“সার্কভুক্ত দেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি (এয়ারপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফি) দিতে হবে ৫ মার্কিন ডলার। আর যাত্রী নিরাপত্তা ফি (প্যাসেঞ্জার সিকিউরিটি ফি) ৬ মার্কিন ডলার। আর সার্কভুক্ত ছাড়া অন্য দেশের ক্ষেত্রে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি দিতে হবে ১০ ডলার। অন্যদিকে যাত্রী নিরাপত্তা ফি বাবদ গুনতে হবে ১০ ডলার।”

ভয়েস টিভি/ নিজস্ব প্রতিবেদক/টিআর

Categories
জাতীয় ভ্রমণ

মাত্র ৩ লাখ টাকায় বাংলাদেশ বিমান ভাড়া নেয়া যাবে

ভয়েস রিপোর্ট: পারিবারিক কিংবা ব্যবসায়ীক যে কোন ভ্রমণের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস উড়োজাহাজ ভাড়া দেয়া হচ্ছে। মাত্র তিন লাখ টাকায় উড়োজাহাজ ভাড়া করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রুটে যেকোনো বিমানবন্দরে চার্টার্ড ফ্লাইটে যাওয়ার সুযোগ এবারই প্রথম দেয়া হলো ।

বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের নতুন এই ডোমেস্টিক চার্টার্ড অফারের বিষয়টি জানিয়েছে।

করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিমান এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে ।

কোন মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ড্যাশ-৮ দিয়ে ফ্লাইট চালানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই বিমানে ফ্লাইট পরিচালনা করলে সর্বোচ্চ ৩৬ জন যাত্রী বসতে পারবে। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে ফ্লাইট চলাচল করছে। অর্থাৎ যে কেউ ফ্লাইট ভাড়া নিয়ে এই রুটে আসা যাওয়া করতে পারবেন।

৩ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচে কেবলমাত্র ৫ ঘণ্টা উড়োজাহাজটি ভাড়া পাওয়া যাবে। অতিরিক্ত ঘণ্টা ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য শর্তও রয়েছে। চার্টার্ড অফার ভাড়া কিংবা বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগের নম্বর- ০১৭৭৭৭১৫৫০৪ এবং ০১৭৭৭৭১৫৫১৩ দেয়া হয়েছে ।

বিমান বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বির হোসেন জানান, যারা জনসমাগম এড়িয়ে চলতে চান বিমান তাদের জন্য এই সুযোগ দিয়েছে। করোনা প্রাদুর্ভাবে পারিবারিক ভ্রমণের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস উড়োজাহাজ ভাড়া দিচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর অভ্যন্তরীণ তিন রুটে গত ১ জুন ফ্লাইট চলাচল শুরু করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তবে যাত্রী সঙ্কটের কারণে দ্বিতীয় দিন ২ জুন মঙ্গলবার ও ৩ জুন বুধবারও সব ফ্লাইট বাতিল করে তারা। ২ জুন তিন রুটে বিমানের ৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়। পরবর্তীতে তারা ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে ৪-এ নামিয়ে আনে।

Categories
ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ

গণপরিবহনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

ভয়েস রিপোর্ট: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেও দীর্ঘ ৬৭ দিন পর সড়কে নেমেছে গণপরিবহন। সোমবার সকাল থেকেই রাজধানীতে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। তবে কিছু সংখ্যক বাসের ভেতর শারীরিক দূরত্ব কিছুটা থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

চিকিৎসকরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দ্রুত করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এতে মারাত্মক ক্ষতির আশংকা রয়েছে বলেও মনে করেন তারা। এদিকে, ঝিনাইদহ-কুমিল্লাসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল শুরুর খবর পাওয়া গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহন চলাচল শুরুর প্রথম দিনে অনেক পরিবহনই শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রী তুলছে। তবে গাড়ির ভেতর অনেক যাত্রীরই মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস নেই। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গাড়িতে উঠছে যাত্রীরা। আর চালক-হেলপারসহ সংশ্লিষ্টদেরও নির্দেশনা মানতে দেখা যায়নি তেমন। নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও। ফলে কতোটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চালাতে পারবে, সেই শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে,স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়ে মালিকপক্ষকেই দোষারোপ করছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এতোকিছু জেনেও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ না করার অভিযোগ তাদের।
তবে, রাজধানীতে চলাচল করা পরিবহনের অধিকাংশই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলায়, দ্রুতই করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাই, যাত্রীদেরকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ তাদের।

