Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

১৭টি চুম্বন দৃশ্যে বলিউড মাতিয়ে হারালেন সংসার

বলিউডের আবেদনময়ী আইটেম গার্লদের তালিকা করলে মল্লিকা শেরাওয়াতের নামটি আসবে প্রথম দিকেই। প্রথম ছবিতেই ১৭টি চুম্বনদৃশ্যে ঝড় তুলেছিলেন তিনি। একটা সময় হিন্দি সিনেমার গানে তার শরীরী উত্তাপে কাবু হয়েছিল দর্শকরা। তবে ক্যারিয়ারের জন্যই সংসার ভেঙেছিল মল্লিকার।

হরিয়ানার হিসারে এক সম্পন্ন জাঠ পরিবারে মল্লিকার জন্ম। রক্ষণশীল পরিবারে অনেক বিধিনিষেধের মধ্যে বড় হয়ে ওঠেন তিনি। ছোট থেকেই পরিবারে প্রচলিত নিয়মনীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি।

মল্লিকার জন্ম ১৯৭৬ সালের ২৪ অক্টোবর। জন্মগত নাম ছিল রীমা লাম্বা। কিন্তু পরে নিজের নাম পাল্টে ফেলেন। গ্রহণ করেন মামাবাড়ির পদবি, ‘শেরাওয়াত’। পরে জানিয়েছিলেন, জীবনে চলার পথে মায়ের কাছ থেকে যে সাহায্য পেয়েছেন, তার-ই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এই সিদ্ধান্ত।

২০০০-এ বিয়ে করেন মল্লিকা এবং কর্ণ সিংহ গিল। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই বিবাহিত জীবনে দমবন্ধ মনে হতে থাকে মল্লিকার। ২০০১-এ বিবাহবিচ্ছেদের পরে মডেলিংয়ে নতুন কেরিয়ার শুরু করেন মল্লিকা।

Mallika Sherawat wearing Wendell Rodricks is photographed for Paris Match on May 20, 2017 in Cannes, France.

বিজ্ঞাপনে অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করে দ্রুত জনপ্রিয়তার প্রথম সারিতে চলে আসেন মল্লিকা। এ বার তিনি ঠিক করেন বলিউডে অভিনয় করবেন।
কিন্তু প্রথমেই ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ এল না। পরিবর্তে তিনি মিউজিক ভিডিয়োয় অভিনয় করলেন। ২০০২ সালে তাকে ছোট ভূমিকায় দেখা গেল ‘জিনা সির্ফ মেরে লিয়ে’ ছবিতে। পরের বছর সুযোগ পেলেন বি গ্রেডের ছবি ‘খোয়াইশ’-এ।

‘খোয়াইশ’-এ মল্লিকার নায়ক ছিলেন হিমাংশু মালিক। এই ছবিতে মল্লিকার মোট সতেরোটি চুম্বনদৃশ্য ছিল। এক ফিল্মে এতগুলি চুম্বনদৃশ্যের রেকর্ড অন্য কোনও বলি নায়িকার নেই।

মল্লিকা যখন নিয়মিত কাজ করতেন, তখন তার কাছে নানান ধরণের কাজের প্রস্তাব আসত। তবে একবার অদ্ভুত এক প্রস্তাব আসে। যেটার কথা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন অভিনেত্রী। ‘দ্য লাভ লাভ লিভ’ নামের ওই শো’তে মল্লিকা জানান, একজন প্রযোজক তার কোমরে রুটি ছেঁকা দিতে চেয়েছিল!

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মল্লিকা জানান, একটি সিনেমার গানের জন্য ওই প্রযোজক তার কাছে আসেন। তাকে বলা হয়, গানটিতে অনেক বেশি ‘হট’ অবতারে উপস্থাপন করা হবে মল্লিকাকে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘ওটা বেশ মজার আর অরিজিনাল একটা ভাবনা ছিল তিনি আমাকে জানান ভীষণ হট একটা গান। দর্শক কীভাবে জানবে যে আপনি হট? আপনি এতোটাই হট যে আমরা আপনার কোমরে রুটি ছেঁকতে পারি।’

প্রথম ছবির পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে মল্লিকার নামের পাশে বসে যায় ‘দুঃসাহসী’ পরিচয়। তিনি অফার পেতে থাকেন হলিউড থেকেও। জ্যাকি চানের ছবি ‘দ্য মিথ’-এ তিনি রাজকুমারির ভূমিকায় অভিনয় করেন।

শোনা যায়, এই ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য অফার করা হয়েছিল ঐশ্বর্যা, বিপাশা, করিনা, লারা দত্ত-সহ অন্য নায়িকাদেরও। কিন্তু নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করতে কেউ রাজি হননি। ফলে শেষ অবধি ছবিতে দেখা গিয়েছিল মল্লিকাকে।

