বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার ভার্চুয়াল অধিবেশনে ৮৮ সদস্যের এ কর্মপরিষদ গঠিত হয়। ৮৮ সদস্যের এই কর্মপরিষদে নারী রয়েছে ২১ জন।
কর্মপরিষদ সদস্যরা হলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এমপি, অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সাবেক এমপি, মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি ড. এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আযাদ সাবেক এমপি, মাওলানা আবদুল হালিম, এড. মুয়াজ্জম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, আবদুর রব, সাইফুল আলম খান এমপি অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দীন, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মো. মোবারক হোসাইন, মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, জনাব আবুল আসাদ, মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, অ্যাডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার অধ্যক্ষ মাওলানা যয়নুল আবেদীন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল এমপি, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), কাজী দ্বীন মোহাম্মদ অধ্যাপক ড. এম. কোরবান আলী, মো. আব্দুর রহমান মুসা, ড. মো. কেরামত আলী এমপি, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া, মাওলানা আবদুল মান্নান, নজরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ড. মাওলানা ছামিউল হক ফারুকী, মাওলানা আ.ফ.ম আবদুস সাত্তার, মাওলানা মোহাম্মদ আজীজুর রহমান এমপি, মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক মাওলানা হারুনুর রশিদ খান, ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, এডভোকেট মসিউল আলম, জনাব জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর , মোহাম্মদ আবদুল জব্বার, ফখরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, শাহজাহান চৌধুরী এমপি, এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, নজরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম), মাহফুজুর রহমান (খুলনা), মাওলানা এটিএম আজম খান, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, আব্দুস সবুর ফকির, অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এমপি, মাহফুজুর রহমান (খুলনা), মাওলানা এটিএম আজম খান, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, আব্দুস সবুর ফকির, অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এমপি, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (পাবনা), ড. আলমগীর বিশ্বাস, দেলাওয়ার হোসাইন, এডভোকেট আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান (ঢাকা), জাহিদুর রহমান, আবিদুর রহমান সোহেল প্রমুখ।
মহিলা কর্মপরিষদে যারা
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সাঈদা রুম্মান, মারজিয়া বেগম, খোন্দকার আয়েশা খাতুন, এডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, উম্মে নওরিন, ডা. হাবিবা আখতার চৌধুরী সুইট, খোন্দকার আয়েশা সিদ্দীকা, রোজিনা আখতার, ইরানী আখতার, সালমা সুলতানা, আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, সুফিয়া জামাল, মাহবুবা জাহান, নাজমুন নাহার নীলু, ডা. আমিনা বেগম, শামীমা বেগম চুনী, আমেনা বেগম, উম্মে খালেদা জাহান, জান্নাতুল কারীম সুইটি ও মাহবুবা খাতুন শরীফা।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী। পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান। যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’ তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী। বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি। পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা। এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।
রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক । ঢাকা আসুন স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাই, স্বপ্নকে ছড়িয়ে দেই এই স্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন। অনুষ্ঠানে শতাধিক পথশিশুর মাঝে উপহার সামগ্রী ও উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মানবিক কাজে অবদান রাখায় বিশিষ্ট গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুন নবী সোহেল বলেন, "পথশিশু বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা আমাদেরই ভাইবোন। তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের প্রত্যেকের উচিত এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের বিকাশে সাহায্য করা। আমরা যদি আজ তাদের সঠিক দায়িত্ব নিই, তবে তারাই আগামী দিনে মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশের সম্পদে পরিণত হবে।" সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন আমিন বলেন, "মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। এই দর্শনকে ধারণ করেই আমরা পথ চলছি। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সবসময় মানবিক সংকটে মানুষের পাশে থাকতে চায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রচেষ্টা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।" তিনি আরো বলেন, ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস দেশের দূর্নীতি, মাদক, সিন্ডিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ মানুষদের সচতেন করেন। পাশাপাশি মানুষের অধিকার হরণে আইনি সহায়তা দিয়ে থাকেন। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত শতাধিক পথশিশুর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন অতিথিরা। এরপর তাদের সাথে নিয়ে একবেলা উন্নতমানের খাবার গ্রহণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। সবশেষে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় আমন্ত্রিত গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনটির এমন মানবিক উদ্যোগ উপস্থিত সুধীজন ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস-এর সভাপতি মহিউদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে এবং তরুণ সংগঠক তসলিম হাসান হৃদয়ের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে আলোকিত করেন ,মেহরুন নেসা, সদস্য, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি। মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব। ওমর সানি, কিংবদন্তী অভিনেতা। রবী চৌধুরী, বরেণ্য সংগীত শিল্পী। অধ্যাপক ড. শেখ আসিফ এস. মিজান ও অধ্যাপক ড. মো: রফিকুল ইসলাম। শোবিজ তারকাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি এবং তাসনিয়া তানহা প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক। জাতীয় যুব শক্তি (এনসিপি)-এর প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বসহ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা জেলার কৃতি সন্তান ও সাবেক কেন্দ্রীয় সংগঠক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু। দলটির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে। কাউন্সিল ও নতুন কমিটি গতকাল অনুষ্ঠিত সংগঠনের প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর অনুমোদনে ঘোষিত এই কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বে এসেছেন: সভাপতি: এডভোকেট তারিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক: ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল সাংগঠনিক সম্পাদক: রিফাত রশিদ সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ): শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু মঞ্জুর রাজনৈতিক পথচলা শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এর আগে তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির তেজগাঁও থানার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দক্ষ কর্মী ব্যবস্থাপনায় তার বিশেষ সুনাম রয়েছে। নতুন পদের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) হিসেবে তার ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে: সাংগঠনিক তদারকি: বরিশাল বিভাগের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম সরাসরি তত্ত্বাবধান করা। কমিটি গঠন: বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠন ও ঝিমিয়ে পড়া ইউনিটগুলো পুনর্গঠন করা। তৃণমূল বিস্তার: দলীয় আদর্শ ও কার্যক্রমকে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। "বরিশাল অঞ্চলে এনসিপি-র সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ একজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।" — রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাজনৈতিক তাৎপর্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে এনসিপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহাদাত খন্দকার মঞ্জুর মতো তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা সম্পন্ন নেতার পদায়ন দলকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করবে।
অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ওই হাসপাতালে গেছেন জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর নিকট তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান আল্লাহর নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিক্যাল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
রাষ্ট্রপ্রতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহী টিটিসি মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা ১২ মার্চের জন্য অপেক্ষা করছি। ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন। সেই সংসদে শুনছি ফ্যাসিস্টের দোসর, ফ্যাসিস্টের রেখে যাওয়া লেজুড় বক্তব্য দেবে, ভাষণ দেবে। আমি স্পষ্টভাবে বলে যাচ্ছি, কোনো ফ্যাসিস্টের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে যাচ্ছি না। তিনি বলেন, “আমরা জাতীয় সংসদে যাচ্ছি বাংলাদেশের মানুষ এই ইলেকশনে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে। সংস্কারের পক্ষকে বাস্তবায়নের জন্য আমরা ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে যাচ্ছি। জাতীয় সংসদে যাচ্ছি কবে উচ্চকক্ষ হবে, কবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে সেই হিসাব নেওয়ার জন্য। কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা সংসদে যাচ্ছি না। ঢাকা-১১ আসনের এই সংসদ সদস্য এ সময় রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলেন, “অবিলম্বে এই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ করে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। গণভোটের ‘হ্যাঁ’ রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে আমাদের লড়াই চলমান থাকবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হক মিলন; রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক।