Categories
জাতীয়

পুকুরে মুক্তা চাষ করে সফল উদ্যোক্তা

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পাচুপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকা জগদাস গ্রামের উদ্যোমী যুবক কবির হোসেন পুকুরে ঝিনুকে মুক্তা চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি মুক্তা চাষ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পুরো জেলা জুড়ে।

এই উদ্যোক্তকে এলাকাবাসী প্রথমে পাগল হিসেবে আখ্যায়িত করলেও পরে তার এই সাফল্য দেখে ঝিনুকে মুক্তা চাষে আগ্রাহী হচ্ছেন অনেক বেকার যুবক। মুক্তা চাষে ঝুঁকি কম এবং একই সঙ্গে লাভজনক। মুক্তা চাষে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা।
কবির হোসেন ফ্রি-লান্সার হিসেবে কাজ করতেন। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তিনি কাজ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। বাড়িতে বসে অলস দিনযাপন করছিলেন। এ সময় ইউটিউবে ঝিনুকে মুক্তা চাষের একটা সাফল্যময় গল্প দেখে তিনিও উৎসাহিত হন। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে জগদাস গ্রামেই একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষের পাশাপাশি ঝিনুকে মুক্তা চাষের প্রকল্প হাতে নেন।

তার এই পুকুরে গিয়ে দেখা যায় পুকুরের পানিতে তিন ফুট পর-পর ভাসছে ফাঁকা প্লাস্টিকের বোতল। সেখানে পানির এক ফুট নিচে রয়েছে একটি করে প্লাস্টিকের ডালা। সে সব ডালার প্রতিটিতে রয়েছে ২০টি করে জীবন্ত ঝিনুক। এভাবে তিনি ওই পুকুরে প্রায় ৮ হাজার ঝিনুক বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাষ করছেন। ঝিনুকের মধ্যে প্রতিটিতে কমপক্ষে দু’টি করে বিভিন্ন ডিজাইনে নিউক্লিয়াস প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। একটি নির্দ্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে এসব ঝিনুক থেকেই উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের মুক্তা।

কবির হোসেন জানান- এই ৮ হাজার ঝিনুকের মধ্যে বিভিন্ন ডিজাইনের প্রায় ১৫ হাজার নিউক্লিয়াস প্রতিস্থাপন করেছে। প্রায় এক বছরে এসব ঝিনুক থেকে পাওয়া যাবে কমপক্ষে ১৫ হাজার মুক্তা। পুকুর লিজ, ঝিনুক সংগ্রহ, পরিচর্যা, নিউক্লিয়াস ক্রয় ও সংস্থাপন ইত্যাদি বাবদ মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এই এক বছরে ওই ঝিনুক থেকে উৎপাািদত মুক্তা ২২ থেকে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। ইতোমধ্যে ঝিনুক সংগ্রহের সময় হয়ে গেছে। এসব মুক্তার বাজার রয়েছে ভারতের কলকাতায় এবং বাংলাদেশে আড়ং নামের একটি প্রতিষ্ঠানে।

কবিরের সাফল্য দেখে তার সাথে মুক্তা চাষে যোগ দেন গ্রামের আরও ২০ বেকার যুবক। ইতোমধ্যেই গ্রামটি এখন মুক্তা চাষির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

জগদাস গ্রামের আবু বাশার ও মানিক নামের দুই উদ্যোক্তা জানিয়েছেন- কবিরের সাফল্য তাদেরও মুক্তা চাষের দিকে আকৃষ্ট করেছে। ইতোমধ্যে ওই দুই যুবকসহ গ্রামের প্রায় ২০ বেকার যুবক ঝিনুকে মুক্তা চাষের ছ্টো-ছোট প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তারাও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

এদিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. আমিমুল এহসান বলেছে- ইতোমধ্যেই নওগাঁয় মুক্তাচাষের সম্ভবনা উজ্জল হয়ে উঠেছে। ব্যপকভাবে সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। মুক্তা চাষে ঝুঁকি কম ও লাভজনক। মানসম্মত মুক্তা চাষ করতে পারলে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব। তাই মানসম্মত মুক্তা চাষে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার কথা জানালেন এই মৎস্য কর্মকর্তা।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয়

ড্রাগন চাষে নাছিমার স্বপ্ন পূরণ

সুস্বাদু দামি ড্রাগন ফল এখন চাষ হচ্ছে কুমিল্লার চান্দিনায়। অল্প সময়ে অল্প পুঁজিতে ড্রাগন ফল চাষ করে বেকার যুবকদের কোটিপতি হওয়ার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। মিষ্টি ও টক-মিষ্টি স্বাদের ড্রাগনে স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং প্রসাধনী গুণ থাকায় দিনদিন কুমিল্লায় এর চাহিদা বাড়ছে। কুমিল্লার মাটি ও আবহাওয়া এর অনুকূলে হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়েছে এ ক্যাকটাস প্রজাতীয় ফলের।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার গেলেই কাদুটির চাঁদসার গ্রামে গেলেই চোখ পড়ে নাছিমা বেগমের ড্রাগন বাগান। দূর থেকে দেখলে মনে হয় স্ব-যতেœ ক্যাকটাস লাগিয়েছে কেউ। একটু পাশে যেতেই চোখ ধাঁধিয়ে যাবে অন্য রকম দেখতে এক লাল ফলে। প্রতিটি গাছে রয়েছে ফুল, মুকুল এবং পাকা ড্রাগন। ২০১৯ সালে নাছিমা বেগম এ বাগানের সূচনা করেন। মাত্র ১০টি চারা দিয়ে। যেখানে এখন পায় ৫ হাজার গাছ রয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে গাছের চারা। সেই সঙ্গে সপ্তাহে ড্রাগন ফল বিক্রি হচ্ছে ২/৩ মণ। যা বাজারে পাইকারী কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে। আর প্রতিটি চারা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। তার এই চারা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাচ্ছে।

কুমিল্লা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ দেশের আবহাওয়া লাল, হলুদ এবং সাদা ড্রাগন ফল চাষের জন্য বেশ উপযোগী। এটি লতানো কাটাযুক্ত গাছ, যদিও এর কোনো পাতা নেই। গাছ দেখতে অনেকটা সবুজ ক্যাকটাসের মতো। ড্রাগন গাছে শুধুমাত্র রাতে স্বপরাগায়িত ফুল ফোটে। ফুল লম্বাটে সাদা ও হলুদ রঙয়ের হয়। তবে মাছি, মৌমাছি ও পোকা-মাকড় পরাগায়ন ত্বরান্বিত করে। এ গাছকে ওপরের দিকে ধরে রাখার জন্য সিমেন্টের/বাঁশের খুঁটির সঙ্গে ওপরের দিকে তুলে দেয়া হয়।
ড্রাগনের চারা বা কাটিং রোপণের ১০ থেকে ১৫ মাসের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। এপ্রিল-মে মাসে ফুল আসে আর শেষ হয় নভেম্বর মাসে। ফুল আসার ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। নভেম্বর মাস পর্যন্ত ফুল ফোটা এবং ফল ধরা অব্যাহত থাকে। এক একটি ফলের ওজন ২৫০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। একটি পূর্ণাঙ্গ গাছ থেকে ১শ’ থেকে ১৩০টি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে একটি গাছ হতে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

ড্রাগন চাষি নাছিমা বেগম বলেন, নাটোর থেকে মাত্র ১০টি চারা দিয়ে ড্রাগন চাষাবাদ শুরু করি। গত বছর মাত্র ২১ শতাংশ জমিতে বিক্রি হয়েছিল দুই লাখ টাকা। আর এ বছর ৮০ শতাংশ জমিতে ড্রাগনের চাষাবাদ করেছি। ড্রাগন চাষ করে আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এ বছর আশা করছি ৫ লাখ টাকার ফল বিক্রি হবে। প্রতিদিন এলাকার অনেক কৌতুহলী মানুষ আসে বাগান দেখতে। অনেকেই চারা কিনছেন, চাষাবাদও করছেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ড্রাগন ফল কুমিল্লার আবহাওয়া এবং মাটি এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কুমিল্লায় বাউ-১, বাউ-২ জাতের ড্রাগনের চাষ হচ্ছে। ড্রাগন গাছে একটানা ৬/৭ মাস ফল পাওয়া যায়। এর বাজার মূল্য বেশি এবং অধিক পুষ্টি সমৃদ্ধ হওয়ায় কুমিল্লায় চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এ ফল চোখকে সুস্থ রাখে, শরীরের চর্বি কমায়, রক্তের কোলেস্টেরল কমায়, উচ্চ রক্তচাপ কমানোসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্থানীয় বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে এ ফল চাষে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

