Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বিয়ে না করেও হয়েছেন একাধিক সন্তানের মা

কৈশর থেকেই বেচেঁ থাকার তাগিদে শুরু হয় লড়াই।দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়ায় ভেঙ্গে গিয়েছে অনেক স্বপ্ন।বিয়ে না করেও মা হয়ে ওঠা গীতা কাপুর আজ বলিউড ইন্ডাষ্ট্রির প্রথম সারির কোরিওগ্রাফার।

না ছিলো বলিউডের সাথে কোনো যোগাযোগ,না জন্মেছে সোনার চামুচ মুখে নিয়ে।নিজের ইচ্ছে শক্তির উপ ভর করে হয়ে উঠেছে গীতা মা।ডান্সার হবার ইচ্ছে ছিলো না কখনো,চেয়েছিলো আকাশে উড়তে,বিমান ক্রু হতে সেভাবে প্রস্তুতিও নিচ্ছিলো কিন্তু বাঁদ সাধলো চোখের দৃষ্টি্।

তিনবার বিমান সেবিকার জন্য পরীক্ষা দিলেও শারিরীক পরীক্ষার সময় বাদ পড়ে যান গীতা।এদিকে পারিবারিক দায়বদ্বতাও বাড়ছিলো।

একপ্রকার বাদ্য হয়েই ১৫ বছর বয়সে গীতা ফারাহ খানের ডান্স ইনিস্টিটিউটে যোগদান করেন তিনি।

৫ জুলাই ১৯৭৩ সালে ভারতের মুম্বাই, মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন গীতা কাপুর।বিয়ে না করেও হয়েছেন একাধিক পুত্র কন্যার জননী।শিষ্যরা ভালবেসেই তাকে মা বলে ডাকে।

গীতার উদার ও সাহায্য করার মনোভাব ই তাকে আজ এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।নিজের শেকড় ভুলে না যাওয়া গীতা আজ কোনো ডান্স রিয়েলিটি শোর মধ্যমনি।

শুরুটা গীতা কাপুরের মোটেও সুখকর ছিলো না।ছিলেন জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে।তখন ছোট ছোট কাজের অফার আসছিলো।এর মধ্যই গীতার সাথে ফারার পরিচয় হয় কিছুটা অদ্ভুদ ভাবে।

ফারার নাচ দেখে তার বাবা মেয়ের সামনেই ফারাহ কে প্রসংশায় ভাসালেন,তা দেখে গীতার মনে কিছুটা হিংসার জন্ম নেয়।এর কিছুদিন পরে গীতার কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নাচের প্রস্তাব আসে।

গীতা সেই শোতে নিজের সবটা উজার করে দেয়।নাচ দেখে মুগ্দ ফারাহ গীতাকে তার একাডেমিতে যুক্ত হতে বলে,পুরানো হিংসা ভুলে গীতা ফারার সাথে কাজ শুরু করে।

সুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তির দম তারা গান, কুছ কুছ হোতা হ্যায় সিনেমার ‘তুঝে ইয়াদ না মেরি আয়ে’ এবং মে হুঁ না তে গোরি গোরি গানের মতো অনেক গানের সিকোয়েন্সে ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।

এরপর গীতা ধীরে ধীরে কোরিওগ্রাফি শুরু করেন,ফিজা ছিল প্রথম চলচ্চিত্র যেখানে তিনি প্রধান কোরিওগ্রাফার ছিলেন।

এরপর দিলসে সিনেমায় ছাইয়া ছাইয়া গানে কোরিওগ্রাফি করে আসেন তুমুল আলোচনায়।বাড়তে থাকে পরিচিতি হতে থাকে জনপ্রিয়।

২০০৮ সালে জি টিভিতে রিয়েলিটি শো ডান্স ইন্ডিয়া ড্যান্স সিজন ১ এর মাধ্যমে গীতা তার টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেন, সহ-বিচারক কোরিওগ্রাফার টেরেন্স লুইস এবং রেমো ডি’সুজার সাথে।

সেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য ডান্স রিয়েলিটি শোতে বিচারকের ভুমিকা পালন করেছেন।পেয়েছেন একাধিক পুরুষ্কার ও সম্মাননা।

কোরিওগ্রাফার ফিরোজ খান তাকে প্রথমবার গীতা মা বলে ডাকেন এবং পরে সবাই তার উদারতা স্নেহশুলভ আচরনের জন্য মা ডাকতে শুরু করেন।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বলিউডে শীর্ষ ১০ ধনী নায়িকা

প্রায় সময়ই সেলিব্রেটিদের আয় নিয়ে বেশ কৌতুহল জাগে সবার মনে। আসলে তারা কতটা আয় করেন? এই প্রশ্নটি যাদের মনে ঘোরে তাদের বেশিরভাগই ফ্যান, ফলোয়ার। তাদের কথা মাথায় রেখে অবাক করা সেই আয়ের হিসাব বরাবরই প্রকাশ করে বেশ কিছু মাধ্যম।

তবে শুধু যে অভিনয় করেই তারা আয় করছেন এমনটা নয়। বিজ্ঞাপন, ব্যবসা ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুবাদেও কিন্তু বেশ আয় করে থাকেন তারা। সম্প্রতি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য জড়ো করে বলিউড অভিনেত্রীদের সম্পদের হিসাবের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে এসসিএমপি ডটকম। জেনে নিন বলিউডের কোন তারকা কত আয় করছেন।

ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন—১০ কোটি ডলার

৪৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী এখন ১০ কোটি ডলারের মালিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ল’রিয়েল গ্লোবাল-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ঐশ্বরিয়া। চুক্তিটিই তাকে মূলত মোটা অঙ্কের টাকা এনে দিয়েছে। বলিউডের অন্যতম মুখ হিসেবে ঐশ্বরিয়া তার ক্যারিয়ারে অনেক ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করেছেন। তালিকায় আছে লাক্স, কোকাকোলা, লঙ্গিনস ও পেপসি। ইকোনমিক টাইমস ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি পুষ্টিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছেন।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া-৭ কোটি ডলার

অবাক হওয়ার কিছু নেই যে আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকবেন। সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থ-এর তথ্যানুসারে, ৩৯ বছর বয়সী এই তারকার মোট সম্পদ ৭ কোটি ডলার। হলিউডে তার ক্যারিয়ার যতই এগোচ্ছে ততই বাড়ছে আয়। এখন প্রিয়াঙ্কা বছরে আয় করছেন প্রায় ১ কোটি ডলার। সুতরাং তিনি যে সামনে আরও অনেককে ছাড়িয়ে যাবেন তাতে সন্দেহ নেই। সম্প্রতি তিনি ইতালিয়ান ব্র্যান্ড বুলগারির শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও নিযুক্ত হয়েছেন।

