Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

কে এই খুদে তুমুল জনপ্রিয় মিষ্টি কন্যা?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যারা ব্যবহার করেন। নিশ্চয়ই খুদে এই মেয়েটির ছবি কখনও না কখনও নিজের হোম পেইজে দেখেছেন!

নেট দুনিয়ার অত্যন্ত পরিচিত মিষ্টি মুখের মেয়েটি। অনেকেই তার ছবি দেখে কাল্পনিক বা ফটোশপ ভেবেও ভুল করেন।

বাস্তবে কেউ এতো সুন্দর হয়! ঠিক যেন ছবির মতো মেয়েটির মুখ। অনেকেই হয়তো জানেন না নেটমাধ্যমের পরিচিত এই মুখ কার কিংবা কী তার পরিচয়?

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হাসির কন্যা- তকমা পাওয়া মেয়েটির নাম অনাহিতা হাশেমজাদেহ। নীল চোখ, উজ্জ্বল ত্বক, মাথায় কোকড়া চুল ও গালে টোল পড়া এই কন্যার দিকে তাকালেই যেন চোখ ফেরানো দায়।

তার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও আপনি ইন্টারনেটে ঢুকলেই দেখতে পাবেন। তার যে কোনো ছবি বা ভিডিও মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

মিষ্টি কন্যা অনাহিতার জন্ম ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি। সে ইরানের নাগরিক। তার পরিবার মধ্য ইরানের বাসিন্দা। ইরানের ইস্পাহান শহরে বেড়ে উঠেছে অনাহিতা।

অনাহিতার বয়স এখন ৫ বছর। মাত্র ৩ বছর বয়স থেকেই নেটমাধ্যমের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে সে। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ারের সংখ্যা জানলে আপনি চমকে উঠবেন।

এক লাখ ৮০ হাজার ফলোয়ার আছে তার অ্যাকাউন্টে। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৯০০টি ছবি ও ভিডিও সেখানে পোস্ট করেছে অনাহিতা।

যদিও অনাহিতার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কারও বেশি কিছু জানা নেই। ইনস্টাগ্রামে তার মা-বাবার ছবিও খুব বেশি নেই। তবে অনাহিতা নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট চালান তার মা।

২০১৮ সালের জুন মাসে অনাহিতার মা মেয়ের নামে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খোলেন। তারপর থেকেই তা ক্রমশ জনপ্রিয়তার শিখরে চড়তে শুরু করেছে।

অনাহিতার যেসব ছবি নেটমাধ্যমে পোস্ট করা হয় তার সবই ফটোগ্রাফারদের তোলা। এ কারণে ছবিগুলো সবারই নজর কাড়ে। এতে অনাহিতার পরিচিতিও বেড়েছে।

ইনস্টাগ্রামে তার পরিচয় ‘বেবি মডেল’। বিভিন্ন ধরনের পোশাক পরে, বিভিন্ন গানের সঙ্গে নেচেই ৫ বছর বয়সে জনপ্রিয়তার শিখরে উত্তীর্ণ হয়েছে সে। তার মিষ্টি হাসি সবার মন ভরিয়ে দেয়।

তার নীল চোখ, বাদামি কোকড়া চুল ও উজ্জ্বল গালের টোল দেখে সবাই মুগ্ধ হয়। তাকে অনেকেই বলিউডের প্রীতি জিন্তার সঙ্গে তুলনা করেন। প্রীতিও না কি ছেলেবেলায় অনাহিতার মতোই দেখতে ছিলেন!

ভয়েসটিভি/এএস

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

এবার ইয়োহানির নতুন গান ‘ইতিন আদারে’ শুরু হয়েছে নতুন ঝড়

উপমহাদেশে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া হয়তো মুশকিল হবে, যারা শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানির ‘মানিকে মাগে হিতে’ গানটি শোনেননি। ভাষা যাই হোক না কেন, গানের সুর-তাল-লয়ের প্রতি মানুষের দুর্বলতা আজন্ম।

ভাষা বুঝতে পারলে উপভোগের মাত্রা পায় ভিন্নতা। শ্রীলঙ্কার শিল্পি ইয়োহানির ‘মানিকে মাগেহিতে’ শিরোনামের একটি গান গেয়ে দুনিয়া মাতিয়ে এখন আলোচিত একটি নাম । মাস দুয়েক আগে ভাইরাল এই গানটি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্ব তারকা হয়ে ওঠেন ২৮ বছর বয়সী শিল্পি ইয়োহানি।

এরই মধ্যে ইয়োহানির গাওয়া ‘ইতিন আদারে’ শিরোনামের আরও একটি গান বেশ সারা ফেলেছে। নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করেছেন তিনি। গানটির মিউজিক ভিডিওতে রয়েছেন ইয়োহানি। নতুন এক লুকে দেখা গেছে তাকে ।

গেলো ৯ অক্টোবর রিলিজ দেয়া গাণটি ইতিমধ্যে ১ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে । হু হু করে বাড়ছে গানটির ভিউ। গানটির মিউজিক ভিডিওতে ইংলিশ সাবটাইটেলও দেয়া রয়েছে। সিংহলি ভাষার এই গানটিও যে বাংলা ভাষাভাষির মানুষ শুনছেন তা বোঝা যাচ্ছে ইউটিবের মন্তব্যের ঘরে। বাংলায় লিখে একজন কমেন্ট করেছেন, বুঝলাম না কিছু, কিন্তু ভালই লাগল শুনতে।

সম্প্রতি বলিউড সিনেমায়ও গান গেয়েছেন শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি সিলভা। । এরই মাঝে হাজির হয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঞ্চালনায় রিয়েলিটি শো বিগ বস-এর ১৫তম সিজনের মঞ্চে।

সেখানেই মজা করে সালমানকে গাইতে শেখালেন `মানিকে মাগে হিতে গানটি। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ইয়োহানির বাবা একজন আর্মি অফিসার এবং মা একজন বিমানবালা। তার ছোট বোনও রয়েছে ।

Categories
সারাদেশ

সবচেয়ে খাটো মানব সম্প্রদায় পিগমিই আফ্রিকার আদিম জাতি

পৃথিবীর দুর্গম অঞ্চলগুলোতে কিছু উপজাতি আছে যারা তথাকথিত সভ্যতার আলোয় আসতে পারেনি। নানা জাতি বর্ণ ও সংস্কৃতির মিশ্রণে গড়ে ওঠা আফ্রিকা মহাদেশের তেমনি এক মানব সম্প্রদায় পিগমি। “পিগমি” জাতি হলো এমনই এক জনগোষ্ঠী এবং তাদের স্বতন্ত্র পরিচয়ও আছে। আফ্রিকার এই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী পৃথিবীর সবচেয়ে খাটো মানব সম্প্রদায় হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। একই সাথে আফ্রিকা অঞ্চলের আদিমতম জাতিগোষ্ঠীও তারাই।

শিকারের অভাব বন নিধন এবং যুদ্ধভিত্তিক সহিংসতায় পিগমি সভ্যতার অনেকটাই বিলুপ্ত হয়েছে। তবে এখনো প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করে কঙ্গোর গভীর বনাঞ্চলে কিছু পিগমি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। সভ্য সমাজের কাছে পিগমিরা সাধারণত নিম্নস্তরের মানব বা বন মানুষ হিসাবে পরিচিত। জঙ্গলে বসবাস করা পৃথিবীর সবচেয়ে খাটো মানব সম্প্রদায় পিগমিদের সম্পর্কে জানব আজকে আমাদের এই পর্বে।

পিগমি শব্দটি এসেছে গ্রিক থেকে যার অর্থ কনুই পর্যন্ত। সাধারনত ছোট যেকোনো কিছু বোঝাতে গ্রীক ভাষায় পিগমি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। খর্ব দেহাকৃতি এদের অন্য উপজাতি থেকে আলাদা করেছে। এদের গড় উচ্চতা ৪ ফুট ১১ইঞ্চি। ১১ বছরের পর এদের উচ্চতা আর বাড়েনা। গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলে খাপ খাওয়ানোর জন্য এদের গড় উচ্চতা এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তবে আফ্রিকার এই বামুন গোত্রর মানুষ জানে না বাইরের মানুষ তাদেরকে পিগমি নামে ডাকে। এমনকি তারা পিগমি শব্দটির সাথে পরিচিত নয়।

কঙ্গো, ক্যামেরুনের জঙ্গলে পিগমিদের কয়েকটি উপজাতি বাস করে। এ ছাড়া ফিলিপাইন, আন্দামান দ্বীপে ও পাপুয়া নিউগিনিতে কিছু পিগমি উপজাতি বসবাস রয়েছে। বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে জীবিত পিগমি মানবদের সংখ্যা মাত্র এক লক্ষের কম। তাদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মুগতি প্রজাতির পিগমি কঙ্গোর জঙ্গলে বাস করে। পিগমিরা স্বভাবত প্রতিহিংসা পরায়ণ নয়, যুদ্ধ শব্দটি তাদের অভিধানে নেই। তারা কখনো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয় না। প্রার্থনা, আনন্দ বা দুঃখ সবকিছুর তারা বিভিন্ন নাচের মাধ্যমে প্রকাশ করে। জীবনের প্রতিটি ধাপ তারা নাচ ও ধোল বাদ্যের সাথে তারা অভিবাদন করে নেয়।

পিগমি যাযাবর জাতি। তারা বনভূমিতে দলগত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। এবং স্বল্প সময়ের জন্য অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করে। পিগমিরা সাধারণত বুনোফল ও মধু সংগ্রহ করে জীবন ধারণ করে। এছাড়া চতুষ্পদ যে কোন প্রাণী তারা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

প্রতিটি পিগমি দলের দলপ্রধান সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। পিগমি জীবিকার একটি অন্যতম অংশ হলো শিকার। দল প্রধান প্রতিটি স্বীকারের আগে বিভিন্ন ধরনের মন্ত্র পড়ে দেবতাদের সন্তুষ্টি ও তাদের অমঙ্গল থেকে মুক্তির আশায় প্রার্থনা করেন। পিগমি নারী-পুরুষ উভয়ই পশু শিকার অত্যন্ত দক্ষ। তারা অনেক দূর থেকেই শিকারের গন্ধ পায়। এমনকি পায়ের চিহ্ন দেখে শিকারে আকার ও বয়সও বলতে সক্ষম তারা।