টাইটানিকের রেপ্লিকা বানাচ্ছে চীন

১৯১২ সালে ‘দ্য আনসিংকেবল’ বা কোনোদিন ডুববে না, দাবি করা জাহাজ টাইটানিক তার প্রথম যাত্রায়ই আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে বরফপিন্ডের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে গিয়েছিল। আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তিতে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ভেবে নির্মিত জাহাজটি ডুবে যাওয়ায় সেদিন ১৫০০ এরও বেশি যাত্রীর নির্মম মৃত্যু ঘটে।

এরপর থেকে টাইটানিকের করুণ পরিণতির গল্প হয়ে উঠেছে এক কিংবদন্তী। আর এর জন্য হলিউড চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস ক্যামেরনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ না দিলেই নয়। কারণ ক্যামেরনই টাইটানিক ট্র্যাজেডি অবলম্বনে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও-কেট উইন্সলেট জুটিকে নিয়ে ১৯৯৭ সালে ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘টাইটানিক’ নির্মাণ করেন।

অন্যদের মতো, চীনা বিনিয়োগকারী সু সাওজুনও খুব সম্ভবত টাইটানিক জাহাজ এবং ক্যামেরনের টাইটানিক চলচ্চিত্রের বিরাট ভক্ত। আর সে কারণেই বেশ কয়েক বছর আগে সু ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তিনি টাইটানিকের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এই দুর্ভাগা জাহাজের বিশাল বড় এক রেপ্লিকা নির্মাণ করবেন। সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্র জানায়, সে সময় সু বলেছিলেন ‘আমরা টাইটানিককে নিয়ে একটা জাদুঘর বানাচ্ছি।’

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে অবস্থিত ‘রোমানডিসিয়া থিম পার্ক’ এর মূল আকর্ষণ হবে ২৬০ মিটার লম্বা এই জাহাজটি। খুব শীঘ্রই পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। ২০০০ ইউয়ানের বিনিময়ে দর্শনার্থীরা এই জাহাজে রাত্রি যাপন করতে পারবেন।

সু জানিয়েছেন, তার বানানো রেপ্লিকা টাইটানিকের স্টিম ইঞ্জিন ফাংশনের কারণে যাত্রীদের মনে হবে যে তারা আসলেই সমুদ্রের মধ্যে রয়েছে। যদিও তার এই জাহাজ সমুদ্রে চলাচলের যোগ্য নয় বলে এটিকে নদীতীরেই থামিয়ে রাখা হবে। মজার বিষয় হলো এই যে, এই রেপ্লিকা জাহাজের দরজার হাতল থেকে ধরে কেবিনের নকশা পর্যন্ত আসল টাইটানিকের আদলে করা হয়েছে। সেই সাথে বিনোদন পার্কের ট্যুর বাসগুলোতেও বাজতে থাকবে সেলিন ডিওনের গাওয়া বিখ্যাত গান ‘মাই হার্ট উইল গো অন’।

রোমানডিসিয়া পার্কে টাইটানিকের পূর্ণাঙ্গ রেপ্লিকাটি চীনের অ্যামিউজমেন্ট পার্ক শিল্পে একটি বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অ্যামিউজমেন্ট পার্ক খাতে বিশ্বে চীনের অবস্থান সবার ওপরে। ২০১৮ সালে এইসিওএম চায়না থিম পার্ক পাইপলাইন রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছিল যে ২০২০ সালে চীন ২৩০ মিলিয়ন পরিদর্শককে পার্কগুলোয় স্বাগতম জানাবে এবং টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ১২ মিলিয়ন ডলার আয় হবে।

