আন্তর্জাতিক

সপ্তাহে ৫ হাজার কোটি ডলার করে ঋণ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Admin মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

কোনোভাবেই ঋণের বোঝা মাথা থেকে সরছে না যুক্তরাষ্ট্রের বরং সংকট যেন আরও গভীর হওয়ার পর্যায়ে যাচ্ছে। দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসেই কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট ঘাটতিতে আরও ১ ট্রিলিয়ন বা ১০০ লাখ কোটি ডলার যোগ হয়েছে। অর্থাৎ পাঁচ মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫০ বিলিয়ন বা ৫ হাজার কোটি ডলার করে ঋণ নিয়েছে ট্রাম্পের কেন্দ্রীয় সরকার। (পাঁচ মাসে ২০ সপ্তাহ)

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হালনাগাদ করা সিবিওর মাসিক বাজেট পর্যালোচনা প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, গত মাসেই সরকার আনুমানিক ৩০৮ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিবিও।

স্বাভাবিকভাবেই বেশি ঋণ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঋণের ওপর সুদের খরচও বাড়ছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর (যখন ২০২৬ অর্থবছর শুরু হয়) থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সরকারি ঋণের ওপর নিট সুদ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিকে অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয়কে আগের বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ৩১ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ১০০ ডলার খরচ করতে হয়েছে।

ফলে মাত্র পাঁচ মাসেই সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধে ট্রেজারিকে মোট ৪৩৩ বিলিয়ন ৪৩ হাজার ৩০০ ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩৮ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

সিবিও বলেছে, সুদ বাবদ ব্যয় বেড়েছে কারণ- ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় এখন ঋণের পরিমাণ বেশি এবং দীর্ঘমেয়াদি সুদের হারও বেশি। তবে সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, স্বল্পমেয়াদি সুদের হার কমে যাওয়ায় সুদ পরিশোধের মোট ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা কমেছে।

অত্যন্ত বড় অঙ্কের এই ঘাটতি সত্ত্বেও আগের বছরের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একই সময়ে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ছিল এ বছরের তুলনায় ১৪২ বিলিয়ন ডলার বেশি।

তবে এই উন্নতি বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নীতিনির্ধারকদের খুব বেশি আশ্বস্ত করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট শৃঙ্খলা জোরদারের দাবিতে সক্রিয় সংগঠন কমিটি ফর এ রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেট (সিআরএফবি)-এর প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেছেন, চলতি বছর সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৩৬ সালের মধ্যে তা ২ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি টেকসই হতে পারে না। ম্যাকগিনিয়াস আরও বলেন, আমাদের আর্থিক সমস্যাগুলো নিজে নিজে সমাধান হবে না। নীতিনির্ধারকদের একসঙ্গে বসে বাজেট ঘাটতি কমানোর বিষয়ে একমত হতে হবে। জিডিপির তুলনায় ৩ শতাংশ ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা একটি ভালো সূচনা হতে পারে ও অর্থনীতির আকারের তুলনায় জাতীয় ঋণকে একটি টেকসই নিম্নমুখী পথে আনতে হবে।

অর্থনীতিবিদরা অবশ্য মোট ঋণের পরিমাণ নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন। কারণ সরকারি ঋণ বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাদের মতে, বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ঋণ-টু-জিডিপি অনুপাত, যা একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় ঋণের পরিমাণ নির্দেশ করে। এই অনুপাত যদি খুব বেশি ভারসাম্যহীন হয়ে যায়, তাহলে সুদ পরিশোধে বিপুল অর্থ ব্যয়ের কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

যদিও জিডিপির তুলনায় ৩ শতাংশ বাজেট ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা সরাসরি ঋণ-টু-জিডিপি অনুপাত নয়, তবু এটি সরকারি ঋণ নেওয়াকে দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি-টু-জিডিপি অনুপাত সাধারণত ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করেছে।

Popular post
বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী)  সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান,  ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে  ও  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী  ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে: পরীমনি

অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী।   পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান।   যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’   তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী।   বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি।  পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা।   এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী

ওসমান হাদির ওপর হামলাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে অভিহিত করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি আরও বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী। সে রাজপথের সাহসী সৈনিক। তাকে আমি নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় পাব—সেই প্রত্যাশা করি।   ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। সেখানে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। মির্জা আব্বাস বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এ আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জারি

রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।  

সাগর

আন্তর্জাতিক

View more
আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহতে ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা ডব্লিউএএম বুধবার (১ এপ্রিল) জানিয়েছে, একটি ড্রোন ফুজাইরাহতে আসার পর এটিকে ভূপাতিত করা হয়। ওই সময় ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ এসে আঘাত হানে ওই বাংলাদেশির ওপর। তিনি ফুজাইরাহর আল রিফা এলাকার একটি ফার্মে কাজ করছিলেন। এই বাংলাদেশির নাম পরিচয় কোনো কিছু এখনো জানায়নি আমিরাত। সূত্র: আলজাজিরা

Admin এপ্রিল ১, ২০২৬ 0

ইসরায়েল-হিজবুল্লা সংঘাত : লেবাননে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত

ইরানকে সহায়তা করছে রাশয়িা: র্জামানরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে উল্টো চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প!