বৈচিত্র্যময় নাচ ও গান হল পিগমি সম্প্রদায় অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রায় যে কোন উৎসব এমনকি প্রতিটি শিকারের আগেও পরে তারা নিত্য করে। নানা রকম ঢোলের তাল শব্দের সংগীতে আয়োজিত এই নাচে শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ সবাই অংশগ্রহণ করে।

পিগমিরা অতিমাত্রায় কুসংস্কার আচ্ছন্ন। প্রতিটি দলে ওজা পদবীধারী পিগমি নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে। তাদের বিশ্বাস হলো দেবতাদের অসন্তুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন সকল কাজ তারা এড়িয়ে চলে। গবেষকদের মতে, মানব সভ্যতার প্রথম ধাপের জীবন্ত নিদর্শন হল এই সম্প্রদায়ের মানবজাতি। সভ্য সমাজের আলো না দেখা প্রতিটি ব্যক্তির জীবন যাপন ও আচার অনুষ্ঠান লক্ষ শতাব্দি পূর্বে মানব সমাজের দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেন। এত দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থেকে এই সমাজ আজ বিলুপ্তির পথে।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

প্রতিনিয়ত নিস্তেজ হয়ে আসছে পৃথিবী

পৃথিবীর উপগ্রহ থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসছে সবকিছু। গুটি গুটি পায়ে হুমকির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পৃথিবী। নানা সমস্যার পর এখন পানি সংকটের আধার নেমে আসতেছে বিশ্ব দরবারে। বিশ্লেষকরা নতুন করে আবারেও পানি সংকটের আশঙ্কা করছে।

বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা (ডব্লিউএমও) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী পানি সম্পর্কিত দুর্যোগ যেমন বন্যা এবং খরার ঝুঁকি বাড়তে শুরু করেছে। পানির সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যাও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫শ কোটির বেশি মানুষ পানি সংকটের মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা সম্প্রতি এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।

দ্য স্টেট অব ক্লাইমেট সার্ভিসেস ২০২১ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে পানির সংকট তীব্র হতে শুরু করেছে। ২০৫০ সালে এই সংকট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠবে। ফলে পানি সংকটে পড়তে পারে ৫০০ কোটির বেশি মানুষ।

ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক এবং অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে। এতে কৃষিকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে খাদ্য, মানুষের স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জিনিসে প্রভাব পড়ছে।

গত ২০ বছরে ভূপৃষ্ঠে সঞ্চিত পানির পরিমাণ আস্তে আস্তে কমে আসছে । পৃথিবীর মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পানি ব্যবহারযোগ্য। কিন্তু দিন দিন সেই পরিমাণ আরো কমতে শুরু করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে পানি সংকট এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে, খুব সহসাই ‘ডে জিরো’ বা যে দিন থেকে শুধু জরুরি প্রয়োজনে পানি সরবরাহ সম্ভব, সে দিনটি এসে যেতে পারে৷ বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হারে কমে যাচ্ছে ভূগর্ভের পানির স্তর৷

মরক্কোতে সাহারা মরুভূমির কাছে অবস্থিত ১৩টি গ্রামে প্রায় ৪০০ মানুষের বাস৷ গ্রামগুলো এতই প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত যে, সেখানকার বাসিন্দাদের পানির জন্য অনেক দূরে যেতে হয়৷ প্রতিদিন এই কাজে গড়ে অন্তত তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়৷

অনেক নদী এখন আর সমুদ্রে পৌঁছায় না৷ সেগুলোর দিক পরিবর্তিত হয়েছে, বাঁধ দেয়া হয়েছে এবং অতিমাত্রায় ব্যবহৃত হয়েছে৷ বলা হচ্ছে, যুগে যুগে বিশ্বে পানি সংকট বাড়ছে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হারে৷ এর মধ্যে পানি সংকটে সবচেয়ে বেশি এখন আফ্রিকার দেশগুলো৷ সেখানে খরার পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে৷

২০০০ সাল থেকেই পরিস্থিতি একটু একটু বদলাতে শুরু করেছে। সে সময় থেকে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো ১৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে খরা বেড়েছে ২৯ শতাংশ। খরার কারণে আফ্রিকায় বহু মানুষের মৃত্যুও হয়েছে।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

মধু চন্দ্রিমায় না গিয়ে স্বামীকে নিয়ে শুটিংয়ে ফিরলেন মাহী

বিয়ের এক মাসের মধ্যেই স্বামীকে নিয়ে নতুন নীড়ে উঠেছেন ঢাকাইয়া সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। স্বামী কামরুজ্জামান সরকার রাকিবসহ চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, উঠেছেন নতুন বাসায়। ঘরোয়া ভাবে মিলাদও পড়িয়েছেন।

নিজের মনের মতো করে নতুন বাসাটি সাজিয়েছেন নায়িকা। নতুন ফ্ল্যাটের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন স্যোসাল মিডিয়ায় ।

ঢাকার অভিজাত এলাকায় নেয়া নতুন নীড়ে উঠা নিয়ে স্বামীর ব্যবসায়ী রাকিব সরকারের প্রতি প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাহি ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমার স্বপ্নগুলো একটা একটা করে পূরণ করার জন্য আজীবনের কৃতজ্ঞতা তোমার প্রতি। আল্লাহ তোমার সব নেক মনোবাসনা পূরন করুক। দিল থেকে দোয়া তোমার জন্য, আমি করিনা, মন থেকে অটো চলে আসে।