কিন্তু মহামারির কারণে এই খাতের ব্যবসা ধীর হয়ে যায়, কারণ চীনা নাগরিকদের এখনো দেশের বাইরে ভ্রমণের অনুমতি খুবই সীমিত।

তবে এর আগে কেউ কেউ টাইটানিকের রেপ্লিকা বানানোর এ প্রকল্পটির সমালোচনা করেছেন। এত বড় একটি দুর্ঘটনাকে অ্যামিউজমেন্ট পার্কে রূপদানকে ‘অসংবেদনশীল’ বলে উল্লেখ করেছেন। ২০১৭ সালে চীনা বিনিয়োগকারী যখন ব্রিটিশ টাইটানিক সোসাইটিতে এসে তার পরিকল্পনার কথা জানা, তখনও কিছু সদস্য একে ‘খারাপ পছন্দ’ বলে অভিহিত করেন।

সোসাইটির সদস্য ডেভিড স্কট-বেডার্ড বলেন, ‘সু আমাদের কথা দিয়েছিলেন যে এসব বিষয় সাবধানতার সঙ্গেই নজর রাখা হবে। জাহাজটি পুরোপুরি বানানো হয়ে গেলে বোঝা যাবে যে তারা আসল জাহাজের নির্মাণশৈলীকে কতটা অনুকরণ করতে পেরেছে। টাইটানিক নিয়ে যাদের আগ্রহ, তাদের সামনে টাইটানিক ও নিহতদের স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখারও একটি উপায় হবে এটি’।

সু’র জাহাজ নির্মাণ শুরু হয়েছিল ছয় বছর আগে। ২০১৯ সালে শেষ হবার কথা থাকলেও জাহাজটির নির্মাণ কাজ এখনো চলছে। পাঁচ মিলিয়নের মতো দর্শনার্থী থিম পার্কে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে এর বাড়তি ব্যয় বেড়েছে ১ বিলিয়ন ইউয়ান (১৫৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার)। সু বলেন, ‘আমি মনে করি এই জাহাজ এখানে আগামী ১০০/২০০ বছর টিকে থাকবে’।

তবে এএফপি সূত্র জানায়, কারো কারো মতে, এই জাহাজটিও ২০০৮ সালে ইউএসএস এন্টারপ্রাইজের বানানো রেপ্লিকার মত চালু হবার কিছুদিন পরেই পরিত্যক্ত হবে।

অস্ট্রেলিয়ান বিলিওনিয়ার ক্লাইভ পালমারও ২০১২ সাল থেকে টাইটানিক-২ বানানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই জাহাজটি সমুদ্রে চলার উপযোগী করেই বানানোর কথা রয়েছে। ২০১৬ সালে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও এখন জাহাজটির নির্মাণ কাজ ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
সারাদেশ

সুন্দরবনে বাঘের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে জীবন নিয়ে ফিরলেন জেলে

মোংলার সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় বাঘের কামড় ও থাবা খেয়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন জেলে আবু সালেহ আকন (৪৫)। বাঘের আক্রমণে শরীরে ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সালেহ।

এদিকে বাঘের আক্রমণের মুখ থেকে জীবন নিয়ে ফিরে আসা ওই জেলেকে দেখতে হাসপাতালে উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন। এতে বেকায়দায় পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বাঘের আক্রমণের শিকার জেলে আবু সালেহ আকন ও প্রত্যক্ষদর্শী সঙ্গী মো. হানিফ জানান, রোববার সকাল ৭টার দিকে তারা সুন্দরবনের জিউধরা এলাকার শুয়ারমারা খালে চরপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি বাঘ হঠাৎ পেছন দিক দিয়ে আক্রমণ করে সালেহের উপর। বাঘের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সালেহ খালে লাফিয়ে পড়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে বাঘটি সেখান থেকে বনের গহীনে চলে যায়।

এসময়ে বাঘটি সালেহর ডান হাতে একটি কামড় ও বাম হাতে, বাম ঘাড়ে ও পিঠে ৬টি থাবা দিয়ে আচড়ে জখম করে।

