Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

‘কারাতে’ শিখছেন সানাই

নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান মডেল সানাই রাজ। মডেলিংয়ের মাধ্যমেই শোবিজে পথচলা শুরু তার। ইতোমধ্যে কাজ করেছেন বেশ কয়েকটি টেলিভিশন নাটক ও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় নৈপুণ্য দেখিয়েছেন রাজশাহীর এই মেয়ে।

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার শত চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন এই মডেল অভিনেত্রী। এ সময় ভয়েস টিভির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ব্যক্তি জীবন ও অভিনয়ে পরিকল্পনার নানাদিক জানান।

তিনি বলেন, গত তিন বছর ধরে অভিনয়ের সঙ্গে আছি। আরটিভি, মাইটিভি, এশিয়ান টিভি, এটিএন বাংলা, বিটিভিসহ বেশ কয়েকটি চ্যানেলের নাটকে কাজ করেছি। আমি আসলে র‌্যাম্প শো বেশি করি।

সানাই

ঢাকাই চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দায় ক্যারিয়ার গড়তে চান প্রতিভাবান অভিনেত্রী সানাই। শুরুটা হয়েছিলো তার নৃত্য দিয়ে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে রাজশাহীতে আমি ড্যান্স করতাম। সেখান থেকেই মূলত মিডিয়াতে আসা। এখন ঢাকায় ড্যান্সের সঙ্গেই আছি। বিভিন্ন চ্যানেলেও কাজ করছি। খুব ইচ্ছে চলচ্চিত্রে কাজ করার। এজন্য ড্যান্স তো চলছেই, এর পাশাপাশি ফাইটও (কারাতে) শিখছি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণায় চলচ্চিত্র পাড়ায় প্রাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্যদের মতো উচ্ছ্বসিত এ মডেলও।

এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, শাপলা মিডিয়া অনেক নামকরা একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। তারা খুব ভালো ভালো সিনেমা নির্মাণ করছে। শাপলা মিডিয়ার ১০০ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষকে।

সানাই

মডেল সানাই রাজ বলেন, যেহেতু শাপলা মিডিয়া বিগ প্রোজেক্ট নিয়ে নামছে। তারা যে ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে, আশা করছি খুব ভালো করবে। সেখানে আমাকে সুযোগ করে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ আমার পরিচালক সায়মন তারিক ভাইসহ অন্যান্য পরিচালকদের। তবে সিনেমার নাম এখনও তাকে জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।

শাপলা মিডিয়ার শত সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা অনেক বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সানাই । তিনি বলেন, আসলে আগে অনেক সিনেমা হতো, এখন আর তেমনটা নেই। শাপলা মিডিয়া এতো বড় উদ্যোগ নিয়েছে, এটাই তো আমাদের কাছে অনেক বড়। একই সঙ্গে আমাদের মতো নতুনদের সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের অনেক বড় পাওয়া।

বড় অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছেন সানাই রাজ। চলচ্চিত্রেই ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছে তার। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো, আমি বড় একজন অভিনেতা হতে চাই। যাতে সবাই আমাকে ভালো অভিনেতা হিসেবে চিনতে পারে। যেমন আমাদের শাবনুর ম্যাম।

আরও পড়ুন : মিউজিক ভিডিও থেকে চলচ্চিত্রে শাকিলা পারভিন

ভয়েষ টিভি/এমএইচ

Categories
ভিডিও সংবাদ সারাদেশ

ধামরাইয়ে ৫শ বিঘা জমিতে নিরাপদ সবজি চাষ

ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরলে দেখা মিলবে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষাবাদের চিত্র। তবে উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে নিরাপদ সবজি। এখানকার সবজির চাহিদা রয়েছে স্থানীয় বাজার, অনলাইনসহ ঢাকার বাজারে। বাণিজ্যিক ভাবে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করায় এরই মধ্যে সানোড়া ইউনিয়নকে আইপিএম মডেল ইউনিয়ন হিসেবে ঘোষণা করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।

নিরাপদ সবজি উৎপাদনে খরচ কম, সেই সঙ্গে দাম ভাল থাকায় দিন দিন সবজি চাষে ব্যবহার বাড়ছে নিজেদের তৈরি জৈব সার। রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করায় সবজি বিক্রির কোন চিন্তা থাকছে না বলে জানান নিরাপদ সবজি চাষিরা।

ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুল হাসান জানান, চাষীদের আইপিএম মডেল ইউনিয়ন প্রকল্পের আওতায় বিষমুক্ত সবজি চাষ ও বাজারজাতকরণে সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এবার ৫শ কৃষক প্রায় ৫শ বিঘা জমিতে নিরাপদ সবজি চাষ করছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

মিউজিক ভিডিও থেকে চলচ্চিত্রে শাকিলা পারভিন

ঢাকাই চলচ্চিত্রে বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে ভঙ্কুর দশা। এর মধ্যেই রুপালি পর্দায় ক্যারিয়ার গড়তে আসছেন অনেক নতুন মুখ। শাকিলা পারভিন তেমনই একজন। শুরুটা হয়েছিলো মিউজিক ভিডিও দিয়ে। সম্প্রতি তিনি দিপঙ্কর দিপুর পরিচালনায় র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব) নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘অপারেশন সুন্দরবন’ এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।