আরও পড়ুন : ফের বিয়ে করলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা

মাহির এই পোস্টে আবার কমেন্ট করেছেন তার স্বামী রাকিব। লিখেছেন, ‘স্বপ্ন পূরণের সারথি করে পাশে রাখার জন্য শুকরিয়া।

সিনেমার আলোচিত নায়িকা মাহিয়া মাহি গেলো ১৩ সেপ্টেম্ব রাতে গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা কামরুজ্জামান রাকিব সরকারকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেন । যদিও দু জনেরই এইট দ্বিতীয় বিয়ে।

বিয়ের পর মধু চন্দ্রিমায় না গিয়ে ফিরেছেন শুটিংয়ে, চমক হিসেবে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন সদ্য বিবাহিত স্বামীকেও ।

আরও পড়ুন : পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ চিত্রনায়িকা মাহী

শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত মেধাবী নির্মাতা শামীম আহমেদ পরিচালিত বুবুজান সিনেমা তৃতীয় লটের কাজের জন্যে ১৬ সেপ্টেম্বর মাহীকে ফিরতে হয় শুটিং। বিএফডিসির শুটিং সেটে আসলেও মাহী অবশ্য কোন গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কথা বলেন নি। তবে মাহি জানিয়েছেন বুবুজান ও নর সুন্দরী সিনেমার শুটিং আগে শেষ করে যাবেন মধুচন্দ্রিমায়।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি: স্ত্রী

বিতর্কিত গায়ক মঈনুল আহসান নোবেলের সংসার ভাঙনের পথে। ‘সারেগামাপা’ থেকে উঠে আসা আলোচিত-সমালোচিত এ গায়কের সঙ্গে সংসার না করার ঘোষণা দিয়েছেন তার স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ।

৬ অক্টোবর বুধবার ফেসবুকে নোবেল এ কথা জানান। ডিভোর্সের কারণ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

এদিকে নোবেলের স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর তালাকনামা নোবেলের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সালসাবিল বলেন, ‘নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ। চরম মাদকাসক্ত, নারীনেশাসহ আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করতো; এসবের প্রমাণ আমার কাছে আছে। এসব কারণে তাকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর মেহরুবা সালসাবিলের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মঈনুল আহসান নোবেল। দুই বছর পূর্তির আগেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটলো।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকে নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনায় পড়েন ২০১৯ সালে ভারতের জি বাংলা টেলিভিশনের রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-তে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসা নোবেল।

ভয়েস টিভি/এসএফ

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বাংলাদেশ আমার নিজের দেশ : রজতাভ দত্ত

টলিউডের শক্তিমান অভিনেতা রজতাভ দত্ত অভিনয় করছেন পূজন মজুমদারের প্রিয়া রে ছবিতে, দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় এই অভিনেতা শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুরে। শুটিংয়ের ফাঁকে কথা হয় ভয়েস টেলিভিশনের সঙ্গে- জানান বাংলাদেশে নিজের ভালোলাগা নানা বিষয়ে.
বাংলাদেশকে নিজের দেশ, এখানকার মানুষকে আপন আত্মীয় এবং এদেশে বার বার আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। প্রত্যেকবার এখানে আসলে অসম্ভব ভালোলাগার কারণ নিজের বাবা-মায়ের এদেশে জন্মগ্রহণ। নতুন নতুন কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আসার সুযোগটা হারাতে চান না। এছাড়া ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে নিজের জনপ্রিয়তা বেশি বলে মনে করেন টলিউডের শক্তিমান এই অভিনেতা।

আরও পড়ুন : মীরাক্কেলে না থাকার কারণ জানালেন রজতাভ দত্ত

নিজের চেয়েও পরিবারের সদস্যরা খুব বেশি ইলিশ পছন্দ করেন, ফলে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর থেকে পরিবারকে খুব মিস করছেন তিনি। সম্ভব হলে চাঁদপুরের আসল ইলিশ নিকটাত্মীয়দের খাওয়ানোর ইচ্ছেও প্রকাশ করেন তিনি।

শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমায় একজন চেয়ারম্যানের চরিত্রে দেখা যাবে রজতাভকে- খারাপ চরিত্রকে ছাড়িয়ে নায়িকার পিতা হিসেবে থাকবেন একজন আদর্শ বাবা।

অভিনয় শিখে আসলে অনেক বেশি সময় এই অঙ্গনে থাকা যায় বলে পরামর্শ দেন ফিল্মে আসতে আগ্রহীদের, তাছাড়া এখানে থাকতে থাকতেও অভিনয় শেখা যায়, তবে একবারে না শিখতে চাইলে এখানে টিকে থাকা কষ্টকর বলে মন্তব্য করেন শক্তিমান এই অভিনেতা।
চলচ্চিত্রে না এলে চাকুরি, গান কিংবা লেখালেখি করতেন, সে অনুযায়ী ৯ জন অভিনেতা এবং অভিনেত্রীকে নিয়ে একটি ব্যান্ড দলও করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