অন্যদিকে, করোনা ভাইরাস রোধে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে বাস চলাচল। সকাল থেকেই জেলায় স্থানীয় ও দুরপাল্লার ৬ টি রুটে বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। বাসে ওঠার আগে করা হচ্ছে জীবানুনাশক স্প্রে।

সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায়ও গণপরিবহন চালু হয়েছে। জেলার শাসনগাছা, জাঙ্গালিয়া ও বিশ্বরোড বাস স্ট্যান্ডে সরকারি নির্দেশনা মেনে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়েই যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে বাসগুলোতে ছিটানো হয়েছে জীবানুনাশন স্প্রে, এছাড়া শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাসের ছিটে বসানো হয়েছে যাত্রী।

Categories
অর্থনীতি ভ্রমণ

অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলবে ১ জুন থেকে

ভয়েস রিপোর্ট: ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল করবে । ইতিমধ্যে ফ্লাইট চলাচলের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়া হয়েছে । ফ্লাইট চলাচলের ঘোষণা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এবং নভোএয়ার ।
অভ্যন্তরীণ রুটে আগামী ১ জুন থেকই উড়বে ফ্লাইট বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ঘোষণার পরপরই টিকিট বিক্রির ঘোষণা দেয় এই তিন এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠান।

অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী যাত্রীদেরও মানতে হবে বেশ কিছু স্বাস্থ্য বিধি । থাকছে নানান নতুন নিয়ম । কেবিন ক্রুসহ বিমান সার্ভিসের সবাই পড়বে পিপিই ।
যাত্রীদের মাস্ক, হ্যান্ড গ্লভস পড়তে হবে বাধ্যতামুলক । এ ছাড়া থাকবে আরো কিছু বিধি নিষেধ ।

আগামী ১ জুন থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা, ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা, রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনসের ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে।

১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে নিজেদের ফ্লাইটের জন্য টিকিট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে নভোএয়ার।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জিএম-পিআর) মো. কামরুল ইসলাম জানান, ১ তারিখ থেকে বেবিচকের নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকল যাত্রীদের মাস্ক, হ্যান্ড গ্লভস-সহ পাইলট, কেবিন ক্রুদের পারসোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) পরিধান করা, প্রত্যেকটি ফ্লাইটের পূর্বে এয়ারক্রাফটকে জীবাণুমুক্ত করণ প্রক্রিয়াসহ সকল স্বাস্থবিধি মেনেই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

Categories
অর্থনীতি জাতীয় ভ্রমণ সারাদেশ

বিমানের অব্যবহৃত টিকিটে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত ভ্রমণ করা যাবে

ভয়েস ডেস্ক: কোভিড-১৯ রোগের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অব্যবহৃত টিকিটে ২০২১ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত ভ্রমণ করা যাবে। তবে কেউ যদি ভ্রমণ না করতে চান, তাহলে টিকিট টাকা ফেরত নিতে পারবেন।
বুধবার বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন এ কথা জানান। তিনি বলেন, যাত্রীরা ২০২১ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত কোনো প্রকার চার্জ ছাড়া ভ্রমণ করতে পারবেন অথবা এ সময়ের মধ্যে মূল্য ফেরত নিতে পারবেন।
করোনাভাইরাসের কারণে জানুয়ারি থেকে যাত্রী কমতে থাকে বিমানের। ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্লাইট সংখ্যাও কমে যায়। এর পর মার্চ মাসে বিভিন্ন আকাশপথে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেয় বিমান। ২৯ মার্চ লন্ডন ও ম্যানচেস্টারের ফ্লাইট পরিচালনার পর আর ডানা মেলেনি বিমান। গত এপ্রিল থেকে বেশ কিছু চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাটি।

