Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

ঢালিউড নায়িকাদের বয়স ও আয়

ভক্তদের ভালবাসায় স্নাত হয়েই সাধারণ থেকে তারকা হয়ে উঠেনে অনেকে। আর জনপ্রিয় মানুষ নিয়ে কৌতুহলের অন্ত থাকেনা ভক্তদের মাঝে। তারকারা কে কি করতে ভালোবাসেন, তারকাদের লেখাপড়া, কাকে বিয়ে করেছেন, কার বয়স কত এবং কার আয় কেমন? এমন অনেক প্রশ্নই ভিড় করে ভক্তদের মাঝে। তবে এক্ষেত্রে নায়িকাতের সম্পর্কে ভক্তদের আগ্রহটা একটু বেশিই। বিশেষ করে তাদের বয়স ও আয় নিয়ে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় বর্তমান প্রজন্মের কিছু নায়িকাদের এসব বিষয় নিয়েই আমাদের এই প্রতিবেদন।

মাহিয়া মাহি

এই সময়ের নায়িকাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন মাহিয়া মাহি। তিনি সম্প্রতি বিয়ে এবং হানিমুন না করে বরকে নিয়ে শুটিংয়ে গিয়ে আলোচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে শাপলা মিডিয়ার বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করছেন। জানাগেছে মাহিয়া মাহি সিনেমা প্রতি পারিশ্রমিক নেন ৮ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেয়া মাহির বয়স আগামী ২৭ অক্টোবর ২৮ বছর পূর্ণ হবে।

শবনম বুবলি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে শবনম বুবলি। সংবাদ উপস্থাপক থেকে অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের স্থান পাকা করে নিয়েছেন। ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে অভিষেক তার। নোয়াখালীতে জন্ম নেয়া বুবলি অর্থনীতিতে স্নাতক করেছেন। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেয়া বুবলির আগামী নভেম্বরে ৩৩ এ পা দেবেন।

অপু বিশ্বাস

একসময় চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিবের বিপরীতে শুধুমাত্র অভিনয় করতে দেখা যেত অপু বিশ্বাসকে। তবে শাকিবের সঙ্গে সংসার ও বিবাদ নিয়ে জুটি বেধে ছবি করায় কিছুটা ভাটা পড়েছে। এর আগে তিনি শাকিবের বিপরীতে অন্তত ৭০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। অপু বিশ্বাস প্রতি ছবিতে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেয়া অপু গেল ১১ অক্টোবর ৩৩ বছরে পা রেখেছেন।

পরীমণি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। সম্প্রতি মাদকসহ নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার এবং তার আগে ঢাকা বোর্ড ক্লাব নিয়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেন এই অভিনেত্রী। তিনি এসএসসি দিয়েছেন ২০১১ সালে। আসছে ২৪ অক্টোবর তিনি অফিসিয়ালি ৩০ বছরে পা রাখবেন।

পূর্ণিমা

অনেক দিন ধরেই পূর্ণিমাকে দেখা যায় না চলচ্চিত্রের ক্যামেরার সামনে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ অ্যাকটিভ পূর্ণিমা। তার ফ্যান ফলোরও অনেক। এখন তিনি স্বামী, সংসার ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে সময় পার করছেন। ছবি প্রতি তার পারিশ্রমিক ছিল ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার মতো। ১৯৮১ সালে জন্ম নেয়া পূর্ণিমার বয়স ৪০ পার হলেও তিনি এ প্রজন্মেরও ক্রাশ।

মৌসুমী

নব্বই দশক থেকে যেকজন অভিনেত্রী দর্শক মাতিয়েছেন তাদের মধ্যে মৌসুমী অন্যতম। এখন তাকে চলচ্চিত্রের ক্যামেরার সামনে কম দেখা গেলেও একেবারে বিদায় জানাননি চলচ্চিত্রকে। মাঝে-মধ্যে যেসব ছবিতে তিনি অভিনয় করেন সেগুলোতে পারিশ্রমিক হিসেবে নেন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। ১৯৭৩ সালে জন্ম নেয়া মৌসুমি ইতোমধ্যে ৪৯ এ পা রেখেছেন। তবু তার গ্লামার এখনো যেন আগরে মতোই।