Categories
বিশ্ব ভিডিও সংবাদ

ধারণার চেয়েও পুরোনো পেরুর মাচু পিচু

নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, পেরুর ইনকা সভ্যতার অন্যতম নির্দশন মাচু পিচু যে সময়ের বলে এত দিন জানা ছিল, তার চেয়ে অন্তত কয়েক দশক আগেই এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ১৪২০ থেকে ১৫৩০ সালের মধ্যে এই ব্যবহৃত হয়েছে বলে জেনে এসেছে মানুষ।

সংবাদ মাধ্যম সিএনএনের বরাতে জানা যায়, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথ্রোপলজির প্রফেসর রিচার্ড বার্জারের নেতৃত্বে একদল গবেষক রেডিওকার্বন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখেছেন, মাচু পিচুর নির্মাতা সম্রাট পাচেকুটি ধারণার চেয়ে আগেই ক্ষমতায় আরোহণ করেছিলেন। সম্রাট পাচেকুটি ধারণার চেয়ে আগে ক্ষমতায় আরোহণের অর্থ হলো তিনি আরো আগে বিজয়ী হয়েছেন।

আর এর মাধ্যমে ইনকা সাম্রাজ্য কীভাবে প্রাক-কলম্বিয়ান আমেরিকা সবচেয়ে বড় ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে, তা ব্যাখ্যা করা সহজ হয়। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী ধারণা করা হয়ে থাকে, মাচু পিচু ১৪৪০ কিংবা ১৪৫০ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সেখানে পাওয়া মানুষের দেহাবশেষের রেডিওকার্বন বিশ্লেষণ করে প্রফেসর বার্জারের নেতৃত্বাধীন গবেষক দলটি আরো সুনির্দিষ্ট চিত্র দেখতে পেয়েছে। ১৯১২ সালে মাচু পিচুতে পাওয়া ২৬টি মরদেহের দেহাবশেষ বিশ্লেষণ করেছে গবেষক দলটি।

প্রফেসর বার্জার বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো পরিচালিত গবেষণায় মাচু পিচুর নির্মাণ নিয়ে এবং এটি কখন ব্যবহৃত হয়েছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।’ নতুন এই গবেষণা এন্টিকিউটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। পৃথিবীর অন্যতম প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন মাচু পিচু দুই পর্বতের মাঝে অবস্থিত।

প্রায় ২০০ পাথরের কাঠামো রয়েছে সেখানে। যদিও গ্রানাইটে তৈরি দেওয়ালগুলো ভালো অবস্থায় থাকলেও ভঙ্গুর পদার্থে তৈরি ছাদগুলো অনেক আগেই নষ্ট হয়েছে।

Categories
বিনোদন ভিডিও সংবাদ

বলিউডের দর্শকপ্রিয় ১০ জুটি

বলিউডি সিনেমায় প্রেম তো অবিচ্ছেদ্য। আর সেলুলয়েড পর্দায় প্রেমের কথা এলেই মনে ভাসে সেরা কিছু জুটির কথা। প্রেমের ছবির দুর্দান্ত অনস্ক্রিন রসায়ন বললে তো জুটির কথা আসবেই। ‘দুজন কেবল দুজনার জন্য’, এমন অনুভূতি দর্শককে কেবল ম্যাচমেকিং জুটিই দিতে পারে! বলিউড সিনেমা পর্দায় সর্বকালের সেরা ১০ রোমান্টিক জুটিকে নিয়েই আজকের আয়োজন।

রাজ কাপুর-নার্গিস
আদিযুগের সাদাকালো পর্দাতেও রাজ আর নার্গিস ছিলেন দারুণ রোমান্টিক জুটি। বড়পর্দায় যৌথ আত্মপ্রকাশে জড়তার লেশমাত্র ছিল না তাদের। তবে এই রসায়ন কিন্তু শুধু পর্দাতেই আটকে ছিল না। বাইরের জগতেও তারা মজেছিলেন বেপরোয়া প্রেমে। রাজ বিবাহিত ছিলেন আগেই, তবে তাতে মোটেও আটকে থাকেনি তাদের প্রেম। বিশেষ করে ‘আওয়ারা’ (১৯৫১) ছবির পর থেকে নার্গিস মোটামুটি রাজের সাথেই কাজ করেছেন। রাজ-নার্গিসের এই দুরন্ত প্রেমের ছোঁয়া পর্দাতেও অনায়াসেই ছড়িয়ে পড়ত। ‘আগ’, ‘বারসাত’, ‘আন্দাজ’, ‘আওয়ারা’ আর ‘শ্রী ৪২০’- ও তাই কখনো ভুলতে পারেননি সিনেমাপ্রেমীরা।

গুরু দত্ত-ওয়াহিদা রেহমান
হিন্দি সিনেমার স্বর্ণযুগের কথায় গুরু দত্তের নাম এসেই পড়বে, আসবে ‘কাগজ কি ফুল’ আর ‘পিয়াসা’ ছবির নাম। আর এ ছবিগুলোর সাফল্যের মূলই ছিল গুরু আর ওয়াহিদার অসামান্য উপস্থিতি। কণ্ঠশিল্পী গীতা দত্তের সাথে পরিণয়ে আবদ্ধ হলেও পর্দার বাইরে গুরু আর ওয়াহিদার তুমুল প্রেম আটকে থাকেনি। এমনকি গীতা-গুরুর দাম্পত্যেও অবশ্যম্ভাবীভাবে বিচ্ছেদ ঘটেছিল।