রাজধানীর মিরপুরের বাশার উদ্দিন ও মাবিয়া বেগমের দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে ছোট শাকিলা অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছেন। পড়ছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিইউবিটি‘র অর্থনীতি বিভাগে। মিউজিক ভিডিও ছাড়াও কাজ করেছেন বেশকিছু নাটক ও বিজ্ঞাপন চিত্রে।

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার শত চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে আসেন এই অভিনেত্রী। এসময় ভয়েস টিভির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ব্যক্তি জীবন ও অভিনয়ে আসার গল্প তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ছোট থেকেই একটা প্যাশান কাজ করতো। যখন টিভি দেখতাম তখন মনে হতো আমি যদি ওখানে থাকতে পারতাম….! তো যখন সুযোগ পেলাম তখন আর মিস করিনি। যখন সবাই ভালো রেসপন্স দিচ্ছিলো, তখন মনে হলো সামনের দিকে  হয়তো আরও ভালো হবে।

আড়াই বছর ধরে এই মডেল এ পর্যন্ত ২০টিরও বেশি মিউজিক ভিডিও করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিউ হয় ‘তোর মন পাড়ায়’ শিরোনামের গানটি। ইউটিউবে প্রায় ১০ কোটি দর্শক এটা উপভোগ করেছে।

তিনি বলেন, আমি মুলত মিউজিক ভিডিওতে কাজ করতাম। সম্প্রতি নতুন একটা সিনেমা দিপঙ্কর দিপু পরিচালিত ‘অপারেশন সুন্দরবন’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। ২০১৯ সালের অক্টোবরের দিকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। এটি মূলত বাংলাদেশের র‌্যাব বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত। অনেকটা ওয়াইল্ড টাইপের। সিনেমাটির মাধ্যমে বড় পর্দায় কাজের সুযোগ হয়েছে। সবাই অবশ্য দিন শেষে এটাই চায়। আর আমার স্বপ্নটা অনেক পুরনোই।

সিনেমার বিষয়ে শাকিলা পারভিন বলেন, অপারেশন সুন্দরবনের ডাবিং হয়ে গেছে। বাকি কাজ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। পুরো প্রোজেক্টটি ইন্ডিয়াতে হয়েছে। গত বছর করোনার আগে শুটিং শুরু হয়েছিল। কিছু বাকি ছিলো সেটা পরে হয়েছে।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি অন্যতম বৃহৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণায় চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্যদের মতো উচ্ছ্বসিত এ অভিনেত্রীও।

এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, শাপলা মিডিয়া অনেক নামকরা একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। বরাবরের মতো তারা খুব ভালো ভালো সিনেমা নির্মাণ করছে। শাপলা মিডিয়ার ১০০ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। এছাড়া এমন একটি বড় উদ্যোগ নেয়ার জন্যে সেলিম ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভ কামনা। তারা বেশ ভালো কাজ করছে, সামনে আরও ভালো কিছু হবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে আশা করি।

শাপলা মিডিয়ার ১০০ সিনেমার মধ্যে লটারির মাধ্যমে বাছাই করা ১০ সিনেমার শুটিং পৃথকভাবে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। এর মধ্যে জসিম উদ্দিন জাকিরের পরিচালনায় `কলিজাতে দাগ লেগেছে‘ সিনেমায় অভিনয় করছেন শাকিলা। তার বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুপ্ত।

তিনি বলেন, `কলিজাতে দাগ লেগেছে‘ সিনেমাটির বেশ কয়েকটি লোকেশনে শুটিং হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি অংশের শুটিং আরও কয়েকটি লোকেশনে হবে।

আরও পড়ুন : পাঠান নিয়ে ফিরছেন শাহরুখ, থাকছেন সালমানও!

ভয়েস টিভি/এমএইচ/ডিএইচ

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

শাপলা মিডিয়ার জেদি মেয়ের শুটিং শুরু

দুর্দিনে ১০০ চলচ্চিত্র নিয়ে পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশের বৃহৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার ১০টির কাজ শুরু হয়েছে। লটারির মাধ্যমে বাছাই করা ১০ জন পরিচালক পৃথকভাবে ২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার শুটিং শুরু হয়েছে উত্তরাসহ বিভিন্ন লোকেশনে। এবার সেখানে শুটিং শুরু করেছেন রেজা হাসমত পরিচালিত ‘জেদি মেয়ে’ চলচ্চিত্র ২য় ইউনিট।

চিত্রনায়িকা বিপাশা কবির, সাঈফ খান এতে অভিনয় করেছেন। এখানে ‘জেদি মেয়ে’ এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে আইটেম গার্ল বিপাশা কবিরকে। ছবিটি প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা বিপাশা কবির বলেন, ‘গল্পটি আমাকে ধরেই সাজানো হয়েছে। এই ছবিতে খুব জেদি একটা মেয়ে থাকি। আমি যা চাই আমাকে তাই পেতেই হবে। এই ছবিতে আমার জামাইয়ের চরিত্রে চিত্রনায়ক সাঈফ খানকে দেখা যাবে। পরিচালক রেজা হাসমত ভাইয়া খুব ভাল একজন পরিচালক।’

