নেতাকর্মীদের যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে সমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্প্রতি ভোটের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে পারেন। সমালোচনা করার অধিকার অবশ্যই সবার আছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে করা উচিত। এমন কোনো ভাষা প্রয়োগ করা মোটেই কাম্য নয়, যে ভাষা আমার ক্ষেত্রে বা আপনার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে আপনি আহত হবেন। এমনকি আপনার কোনো প্রিয় মানুষকে যদি কেউ রুচিবহির্ভূতভাবে সমালোচনা করে, তার জবাবও হওয়া উচিত উত্তম ভাষায় এবং যুক্তিপূর্ণভাবে। এটাই আমাদের শিক্ষা। আশা করি, আমার এই সামান্য পরামর্শটুকু সবাই যথাযথ গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহায্য করুন। আমিন।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৯ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ সংসদীয় আসনের দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জামায়াতের আহতদের মধ্যে মধ্যে রয়েছেন- মো. রাসেল, মো. নাঈম, মো. বিল্লাল, মো. মিজান ও মো. সিফাত। অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছে- রাসেল (২৬), মিজান (৩৫) রাকিব (২৭) রিয়াজ (২৭)। সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতের পাঁচজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিএনপির তিনজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় একে অপরকে দুষছে দুই দলের নেতাকর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে মুন্সিরহাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিল। এসময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের কর্মী সমর্থকেরা অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে প্রথমে তর্ক হয় এবং একপর্যায়ে তারা দুপক্ষ নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা-রড নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো। দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের গুরুতর আহত তিনকর্মী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন ড. মাহদী আমিন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার কবে ঘোষণা করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মাহদী আমিন বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে ইশতেহারের কাজ অনেকটুকু গুছিয়ে এনেছি। বিএনপি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে এবং সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে দেশব্যাপী ইশতেহার এবং আমাদের ৩১ দফা নিয়ে ২৭ দফা নিয়ে অনেকগুলো কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। তার আলোকে আমাদের ইশতেহার অনেকটাই প্রস্তুত। একটি পরিকল্পনা আছে আগামী শুক্রবার আমরা ইশতেহার ঘোষণা করতে পারি। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জানান, গত এক সপ্তাহেই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে ২৯টি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। যার সুস্পষ্ট প্রমাণ বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফর্মের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মাহদী আমিন বলেন, একটি দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং তাদের নেতাকর্মী ওনারা অনেকেই ফ্যাসিবাদী আমলে তৈরি মিথ্যা পুরাতন বয়ান আবার সামনে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নিজেরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই ভাষায় একই কায়দায় একই ধরনের স্লোগান দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, অশালীনভাবে আক্রমণ করছেন। বিএনপির ক্রমবর্ধমান গণজোয়ার ও জনসমর্থনের মুখে তারা ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলেই সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পথ ছেড়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং অপতথ্য ছড়ানোর নোংরা কৌশল বেছে নিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক। এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলটির উদ্যোগে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনী যখন আমাদের মা বোনদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে, তখন সেই অত্যাচারকে আপনারা অত্যাচার বলেননি। সেই নির্যাতনকে আপনারা নির্যাতন হিসেবেও স্বীকার করেননি। বরং তাদের আপনারা সমর্থন করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। আজ কোন মুখে, কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে আপনারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কথা বলছেন? কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম সাহেবই ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক—এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না।’ তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননামূলক মন্তব্য করেছেন, তাতে সারা দেশের নারী সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। সেই ক্ষোভ ঢাকতেই তিনি এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত সত্যকে বিতর্কিত করে সত্য আড়াল করা যাবে না। তিনি আরো বলেন, আপনারা (জামায়াত) ১৯৮৬ সালে বলেছিল এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। শেখ হাসিনাও বলেছিলেন, যারা যাবে তারা জাতীয় বেইমান। কিন্তু শেখ হাসিনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে গেছেন, জামায়াতে ইসলামও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেছে। জনগণের কাছে ওয়াদা করে পরে আপনারা সেই ওয়াদা খেলাফ করেছেন। রিজভী বলেন, সেসময় বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাননি। তিনি নয় বছর সংগ্রাম করেছেন, নিপীড়ন সহ্য করেছেন, অত্যাচার সহ্য করেছেন। তাকে বন্দী করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, গৃহবন্দি করা হয়েছে তারপরও তিনি তার কথার বরখেলাপ করেননি। সত্যের মুখোশ একসময় খুলে পড়ে। আজ নারীদের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।