দিলীপ কুমার-বৈজয়ন্তীমালা
ষাটের দশকের রোমান্টিক জুটি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন দিলীপ কুমার এবং বৈজয়ন্তীমালা। পর্দার দেবদাস-চন্দ্রমুখী এই জুটির সম্পর্ক ছিল একেবারেই পেশাদার। দক্ষিণী হলেও বৈজয়ন্তী চোস্ত হিন্দি বলতে পারতেন, এমনকি ভোজপুরিও। দিলীপ-বৈজয়ন্তীর জুটি সীমিত ছিল সেলুলয়েডেই, সায়রা বানুর সাথে সুখী জীবনই কাটিয়েছেন দিলীপ কুমার।

রাজেশ খান্না-শর্মিলা ঠাকুর
সুপারস্টার রাজেশ খান্নার গায়ে চ্যাম্পিয়নের তকমা লেগেছিল রোমান্টিক রোলের বদৌলতেই। আর পর্দার প্রেমে রাজেশের সেরা জুড়ি ছিলেন বাঙালি রূপসী শর্মিলা। ‘রূপ তেরা মাস্তানা’ ছবির আবেগঘন প্রেম কি কখনো মন থেকে হারাবার? রাজেশ-শর্মিলা জুটির দারুণ এই রসায়ন ‘আরাধনা’, ‘অমর প্রেম’, ‘দাগ’ ছাড়াও আরো অনেক ফিল্মকে করেছে স্মরণীয়।

ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী
ছেলেটি পাঞ্জাবের বরপুত্র। মেয়েটি দক্ষিণের লাস্যময়ী রানি। ব্যাস, এই তো ধমেন্দ্র-হেমা মালিনী! ধর্ম-হেমা জুটি গড়েছে ৪০টিরও বেশি ফিল্মের রেকর্ড। আর বাইরে বাইরে তো প্রেম বাড়ছিলই! হেমার রূপে জিতেন্দ্র আর সঞ্জীব কুমারও মজেছিলেন বেশ, কিন্তু জয়মাল্য পাঞ্জাবি নায়কের গলাতেই। এই ধামাকাদার রোমান্সের গোড়াপত্তন রমেশ সিপ্পির কালজয়ী কাল্ট ফিল্ম ‘শোলে’র সেটেই। আর পূর্বতন বলিউডি প্রেমকাহিনীর মতো এখানেও গোলযোগ- ধর্মেন্দ্র বিবাহিত। এদিকে তার স্ত্রী প্রকাশ কাউরও ডিভোর্সে সম্মত হননি। এই ফিল্মি জুটি পর্দার বাইরে সমাধাতে বেছে নিল ফিল্মি স্টাইল! ইসলামে দ্বিতীয় বিবাহে টেকনিক্যালি সমস্যা খাটে না বলে ১৯৭৯ সালের ২১ অগাস্ট এই জুটি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। ধর্ম’র নয়া নাম হয় দিলাওয়ার খান ও হেমার নাম হয় আয়শা। এভাবে প্রেমের তরে ধর্ম বিসর্জন ধর্ম-হেমা জুটি বিবাহবন্ধনে এক হন।

অমিতাভ বচ্চন-রেখা
নিজ যুগের প্রায় সব সেরা অভিনেত্রীর সাথেই কাজ করেছেন বলিউডের ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’অমিতাভ, তবে রেখাই ছিলেন তার সেরা রোমান্টিক জুটি। বেশ কিছু ফিল্মে একসাথে কাজ করবার পরই তাদের নিয়ে ‘গুঞ্জন’ শুরু হয়ে যায়, আর তা অমূলক ছিল না মোটেও! জশ চোপড়ার কালজয়ী রোমান্টিক ফিল্ম একেবারে অমিতাভের বাস্তব কাহিনীকেই সরাসরি পর্দায় হাজির করে। ‘সিলসিলা’ ছবিতে অমিতাভ জয়া ভাদুড়ির সাথে বিবাহিত, কিন্তু রেখার সাথে মেতেছেন তুমুল প্রেমে। বাস্তবেও ঘটনা কিন্তু তাই! আলোচিত এই ছবির পর অমিতাভ-রেখার পোস্ট ম্যারিটাল প্রেম তুমুল ঝড় বইয়ে দেয় অমিতাভের ব্যক্তিগত জীবনে। তবে শেষমেশ জয় জয়ারই হয়, ‘সিলসিলা’ ছবির পর আর কখনোই এক হয়ে কাজ করেননি অমিতাভ-রেখা জুটি। তবে, ‘সূর্যবংশম’ চলচ্চিত্রে খানিকটা ভিন্নভাবে হলেও দুজনেই যুক্ত ছিলেন। অমিতাভ এখানে ছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে, আর তাঁর বিপরীতে অভিনয় করা দক্ষিণী নায়িকার হিন্দি ডাবিংয়ের কাজটা সেরেছিলেন রেখা!