আরও পড়ুন : এয়ার পকেট কি ? কৌতুহল সাধারন মানুষের

Categories
জাতীয় ভিডিও সংবাদ

বেঁচে থাকলে রাসেলের বয়স হতো আজ ৫৭ বছর

শেখ রাসেল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানরে ছোট ছেলে আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদরের ভাই। সেই ছোট্ট বয়স থেকেই রাসেল ছিল অসাধারণ নেতৃত্বগুণ। রাসেলের ছোট্ট হৃদয় ছিল মানবিকতায় পূর্ণ। পরোপকারী রাসেলই ছিল বঙ্গবন্ধু পরিবারের নয়নের মণি। যার উচ্ছলতায় মেতে থাকতো পুরো বাড়ি। কিন্তু ঘাতকের বুলেট থামিয়ে দিয়েছিল শিশু রাসেলের সেই উচ্ছলতা।

বেঁচে থাকলে রাসেল আজ ৫৭ বছরের প্রদীপ্ত পুরুষে পরিণত হতেন। আজ ১৮ অক্টোবর সোমবার সেই ছোট্ট শেখ রাসেলের জন্মদিন। প্রতিবছররের এই দিনে দেশে জাতীয়ভাবে ‘শেখ রাসেল দিবস’ পালন করা হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ শেখ রাসেল দিবস পালনের প্রস্তাব এবং যৌক্তিকতা মন্ত্রিসভায় পেশ করলে ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট মন্ত্রিসভা ‘ক’ শ্রেণী ভুক্ত দিবস হিসেবে শেখ রাসেল দিবস পালনের অনুমোদন দেয়।

১৯৬৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার ঘৃণ্য শত্রু-খুনি-ঘাতক চক্রের নির্মম বুলেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নরপিশাচরা নিষ্ঠুরভাবে শিশু রাসেলকেও হত্যা করেছিল। রাসেল তখন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তাকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তাদের সেই অপচেষ্টা শতভাগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের কাছে ভালোবাসার নাম। অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, অধিকার বঞ্চিত শিশুদের আলোকিত জীবন গড়ার প্রতীক হয়ে গ্রাম-গঞ্জ-শহর তথা বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ জনপদ-লোকালয়ে শেখ রাসেল আজ এক মানবিক সত্তায় পরিণত হয়েছেন।

মানবিক চেতনাসম্পন্ন সব মানুষ শেখ রাসেলের মর্মান্তিক বিয়োগ বেদনাকে হৃদয়ে ধারণ করে বাংলার প্রতিটি শিশু-কিশোর তরুণের মুখে হাসি ফোটাতে আজ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

স্থাপত্যের বিস্ময় আইফেল টাওয়ার

চিত্রকলার জন্য ফ্রান্সের বেশ সুখ্যাতি আছে, নামকরা অনেক শিল্পীদের জন্ম এখানে। কিন্তু যারা শিল্প বোঝেন না, তারাও ফ্রান্সকে চেনেন অন্য এক আশ্চর্য স্থাপত্য দিয়ে। তা হলো আইফেল টাওয়ার। এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চ্যাম্প দি মারস নামক স্থানে অবস্থিত। এই টাওয়ারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি দিনে যতটুকু লম্বা, রাতে তার চেয়ে খানিকটা ছোট হয়ে যায়। এর নির্মাতা গুস্তাফ আইফেল। তার নামেই এ টাওয়ারের নাম রাখা হয়েছে আইফেল টাওয়ার।

১৮৮৭ সালের ১৮ জানুয়ারি এর নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ৩০০ শ্রমিক ২ বছর ২ মাস ৫ দিনের চেষ্টায় টাওয়ারটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। টাওয়ারটির ওজন ১০ হাজার ১০০ মেট্রিক টন এবং এতে ওঠার জন্য সিঁড়ির ধাপ রয়েছে এক হাজার ৬৬৫টি। সিঁড়ি বেয়ে পুরো টাওয়ারটিতে উঠতে গেলে পায়ের বারোটা বাজবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ১৮ হাজার ছোট ছোট লোহার অংশ থেকে এই পুরো কাঠামোটি তৈরি করা হয়েছে এবং এই অংশগুলো ২৫ লাখ নাট-বল্টু দিয়ে সংযুক্ত।

১৮৮৯ সালে ৩১ মার্চ সর্বসাধারণের জন্য টাওয়ারটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। টাওয়ারটিতে চড়ার জন্য সিঁড়ির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি লিফটও রয়েছে। এত উঁচু এই টাওয়ারে লিফট সংযোজন খুব একটা সহজ কাজ ছিল না, টাওয়ারের উচ্চতা আর কাঠামোর সঙ্গে মিল রেখে এখানে লিফট স্থাপন করতে ইঞ্জিনিয়ারদের ঘাম ছুটে গিয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো, এই টাওয়ারটির লিফটগুলো বছরে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করে, তা সারা পৃথিবীর আয়তনের প্রায় ২.৫ গুণ।

যখন আইফেল টাওয়ার চালু হয় তখন তা ওয়াশিংটন মনুমেন্টকে হটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থাপনায় পরিণত হয়েছিল। যা ছিল ৪০ বছর। ১৯৩০ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে ক্রাইশলার বিল্ডিং নির্মিত হলে আইফেল টাওয়ার তার গর্ব হারায়।

মরিচা ধরা থেকে বাঁচানোর জন্য প্রতি ৭ বছর পর পর টাওয়ারটি রং করা হয়। সম্পূর্ণ টাওয়ারটি একবার রং করতে ৬০ মেট্রিক টন রঙের প্রয়োজন হয়। ২৫ জন রংমিস্ত্রীর এক হাজার ৫০০টি ব্রাশে পুরো টাওয়ারটি রং করতে লাগে ২৫ মাস।

টাওয়ারটি নির্মাণের পর বিশেষজ্ঞরা এর কাঠামো দেখে মত দেন যে এর আয়ু ২০ বছর। কিন্তু ২০ বছর অপেক্ষা করতে হয়নি, এই আকাশছোঁয়া স্থাপত্যটিকে কোনো এক অদ্ভুত কারণে কেউই পছন্দ করতে পারছিল না। নামকরা সব চিত্রশিল্পী এবং লেখকরা এর বিরুদ্ধে লেখা শুরু করলেন। তারা বললেন, যে তারা ভেবেই পাচ্ছেন না যে, এমন একটা ‘কুৎসিত’ স্থাপত্য প্যারিসে থাকে কী করে!

শহরবাসীদের তোপের মুখে কর্তৃপক্ষ যখন প্রায় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল যে, এটি ধ্বংস করে ফেলা হবে। তখনই গুস্তাভ আইফেল একটা বুদ্ধি বের করলেন। তিনি টাওয়ারটিকে আবহাওয়া-গবেষণাগারে পরিণত করলেন। টাওয়ারটি অনেক উঁচু হওয়ার কারণে এর সাহায্যে বাতাসের গতিবেগ এবং আবহাওয়া নির্ণয় সম্ভব ছিল। এভাবে তিনি তার সাধের টাওয়ার রক্ষা করলেন। এখানেই শেষ না, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবার এই টাওয়ারটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন এটি রাখা হয় বেতার তরঙ্গের একটি ভালো পরিবাহক হিসেবে। এমন সব যৌক্তিক প্রয়োজনীয়তার কারণে টাওয়ারটি বারবার বেঁচে যায় ভাঙ্গার হাত থেকে এবং পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ায়।

টাওয়ারের চূড়া থেকে পুরো শহরের সৌন্দর্য্য দেখা যায় বলে অনেক পর্যটককে আকর্ষণ করে এ আইফেল টাওয়ার। প্রতি বছর কয়েক লক্ষাধিক পর্যটক প্যারিস আসেন শুধু মাত্র আইফেল টাওয়ারকে কেন্দ্র করে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া বিশ্বের ১০ সরকার প্রধান

পৃথিবীর ৭ মহাদেশে ২৩৩ টি দেশে রয়েছে । এর মধ্যে সংখ্যা স্বাধীন দেশ ১৯৬টি আর সার্বভৌম দেশের সংখ্যা ২০০৩। এসে দেশের রয়েছে সরকার প্রধান । জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ১৯৩টি দেশের মধ্যে কতো গুলো দেশ সম্পর্কেই বা আমরা জানি ? সেই সাথে কতো গুলো দেশের সরকার প্রধান কিংবা রাষ্ট্র প্রধানের নামই বা জানি?

এসব দেশের সরকার প্রধান কিংবা রাষ্ট্র প্রধানরা কতো বেতন পান তাও জানার প্রবল আগ্রহ আমাদের । আসুন আজ জেনে নেই কোন দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান সবচেয়ে বেশি বেতন পান । এক নজরে জানবো এমন ১০টি দেশের ও সরকার প্রধান সম্পর্কে।

এশিয়া মহাদেশে অবস্তিত উন্নত দেশ সিংগাপুর। এ দেশের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং৷ সিংগাপুরের এই প্রধানমন্ত্রী বাৎসরিক বেতন ১৬ লাখ দশ হাজার ডলার৷ যা পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতন পান হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ৷ কেরি লাম হলেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী । বাৎসরিক বেতন পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার চারশ’ ডলার৷ সেই সাথে আধুনিকজ সকল সুযোগ সুবিধা তো রয়েছেই ।

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির বেতন রয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে ৷ পৃথিবীর উন্নত এবং স্বপ্নের দেশ খ্যাত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির বাৎসরিক বেতন চার লাখ ৮২ হাজার নয়শ’ ৫৮ ডলার৷

বেশি বেতন পাওয়াদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর নাম ৷ পৃথিবীর অন্যতম ক্ষমতাধর দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বাৎসরিক বেতন চার লাখ ডলার ৷ সেই সাথে পৃথিবীর সবচ্চো সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা তো রয়েছেই ।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ৷ তার বাৎসরিক বেতন তিন লাখ ৭৮ হাজার চারশ’ ১৫ ডলার৷

জার্মান চ্যান্সেলর

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেলের বাৎসরিক বেতন তিন লাখ ৬৯ হাজার ৭২৭ ডলার৷ বেশি বেতন পাওয়াদের তালিকায় সাত নাম্বারে আছেন জার্মান চ্যান্সেলর ।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্নের বাৎসরিক বেতন তিন লাখ ৩৯ হাজার আটশ’ ৬২ ডলার৷ বেশি বেতন পাওয়া রাষ্ট্র প্রধানদের তালিকায় আট নাম্বারে আছেন তিনি৷

মৌরিতানিয়ার প্রেসিডেন্ট

আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ার প্রেসিডেন্ট বেশি বেতন পাওয়াদের তালিকার নয় নাম্বার স্থানে আছেন৷ তার বাৎসরিক বেতন তিন লাখ ৩০ হাজার ডলার৷ দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট হলেন মোহামেদ ঔল্ড গাজুয়ানি৷

অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর

অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেল সেবাস্টিয়ান কুর্ৎস-এর বাৎসরিক বেতন তিন লাখ ২৮ হাজার পাঁচশ’ ৮৪ ডলার৷ তালিকায় নয় নাম্বারে আছেন তিনি৷

লুক্সেমবুর্গের প্রধানমন্ত্রী জাভিয়ার বেটেল

তালিকার দশ নাম্বারে আছেন ইউরোপের ছোট্ট, ধনী দেশ লুক্সেমবুর্গের প্রধানমন্ত্রী৷ দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন জাভিয়ার বেটেল৷ তার বাৎসরিক বেতন দুই লাখ ৭৮ হাজার ৩৫ ডলার৷

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

কে এই খুদে তুমুল জনপ্রিয় মিষ্টি কন্যা?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যারা ব্যবহার করেন। নিশ্চয়ই খুদে এই মেয়েটির ছবি কখনও না কখনও নিজের হোম পেইজে দেখেছেন!

নেট দুনিয়ার অত্যন্ত পরিচিত মিষ্টি মুখের মেয়েটি। অনেকেই তার ছবি দেখে কাল্পনিক বা ফটোশপ ভেবেও ভুল করেন।

বাস্তবে কেউ এতো সুন্দর হয়! ঠিক যেন ছবির মতো মেয়েটির মুখ। অনেকেই হয়তো জানেন না নেটমাধ্যমের পরিচিত এই মুখ কার কিংবা কী তার পরিচয়?

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হাসির কন্যা- তকমা পাওয়া মেয়েটির নাম অনাহিতা হাশেমজাদেহ। নীল চোখ, উজ্জ্বল ত্বক, মাথায় কোকড়া চুল ও গালে টোল পড়া এই কন্যার দিকে তাকালেই যেন চোখ ফেরানো দায়।

তার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও আপনি ইন্টারনেটে ঢুকলেই দেখতে পাবেন। তার যে কোনো ছবি বা ভিডিও মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

মিষ্টি কন্যা অনাহিতার জন্ম ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি। সে ইরানের নাগরিক। তার পরিবার মধ্য ইরানের বাসিন্দা। ইরানের ইস্পাহান শহরে বেড়ে উঠেছে অনাহিতা।

অনাহিতার বয়স এখন ৫ বছর। মাত্র ৩ বছর বয়স থেকেই নেটমাধ্যমের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে সে। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ারের সংখ্যা জানলে আপনি চমকে উঠবেন।

এক লাখ ৮০ হাজার ফলোয়ার আছে তার অ্যাকাউন্টে। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৯০০টি ছবি ও ভিডিও সেখানে পোস্ট করেছে অনাহিতা।

যদিও অনাহিতার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কারও বেশি কিছু জানা নেই। ইনস্টাগ্রামে তার মা-বাবার ছবিও খুব বেশি নেই। তবে অনাহিতা নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট চালান তার মা।

২০১৮ সালের জুন মাসে অনাহিতার মা মেয়ের নামে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খোলেন। তারপর থেকেই তা ক্রমশ জনপ্রিয়তার শিখরে চড়তে শুরু করেছে।

অনাহিতার যেসব ছবি নেটমাধ্যমে পোস্ট করা হয় তার সবই ফটোগ্রাফারদের তোলা। এ কারণে ছবিগুলো সবারই নজর কাড়ে। এতে অনাহিতার পরিচিতিও বেড়েছে।

ইনস্টাগ্রামে তার পরিচয় ‘বেবি মডেল’। বিভিন্ন ধরনের পোশাক পরে, বিভিন্ন গানের সঙ্গে নেচেই ৫ বছর বয়সে জনপ্রিয়তার শিখরে উত্তীর্ণ হয়েছে সে। তার মিষ্টি হাসি সবার মন ভরিয়ে দেয়।

তার নীল চোখ, বাদামি কোকড়া চুল ও উজ্জ্বল গালের টোল দেখে সবাই মুগ্ধ হয়। তাকে অনেকেই বলিউডের প্রীতি জিন্তার সঙ্গে তুলনা করেন। প্রীতিও না কি ছেলেবেলায় অনাহিতার মতোই দেখতে ছিলেন!