পরে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকা সালেহের সঙ্গী হানিফ ও সালেহের চাচাতো ভাই আসাদুল সরদার তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফয়সাল হোসেন স্বর্ণ বলেন, সালেহের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ৭টি কামড়, থাবা ও আঁচড়ের ক্ষত রয়েছে। তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় ইউপি মেম্বর (সংরক্ষিত) মাসুমা বেগম বলেন, সালেহ একজন পেশাদার জেলে, তার বাবাও জেলে ছিলেন। বনবিভাগের কাছ থেকে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে চরপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বাঘের আক্রমণের শিকার হন সালেহ।

সালেহ খুব সাহসী হওয়ায় বাঘের সাথে ধস্তাধস্তি করে প্রাণে বেঁচে এসেছেন বলে জানান তিনি।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয়

স্ত্রীর মা হওয়ার আবেদনে যাবজ্জীবনের আসামিকে প্যারোলে মুক্তি!

স্বামী জেলে, কিন্তু মা হতে চান স্ত্রী। মাতৃত্বের অধিকার চেয়ে ভারতের জোধপুর হাইকোর্টে আবেদন করেন ওই নারী। তার আবেদনে সাড়া দিয়ে স্বামীকে শর্ত সাপেক্ষে (প্যারোলে) ১৫ দিনের জন্য মুক্তি দিয়েছেন আদালত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদন করা নারীকে গর্ভধারণের সুযোগ দিতে তার স্বামী নন্দলালকে (৩৪) মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জোধপুর হাইকোর্ট।

আদালত রায়ের সময় বিচারক সন্দীপ মেহতা রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘গর্ভধারণের সুযোগ পাওয়া ওই নারীর অধিকার। এই অধিকার থেকে কোনো নারীকে আইন বঞ্চিত করতে পারে না।’

আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে,’তার স্ত্রীর জীবনে স্বামীর জেলে থাকার প্রভাব পড়েছে। কিন্তু রেখা তো কোনও দোষ করেননি। তাই তার দাবি গ্রহণযোগ্য।’

একটি খুনের মামলায় নন্দলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই নন্দলাল। রায়ের পর বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন।

বংশ বিস্তার ও সংরক্ষণ ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় দর্শনের মধ্যে পড়ে, তাই এর আইনগত বিষয়টিও নজরে আছে বলে জানান আদালত।

নন্দলালকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে হিন্দু শাস্ত্র, বিশেষ করে ঋগ্বেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আদালত। ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের প্রসঙ্গও টানা হয়।

এর আগে ২০ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন নন্দলাল। ভাল আচরণের পাশাপাশি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আত্মসমর্পণ করায় সন্তুষ্টি জানিয়ে তখন প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিলেন আদালত।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

টুইটারের হেডকোয়ার্টারকে আশ্রয়কেন্দ্র বানাতে চান ইলন মাস্ক

করোনা মহামারিতে টানা দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে টুইটারের হেডকোয়ার্টার। খালি পড়ে থাকায় হেডকোয়ার্টারটিকে গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তরের প্রস্তাব দেন টেসলা ও স্পেসএক্স সিইও ইলন মাস্ক। স্থানীয় সমং ১১ এপ্রিল তার সেই বক্তব্যকে সমর্থন জানান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসও।

বেশ কয়েক বছর ধরেই মহাকাশ ভ্রমণ ব্যবসায় জড়িত মাস্ক ও বেজোসের মধ্যে চলছে জোর প্রতিযোগিতা। অবশেষে, সামাজিক মাধ্যমে একটি মহৎ উদ্দেশ্যে সম্মত হলেন এই দুই বিলিয়নিয়ার।

ইলন মাস্ক একটি পোলে টুইট করেন, “টুইটারের হেডকোয়ার্টারে যেহেতু কেউ যাচ্ছে না, সেহেতু ভবনটিকে গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করা উচিত।”

সেই টুইটের প্রতিক্রিয়ায় বেজোস লিখেন, “পুরো ভবনটি না হলেও, অন্তত এর এটির একটি অংশকে আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করুন।”