বিপাশা লাক্স সুপাস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হলেও আইটেম গানে তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি, এই নায়িকা আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্রের এই দুর্দিনে শাপলা মিডিয়ার কর্নধার সেলিম খানসহ এই ১০০ চলচ্চিত্রের সংশ্লিষ্টদের বেশ সাধুবাদ দিতে দেখা যায় বর্তমান হালের আইটেমখ্যাত এই চিত্রনায়িকাকে।’

এই সিনেমায় আরও দেখা যাবে চিত্রনায়ক সাঈফ খানকে, তিনি সম্প্রতি শুটিং শেষ করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেন গুপ্তের সঙ্গে, তবে এই চলচ্চিত্রে দেখা জেদি মেয়ের জামাইয়ের চরিত্রে, ছবিটি প্রসঙ্গে এই চিত্রনায়ক বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রের শুরুর দিন ফাইট দৃশ্যেই শুটিং শুরু করা হয়। সেখানে ফাইটের দৃশ্য মূলত এই জেদি মেয়ের জন্য। সব গল্প তো দর্শকদের বলা যাবে না। তবে দর্শক হলে গিয়েই বাকী গল্প দেখবে।’

দূর্দিনে ১০০ চলচ্চিত্র নিয়ে পাশে দাঁড়ানো নিয়ে বাংলাদেশের বৃহৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ও প্রযোজক সেলিম খানকে ধন্যবাদ দিয়ে ‘জেদি মেয়ে’ এর পরিচালক রেজা হাসমত জানান, ‘প্রথমেই সাধুবাদ জানাই প্রযোজক সেলিম খানকে। তার এ রকম দুঃসাহস সত্যি চলচ্চিত্রের মানুষদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়ার মতোই।’

যখন চলচ্চিত্র শিল্প প্রায় ধ্বংসের পথে তখন রীতিমতো ১০০ ছবির ঘোষণা দিয়ে প্রযোজক সেলিম খান চলচ্চিত্রের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এই প্রযোজককে নিয়ে পরিচালক রেজা হাসমত আরও বলেন, “যারা পিছনে অনেক কথাই বলে তারা কিন্তু সামনের এসে তার মতো চলচ্চিত্রে প্রযোজনা করছেন না। তবে এই দূসময়ে চলচ্চিত্রের স্বার্থে এখন এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন প্রায়ত নায়ক ‘প্রেম পিয়াসী’ খ্যাত এই পরিচালক।”

‘জেদি মেয়ে’ একেবারেই অ্যাকশন ঘরোনার চলচ্চিত্র এটি। পুরো টিমকে অক্লান্ত পরিশ্রমে কাজ করতে দেখা যায় এখানে। উত্তরার কাজ শেষ করেই হয়তো গানের জন্য খুব শীঘ্রই চট্টগ্রামের উদ্দ্যেশ্য উড়াল দিবেন এই টীম।

‌‌‌‘জেদি মেয়ে’ চলচ্চিত্রে বিপাশা কবির ও সাঈফ খান ছাড়াও নবাগত হিসেবে দেখা যাবে রিপন খান পিংকি নামের নতুন জুটিকে। এছাড়াও একটি শক্তিশালি চরিত্রে দেখা যাবে চলচ্চিত্রের অভিনেতা নানা শাহ্ কে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বিশ্বের যতো বৈচিত্র্যময় খাবারের দেশ

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খাবার তৈরিতে যেমন রয়েছে ভিন্নতা। তেমনি স্বাদেও আছে রকমফের। ভোজন রশিকই শুধু নয়। খাবারের রীতি ও প্রস্তুত করার কৌশলও এক এক দেশে একেক রকম। আজ জানবো ইতালি, জাপান ও থাইল্যান্ডের নানা রকম খাবারের বৈচত্র।

ইতালি
স্বাভাবিকভাবেই ভোজনরসিকদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে ইতালির রোম। প্রাচীন এই শহরটির খাবারের জন্য বেশ সুনাম রয়েছে। শুধু নানা সময়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার খেতেই শহরটিতে আসেন অসংখ্য পর্যটক। রোমান সাম্রাজ্যের পর থেকে এর ঐতিহাসিক পটভূমি এবং ভূমধ্যসাগরে যে ভৌগলিক অবস্থার কারণেও রয়েছে এর রান্নাও বৈচিত্র্যময়। ব্রেড রোল, মাখন, জ্যাম ও কফি দিয়ে প্রাতরাশ সারেন ইতালির বাসিন্দারা। যার পোশাকি নাম কোলাজিওন। পাস্তা, রিসোটো বা পেঁয়াজ এবং মাখন দিয়ে বোলে ভাত রান্না করা, আগুনের উপরে বোলেলনে রান্না করা ভুট্টা সব সময়ই বিখ্যাত। অন্য দিকে স্প্যাঘেটি এবং ম্যাকারনি শুকনো পাস্তাও দক্ষিণ ইতালির একটি নিয়মিত খাদ্য।

ইতালির তিনপাশে সমুদ্রবেষ্টিত এলাকায় প্রচলিত আছে সীফুড। ইটালিয়ানরা জলপাই তেল প্রচুর পরিমাণে খাবারের মধ্যে ব্যবহার করে। ইটালিয়ান বিখ্যাত কয়েকটি খাবার হলো—সার্ডিনিয়ান- স্টাফড বেগুন, অ্যান্টিপাসটো- সালাদ, ছাগলের পনির এবং সালসা রুস্টিকার সাথে ছোলা প্যানেল, গ্রিলড ম্যাকেরেল সিসিলিয়ান ক্যাপার, ইতালিয়ান আলু স্যুপ, ইতালিয়ান রামেন, চিকেন অলা ডায়াভোলা, টোস্টেড পিস্তা, টাস্কান, ইতালিয়ান সীফুড স্টু, পনির ও মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন আইটেম।

