Categories
বিশ্ব

২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে কমেছে মৃত্যু-শনাক্ত

মহামারি করোনায় (কোভিড ১৯) বিপর্যস্ত সারাবিশ্ব। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটলেও মহামারি প্রতিরোধে সারাবিশ্বে টিকার প্রয়োগ হলে কিছুটা কমে করোনার তাণ্ডব। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে। এসময়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৪৮ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও তিন লাখ ৫০ হাজার ৮৯৭ জন।

২০ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে করোনাবিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগের দিন চার লাখ ১৬ হাজার ৭৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। আর ছয় হাজার ৭৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে করোনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লাখ পাঁচ হাজার ৩৮৪ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছে ২২ কোটি ৯২ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪২ জন। এর মধ্যে মহামারি থেকে সেরে উঠেছেন ২০ কোটি ৫৯ লাখ তিন হাজার ৬৮৫ জন।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে চার কোটি ২৯ লাখ ৯০৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ ৯১ হাজার ৮৮০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন তিন কোটি ২৫ লাখ তিন হাজার ৯৯৫ জন।

তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে তিন কোটি ৩৪ লাখ ৭৭ হাজার ৮১৯ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন চার লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ জন। আর তিন কোটি ২৭ লাখ সাত হাজার ৫৮৯ জন সেরে উঠেছেন।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা দুই কোটি ১২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮৩ জন। এর মধ্যে পাঁচ লাখ ৯০ হাজার ৭৮৬ জন মারা গেছেন। আর সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি দুই লাখ ৮০ হাজার ২৯৪ জন।

তালিকায় এরপরের স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইরান, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন ও ইতালি।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৮ নম্বরে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৩ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ২২৫ জন। আর ১৫ লাখ এক হাজার ৫৪১ জন সুস্থ হয়েছেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ভাইরাসে দেশটিতে প্রথম মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। এরপর ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

সংক্রমণ চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ইউরোপের কিছু দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশগুলোতে চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়। এর বিপরীতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে ভারতসহ এশিয়ার কিছু দেশে। তবে ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের অবস্থা আবারও খারাপ হচ্ছে।

এরই মধ্যে অব্যাহতভাবে টিকাদান চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশ। কোনো কোনো দেশ টিকার বুস্টার ডোজ ও শিশুদেরও টিকাদান শুরু করেছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ লাখ ছাড়ালো

করোনা মহামারিতে এখনো বিপর্যস্ত সারাবিশ্ব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে প্রাণহানি হয়েছে বিশ্বের ৪৭ লাখ মানুষের। তবে কিছুটা কমেছে করোনার তাণ্ডব। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৭৬৪ জনের। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৭৮৪ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন চার লাখ ৪২ হাজার ৭৪৬ জন।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে করোনা বিষয়ে তথ্য রাখা আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এসব তথ্য জানিয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লাখ ৪৪ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ২২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৫ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২০ কোটি ৫৫ লাখ ২২ হাজার ৩০ জন।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৮ লাখ ৬৬ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৬ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ২২৬ জন।

এরপরে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৭ হাজার ১০ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬৯ জন। আর ৩ কোটি ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫১ জন সুস্থ হয়েছেন।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা ২ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ৩২৫ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৪৭ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ২৯৪ জন।

তালিকায় এরপরের স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইরান, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন ও ইতালি।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৮ নম্বরে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ১৮২ জন। আর ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ভাইরাসে দেশটিতে প্রথম মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। এরপর ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

সংক্রমণ চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ইউরোপের কিছু দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশগুলোতে চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়। এর বিপরীতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে ভারতসহ এশিয়ার কিছু দেশে। তবে ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশের অবস্থা আবারও খারাপ হচ্ছে।

এরই মধ্যে অব্যাহতভাবে টিকাদান চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশ। কোনো কোনো দেশ টিকার বুস্টার ডোজ এবং শিশুদেরও টিকা দেওয়া শুরু করেছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব

আফগানে বিস্ফোরণ : নিহত ৭, আহত ৩০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও পূর্বাঞ্চলীয় শহর জালালাবাদে পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণে অন্তত সাত জন নিহত এবং নারী শিশুসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তালেবানের সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে এ তথ্য।

নানগারহার প্রদেশের রাজধানী জালালাবাদে শনিবার তালেবানের গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর চারটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটানো হয়। এতে নারী-শিশুসহ বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক তালেবানের এক নেতা জানিয়েছেন এ তথ্য।

এদিকে, কাবুলে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত দুই জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

কোনো গোষ্ঠী এখনো হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে নানগারহারে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শক্ত অবস্থা রয়েছে বলে জানা গেছে। সন্দেহের তীর তাদের দিকেই।

তালেবানের এক সূত্র বলছে, জালালাবাদ ও কাবুলে হামলার পেছনে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) খোরাসান শাখার হাত থাকতে পারে। হামলার পরপরই জালালাবাদ থেকে সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তালেবানের ওই শীর্ষ নেতা বলেন, হামলার ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং হামলাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল গত ১৫ আগস্ট তালেবানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি হয় পুরো দেশে। লোকজন ভয় আর আতঙ্কে দেশ ছাড়তে কাবুল বিমানবন্দরে ভিড় করতে শুরু করেন। বিমানবন্দর এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে ও গোলাগুলিতে অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারান। গত ২৬ আগস্ট কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে মারা যান আরও ১৭৫ জন। আহত হন দেড় শতাধিক মানুষ। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস-কে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

বিয়ের অদ্ভুত যতো নিয়ম!

যে কোনো দেশ, সংস্কৃতি ও ধর্মে বিয়ে খুবই পবিত্র একটি বন্ধন। সুন্দরভাবে প্রত্যেকের সেজে আসা, অনুষ্ঠানে জাকজমকপূর্ণ আবহ, কন্যা সম্প্রদান এবং রকমারি খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু বিয়ের নিয়ম প্রচলিত আছে যা জানলে অবাক হতেই হয়। চলুন জেনে আসি কয়েকটি বিয়ের অদ্ভুত নিয়ম।

সুইডেনের বিয়ের রীতিটা বেশ অদ্ভুত। বর যদি বাথরুমে যাওয়ার জন্য বিয়ের টেবিল থেকে উঠে যায় তবে উপস্থিত পুরুষ মেহমানরা এসে নববধূকে কিস করার সুযোগ পায়। তেমনিভাবে নববধূ যদি বাথরুমে যায় তবে উপস্থিত নারীরা এসে বরকে কিস করে যায়।

ক্রাইং রিচুয়াল: চীনের তুজিয়া নামক একটি সম্প্রদায় বিয়ের প্রায় ৩০ দিন আগে থেকে কনে কান্নাকাটি করে বিয়ের প্রস্তুতি নেয়। কনে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কান্নাকাটি করে। এভাবে টানা ১০ দিন কান্নাকাটির পর সঙ্গে তার মা-ও যোগ দেয় এবং তার দশ দিন পর নানিও যোগ দেয়। এভাবে বিয়ের আগ পর্যন্ত পরিবারের সব নারী সদস্যরা যোগ দেন। তারা একসঙ্গে সুর করে কান্না করে, যে কোনো মানুষ শুনলে বুঝবে তারা হয়তো গান গাইছে।

পশুর সাথে বিয়ে: ভারতে নারী-পুরুষের সঙ্গে পশুর বিয়ে দেয়া যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। যাদের মঙ্গলিক দোষ রয়েছে, তাদের সঙ্গেই বিয়ে দেয়া হয়। তারা মনে করে প্রথম বিয়ে পশুর সঙ্গে হলে তাদের মঙ্গলিক দোষ কেটে যাবে। এবং পরবর্তিতে তাদের দ্বিতীয় বিয়ে মানুষের সঙ্গেই হয়।

বর কনের গায়ে ময়লা ঢেলে দেয়া: স্কটল্যান্ডে বর এবং কনের গায়ে ময়লা ঢেলে দেয়া খুবই পুরোনো একটা রীতি। বিরক্তিকর এই সারপ্রাইজটি তাদেরকে বিয়ের কয়েকদিন আগেই দেয়া হয়। এবং তারা মনে করে এই রীতিটি বর ও কনের বিবাহ পরবর্তী জীবনে খারাপ আত্না থেকে রক্ষা করবে।

কনেকে কিডন্যাপ করা: এটি খুবই উন্মাদ প্রকৃতির একটি নিয়ম যেটি বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। এটি ব্রাইড কিডন্যাপিং নামেই বেশ পরিচিত। রাস্তায় চলাফেরা অবস্থায় পূর্বে ঠিক করা মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে নির্দিষ্ট কক্ষে ততক্ষণ আটকে রাখা হয় যতক্ষণ না বরের পরিবার হতে কেউ এসে কনেকে স্কার্ফ পড়িয়ে বিবাহকার্য সম্পন্ন না করে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব

২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৮ হাজার ৪৮৭ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৮ হাজার ৪৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা যান ৯ হাজার ১৭০ জন। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৭ জনের। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন চার লাখ ৭১ হাজার ৭৮১ জন।

১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় করোনা বিষয়ে তথ্য রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এসব তথ্য জানিয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৬ লাখ ৯২ হাজার ৩১১ জন। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ২২ কোটি ৮৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭৫২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২০ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৭ জন।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৭ লাখ ৯৯ হাজার ৯০৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৬ লাখ ৯০ হাজার ৭১৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩০ হাজার ১৫১ জন।

এরপরে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৮৯ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৬৩ জন। আর ৩ কোটি ২৬ লাখ ২৪ হাজার ৭১৮ জন সুস্থ হয়েছেন।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা ২ কোটি ১১ লাখ ২ হাজার ৫৩৬ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৭৪৪ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার ১০৬ জন।

তালিকায় এরপরের স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইরান, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন ও ইতালি।

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

শতাধিক বছর ধরে টানেলে নিখোঁজ রহস্যময় ভৌতিক ট্রেন

শতাধিক যাত্রী নিয়ে এক বিশাল ট্রেন চোখের পলকেই অদৃশ্য হয়ে যায়। অবাক করা বিষয় হলেও সত্যিই আজও খোঁজ মেলেনি সেই রহস্যময় ট্রেনটির। এমনকি ট্রেনে থাকা ১০০ জন যাত্রী ও ৬ জন রেলকর্মীও গায়েব হয়ে গিয়েছেন। নিখোঁজ এই ট্রেনের রহস্য আজও জানতে পারেনি কেউ।

১৯১১ সালেই প্রথমবারের মতো জাঁকজমকভাবে রোমের একটি স্টেশন একটি ট্রেন চালু করেন ইটালির জেনেটি নামক রেল সংস্থা। উদ্বোধনের দিন যাত্রীদের বিনা টিকিটে ঘোরানোর ব্যবস্থা করেছিল সংস্থাটি। ঘোষণা শুনে ট্রেনে ১০০ জন যাত্রী আসন গ্রহণ করেন। যাত্রীদের সঙ্গে মোট ৬ জন রেলকর্মী ছিলেন।

যাত্রীদের জন্য ট্রেনে বাহারি সব খাবারেরও ব্যবস্থা ছিল। উদ্দেশ্য ছিল ট্রেনে করে যাত্রীদের ইতালির বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখানো। ট্রেনটিটে থাকা যাত্রীরা ভ্রমণ খুব উপভোগ করছিলেন। তবে সে ট্রেনটি আর গন্তব্যে পৌঁছায়নি, মাঝপথে রহস্যজনকভাবে বিশাল ট্রেনটি গায়েব হয়ে যায়! ট্রেনলাইনটি একটি টানেলের মধ্য দিয়ে ছিল। সেই টানেলে প্রবেশ করে ট্রেনটি। ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হলেও ট্রেনের খোঁজ মেলেনি সেদিন। আজও ট্রেনটির কোনো খোঁজ মেলেনি।

ট্রেনটির সন্ধানে ওই সুড়ঙ্গে অনেকে গেলেও ট্রেনের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের বুক চিড়ে তৈরি হওয়া ওই সুড়ঙ্গের ভেতর বিকল্প কোনো রাস্তাও ছিল না। এমনকি ট্রেন দুর্ঘটনারও কোনো চিহ্ন মেলেনি। ট্রেনের মধ্যে মোট ১০৬ জন ছিলেন। পরে তাদের মধ্যে দু’জনের সন্ধান পাওয়া যায়। টানেলের বাইরে থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। তবে তারা কোনো তথ্যই দিতে পারেননি ট্রেনের বিষয়ে। অগোছালো কথা বলছিলেন তারা। তারা জানান, সেদিন ট্রেনটি যখন টানেলে প্রবেশ করছিলো, তখন চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। প্রাণ বাঁচাতে তারা দু’জন ঝাঁপিয়ে পড়েন ট্রেন থেকে। এরপর আর তাদের কিছু মনে নেই।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমা পড়ে সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ট্রেনটির খোঁজও থেমে যায়। এর পর থেকে ওই ট্রেনকে ঘিরে এমন সব ঘটনা বা তথ্য সামনে আসতে থাকে, যা আরও রহস্যময়। মেক্সিকোর এক চিকিৎসক দাবি করেন, অনেক বছর আগে মেক্সিকোর একটি হাসপাতালে নাকি ওই ১০৪ জন যাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই পাগলামি করছিলেন। তারা সবাই একটি ট্রেনের কথা বলছিলেন। সেই ট্রেনে করেই না কি তারা মেক্সিকোতে পৌঁছান।

