Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

লাইভে এসে বাবা-মা-ভাইয়ের আত্মহত্যা, নেপথ্যে মেয়ে

মেয়ের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন একই পরিবারের তিন জন। ৯ জানুয়ারি রোববার সকাল ১১টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার বকখালির সমুদ্র সৈকত লাগোয়া জঙ্গলের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে। যার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় মৃতদের নাম শ্যামল নস্কর (৫৩), রীতা নস্কর (৪৩) এবং অভিষেক নস্কর (২৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিনে আগেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অর্থ তছরুপের অভিযোগ ওঠে ডায়মন্ড হারবার থানার সুলতানপুরের বাসিন্দা পুনম দাস নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। এর পরই শনিবার রাতে পুনমের বাড়িতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কিছু মহিলা সদস্য চড়াও হয়ে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, পুনমের সামনেই তার বাবা শ্যামল, মা রীতাকে চূড়ান্ত অপমান করেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা। তাদের মারধর করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়।

শনিবার রাতেই কুলপি থানায় অভিযোগ দায়ের করে নস্কর পরিবার। তার পর রোববার সকালে স্ত্রী রীতা ও ছেলে অভিষেককে নিয়ে বকখালির সমুদ্র সৈকতে চলে আসেন তারা। সেখানে অভিযেক (সম্পর্কে পুনমের ভাই)-এর ফোনে ফেসবুক লাইভ করে তারা আত্মহত্যা করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনম বিবাহিতা। পুনমের স্বামী মিঠুন দাস মাছের আড়তের কর্মী।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুনম ও মিঠুনকে আটক করেছে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ। পুনমের বাড়িতে এসে হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচ নারীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার থানা সূত্রে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

শাশুড়িকে নিয়ে পালালেন ঘরজামাই

শাশুড়িকে নিয়ে পালালেন ঘরজামাই! এমন জঘন্য ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়ার লিলুয়া থানার জগদীশপুরে। এদিকে মেয়ে প্রিয়াঙ্কা দাস মা ও স্বামীর শাস্তি চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন থানায়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় হতবাক প্রতিবেশীরাও।

তরুণী মেয়ে প্রিয়াঙ্কা দাস জানিয়েছেন, ‘শনিবার তার স্বামী কৃষ্ণগোপাল দাসের সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছেন মা শেফালি দাস। ফোন করে বাড়িতে সে কথা জানিয়েছেন তিনি। এরপর লিলুয়া থানায় মা ও স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন প্রিয়াঙ্কা।’

মেয়ে প্রিয়াঙ্কা আরও জানান, ২০১৭ সালে বীরভূমের সাঁইথিয়ার যুবক কৃষ্ণগোপাল দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। কিন্তু কৃষ্ণগোপাল তেমন কোনো কাজকর্ম করতেন না। পরে তার বাবা তাকে জগদীশপুর ডেকে আনেন। সেই থেকে ঘরজামাই থাকতো ওই যুবক। এরই মধ্যে শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এই নিয়ে গত সপ্তাহে বাড়িতে তুমুল ঝগড়া হয়। থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন প্রিয়াঙ্কা। এরপর কৃষ্ণগোপালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামিন পেয়ে সাঁইথিয়া ফিরে যান তিনি। এরপর শনিবার শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে পালান কৃষ্ণগোপাল। তারপর ফোন করে সে কথা বাড়িতে জানান শেফালিদেবী। তবে তারা কোথায় রয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি।

আরও পড়ুন : কারাগারে হলমার্ক জিএমের নারীসঙ্গ ‘জঘন্য’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

বাংলাদেশের যে অঞ্চলে প্রয়োজন হয় গরুর জন্মনিবন্ধন

বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে গরু, মহিষ বা বাছুর পালতে হলে নিবন্ধন করতে হয়। এসব পশু বাচ্চা জন্ম দিলে কিংবা পশু বিক্রি করলেও তথ্য হালনাগাদ করতে হয় এবং এই নিয়ম বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজিবি ক্যাম্প এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে গিয়ে পশুর মালিকদের নিবন্ধন ও হালনাগাদের এই কাজটি করতে হয়। নিবন্ধনের এই কাজটি সম্পন্ন করতে পশুর মালিকদের একাধিক জায়গায় যেতে হয়। অনেক নথিপত্রের কাজও রয়েছে। এসব কারণে গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য বিশেষ করে যারা দূরবর্তী অঞ্চলে থাকেন তাদের ব্যাপক দুভোর্গ পোহাতে হয়।

