Categories
বিশ্ব

গিনির সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, নিহত ৯৮

ইকুয়েটরিয়াল গিনির প্রধান শহর বাটার একটি সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯৮ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ৭ মার্চ রোববার এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনার জন্যে সেখানে ডিনামাইট মজুতে অব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় কৃষকদের আবর্জনা পোড়ানোকে দায়ী করছে কর্তৃপক্ষ। খবর ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির।

৯ মার্চ মঙ্গলবার বিবিসি জানায়, এ ঘটনায় আরও ৬১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি।

সোমবার সারাদিন ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালায় স্বেচ্ছাসেবীরা। প্রথমে আনুমানিক ৩১ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলেও পরে সেই ধারণারও তিনগুণ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি শিশুকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট টেয়োডোরো ওবিয়াং এনগুয়েমা জানান, এ দুর্ঘটনায় শহরের প্রতিটি বাড়ি এবং ভবন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি এ ঘটনার জন্য ডিনামাইট সংরক্ষণ ও দেখাশোনায় নিয়োজিতদের অবহেলাকে দায়ী করেছেন।

প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ফসলের জমি পরিষ্কারের জন্যে স্থানীয় কৃষকদের লাগানো আগুন না নেভানোর কারণেই এর সূত্রপাত। ক্ষয়ক্ষতি সামলে উঠতে তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন করেছেন।

এদিকে একাধিক টুইট করে স্বাস্থ্যকর্মীদের বাটা রিজিওনাল হাসপাতালে যাওয়ার জন্যে আহ্বান জানিয়েছেন গিনির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আহতদের প্রচুর রক্ত প্রয়োজন। যারা রক্ত দিতে আগ্রহী তারা যেন যোগাযোগ করেন। এছাড়া গুরুতর এবং খুব বেশি গুরুতর আহতদের চিকিৎসার জন্যে তিনটি হাসপাতাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা টিওডোরো নিগমা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, তারা হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান এবং কালো ধোঁয়া দেখতে পান। পরে আরও কয়েক দফায় বিস্ফোরণ হয়। ফলে গোটা এলাকায় ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

দেশটিতে দায়িত্বরত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত অলিভিয়ার ব্রোচেনিন এ ঘটনাকে বড় বিপর্যয় আখ্যায়িত করে হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া স্পেনের রাষ্ট্রদূত তাদের দেশের নাগরিকদের ঘরে অবস্থান করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ১৯৬৮ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। এর আগ পর্যন্ত দেশটি স্প্যানিশ উপনিবেশ ছিল।

আরও পড়ুন : জাতিসংঘের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ২০ শান্তিরক্ষী আহত

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
বিশ্ব

ইয়াঙ্গুনে রাতভর অভিযান চালিয়ে ২০ বিক্ষোভকারী আটক

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের সানচুয়াং জেলায় বিক্ষোভকারীদের ধরতে রাতভর বাড়ি বাড়ি অভিযান চালায় ২০ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ৯ মার্চ মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে অধিকাংশ বিক্ষোভকারী পালাতে সক্ষম হয় বলে জানা গেছে। খবর রয়টার্সের।

এর আগে সোমবার রাতে অন্তত ২০০ জন বিক্ষোভকারী ওই এলাকায় আটকা পড়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়েছিলেন।

টেলিফোনে শার ইয়া মোন নামের এক বিক্ষোভকারী তরুণী মঙ্গলবার সকালে টেলিফোনে রয়টার্সকে জানান, তারা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল একটি ভবনে লুকিয়েছিলেন। নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন তল্লাশি বন্ধ করার ঘণ্টা দুয়েক পর ভোর ৫টার দিকে তাঁরা বাড়ি ফেরার সুযোগ পেয়েছেন।

জাতিসংঘ ও যুক্তরাজ্য সোমবার রাতে আটকে পড়াদের শহর ত্যাগের সুযোগ দিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানায়।

বিবিসির খবরে বলা হয়, কয়েকশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আটকা পড়েছে জানিয়ে তাদের সবাইকে সেখান থেকে নিরাপদে বের হওয়ার সুযোগ দিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে গত ১ ফেব্রুয়ারি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পর থেকে দেশটিতে চলছে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ। রক্তক্ষয়ী এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক এবং আহত হয়েছেন অনেকে। সেনা অভ্যুত্থানের অবসান এবং দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ সামরিক বাহিনীর হাতে আটক রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমারে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি। তবে অন্যান্য প্রতিবেদনে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলমান বিক্ষোভের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন ছিল গত ৩ মার্চ। মিয়ানমারের বিভিন্ন নগর ও শহরে সেদিন ৩৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন।

আরও পড়ুন : মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জাতিসংঘ দূতের

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
বিশ্ব

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত পৌনে ১২ কোটি ছাড়িয়েছে

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২১টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাসটিতে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৪৭ হাজার ১৬৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ১২ হাজার ৬৬ জনের। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন।

৯ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের দেয়া তথ্যে এ সংখ্যা জানা গেছে।

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬২৮ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৪৮০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৬ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন উহান শহর থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২২১টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

আরও পড়ুন : করোনা আক্রান্ত ৪ কোটি ৪৭ লাখ ছাড়িয়েছে

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
বিশ্ব

মাটি খুঁড়লেই মিলছে সোনা!