কারিনা কাপুর-৬ কোটি ডলার

৪১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী এখন পর্যন্ত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডে রাজত্ব করছেন। আইবি টাইমস ইন্ডিয়া অনুসারে তার আনুমানিক সম্পদের মূল্য ৬ কোটি ডলার। কারিনা ১৫টিরও বেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছেন।

আনুশকা শর্মা-৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার

ডিএনএ ইন্ডিয়ার মতে, অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক আনুশকা শর্মার আনুমানিক সম্পদ ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আরও বলা হয়েছে, ‘পিকে’-খ্যাত এ অভিনেত্রী ছবিপ্রতি ২০ লাখ ডলারও নিচ্ছেন।

৩৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর পারিশ্রমিক বেশ মোটা অঙ্কের হলেও তার এতো সম্পদের নেপথ্যে আছে নিভিয়া, প্যানটিন, এলে ১৮ কসমেটিকস, গুগল পিক্সেল ও ভিভো ব্র্যান্ড। আবার ২০১৩ সালে, শর্মা (তার ভাই) কার্নেশ শর্মার সঙ্গে ক্লিন স্লেট ফিল্মজ প্রতিষ্ঠা করেন। একসঙ্গে তারা কয়েকটি হিট চলচ্চিত্র ও টিভি শো তৈরি করেছেন।

দীপিকা পাড়ুকোন-৪ কোটি ডলার

‘পদ্মাবত’-খ্যাত এ তারকা কোকাকোলা, নাইকি, লরিয়াল প্যারিস, শোপার্ড ও টিশটের মতো বড় ব্র্যান্ডের হয়ে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তিনি তার নিজস্ব লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ঘোষণা করেছেন। সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থ-এর তথ্যমতে, দীপিকার আনুমানিক সম্পদ ৪ কোটি ডলার।

মাধুরী দীক্ষিত-৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার

’৯০ দশকের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন মাধুরী। এখনও তার অবদান বা সম্পদ কিছুই ফুরোয়নি। সেলিব্রেটি নেট ওয়ার্থ অনুসারে, ৫৪ বছর বয়সী মাধুরীর সম্পদ সাড়ে তিন কোটি ডলারেরও বেশি। টিভি-সিনেমা মিলিয়ে এখনও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

২০০৭ সালে কিছু দিন বিশ্রাম নিলেও বলিউডে আবার নিয়মিত হয়েছেন। ২০১৯ সালেই তাকে দেখা গেছে ‘টোটাল ধামাল’-এ।

এ ছাড়া নাচের প্রতিযোগিতা ‘ঝলক দিখলা জা’, ‘সো ইউ থিঙ্ক ইউ ক্যান ডান্স (ইন্ডিয়া)’ এবং ‘ডান্স দিওয়ানে’র বিচারক হিসেবেও ভালো আয় করেছেন তিনি। এর বাইরে মোটা অঙ্কের টাকা পাচ্ছেন নিউট্রেলা, ডাবর ও কান্ট্রি ডিলাইট-এর মতো ব্র্যান্ডের হয়ে কাজ করে।

ক্যাটরিনা কাইফ-৩ কোটি ডলার

সেলিব্রেটি নেট ওয়ার্থ-এর হিসাবে বলিউডের পরিশ্রমী অভিনেত্রী ক্যাটরিনার মোট সম্পদ এখন তিন কোটি ডলার। ৩৫ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী গত পাঁচ বছরে অসংখ্য বক্স-অফিস হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন।

জিকিউ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী রিবক, ট্রপিকানা, লেন্সকার্ট, মেট্রো জুতা এবং অপোর মতো বেশ কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডের হয়েও কাজ করেছেন ক্যাট। এসব থেকে বছরে তার আয় ৩০ লাখ ডলারের কাছাকাছি। ‘কে বিউটি’ নামে একটি নিজস্ব মেকআপ ব্র্যান্ডও চালু করেছেন।

শিল্পা শেঠি-১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

বলিউডে এখন না গেলেও টিভিতে আছেন পুরোদমে। ‘জারা নাচকে দেখা’, ‘নাচ বলিয়ে’ এবং ‘সুপার ড্যান্সার’-এর মতো নৃত্য প্রতিযোগিতার বিচারক শিল্পা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, শিল্পা এসব অনুষ্ঠানে নিজের উপস্থিতির জন্য ১০ থেকে ১৪ কোটি রুপি করে উপার্জন করেছেন।

অন্যদিকে শিল্পা সফল ব্যবসায়ীও। যুক্তরাজ্যের সেলিব্রিটি বিগ ব্রাদার জেতার পর খুব বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও তিনি তৈরি করেছেন একটি সফল ফিটনেস অ্যাপ-সোলফুল। তার আছে একটি উন্নতমানের রেস্তোরাঁ ও ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান।

কাজল-১ কোটি ৬০ লাখ ডলার

‘তানহাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র’ (২০২০) এবং নেটফ্লিক্সের ‘ত্রিভাঙা’র মতো সিনেমা করে কাজলের জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার আবার ঊর্ধ্বমুখী। রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড-এর রিপোর্ট অনুয়ায়ী, শিব শক্তি নামে মুম্বাইতে একটি বিলাসবহুল ভবনের মালিক কাজল। চার্মিস, জয়লুক্কাস জুয়েলারি এবং ওয়ার্লপুল ইন্ডিয়ার মতো ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে পান মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক।

বিপাশা বসু-১ কোটি ৫০ লাখ ডলার

প্রায় বাইশ বছর আগে ফ্যাশনেবল তারকা হিসেবে আধিপত্য বিস্তার তার। সুজান খান ও মালাইকা অরোরার সঙ্গে ‘দ্য লেবেল লাইফ’ নামে একটি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিপাশা। সেলেব্রিটি নেট ওয়ার্থ জানালো, বিপাশা এখন দেড় কোটি ডলারের মালিক।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বিত্তশালী পুরুষদের প্রতি দুর্বল ছিল জ্যাকলিন!

জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ কি বরাবরই বিত্তশালীদের প্রতি দুর্বল? তার প্রেমিকদের নামের তালিকা দেখে এমন প্রশ্ন উঠতেই পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেনে আনলো পুরনো এক সম্পর্ককে।

শ্রীলঙ্কান সুন্দরী জ্যাকলিন যেমন সুকেশ চন্দ্রশেখরের মতো ধনার্ঢ্য প্রতারকের প্রেমিকা, তেমনই তার তুমুল প্রেম ছিল বাহারাইনের যুবরাজের সঙ্গেও। সুকেশ যদি হন ‘২০০ কোটির মালিক’, সেই শেখ হাসান বিন রশিদ আল খলিফার সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ১১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার! ২০১১-র একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাজ পরিবারের সদস্যদের অন্যতম।

জ্যাকলিনের সঙ্গে যুবরাজের প্রেম কিন্তু এক-দু’দিনের নয়। প্রায় দশ বছর নাকি দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শেখ হাসান বিন রশিদ আল খলিফা দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে ভালবাসেন।

ভ্রমণ পিয়াসীর পাশাপাশি তিনি প্রথম সারির সঙ্গীতশিল্পীও। কোনো এক অনুষ্ঠানে জ্যাকলিনের সঙ্গে পরিচয়। সেভাবেই জ্যাকলিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

২০১১ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুবরাজ নাকি স্বীকার করেছিলেন, তিনি ও জ্যাকলিন প্রেম করেছেন। কিন্তু নানা সমস্যায় দুজনে আলাদা হয়ে যায়। এমনকি যুবরাজ দাবি করেছেন, নায়িকার জীবনে একাধিক পুরুষের উপস্থিতি টের পেয়েছেন তিনি।

সেই তালিকায় সাজিদ খান, অ্যাডাম ক্যাল্ডেরারের নাম রয়েছে। যদিও জ্যাকলিন তা অস্বীকার করেছেন। বিচ্ছেদের পরে নাকি বিরহে কাতর যুবরাজ একটি গানের অ্যালবামও প্রকাশ করেন।

বলিউডের অন্দরে অনেক দিন ধরেই জোর গুঞ্জন; জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ও অর্জুন কাপুর নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন!

এ গুঞ্জন কানে এসেছে জ্যাকলিন-অর্জুনেরও।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুজনেই একরকম আকাশ থেকে পড়েন! দুজনে এতটাই অবাক হয়েছিলেন যে উপস্থিত সাংবাদিকরাও ঘাবড়ে যান। জ্যাকুলিন বলে ওঠেন, ‘ওহ্! মাই গড।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, সে পর্ব অতীত। বর্তমানে চর্চায় জ্যাকলিন-সুকেশ। প্রকাশ পেয়েছে দুজনের ঘনিষ্ঠ ছবিও।

সে ছবি না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে জ্যাকলিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্তা দেন, ‘আপনাদের প্রিয়জনের গায়েও কি এ ভাবেই আপনারা কাদা ছেটান?’ ইতিমধ্যেই ২০০ কোটির প্রতারণায় অভিযুক্ত হয়েছেন জ্যাকুলিনের প্রেমিক সুকেশ।

প্রতারণার সঙ্গে নায়িকার যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে দুইবার গোয়েন্দা সংস্থার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।

এর আগে জ্যাকলিন দাবি করেন, তিনি সুকেশের আসল পরিচয় জানতেন না।

শোনা গিয়েছিল, জ্যাকলিনের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে তার সম্পর্কে অনেক খোঁজখবর নিয়েছিল সুকেশ। সে ভালভাবেই জানত, তখন অভিনেত্রীর হাতে কোনও বড় কাজ ছিল না।

সেই সুযোগ নিয়েই ৫০০ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। সুপারহিরো ফিল্মের সিরিজ তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিল সুকেশ। জ্যাকুলিনকে নাকি অ্যাঞ্জেলিনা জোলির মতো দেখতে, এমনটাই জানিয়েছিল সে।

এদিকে সুকেশের দাবি, জ্যাকুলিনকে সে মোট ৭ কোটি টাকার গয়না দিয়েছে। আমেরিকায় থাকেন জ্যাকলিনের বোন। তাকে প্রায় এক কোটি টাকা লোন অফার করার পাশাপাশি একটি বিএমডব্লিউ গাড়িও দিয়েছে।

জ্যাকলিনের মাকে দিয়েছে একটি পোর্শে গাড়ি। অভিনেত্রীর পরিবারকে একটি দামী ইটালিয়ান গাড়ি দিয়েছে বলেও দাবি করেছে সুকেশ। জ্যাকুলিনের পাশাপাশি অভিনেত্রী নোরা ফতেহিকেও নাকি একাধিক দামী উপহার দিয়েছিল সুকেশ।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ার পরও পিছু হটেননি যে নায়িকা

বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে মূলত সব সময় আলোচনায় থাকেন। কখনো কখনো তাকে ঘিরে দানা বাঁধে বিতর্ক। কখনো তার সাহসী ছবি, কখনো নগ্ন ভিডিও ক্লিপ নেট দুনিয়ায় ঝড় তোলে।

এবার নিজেই ফাঁস করেছেন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পরিচালকের সঙ্গে উত্তেজক কি করেছেন তিনি।

বলিউডের একঝাঁক নায়িকাদের ভিড়েও রাধিকাকে সহজেই চেনা যায়। পুণের থিয়েটারের মঞ্চ হোক বা বলিউডের পর্দা- সব কিছুতেই তিনি সমান সাবলীল। এমনই বলেন তার ভক্তরা।

চিত্রনাট্যের কারণে চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে ফুটিয়ে তুলতে কম পরিশ্রম করেন না অভিনেতারা। চরিত্রের শরীরী রূপের সঙ্গে একাত্ম হতে কেউ ওজন কমিয়ে বা বাড়িয়ে ফেলেন।

কেউ বা নিজেকে লোকচক্ষুর আড়ালে সরিয়ে চরিত্রকে যাপন করতে শুরু করেন। অনেকে আবার নতুন ভাষা আয়ত্তে আনেন।

এ দলে অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারেন রাধিকা আপতে। চরিত্রের প্রয়োজনে বারবারই চেনা পরিধির বাইরে বেরিয়েছেন তিনি

রাধিকা নিজেই জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের অনুরাগের ছবির জন্য ফোনে তাকে উত্তেজক কথা বলতে হয়েছিল। পরিচালক তাকে সাবলীল অভিনয়ের জন্য এমন প্রস্তাব করেছিলেন।