দুই মাস আগেও নিবন্ধন করতে পশু মালিকদের মাইলের পর মাইল হেঁটে গরু-মহিষ চড়িয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এরপর বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে হতো। এ নিয়ে গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘আমার ছ’টা গরু। হাট থেকে কয়টা কিনেছি। আমার ভাই কয়টা দিয়ে গেল। আবার একমাস আগে একটা গাভী বাচ্চা দিয়েছে। এজন্য চারবার আসা যাওয়া করছি। একবার এই অফিসে ওই অফিসে। আমাদের তো কাজ আছে। আমার দেশে আমার গরু রাখতে এতো ঝামেলা কেন বুঝিনি।’

নিবন্ধনের কারণ জানা যায়, মূলত সীমান্ত দিয়ে গরু-মহিষের অবৈধ চোরাচালান ঠেকাতে বিশেষ করে ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু আনা প্রতিরোধে এমন পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন ইউনিয়নের সাহেবনগর বিওবি ক্যাম্পের সহকারী ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোহাম্মদ আলী আব্বাস।

রাজশাহী জেলার সাথে ভারতের ৭৬ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে কাঁটাতার দেয়া দেয়া আছে ১১ কিলোমিটার জুড়ে। বাকি অরক্ষিত সীমানা দিয়ে যেন গরু চোরাচালান না হতে পারে, সেজন্য এই বাড়তি সতর্কতা বলে তিনি জানান।মি.আব্বাস বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে এখন গরু, মহিষ আসা নিষেধ। আগে বৈধ করিডোর দিয়েই গরু আসতো। কিন্তু এরমধ্যেও চোরাকারবারি হয়েছে। আবার ভারত সরকারও এ নিয়ে কড়াকড়ি করেছে।

আরও পড়ুন : হিলিতে পৃথক তিন অভিযানে মহিষ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার

‘আমরাও কড়া অবস্থানে গিয়েছি যেন সীমান্ত এলাকায় কোন গরু মহিষ চোরাচালান না হয়। সীমান্ত এলাকায় গরু বাছুরের হিসাব থাকায় এখন কেউ তা করতে পারে না।’ তিনি জানান, তার এই চর এলাকার সব মানুষই গরু, মহিষ লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে।

প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে তার এলাকায় এসব পশু নিবন্ধন হয়ে আসছে। গত তিন বছর ধরে এই নিয়ম বেশ জোরদার করা হয়েছে। পুরো ইউনিয়নে কী পরিমাণ গবাদিপশু আছে, কোন বাড়িতে কয়টা পশু আছে, সেটির পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব বিজিবি ক্যাম্পে থাকে।

ক্যাম্প কর্মকর্তারা নিয়মিত গরু মহিষের হিসাব নিয়ে থাকেন। তবে এ নিয়মের আওতায় ছাগল, ভেড়া বা খাসীর নিবন্ধন করতে হয় না। ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানান, তার ইউনিয়নের অন্তত সাড়ে চার হাজার বসতঘর রয়েছে।

প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে দুটি করে আবার কিছু কিছু বাড়িতে ৬০ থেকে ৭০টি গরুর পালও রয়েছে। সব মিলিয়ে এই ইউনিয়নে অন্তত ৫০ হাজারের মতো নিবন্ধিত গরু আছে বলে তিনি জানান।

এই ইউনিয়নের কেউ বাইরের কোন হাট থেকে গরু কিনলে সেটা যতো দ্রুত সম্ভব নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। এজন্য পশুর মালিককে বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে নতুন কেনা পশুটির বিবরণ, যেমন: রঙ, বয়স, গড়ন, বলদ নাকি গাভী ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।

সেইসাথে যে হাট থেকে গরু কিনেছেন সেই রিসিট দেখাতে হয়। এরপর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার রেজিস্ট্রার খাতায় একটি সিরিয়াল নাম্বারে মালিকের নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বারের পাশে তার কেনা গরুর বিবরণ লিখে রাখেন।

এমন একটি রেজিস্ট্রার খাতা পশুর মালিকের কাছেও থাকে। সেখানেও তথ্য তুলে রাখা হয়। মূলত এটাই নিবন্ধনের পদ্ধতি। আবার এসব পশু কোন বাচ্চা জন্ম দিলে সেটারও জন্ম নিবন্ধন দ্রুততম সময়ের মধ্য করতে হয়।