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

এবার ইয়োহানির নতুন গান ‘ইতিন আদারে’ শুরু হয়েছে নতুন ঝড়

উপমহাদেশে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া হয়তো মুশকিল হবে, যারা শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানির ‘মানিকে মাগে হিতে’ গানটি শোনেননি। ভাষা যাই হোক না কেন, গানের সুর-তাল-লয়ের প্রতি মানুষের দুর্বলতা আজন্ম।

ভাষা বুঝতে পারলে উপভোগের মাত্রা পায় ভিন্নতা। শ্রীলঙ্কার শিল্পি ইয়োহানির ‘মানিকে মাগেহিতে’ শিরোনামের একটি গান গেয়ে দুনিয়া মাতিয়ে এখন আলোচিত একটি নাম । মাস দুয়েক আগে ভাইরাল এই গানটি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্ব তারকা হয়ে ওঠেন ২৮ বছর বয়সী শিল্পি ইয়োহানি।

এরই মধ্যে ইয়োহানির গাওয়া ‘ইতিন আদারে’ শিরোনামের আরও একটি গান বেশ সারা ফেলেছে। নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করেছেন তিনি। গানটির মিউজিক ভিডিওতে রয়েছেন ইয়োহানি। নতুন এক লুকে দেখা গেছে তাকে ।

গেলো ৯ অক্টোবর রিলিজ দেয়া গাণটি ইতিমধ্যে ১ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে । হু হু করে বাড়ছে গানটির ভিউ। গানটির মিউজিক ভিডিওতে ইংলিশ সাবটাইটেলও দেয়া রয়েছে। সিংহলি ভাষার এই গানটিও যে বাংলা ভাষাভাষির মানুষ শুনছেন তা বোঝা যাচ্ছে ইউটিবের মন্তব্যের ঘরে। বাংলায় লিখে একজন কমেন্ট করেছেন, বুঝলাম না কিছু, কিন্তু ভালই লাগল শুনতে।

সম্প্রতি বলিউড সিনেমায়ও গান গেয়েছেন শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি সিলভা। । এরই মাঝে হাজির হয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঞ্চালনায় রিয়েলিটি শো বিগ বস-এর ১৫তম সিজনের মঞ্চে।

সেখানেই মজা করে সালমানকে গাইতে শেখালেন `মানিকে মাগে হিতে গানটি। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ইয়োহানির বাবা একজন আর্মি অফিসার এবং মা একজন বিমানবালা। তার ছোট বোনও রয়েছে ।

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

প্রতিনিয়ত নিস্তেজ হয়ে আসছে পৃথিবী

পৃথিবীর উপগ্রহ থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসছে সবকিছু। গুটি গুটি পায়ে হুমকির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পৃথিবী। নানা সমস্যার পর এখন পানি সংকটের আধার নেমে আসতেছে বিশ্ব দরবারে। বিশ্লেষকরা নতুন করে আবারেও পানি সংকটের আশঙ্কা করছে।

বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা (ডব্লিউএমও) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী পানি সম্পর্কিত দুর্যোগ যেমন বন্যা এবং খরার ঝুঁকি বাড়তে শুরু করেছে। পানির সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যাও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫শ কোটির বেশি মানুষ পানি সংকটের মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা সম্প্রতি এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।

দ্য স্টেট অব ক্লাইমেট সার্ভিসেস ২০২১ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে পানির সংকট তীব্র হতে শুরু করেছে। ২০৫০ সালে এই সংকট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠবে। ফলে পানি সংকটে পড়তে পারে ৫০০ কোটির বেশি মানুষ।

ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক এবং অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে। এতে কৃষিকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে খাদ্য, মানুষের স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জিনিসে প্রভাব পড়ছে।