যদিও শেষমেশ সে ছবিতে তাকে দেখা যায়নি। এতে অভিনয় করেছিলেন কল্কি কেঁকলা। অভয় দেওল এবং মাহি গিলের পাশে নিজের দ্বিতীয় ছবিতেই নজর কেড়েছিলেন কল্কি।

নেহা ধুপিয়ার কাছে একটি সাক্ষাৎকারে সে অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন রাধিকা। তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অদ্ভুত অডিশন হল অনুরাগের ‘দেব ডি’।

ওই অডিশনের জন্য টেনে চুল বাঁধতে হয়েছিল। ললিপপ মুখে রেখে দিতে হত। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু করতে হয়েছিল।

তার কথায়, মুম্বাইয়ে আসার আগে আমি পুণেতে থাকতাম। তখনও পর্যন্ত কখনও ফোনে উত্তেজক কথাবার্তা বলিনি। তবে অনুরাগের ফিল্মে অডিশনের জন্য তা-ই করেছিলাম।

২০০৫ সালে মহেশ মঞ্জরেকরের ‘বাহ্! লাইফ হো তো অ্যাইসি!’-ছবিতে মাত্র কয়েকটি দৃশ্যে প্রথমবার তাকে দেখেছিল বলিউড। তারপর থেকে বারবারই নজর কেড়েছেন রাধিকা।

চরিত্রের খাতিরে নিজেকে ভেঙেছেন-গড়েছেন। ‘সেক্রেড গেমস’, ‘বদলাপুর’, ‘অন্ধাধুন’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’, হান্টার’, ‘মান্ঝি: দ্য মাউন্টেন ম্যান, ‘পার্চড’ বা ‘অন্তহীন’ রাধিকা বারবারই সমালোচকদের চমকে দিয়েছেন।

চরিত্রের গভীরে প্রবেশের জন্য কম পরিশ্রম করেন না রাধিকা। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। লীনা যাদবের ছবি ‘পার্চড’-এর কথাই ধরুন না! ২০১৫ সালের ওই ফিল্মে আদিল হুসেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ শরীরী দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল।

‘পার্চড’-এর বিতর্কের কয়েক বছরের মধ্যেই ফের ‘বেকায়দায়’ পড়েন রাধিকা। এবার ২০১৯ সালের ব্রিটিশ-আমেরিকান ছবি ‘দ্য ওয়েডিং গেস্ট’-এর জন্য নীতিপুলিশদের কাঠগড়ায় ওঠেন তিনি। ওই ছবিতে দেব পটেলের সঙ্গে তার শরীরলী দৃশ্য নিয়ে তর্ক জোরালো হয়েছিল।

বিতর্কের ঝড়ে পড়লেও পিছু হঠেননি রাধিকা। তিনি জানিয়েছেন, চরিত্রের খাতিরে একাধিকবার বিচিত্র সব কাজ করেছেন।

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

ছেলেদের যেসব গুণ পছন্দ করে মেয়েরা

প্রেমের প্রথম ধাপ হলো আকর্ষণ। আপনি যদি তার প্রতি আকর্ষণ অনুভব না করেন, তাহলে সেটিকে প্রেম বলা যায় না। আর যদি ঘটনাচক্রে প্রেম হয়েও যায়, তাহলে সেই সম্পর্ক বেশি দিন টেকে না। মেয়েদের কিছু গুণ দেখে ছেলেরা যেমন আকর্ষণ অনুভব করে, ঠিক তেমনি ছেলেদেরও কিছু গুণ আছে যা মেয়েরা পছন্দ করে। চলুন দেখে নিই ছেলেদের কোন গুণগুলো মেয়েদের আকর্ষণ করে।

হাসি
মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে হাসি। এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস এবং সৌজন্যতা প্রকাশ পায়। মুখে কিছু না বলেও সুন্দর হাসি দিয়ে অনেক কিছু প্রকাশ করা যায়।

সত্যবাদিতা
কেউ প্রশ্ন করলে, আমরা কোনো কিছু না ভেবেই সত্য উত্তর দিই। সব সময় সত্য বলাটা শুধুমাত্র ভালোলাগা বা শ্রদ্ধা পাওয়ারই বিষয় নয়, বরং আকর্ষণীয়ও। মেয়েরা সোজা উত্তর পছন্দ করে।

কেয়ারিং দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিচ্ছন্নতা
বাহ্যিক সৌন্দর্য সঙ্গীকে যতটা আকর্ষণ করে, তার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণ করে তার প্রতি আপনার কেয়ারিং দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়া ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করে পরিপাটি উপস্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়।

অন্যকে গুরুত্ব দেওয়া
সবার কথা মন দিয়ে শোনা, প্রয়োজনীয় তারিখ এবং বিভিন্ন ইভেন্ট নোটবুকে লিখে রাখা। নির্দিষ্ট দিনে তাকে কাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়া অথবা শুভেচ্ছা জানানোও আকর্ষণীয় করার একটি কৌশল।

আই কনটাক্ট
গায়ের রং যেমনই হোক, চোখ কিন্তু সব মানুষেরই সুন্দর। চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বললে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

অন্তর্মুখীতা
নারীরা মনে করেন অন্তর্মুখী লোকদের সঙ্গে সম্পর্ক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে বর্হিমুখী লোকেরা অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চান। নারীরা এটা বেশ বুঝতে পারেন। তাই বন্ধু হিসেবে এমন ছেলে পছন্দ করলেও জীবনসঙ্গীর বেলায় নারীরা এটা মাথায় রাখেন।

ভালো শ্রোতা
অনেকেই আছেন যারা ভালো শ্রোতা নন। কেবল নিজের কথাই বলতে ভালোবোসেন। মেয়েরা চান তাদের কথা প্রিয় মানুষটি মনোযোগ দিয়ে শুনবে। তাই ভালো শ্রোতা না হলে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

পৃথিবীতে চলচ্চিত্রের যাত্রা যেভাবে

১৮৯৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বিশ্ব চলচ্চিত্রের এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনার দিন। এদিনে ফ্রান্সের প্যারিস শহরের গ্র্যান্ড ক্যাফেতে প্রদর্শিত হয় বিশ্বের প্রথম সিনেমা। আর এই কাজের পেছনে রয়েছে রাইড ব্রাদার্সের মতো দুই ভাই।

যারা লুমিয়ের ব্রাদার্স নামে পরিচিত। প্যারিসের দুই ভাই লুই লুমিয়ের ও অগাস্ত লুমিয়ের প্রথম এই প্রদর্শনী করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন। হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলচ্চিত্রের শিল্পের বয়স আজ ১২৫।