তিনি আরও বলেন, সিয়াটলে অ্যামাজনের অফিসে এরকমই একটি উদ্যোগ নেওয়ার পর সেটি বেশ ভালোভাবেই কাজ করেছে। এমনকি, অনেক কর্মীদের উপকারেও এসেছে তা।
বেজোসের এই পরামর্শকে সমর্থন জানিয়ে মাস্ক আরেকটি টুইটে এটিকে একটি ‘দারুণ উদ্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন।

সিয়াটলে অ্যামাজনের ৬৩ হাজার বর্গফুটের আটতলা ভবনটি প্রতি রাতে ২০০ জন এবং প্রতি বছর ১ হাজারেরও বেশি পরিবারকে জায়গা দিতে সক্ষম।

গিক ওয়্যার অনুযায়ী, প্রাইভেট এন্ট্রান্স এবং অ্যাকোস্টিক্যাল আইসোলেশনের মাধ্যমে অ্যামাজনের অফিস থেকে আশ্রয়কেন্দ্রটি আলাদা করা হয়েছে।

ফোর্বসের সাম্প্রতিক তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ২৮২ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে বেজোসের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৮৩.৬ বিলিয়ন ডলার।

২০২১ সালে টেসলার সিইও ইলন মাস্ক টুইটারে বেজোসের খোলাখুলি সমালোচনা করেন। স্পেসএক্সের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্যই বেজোস অবসর নিয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

২.৯ বিলিয়ন ডলারের মুন ল্যান্ডার প্রোগ্রামের জন্য স্পেসএক্সকে নির্বাচন করায় নাসার বিরুদ্ধে মামলা করে বেজোস মালিকানাধীন মহাকাশ সংস্থা ব্লু অরিজিন।
মামলার পরে, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের চুক্তি আটকে রাখে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

১২ দিনেই হাজার কোটি টাকা আয় করেছে আরআরআর!

বিশ্ব বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআরের বহুল আলোচিত অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘আরআরআর’। মুক্তির মাত্র ১২ দিনে সিনেমাটির বক্স অফিস সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৯৩৫ কোটি রুপি। যা বাংলাদেশি টাকায় ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেলেগু বক্স অফিসে ১২তম দিনে সিনেমাটির সংগ্রহ ৫ কোটি রুপি। আর মোট সংগ্রহ ৩৫৩ কোটি রুপির বেশি (গ্রস) এবং নেট ২৪০ কোটি রুপি।

তামিল ভার্সন ১২ দিনে সংগ্রহ করেছে ৬৫ কোটি রুপি (গ্রস) এবং কন্নড় ভার্সন ১২ দিনে সংগ্রহ করেছে ৭৫ কোটি রুপি (গ্রস)।

বিশ্ব বক্স অফিসে এক হাজার কোটির ক্লাবে প্রবেশের পথে ‘আরআরআর’। এর জন্য দরকার মাত্র ৬৫ কোটি রুপি। এ সিনেমার হিন্দি ভার্সন ২০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশের পথে।

‘আরআরআর’ সিনেমায় দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার রাম চরণের নায়িকা আলিয়া ভাট। সিনেমাটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন এস এস রাজামৌলি। এই সিনেমায় দেখা মিলেছে জুনিয়র এনটিআর ও অজয় দেবগনের।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রী পারনি নানির বরাতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন, রাম চরণ, জুনিয়র এনটিআর, আলিয়া ভাট, অজয় দেবগনের পারিশ্রমিক বাদে সিনেমাটির বাজেট ৩৩৬ কোটি রুপি। সব মলিয়ে সিনেমাটির বাজেট ৪০০ কোটি রুপির বেশি।

‘আরআরআর’ সিনেমার গল্পে দেখানো হয়েছে, ভারতের স্বাধীনতা যোদ্ধা আল্লুরি সিতারামারাজু এবং কমরাম ভীমকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, যাঁরা ব্রিটিশ রাজবংশ এবং হায়দরাবাদের নিজামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব

প্রাণীদের গোঁফ কি কোনো কাজে লাগে?

বিড়াল, কুকুর, ইঁদুরের মতো অনেক প্রাণীরই হুইস্কার বা গোঁফ থাকে। এই হুইস্কারগুলো প্রাণীদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে সহায়তা করে। সেনসর হিসেবে ব্যবহৃত সংবেদনশীল এসব গোঁফ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কম্পনও বুঝতে পারে।

অন্ধকারে কিংবা বিপদ ঘনিয়ে আসতে থাকলে অবজেক্ট এবং বায়ু স্রোত বুঝতে প্রাণীরা হুইস্কারের ব্যবহার ঘটায়।

আবার ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ভিন্ন উদ্দেশ্যে গোঁফ ফুলিয়ে থাকে! যেমন- সীল এবং শ্রু-রা শিকার ধরতে তাদের গোঁফ ব্যবহার করে থাকে। ইঁদুর অত্যন্ত দ্রুততার সাথে গোঁফ নাড়াতে পারে এবং আশেপাশের পরিবেশকে স্ক্যান করে মাথায় একটি চিত্র (মেন্টাল ম্যাপ) দাঁড় করিয়ে নেয়। বিড়ালদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার আরও মজার। ছোট পরিসরের কোনো স্থানে আটতে পারবে কিনা তা নির্ণয়ে অনেক সময় গোঁফের ব্যবহার করে বিড়ালেরা।

সামাজিক ক্রিয়াকর্ম বোঝাতেও হুইস্কারের প্রয়োগ হয়। যেমন- ভয় প্রকাশের সময় কুকুরদের গোঁফ ফুঁসে ওঠে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
জাতীয়

দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ চাল উদ্ধার হলো পাবলিক টয়লেট থেকে

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পাবলিক টয়লেট থেকে দরিদ্রের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চালের ৭টি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। ৪ এপ্রিল সোমবার দুপুরে উপজেলার পূর্ব চান্দরা রেললাইন রমেশের টেক এলাকার মন্দিরের পাশে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের পাবলিক টয়লেট থেকে এসব চাল উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য সরকারি গোডাউন থেকে উত্তোলন কৃত চাল বেশি দামে স্থানীয় ডিলার একজন দোকানদারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এমন সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে এই চাল উদ্ধার করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, উপজেলা খাদ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত এসব চাল খাদ্য উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ জানান, সরকারি বরাদ্দকৃত ১০ টাকা কেজি দরে চাল লুকিয়ে রেখেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব চাল উদ্ধার করে উপেজলা খাদ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা কে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন

গ্রামি জিতলেন পাকিস্তানি কন্যা আরুজ

সংগীত দুনিয়ার সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার গ্র্যামি। এবারের আসরের বিজয়ী পাকিস্তানি গায়িকা আরুজ আফতাব। তার গাওয়া ‘মহব্বত’ গানের জন্যই ‘গ্লোবাল পারফরম্যান্স বিভাগে’ সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিলেন আরুজ। তিনি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা।

২০০৫ সালে পাকিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন আরুজ। সংগীত নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন বার্কলি কলেজ অফ মিউজিকে। ২০১৪ সালে মুক্তি পায় তার প্রথম গানের অ্যালবাম ‘বার্ড আন্ডার ওয়াটার’। প্রথম অ্যালবাম থেকেই নজরে পড়েছিলেন আরুজ। এমনকী, তার প্রথম অ্যালবাম চার্ট বাস্টারেও বেশ কিছুদিন জায়গা করে নিয়েছিল। আরুজ গজল এবং শাস্ত্রীয় সংগীতে পারদর্শী।

তবে যে গানের জন্য গ্র্যামি পেলেন আরুজ, সেই ‘মহব্বত’ গানটি গোটা বিশ্বের সংগীত প্রেমীদের মুগ্ধ করেছিল। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সামার প্লে লিস্টের তালিকাতেও ছিল আরুজের এই গান।

সেরা নতুন শিল্পী বিভাগে আরুজ আফতাবের সঙ্গে মনোনয়ন পেয়েছিলেন অলিভিয়া রদ্রিগো, ফিনিয়াস, দ্য কিড লারোই এবং জিমি অ্যালেন। ১৯৯৬ সালে বেস্ট ট্র্যাডিশনাল ফোক অ্যালবাম ও বেস্ট ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যালবামের জন্য গ্র্যামিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন উস্তাদ নুসরত ফতেহ আলি খান।

ভয়েস টিভি/এসএফ