কিন্তু অভিনেত্রীর বদলে তার পরিচয় হয়ে গিয়েছিল সাহসী আইটেম ডান্সার হিসেবেই। হলিউডেও নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পেরেছিলেন মল্লিকা। প্রায় প্রতি বছরই কান চলচ্চিত্র উৎসবে তাকে দেখা যেত। কিন্তু কোনও ইন্ডাস্ট্রিতেই মজবুত জায়গা করতে পারেননি তিনি।

ভয়েস টিভি/ডি

Categories
প্রবাসী ভিডিও সংবাদ

যেসব যোগ্যতায় মিলবে সৌদি নাগরিকত্ব

দক্ষ বিদেশি পেশাজীবীদের নাগরিকত্ব দেবে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম দেশ সৌদি আরব। ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত এক রাজকীয় ফরমানে বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ এ অনুমোদন দেন। রাজকীয় ওই ফরমানে বলা হয়েছে কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি পেশায় বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশিরাই সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এক টুইট বার্তায় সৌদি সরকার বলেছে, বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী ও উদ্ভাবকদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্য হলো, সৌদি আরবকে একটি বৈচিত্র্যময় কেন্দ্রে পরিণত করা, যাতে আরব বিশ্ব গর্বিত হবে। এর ফলে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ‘ভিশন-২০৩০’ উচ্চাভিলাস অর্জন আরও সহায়ক হবে।

দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজী দৈনিক আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- আইন, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও প্রযুক্তির মতো বিশেষায়িত পেশায় উচ্চ দক্ষতা সম্পর্ণ বিদেশিদেরই নাগরিকত্ব দেবে সৌদি আরব। এর লক্ষ্য, দেশটিতে পেশাদারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় শীর্ষ স্তরের ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা। তবে ঠিক কবে থেকে এই ঘোষণা কার্যকর করা হবে বা নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ার বিষয়ে এখনই কিছু জানায়নি দেশটি।

সৌদি আরব সরকারের দেওয়া নতুন ঘোষণাটি কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কর্মরত পেশাদারদের ওপর কেন্দ্র করে হলেও, দেশভিত্তিক কিছু প্রবাসী এবং উপজাতিকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই ঘোষণায় ফরেনসিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রযুক্তি, কৃষি, পারমাণবিক এবং নবায়নযোগ্য শক্তি, তেল-গ্যাস ছাড়াও যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করেন তাদের কথাও বলা হয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালে এক ঘোষণায় সৌদি আরব জানায়, বেশ কয়েকটি পেশায় দক্ষদের জন্য নাগরিকত্ব আইন শিথিল করা হবে। ওই বছর দেশটির শুরা কাউন্সিল বিদেশিদের জন্য রেসিডেন্ট পারমিট দেওয়ার বিধান রেখে একটি আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছিল। এর দুই বছরের মাথায় এবার বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

আরও পড়ুন : মুসলমান ছাড়া সব ধর্মের লোকদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

হীরের পাউডারে তৈরি সাবানে গোসল করেন এই সংগীত শিল্পী

হলিউডের ড্রিম গার্ল তিনি ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য্যে অতুলনীয়। জেলো নামেই তার সবচেয়ে তারকা খ্যাতি। এই গুণী শিল্পীর জন্মদিন ১৯৬৯ সালের ২৪ জুলাই এ আমেরিকার নিউইয়র্কে জন্ম তার। তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় জেলো।

জেনিফার লোপেজকে কে না চেনেন! একই সঙ্গে তিনি একজন মার্কিন অভিনেত্রী, সংগীত শিল্পী, বিনোদন তারকা, উদ্যোক্তা ও প্রযোজক। সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামে ভীষণ সক্রিয় জেনিফার৷ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অবতারে তাঁকে দেখা যায় সোশ্যাল পেজে। এখনও বোল্ড ফটোশ্যুটে ভীষণ সাবলীল জেনিফার লোপেজ।

তাকে নিয়ে সবারই কৌতূহল তুঙ্গে। এর কারণ হলো তার ফিটনেস রহস্য। জানলে অবাক হবেন, এই সংগীত শিল্পীর বয়স ৫২ বছর। তবে তিনি যেন দেখতে এখনও চির যৌবনা। তার ফিটনেস দেখে অবাক পুরো বিশ্ব। এই বয়সেও তাঁর শরীরী বিভঙ্গনে শাধরাতে পারে যে কোনও পুরুষের মনে। ইন্টারনেট জুড়ে সবারই প্রশ্ন ‘জেনিফার লোপেজ কীভাবে ধরে রেখেছেন তার ফিটনেস?’