এর আগে চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে। মুভিং ক্যামেরা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফলতা এসেছে লুমিয়ের ভাইদের হাত ধরে। মূলত এই চলচ্চিত্রযাত্রার স্বপ্ন বোনা শুরু করেছিলেন লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের পিতা আন্তোনি লুমিয়ের।

১৮৯০ সালে মার্কিন উদ্ভাবক টমাস আলভা এডিসন ও তাঁর সহযোগী উইলিয়াম ডিকসন প্রথম চলচ্চিত্র ধারণ করার মতো ক্যামেরা তৈরি করেন। তারা যার নাম দেন কিনেটোগ্রাফ। পরের বছর তাঁরা তৈরি করেন কিনেটোস্কোপ।

কিনেটোস্কোপ দেখে মুগ্ধ হয়ে আন্তোনি তার ফটোগ্রাফিক প্লেটের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত দুই ছেলেকে এমন একটি যন্ত্র তৈরির বুদ্ধি দেন। বাবার উৎসাহে ফ্রান্সের লিঁও নিবাসী দুই ভাই এমন এক যন্ত্র তৈরিতে লেগে পড়েন।

১৮৯৫ সালের মার্চ মাসে তারা একটি ক্যামেরা প্রজেক্টর তৈরি করে ফেলেন। তারা এর নাম দেন সিনেমাটোগ্রাফ। আবিষ্কারের পর তারা প্রায় নয় মাস যন্ত্রটি দিয়ে প্রথম পরীক্ষা চালান।

এরপর প্রথম নিজেদের কারখানার শ্রমিকদের ছবি তুলে তৈরি করেন সিনেমা।

সে সময় লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় ছোট ছোট দশটি ১ মিনিটের ছবি নিয়ে বাণিজ্যিক প্রদর্শনী করেন। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে সে সময় চলচ্চিত্র দেখেন প্যারিসের মানুষ। লুই লুমিয়ের নির্মিত ও প্রদর্শিত প্রথম ছবি ছিলো ‘ওয়ার্কার্স লিভিং দ্য লুমিয়ের ফ্যাক্টরি’।

৩৫ মিলিমিটারে নির্মিত ১৭ মিটার দৈর্ঘ্যের এই চলচ্চিত্রটির ব্যাপ্তি ছিলো মাত্র ৪৬ সেকেন্ড। এক মিনিটেরও কম সময়ের এই সিনেমাতে দেখা যায়, লুমিয়েরের কারখানা থেকে শ্রমিকরা বের হচ্ছেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন নারী।

লুমিয়ের ভাইদের অনুসরণ করে দেশে দেশে তখন চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের হিড়িক পড়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে। মার্কিনি নির্মাতা এডউইন পোর্টার প্রথম ১৯০২ সালে কাহিনীচিত্র ‘দ্যা লাইফ অব অ্যান আমেরিকান ফায়ারম্যান’ নির্মাণ করেন। চলচ্চিত্র সম্পাদনার সূচনাও করেন তিনি।

পোর্টার ১৯০৩ সালে নির্মাণ করেন ‘দ্যা গ্রেট ট্রেন রবারি’। যাকে বলা হয় পৃথিবীর সফল প্রথম কাহিনীচিত্র। সে সময় আরেকজন মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা ডেভিড ওয়ার্ক গ্রিফিথ চলচ্চিত্রে যেন বিপ্লব ঘটান। তিনি তাঁর চলচ্চিত্রে বিশাল সেট, বিপুল শিল্পী-কলাকুশলী দ্বারা ইতিহাসের সন্নিবেশ ঘটান তাঁর চলচ্চিত্রে।

তিনি নির্মাণ করেন ‘বার্থ অব আ নেশন’, ইনটলারেন্সসহ বেশ কিছু সিনেমা। ১৯০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে ওঠে চলচ্চিত্র কোম্পানী। ১৯১১ সালে শুরু হয় ‘হলিউড’ এর যাত্রা।

ভারতে প্রথম চলচ্চিত্র পদর্শন হয় বোম্বের ওয়াটসন হোটেলে ১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই। লুমিয়ের ভাইদের প্রতিনিধি মরিস সেসতিয়ার অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পথে এই প্রদর্শনী করেন।

১৮৯৮ সালে প্রথম বাংলায় চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন করেন ঢাকার মানিকগঞ্জের বকজুরি গ্রামের ছেলে হীরালাল সেন। তিনি প্রথমে দ্যা রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পাণী গঠন করেন।

তিনি প্রায় একশোর উপরে চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র, বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মাণ করেছেন। তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি প্রথম ভারতীয় উপমহাদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।

Categories
ভিডিও সংবাদ

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থানে যে জলপ্রপাত

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত নায়াগ্রার , কিন্তু জানেন কি নায়াগ্রার থেকে প্রতি মিনিটে আছড়ে পড়ে প্রায় ৬ মিলিয়ন ঘনফুট পানি।

যা দেখলে পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পর্কে আপনার অন্য রকম ধারনা জন্মাবে। আর প্রকৃতি কতোটা সুন্দর হতে পারে তাও আপনারা জেনে যাবেন। নিজের অজান্তেই আপনাদের সকলের মন ছুটে যাবে সেই সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। এই রকম বিস্ময়কর জলপ্রপাত গুলো নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত : নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকার সবচেয় শক্তিশালী জলপ্রপাত এবং পৃথিবীর সুন্দরতম জলপ্রপাতের একটি। এটি বিশাল জলরাশি নিয়ে আমেরিকার সবচেয়ে পুরোনো পার্ক। দা নায়াগ্রা রিজারভেশন পার্কে অবস্থিত যার কিছু অংশ কানাডার ওন্টারিওতে পড়েছে।

চারটি বিখ্যাত হ্রদের (সুপিরিয়র, মিশিগান, হারন ও ইরাই) পানি নায়াগ্রা নদীতে পড়ার পর তা ওন্টারিও হ্রদে পতিত হয়। পৃথিবীর ফ্রেস ওয়াটারের পাঁচ ভাগের এক অংশ এখান থেকে সাপ্লাই হয়। প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুধুমাত্র নায়াগ্রার এ্ই জলপ্রপাত দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়।

ইগুয়াজু জলপ্রপাত: এই জলপ্রপাতটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার মধ্যে অবস্থিত । এটিতে ১.৬৭ মাইল লম্বা ইগুয়াজু নদী থেকে ২৭৫ টি ধারায় জল পতিত হয় ।

