প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া ও সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা দিতে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা, তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় বলেও জানান শাহাদাৎ স্বাধীন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও প্রস্তুত করা হবে। শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, সভায় সম্ভাব্য দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া ঢাকা শহরে হিউম্যানিটারিয়ান স্ট্যাগিং এরিয়া (এইচএসএ) বা দুর্যোগের সময় দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিশেষ লজিস্টিক হাব বা গুদামজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এমএ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইসরাইলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় ৬০ হাজারের বেশি শিশু অন্তত একজন অভিভাবককে হারিয়েছে। দুঃখজনক এ তথ্য দিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ৬০ হাজার ৭৩৭ শিশু বাবা অথবা মাকে হারিয়েছে। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৯৫ জন শিশু তাদের বাবাকে, ৫ হাজার ৯২৯ জন তাদের মাকে এবং ২ হাজার ৭১৩ জন শিশু উভয় অভিভাবককেই হারিয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২ হাজার ২৭৬টি পরিবার, যাদের সদস্য সংখ্যা ৮ হাজার ৮৫৮ জনের মতো, তাদের নাম গাজার সরকারি নথি থেকে ‘সম্পূর্ণভাবে মুছে গেছে’। মন্ত্রণালয়ের দাবি, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরাইলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজাজুড়ে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এসব হামলায় ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার সকালে রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে হাজিরা দেন লতিফ সিদ্দিকী। পরে আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে সাবেক এই মন্ত্রী জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি ১০ নম্বর আসামি হিসেবে রয়েছেন। এ মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার না করলে আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আত্মসমর্পণ করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। এ মামলায় বর্তমানে নয় আসামি গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন- সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু। এর আগে চিফ প্রসিকিউটর জানান, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জনের নিহতের প্রমাণ পেয়েছে প্রসিকিউশন। ২০১৩ সালে ৫ মে দিনভর হেফাজতের সমাবেশ শেষে রাতে শাপলা চত্বরে জমায়েতে নৃশংস হামলা চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৫ আগস্টের পর এ ঘটনার তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেয় হেফাজতে ইসলাম।
ইসমাইল বাবু : রাজধানীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক সবখানেই এখন সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা। কোনো ধরনের বৈধ নিবন্ধন, চালকের প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স ছাড়াই এসব তিন চাকার যান দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার রাজপথে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা রাজধানীতে চলাচল করছে, যার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও ব্যবসায়ী চক্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব রিকশার কারণে নগরে তীব্র যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ চার্জিং স্টেশনের মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ১৪ মে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে যানজট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে ডিএমপি কমিশনার ও ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আশা করছি দ্রুত কার্যকর সমাধান আসবে।” সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীতে প্রায় ১৩ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ গড়ে উঠেছে। প্রতিটি গ্যারেজে গড়ে ৬০ থেকে ৭০ টি রিকশা রয়েছে। সে হিসাবে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ। এসব গ্যারেজের আওতায় রয়েছে প্রায় ৬৪ হাজার ৯৬৫টি চার্জিং স্টেশন। এতে প্রতিদিন খরচ হচ্ছে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। অথচ ডিপিডিসির বৈধ চার্জিং স্টেশন রয়েছে মাত্র ২ হাজার ১৪৬টি। বাকি অধিকাংশ স্টেশনই অবৈধ। অভিযোগ রয়েছে, অনেক গ্যারেজে আবাসিক মিটার ও চোরাই লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ গ্যারেজ মালিকরা প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিল ও ভাড়া বাবদ চালকদের কাছ থেকে ৭০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অধিকাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশার মালিক স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীরা। তারা দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে প্রতিদিন ৫০০ টাকার চুক্তিতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, রামপুরা, বাড্ডা, মানিকনগর, মুগদা, মান্ডা, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, জুরাইন, মিরপুর, রূপনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে শত শত গ্যারেজ। অনেক জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে কিছু অসাধু কর্মকর্তা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে এসব গ্যারেজের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। গ্যারেজ মালিকদের দাবি, সরকার চাইলে নীতিমালা করে এসব রিকশাকে বৈধতা দিতে পারে। এদিকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বলছে, “অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। প্রধান সড়কে উঠতে বাধা দেওয়া, সিট জব্দ, কেবল লাইন বিচ্ছিন্নসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।”
ইসরাইলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় ৬০ হাজারের বেশি শিশু অন্তত একজন অভিভাবককে হারিয়েছে। দুঃখজনক এ তথ্য দিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ৬০ হাজার ৭৩৭ শিশু বাবা অথবা মাকে হারিয়েছে। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৯৫ জন শিশু তাদের বাবাকে, ৫ হাজার ৯২৯ জন তাদের মাকে এবং ২ হাজার ৭১৩ জন শিশু উভয় অভিভাবককেই হারিয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২ হাজার ২৭৬টি পরিবার, যাদের সদস্য সংখ্যা ৮ হাজার ৮৫৮ জনের মতো, তাদের নাম গাজার সরকারি নথি থেকে ‘সম্পূর্ণভাবে মুছে গেছে’। মন্ত্রণালয়ের দাবি, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরাইলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজাজুড়ে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এসব হামলায় ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক চ্যানেল আই এর সিনিয়র রিপোর্টার ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির ১নং সদস্য আকতার হাবিব বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ সংগঠন জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্যপদ লাভ করেছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রেসক্লাব নতুন সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করে। সদস্যপদ লাভের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আকতার হাবিব বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্যপদ প্রাপ্তি একটি পেশাগত মর্যাদা ও স্বীকৃতি। এ মূল্যায়ন অবশ্যই এটি সম্মানজনক ও আগামী দিনের কাজ করার অনুপ্রেরণা। এজন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া। এবং প্রেসক্লাবের বাছাই কমিটি, ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ ভেতরে বাইরে যারাই চেষ্টা করেছেন আমাকে ভালোবেসেছেন সকলের প্রতি আমি ঋনী ও কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, আমি সব সময় আমার নীতি আদর্শ ঠিক রেখে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশায় দেশ, জাতি ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমার এ পথ চলায় সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত তালিকায় ৪৪১ জন নতুন সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়। প্রেসক্লাব সূত্র জানায়, দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও আবেদন প্রক্রিয়া শেষে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্য থেকে এসব সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে জাতীয় প্রেসক্লাব আরও গতিশীল ও প্রতিনিধিত্বশীল হবে। জাতীয় প্রেসক্লাব দেশের সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, কল্যাণ ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটের বাসযাত্রীদের জন্য নতুন নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর রুটেও পুনর্র্নিধারিত ভাড়ার তালিকাও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিআরটিএর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটের পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর রুটে পুনর্র্নিধারিত ভাড়ার তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা (সায়েদাবাদ)-চট্টগ্রাম রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫৫২ টাকা। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৯০০ টাকা ও ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সায়েদাবাদ-সিলেট রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৫৮০ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৭৪০ টাকা। সায়েদাবাদ-বরিশাল রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪৬৪ টাকা, আর ৪০ আসনের বাসে ৫৯২ টাকা। সায়েদাবাদ-খুলনা রুটে ৫১ আসনের বাসভাড়া ৫৪১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসভাড়া ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ রুট সায়েদাবাদ-টেকনাফে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১ হাজার ৪৭ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ৩৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা (গাবতলী)-পঞ্চগড় রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১ হাজার ৫ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ২৮১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-রংপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৫১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯১১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-দিনাজপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৯৭৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ২৪১ টাকা। এদিকে ঢাকা (গাবতলী)-ঝিনাইদহ রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৫০১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৬৩৯ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-রাজশাহী রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৭৭ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯৯১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-মেহেরপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৭৬ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯৮১ টাকা। এছাড়াও মহাখালী রুটের আওতায় ঢাকার মহাখালী থেকে ময়মনসিংহ রুটে চলাচল করা ৫১ আসনের বাসে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯৪ টাকা। পাশাপাশি এই রুটে ৪০ আসনের বাসে ভাড়া পড়বে ৩৭৫ টাকা। সেই সঙ্গে মহাখালী থেকে জামালপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ৩৮৬ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ভাড়া পড়বে ৪৯২ টাকা। ঢাকা (মহাখালী)-শেরপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪২১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫৩৭ টাকা। ঢাকা (মহাখালী)-কিশোরগঞ্জ রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪০১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট ও কুমিরা সংলগ্ন এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এতে ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই ট্রেনের দুটি বগি থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে সিরিজ জয়ের পর বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে বাংলাদেশ দল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে লাল-সবুজদের। চার নম্বরে থাকা পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে তিন রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে দশ নম্বর থেকে এক ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে উঠেছে তারা। এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। তাই সামনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী ১৩ এপ্রিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে নিউজিল্যান্ড দল। মিরপুরে ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য ওয়ানডে সিরিজটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঠে এই সিরিজে বাংলাদেশকে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রাখছে নিউজিল্যান্ডের দল নির্বাচন। কারণ আইপিএল ও পিএসএলের ব্যস্ত সূচির কারণে নিউজিল্যান্ড তাদের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। বাংলাদেশ সফরের দলে থাকছেন না অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার, রাচিন রবীন্দ্র, গ্লেন ফিলিপস, টিম সাইফার্ট, ফিন অ্যালেন, কাইল জেমিসন, জেকব ডাফি ও লকি ফার্গুসন। এছাড়া পাকিস্তান সুপার লিগে ব্যস্ত থাকায় মার্ক চ্যাপম্যান ও ড্যারিল মিচেলও এই সিরিজে খেলবেন না। সব মিলিয়ে প্রথম সারির ১০ ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশে দল পাঠাচ্ছে কিউইরা। ফলে অনেকটাই তরুণ ও অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দ্বিতীয় সারির দলই দেখা যেতে পারে নিউজিল্যান্ড স্কোয়াডে। এমনকি দলের দুই কোচও পিএসএলে যুক্ত থাকায় বাংলাদেশ সফরে আসবেন না বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ এই সিরিজে সেরা দলটাই মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে। কারণ ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ম্যাচ ও প্রতিটি রেটিং পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সবাই মিলে আমরা যে নির্বাচন করেছি এজন্য আমি আনন্দিত। আমি আনন্দিত এজন্য যে জাতির কাছে যে ওয়াদা ছিল তা পূরণ করেছি। সোমবার (১৬ মার্চ) নির্বাচন কমিশন ভবনের বেজমেন্টের অডিটরিয়ামে নারী দিবস উপলক্ষে ইউএনডিপি ও ইসির যৌথ উদ্যোগে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ জোরদার করা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি বলেন, আমার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু নির্বাচন। সুন্দর নির্বাচনের জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমি শতশত মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি, কিন্তু বলতে পারেনি যে আমি আমার ভোট দিতে পারিনি। সবাই আমাকে বলেছেন, না আমরা কোনো বাধা পাইনি। সিইসি আরো বলেন, এবার নির্বাচনে কিন্তু অনেক নারী ভোটের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অপপ্রচারের কারণে নারীদের অবদানকে খাটো করে দেখানো হয়। এ অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। নারীরা সমাজ গঠনে যত এগিয়ে আসবে, আমরা ততই উন্নয়ন করব। নারী উন্নয়নে আমাদের আরও কাজ করতে হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক। জাতীয় যুব শক্তি (এনসিপি)-এর প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বসহ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা জেলার কৃতি সন্তান ও সাবেক কেন্দ্রীয় সংগঠক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু। দলটির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে। কাউন্সিল ও নতুন কমিটি গতকাল অনুষ্ঠিত সংগঠনের প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর অনুমোদনে ঘোষিত এই কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বে এসেছেন: সভাপতি: এডভোকেট তারিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক: ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল সাংগঠনিক সম্পাদক: রিফাত রশিদ সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ): শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু মঞ্জুর রাজনৈতিক পথচলা শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এর আগে তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির তেজগাঁও থানার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দক্ষ কর্মী ব্যবস্থাপনায় তার বিশেষ সুনাম রয়েছে। নতুন পদের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) হিসেবে তার ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে: সাংগঠনিক তদারকি: বরিশাল বিভাগের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম সরাসরি তত্ত্বাবধান করা। কমিটি গঠন: বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠন ও ঝিমিয়ে পড়া ইউনিটগুলো পুনর্গঠন করা। তৃণমূল বিস্তার: দলীয় আদর্শ ও কার্যক্রমকে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। "বরিশাল অঞ্চলে এনসিপি-র সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ একজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।" — রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাজনৈতিক তাৎপর্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে এনসিপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহাদাত খন্দকার মঞ্জুর মতো তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা সম্পন্ন নেতার পদায়ন দলকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। নামাজের পর সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, ঈদের দিন বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে (২৯ মিন্টো রোড, ঢাকা) শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকগণের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন। পরে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। একই পোস্টে জামায়াত নেতারা কে কোথায় ঈদুর ফিতর উদযাপন করবেন তা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, দলের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার নিজ গ্রামে, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায়, সাবেক এমপি মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খানজাহান আলী থানার নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নিজ এলাকার ঈদগাহ মাঠে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার নওকৈড় নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভাঙ্গাপুষ্কুরুনী নিজ গ্রামে। এ ছাড়াও অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালের নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটের নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রাম মহানগরীতে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব আবদুর রব ঢাকায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায় ঈদ করবেন বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ঢাকায়, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জে, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায়, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নিজ গ্রামে ও ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুরে নিজ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’। শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম। কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য। আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই। নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি। তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, আজ বিকেল ৩টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে। এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শেই মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে।
অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ওই হাসপাতালে গেছেন জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর নিকট তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান আল্লাহর নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিক্যাল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই প্রস্তাবের পুরোপুরি বাস্তবায়ন চায় বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদের আংশিক নয়, পুরো প্যাকেজ চাই। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলের যেটুকু প্রাপ্য, সেটুকুই নেব।’ আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম ব্লকের নবম তলায় বিরোধীদলীয় সভাকক্ষে ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাশেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারি দলকে জুলাইয়ে প্রতি সম্মান জানিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা কেমন হবে, তা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখতে চাই। সরকার ভুল করলে পরমার্শ দেব, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ করব। আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সরকার দল থেকে ইতিমধ্যে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের অবস্থান সময়মতো দেখতে পাবে জাতি।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি না হলে সরকার যে খেজুর দেয় জনগণ জানতই না— এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। পোস্টে মাহমুদা মিতু লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি না হলে সরকার যে খেজুর দেয় জনগণ জানতই না। পাইলেও জনগণ জানত এলাকায় নেতায় পাঠাইছেন।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।