Categories
ভ্রমণ সারাদেশ

ফেনীর বাঁশের কেল্লা নজর কেড়েছে সবার

ফেনী প্রতিনিধি : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নারকেলবাড়িয়া গ্রামে ব্রিটিশদের সঙ্গে লড়াই করতে বাঁশের কেল্লা বানিয়েছিলেন তিতুমীর। ইতিহাসের পাতায় লেখা তিতুমীরের বাঁশের কেল্লার কথা সবাই জানে। তবে ভ্রমণপ্রেমীদের অনেকের অজানা, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ার শুভপুরে পুরো বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি কেল্লা! এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র। শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা হিসেবে এর পরিচিতি আছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময়ের ত্রিপুরার রাজা শমসের গাজীর নামে রিসোর্টটির নামকরণ হয়।

শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা যেন নিবিড় পল্লীতে স্বপ্নের মতো নান্দনিক নির্মাণশৈলী। ঘরোয়া পরিবেশে থাকা-খাওয়া বা অবসরে ঘুরে বেড়ানো অথবা ছুটি কাটানোর জন্য এটি জুতসই। এখানে যেমন পিকনিক আয়োজন করা যায়, তেমনই বারবিকিউ পার্টি করার সুয়োগ রয়েছে। এছাড়া আছে পাঠকক্ষ, মেহমানখানা ও চা কর্নার।

প্রায় ৫ একর জমির ওপর গড়ে তোলা শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লায় ঢুকতেই চোখে পড়বে ‘ঐকতান’ নামের একটি ঢোলক, তবলা, হারমোনি ও একতারার ভাস্কর্য। ভেতরেও বাংলার লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উপকরণ রাখা হয়েছে। সাহিত্য আড্ডা কিংবা যেকোনও মুক্ত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য রিসোর্টের বাইরে রয়েছে শৈল্পিক আবহ। বাগানের পাশের খোলা আঙিনার ধারে বাঁশের মাচায় পার্বত্য জেলার ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি ঘরের ছোঁয়া মিলবে।

রিসোর্টের ফলগাছের বাগানে রয়েছে বসার ছোট ছোট বেঞ্চ। রিসোর্ট ঘুরে ক্লান্তি এলে বসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া যাবে। অন্যপাশে লেকের পানিতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে আসন পাতা নৌকা। বৈঠা দিয়ে এটি চালাতে হয়।

পর্যটন কেন্দ্রটি থাইল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন শৈল্পিক রেস্ট হাউসের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। এর নকশা করেছেন কানাডার লুই ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য প্রকৌশলী সুরাননা। এশিয়া অঞ্চলের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করেই তিনি এটি ডিজাইন করেছেন।

রিসোর্টটি তৈরির জন্য টাঙ্গাইলের মধুপুর ও পার্বত্য এলাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের বাঁশ সংগ্রহ করা হয়। বড় আকারের বাঁশগুলো মধুপুর আর ছোট আকৃতির বাঁশ (মুলি বাঁশ) খাগড়াছড়ির পার্বত্য অঞ্চল থেকে আনা হয়েছিল।

বাঁশের কেল্লায় ছুটির দিনে একসঙ্গে প্রায় ২০০-৩০০ ভ্রমণপ্রেমী ঘুরতে পারবেন। পারিবারিক আবহে কাটবে দিনরাত। গরমেও আরাম-আয়েশে থাকা যাবে। সবসময় শীতল থাকা পাঁচ কক্ষের রিসোর্টটির সিঙ্গেল বেডের ভাড়া ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। আর ডাবল বেড ৭০০০ টাকা। রিসোর্টের ভেতরে প্রবেশে অনাবাসিকদের খরচ হবে মাত্র ২০ টাকা। পর্যটকদের খাবারের জন্য রয়েছে ঘরোয়া পরিবেশের ক্যান্টিন।