আজ পবিত্র শবে কদর

  আজ সোমবার রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হবে। এই রাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের ২৬ তারিখ রাতে শবেকদর পালন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই রাত কাটান। শবেকদরের এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এই রাতকে কেন্দ্র করে কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে। ‘শবেকদর’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত বা রজনী, আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবেকদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবেকদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। ইসলাম ধর্ম অনুসারে, এই রাতে মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানব জাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত। হাদিসের বর্ণনা অনুসারে ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাত শবেকদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতে লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুল কদরে কোরআন নাজিল করেছি। আর আপনি কি জানেন লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। সেই রাতে ফেরেশতারা ও রুহ (জিবরাঈল আ.) নাজিল হন তাঁদের রবের অনুমতিতে সকল নির্দেশ নিয়ে। শান্তিময় সে রাত, ফজরের উদয় পর্যন্ত।’ (সুরা কদর, আয়াত : ১-৫) ইবাদতের মাধ্যমে এই রাত জাগরণ করলে জীবনের পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারি, হাদিস : ২০১৪) অন্য সময় এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, কদরের রাতের ইবাদতে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং বেশি সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন। পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে। আমি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত আমাদের সবার ওপর বর্ষণ করেন। আমাদের দেশ ও জাতিকে অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন।’ পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনাসভা ও দোয়া আয়োজন করা হয়েছে।

Admin মার্চ ১৬, ২০২৬ 0

মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স

সপ্তাহে ৫ হাজার কোটি ডলার করে ঋণ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

কোনোভাবেই ঋণের বোঝা মাথা থেকে সরছে না যুক্তরাষ্ট্রের বরং সংকট যেন আরও গভীর হওয়ার পর্যায়ে যাচ্ছে। দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসেই কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট ঘাটতিতে আরও ১ ট্রিলিয়ন বা ১০০ লাখ কোটি ডলার যোগ হয়েছে। অর্থাৎ পাঁচ মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫০ বিলিয়ন বা ৫ হাজার কোটি ডলার করে ঋণ নিয়েছে ট্রাম্পের কেন্দ্রীয় সরকার। (পাঁচ মাসে ২০ সপ্তাহ) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হালনাগাদ করা সিবিওর মাসিক বাজেট পর্যালোচনা প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, গত মাসেই সরকার আনুমানিক ৩০৮ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিবিও। স্বাভাবিকভাবেই বেশি ঋণ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঋণের ওপর সুদের খরচও বাড়ছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর (যখন ২০২৬ অর্থবছর শুরু হয়) থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সরকারি ঋণের ওপর নিট সুদ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিকে অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয়কে আগের বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ৩১ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ১০০ ডলার খরচ করতে হয়েছে। ফলে মাত্র পাঁচ মাসেই সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধে ট্রেজারিকে মোট ৪৩৩ বিলিয়ন ৪৩ হাজার ৩০০ ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩৮ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সিবিও বলেছে, সুদ বাবদ ব্যয় বেড়েছে কারণ- ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় এখন ঋণের পরিমাণ বেশি এবং দীর্ঘমেয়াদি সুদের হারও বেশি। তবে সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, স্বল্পমেয়াদি সুদের হার কমে যাওয়ায় সুদ পরিশোধের মোট ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা কমেছে। অত্যন্ত বড় অঙ্কের এই ঘাটতি সত্ত্বেও আগের বছরের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একই সময়ে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ছিল এ বছরের তুলনায় ১৪২ বিলিয়ন ডলার বেশি। তবে এই উন্নতি বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নীতিনির্ধারকদের খুব বেশি আশ্বস্ত করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট শৃঙ্খলা জোরদারের দাবিতে সক্রিয় সংগঠন কমিটি ফর এ রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেট (সিআরএফবি)-এর প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেছেন, চলতি বছর সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৩৬ সালের মধ্যে তা ২ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি টেকসই হতে পারে না। ম্যাকগিনিয়াস আরও বলেন, আমাদের আর্থিক সমস্যাগুলো নিজে নিজে সমাধান হবে না। নীতিনির্ধারকদের একসঙ্গে বসে বাজেট ঘাটতি কমানোর বিষয়ে একমত হতে হবে। জিডিপির তুলনায় ৩ শতাংশ ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা একটি ভালো সূচনা হতে পারে ও অর্থনীতির আকারের তুলনায় জাতীয় ঋণকে একটি টেকসই নিম্নমুখী পথে আনতে হবে। অর্থনীতিবিদরা অবশ্য মোট ঋণের পরিমাণ নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন। কারণ সরকারি ঋণ বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাদের মতে, বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ঋণ-টু-জিডিপি অনুপাত, যা একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় ঋণের পরিমাণ নির্দেশ করে। এই অনুপাত যদি খুব বেশি ভারসাম্যহীন হয়ে যায়, তাহলে সুদ পরিশোধে বিপুল অর্থ ব্যয়ের কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। যদিও জিডিপির তুলনায় ৩ শতাংশ বাজেট ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা সরাসরি ঋণ-টু-জিডিপি অনুপাত নয়, তবু এটি সরকারি ঋণ নেওয়াকে দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি-টু-জিডিপি অনুপাত সাধারণত ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করেছে।

Admin মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী, দাবি ইরানের গণমাধ্যমের

৩ শর্তে যুদ্ধ বন্ধেরাজি ইরান, কী রয়েছে তাতে?

ফের ইরানের হুঁশিয়ারি: তেলের ব্যারেল হবে ২০০ ডলার

0 Comments