কীভাবে এই অসাধ্য সাধন? গানের জাদুমন্ত্রে কি-থেমে গিয়েছে মার্কিনি তারকার বয়স? জেনিফার লোপেজের এই ফিট থাকার রহস্য ভাবায় প্রায় সব অনুরাগীকেই। কী করে জেনিফার এতখানি তারুণ্য ধরে রেখেছেন?
জেনিফার লোপেজ কী দিয়ে স্নান করে জানেন! ত্বক তরতাজা রাখতে তিনি হীরের পাউডার দিয়ে তৈরি সাবানে স্নান করেন। এক মার্কিন ওয়েবসাইটে দেয়া সাক্ষাত্কারে জেলো যা জানিয়েছেন তার সারমর্ম হল তিনি হীরের পাউডার দিয়ে তৈরি সাবানে গাঘষেন। সেই সাবান তৈরি করে অস্ট্রেলিয়ার এক কোম্পানি। আর এই হীরের পাউডার দিয়ে সাবান মেখেই জেনিফারের ত্বক এত মসৃণ হয়েছে বলে জানান ‘ফিমেলফার্স্ট’ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদক।

লাতিন আমেরিকায় বেড়ে ওঠা মেয়ের অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি ছাড়া সেখানেই শুরু পথচলা। ১৯৮৬ সালে ‘মাই লিটল গার্ল’ সিনেমায় ছোট্ট চরিত্রে অভিনয় করার পরে আরও অনেক পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তবে ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সেলেনা’ ছবি তাকে এনে দেয় যশ ও খ্যাতি। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা যায় তাকে। তারপর অভিনেত্রীর গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও একস্বপ্ন পূরণের দিকে পাড়ি। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম অ্যালবাম “অন দ্য সিক্স”। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন পপ তারকা।

২০১৫ সালে একটি মুভির ক্লিপিং ভীষণ ভাইরাল হয় যেই মুভিটি পরবর্তীতে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয় সেন্সর বোর্ডের তরফ থেকে। একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে ছবিটি নির্মিত হয়েছিলো যেখানে নগ্ননতর্কীদেরকে দেখা যায় তাদের বিত্তবান ক্লায়েন্টদের সঙ্গে এবং নিষিদ্ধ ড্রাগের ব্যবহারও দেখানো হয়েছিলো। ওই মুভিতেও জেনিফার লোপেজ দক্ষতার সঙ্গে অভিনয়ও করেছিলেন।

সম্প্রতি ক্যামেরার সামনে নগ্ন ফটো শুট করে নেট দুনিয়ায় ঝড় তুললেন জেনিফার লোপেজ। এই মার্কিন অভিনেত্রী এবং জনপ্রিয় পপ তারকা নিজের নতুন সিংগেল এর বার্তা দেওয়ার জন্যই নগ্ন শুট করলেন। শুধু মাত্র ফটোশুট নয়, সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি যেখানে তার নগ্ন শরীর নানান ফ্রেমে ধরা পড়েছে ক্যামেরার সামনে।

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
জাতীয় শিক্ষাঙ্গন

যেখানে বিদ্যার দ্যুতির সঙ্গে সুবাস ছড়াচ্ছে বাহারি ফুল

‌‌‘উৎকর্ষ সাধনে অদম্য’ স্লোগানকে সামনে রেখে ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেশব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কলেজটি শিক্ষার আলোকবর্তিকা হাতে যেমন দ্যুতি ছড়াচ্ছে তেমনি কলেজের প্রাণ প্রকৃতিও সহজে হৃদয় কাড়ে। ইট পাথরের শহরে যেখানে সবুজ প্রকৃতি তেমন চোখেই পড়ে না সেখানে ৫৫ একরের বিশাল ক্যাম্পাসটি যেন সবুজের চাদরে মোড়ানো।

আকাশচুম্বী ইউক্যালিপটাস আর সারি সারি শাল বৃক্ষ যেমন ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে তেমনি এখানে রয়েছে নানা জাতের বিরল কিছু ফুলের সমাহার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মিত ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হাউসে গেলে যে কারো চোখ জুড়িয়ে যাবে ফুলের অকৃত্তিম সৌন্দর্যে। হাউসের সামনের খেলার মাঠের পূর্ব পাশের প্রবেশ পথেই আপনাকে অভ্যার্থনা জানাবে নানা জাতের ফুল। শহীদুল্লাহ হাউসের এই ফুলের বাগানটি সযত্নে গড়ে তুলেছেন সেখানকার হাউস টিউটর ও বাংলা বিভাগের প্রভাষক তারেক আহমেদ। প্রতিবেদন ও ছবি সোহাগ ফেরদৌস

শহীদুল্লাহ হাউসের প্রবেশ পথ ধরে একটু সামনে আগালেই অনেক পরিচিত-অপরিচিত ফুল আপনাকে স্বাগত জানাবে। তবে এর মধ্যে সবুজ পাতার ফাঁকে ফুটে থাকা সাদা রঙের শ্বেতকাঞ্চনে আপনার চোখ আটকে যাবে। মনে করা হয় এরা মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশে এসেছে।

সচরাচর আমরা সাদা কাঠ গোলাপ দেখতে পাই। এর সৌন্দর্য ও ঘ্রাণ আমাদের বিমোহিত করে। তবে শহীদুল্লাহ হাউসের সামনে রয়েছে লাল রঙা কাঠ গোলাপ। যার সৌন্দর্য আপনাকে বিমোহিত করবে।

শহীদুল্লাহ হাউসের সামনে ফুটে থাকা হরেক ফুলের মাঝে গোলাপি রঙের আরেকটি ফুলে আপনার দৃষ্টি আটকে যাবে। এটি হলো গোলাপি পানামা রোজ। যার আদি নিবাস দক্ষিণ মেক্সিকো।

পাশেই দেখা যাবে আমাদের পরিচিত একটি রক্ত রাঙা ফুল। এর নাম জবা।

হাউসের পশ্চিম পাশে দেখা যাবে স্থল পদ্ম। নামের সঙ্গে পদ্ম শব্দটি যুক্ত থাকলেও এ ফুল কিন্তু পানিতে হয় না। বরং স্থলেই ওরা জন্মে এবং বেড়ে ওঠে। সচরাচর আমরা হালকা গোলাপি রঙের স্থল পদ্ম দেখলেও এটি হালকা হলুদ বর্ণের। এটি থাইল্যান্ডের জাত হওয়ায় থাই স্থল পদ্ম নামে পরিচিত।

 

এর পাশেই দেখা মিলবে রেড পানামা রোজের। পানামা রোজ সাধারণত গোলাপি হলেও এই লাল রঙের জাতটি বিরল।

হাউসের পূর্ব পাশেই দেখা মিলবে এই হলুদ কলাবতী ফুলের।

হাউসের প্রবেশ পথে হলুদ কাঞ্চনও আপনাকে মুগ্ধ করবে।

বেগুনি রঙের এই ফুলটির নাম গ্রাউন্ড অর্কিড। বাহারী এই ফুলটি ফুটেছে হাউসের পূর্ব দেয়াল সংলগ্ন একটু আড়ালেই। কারণ এ ফুল ভেজা মাটিতে এবং একটু ছায়ায় জন্মে।

কমলাভ লাল বা লালাভ কমলা রঙের ফুলগুলি থোকায় থোকায় ফুটে আছে হাউসের পাশেই। এর নাম হ্যামেলিয়া। এর লম্বা গলা ফুলগুলি হামিংবার্ডের খুব পছন্দের। ফুলের মুখের কাছে উড়ন্ত অবস্থায় তারা মধু খায়। হাউসের পাশের এ ফুলগুলোতেও দেখা গেল লাল পিঁপড়ার দল।

দারুণ সুন্দর ফুল জারবেরা। শহীদুল্লাহ হাউসের কুঞ্জের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বাড়িয়েছে লাল রঙা ফুলটি। জার্মান পরিবেশবিদ ট্রাগোট জরবার প্রথম এই ফুলের গণটির অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন বলে তার নামানুসারেই ফুলটির এরকম নামকরণ হয়েছে।

গন্ধরাজ ফুলের সৌন্দর্য ও সুবাস আমাদের পরিচিত। তবে কখনো হলুদ গন্ধরাজ দেখেছেন? হাউসের পশ্চিম পাশের কুঞ্জে ফুটেছে মিষ্টি গন্ধ যুক্ত এই হলুদ গন্ধরাজ।

সবুজ পত্রপল্লবে ঠাসা, কাঁটাময় কাণ্ডে ফুটে থাকা ফুলটি রোজ ক্যাকটাস। পেরেস্কিয়া প্রজাতির ফুলটি রয়েছে হাউসের ঠিক সামনেই।

হাউসের পেছনের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন লতানো একটি সুন্দর গাছে আপনার দৃষ্টি আটকে যেত বাধ্য। এর নাম ঘোড়া চাবুক। গাছটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো, মঞ্জরীপত্রসহ সুশৃঙ্খল ভাবে বড়ো হওয়া এর পুষ্পদণ্ড। মঞ্জরীপত্রগুলি পুষ্পদণ্ডের এমন ভাবেই বিন্যস্ত থাকে যে দেখলে মনে হবে, কেউ যেন সুন্দর করে বিনুনি বেঁধে দিয়েছে।

শহীদুল্লাহ হাউসের যত্নে গড়া ফুল বাগানে আরেকটি ফুলের সৌন্দর্য আপনাকে আকর্ষিত করবে। এটি মেস্তা জবা।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
সারাদেশ

বিশ্ব কাঁপানো সুন্দরী ক্যান্ডিস সোয়ানপয়েল

ক্যান্ডিস সোয়ানপয়েল একজন দক্ষিণ আফ্রিকান মডেল এবং সমাজসেবী। মডেল হিসেবে জগৎ জোড়া খ্যাতি তার। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট ফ্যাশন শো’র এক পরিচিত মুখ তিনি। তিনি ফোর্বসের শীর্ষ আয়ের মডেলের তালিকায় ৮ম স্থানে ছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি রিভলভস উইমেন অফ দ্য ইয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ৫ম বার্ষিক ডেইলি ফ্রন্ট রো অ্যাওয়ার্ডে লঞ্চ অফ দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন।

 

Categories
বিনোদন

মিমির হাসিতেই ‘বাজি’ মাত!