জাপান
সিদ্ধ ভাত, সুপ, মাছ মূলত খায় জাপানিজরা। এরসঙ্গে আচার বা সয়াবিনের কোনও পদও তারা খেয়ে থাকে। ভাত হচ্ছে জাপানিদের নিয়মিত খাবার। তবে তারা সাধারণত বাদামি চালের ভাত খেতে পছন্দ করে। এটি উচ্চ ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যা হার্ট ভাল রাখতে সহায়তা করে। আরো নানাবিধ কারণে যেমন ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, শরীরে সঠিক প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেড সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় শক্তি যোগানে বিশেষভাবে কার্যকর এই বাদামি চাল। জাপানিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর গম থেকে তৈরি নিম্ন কার্বোহাইড্রেড সমৃদ্ধ নুডুলস খেয়ে থাকে। সাধারণত সব ধরনের ফল মূল শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে। তবে ফুজি আপেল জাপানিদের প্রিয় ফল। তারা তাদের অঞ্চলের পেরসিমন ও মান্দারিন নামের বিশেষ ধরনের কমলা ও খেতে পছন্দ করে যা স্বাদে অনন্য। অঞ্চল ভেদে মাছের প্রপ্যতা ভিন্ন রকম। তবে জাপানিদের প্রিয় মাছ হলো ম্যাকেরেল ও স্যালমন। জাপানিরা প্রায় সব ধরনের শাক সবজি বিশেষ করে বেগুন, শিম, মাশরুম, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, আলু, কচি বাশের কেরুল, মুলা, গাজর ও বিভিন্ন সামুদ্রিক শৈবাল খেতে পছন্দ করে। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন বীজ জাতীয় খাবার যেমন সয়াবিন, খাবার উপযোগী বিভিন্ন ঘাসের বীজ, বিকল্প দুগ্ধ জাতীয় খাবার হিসাবে সয়া মিল্ক থেকে তৈরি টফু খেয়ে থাকে যা অনেক স্বাস্থ্যকর ও এন্টি অক্সিডেন্ট এ ভরপুর। এ সকল ডায়েট তালিকার খাবারের সাথে জাপানিদের সব সময়কার অতী গুরুত্বপূর্ণ পানিয় হচ্ছে চা এবং তা অবশ্যই গ্রিন টি যা অল্প মাত্রায় ক্যাফেইন এবং অধিক মাত্রায় পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামের দুটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

জাপানিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারের সময় হলো সকালের নাস্তা। তারা প্রতিদিন সকালের নাস্তাকে খুব প্রাধন্য দেয়। সাধারণত তারা সকালে মিশো সুপ, একটি মান্দারিন আর এক কাপ গ্রিন টি পান করে। বিশেষ করে তারা সকালে মিশো সুপ খায় কারন এটা কম চর্বিযুক্ত। এখানে আপনি তিনটি লাল আটার রুটি খেতে পারেন শাক সবজি দিয়ে।
জাপানি লোকেরা দূপুরে এক বাটি সুসি সয়া সস দিয়ে খায় যা কাঁচা মাছ দিয়ে তৈরি। সাথে মাশরুম দিয়ে এক বাটি নুডুলস ও একটি আপচ। আর সকালের মতই এক কাপ গ্রিন টি।

জাপানিদের রাতের খাবার তালিকায় থাকে এক বাটি ভাত, একটি কমলা ও সসিমি যা বিভিন্ন মাছের সমন্বয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহি জাপানি খাবার। আর প্রতিবেলা খাবারের পর তারা এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পছন্দ করে।

থাইল্যান্ড
সারা বিশ্বেই থাইল্যান্ডের খাবার বিখ্যাত। বাংলাদেশের মতো প্রায় সব দেশেই থাই রেস্টুরেন্ট আছে। থাইল্যান্ডে ডিনার ও ব্রেকফাস্টের মধ্যে সেরকম কোনও পার্থক্য থাকে না। দুবেলাতেই তারা একই খাবার খেয়ে থাকে। মূলত মেনুতে থাকে ভাত, মাংস, মাশরুম ও কিছু আঞ্চলিক সবজি। স্টার ফ্রাই, স্যুপ, কারি—এ ধরনের খাবার তৈরি করতেই থাইরা অনেক বেশি পাতা বা হার্ব এবং মরিচ ব্যবহার করে। এর মধ্যে লাল মরিচের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া খাবারকে মসলাদার করতে রান্নায় প্রচুর পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লেমনগ্রাস, পুদিনাপাতা দেয়া হয়। ‘কায়েং তাই প্লা’ নামের সবজি ও শুঁটকি দিয়ে বানানো তরকারিকে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি ঝাল খাবার বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া লাল মরিচের পেস্ট দিয়ে তৈরি মাছ, মাংস বা সবজির বিভিন্ন রেড কারিও বেশ ঝাল হয়ে থাকে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

শাপলা মিডিয়ার সিনেমা গ্যাংস্টারের গানে ব্যয় অর্ধকোটি টাকা

বিগ বাজেটের চোখ ধাঁধানো সেটে চলছে শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত গ্যাংস্টার ছবির গানের শুটিং। সাড়া জাগানো নায়ক শান্ত খান এবং কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা রুপসা এফডিসিতে এই গানের চিত্রায়ন করেন। ক্যামেরা লেন্স আধুনিক প্রযুক্তি সেই সাথে ব্যয়বহুল সেটে চলছে ছবির ধুমধুমার নাচ। মাত্র একটি গানেই ৫০ লাখ টাকা খরচসহ পুরো নির্মাণ ব্যয় সাড়ে চার কোটি ছাড়াবে বলে জানিয়েছেন ছবির নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্যয়বহুল এবং ঝকঝকে একটি চলচ্চিত্র বাংলাদেশের মানুষ সাদরে গ্রহণ করবে বলে বিশ্বাস তাদের।

গত ২ মার্চ থেকে শুরু হয় সবচেয়ে ব্যয়বহুল গানের এই শুটিং। ব্যাকগ্রাউন্ডে লাল সাদা মধ্যে আলোর ঝলকানিতে গান ‘তোকে দেখে প্রেম জেগেছে’। কালো আর রুপালি ড্রেসের দারুণ সংমিশ্রনে সেটে ঝড় তোলেন কলকাতার নায়িকা রুপসা।

গানের কথাগুলো একের পর এক দৃশ্যায়নে ব্যবহার হচ্ছে ব্যয়বহুল ক্রেন স্টেডি ক্যামেরা এবং ছবির জন্য বিশেষায়িত প্রযুক্তি।

শুটিং চলাকালে শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার মোঃ সেলিম খান সেটে আসেন। নাচ এবং গানের সার্বিক চিত্রায়ণ নিজ চোখে দেখেন তিনি।

প্রযোজক, লাইটম্যান, পরিচালক, নির্দেশক, প্রপসম্যান ও সাউন্ড সুইচার এমন অসংখ্য মানুষ কাজ করছেন পেছনে। এই গানের থিম নৃত্য পরিচালনা এবং কোরিওগ্রাফার রোহান এবং বিলাল।

প্রধান সহকারী পরিচালক রাইসুল রনি বলেন, বড় পর্দায় এতো বেশি খরচে সিনেমা বাংলাদেশের ইতিহাসে খুব কমই হয়। শুধু একটি গানের ব্যাকগ্রাউন্ড কুশলী এবং যে পরিমাণ সংরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে তা বিরল।

চিত্রনায়ক শান্ত খান বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে শাপলা মিডিয়ার ছবি মানেই বিগ বাজেটের ছবি। এই একটি গানের বাজেট ৫০ লাখ টাকা।

এক প্রশ্নের জবাবে ‘২০/২৫ লাখ টাকায় কি কোনো সিনেমা হয়’- এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত আরেকটি চলচ্চিত্র টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই প্রেক্ষাগৃহে চলতি মাসে মুক্তি পাওয়া নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শান্ত খান।

শাহীন সুমনের পরিচালনায় আধুনিক সব প্রযুক্তি, কাহিনী এবং ব্যয়বহুল ছবি গ্যাংস্টার নির্মাণ শুরু হয় চলতি বছরে। ইনডোরে একটি এবং আউটডোরে ৩টি গানের দৃশ্যায়ন হবে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

‘ভালো অভিনেতা না হলে দর্শককে কাঁদানো বা হাসানো যায় না’

বাংলাদেশ ও কলকাতার  চলচ্চিত্র অঙ্গনে পরিচিত মুখ অভিনেতা জিয়াউল রোশান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল হক ভূইয়ার ছেলে রোশান দুই দেশেই সমান তালে পরিচিত।

২০১৬ সালে `রক্ত‘ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক।  শামিম আহমেদ রনির নির্মিত ‘ধ্যাৎতেরিকি’ তাঁর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। ২০১৭ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র ‘ককপিট’। এর মাধ্যমেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার শত চলচ্চিত্রের মহরতে হাজির হন এ অভিনেতা। এসময়  ভয়েস টিভির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নানা বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

২০১৬ থেকে চলচ্চিত্রে আসার গল্প দিয়ে শুরু করে তিনি জানান,  এ পর্যন্ত ৪টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। প্রথম ছবি ‘রক্ত’। সর্বশেষ বেপরোয়া সিনেমা  বিগেস্ট অ্যাকশান ফিল্ম। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ওস্তাদ অরণ্য মামুনের `মেকাপ’ ও ‘সাইকো‘, অপূর্ব রানার ‘উন্মাদ’, আরটিভির ‘কর্পোরেট’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘আশির্বাদ’,  র‌্যাব বাহিনীকে নিয়ে নির্মিত ‘অপারেশন সুন্দরবন’। বর্তমানে শাপলা মিডিয়ার `চোখ‘ সিনেমায় তিনি অভিনয় করছেন। এছাড়া আরও কিছু সিনেমায় কাজ করার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এরমধ্যে তিনটি ছবি ব্যাক টু ব্যাক হবে।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের বেহাল দশা’ কথাটি মানতে নারাজ এই অভিনেতা। তিনি বলেন, আমি বলবো না যে, চলচ্চিত্রের বেহাল দশা। ভালো সিনেমা হচ্ছে, হয়তো দর্শকদের সিনেমা হলে আসার প্রবণতা কমেছে। অপরদিকে বিদেশি সিনেমার প্রভাব বা ঘরে বসে ইউটিউবে দেখার প্রবণতা বেড়েছে। এজন্য হয়তো মনে হতে পারে আমরা একটু পিছিয়ে আছি। তবে আমি বলবো না খুব বেশি পিছিয়ে আছি। যদি পিছিয়েই থাকতাম, তাহলে হয়তো প্রতিনিয়ত সিনেমা করতাম না।