বিজ্ঞানীরা অনেক অনুসন্ধান করেও পাননি ঘটনার কোনো যুক্তি বা সূত্র। এখনও বিশ্বজুড়ে এই ভৌতিক ট্রেনটি নিয়ে আলোচনা হয়। তবে আধুনিকমনা অনেকেই বিশ্বাস করেন না ভূতুড়ে এই ঘটনাটি। এমনকি ইটালির বিভিন্ন প্রান্তে যেমন- জার্মানি, রোমানিয়া ও রাশিয়াতেও নাকি বিভিন্ন সময়ে অনেকেই ওই রকমই একটি যাত্রীবোঝাই ট্রেন দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রেনের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন, তা অদৃশ্য হওয়া ট্রেনটির মতোই। তখনকার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ট্রেনটি না কি ট্রাইম ট্রাভেল করে ১৯৪০ সালের মেক্সিকোয় পৌঁছে গিয়েছিল। তবে এসব ব্যাখ্যার কোনো প্রমাণ পায়নি বিজ্ঞানীরা। রহস্যময় এই ঘটনা আজও অজানাই থেকে গেলো বিশ্ববাসীর কাছে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

আদিমানুষ থেকে আধুনিক মানুষ

বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী জীব মানুষ। আধুনিক মানুষ হল হোমিনিনা উপজাতির। শিম্পাঞ্জি, গরিলা ও ওরাং ওটাংদের মত মানুষ বানর পরিবারের অন্তর্গত হোমিনিডি গোত্রের শাখা।

তাদের বৈশিষ্ট হল স্থির খাড়া অবস্থান এবং দ্বিপদী চলৎশক্তি, উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন এবং ভারী সরঞ্জাম ব্যবহারে সক্ষমতা, যোগাযোগের ক্ষেত্রে জটিলতর ভাষার ব্যবহার, আকারে বৃহত্তর ও জটিল মস্তিষ্ক এবং খুবই উন্নত ও সংঘবদ্ধ প্রাণী।

প্রারম্ভিক হোমিনিন-বিশেষত অস্ট্রালোপিথেসিন, যাদের মস্তিষ্ক এবং শারীরিক গঠন অনেকটা আদিমানব বানরের মতো, যাদের হমো প্রজাতির হোমিনিন না বলে “মানব” বলা হয়। ইউরেশিয়ার অধিকাংশ স্থান তাদের দখলে ছিল এবং আফ্রিকাতে প্রায় ২০০,০০০ বছর পূর্বে আধুনিক হোমো স্যাপিয়েন্সরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেছিল।

মানুষ ও অন্যান্য নর-বানরেরা অনেককাল আগে একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত হয়ে অন্যান্য শাখা থেকে অতীতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে বিদ্যমান শিম্পাঞ্জি ও গরিলা থেকে আলাদা বংশানুক্রম তৈরি করেছে। সে হিসেবে মানুষ আধুনিক নরবানরগুলোর সাথে সম্পর্কযুক্ত হলেও সরাসরি উত্তরসূরী নয়।

১.৪ কোটি বছর আগে ওরাং ওটাং প্রজাতির উদ্ভব ঘটে। পূর্বপুরুষের বাকি জনপুঞ্জ নতুন প্রজাতি ওরাং ওটাং এর থেকে প্রজননগতভাবে আলাদা হয়ে যায় এবং তার ফলে এই দুই প্রজাতির বিবর্তন ঘটে। আবার প্রায় ৯০ লক্ষ বছর আগে সেই মুল প্রজাতির জনপুঞ্জ থেকে আরেকটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে এবং পরবর্তিতে ভিন্ন ধারায় বিবর্তিত হয়ে গরিলা প্রজাতির উৎপত্তি ঘটায়।