এজন্য মালিককে প্রথমে যেতে ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে। সেখান থেকে মেম্বার এবং চেয়ারম্যান একটি প্রত্যয়নপত্রে সই করে দেন। তারপর কাগজটি নিয়ে যেতে হয় বিজিবি ক্যাম্পে। সেখানকার নায়েব সুবেদার প্রত্যয়নপত্রটি দেখে দুটি রেজিস্ট্রার খাতায় তথ্য তুলে দেন।

এছাড়া গরু বিক্রি করতে গেলে অন্তত এক দিন আগে ছাড়পত্রের প্রয়োজন।

এজন্য ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেলে মেম্বার, চেয়ারম্যান পশুর মালিককে একটি ছাড়পত্র দেন। পরে সেখানে বিজিবি সুবেদার সই করলে পশুটি বৈধ উপায়ে বিক্রি করা যায়।

আবার কোনও কারণে পশুটি বিক্রি না হলে সেটা ফিরিয়ে আনার পর সেই তথ্যও হালনাগাদ করে নিতে হবে। এই নিবন্ধন বা হালনাগাদের জন্য বাড়তি কোন টাকা পয়সা বা পরিচয়পত্রের প্রয়োজন হয় না।

কোন পশুর তথ্য যদি নিবন্ধন বা হালনাগাদ না হয় তাহলে সেটি অবৈধ বলে গণ্য হয় এবং বিজিবি চাইলে অনিবন্ধিত পশুগুলো চালান করে দিতে পারে।

তাই কোন পশু নিবন্ধিত কিনা সেটা প্রমান করতে পশুর মালিককে রেজিস্ট্রার খাতা কিংবা ছাড়পত্রের কপি সব সময় সাথে রাখতে হয়।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

তাজমহলের মতো বাড়ি বানিয়ে স্ত্রীকে উপহার

ভারতের মধ্যপ্রদেশে হুবহু তাজমহলের মতো দেখতে একটি বাড়ি বানিয়ে স্ত্রীকে উপহার দিয়েছেন এক শিক্ষাবিদ। মঞ্জুষা চৌকসে নামের এই ব্যক্তি বাস করেন রাজ্যটির বুরহানপুরে। সোমবার (২২ নভেম্বর) এসব জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুপ্রেরণার জন্য এই দম্পতি তাজমহল দেখতে আগ্রা গিয়েছিলেন। তারা এর স্থাপত্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তাদের প্রকৌশলীদের কাঠামোগত বিবরণ নোট করতে বলেছিলেন।

বাড়িটি নির্মাণ করতে তিন বছর সময় লাগে। আসল তাজমহলের একটি ত্রিমাত্রিক চিত্রের ওপর ভিত্তি করে প্রকৌশলীরা এই নির্মাণকাজ শেষ করেছেন। বাড়িটি চারটি মিনারসহ ৯০ বর্গমিটার জায়গার ওপর নির্মিত।

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’র ভয়ে শিকল দিয়ে বাঁধলো ট্রেন

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের গতিমুখ বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে। আগামীকাল শনিবার (৪ ডিসেম্বর) উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনো জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। তার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে। ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আর সেই আশঙ্কাতেই লোহার শিকলে বেঁধে দেওয়া হয়েছে ট্রেন। গতকাল বৃহস্পতিবার হাওড়া বিভাগের শালিমার রেল ইয়ার্ডে দেখা গেছে এমন চিত্র।

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব রেল। শালিমার রেল ইয়ার্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলোর চাকা বাঁধা হয়েছে লোহার শিকলে, যাতে ঝোড়ো হাওয়ায় ট্রেন গড়িয়ে গিয়ে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা বাতিলের ঘোষণাও করা হয়েছে। ৩ ও ৪ ডিসেম্বর রেলের কয়েকটি বিভাগে ২৭টি আপ এবং ২২টি দূরপাল্লার ডাউন ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যে যাত্রীরা আগে থেকে আসন সংরক্ষণ করেছিলেন তাদের মোবাইলে ম্যাসেজ পাঠাবে দেশটির রেল বিভাগ। তারা টিকিট বাতিল করে টাকা ফেরত নিতে পারবেন বলেও জানা গেছে।

তবে এবারই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার দুর্যোগের আগে ট্রেনের চাকায় লোহার শিকল জড়িয়ে তালা-চাবি দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন রেল-কর্মীরা। সেই চিত্রই ধরা পড়ছে বারবার।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

সরকারি অফিস থেকে ফাইল নিয়ে পালাল ছাগল

সকালে সরকারি অফিসের কর্মচারীরা রোদ পোহাচ্ছিলেন। এই ফাঁকে সন্তর্পণে অফিসে ঢুকে পড়ে একটি ছাগল। চুপে চুপে ছাগলটি অফিসের একটি ফাইল মুখে করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ব্লক অফিসের।