ভালো অভিনেতা

মাসের প্রতিটি দিনিই অভিনয়ে ব্যস্ত থাকেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের অবস্থা ভালোই আছে। শুধু দর্শকদের আরও উৎসাহী হতে হবে। অবশ্য সেজন্যে ভালো গল্প প্রয়োজন। সে সঙ্গে আমাদের সিনেমা হলের পরিবেশও উন্নত করা প্রয়োজন এবং সেটিও হচ্ছেও। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে এই পরিস্থিতি খুব বেশিদিন থাকবে না।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সিনেমা হল উন্নয়নের জন্যে ঋণ প্রদানের ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়ে রোশান বলেন, সিনেমা হলো বিনোদনের একটা মাধ্যম। বিনোদনের জায়গাটার পরিবেশ সবসময়ই সুন্দর হওয়া দরকার, যেখানে বসে দর্শকরা সিনেমা দেখবে। সেই জায়গাগুলো যদি উন্নত হয়, দর্শক আরও স্বাচ্ছন্দ্যে সিনেমা দেখতে পারবে। আমরা চাই প্রতিটি সিনেমা হল সিনেপ্লেক্স বা ব্লকবাস্টারের মতো হোক। ততটুকু না হলেও অন্তত কাছাকাছি হোক। যাতে সব ধরনের মানুষ কমফোর্ট ফিল করে। পরিবেশটা আমার জন্যে না, এমন যেন কেউ না ভাবে। সেই জায়গা থেকে বলবো, এটা খুবই ভালো একটা উদ্যোগ এবং আমি এটারই অপেক্ষায় ছিলাম। এর বাস্তবায়ন হলে দর্শকরা সিনেমা হলমুখি হবে।

আগের মতো সিনেমা হলে যাওয়ার প্রবণতা আবার ফিরে আসুক তিনি এমনটাই কামনা করেন। তিনি বলেন, একসময় অনেক সিনেমা হল ছিলো। কিন্তু এখন কমে গেছে। আমি চাই সিনেমা হল আরও বাড়ুক। কোয়ালিটিফুল সিনেমা হল থাকবে, যেন দর্শকদের জন্যে ভালো পরিবেশ বজায় থাকে।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি অন্যতম বৃহৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণায় চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্যদের মতো উচ্ছ্বসিত অভিনেতা জিয়াউল রোশানও।

তিনি বলেন, ডেফিনেটলি চলচ্চিত্র অঙ্গনের একজন অভিনেতা হিসেবে আমি বলবো এটা আমাদের জন্যে অনেক বড় একটা সুখবর। কারণ আমরা যারা চলচ্চিত্রকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসি; টেকনিশিয়ান বলেন বা অভিনেতা, সিনেমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা আছে তারা সবাই চায় নতুন নতুন ভালো ছবি পেতে।

শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার মো. সেলিম খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ১০০ ছবির ঘোষণা দেয়া, সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করা এবং সেই ছবিগুলো মানুষকে উপহার দেয়া; এই উদ্যোগ নেয়ার জন্যে সত্যিই সাধুবাদ জানাই।

এটা দর্শকদের যেমন চাঙ্গা করবে, তেমনি পুরো মিডিয়া পাড়াকে চাঙ্গা করবে। আমি বলবো, তিনি খুব ভালো একটা আইডিয়া সফল করতে যাচ্ছেন। তিনি ইন্ড্রাস্ট্রির এই পরিস্থিতির মধ্যে একটি দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। অন্তরের অন্তর স্থল থেকে দোয়া করি তিনি যেন সফল হন। তিনি যেভাবে চাচ্ছন সেভাবে যেন হয় এবং সিনেমাগুলো যেন দর্শক নন্দিত হয়।

ভালো অভিনেতা

শাপলা মিডিয়া শত সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা বাস্তবায়নে করোনা মহামারি কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন রোশান। তিনি বলেন, করোনা মধ্যে কিন্তু আমরা একটা বছর কাটিয়েছি। কোনো কাজ করিনি। করেনাকে ভয় পেয়ে আমরা বসে ছিলাম। সত্যি বলতে আমি করোনাকে পরোয়া করি না। কারণ করোনাকে নিয়ে এখন বর্তমানে বাংলাদেশের যে অবস্থা সেটা আমরা কেয়ার করছি না। যাচ্ছেতাই ঘুরে বেড়াচ্ছি, মিটিংয়ে যাচ্ছি সবকিছু করছি। ওভাবে কারো কিন্তু করোনা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যতটুকু জেনেছি বাংলাদেশে করোনা অতটা ইফেক্টিভ না। অন্যান্য দেশে হয়তো এর প্রাদুর্ভাব অনেক স্ট্রং। সুতারাং করোনাকে নিয়ে আমরা একেবারেই চিন্তা করছি না। করোনার পর আমি দুইটা ছবি শুরু করে শেষ করেছি। কিছু পেস ওয়ার্কসহ কনটিনিউ কাজ করছি।

সিনেমা হল চাঙ্গা করার বিষয়ে বিশেষভাবে জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমরা চাঙ্গা হয়ে গেছি, কিন্তু সিনেমা হলে দর্শক যাওয়ার ব্যাপারটা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এবার ঈদেরও বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পাবে। মাঝেও অবশ্য কিছু ছবি মুক্তি পেয়েছে। আমার বিশ্বাস দর্শকদের সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখার যে উচ্ছ্বাস সেটা আবারও বাড়বে এবং আগের সেই স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে।

অভিনয়ে নতুন যারা আসছে তাদের ব্যাপারে কোনো দিক নির্দেশনা আছে কিনা জানতে চাইলে উচ্চস্বরে হেসে ওঠেন রোশান।

তিনি বলেন, জ্ঞান দেয়ার মতো জ্ঞানী আমি এখনো হইনি। আমি নিজেও যথেষ্ট ছোট।  সিনেমাতে একটা আউটলুক বড় ফ্যাক্ট, সেটা নির্ধারণ করে পরিচালক। এছাড়া একজন অভিনেতাকে অভিনয় ও নাচের দিক থেকেও ভালও করতে হবে। আমি তো জ্ঞানী নই, তবে এটুকু বলতে পারি যে, অভিনয়ের উপর ফোকাস করাটা খুবই দরকার। কারণ একজন ভালো অভিনেতা না হলে দর্শককে কাঁদানো বা হাঁসানো যায় না।

আরও পড়ুন : শাপলা মিডিয়ার ১০০ চলচ্চিত্রে উচ্ছ্বসিত ফারিন খান

ভয়েস টিভি/এমএইচ/ডিএইচ

Categories
ভিডিও সংবাদ সারাদেশ

পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সেলিম খানকে সংবর্ধনা

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ সেলিম খান পুনরায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। ৫ মার্চ শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসমাইল খানের বাড়ি প্রাঙ্গণে স্থানীয় খান বংশের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

আলহাজ্ব সৈয়দ আহম্মেদ রতন খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম খান বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, সফল সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের মাঝে পাঠিয়েছেন। আপনারা গত ২৮ ফেরুয়ারির নির্বাচনে আমাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, আপনাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিগত সময়ে যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করেছি, আগামীতেও আপনাদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমার ইউনিয়নে কোনো মাদকসেবীর আশ্রয় দেব না। মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে এবং তাদেরকে সহযোগিতা করবে সে আমার বংশের কিংবা পরিবারের হলেও তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।

পুনরায়

সেলিম খান আরও বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো। চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সফল শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনির সহযোগিতায় এই ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আরও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

সেলিম খান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশটাকে স্বাধীন করার কারণে আমি আপনাদের চেয়ারম্যান হতে পেরেছি। বিগত দিনে আপনারা যেভাবে আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন, আগামীতে এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখলে আমি আপনাদের সকল উন্নয়ন কাজ সফলভাবে সমাপ্ত করতে পারব। যাদের জমি আছে ঘর নেই, আমি তাদেরকে ঘর করে দেব। হতদরিদ্র কোনো পরিবারে যদি উপযুক্ত মেয়ে থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন। আমি আমার খরচে তার বিয়ের ব্যবস্থা করে দেব।

মো. মোজাম্মেল হক মাসুদ খান ও মো. মিজানুর রহমান খানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন, মো. মজিবুর রহমান খান, মোহাম্মদ আলী খান, মো. মিজানুর রহমান খান, মো. রাশেদ খান, মো. শাহাদাত খান, মো. শামীম খান, মো. মহিউদ্দিন খান, মো. লিটন খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা মো. মোবারক হোসেন খান।

পুনরায়

মো. মিজানুর রহমান খান, মো. জাহাঙ্গীর খান, মো. মিজানুর রহমান খান (পুরাতন বাড়ি) ও মো. বোরহান খান টেলুর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরুতে চেয়ারম্যান সেলিম খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং একটি সোনার নৌকা উপহার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে খান বংশের ব্যক্তিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আরও পড়ুন : ১৪শ শিক্ষার্থীর এক বছরের বেতন পরিশোধের ঘোষণা দিলেন মো: সেলিম খান

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের সদস্য হলো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারি ১ তারিখ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে এই পরিষদ কাজ করবে।

৫ মার্চ শুক্রবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে বিষয়টি জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের সদরদপ্তর জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টোনে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশনের আওতায় বিশ্বের সব মানুষের কল্যাণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র-তলদেশ এলাকায় খনিজ সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম, সংগঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। পরিষদটির সদস্য সংখ্যা ৩৭।

বিপুল জনসংখ্যার বাংলাদেশে ভূমি-ভিত্তিক সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার অর্থাৎ সুনীল অর্থনীতিকে বাংলাদেশ তার সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত বিশাল সমুদ্রসীমার সবটুকু সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাসমূহ পরিপূর্ণভাবে ঘরে তুলতে জাতীয় সমুদ্রসীমার বাইরে বিশেষ করে আইএসএ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সমুদ্র সম্পদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারে বাংলাদেশের পূর্ণ প্রবেশ করা প্রয়োজন। এ কারণে আইএসএ-এর কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নিজস্ব স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের কার্যকরী পরিষদের বর্তমান সভাপতি।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

শুরুটা হয়েছিল রিয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে: কেয়া

ঢাকাই চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবরিনা সুলতানা কেয়া। দর্শকের কাছে তিনি কেয়া নামেই বেশি পরিচিত। ২০০১ সালে পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের ‘কঠিন বাস্তব’ সিনেমা দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু। ২০০৩ সালে তিনি ‘সাহসী মানুষ চাই’ সিনেমায় অভিনয় করেন, যা দুইটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।

সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার শত চলচ্চিত্রের মহরতে হাজির হয়েছিলেন দর্শক প্রিয় এই অভিনেত্রী। ভয়েস টিভির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় চলচ্চিত্রের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। জানালেন চলচ্চিত্রে আসার গল্পও।

তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে একরকম হঠাৎ করেই চলে আসা। তখন আমি খুব ছোট ছিলাম, আমাকে যখন দেখতে আসে এবং প্রথম দেখাতেই আমাকে খুব পছন্দ করে। আমি খুব ভয়েই ছিলাম। অনেক ডাকাডাকির পরে এসেছি, তারপর থেকে এখনো কাজ করছি।

সিনেমায় কাজের শুরু দিকটা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০১ সালে পরিচালক মমতাজুর রহমান আকবরের কঠিন বাস্তব সিনেমা দিয়ে কাজ শুরু। ওই সিনেমায় রিয়াজ, আমিন খান, নায়ক রাজ রাজ্জাক ও ডিপজল ছিলেন। এরপর আমি অনেকগুলো সিনেমায় কাজ করেছি, যার প্রায় সবগুলোই হিট হয়েছে। শুরুটা হয়েছিল রিয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে। এরপর শাকিব, ফেরদৌস, রিয়াজ, আমিন খান, সায়মন, নিরবসহ দেশের প্রায় সব নায়কের সঙ্গেই সিনেমার করেছি, কেউ আর বাদ নেই।

কঠিন বাস্তব, রংবাজ বাদশা, ভালোবাসার শত্রু, সাহসী মানুষ চাই, নষ্ট, তুমি শুধু আমারসহ অসংখ্য সিনেমা অভিনয় করেছেন কেয়া। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সাফি উদ্দিন সাফি পরিচালিত ‘ব্ল্যাকমানি’ সিনেমার পর দীর্ঘ বিরতিতে চলে যান এই নায়িকা।

২০১৯ সালে রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত ‘ইয়েস ম্যাডাম’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও চিত্রাঙ্গনে কাজ শুরু করেন। করোনাকাল শুরু হওয়ার আগেই ছবিটির শুটিং শেষ করেন কেয়া। সেখানে তাকে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে।

তিনি বলেন, রকিবুল আলম রকিব ভাইয়ের পরিচালনায় ‘ইয়েস ম্যাডাম’ নামের একটি নতুন সিনেমার কাজ শেষ করলাম। এখানে শিপন, অমিত হাসান ভাই, রেসিসহ অনেকেই আছে। কয়েকদিন আগে শেষ করলাম ‘সীমানা’ সিনেমা। এটাতে আমার কো-আর্টিস্ট সাইফ খান। এই সিনেমার পরিচালকও রাকিবুল আলম রাকিব ভাই। সুন্দর একটা গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি দর্শকদের বেশ ভালো লাগবে বলে আশা করছি।

দর্শক চাহিদার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে সব ধরণের সিনেমাই থাকা উচিৎ। রোমান্টিক, অ্যাকশন বা লেডি অ্যাকশন সবই থাকা উচিৎ। সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের কাছে যেটা ভালো লাগবে, তারা সেটাই চাইবে। এক্ষেত্রে আমাদের উচিৎ সুন্দরভাবে কাজ করা। দর্শকরা আমাদের চায়, এজন্যে তাদের নিয়েই আমাদের কাজ। যেহেতু এতো কষ্ট করে ও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি, আমার মনে হয় তাদেরও উচিৎ কষ্ট করে হলে এসে সিনেমা দেখা। দর্শকরা হলে আসলেই আমাদের কষ্ট স্বার্থক হবে।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণায় চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্যদের মতো উচ্ছ্বসিত অভিনেত্রী সাবরিনা সুলতানা কেয়াও। তিনি বলেন, ডেফিনেটলি শাপলা মিডিয়ার এ উদ্যোগটি খুবই ভালো। আমাদের জন্যে খুবই খুশির সংবাদ। দোয়া করি ১০০ নয়, এরকম আরও ১০০০ সিনেমা হোক। তাহলে আমরা সব শিল্পী কাজ করবো, ব্যস্ত থাকবো। সর্বপরি ভালো থাকবো, আর এটাই তো চায়।

করোনা মহামারিতে নেয়া শাপলা মিডিয়ার এ উদ্যোগ কতটুকু সফল হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডেফিনেটলি সফল হবে। কারণ আমরা করোনার মধ্যেই তো অনেক কাজ করলাম। সীমানা সিনেমার শুটিংও করলাম। সচেতনার সঙ্গে কাজ করলে তো করা যায়। কাজ থামিয়ে রেখে কি আর হবে, অনেকদিন তো থেমে ছিলাম করোনার জন্যে।

আরও পড়ুন : অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নায়ক শান্ত খান

ভয়েস টিভি/এমএইচ