Categories
অপরাধ অর্থনীতি খেলার খবর চিকিৎসা জাতীয় ধর্ম প্রবাসী বিনোদন বিশ্ব ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

করোনা প্রতিরোধে অসহায়দের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। আজও কয়েকটি জেলায় খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা পরিস্থিতে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী, দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি সংগঠনও।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে প্রশাসনকে সহযোগিতার পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে রাজশাহীতে পদ্মাপাড়ের দরগাপাড়া ও বালুচর এলাকায় দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে। এ সময় উপস্থিত প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়। পরে নগরীর দাসপুকুর ও বহরমপুর এলাকায় আরও দেড় শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সেনা সদস্যরা।

কুমিল্লায় বেতনের একটি অংশ দিয়ে দরিদ্র ও কর্মহীনদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সেনাসদস্যরা। সকালে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে রিকশা চালকসহ অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা তুলে দেয়া হয়। চাল,ডাল, তেল ও সবজিসহ এগারটি পণ্য বিতরণ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল মাহবুব আলম।

গাজীপুরে কর্মহীন দশ হাজার মানুষের মাঝে চাল,ডাল আলুসহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন শ্রীপুরে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। সকাল থেকে উপজেলার ইউনিয়নে ইউনিয়নে গিয়ে এসব বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি ঘরবন্দি মানুষ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দরিদ্র ও কর্মহীন শ্রমজীবী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। সকালে শহরের মধ্যপাড়ায় দেড় হাজার কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন পৌর কাউন্সিলর কাউছার আহমেদ। এদিন জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেলুনকর্মী, নির্মাণ শ্রমিক ও জেলে সম্প্রদায়ের ২শো কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়।

খাগড়াছড়ির খাগড়াপুর এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন জেলা পরিষদের সদস্য পার্থ ত্রিপুরা। সামাজিক দূরত্ব মেনে প্রথম দিনে, ৪শ পরিবারকে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও তিন হাজার পরিবারকে ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

চাঁদপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার সদর উপজেলার খেরুদিয়া এবং বালুধুম স্কুল মাঠে উপস্থিতি ২ হাজার মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেয়া হয়। করোনা পরিস্থিতিতে ৬০ হাজার পরিবারকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

যশোরে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। সকালে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জলপুরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দুই হাজারের বেশি শ্রমজীবীদের মাঝে চাল-ডালসহ নিতপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

নীলফামারীতে ভিক্ষুকদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক। প্রথমদিন শুক্রবার, সৈয়দপুরে সাড়ে সাতশ’ জনকে এক মাসের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রত্যেকেকে ত্রিশ কেজি চালসহ ৬টি পণ্য এবং ৬ শ টাকা দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ১ শ ৫০জন ভিক্ষুককে খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে।

এদিকে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে শাকসবজি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন ফেনীর প্যানেল মেয়র। সার্কিট হাউজের সামনে এ সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।

পিরোজপুরে কর্মহীন পরিবাবের শিশুদের জন্য শিশুখাদ্য বিতরণ করেছে একটি বেসরকারি সংগঠন। শহরের রাজারহাটে ব্যতিক্রমী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এ সময়, শতাধিক শিশুর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অন্যদিকে, সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ করা হয়। শহরের সমবায় মার্কেট চত্বরে বাজার মুল্যের চেয়ে ৩০ ভাগ কমে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করা হয়। এসময় প্রত্যেক ক্রেতাকে বিনামূল্যে সবজি দেয়া হয়।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী, দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বেসরকারি সংগঠন।

Categories
অপরাধ অর্থনীতি খেলার খবর চিকিৎসা জাতীয় ধর্ম প্রবাসী বিনোদন বিশ্ব ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

করোনার বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের অন্য রকম ইনিংস

মুশফিক সাকিব আশরাফুলের পর এগিয়ে আসছেন দেশের ক্রিকেটের আরও অনেক তারকা। উৎসাহিত হয়ে এবার একই উদ্যোগ নিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার।