ইন্ডিয়া ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মচারীরা যখন টের পায় ততক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটির অর্ধেক সাবাড় হয়ে গেছে। ফাইলের বাকিটা পেতে ছুটতে হয়েছে ছাগলের পিছনে। পরে ফাইলটি পেলেও তাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি চলে গেছে ছাগলটির পেটে। ঘটনাটি হাস্যকর মনে হলেও চাকরি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কর্মচারীরা।

ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে আসার পর তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সকলের মাঝেই ছাগলের এই কাণ্ডে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন অফিসের কর্মচারীদের দায়িত্ববোধ নিয়েও। ভিডিওতে দেখা যায়, ছাগল বেশ কিছু নথি মুখে নিয়ে ছুটছে। তার পেছনে ছুটে চলেছে এক কর্মচারী। তবে কিছুতেই ছাগলকে বাগে আনতে পারছেন না তিনি। এক পর্যায়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় ছাগলটি।

আরও পড়ুন : শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ব্লাক বেঙ্গল ছাগলের হাট

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
জাতীয় পশ্চিমবঙ্গ

স্পিকারসহ ১২ গুণী ব্যক্তিত্ব পাচ্ছেন ‘ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড-২০২১‘

উইমেন্স ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডব্লিউআইসিসিআই) বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিলের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১২ জন গুণী ব্যক্তিত্ব পাচ্ছেন ‘ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড-২০২১’। সাহিত্য, কলা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সমাজসেবা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে সেবাদানকারী ১২ জন গুণী ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মানজনক এই পদক প্রদান করা হবে।

আয়োজকরা জানান, মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ডব্লিউআইসিসিআই অ্যাওয়ার্ড-২০২১ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এফবিসিসিআইর সভাপতি ও বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন।

২৩ জন সদস্য এবং ৪ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিত ডব্লিউআইসিসিআই, বাংলাদেশের বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি মানতাশা আহমেদ। ডব্লিউআইসিসিআই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে এবং বাংলাদেশ ও ভারতের প্রান্তিক নারীদের অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্দেশে ডব্লিউআইসিসিআই, বাংলাদেশের বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিল গত বছর আগস্ট মাসে বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু করে।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

ভারতে পুরুষের চেয়ে বেড়েছে নারী

ভারতে প্রথমবারের মতো পুরুষের চেয়ে বেশি হয়েছে নারী জনসংখ্যা। দেশটির সরকারি এক জরিপে বলা হয়েছে, দেশটিতে এখন আর জনসংখ্যার বিস্ফোরণ হচ্ছে না। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পঞ্চম জাতীয় পরিবার এবং স্বাস্থ্য জরিপ চালায় ভারতের সরকার। ওই জরিপে দেখা যায়, ভারতে প্রতি ১ হাজার পুরুষের অনুপাতের নারীর সংখ্যা ১ হাজার ২০ জন।

প্রায় সাড়ে ৬ লাখ পরিবারের ওপর এই জরিপ চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, ভারতে গড় জন্মহার কমে ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শহরাঞ্চলে এই হার আরও কম। সেখানে জন্মহার ১.৬ শতাংশ।

এর অর্থ হচ্ছে, বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জায়গা দখল করে নেয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ শিশুর জন্ম হচ্ছে না। ভারতের ১৪০ কোটি জনসংখ্যা, তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৫০-র দশকে একজন নারীর গড়ে ছয়জন সন্তান ছিল।

পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়া ভারতের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনাও বটে। কারণ বহু বছর ধরে দেশটিতে মেয়ে শিশুর ভ্রুণ হত্যার ঘটনা ঘটে আসছে। তাই মেয়ে শিশু জন্ম নিশ্চিতে সরকার জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।

১৯৯০ সালে ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন প্রথমবার ভারতের এই ৩ কোটি ৭০ লাখ ‘মিসিং নারী’ নিয়ে লিখেন। ওই সময় দেশটিতে প্রতি ১ হাজার পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ছিল ৯২৭ জন।

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

প্রকৌশলীর বাসার পাইপ লাইনে পাওয়া গেল লাখ লাখ টাকা

ভারতের এক প্রকৌশলীর বাসায় পানি নিস্কাশনের জন্য নয়, বরং টাকার পাইপলাইনের সন্ধান মিলেছে। যা খোলা মাত্রই স্রোতের মতো বেরিয়ে আসতে থাকে রুপির পর রুপি। যার পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ রুপি। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ২৮ লাখ ৮১ হাজার ৪২১।