ঋষি কাপুর-নিতু সিং
শশী কাপুর আর রণধীর কাপুর, দুজনের সাথে কাজ করলেও নীতু সিংয়ের সেরা জুটি রণধীরের অনুজ ঋষির সাথেই। বলিউডের ‘লাভার বয়’ ঋষি আর নীতু একসাথে কাজ করেছেন ডজনখানেক চলচ্চিত্রে। বহু প্রযোজকের কাছে এই জুটি ছিল তখন সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত। ১৯৭৯ সালে মিডিয়াপাড়ায় তুমুল সরগরম তুলে গাঁটছড়া বাঁধেন এই জুটি। নীতুর তখন বয়স মাত্র ২১, ক্যারিয়ারের শীর্ষে অবস্থান, ফিল্মফেয়ার নমিনেশনও পেয়ে গেছেন এরই মধ্যে। কিন্তু কাপুর খান্দানের কড়া রেওয়াজ, বিয়ের পরে অভিনেত্রী-বউদের ফিল্ম থেকে ইস্তফা দিতে হবে। ঋষি-নীতুর বিয়ের সাথে সাথে নীতুরও তাই ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে।

অনিল কাপুর-মাধুরী দীক্ষিত
আশির দশকের শেষভাগ আর নব্বইয়ের দশকের বড় একটা সময়জুড়ে অনিল-মাধুরীর ‘হট কেমিস্ট্রি’তে মাতোয়ারা ছিল বলিউডের রুপালি পর্দা। আবেগঘন দৃশ্যে অনিলের সাথে মাধুরী ছিলেন সবসময়ই সাবলীল। সে সময় শ্রীদেবী আর মাধুরীর মধ্যে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এই নিয়ে, কে সেরা জুটি হচ্ছেন অনিলের। এই লড়াইয়ে একেবারে সরাসরি জয় মাধুরীর!

আমির খান-জুহি চাওলা
আমিরের প্রথম ফিল্ম ‘হোলি’, জুহির শুরু ‘সালতানাত’। তবু আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা বিশ্বাস করেন আমির-জুহির প্রথম ফিল্মই ‘কেয়ামাত সে কেয়ামাত তক্’! তুমুল আলোচিত এই ফিল্মের দারুণ সাফল্যের পর একসাথে বেশ কিছু কাজ করলেও তেমন সাফল্য পাননি এই জুটি। তবে তাদের ‘দুজন দুজনার’ অনস্ক্রিন রসায়ন নিয়ে দর্শক সবসময়ই আলোড়িত ছিলেন।

শাহরুখ খান-কাজল মুখার্জি
দর্শকের কাছে আর যাই হোক, কাজল-শাহরুখ জুটির রসায়ন নিয়ে কোনো ব্যাখ্যারই দরকার নেই! ফিল্মে কাজলের বিপরীতে শাহরুখ মানেই সুপারহিট, তাদের রেকর্ড তেমনটাই বলে। ‘বাজিগর’ থেকে ‘কাভি খুশি কাভি গম’ পর্যন্ত সব সময়ই জারি থেকেছে এই রেকর্ড। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবির কথা তো বলাই বাহুল্য! এমনকি ‘কাল হো না হো’ বা ‘ওম শান্তি ওম’ ছবিতে কাজলের গেস্ট অ্যাপেয়ারেন্স, সেগুলোও পেয়েছে সুপারহিটের খেতাব।

Categories
ভিডিও সংবাদ লাইফস্টাইল

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ১০টি পর্বতমালা!

পৃথিবীর বুকে শিল্পীর তুলির নিখুঁত ছোয়ার মত আঁকা পর্বত, নদী, সমুদ্র, পাহাড়, উপত্যকা এবং মালভূমি। কি সুন্দর করে যত্ন নিয়ে আঁকা হয়েছে। শিল্পী যেমন রঙের সাথে রঙ মিলিয়ে সাজিয়ে নেয় তেমনি। আর এই আজকের পাহাড় পর্বত গড়ে ওঠার পেছনেও তো রয়েছে বিরাট এক ইতিহাস। লক্ষ কোটি বছর পার হয়ে যায় তবেই না এমন ল্যান্ডফর্ম হয় আসলে। আসুন দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর পর্বতমালা কোনগুলো।

১. আলপামায়ো, পেরু
আল্পামায়ো পেরুর কর্ডিলেরা ব্লাঙ্কায় অবস্থিত “শুয়াতুরাজু” হিসাবেও স্বীকৃত। পাহাড়টি দেখতে অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট কারণ এটি শিখরের মধ্য দিয়ে একটি তির্যক প্রক্ষেপণ নিয়ে গঠিত। সর্বাধিক সাধারণ আরোহণের রুটটিকে “ফেরারী রুট” হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

২. মাউন্ট এভারেস্ট, নেপাল এবং চীন
মাউন্ট এভারেস্ট। নেপাল এবং চীন সীমানায় অবস্থিত, এই পর্বত আরোহণ বিশেষত চ্যালেঞ্জিং এবং বিপজ্জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়। কেবল দূর থেকে দৃষ্টিভঙ্গির জন্য প্রস্তুত থাকলে মাউন্ট এভারেস্ট স্বর্গ। তবে এখানে প্রচুর প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। একারণে মাউন্ট এভারেস্ট অঞ্চলগুলির কাছে যাওয়ার আগে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

