Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

মৃত্যু আরও ৬৭, শনাক্ত ৩০৫৭

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬৬ জনের।

একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ৫৭ জনের। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ জনে।

১৯ জুন শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭২৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ জন।

এদিন মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৬ হাজার ৯৪৬ জনের। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ।

এর আগে ১৮ জুন দেশে করোনায় ৫৪ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া আরও ৩ হাজার ৮৮৩ জনের করোনা শনাক্তের কথাও জানানো হয়।

Categories
ভিডিও সংবাদ সারাদেশ

মসজিদের দানবাক্সে ১২ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছে। টাকা ছাড়াও দান হিসেবে স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেছে। ১৯ জুন শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে এ বক্সগুলো খোলা হয়।

জানা যায়, আটটি সিন্দুক থেকে প্রায় ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ। বস্তাগুলো থেকে টাকা ঢেলে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় চলছে গণনার কাজ। পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্সের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী ও রুপালি ব্যাংকের কর্মকর্তারা টাকা গণনা করছেন।

এর আগে সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন সর্বোচ্চ দুই কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা পাওয়া যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বক্স খোলার সময়ের ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে। এবার চার মাস ২৬ দিন পর দানবাক্স খোলা হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ২২ আগস্ট ছয় মাস সাত দিন পর দান দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন সেখানে এক কোটি ৭৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭১ টাকা পাওয়া যায়।

জানা যায়, প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মসজিদটির দানসিন্দুকগুলোতে নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার দান করেন। এছাড়া গবাদিপশু, হাঁস-মুরগীসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্রও মসজিদটিতে দান করা হয়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

ইসলামিক স্থাপনা নির্মাণে বিশ্বে নজির সৃষ্টি করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসলামিক স্থাপনা নির্মাণে বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ১০ জুন সারাদেশে একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন তিনি।  বিশ্বে এই প্রথম কোনো সরকার প্রধান নিজস্ব পরিকল্পনায় বড় বাজেটে এতগুলো অবকাঠামো নির্মাণ করলেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে সারাদেশে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে। যার ব্যয় ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা।

প্রকল্প পরিচালক নজিবুর রহমান বলেন, সারাদেশের ৩০টি জেলার ৫০টি উপজেলা সদরে আমরা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। চলতি অর্থবছরে আরও ১০০টি মসজিদ নির্মাণ শেষ হবে।

তিনি বলেন, এ ক্যাটাগরিতে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে ৬৯টি, বি ক্যাটাগরিতে উপজেলা সদরে ৪৭৫টি ও সি ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টিসহ মোট ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প চলমান।

নজিবুর রহমান জানান, এর মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোনো মুসলিম বিশ্বেও একযোগে এত মসজিদ নির্মাণের নজির নেই।

যেসব সুবিধা রয়েছে এসব মসজিদে

নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, হজ্জ যাত্রীদের নিবন্ধনসহ প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ও গাড়ি পার্কিং, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

যেসব কারণে বাংলাদেশে বেড়েছে বজ্রপাত

ইদানিং বাড়ছে বজ্রপাত আর ঘটছে প্রাণহানি। বাংলাদেশে আর ভারতে ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটি বেশি ঘটে থাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বাভাবিকের তুলনায় বজ্রপাতের ঘটনা বেশি হচ্ছে। জুনের প্রথম সপ্তাহেই বজ্রপাতে সারাদেশে ৫৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে।

একটা বজ্রপাতে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
১ বিলিয়ন ভোল্ট যেটা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের চেয়েও বহুগুন শক্তিশালী।

বিজ্ঞানীরা বলেন, এর পেছনের কারণ গ্লোবাল ওয়ার্মিং। যুক্তি হিসেবে বলেন, তাপমাত্রা বাড়লে জ্বলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়, আর জ্বলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বায়ুর ঘনত্ব যেমন কমে যায় তেমনি বায়ুচাপও কমে যায় যার ফলে বজ্রপাতের পরিমান ও সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সাধারণত কালবৈশাখীর প্রকোপের কারণে বজ্রপাতের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।