সোনার কেল্লা নয়, এ যেন আস্ত এক ‘সোনার পাহাড়’! সম্প্রতি পাহাড়টির খোঁজ পাওয়া গেছে কঙ্গোয়। দেশটির একটি পাহাড়ের মাটিতে রয়েছে সোনার উপাদান। তাই ওই পাহাড় খুঁড়ে সোনা বের করায় মেতেছে কঙ্গোবাসী!

ওই পাহাড়ের পাথুরে মাটিতে ৬০ থেকে ৯০ শতাংশই আকরিকই সোনা। এমনটাই দাবি উঠেছে কঙ্গোর বিশেষজ্ঞদের।

মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশে রয়েছে ওই পাহাড়টি। লুহিহি এলাকায় ওই পাহাড়ের কথা জানা গেছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে।

সোনা

লুহিহির পাহাড়ের কথা জানাজানি হওয়ামাত্রই ওই এলাকায় ছুটে যান কয়েক হাজার হাজার মানুষ। পাহাড় খুঁড়ে সোনা খুঁজতে থাকেন তারা। সোনা খোঁজার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সাংবাদিক আহমেদ আলগোবারি। ২ মার্চ আহমেদের সেই ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ভিডিয়োতে দেখা যায়, পাহাড় ঘিরে মানুষের ভিড়। গাঁইতি-শাবল-বেলচা দিয়ে লুহিহির পাহাড়ের পাথুরে মাটি খুঁড়ে সোনা খুঁজছেন গ্রামবাসীরা। অনেকে খালি হাতেই পাহাড়ের মাটি সংগ্রহ করছেন। এর পর সেই মাটি তুলে নিয়ে গিয়ে তাতে সোনা খুঁজছেন। ভিডিওতে একজনকে দেখা গেছে, নিজের টি-শার্ট উল্টে তাতে মাটি ভরে নিয়ে যাচ্ছেন।

সাংবাদিক আহমেদ জানিয়েছেন, পাথুরে মাটি থেকে সোনার উপাদান আলাদা করতে একটি পাত্রে তা ধুয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসীরা। আর তাতেই মুঠোয় মুঠোয় পাচ্ছেন আকরিক সোনা।

সোনা

সোনার খোঁজে সকলে এমনই মাতোয়ারা যে এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অবস্থা বেগতিক দেখে সোমবার থেকে ওই এলাকায় খননকাজ নিষিদ্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

দক্ষিণ কিভুর খনিমন্ত্রী বেনান্ত বুরুমে মুহিগিরওয়া জানিয়েছেন, ওই প্রদেশের রাজধানী শহর বুকাবুতে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে যে গ্রামে ওই পাহাড়টি রয়েছে, তাতে তিলধারণেরও স্থান নেই। পরবর্তী নির্দেশিকা পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

রাষ্ট্রীয় এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কঙ্গোতে সোনাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতব পদার্থের যত পরিমাণ খনন হয়, তার বেশির ভাগই নথিবদ্ধ করা হয় না। তাদের দাবি, কঙ্গোর পূর্বপ্রান্তের দেশগুলির মধ্যে দিয়ে সে সবই পাচার করা হয়।

আরও পড়ুন: ফেনীর বাঁশের কেল্লা নজর কেড়েছে সবার

আরও পড়ুন: সৈকতে পেলেন ‘তিমির বমি’, মূল্য ২ কোটিরও বেশি

ভয়েস টিভি/এসএফ
Categories
বিশ্ব

ইয়েমেনে শরণার্থী শিবিরে আগুন, মৃত্যু ৮

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছিল বিশাল শিবির। স্থানীয় সময় রোববার সেই শিবিরে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত আটজনের। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৫৭ জনকে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

তবে শরণার্থী শিবিরে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। হুতি বিদ্রোহীরা ওই শরণার্থী শিবিরটি পরিচালনা করে। শিবিরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। ডয়েচে ভেলে।

ঘটনার পরেই টুইট করেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংগঠনের ডিরেক্টর কারমেলা। তিনি জানিয়েছেন, আকস্মিক খবরে তিনি মর্মাহত। শরণার্থী এবং শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছে। জাতিসংঘ সকলকে সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