দ্য হিন্দু, ইন্ডিয়া টিভি নিউজসহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ব্যাঙ্গালুরুতে গণপূর্ত দপ্তরের এক প্রকৌশলীর বাসায় হানা দিয়ে এমনই টাকার পাইপলাইন খুঁজে পেয়েছেন কর্ণাটকের দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তারা জানান, রাজ্যে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়িতে অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা বলেন, কালবুর্গি জেলায় গণপূর্ত বিভাগের যুগ্ম প্রধান প্রকৌশলী সানথা গাউদা বিরাদারের বাসায় তারা টাকা পাইপলাইনটির খোঁজ পান। পাইপলাইন খোলা মাত্র বেরিয়ে আসতে থাকে কাড়ি কাড়ি রুপি। যার পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ রুপি। এ ছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল স্বর্ণালংকার।

গোপন সূত্রে টাকার পাইপলাইনের খবর আগেই পেয়েছিলেন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। তাই অভিযানের সময় তারা একজন মিস্ত্রিকে সঙ্গে করে নিয়ে যান। তাকে দিয়ে পাইপ খোলার পর টাকা বেরিয়ে আসতে থাকে।

কর্মকর্তারা জানান, মূলত বাসার মধ্যে এ ধরনের পাইপলাইন বসানোই হয়েছিল টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য। কারণ পাইপলাইনের সঙ্গে অন্য কোনো ধরনের সংযোগ ছিল না।

পরে এমন আরও পাইপলাইনের খোঁজ পাওয়া যায়। এটি ছাড়াও রাজ্যের ৬০টি ঠিকানায় ১৫ জন সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ ও অবৈধ সম্পদের মালিক সরকারি কর্মকর্তাদের বাসায় অভিযান চালিয়েছেন বলেও জানান দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন : দেশজুড়ে তিতাসের ১৩ হাজার কিমি মেয়াদোত্তীর্ণ পাইপ লাইন

ভয়েসটিভি/এমএম

Categories
পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ব

বধূ সাজে পরীক্ষা দিলেন তরুণী

বধূ সাজে আর দশজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরীক্ষা দিতে এসেছেন এক তরুণী। দুই হাতে সোনার চুড়ি-গহনা, নাকে নথ, গায়ে জড়ানো লাল বেনারসি, আর সেই মুহূর্তের কয়েকটি ছবি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিয়ের সাজে আসা ওই তরুণীর নাম শিবাঙ্গী, আর ঘটনাটি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের।

পরীক্ষার হলে কনের সাজে শিবাঙ্গীর যে ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে নানা মানুষ নানা মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ শিবাঙ্গীর এই ইচ্ছেকে বলেছেন অতিরঞ্জিত। তবে তাদের পাল্টা উত্তর দিয়ে অন্য একটি অংশ বলছে, নিন্দুকদের কথায় কান না দিতে। বিয়ের চেয়ে শিক্ষাকে বড় করে দেখানোর শিবাঙ্গীর যে প্রয়াস, তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন অনেকেই।

জানা যায়, বিয়ের দিন ঠিক হয়ে যাওয়ার পরই শিবাঙ্গীর পরীক্ষার তারিখ দেয়। দিনটি বাতিল করা তাদের পরিবারের পক্ষে সম্ভব ছিল না। আর বিয়ের দিন সকাল থেকেই প্রথা মেনে পাত্র-পাত্রীর বাড়িতে নানা অনুষ্ঠান লেগেই থাকে। তাতে কনেকে অংশ নিতে হয়। শিবাঙ্গীও তার ব্যতিক্রম নন। তাই বিয়ের পোশাক পরেই পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হন তিনি।

হবু স্বামী ও শিবাঙ্গী একই বিষয়ের শিক্ষার্থী। দুইজনই তারা শান্তিনিকেতন কলেজের শিক্ষার্থী। এদিন তাদের পঞ্চম সেমিস্টারের পরীক্ষা ছিল। শিবাঙ্গী কনের সাজে সেই পরীক্ষা দেওয়ার পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

এ প্রসঙ্গে কনে শিবাঙ্গী বলেন, ‘এছাড়া আমার কাছে আর কোনো উপায় ছিল না। হবু স্বামীর পরিবার থেকেও কোনো আপত্তি ওঠেনি। বরং তারা আমাকে উৎসাহ যুগিয়েছেন।’

ভয়েসটিভি/এমএম