গত ২০ বছরে ভূপৃষ্ঠে সঞ্চিত পানির পরিমাণ আস্তে আস্তে কমে আসছে । পৃথিবীর মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পানি ব্যবহারযোগ্য। কিন্তু দিন দিন সেই পরিমাণ আরো কমতে শুরু করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে পানি সংকট এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে, খুব সহসাই ‘ডে জিরো’ বা যে দিন থেকে শুধু জরুরি প্রয়োজনে পানি সরবরাহ সম্ভব, সে দিনটি এসে যেতে পারে৷ বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হারে কমে যাচ্ছে ভূগর্ভের পানির স্তর৷

মরক্কোতে সাহারা মরুভূমির কাছে অবস্থিত ১৩টি গ্রামে প্রায় ৪০০ মানুষের বাস৷ গ্রামগুলো এতই প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত যে, সেখানকার বাসিন্দাদের পানির জন্য অনেক দূরে যেতে হয়৷ প্রতিদিন এই কাজে গড়ে অন্তত তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়৷

অনেক নদী এখন আর সমুদ্রে পৌঁছায় না৷ সেগুলোর দিক পরিবর্তিত হয়েছে, বাঁধ দেয়া হয়েছে এবং অতিমাত্রায় ব্যবহৃত হয়েছে৷ বলা হচ্ছে, যুগে যুগে বিশ্বে পানি সংকট বাড়ছে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হারে৷ এর মধ্যে পানি সংকটে সবচেয়ে বেশি এখন আফ্রিকার দেশগুলো৷ সেখানে খরার পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে৷

২০০০ সাল থেকেই পরিস্থিতি একটু একটু বদলাতে শুরু করেছে। সে সময় থেকে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো ১৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে খরা বেড়েছে ২৯ শতাংশ। খরার কারণে আফ্রিকায় বহু মানুষের মৃত্যুও হয়েছে।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

মধু চন্দ্রিমায় না গিয়ে স্বামীকে নিয়ে শুটিংয়ে ফিরলেন মাহী

বিয়ের এক মাসের মধ্যেই স্বামীকে নিয়ে নতুন নীড়ে উঠেছেন ঢাকাইয়া সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। স্বামী কামরুজ্জামান সরকার রাকিবসহ চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, উঠেছেন নতুন বাসায়। ঘরোয়া ভাবে মিলাদও পড়িয়েছেন।

নিজের মনের মতো করে নতুন বাসাটি সাজিয়েছেন নায়িকা। নতুন ফ্ল্যাটের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন স্যোসাল মিডিয়ায় ।

ঢাকার অভিজাত এলাকায় নেয়া নতুন নীড়ে উঠা নিয়ে স্বামীর ব্যবসায়ী রাকিব সরকারের প্রতি প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাহি ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমার স্বপ্নগুলো একটা একটা করে পূরণ করার জন্য আজীবনের কৃতজ্ঞতা তোমার প্রতি। আল্লাহ তোমার সব নেক মনোবাসনা পূরন করুক। দিল থেকে দোয়া তোমার জন্য, আমি করিনা, মন থেকে অটো চলে আসে।

আরও পড়ুন : ফের বিয়ে করলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা

মাহির এই পোস্টে আবার কমেন্ট করেছেন তার স্বামী রাকিব। লিখেছেন, ‘স্বপ্ন পূরণের সারথি করে পাশে রাখার জন্য শুকরিয়া।

সিনেমার আলোচিত নায়িকা মাহিয়া মাহি গেলো ১৩ সেপ্টেম্ব রাতে গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা কামরুজ্জামান রাকিব সরকারকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেন । যদিও দু জনেরই এইট দ্বিতীয় বিয়ে।

বিয়ের পর মধু চন্দ্রিমায় না গিয়ে ফিরেছেন শুটিংয়ে, চমক হিসেবে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন সদ্য বিবাহিত স্বামীকেও ।

আরও পড়ুন : পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ চিত্রনায়িকা মাহী

শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত মেধাবী নির্মাতা শামীম আহমেদ পরিচালিত বুবুজান সিনেমা তৃতীয় লটের কাজের জন্যে ১৬ সেপ্টেম্বর মাহীকে ফিরতে হয় শুটিং। বিএফডিসির শুটিং সেটে আসলেও মাহী অবশ্য কোন গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কথা বলেন নি। তবে মাহি জানিয়েছেন বুবুজান ও নর সুন্দরী সিনেমার শুটিং আগে শেষ করে যাবেন মধুচন্দ্রিমায়।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি: স্ত্রী

বিতর্কিত গায়ক মঈনুল আহসান নোবেলের সংসার ভাঙনের পথে। ‘সারেগামাপা’ থেকে উঠে আসা আলোচিত-সমালোচিত এ গায়কের সঙ্গে সংসার না করার ঘোষণা দিয়েছেন তার স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ।

৬ অক্টোবর বুধবার ফেসবুকে নোবেল এ কথা জানান। ডিভোর্সের কারণ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

এদিকে নোবেলের স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর তালাকনামা নোবেলের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সালসাবিল বলেন, ‘নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ। চরম মাদকাসক্ত, নারীনেশাসহ আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করতো; এসবের প্রমাণ আমার কাছে আছে। এসব কারণে তাকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর মেহরুবা সালসাবিলের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মঈনুল আহসান নোবেল। দুই বছর পূর্তির আগেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটলো।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকে নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনায় পড়েন ২০১৯ সালে ভারতের জি বাংলা টেলিভিশনের রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-তে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসা নোবেল।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বাংলাদেশ আমার নিজের দেশ : রজতাভ দত্ত

টলিউডের শক্তিমান অভিনেতা রজতাভ দত্ত অভিনয় করছেন পূজন মজুমদারের প্রিয়া রে ছবিতে, দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় এই অভিনেতা শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুরে। শুটিংয়ের ফাঁকে কথা হয় ভয়েস টেলিভিশনের সঙ্গে- জানান বাংলাদেশে নিজের ভালোলাগা নানা বিষয়ে.
বাংলাদেশকে নিজের দেশ, এখানকার মানুষকে আপন আত্মীয় এবং এদেশে বার বার আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। প্রত্যেকবার এখানে আসলে অসম্ভব ভালোলাগার কারণ নিজের বাবা-মায়ের এদেশে জন্মগ্রহণ। নতুন নতুন কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আসার সুযোগটা হারাতে চান না। এছাড়া ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে নিজের জনপ্রিয়তা বেশি বলে মনে করেন টলিউডের শক্তিমান এই অভিনেতা।

আরও পড়ুন : মীরাক্কেলে না থাকার কারণ জানালেন রজতাভ দত্ত

নিজের চেয়েও পরিবারের সদস্যরা খুব বেশি ইলিশ পছন্দ করেন, ফলে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর থেকে পরিবারকে খুব মিস করছেন তিনি। সম্ভব হলে চাঁদপুরের আসল ইলিশ নিকটাত্মীয়দের খাওয়ানোর ইচ্ছেও প্রকাশ করেন তিনি।

শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমায় একজন চেয়ারম্যানের চরিত্রে দেখা যাবে রজতাভকে- খারাপ চরিত্রকে ছাড়িয়ে নায়িকার পিতা হিসেবে থাকবেন একজন আদর্শ বাবা।

অভিনয় শিখে আসলে অনেক বেশি সময় এই অঙ্গনে থাকা যায় বলে পরামর্শ দেন ফিল্মে আসতে আগ্রহীদের, তাছাড়া এখানে থাকতে থাকতেও অভিনয় শেখা যায়, তবে একবারে না শিখতে চাইলে এখানে টিকে থাকা কষ্টকর বলে মন্তব্য করেন শক্তিমান এই অভিনেতা।
চলচ্চিত্রে না এলে চাকুরি, গান কিংবা লেখালেখি করতেন, সে অনুযায়ী ৯ জন অভিনেতা এবং অভিনেত্রীকে নিয়ে একটি ব্যান্ড দলও করেছিলেন বলেও জানান তিনি।