অভিনেতা জিতের সঙ্গে তার প্রেম আর দেবীপক্ষ। মিলেমিশে এক পর্দা থেকে বাস্তব। পূজার শুরুতেই ‘বাজি’মাত মিমি চক্রবর্তীর। পঞ্চমীতে মুক্তি পাওয়া নতুন ছবি ‘বাজি’ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ‘গানের ওপারে’-র ‘পুপে’।

সমস্ত চরিত্রের মোড়ক সরিয়ে ষষ্ঠী থেকেই তিনি শুধুমাত্র মিমি। ঘরের মেয়ে, বন্ধুবান্ধবের কাছের মানুষ। সময় কাটছে আবাসনের পূজায়, মা দুর্গার আরাধনায় মেতে। মহাসপ্তমীর সাজে হালকা নীল শাড়ি এবং লাল ব্লাউজ। মা দুর্গার বেদীর সামনেই বসে ছবি তুলেছেন। সোনার গয়না, লাল টিপ, উজ্জ্বল হাসিতে ঝলমলে তারকা-সাংসদ।

সবুজ হাতকাটা ব্লাউজ আর দক্ষিণী সিল্ক শাড়িতে মিমির মহাষ্টমী। তার যোগ্য সঙ্গতে দক্ষিণী ধাঁচের সোনার গয়না। কপালে লাল টিপ। টানটান খোঁপা সাজে এনেছে আলাদা মাত্রা। প্রতিবেশী, আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি থেকে শুরু করে অঞ্জলি সর্বত্রই মিমির হাসিমুখ। যেন আলো হয়ে উঠল গোটা আবাসন।

নবমীর দিনও মণ্ডপের ছবি দিয়েছেন মিমি। প্রতিমার সামনে পঞ্চপ্রদীপ জ্বলছে। তবে অষ্টমীর মতো স্পষ্ট নয় সে ছবি। যেন পুজো শেষ হয়ে আসতেই তার ছবিও খানিক ম্লান, খানিক ঝাপসা। সাজে যদিও কোনও আপস নেই। খয়েরি রঙা হাতকাটা ব্লাউজ এবং শাড়িতে লেন্সবন্দি করেছেন মণ্ডপের বিভিন্ন মুহূর্ত। কোথাও রূপটান শিল্পীর সঙ্গে জমিয়ে আ়ড্ডা। কোথাও বা ঢাকের বাদ্যি। সবই ধরা রইল ক্যামেরার চোখে।

অরিন্দম শীলের ছবি ‘খেলা যখন’-এর কাজ শেষ হয়েছে পূজার আগেই। তার পর মৈনাক ভৌমিকের ‘মিনি’ ছবির কাজ শুরু করেছেন মিমি। শোনা যাচ্ছে, পর্দায় ফের একসঙ্গে দেখা যাবে মিমি এবং অঙ্কুশ হাজরাকে। ছবি নিয়ে অবশ্য স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি এখনও।

পূজায় যেটুকু সময় পেয়েছেন, লুটেপুটে নিয়েছেন সবটুকু আনন্দ। যেন একলপ্তে সারা বছরের অবসর কাটিয়ে নেওয়া। পুজো শেষ হলেই পর পর ছবির কাজ। অভিনেত্রী সাংসদ ডুবে যাবেন ব্যস্ততায়।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয়

আগাামী মাস পর্যন্ত পেঁয়াজের বাজার নাজুক থাকার আশঙ্কা

দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর মতো আড়াই থেকে তিন-চার মাসের  পেঁয়াজ মজুত থাকা সত্ত্বেও আগামী এক মাস পেঁয়াজের বাজার নাজুক থাকার শঙ্কা।

আজ সোমবার ১১ অক্টোবর দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সভা শেষ করে সাংবাদিকদের কাছে এ শঙ্কার কথা জানান বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের বাজারে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ শতকরা ৮০ ভাগ রয়েছে, বাকি ২০ ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করে আনা। পেঁয়াজ মূলত ভারত থেকে বেশি আমদানি করি আমরা। আর কিছু আমদানি করি মিয়ানমার থেকে। এদিকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে সেখানকার বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, এর প্রভাব পড়ায় বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বাণিজ্যসচিব বলেন, ভারতের পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে এবং সেটা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে এরইমধ্যে চিঠি দিয়েছি। এনবিআরকে শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন : হিলি বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