এমন ভিন্ন উদ্যোগ আগে মুশফিক নিলেও বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নিলামে কোন কিছু বিক্রির মাধ্যমটা দেখিয়ে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে রানের বান ছোটানো ব্যাটটি নিলামে তুলেছিলেন তিনি। ২০ লাখ টাকায় তা কিনেছেন এক প্রবাসী।

মাশরাফী যথাসাধ্য সহায়তার পাশাপাশি এবার নিলামের মঞ্চে উঠাতে চাচ্ছেন তার জার্সি, ব্রেসলেট ও বেইমানী করা পায়ে পরা কেডস জোড়া।

অলরাউন্ডার সাইফুদ্দীনের সংগ্রহে সযত্নে রাখা সাকিব আল হাসান, বিরাট কোহলি ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এম এস ধোনির সাক্ষরিত বলটি দিচ্ছেন নিলাম বাজারে।

সতীর্থদের দেখানো পথে হাঁটছেন লিটন দাসও। নিলামে তুলতে যাচ্ছেন এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটখানা।

টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্যও পিছিয়ে নেই নিলামের দৌড়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে ৯৪ বল ক্যারিয়ারের ১ম টেস্ট সেঞ্চুরি করা ব্যাটটি দিচ্ছেন নিলামের বাজারে। এই তালিকায় আছেন স্পিড স্টার তাসকিন আহমেদও। গতির ঝড় তুলে ২০১৭ সালে ডাম্বুলায় লঙ্কানদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক কাব্য লিখা বলটি তুলছেন নিলামের মঞ্চে।

জাতীয় দলে জায়গা হারালেও, দেশের দুঃসময়ে হারিয়ে যায়নি বিজয়ের মানবিকতা। ২০১৬ সালে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটটি নিলামের তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়।

ক্রিকেটারদের এই সামগ্রীর নিলাম পরিচালনা করবে অকশন ফর একশন। যা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এই ক্রিকেট যোদ্ধাদের বিশ্বাস, করোনার আগ্রাসন একদিন পরাজিত হবেই। আবারও সুন্দর এক সকাল আসবে এই ধরণীতে।

Categories
অপরাধ অর্থনীতি খেলার খবর জাতীয় ধর্ম প্রবাসী বিনোদন বিশ্ব ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি শিক্ষাঙ্গন সারাদেশ

করোনা ইস্যুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাকে সাড়া দিল না যুক্তরাষ্ট্র!

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের মহামারি চলছে।আর এর মধ্যেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) সঙ্গে বিবাদ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।করোনা সংকট রোখার রণকৌশল ঠিক করতে শুক্রবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ককে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায় ডাব্লিউএইচও। বৈঠকে একাধিক বিশ্ব নেতা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অংশ নেয়। তবে হাজির ছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রতিনিধি।

নিজের দেশে করোনার মৃত্যুমিছিল স্বত্বেও মাথা নোয়াতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে নিয়ে শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি বৈঠক ডাকে। তাতে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রসিডেন্ট, জার্মান চ্যান্সেলার, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের মতো রাষ্ট্রনায়কেরা। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত সব দেশের প্রতিনিধিরা। করোনা ভাইরাস যাতে আর ছড়িয়ে না পড়তে পারে, তা নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলি। আরও বেশি টেস্ট, আইসোলেশনের ব্যবস্থা, চিকিৎসার উন্নত ব্যবস্থার মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিশ্ব নেতারা।

এ বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেডরোজ আধানাম বলেন, এই সমস্যা আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধান করতে হবে। সহানুভূতির সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে হবে।

তবে, এদিনের বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতি।

বৈঠকে কোনও প্রতিনিধি না পাঠিয়ে ট্রাম্প বুঝিয়ে দিলেন অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেনা না তিনি।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ফের অনুদান দেওয়ারও কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই।

প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুদিন থেকেই দ্বন্দ্ব চলছিল। চীনের তাবেদারি করার অভিযোগে ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।