৩. আফ্রিকার কিলিমঞ্জারো মাউন্ট
মাউন্ট কিলিমঞ্জারো একটি আগ্নেয়গিরির পাহাড় যা আফ্রিকার পর্বতমালাগুলিতে অবস্থিত। এই পর্বতটি আফ্রিকার মধ্যে সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং “কিলিমঞ্জারো” নামে খ্যাতিমান ভাবে পরিচিত। আগ্নেয়গিরির উপরের অংশগুলি জুড়ে হিমবাহ জমা হওয়ার কারণে কিলিমঞ্জারোর জন্য সৌন্দর্যটি অনন্য হয়ে উঠেছে।

৪. মন্ট ব্লাঙ্ক, ফ্রান্স
মন্ট ব্লাঙ্ক ফ্রান্সের আল্পসের পর্বতমালার মধ্য দিয়ে অবস্থিত একটি অভূতপূর্ব পর্বত। মন্ট ব্লাঙ্ক শব্দটি ইতালীয় শব্দ “মন্টে বিয়ানকো” থেকে এসেছে। যার অর্থ “হোয়াইট মাউন্টেন”। পর্বতটি এভারেস্টের পাহাড় বরাবর অবস্থিত, যেখানে মাউন্ট এভারেস্টকে মন্ট ব্ল্যাঙ্কের অভিভাবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আরও, ধূসর পাথরের উত্থানের সাথে হিমবাহের সাদা রঙের সাথে পাহাড়ের প্যানোরামিক দৃশ্যটি কেবল অকল্পনীয়।

৫. মাউন্ট অ্যাসিনিবোইন, কানাডা
মাউন্ট আসিনিবোইন কানাডার সীমান্তে অবস্থিত একটি আশ্চর্যজনক পর্বত। আসিনিবোইন মাউন্ট এমন একটি পর্বত, যার গঠন নিখুঁত। প্রায়শই পিরামিডের মতো খুব নিখুঁতভাবে গঠিত। যা এটি পৃথিবীর অন্যান্য পাহাড় থেকে অনন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৬. ট্রে সিমে দি লাভারেডো, ইতালি
ট্রে সিমে ডি লাভারেডো ইতালির সর্বাধিক সুন্দর পর্বত হিসেবে বিবেচিত এবং এটি “ড্রেই জিনেন” হিসেবেও স্বীকৃত। অতিরিক্তভাবে, তারা আল্পস অঞ্চলে সর্বাধিক স্বীকৃত এবং বিখ্যাত। ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, এই পর্বতটি সর্বোচ্চ পয়েন্টে তিনটি শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত। যা বিশ্বজুড়ে অন্য পর্বতগুলো থেকে আলাদা করে তোলেছে।

৭. ক্যাসল মাউন্টেন, কানাডা
নাম অনুসারে, ক্যাসল মাউন্টেন আক্ষরিক অর্থে কানাডায় অবস্থিত দুর্গের মতো বলে মনে হয়। শৈলপ্রাসাদের মতো দুর্গের মতো গঠন যাচাই করার জন্য কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার জন্য একটি মনের উদ্রেককারী পাহাড়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পর্বতটি মূলত আইজেনহাওয়ার টাওয়ারের সম্মানের অংশ হিসেবে বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে “মাউন্ট আইজেনহাওয়ার” হিসেবে স্বীকৃত ছিল।

৮. বোরা বোরা, ফ্রান্স
বোরা বোরা ফ্রান্সের সর্বাধিক খ্যাতিমান পর্বতমালার একটি এবং এটি পর্বত সৌন্দর্যের গণনার তৃতীয় স্থানটি অর্জন করে। ফ্রান্সের উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। পার্শ্ববর্তী পাহাড়টি একটি নিখুঁত হানিমুন এবং পর্যটন স্পট। বোরা বোরা উপকূলের জল-কেন্দ্রিক বিলাসবহুল রিসর্টগুলির সাথে সুবিধামত একটি নিখুঁত অবকাশের জন্য সেরা পর্বত। “বোরা বোরা” নামটি তাহিতিয়ান ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ “প্রথম জন্মগ্রহণ”।

৯. মাউন্ট ফুজি, জাপান
নামে খুব বিখ্যাত, মাউন্ট ফিজি প্রায়শই জাপানে লিভিংরুমে ওয়ালপেপার বা শিল্পকর্ম হিসেবে রাখা হয়। এই পর্বতটি টোকিওর দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এশিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিখর হিসেবে বিবেচিত। মাউন্ট ফুজি যেমন একটি সুপ্ত স্ট্র্যাটোভোলকানোর একটি অংশে পরিণত হয়েছিল।

১০. ডেনালি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ডেনালি একটি দুর্দান্ত পর্বত যা ডেনালি ন্যাশনাল পার্ক এবং সংরক্ষণ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। পাহাড়ের জমি জুড়ে সাদা রঙিন হিমবাহ গঠনের কারণে পাহাড়টি তার সৌন্দর্যের জন্য খুব বিখ্যাত। উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। যা এভারেস্ট এবং অ্যাকনকাগুয়ার পরেও বিশ্বের তৃতীয় স্থান অধিকার করে আছে। শীর্ষে আরোহণকারী অনেক পর্যটক ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

ভয়েসটিভি/এএস