৬০ লাখ বছর আগে সাধারণ পুর্বপুরুষের অংশটি থেকে ভাগ হয়ে মানুষ এবং শিম্পাঞ্জির বিবর্তন ঘটে। তারপর এই দুটো প্রজাতি প্রজননগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন থেকেই মানুষের প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে শুরু করে, আর ওদিকে আলাদা হয়ে যাওয়া শিম্পাঞ্জির সেই প্রজাতিটি ভিন্ন গতিতে বিবর্তিত হতে হতে আজকের শিম্পাঞ্জিতে এসে পৌঁছেছে।

গরিলা, শিম্পাঞ্জী এবং হোমিনিন বংশের মধ্যে পার্থক্যের সামান্য পরিমাণ জীবাশ্ম প্রমাণ রয়েছে। হোমিনিন বংশের সদস্য হিসাবে প্রস্তাবিত প্রাচীন জীবাশ্মগুলি ছিল স্যালেনথ্রোপাস টিচডেনেসিস, অর্রোরিন টিউগেনেসিস এবং আর্দিপীথেকাস কাদাব্বা।

প্রতিটি প্রজাতির হোমিনিনদের দ্বিপদী পূর্বপুরুষদের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এই তিনটি শাখার যেকোনো একটি আফ্রিকান এপস এর অন্য শাখার পূর্বপুরুষ, অথবা একটি পূর্বপুরুষ হোমিনিন এবং অন্যান্য আফ্রিকান হোমোনয়েডিয়ার সাথে ভাগ করে নিয়েছে ।

প্রথম হোমোনিনা ছিল হোমো ইরেক্টাস যারা আফ্রিকা ছেড়ে ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। এইচ.ইরেক্টাসের একটি জনগোষ্ঠীকে কখনও কখনও একটি পৃথক প্রজাতি হোমো এরগ্যাস্টার হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করে যারা আফ্রিকায় থাকত এবং পরে হোমো স্যাপিয়েন্সে পরিণত হয়েছিল। তারাই প্রথম অগ্নি এবং জটিল সরঞ্জাম ব্যবহার করত।

হোমো ইরেক্টাস এবং আর্কাইক মানুষেরা যেমন হোমো রোডেসিয়েন্সিস আফ্রিকা থেকে এসেছিল, কিন্তু জর্জিয়ার দুমানসিতে তাদের transitional ফর্মগুলি পাওয়া গিয়েছিল। আফ্রিকান হোমো ইরেক্টাস এর বংশধররা ৫০০,০০০ বৎসর আগে ইউরেশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল পরে তারা পর্যায়ক্রমে হোমো এন্টিসেসর, হোমো হাইডেলবার্গেনসিস এবং হোমো নিয়ানডার্টালেনসিস এ বিবর্তিত হয়েছে।

ফিলিস্তিন এবং দক্ষিণ ইউরোপ থেকে আর্কাইক হোমো স্যাপিয়েন্সের জীবাশ্ম পাওয়া যায় তা প্রায় ৯০,০০০ বছর আগের ছিল। ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী আধুনিক মানুষ প্রায় ২ লাখ বছর আগে আফ্রিকা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল বতসোয়ানা।

প্রাইমেটকে বানরের শব্দার্থ হিসেবে বিবেচনা করলে, স্বীকার করতেই হবে, মানুষও একধরনের প্রাইমেট বা বানর জাতীয় প্রাণী ছাড়া কিছু নয়। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত দু’শরও বেশি প্রাইমেটদের সন্ধান পেয়েছেন। মানুষকে প্রাইমেট বর্গের মধ্যে হোমিনিডি অধিগোত্রের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে, মাঙ্কি একটি প্যারাফাইলেটিক গ্রুপ।

মানুষের বুদ্ধির উন্নতি মানুষের জটিল ভাষা ব্যবহার করার ক্ষমতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। তাই এরা আজ আধুনিক সভ্যতা আবিষ্কার করতে পেরেছে। চার পায়ের বদলে দুই পায়ে চলতে শুরু করার সাথে সাথে মানব শরীরে ধীরে ধীরে নানা পরিবর্তন আসে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিশ্ব

একদিনে আরও ৯ হাজার ১৭০ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজার ১৭০ জন। ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিন মারা গিয়েছিলেন ১০ হাজার ২০০ জন।

এদিকে মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৮ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিলেন ৫ লাখ ৬২ হাজার ৪৮৪ জন।

করোনা বিষয়ে তথ্য রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টায় এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে বিশ্বে করোনায় মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৪৬ লাখ ৮৩ হাজার ৯৭৭ জন। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ২২ কোটি ৭৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৭০ জন। এর মধ্যে ২০ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৪১৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