ভোক্তাদের চাহিদা পূরণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তপন কান্তি ঘোষ বলেন, পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ আছে আমাদের কাছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর সময়টাতে পেঁয়াজ উৎপাদন তেমন হয় না। নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসবে। তার আগে একমাস হয়তো পেঁয়াজের দাম বেশি থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যেও আমাদের চেষ্টা থাকবে, যেন পেঁয়াজের মূল্য বেড়ে না যায় এবং অতি মুনাফা যাতে না হয়।

তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। যেন দ্রব্যমূল্য অতিমাত্রায় না নেয়া হয়, সেটা নজরে রাখার জন্য। পেঁয়াজের বাজার বেশি খারাপ হবে না, তবে উৎপাদন পরিস্থিতি ও ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে আগামী একমাস নাজুক অবস্থা থাকবে। তবে এর মাঝেও ভালো খবর হল, গত কয়েকদিনে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি, বাজার যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। একমাস বাড়তি দাম থাকার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের দেশে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ মজুত আছে এখনো, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস ভালোভাবে চলা যাবে। ভারত ছাড়াও মিয়ানমার থেকে যদি পেঁয়াজ আনা যায় তাহলে কিন্তু এতো প্রেসার পড়বে না। তবে এটা বলা যায়, বৃষ্টির কারণে কিছুটা দাম বেড়েছে। এরপরও আমরা দাম সহনীয় মাত্রায় রাখার চেষ্টা করছি।

ভয়েস টিভি/এমএম

Categories
বিনোদন

ভালো রান্না হলেই খেতে যাবেন জয়া!

কলকাতার সঙ্গে বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসানের যেন প্রাণের টান। কাজে-অকাজে তাই বারবার ছুটে যান কলকাতায়। গত বছর একগাল হেসে তিনি বলেছিলেন, “কলকাতা ছাড়া পূজা ভাবতেই পারি না।” এ বছরও ব্যতিক্রম নয় মোটেই। কলকাতায় পূজা দেখার পরিকল্পনায় ব্যস্ত জয়া।

পূজা নিয়ে জয়া আহসান জানান, প্রাণখুলে আড্ডা, জমিয়ে খাওয়া দাওয়া আর দেদার ঘুরে বেড়ানো। পেটপুজো ছাড়া বাঙালির পূজা হয় নাকি! ব্যতিক্রম নন ‘বিসর্জন’-এর নায়িকা। খাওয়া দাওয়ায় কড়াকড়ি না-পসন্দ। আগাগোড়াই খাদ্যরসিক বাংলাদেশের এ নায়িকা। পূজার ক’দিন তাই যেমন-খুশি-খাও। আর শেষ পাতে মনের মতো মিষ্টি ছাড়া কবেই বা পূজার ভোজ জমেছে!

পূজায় জয়ার প্রিয় খাবার কী, এমন প্রশ্নে হেসে কুটিপাটি জয়া। বললেন, “আমার সব খাবারই ভালো লাগে। যে দিন যে বন্ধুর বাড়িতে ভালোমন্দ রান্না হবে, সে দিন সেখানে চলে যাব।”

আনন্দবাজারকে অভিনেত্রী বলেন, “পূজায় আমি শাড়ি পরতেই বেশি পছন্দ করি। কিন্তু কাজকর্মের সুবিধার্থে অনেক সময়ে কুর্তিও পরি। এ বার নীল রঙের উপর জারদৌসি কাজ করা কুর্তা পরব। সঙ্গে শারারা ধাঁচের প্যান্ট।”

শাড়ি নিয়ে বাছবিচার করেন না জয়া। ভালোবাসেন সব কিছুই। কিন্তু বাংলাদেশের জামদানি ছাড়াও মসলিন, চিরকালীন তাঁত রয়েছে তাঁর পছন্দের তালিকায়। পোশাক শিল্পীর ভাবনায় তৈরি হয় তন্তুজ শাড়ি। তাঁতিরা দীর্ঘ সময় ধরে শাড়ি বোনেন জয়ার জন্যই। সেই সব শাড়ি ঘিরেই জয়ার যত আবেগ, আর অফুরান ভালবাসা।

জয়ার আফসোস, “আমি যে শাড়িগুলো পরি, কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো নকল করে আরও অনেক শাড়ি বাজারে চলে আসে। তার পর সেই শাড়িগুলোই আবার কম দামে বিক্রি হয়। এতে শিল্পের ক্ষতি হয়। লোকসান হয় তাঁতি ভাইদের।”

জয়ার শাড়ির মহিমা ছড়িয়েছে বিদেশেও। তার ভাই-বোনরাও এখন ঠিক ‘জয়া আহসানের মতো’ শাড়ি কিনছেন ডলার দিয়ে। গত অগস্টে মুক্তি পেয়েছে তার সাম্প্রতিক ছবি ‘বিনিসুতোয়’। তারপর থেকে আপাতত কলকাতাতেই বাস করেন জয়া।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

নবরূপে টলিপাড়ার লাস্যময়ী নায়িকারা (ছবি)