শক্তিশালী জল পতন সম্বলিত ইউ আকৃতির এ জলপ্রপাতটিকে দা ডেভিলস থ্রট বলা হয় । আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট এ জলপ্রপাতটি প্রকৃতির এক অসাধারণ উপহার । তুলনামূলকভাবে এটি খুব বেশি উঁচু নয় ।

এর সবচেয়ে বড় জলপতনের দৈর্ঘ্য ২৬৯ ফুট। সম্প্রতি পৃথিবীর নতুন প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য মনোনয়নের ফাইনাল তালিকায় স্থান পেয়েছে।

কাইটার জলপ্রপাত : দক্ষিণ আমেরিকার আমাজোনের গুয়ানা পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত এ জলপ্রপাতটি প্রকৃতির আর একটি সুন্দর উপহার।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী জলপ্রপাত গুলোর একটি। এর রয়েছে অস্বাভাবিক উচ্চতা এবং চিত্তকর্ষক পানির আধার। পর্যটকরা এর চারপাশ ঘেরা রেইন ফরেস্টের মধ্যকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বন্য প্রাণী দেখেও মুগ্ধ হয় ।

রাইন জলপ্রপাত : এটি হচ্ছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত। উত্তর সুইজারল্যান্ডের যেখান দিয়ে রাইন নদী প্রবাহিত এই জলপ্রপাতটি সেখানে অবস্থিত। কথিত আছে প্রায় ১৫০০০ বছর আগে এর উৎপত্তি। এটি ৪৯২ ফুট প্রশস্ত এবং ৭৫ ফুট উঁচু।

পামুক্কেল জলপ্রপাত (তুরস্ক): দক্ষিণ-পশ্চিম তুরস্কের মেন্দেরেজ নদীর উপত্যকায় উপত্যকায় অবস্থিত পামুক্কেল জলপ্রপাত তুরস্কের অন্যতম সেরা পর্যটন আকর্ষণ।

তুর্কী ‘পামুক্কেল’ শব্দের অর্থ ‘তুলার প্রাসাদ’। এই এলাকা বিখ্যাত মূলত এর দারুণ সব গরম পানির ঝর্ণার কারণে। ঝর্ণার খনিজ লবণ সমৃদ্ধ পানি বয়ে চলার সময় পথে কিছু খনিজ রেখে যায়। এরা জমতে জমতে তৈরী করেছে দৃষ্টিনন্দন সাদা টেরেস। টেরেস জমে ঝর্ণার পানি।

জলপ্রপাত (মরিশাস): ভারত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত দ্বীপদেশ মরিশাস। সবুজ দ্বীপের চারদিক থেকে বেষ্টিত হয়ে আছে ঘন নীল জলরাশিতে। মরিশাসের এই জলে প্রকৃতি লুকিয়ে রেখেছে অপার রহস্য। আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল থেকে এর দূরত্ব প্রায় দু’হাজার কিলোমিটার।

এই দ্বীপের পাশে রয়েছে একটি বিস্ময়কর জলপ্রপাত, যা কিনা জলের তলায় অবস্থিত! এই ডুবো জলপ্রপাত দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন বহু পর্যটক।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বাংলা সিনেমায় আফগান নায়ক

ছয় ফুট লম্বা ২২ বছর বয়সী সুদর্শন এক আফগান যুবক বাংলাদেশে এসে শুরু করেন মডেলিং। এদিকে পরিচালক মুশতাক তার পরবর্তী ছবির জন্য এমন একজন নায়ক খুঁজছেন যাকে দেখলে মনে হবে সদ্য আমেরিকা ফেরত ইমিগ্রান্ট। আফগান এই যুবককে প্রথম দেখাতেই পছন্দ হয়ে যায় বাংলাদেশী পরিচালক মুশতাকের। আমন্ত্রণ জানান অডিশনের জন্য- অডিশনে সেই আফগান যুবকের পারফরম্যান্সে যারপরনাই খুশী মুশতাক। এমন একজনকেই তো খুঁজছেন তিনি।

১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় মুশতাক পরিচালিত জনপ্রিয় সিনেমা বন্দিনী- যে সিনেমায় কালজয়ী শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ‘ইশারায় শিস দিয়ে আমাকে ডেকো না’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গানটি শোনেননি এমন বাংলাদেশি শ্রোতা খুব একটা পাওয়া যাবে না। পুরনো সেই গানের ভিডিও দেখলে আপনি চিন্তায় পড়ে যাবেন। একই সঙ্গে ভাবতে শুরু করবেন- ববিতার সঙ্গে অভিনয় করা বিদেশি এ নায়কটি কে! বাংলা সিনেমায় অভিনয় করা ওয়াহিদ কাদের বাংলাদেশ, ভারত কিংবা পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন না তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের নাগরিক।

বলছিলাম তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত আফগান রাষ্ট্রদূতের সন্তান ওয়াহিদ কাদেরের কথা, যিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন বাবা-মায়ের সঙ্গে। ১৯৫৪ সালে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জন্ম হয় ওয়াহিদ কাদেরের। বাবা আফগান রাষ্ট্রদূত হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেরিয়েছেন। পশতু, ইংরেজি, ফারসি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও হিন্দি ভাষার পাশাপাশি চমৎকার বাংলাও বলতেন তিনি।

বন্দিনী সিনেমায় ‘ইশারায় শিস দিয়ে ডেকো না’ ছাড়াও ‘সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী’ শিরোনামে আরেকটি বিখ্যাত গান ছিল- যে গানটি ৪ দশক পার করে আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। বন্দিনী সিনেমাটি হিট করলেও নায়ক ওয়াহিদ কাদের এরপর আর কোন সিনেমায় অভিনয় করেন নি। যদিও সিনেমায় অভিনয় না করার স্পষ্ট কোন কারণ জানা যায় নি।

১৯৮০ সালে ওয়াহিদ কাদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন- সেখানে সিকিউরিটি বিজনেসে একটা চাকরিও জুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। চাকরি শুরুর এক মাসের মাথায় এবিসি নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় সিরিজ ‘জেনারেল হসপিটাল’-এ অভিয়ের সুযোগ পান। কিন্তু সদ্য বিবাহিত এবং সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে নিয়ে নিরাপদ চাকরি ছেড়ে শোবিজে জড়িয়ে পড়াটা নিরাপদ মনে না হওয়ায় ওপথে আর পা বাড়াননি।