তবে করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৬ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৪৮৯ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭২৬ জন।

এরপরে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৮০ হাজার ৫২২ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ৪৪ হাজার ২৭৮ জন। আর ৩ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ৮৬৮ জন সুস্থ হয়েছেন।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা ২ কোটি ১০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ২৭৭ জন মারা গেছেন।

তালিকায় এরপরের স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইরান, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন ও ইতালি।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৮ নম্বরে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ২০৩ জনে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ১০৯ জন। আর ১৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯০ জন সুস্থ হয়েছেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ভাইরাসে দেশটিতে প্রথম মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। এরপর ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

সংক্রমণ চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ইউরোপের কিছু দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশগুলোতে চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়। এর বিপরীতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে ভারতসহ এশিয়ার কিছু দেশে। তবে ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশের অবস্থা আবারও খারাপ হচ্ছে।

এরই মধ্যে অব্যাহতভাবে টিকাদান চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশ। কোনো কোনো দেশ টিকার বুস্টার ডোজ এবং শিশুদেরও টিকা দেওয়া শুরু করেছে।

Categories
বিশ্ব

১৫০ আলোক-বর্ষ দূরে জীবনের উপযোগী গ্রহ!

সৌরজগতের বাইরে নতুন কিছু গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যেখানে জীবনের উপযোগী পরিবেশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সম্প্রতি পৃথিবী থেকে ৩৫ থেকে ১৫০ আলোক-বর্ষ দূরের এসব গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন।

সদ্য আবিষ্কৃত এসব গ্রহকে বলা হয় ‘হাইসিয়ান এক্সোপ্লানেট। সৌরজগতের বাইরে অন্যান্য নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে যেসব গ্রহ আবর্তিত হচ্ছে সেগুলোকে বলা হয় এক্সোপ্লানেট। আর হাইসিয়ান কথাটি এসেছে হাইড্রোজেন এবং ওশান- এই শব্দ দুটোর সংমিশ্রণে। অর্থাৎ যেসব গ্রহে হাইড্রোজেন ও সমুদ্র আছে সেসব গ্রহকে বলা হয় হাইসিয়ান প্ল্যানেট।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হিসেব অনুসারে এখনও পর্যন্ত চার হাজারের মতো এক্সোপ্লানেটের সন্ধান পাওয়া গেছে। নাসার বিজ্ঞানী ড. অমিতাভ ঘোষ বলেন, প্রত্যেকটি সৌরমণ্ডলে প্রায় এক ট্রিলিয়ন সূর্য আছে। আর এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সৌরজগৎ আছে প্রায় এক ট্রিলিয়ন। ফলে এই মহাবিশ্বে এক ট্রিলিয়নের মতো সূর্য আছে। অংকের হিসেবে এটা লিখতে গেলে ১ লিখে তার পাশে ২৪টি শূন্য বসাতে হবে। ফলে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কতো বৃহৎ সেটা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে।

এসব সূর্যকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে আরো অগণিত গ্রহ। এগুলোকে বলা হয় এক্সোপ্লানেট। সৌরজগতের বাইরের এসব গ্রহ সম্পর্কে এখনও খুব বেশি কিছু জানা সম্ভব হয়নি। হাবল টেলিস্কোপ দিয়ে কিছু কিছু এক্সোপ্লানেট শুধু দেখা যায়। কোনো গ্রহ যখন সূর্যের সামনে দিয়ে যায় তখনই সেগুলোর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায়। এসব গ্রহ কতো দূরে অবস্থান করছে সেটাও জানা যায়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানে এধরনের গ্রহ নিয়ে ১৯৯০’র দশক থেকে গবেষণা শুরু হয়েছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের খোঁজ পাওয়া এসব গ্রহ হচ্ছে হাইসিয়ান প্লানেট অর্থাৎ এসব গ্রহ সমুদ্র দিয়ে পরিবেষ্টিত এবং সেখানকার বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেনের উপস্থিতি রয়েছে।

যেহেতু এসব গ্রহে সমুদ্র আছে সেকারণে সেখানে জীবনের সম্ভাবনা আছে কীনা তা নিয়ে সম্ভাবনা দেখা গেছে। মহাকাশ বিজ্ঞানী অমিতাভ ঘোষ বলেন, জীবনের জন্য পানির প্রয়োজন, পানি ছাড়া জীবন হয় না এটা একটা হাইপোথেসিস। কিন্তু এই হাইপোথেসিস ভুলও হতে পারে। কারণ আমরা একটা জীবনের বাইরে অন্য কোনো জীবন দেখিনি।

