রাজনীতি

বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি পদে থাকব: সাহাবুদ্দিন

Admin ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0

 

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় দায়িত্ব পালন করুন, তাহলে তিনি থাকবেন; আর বিএনপি না চাইলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গতকাল সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর আজ শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।

বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না, এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যে কোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।

তিনি বলেন, এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।

উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান- তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে- এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি। বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কীভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়। আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত। এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার। আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।

Popular post
বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী)  সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান,  ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে  ও  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী  ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে: পরীমনি

অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী।   পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান।   যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’   তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী।   বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি।  পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা।   এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জারি

রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।  

আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবসে শতাধিক শিশুকে খাবার ও উপহার দিল ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস

নিজস্ব প্রতিবেদক । ঢাকা আসুন স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাই, স্বপ্নকে ছড়িয়ে দেই এই স্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন। অনুষ্ঠানে শতাধিক পথশিশুর মাঝে উপহার সামগ্রী ও উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মানবিক কাজে অবদান রাখায় বিশিষ্ট গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুন নবী সোহেল বলেন, "পথশিশু বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা আমাদেরই ভাইবোন। তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের প্রত্যেকের উচিত এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের বিকাশে সাহায্য করা। আমরা যদি আজ তাদের সঠিক দায়িত্ব নিই, তবে তারাই আগামী দিনে মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশের সম্পদে পরিণত হবে।" সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন আমিন বলেন, "মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। এই দর্শনকে ধারণ করেই আমরা পথ চলছি। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সবসময় মানবিক সংকটে মানুষের পাশে থাকতে চায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রচেষ্টা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।"  তিনি আরো বলেন, ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস দেশের দূর্নীতি, মাদক, সিন্ডিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ মানুষদের সচতেন করেন। পাশাপাশি মানুষের অধিকার হরণে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকেন।  আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত শতাধিক পথশিশুর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন অতিথিরা। এরপর তাদের সাথে নিয়ে একবেলা উন্নতমানের খাবার গ্রহণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। সবশেষে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় আমন্ত্রিত গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনটির এমন মানবিক উদ্যোগ উপস্থিত সুধীজন ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস-এর সভাপতি মহিউদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে এবং তরুণ সংগঠক তসলিম হাসান হৃদয়ের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে আলোকিত করেন ,মেহরুন নেসা, সদস্য, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি। মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব। ওমর সানি, কিংবদন্তী অভিনেতা। রবী চৌধুরী, বরেণ্য সংগীত শিল্পী। অধ্যাপক ড. শেখ আসিফ এস. মিজান ও অধ্যাপক ড. মো: রফিকুল ইসলাম। শোবিজ তারকাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি এবং তাসনিয়া তানহা প্রমুখ।  

সাগর

রাজনীতি

View more
জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) নির্বাচিত হলেন শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু

​নিজস্ব প্রতিবেদক।  জাতীয় যুব শক্তি (এনসিপি)-এর প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বসহ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা জেলার কৃতি সন্তান ও সাবেক কেন্দ্রীয় সংগঠক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু। দলটির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে। ​কাউন্সিল ও নতুন কমিটি ​গতকাল অনুষ্ঠিত সংগঠনের প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর অনুমোদনে ঘোষিত এই কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বে এসেছেন: ​সভাপতি: এডভোকেট তারিকুল ইসলাম ​সাধারণ সম্পাদক: ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল ​সাংগঠনিক সম্পাদক: রিফাত রশিদ ​সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ): শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু ​মঞ্জুর রাজনৈতিক পথচলা ​শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এর আগে তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির তেজগাঁও থানার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দক্ষ কর্মী ব্যবস্থাপনায় তার বিশেষ সুনাম রয়েছে। ​নতুন পদের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ ​কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) হিসেবে তার ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে: ​সাংগঠনিক তদারকি: বরিশাল বিভাগের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম সরাসরি তত্ত্বাবধান করা। ​কমিটি গঠন: বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠন ও ঝিমিয়ে পড়া ইউনিটগুলো পুনর্গঠন করা। ​তৃণমূল বিস্তার: দলীয় আদর্শ ও কার্যক্রমকে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ​"বরিশাল অঞ্চলে এনসিপি-র সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ একজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।" — রাজনৈতিক বিশ্লেষক ​রাজনৈতিক তাৎপর্য ​বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে এনসিপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহাদাত খন্দকার মঞ্জুর মতো তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা সম্পন্ন নেতার পদায়ন দলকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করবে।

Admin এপ্রিল ২৬, ২০২৬ 0

আমিরসহ জামায়াত নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে : নাহিদ ইসলাম

সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াত আমির

অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ওই হাসপাতালে গেছেন জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর নিকট তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান আল্লাহর নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিক্যাল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

Admin মার্চ ১২, ২০২৬ 0

আংশিক নয়, জুলাই সনদের পুরো প্যাকেজ চাই: জামায়াত আমির

হাসনাত এমপি না হলে জনগণ জানতই না যে সরকার খেজুর দেয়

সংবিধান মেনেই এই পর্যন্ত এসেছি আমরা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপ্রতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহী টিটিসি মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা ১২ মার্চের জন্য অপেক্ষা করছি। ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন। সেই সংসদে শুনছি ফ্যাসিস্টের দোসর, ফ্যাসিস্টের রেখে যাওয়া লেজুড় বক্তব্য দেবে, ভাষণ দেবে। আমি স্পষ্টভাবে বলে যাচ্ছি, কোনো ফ্যাসিস্টের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে যাচ্ছি না। তিনি বলেন, “আমরা জাতীয় সংসদে যাচ্ছি বাংলাদেশের মানুষ এই ইলেকশনে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে। সংস্কারের পক্ষকে বাস্তবায়নের জন্য আমরা ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে যাচ্ছি। জাতীয় সংসদে যাচ্ছি কবে উচ্চকক্ষ হবে, কবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে সেই হিসাব নেওয়ার জন্য। কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা সংসদে যাচ্ছি না। ঢাকা-১১ আসনের এই সংসদ সদস্য এ সময় রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলেন, “অবিলম্বে এই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ করে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। গণভোটের ‘হ্যাঁ’ রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে আমাদের লড়াই চলমান থাকবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হক মিলন; রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক।

Admin মার্চ ১১, ২০২৬ 0

রাঙামাটিতে এনসিপি থে‌কে একসঙ্গে ৮৭ জ‌নের পদত্যাগ

‘গণভোটে হ্যাঁ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে রায় বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি’

প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর অবদান অনস্বীকার্য: জামায়াত আমির

0 Comments