বলে রাখা ভালো যে, প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়লে বজ্রপাতের পরিমাণ ১২ শতাংশে বাড়তে পারে।

কিন্তু এটা শুধুমাত্র যথার্থ কারণ মনে হয় না কেননা এর পেছনে আরও একটা বিশাল কারণ রয়েছে, সেটা হলো এদেশের ভৌগলিক অবস্থান ৷ দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, এরপরই ভারত মহাসাগর। সেখান থেকে আসছে গরম আর আর্দ্র বাতাস। আবার উত্তরে রয়েছে পাহাড়ি এলাকা। কিছু দূরেই হিমালয় পর্বত। যেখান থেকে ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে আসে। এই দুই জায়গা থেকে আসা বাতাসের সংমিশ্রণ বজ্রপাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

শীতল বাতাসের বরফ ক্রিস্টাল ও জ্বলীয় বাষ্পের তুমুল সংঘর্ষে এই বজ্র তৈরী তরে যেটা নেগেটিভ চার্যের কারণে সবচেয়ে কম দূরত্বে পতিত হতে চায় ৷ যার ফলে ঘটে বজ্রপাত।

অবাক করার ব্যাপার হচ্ছে, পৃথিবীতে ব্রাজিল ও ভেনিজুয়েলাতে বজ্রপাতের পরিমাণ বেশি হলেও বাংলাদেশে আয়তনের তুলনায় বজ্রপাত বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে ৷

এমতাবস্থায় করণীয় হচ্ছে, বেশি বেশি গাছ লাগানো ও যেসব গাছ বেশি উচু হয়ে থাকে তা লাগানো ৷ যেমনঃ তাল, নারকেল

ম্যাগনেটিক পিলার মোবাইল অপারেটর কোম্পানীগুলোর টাওয়ারসহ বেশ কিছু কথন বজ্রপাতের জন্য দায়ী হিসেবে বলা হয়।

ব্রিটিশদের বসানো ম্যাগনেটিক পিলার খুজে খুজে তুলে বিক্রি করে। তারা ভাবে দাম কোটি টাকা অথচ যেটা স্রেফ গুজব।

কালবৈশাখী যতক্ষণ সক্রিয় থাকে, সেটা বজ্রপাতের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ। তবে শীতকালে বজ্রপাত হয় না, কারণ তখন মেঘ তৈরি হয় না। আর জুনে মৌসুমী বায়ু এলে বজ্রপাত কমে যায়। বজ্রপাতের জন্য যে মেঘগুলো দরকার, সেগুলো হলে যেকোনো সময় বজ্রপাত হতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বজ্রপাত পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের গণনার যন্ত্র থাকলেও তা আপাতত কাজ করছে না। ফলে দেশে প্রতিনিয়ত কী পরিমাণ বজ্রপাত হচ্ছে, তা জানাও সম্ভব হচ্ছে না।

বজ্রপাত সম্পর্কে সচেতন হলেই অনেক মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। বজ্রপাতের সময় মৃত্যু এড়াতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেগুলো হলো-

পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিন : ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় থাকা যাবে না।
উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন : সাধারণত উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

জানালা থেকে দূরে থাকুন : বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন : বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান : বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

গাড়ির ভেতরে থাকলে : বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ অবস্থানে ফেরার চেষ্টা করুন। যদি প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্মুখীন হন, তবে গাড়ি কোনো গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে নিয়ে যান। এ সময় গাড়ির কাঁচে হাত দেয়া বিপৎজনক হতে পারে।

পানিতে নামা যাবে না : ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তায় পানি জমাটা আশ্চর্য নয়। তবে বাজ পড়া অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।

খালি পায়ে বা পা খোলা জুতো নয়: বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপৎজনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয়, তবে পা ঢাকা জুতো পরে বের হন। রাবারের গামবুট এক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো কাজ করবে।