সারা বছরের সাজ আর পূজার শাড়ির সাজ আলাদা। শুধু পছন্দের শাড়ি পরলেই হবে না। সাড়ে বারো হাতের কাপড়ে কত ভাবে নতুনত্ব আনা যায়, তা-ও দেখতে হবে। সে বিষয়ে সব সময়েই এগিয়ে টলিপাড়ার উজ্জ্বল তারকারা। তাদের সারা বছরের সাজই এ বার পুজোয় জোগাক অনুপ্রেরণা। এক শাড়িতেই হোক বাজিমাত।

শুরু হোক কালো দিয়ে। পুজোর সময়ে এমন শাড়ি বাড়ির বড়দের না পসন্দ। কিন্তু সুন্দরী তনয়ার অতি প্রিয় এই রঙেও যে উৎসবের গন্ধ আসতে পারে, নিজের সাজে দেখালেন মিমি চক্রবর্তী। এমনই একটি সাজের ছবি দেখিয়ে লিখলেন, ‘পূজা পূজা ভাব’। অনুরাগীরাও শিখলেন, এক রঙা কালো সিল্ককে দিব্যি পূজার শাড়ি বানিয়ে ফেলা যায় শুধু সোনার চওড়া নেকলেসের ছোঁয়ায়!

উৎসবের সময়ে বাঙালি বাড়িতে আরও একটি রঙে আপত্তি ওঠে। সাদা। কিন্তু সেই সাদা শাড়িই সোনালি আধুনিক কায়দার ব্লাউজের সঙ্গে হয়ে উঠতে পারে নবমী-সন্ধ্যার চমক। সঙ্গে উঁচু করে বাঁধা খোঁপা আর বড় একটু দুলের যে কী আবেদন, তা তো দেখিয়েই দিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত স্বয়ং।

বাকি বছর সিঁথিতে রং না থাকলেও বহু বঙ্গ ললনার মাথায় দশমীর দিন লালের আভা দেখা যায়। তাতে যে সাজ মাঠে মারা যায় না, সে কথা প্রতি পুজোয় সযত্নে মনে করান অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। কালো চশমা, ভেলভেটের ব্লাউজ আনতে পারে সিঁদুর-গোলাপ-জমকালো গয়নার সাবেক বেশে আধুনিক মোড়।

ব্যাঙ্কের লকারে রাখা গয়না এ সময়ে বাড়িতে আসে। তার সদ্ব্যবহার করার উপায় শিখে নেওয়া যায় এমন কোনও সাজ দেখেই। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের কাঞ্জিভরম শাড়ি নিয়ে নতুন করে আর কী বা বলা যায়। কিন্তু পুজোর দিনে চেনা কাঞ্জিভরমকে যে কত বেশি জমকালো করে তোলা যেতে পারে, তা দেখালেন অভিনেত্রী।

ভারী শাড়ি মানেই ভারী গয়না চাই? কোয়েল মল্লিক বলবেন, এমন সরল সমীকরণের কোনও প্রয়োজন নেই। নিজে যেমন গয়নায় স্বচ্ছন্দ, তেমনই উঠুক গায়ে। চওড়া সোনালি পা়ড়ের শাড়ির মাধুর্য তাতে বরং বাড়েই।

ঝলমলে শাড়ির কাছে নিজের চেহারার জেল্লা যেন ফিকে না লাগে। কী ভাবে এমন হবে? শিখিয়ে দেবে নুসরত জাহানের সাজ। ছিমছাম সাজে বিশ্বাসী এই টলি-কন্যার শাড়ির চমক আর ত্বকের ঔজ্জ্বল্য মিলেমিশে যেন একাকার। অলঙ্কার নানা রকম হয়। তবে সুন্দরীদের হাসির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে কি?

উজ্জ্বল সাজ মানেই অতিরক্ত রং নয়। রাইমা সেন সে কথা জানেন। সাজসজ্জায় আভিজাত্যের ঔজ্জ্বল্য কেমন হয়, দেখিয়ে দিচ্ছে রাইমার হাল্কা লিপস্টিক, মুক্তোর মালা আর ফিকে গোলাপি শাড়ির মেলবন্ধন।

 

বাঙালি মেয়েরা নানা ধরনের শাড়ি পছন্দ করেন ঠিকই। তবে তার সঙ্গের গয়না, ব্যাগ, ব্লাউজ কোনও কিছুরই গুরুত্ব নেহাত কম নয়। চেনা লাল শাড়ি যে হয়ে উঠতে পারে ব্যক্তিত্বের পরিচয়, তা বলে দেয় পরনের গয়না। রুপোর আংটি আর ঝুমকো দুলে দেখিয়ে দিলেন সোহিনী সরকার।