আমেরিকায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে ওয়াহিদ কর্মজীবন শুরু করলেও শ্রম আর মেধা খাটিয়ে ১৯৯১ সালে একটি সিকিউরিটি কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। পরে ১৯৯৭ সালে নিজেই সিকিউরিটি বিজনেস শুরু করেন এবং ইউএসএস সিকিউরিটি সার্ভিসের সিইও হিসেবে বড় বড় কোম্পানিতে সার্ভিস দেওয়া শুরু করেন।

ওয়াহিদ কাদেরের ব্যবসায় বড় ধরনের ধস নামে ২০০১ সালের শেষ দিকে। এক বছরের মধ্যে তীব্র আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হন তিনি। মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ও অ্যালকোহলে আসক্ত হয়ে যান। আর এই অবস্থায় স্ত্রী ও তিন ছেলের সংসারের দেখভাল করতে গিয়ে তিনি হিমশিম খেতে থাকেন। এক সময় তার স্ত্রী রোনা আর বড় ছেলে ম্যাথিউ ক্লায়েন কাদের কাজ করতে শুরু করেন। ওয়াহিদ নিজেও আবার নতুন করে কোম্পানি শুরু করেন।

ওয়াহিদের সম্ভ্রান্ত ধনাঢ্য পরিবার তার এই দুঃসময়ে তাকে কোন ধরনের সহযোগিতা করেননি। তার মা ২০০৩ সালে আফগানিস্তানে তাদের বিশাল সম্পত্তি তিন মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে আসেন, তার ছোট ছেলেকে ব্যবসা করতে টাকাও দেন; কিন্তু বড় ছেলে ওয়াহিদকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করেন! এ ঘটনায় ওয়াহিদ ভীষণ মর্মাহত হন!

অর্থাভাবে ওয়াহিদ পরিবার নিয়ে বিশাল সুইমিংপুলওয়ালা বাড়ি ছেড়ে ছোট্ট দু’রুমের এপার্টমেন্টে এসে উঠেন। ক্রমশ বিষাদে ডুবে যেতে থাকা ওয়াহিদ একসময় তার এমন দুঃসহ জীবনের কাছে হার মানেন। অসম্ভব অভিমান নিয়ে তিনি তার বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে লিখে যান জীবনের শেষ চিঠি- তাতে লিখেন, আমি কারো মাথাব্যাথার কারণ হতে চাইনা। আমার দেহটি তোমরা পুড়িয়ে দিও! আমি অলরেডি দরদাম দেখে রেখেছি। মাত্র ৮০০ ডলার লাগবে! আমাকে কবর দিতে যেওনা, অনেক খরচের ব্যাপার। আমি তোমাদের আর কোন কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলতে চাইনা! আমার স্ত্রী আর তিন সন্তানকে আমি অনেক ভালোবাসি, কিন্তু আমার যাবার সময় হয়ে গেছে।”

২০০৪ সালের ২৮ নভেম্বর মাত্র ৫০ বছর বয়সে ওয়াহিদ কাদের আত্মহত্যা করেন। বাবার মৃত্যুর পর ম্যাথিউ ক্লায়েন কাদের পরিবারের হাল ধরেন, তিল তিল করে নিজের কোম্পানি গড়ে তোলেন। মাত্র দশ বছরে তার পরিবার আবার ঘুরে দাঁড়ায়। ওয়াহিদের মেঝো ছেলে ইয়ামা কাদের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করেন। ছোট ছেলে যোসেফ কাদের যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর হয়ে আফগানিস্তানে কাজ করেছেন। এখন মা রোনাকে নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়াতে থাকেন। এক সময়ে অর্থকষ্টে আত্মহত্যা করা ওয়াহিদ কাদেরের স্ত্রী-সন্তান এখন সুপ্রতিষ্ঠিত।

ভয়েসটিভি/এমএস/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

পুষ্পার প্রশংসায় পঞ্চমুখ বলিউড অভিনেতারা

করোনাকালে ঝিমিয়ে পড়া ভারতের সিনেমা হলগুলোতে প্রাণ ফিরিয়েছে দক্ষিণী সিনেমা ‘পুষ্পা দ্য রাইস। পুষ্পা মুক্তি পেয়েছে গত ১৭ ডিসেম্বর। ছবিটি মুক্তির ১২ দিনের মধ্যেই ২০০ কোটির বেশি আয় করে রেকর্ড গড়েছিল। পরে নতুন বছরে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ে ভারতে। দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকে। ফলে অর্ধেক দর্শক নিয়ে সিনেমা হল চালানোর বিধিনিষেধ দেয়া হয়। তবু থেমে থাকেনি পুষ্পা দ্য রাইসের ব্যবসা।

এখনও এক মাসও পার হয়নি। এরই মধ্যে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিচ্ছে আল্লু অর্জুনের ছবি ‘পুষ্পা দ্য রাইস’। রেকর্ড গড়ছে, নিজেই ভাঙছে নিজের রেকর্ড। দক্ষিণী এই অভিনেতাকে দেখে অবাক বলিউডের অভিনেতারাও। অর্জুন কাপুর থেকে জাহ্নবী কাপুর বাদ নেই কেউই। বক্সঅফিস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট বলছে মাত্র ২৪ দিনেই এই ছবির আয় ৩২৫ কোটি টাকা। সম্প্রতি ছবিটি দেখে জাহ্নবী কাপুর এর হিরোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। একটাই বলেছেন জাহ্নবী, ‘মাইন্ড ব্লোন’। পুষ্পা হ্যাংওভার থেকে যেন কিছুতেই বের হতে পারছেন না তিনি।

পুষ্পা মুক্তির সময়ে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায় ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’। হলিউড ওই সুপারহিরোকে টেক্কা দিয়ে বাজার কতটা দখল নিতে পারবে তা নিয়ে চিন্তায় ছিলেন পুষ্পার নির্মাতারা। কিন্তু মুক্তির পর দেখা গেল, শুধু দখল নেওয়াই নন, বক্সঅফিসে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছবিটি। মুক্তির আগেই সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার রেকর্ড গড়েছিল। মুক্তি পাওয়ার পর মাত্র এক দিনেই পুষ্পার ব্যবসায়িক আয় তৈরি করেছে ইতিহাস। দক্ষিণী ছবি হয়েও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে ৪ টি ভাষায় মুক্তি পাওয়া এ ছবি।

আল্লু অর্জুন ও রাশমিকার এ ছবির একটি দৃশ্য নিয়ে মুক্তির পরপর ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। যেখানে শ্রীবল্লী চরিত্রে অভিনয় করা রশ্মিকা মান্দানা পুষ্প রাজ অর্থাৎ আল্লু অর্জুনের কাছে তার অনুভূতির প্রকাশ করেন। সেখানেই নায়িকার বুকে হাত রাখতে যায় অভিনেতা আল্লু অর্জুন। দর্শকদের দাবির মুখে এই দৃশ্য কেটে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।

‘পুষ্পা’ ছবিতে অল্লু অর্জুন আর রশ্মিকা মন্দানার রোমান্স দেখা যাবে। নির্মাতা নবীন ইয়ারনেনি আর ওয়াই রবিশঙ্কর বলেছেন, ‘ছবির গল্প আর চরিত্রগুলো ঠিকভাবে মেলে ধরতে যথাযথ সময়ের প্রয়োজন। একটা ভাগে পুরো গল্পটিকে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। তাই ছবিটি দুই পর্বে মুক্তি পাবে। প্রথম পর্বে ইতোমধ্যে দারুণ সাড়া পেয়েছি। আর তাই আমরা ছবিটিকে দুই ভাগে আনার সাহস করছি। ২০২২ সালে পুষ্পার দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পরিচালক।

অল্লু অর্জুন অভিনীত এই অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী ছবিটি অন্ধ্র প্রদেশের পাহাড়ের লাল চন্দন ডাকাতকে নিয়ে। মূল্যবান লাল চন্দন কাঠের অবৈধ বাণিজ্যকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘পুষ্পা’ সিনেমার গল্প। ভারতের গোদাবরী জেলার পূর্বে অবস্থিত মারেদুমিলি অরণ্য। এই জঙ্গলে পুষ্পার শুটিং হয়েছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

ইনস্টাগ্রামের রাণী কে এই কাইলি জেনার!

ইনস্টাগ্রাম এখন বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। একটা সময় তারকারা ফেসবুকে নিয়মিত থাকলেও এখন অধিকাংশই ইনস্টাগ্রামের বাসিন্দা।

সেখানেই বেশি সময় কাটান, ছবি-ভিডিও দেন।

তাই জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে এখন এই প্ল্যাটফর্মটিও জায়গা করে নিয়েছে। ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার রয়েছে ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। তার ফলোয়ার প্রায় ৩৯ কোটি।

অর্থাৎ ইনস্টাগ্রামের রাজা হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাহলে ইনস্টাগ্রামের রাণী কে? অ্যাঞ্জেলিনা জোলি? নাহ।

জেনিফার লোপেজ! উঁহু তিনিও না। কমলা হ্যারিস, বিল গেটসের কোটিপতি স্ত্রী মেলিন্ডা? এরা কেউ না। এমনকি হলিউডের এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্কারলেট ইয়োহানসনও নন।

তবে নারীদের মধ্যে শীর্ষস্থানটি যিনি দখল করে আছেন, তার নাম কাইলি জেনার। ৩০ কোটির বেশি ফলোয়ার নিয়ে ইনস্টাগ্রামের রাণীর খেতাব পেয়েছেন তিনি।

কিছু দিন আগে পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে তার থেকে এগিয়ে ছিলেন আমেরিকার পপ গায়িকা আরিয়ানা গ্রান্দে।

কাইলি তাকেও পিছনে ফেলেছেন। নারীদের মধ্যে এখন তিনিই এক নম্বর। এই প্রথম কোনো নারীর অনুগামী সংখ্যা ৩০ কোটি ছাড়াল ইনস্টাগ্রামে।

অনুসারীর সংখ্যায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ঠিক পেছনে থাকা এই মার্কিন মডেল সম্পদের হিসেবে রোনালদোকে পেছনে ফেলেছেন অনেক আগেই। কে এই কাইলি জেনার? কেন তার এত অনুসারী? এসব প্রশ্নের উত্তর চলুন এক ঝলকে জেনে নেওয়া যাক।

কাইলি জেনার হলেন একজন মার্কিন মডেল, ব্যবসায়ী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তার বয়স মাত্র ২৪ বছর।

১৯৯৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০০৭ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন কাইলি।

তাদের পরিবারকে নিয়ে নির্মিত টিভি সিরিজ ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কার্দাশিয়ানস’ এ অভিনয়ের মাধ্যমে শোবিজে আত্মপ্রকাশ কাইলির।

তবে কাইলি জেনার বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মূলত তার কসমেটিক ব্র্যান্ডের জন্য। ‘কাইলি কসমেটিক্স’ নামের এই প্রতিষ্ঠানের পণ্য দুনিয়াজুড়ে নারীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে।

যার সুবাদে তার পরিচিতি বেড়েছে বিস্ময়করভাবে। ইনস্টাগ্রামে কোনো পোস্ট দিলে মুহূর্তেই সেখানে মিলিয়ন মিলিয়ন রিঅ্যাকশন পড়ে।

কাইলি জেনার এখনো বিয়ে করেননি। তবে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত র্যা পার টিগারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

এরপর ২০১৭ সালেই তিনি সম্পর্কে জড়ান আরেকজন র্যা পার ট্রাভিস স্কটের সঙ্গে। ২০১৮ সালে তিনি একটি কন্যা সন্তানের মা হন।

বর্তমানে কাইলি আবারও অন্তঃসত্ত্বা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুখবরটি প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা নয়, কাইলি জেনারের অর্থ সম্পদ সম্পর্কে জানলেও চমকে উঠবেন যে কেউ।

মাত্র ২১ বছর বয়সে বিলিয়নিয়ার হওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালের মাঝামাঝি অব্দি তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ৭০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।

ওই বিপুল সম্পত্তির পুরোটাই তার নিজরে আয় করা, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নয়। যদিও কাইলির মা, বাবা প্রত্যেকেই খ্যাতনামা। তাদের প্রত্যেকেই বিপুল সম্পত্তির অধিকারী।

বিশ্ববিখ্যাত কার্দেশিয়ান-জেনার পরিবারের কনিষ্ঠতনম সদস্য কাইলি। আমেরিকান সুপার মডেল কিম কার্দেশিয়ান তার দিদি।

মা ক্রিস জেনার জনপ্রিয় টিভি তারকা।

বাবা ব্রুস জেনার বিখ্যাত ওলিম্পিয়ান। পরিবারের প্রত্যেকেই খ্যাতনামা। তবে নেটমাধ্যমের জনপ্রিয়তায় তার অগ্রজদের প্রত্যেককেই টেক্কা দিয়েছেন কাইলি।