সরকারি ভাবে আটজনের মৃত্যুর কথা জানানো হলেও, বেসরকারি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। কারমেলার টুইটেও সে কথা বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা সংবাদসংস্থা এপি-কে জানিয়েছেন, প্রথম আগুন লাগে যেখানে, সেখানে প্রায় ৭০০ শরণার্থী ছিলেন। তারা সকলেই সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে কাজের খোঁজে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ইয়েমেন প্রশাসন তাদের গ্রেফতার করে শরণার্থী শিবিরে পাঠিয়েছিল।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

মৃতের সংখ্যা ২৬ লাখ ছাড়াল

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২১টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাসটিতে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৪৯ হাজার ৪৩৯ জন মানুষ আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৩৭ জনের। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার ২৮ জন।

০৮ মার্চ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারসের দেয়া তথ্যে এ সংখ্যা জানা গেছে।

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। সোমবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৩৮ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১২ লাখ ২৯ হাজার ৩৯৮ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৯০ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন উহান শহর থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২২১টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব

ঐতিহাসিক ছবিতে ইহুদিদের ১৭০০ বছরের গল্প

ইহুদি মূলত একটি জাতি বা ধর্মীয় জনগোষ্ঠী যারা বনী-ইস্রায়েল জাতির অন্তর্গত এবং জাতিগতভাবে ইহুদি ধর্মের অনুসারী। হযরত ইবরাহিম (আ.) এর পুত্র হযরত ইসহাক, তার পুত্র ইয়াকুব ওরফে ইসরাইল এর বংশধরগণ বনী ইসরাঈল নামে পরিচিত। ইয়াকুব (আ.) এর ১২ পুত্রের নামে বনী-ইসরাইলের বারোটি গোষ্ঠীর জন্ম হয় যার মধ্যে ইয়াহুদার ছেলেমেয়েরা ইহুদি নামে পরিচিত।

ইহুদি জাতির রয়েছে কয়েক হাজার বছরের ইতিহাস। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র নিয়ে সংঘাতে এ জাতি ১৯৪৮ সালের পর থেকেই আলোচিত-সমালোচিত। এর আগে নাৎসি বাহিনী কর্তৃক এ জাতি গোষ্ঠির ওপর চলে ইতিহাসের নিকৃষ্ট হত্যাযজ্ঞ। ইহুদি জাতির বিভিন্ন পণ্ডিত ও দার্শনিকের ব্যবহৃত কিছু ঐতিহাসিক জিনিস নিয়ে আজকের আয়োজন।

ইহুদিদের প্রাচীন নিদর্শন চতুর্থ শতকের এই অয়েল ল্যাম্প। ইহুদিবাদের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতীকটি পাওয়া গিয়েছিল জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ট্রিয়ারে। দেখে মনে হয় এটি হয়ত উত্তর আফ্রিকার শহর কার্থেজে তৈরি।

ইহুদি

ইহুদি দার্শনিক মোজেস মেন্ডেলসনের ব্যবহার করা চশমা এটি। ১৮ শতকে তিনি জ্ঞানের জগতে আলো ছড়িয়েছিলেন, খ্রিস্টান এবং ইহুদিদের মাঝে এক সংলাপেও ভূমিকা রেখেছিলেন৷তার বন্ধু গঠোল্ড এফ্রাইম লেসিং ‘নাথান দ্য ওয়াইজ’ নাটকে মেন্ডেলসনের দর্শনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

ইহুদি

মধ্যযুগে জার্মানির রাইনলান্ড অঞ্চলের স্বর্ণকারদের বিশেষ সুখ্যাতি ছিল। কিছু ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই শিল্পে ইহুদি এবং খ্রিস্টান স্বর্ণকারদের দক্ষতার সাক্ষ্য দেয়। ছবির এই কানের দুলটি ২০১১ সালে কোলন শহরে পাওয়া যায়।

ইহুদি

লেখক হাইনরিশ হাইনের জন্ম ইহুদি পরিবারে। তবে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে ভালো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে খ্রিষ্টান হয়ে যান। ধর্মান্তরিত হওয়া যে ভুল ছিল তা নিজেই পরে স্বীকার করেছেন। একবার দুঃখ করে লিখেছিলেন, ‘ইহুদি এবং খ্রিষ্টানরা আমাকে সমানভাবে ঘৃণা করে। খ্রিষ্টান হওয়ার জন্য আমি অনুতপ্ত।’ ওই একটি সিদ্ধান্তের জন্য ইসরায়েলে এখনো হাইনরিশ হাইন এক বিতর্কিত নাম। আর এটি হাইনরিশ হাইনের স্মৃতিচিহ্ন।