বিয়ের বেনারসি কত বারই বা গায়ে ওঠে? তবে তা-ও হয়ে উঠতে পারে পুজোর সাজের অঙ্গ। শুধু মানানসই আধুনিক কায়দার একটি ব্লাউজই যথেষ্ট। খালি গলা, হাতও খালি আর গায়ে ঝলমলে বেনারসি। চিরাচরিতের সঙ্গে যেন আধুনিকের বন্ধুত্ব স্থাপন করছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সাজ। কপালের লাল টিপ, খোঁপার লাল গোলাপ বলছে এ সাজে অনেক যত্ন আছে।

সব গয়না হার মানতে পারে গোলাপের কাছে, শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে যায় যদি মাথায় গোঁজা ফুলের রং। কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিল্কের সাজএমনই বলছে। আর বলছে আরও একটি কথা। তা হল, সাবেক শাড়ির সাজে নিত্য নতুন চমক আনা একটি শিল্প। এ পূজার নিজের অন্দরের শিল্পীকে বার করে আনা যায় শাড়ির ব্যবহারেই।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

শরতের বৃষ্টিতে উষ্ণতা ছড়ালেন মধুমিতা (ছবি)

ঝুম বৃষ্টি, কালো মেঘে ঢেকেছে আকাশ। বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে নিচ্ছেন বৃষ্টির ফোঁটা। সস্প্রতি এভাবেই ফোটোশ্যুট করে শরতের বৃষ্টিতে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন অভিনেত্রী।

বাইরে বাড়ছে বৃষ্টির তোড়, ঘরের ভিতরে তখন সেজে উঠছেন মধুর চাউনির কন্যে। গায়ে জড়ালেন পোশাক শিল্পী সন্দীপ জয়সওয়ালের বেছে দেয়া সবুজ রঙের শাড়ি। তার পাড় বরাবর সোনালি ফুলের কাজ।

এই শাড়ির সঙ্গে মধুমিতা পরেছেন ঘিয়ে রঙা হাতাকাটা ব্লাউজ। এক ঢাল খোলা চুলে ঢেকেছে পিঠ। কপালে ছোট্ট টিপ আর কানে ঝুমকো পরেই ফের বারান্দার দিকে ছুট। আনমনে খানিক ক্ষণ বৃষ্টি দেখলেন ‘পর্দা পারের’ মেয়ে।

শাড়ি তো হল। পূজায় সব ধরনের পোশাক নিয়েই পরীক্ষানিরীক্ষা করবেন ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’র পাখি। নাকি ‘কুসুমদোলা’র ইমন? সবুজ পেরিয়ে তার মন তখন হলদে রঙা ঘাগরা-চোলিতে।

ভি-কাটের চোলির সঙ্গে সুতোর কাজ করা বাহারি ঘাগরা। সঙ্গে হাতে একগুচ্ছ সোনালি বালা গলিয়ে নিলেন মধুমিতা। গলায় ভারী হার।

উজ্ব্বল রঙে সেজে উঠে মধুমিতা ছুটলেন এক আলো-আঁধারি ঘরের দিকে। নিজেই বুঝি হয়ে উঠবেন সব আলোর উৎস। পোশাকের হলুদ তত ক্ষণে মিলেমিশে গিয়েছে তার সোনারং ত্বকে।

নতুন ছবি করছেন মধুমিতা। অনেকখানি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন ইতোমধ্যেই। থাকছেন কড়া ডায়েটে। অর্থাৎ মাপ বুঝে নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া। কিন্তু সাজগোজ? তার তো কোনও কড়াকড়ি নেই! হাল্কা রঙের ঘাগরা-চোলি থেকে তাই মন ঘুরল জমকালো লহেঙ্গার দিকে।

এই মধুমিতা একেবারে অন্য রকম। যেন রূপকথার পাতা থেকে উঠে আসা রাজকন্যে। গাঢ় নীল রঙা বাহারি লহেঙ্গায় রাজকীয় মেজাজ। শরীর ঢেকেছে গয়নায়।

মাথায় ভারী টিকলি, গলায় কুন্দন হার, নাকে নথ, একগুচ্ছ চুড়ি  এমন সাজে মধুমিতাকে সচরাচর দেখা যায় না। অচেনা রূপেই অনন্যা অভিনেত্রী।

দূর্গা পূজার সাজে থাকবে না লাল শাড়ি? তা আবার হয় নাকি! রাজকীয় বেশ ছেড়ে ভারী কাজের লাল শাড়িতে নিমেষে নিখাদ বঙ্গনারী মধুমিতা।

লাল জমির শাড়িতে সোনালি সুতোর কাজ। গাঢ় কাজল-রেখায় মোহময়ী চোখ। খোঁপায় লাল ফুল। কপালে লাল টিপ আর গা-ভরা সোনালি গয়নায় ঝলমলে তারকা-কন্যা।

লাল জমির শাড়িতে সোনালি সুতোর কাজ। গাঢ় কাজল-রেখায় মোহময়ী চোখ। খোঁপায় লাল ফুল। কপালে লাল টিপ আর গা-ভরা সোনালি গয়নায় ঝলমলে তারকা-কন্যা।

ভয়েস টিভি/এসএফ