চারপাশে খেয়াল রাখুন: বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যেদিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সেদিকটি বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ হলে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হল।

এক বছর মেয়াদের এই দায়িত্ব এ বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হবে। বাংলাদেশ ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে নির্বাচিত অন্যান্য সহ-সভাপতি হল কুয়েত, লাওস ও ফিলিপাইন।

মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহীদ ৭৬তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে বিজয় লাভ করার পর এক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা জানান, ‘বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার ধারক ও বাহক এবং বর্তমান বিশ্বের জটিল চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাসী। উন্নয়ন, শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশ তার নীতিগত ও গঠনমূলক অবস্থান বজায় রেখেছে। বহুপক্ষীয় ফোরামে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের উপর যে আস্থা রাখে, এই নির্বাচন তারই বহি:প্রকাশ।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ বিশ্ব এখন কোভিড-১৯ মহামারী ও এর বহুমাত্রিক প্রভাব থেকে পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে পূর্ণাঙ্গ বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সুচিন্তিত মতামত প্রদান ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের প্রতিনিধিত্বশীল অঙ্গ হিসেবে সাধারণ পরিষদ কাজ করে থাকে। সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে সাধারণ-পরিষদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য ২০১৬-১৭ মেয়াদে ৭১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনেও বাংলাদেশ সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।

ভযেস টিভি/ডি

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনার দিন। ১৯৬৬ সালের এ দিনে বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনকে স্পষ্টত নতুন পর্যায়ে উন্নীত হয়।

দুঃশাসন থেকে মুক্তির দিশারী হিসাবে ছয় দফা দাবি প্রণয়ন করে জনগণের সামনে বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ হিসাবে উপস্থাপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এর মধ্য দিয়েই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা-সংগ্রামে রূপ নেয়। ছয় দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১১ দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, ‘৬ দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার ৬ দফার রূপকার বঙ্গবন্ধুকে ৮ মে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু ৬ দফা বাঙালির প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়। আর ৬-দফার প্রতি বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা।’

দিবসটি উপলক্ষ্যে ভিডিও বার্তায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, ‘পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই জনসংখ্যার শতকরা ৫৬ জন বাঙালি কোনোদিন স্বাধিকার ভোগ করতে পারেনি। এক ধরনের ঔপনিবেশিক শাসন এবং শোষণ পূর্ব বাংলার ওপর চাপিয়ে রাখা হয়েছিল। এটা অনুধাবন করে দুঃশাসন থেকে মুক্তির দিশারী হিসাবে ছয় দফা দাবি প্রণয়ন করে জনগণের সামনে উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু।’

তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ছয় দফা বাঙালির মুক্তির পথ দেখিয়েছিল।’

ছয় দফাভিত্তিক ১১ দফা ছিল ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দাবিনামা। সর্বোপরি ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ববাংলার জনগণ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় প্রদান করে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরও পশ্চিম পাকিস্তানিরা যখন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করল, তখনই ঐতিহাসিক ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৭ মার্চের ভাষণেও ছয় দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার বিভিন্ন সেক্টরের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়েছিল ছয় দফার ভিত্তিতে। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঐতিহাসিক ছয় দফার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে এলেও এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে জনসমাগম এড়িয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঐতিহাসিক এ দিনটি পালন করবে আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সব শহিদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বাদ আসর যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে দল ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ দফা দিবসের কর্মসূচি পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন। এছাড়া দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়া ই পোস্টার প্রকাশ করেছে।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
ভিডিও সংবাদ রাজনীতি

হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি ঘোষণা

বহুল আলোচিত-সমালোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

৭ জুন সোমবার খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সকাল ১১ টা ১৫ মিনিটে মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী বক্তব্য শুরু করেন।

কমিটিতে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির এবং নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রয়াত আমীর শাহ আহমদ শফীর বড় ছেলে মো. ইউসুফকেও রাখা হয়েছে।

কমিটিতে মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মাওলানা মুহিব্বুল হক (সিলেট), মাওলানা আবদুল কুদ্দুসসহ (ফরিদাবাদ) কয়েকজনকে নায়েবে আমির হিসেবে রাখা হয়েছে।

যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন- মাওলানা সাজিদুর রহমান (বি-বাড়িয়া), মাওলানা আবদুল আউয়াল (নারায়নগঞ্জ) ও মাওলানা লোকমান হাকিম। সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত হয়েছেন মাওলানা মীর ইদ্রিস।

কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন- সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, হাসান জামিল, মুফতি হারুন ইজহারসহ নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হেফাজতের নেতারা।

একইভাবে আল্লামা আহমদ শফীর হত্যা মামলার অভিযুক্ত নেতাদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সদ্য বিলুপ্ত কমিটিতে একক আধিপত্য বিস্তারকারী ‘রাবেতা’ ও ‘জমিয়ত’ সিন্ডিকেটও ভেঙে দেয়া হয়েছে।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীসহ শফী অনুসারী কাউকে রাখা হয়নি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে গত মার্চের ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ দেশজুড়ে যে সহিংস ঘটনা ঘটেছে, অন্তত ১৭ জন মানুষের প্রাণহানি হয়। এসব নাশকতার পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত এক ডজন হেফাজত নেতা গ্রেফতার রয়েছেন।

এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ জনতার হাতে ধরা পড়েন। এতে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়ে হেফাজত।

সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা শুরু থেকেই সমঝোতার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের এক নেতা বলেন, সর্বশেষ কমিটিতে মামুনুল হক ও জমিয়ত এককভাবে তাদের আধিপত্য বিস্তার করে। যা নিয়ে বাবুনগরীকে বেশ বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। পরে মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ডের পর একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ওই কমিটি বিলুপ্ত করে তিনি।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

‘পোড়ামন’ পরিচালকের চলচ্চিত্রে সাইমন-মাহি

‘পোড়ামন’ চলচ্চিত্রে প্রধান দুই চরিত্রে জুটি বেঁধে কাজ করেন সাইমন সাদিক ও মাহিয়া মাহি। জাকির হোসেন রাজুর পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়ার পর সাইমন-মাহি জুটিকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে। এর পর এই জুটিকে নিয়ে ‘জান্নাত’সহ আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে কাস্ট করেছেন পরিচালকরা। তবে প্রায় আট বছর নিজের হিট ছবির এই জুটিকে নিয়ে নতুন সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন ‘জীবন সংসার’ সিনেমাখ্যাত পরিচালক জাকির হোসেন রাজু।

সাইমন-মাহিকে নিয়ে ‘আর্তনাদ’ নামের একটি চলচ্চিত্র বানাবেন রাজু। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছে শাপলা মিডিয়া।

জাকির হোসেন রাজু বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর আমরা একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি। অবশ্যই ভালো লাগে। এই আট বছরে ওরা দুজনই অনেক পরিণত হয়েছে। আশা করছি ‘আর্তনাদ’ দর্শককে মুগ্ধতা দেবে।’

এ বিষয়ে সাইমন সাদিক বলেন, ‘দীর্ঘ ৮ বছর পর ওস্তাদের পরিচালনায় কাজ করতে যাচ্ছি এটা আমার জন্য অনেক বড় আনন্দের বিষয়। আশা করি ‘পোড়ামন’র মতো এ ছবিতেও আমি ও মাহি ওস্তাদকে কাজ দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারব, দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব।’

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

রাজধানীর রূপায়ন করিম টাওয়ারে আগুন

রাজধানীর কাকরাইলে রূপায়ন করিম টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ৫ জুন শনিবার বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে বহুতল ভবনটির নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার লিমা খানম জানান, কাকরাইলের রূপায়ন করিম টাওয়ারের নিচতলায় আগুনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বিকাল ৩টা ১৫মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ ও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ ভ্রমণ

যে কারণে এতো জনপ্রিয়তা পেল প্রজেক্ট হিলশা

প্রজেক্ট হিলশা এই নামটি এখন ফেসবুক আর ইউটিউবের কল্যাণে মানুষের মুখে মুখে। নান্দনিক স্থাপর্ত্য শৈলী ডিজাইন আর খাবারের সুনামের কারণে অসংখ্য মানুষ প্রতিদিনই ঢাকা এমনকি দূর দুরান্তের জেলাগুলো থেকেও ছুটে আসছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু না করেই বিপুল মানুষের এই সাড়া মালিকদের অবাক করেছে। ৪০০ জনের বেশি মানুষ একসাথে বসতে পারে না সেকারণে অনেকেই ইচ্ছা থাকলেও খেতে পারেন সময়মতো।

দিনের আলোয় প্রজেক্ট হিলশায় আকৃতি বা অবয়ব যাই বলি এমন দেখতে। সূর্যের আলোয় রুপালি ইলিশের মতো কাঁচগুলো চিকচিক করে। এখানে যারা এসেছেন তাদের বেশিরভাগই স্বচ্ছল এবং ভোজনবিলাসী। তবে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই রেস্টুরেন্টটির নাম এতো বেশি দেখা গেছে যে অসংখ্য টিভি চ্যানেল ও ইউটিউবাররা ভিড় করছেন এখানে।

একসাথে অনেক মানুষের সংকুলান এবং খাবারের ব্যবস্থা করা কষ্টকর। একারণে দুপুর সাড়ে তিনটার পর দেড় ঘন্টা বিরতি। এসময়ে আসা মানুষ নিজেদের মতো করে প্রজেক্ট হিলশার চারপাশ ঘুরে দেখেন সেলফি ছবিতে স্মৃতি ধরে রাখেন নিজেদের।

আমরা খানিকটা দুরে পদ্মার পাড় ঘুরে আসলাম অবসরের এই সময়টায়। প্রাকৃতিক পরিবেশ আর ঘুরতে আসা মানুষের জন্য এধরণের আনিন্দ্য সুন্দর হিলশা প্রজেক্ট সত্যিই কাছে টানবে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার আগেই মানুষের এই দীর্ঘ সারি। শিশু কিশোর ফুড লাভার যুবক যুবতী সব বয়সীদের অনেকেই ছুটে এসেছেন। সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করেছেন অনেকে। আসন নেই তাই বাইরে অনেকে।

ভেতরের পরিবেশটা মনোরম চাকচিক্যময় এবং বাহারি। এককথায় নান্দনিক সুন্দর। বিশেষ করে এর আর্কিটেক্চারাল ডিজাইনটা যেকোন মানুষের কাছে ভালো লাগার মতো। ইলিশের আকৃতি ২০ ফুটের বেশি চওড়া কোন অংশে। আবার লেজের অংশে কিছুটা নিচু।

গোলাপী আলোয় বড় বড় ইলিশ সাজানো কাচের জারে। পছন্দ করে অর্ডার করে ভিন্ন স্বাদ এবং চমৎকার পরিবেশে এটি উপভোগ করতে পারেন।

ভেতরে অনেকেই ইলিশ খাচ্ছেন। কেউ আবার অন্য খাবার। সরকার নির্ধারিত ১৫ শতাংশ ভ্যাটের সাথে সার্ভিস চার্জ ১০ শতাংশ।

টেবিলের টুংটাং শব্দে খাবার আর মৃদু আলাপচারিতায় সন্ধ্যা কাটাতে চাইলে আপনিও আসতে পারেন এখানে। রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখা হলেও ভবিষ্যৎ এ সারারাত খুলে রাখার চিন্তা করছে রেস্টুরেন্ট মালিকরা।

ভয়েসটিভি/এএস