ইহুদি

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে যে এক লাখ ইহুদি অংশ নিয়েছিলেন, নাবিক মাক্স হালার তাদের একজন। ১৯১৫ সালে স্বপ্রণোদিত হয়ে সাবমেরিন বহরে যোগ দেন। সেখানে নাবিক হিসেবে অনন্য ভূমিকার জন্য ‘আয়রন ক্রস’ পুরস্কার দেয়া হয় তাকে। প্রথম যুদ্ধের পর ব্যবসা শুরু করেন হালার। নাৎসি বাহিনী ইহুদিদের বর্জন করলে নিজের দোকানের জানালায় বীরত্বের জন্য পাওয়া পুরস্কারগুলো সাজিয়ে রাখেন। ফলে তার দোকানে নাজিদের হামলা হয়নি।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ২৬ লাখ ছাড়িয়েছে

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এ মহামারি ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। আর এ মহামারির কবল থেকে মুক্তি মিলেছে সোয়া ৯ কোটিরও বেশি মানুষের। মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখেরও বেশি মানুষের। ৭ মার্চ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাসটিতে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ১১ কোটি ৭০ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৯ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ২৩ জনের। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯ কোটি ২৬ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৪ জন।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই কোটি ৯৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ১১৯ জনের।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার ৭৯৯ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

সোমালিয়ায় গাড়িবোমা হামলায় নিহত ২০

সোমালিয়ায় একটি আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। শুক্রবার রাতে দেশটির রাজধানী মোগাদিসুতে লুল ইয়েমেনি নামে একটি রেস্টুরেন্টের বাইরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্সের।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায় এবং বন্দুকযুদ্ধও শুরু হয়।

আমিন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসেসের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবদুল কাদির আদেন বলেন, বিস্ফোরণের স্থান থেকে আমরা এখন পর্যন্ত ২০ জন মৃত এবং ৩০ জন আহত ব্যক্তিকে বহন করেছি।

ঘটনাস্থলের পাশেই বসবাস করা আহমেদ আবদুল্লাহি নামে এক বাসিন্দা বলেন, লুল ইয়েমেনি রেস্টুরেন্টে একটি দ্রুতগতির গাড়ি বিস্ফোরিত হয়। আমি সেখানেই যাচ্ছিলাম। কিন্তু, বিস্ফোরণের কম্পন এবং এলাকা ধোঁয়ায় ছেয়ে যাওয়ায় ফিরে আসি।

সোমালিয়ার রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত রেডিও মোগাদিসু জানিয়েছে, বিস্ফোরণে বেশকিছু সম্পদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে।

এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তবে জঙ্গিগোষ্ঠী আল শাবাব সোমালিয়াসহ ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ খ্যাত দেশগুলোতে প্রায়ই হামলা চালিয়ে থাকে। তারা ওই অঞ্চলে নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা চালু করতে চায়।

ভয়েস টিভি/এমএইচ

Categories
বিশ্ব

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটলে হামলায় উস্কানি দেয়ার অভিযোগে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এক ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র, তার আইনজীবী রুডি গিউলিয়ানিসহ এক রিপাবলিক্যান আইনজীবীকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত মাসে একই অভিযোগে আরেক ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেন বলে সিঙ্গাপুরভিত্তিক দি স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে।

গত ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকরা ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালায়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়ের স্বীকৃতি দেয়ার সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্যেই সেখানে তাণ্ডব চালায় উগ্রবাদীরা। এতে এক পুলিশসহ নিহত হন অন্তত পাঁচজন।

এ ঘটনায় সারাবিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের ইতিহাসে কালিমা লেপনের দায়ে অভিযুক্ত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবশ্য তিনি এখনও গত নভেম্বরের ওই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন না।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওইদিন একটি মিছিলে বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প, তার ছেলে, আইনজীবী রুডি ও কংগ্রেসম্যান মো ব্রুকস। পরে সেই মিছিল থেকে ক্যাপিটলে হামলা চালানো হয়।

মামলাকারী কংগ্রেসম্যান সলওয়েল এক বিবৃতিতে বলেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ট্রাম্প শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে তিনি বার বার তার সমর্থকদের বলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সমর্থকদের ওয়াশিংটন ডিসিতে নামার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আসামীরা সমর্থকদের সংগঠিত করেছেন, প্ররোচীত করেছেন, উত্তেজনা ছড়িয়েছেন। ওই ঘটনায় হতহত এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় তারাই দায়ী।

আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবনে হামলায় নিহত বেড়ে ৪, গ্রেফতার ৫২

ভয়েস টিভি/এমএইচ