যেহেতু এসব গ্রহে পানি আছে, সেখানে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ আছে। অর্থাৎ যদি জীবন থাকে সেটা বাঁচতে পারবে মারা যাবে না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সমুদ্রের তলদেশে যেখানে সূর্যের আলো গিয়ে পৌঁছায় না সেখানেও জীবনের অস্তিত্ব আছে। সেখানে ফটো-সিনথেটিক জীবনের উপযোগী পরিবেশ নেই। কিন্তু আরেক রকমের জীবন থাকতে পারে যারা রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে জীবনের শক্তি অর্জন করতে পারে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের আবিষ্কৃত বেশিরভাগ গ্রহই আকারে পৃথিবীর চেয়ে বড় এবং আরো বেশি উষ্ণ। এই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এসব গ্রহের কোনো কোনোটির একপাশে স্থায়ীভাবে অন্ধকার। সেখানে কখনো দিন হয় না। কিন্তু অন্যপাশে স্থায়ীভাবে আলোকিত। অর্থাৎ গ্রহটির ওই অংশে কখনো রাত হয় না। এর পেছনে কারণ হচ্ছে- পৃথিবী যেমন নিজেই নিজের চারদিকে ঘোরে এসব গ্রহ সেরকম ঘোরে না।

কিন্তু এই দুটো অংশ বাদে যে অংশটি ছায়া, অর্থাৎ যেখানে আলো এবং অন্ধকার দুটোই আছে সেখানে জীবনের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কারণ এগুলো তাদের যে নক্ষত্রের চার পাশে আবর্তিত হয় তার খুব কাছাকাছি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আবিষ্কারের ফলে মহাকাশের অন্যত্রও যে জীবন থাকতে পারে সেবিষয়ে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

এর আগে সৌরজগতের বাইরে আরো যেসব গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে সেগুলোতে হাইড্রোজেন-সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডলে চাপ এবং তাপমাত্রা খুব বেশি বলে ধারণা করা হয়। ফলে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা কঠিন। কিন্তু সম্প্রতি যেসব গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে, বিজ্ঞানীরা বলছেন সেগুলোতে যে ধরনের পরিবেশ রয়েছে সেটা জীবনের উপযোগী।

Categories
বিশ্ব

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত ফের বেড়েছে, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

বৈশ্বিক মহামারি করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় এর আগের দিনের তুলনায় বিশ্বে শনাক্ত ও আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যু উভয়ই বেড়েছে। এর মাঝে পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি অবনতি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৮ হাজার ২৪১ জন। এর মাঝে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে ২২৮৬ জনের। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৪ জনের।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাসে পাঁচ হাজার ৯১০ জনের মৃত্যু হয় এবং করোনা শনাক্ত হয় তিন লাখ ৭৩ হাজার ১৭৫ জনের।

১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ লাখ ৫২ হাজার ২৬৯ জনে। এ সময়ে বিশ্বব্যাপী শনাক্ত হয়েছেন ২২ কোটি ৬০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৩৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৭৮ জন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে চার কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৪২ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ ৮০ হাজার ২৭৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন তিন কোটি ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮৫ জন।

সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ৩২ লাখ ৮৮ হাজার ২১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন চার লাখ ৪৩ হাজার ২৪৭ জন।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা দুই কোটি ১০ লাখ ৬ হাজার ৪২৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ লাখ ৮৭ হাজার ১৩৮ জন।

সংক্রমণের তালিকায় এর পরের স্থানগুলোতে রয়েছে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইরান, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন, ইতালি।

সংক্রমণের তালিকায় এখন বাংলাদেশের অবস্থান ২৮ নম্বরে। এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৬ হাজার ৯৭২ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৩৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

সংক্রমণ চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ইউরোপের কিছু দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশগুলোতে চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়। এর বিপরীতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে ভারতসহ এশিয়ার কিছু দেশে। তবে ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশের অবস্থা আবারও খারাপ হচ্ছে।

এরই মধ্যে অব্যাহতভাবে টিকাদান চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশ। কোনো কোনো দেশ টিকার বুস্টার ডোজ এবং শিশুদেরও টিকা দেওয়া শুরু করেছে।