নেতাকর্মীদের যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে সমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্প্রতি ভোটের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে পারেন। সমালোচনা করার অধিকার অবশ্যই সবার আছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে করা উচিত। এমন কোনো ভাষা প্রয়োগ করা মোটেই কাম্য নয়, যে ভাষা আমার ক্ষেত্রে বা আপনার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে আপনি আহত হবেন। এমনকি আপনার কোনো প্রিয় মানুষকে যদি কেউ রুচিবহির্ভূতভাবে সমালোচনা করে, তার জবাবও হওয়া উচিত উত্তম ভাষায় এবং যুক্তিপূর্ণভাবে। এটাই আমাদের শিক্ষা। আশা করি, আমার এই সামান্য পরামর্শটুকু সবাই যথাযথ গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহায্য করুন। আমিন।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৯ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ সংসদীয় আসনের দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জামায়াতের আহতদের মধ্যে মধ্যে রয়েছেন- মো. রাসেল, মো. নাঈম, মো. বিল্লাল, মো. মিজান ও মো. সিফাত। অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছে- রাসেল (২৬), মিজান (৩৫) রাকিব (২৭) রিয়াজ (২৭)। সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতের পাঁচজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিএনপির তিনজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় একে অপরকে দুষছে দুই দলের নেতাকর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে মুন্সিরহাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিল। এসময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের কর্মী সমর্থকেরা অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে প্রথমে তর্ক হয় এবং একপর্যায়ে তারা দুপক্ষ নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা-রড নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো। দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের গুরুতর আহত তিনকর্মী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক। এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলটির উদ্যোগে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনী যখন আমাদের মা বোনদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে, তখন সেই অত্যাচারকে আপনারা অত্যাচার বলেননি। সেই নির্যাতনকে আপনারা নির্যাতন হিসেবেও স্বীকার করেননি। বরং তাদের আপনারা সমর্থন করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। আজ কোন মুখে, কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে আপনারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কথা বলছেন? কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম সাহেবই ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক—এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না।’ তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননামূলক মন্তব্য করেছেন, তাতে সারা দেশের নারী সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। সেই ক্ষোভ ঢাকতেই তিনি এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত সত্যকে বিতর্কিত করে সত্য আড়াল করা যাবে না। তিনি আরো বলেন, আপনারা (জামায়াত) ১৯৮৬ সালে বলেছিল এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। শেখ হাসিনাও বলেছিলেন, যারা যাবে তারা জাতীয় বেইমান। কিন্তু শেখ হাসিনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে গেছেন, জামায়াতে ইসলামও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেছে। জনগণের কাছে ওয়াদা করে পরে আপনারা সেই ওয়াদা খেলাফ করেছেন। রিজভী বলেন, সেসময় বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাননি। তিনি নয় বছর সংগ্রাম করেছেন, নিপীড়ন সহ্য করেছেন, অত্যাচার সহ্য করেছেন। তাকে বন্দী করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, গৃহবন্দি করা হয়েছে তারপরও তিনি তার কথার বরখেলাপ করেননি। সত্যের মুখোশ একসময় খুলে পড়ে। আজ নারীদের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।
ইসলামের বরকতময় সময়গুলোর মধ্যে কিছু রাত রয়েছে, যেগুলো বান্দার আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন এবং দোয়ার মাধ্যমে নৈকট্য অর্জনের বিশেষ সুযোগ এনে দেয়। এসব রাত মানুষের অন্তরকে জাগ্রত করে, গাফিলতি ভেঙে দেয় এবং নতুনভাবে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার আহ্বান জানায়। ঠিক তেমনই এক তাৎপর্যপূর্ণ রাত হলো শাবান মাসের মধ্যরাত, যা মুসলিম সমাজে ‘শবেবরাত’ নামে সুপরিচিত। এই রাতকে কেন্দ্র করে যুগে যুগে মুসলমানদের মধ্যে ইবাদত, দোয়া ও আত্মসমালোচনার একটি ধারাবাহিক ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে। যদিও কোরআনে এ রাতের বিষয়ে সরাসরি কোনো বিধান নেই, তবে হাদিস ও সালাফে সালেহিনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়—এটি দোয়া কবুল ও আল্লাহর রহমত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে একই সঙ্গে এ রাতের আমল সম্পর্কে ভারসাম্য, সুন্নাহর অনুসরণ এবং অতিরঞ্জন পরিহার করাও অপরিহার্য। নিম্নে নিসফা শাবানের রাতের ফজিলত, দোয়া কবুলের গুরুত্ব এবং এ রাতে পাঠযোগ্য কিছু মাসনুন দোয়া হাদিস ও প্রামাণ্য সূত্রের আলোকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো, যাতে একজন মুমিন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই বরকতময় সময়কে কাজে লাগাতে পারেন। নিসফা শাবানের রাতের দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। তাই বেশি বেশি দোয়া করা উত্তম। হাদিসে এসেছে- ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতে বান্দার কোনো দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। আর তা হলো- ১. জুমআর রাতের দোয়া। ২. রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া। ৩. নিসফা শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাতের দোয়া। ৪. ঈদুল ফিতর তথা রোজার ঈদের রাতের দোয়া। ৫. ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদের রাতের দোয়া।’ (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক) ইমাম শাফেঈ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে, পাঁচটি রাতে দোয়া বেশি বেশি কবুল করা হয়। জুমআর রাত, ঈদুল আজহার রাত, ঈদুল ফিতরের রাত, রজব মাসের প্রথম রাত এবং নিসফা শাবান তথা শাবানের ১৫তম রাতের দোয়া। ’ (কিতাবুল উম্ম, আস-সুনানুল কুবরা) তাই এ গুরুত্বপূর্ণ রাতে মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করতে নিচের দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়তে পারেন- رَبِّ أَوْزِعْنِىٓ أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِىٓ أَنْعَمْتَ عَلَىَّ وَعَلٰى وٰلِدَىَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صٰلِحًا تَرْضٰىهُ وَأَدْخِلْنِى بِرَحْمَتِكَ فِى عِبَادِكَ الصّٰلِحِينَ উচ্চারণ: রাব্বি আওঝি'নি আন আশকুরা নি'মাতাকাল্লাতি আনআমতা আলাইয়্যা ওয়া আলা ওয়ালিদাইয়্যা ওয়া আন আ'মালা সালেহাং তারদাহু ওয়া আদখিলনি বিরাহমাতিকা ফি ইবাদিকাস সালিহিন।' (সুরা নামল : আয়াত ১৯) اَللَّهُمَّ اِنِّى اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَ ضَلَعِ الدَّيْنِ وَ غَلَبَةِ الرِّجَالِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি ওয়াল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি ওয়া দালায়িদ দাইনি ওয়া গালাবাতিল রিজালি।’ (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত) اَللَّهُمَّ اِنِّى اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَاَعُوْذُبِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَاَعُوْذُبِكَ مِن اَرْذَلِ الْعُمُرِ وَ اَعُوْذُبِكَ مِن فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَ عَذَابِ الْقَبْرِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আউজুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আউজুবিকা মিন আরজালিল উমুরি ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনিয়া ওয়া আজাবিল কাবরি।’ (বুখারি ও মিশকাত) اَللَّهُمَّ اِنِّى اَعُوْذُبِكَ مِن جَهْدِ الْبَلَاءِ وَ دَرَكِ الشَّقَاءِ وَ سُوْءِ الْقَضَاءِ وَ شَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাহদিল বালায়ি ওয়া দারাকিশ শাক্বায়ি ওয়া সুয়িল ক্বাজায়ি ওয়া শামাতাতিল আ’দায়ি।’ اَللَّهُمَّ اكْفِنِىْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِىْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা ওয়া হারামিকা ওয়া আয়িন্নি বিফাজলিকা আম্মান সেওয়াকা।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন ড. মাহদী আমিন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার কবে ঘোষণা করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মাহদী আমিন বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে ইশতেহারের কাজ অনেকটুকু গুছিয়ে এনেছি। বিএনপি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে এবং সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে দেশব্যাপী ইশতেহার এবং আমাদের ৩১ দফা নিয়ে ২৭ দফা নিয়ে অনেকগুলো কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। তার আলোকে আমাদের ইশতেহার অনেকটাই প্রস্তুত। একটি পরিকল্পনা আছে আগামী শুক্রবার আমরা ইশতেহার ঘোষণা করতে পারি। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জানান, গত এক সপ্তাহেই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে ২৯টি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। যার সুস্পষ্ট প্রমাণ বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফর্মের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মাহদী আমিন বলেন, একটি দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং তাদের নেতাকর্মী ওনারা অনেকেই ফ্যাসিবাদী আমলে তৈরি মিথ্যা পুরাতন বয়ান আবার সামনে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নিজেরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই ভাষায় একই কায়দায় একই ধরনের স্লোগান দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, অশালীনভাবে আক্রমণ করছেন। বিএনপির ক্রমবর্ধমান গণজোয়ার ও জনসমর্থনের মুখে তারা ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলেই সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পথ ছেড়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং অপতথ্য ছড়ানোর নোংরা কৌশল বেছে নিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে আয়োজিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরকার বিন্দুমাত্র শৈথিল্য দেখাবে না। কোনো ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন সদস্যসহ সারা দেশে প্রায় ৯ লাখ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যে ১০০ প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।’ তিনি কোস্ট গার্ড সদস্যদের অবদান তুলে ধরে বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকা ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, ডাকাতি ও জলদস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ড সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত নৌযান ও নাবিকদের উদ্ধার কার্যক্রমও সফলভাবে পরিচালনা করছে বাহিনীটি। অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪০ জন কোস্ট গার্ড সদস্যদের পদক দেওয়া হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নেতাকর্মীদের যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে সমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্প্রতি ভোটের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে পারেন। সমালোচনা করার অধিকার অবশ্যই সবার আছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে করা উচিত। এমন কোনো ভাষা প্রয়োগ করা মোটেই কাম্য নয়, যে ভাষা আমার ক্ষেত্রে বা আপনার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে আপনি আহত হবেন। এমনকি আপনার কোনো প্রিয় মানুষকে যদি কেউ রুচিবহির্ভূতভাবে সমালোচনা করে, তার জবাবও হওয়া উচিত উত্তম ভাষায় এবং যুক্তিপূর্ণভাবে। এটাই আমাদের শিক্ষা। আশা করি, আমার এই সামান্য পরামর্শটুকু সবাই যথাযথ গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহায্য করুন। আমিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন ড. মাহদী আমিন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার কবে ঘোষণা করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মাহদী আমিন বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে ইশতেহারের কাজ অনেকটুকু গুছিয়ে এনেছি। বিএনপি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে এবং সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে দেশব্যাপী ইশতেহার এবং আমাদের ৩১ দফা নিয়ে ২৭ দফা নিয়ে অনেকগুলো কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। তার আলোকে আমাদের ইশতেহার অনেকটাই প্রস্তুত। একটি পরিকল্পনা আছে আগামী শুক্রবার আমরা ইশতেহার ঘোষণা করতে পারি। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জানান, গত এক সপ্তাহেই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে ২৯টি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। যার সুস্পষ্ট প্রমাণ বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফর্মের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মাহদী আমিন বলেন, একটি দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং তাদের নেতাকর্মী ওনারা অনেকেই ফ্যাসিবাদী আমলে তৈরি মিথ্যা পুরাতন বয়ান আবার সামনে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নিজেরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই ভাষায় একই কায়দায় একই ধরনের স্লোগান দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, অশালীনভাবে আক্রমণ করছেন। বিএনপির ক্রমবর্ধমান গণজোয়ার ও জনসমর্থনের মুখে তারা ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলেই সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পথ ছেড়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং অপতথ্য ছড়ানোর নোংরা কৌশল বেছে নিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক। এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলটির উদ্যোগে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনী যখন আমাদের মা বোনদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে, তখন সেই অত্যাচারকে আপনারা অত্যাচার বলেননি। সেই নির্যাতনকে আপনারা নির্যাতন হিসেবেও স্বীকার করেননি। বরং তাদের আপনারা সমর্থন করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। আজ কোন মুখে, কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে আপনারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কথা বলছেন? কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম সাহেবই ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক—এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না।’ তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননামূলক মন্তব্য করেছেন, তাতে সারা দেশের নারী সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। সেই ক্ষোভ ঢাকতেই তিনি এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত সত্যকে বিতর্কিত করে সত্য আড়াল করা যাবে না। তিনি আরো বলেন, আপনারা (জামায়াত) ১৯৮৬ সালে বলেছিল এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। শেখ হাসিনাও বলেছিলেন, যারা যাবে তারা জাতীয় বেইমান। কিন্তু শেখ হাসিনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে গেছেন, জামায়াতে ইসলামও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেছে। জনগণের কাছে ওয়াদা করে পরে আপনারা সেই ওয়াদা খেলাফ করেছেন। রিজভী বলেন, সেসময় বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাননি। তিনি নয় বছর সংগ্রাম করেছেন, নিপীড়ন সহ্য করেছেন, অত্যাচার সহ্য করেছেন। তাকে বন্দী করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, গৃহবন্দি করা হয়েছে তারপরও তিনি তার কথার বরখেলাপ করেননি। সত্যের মুখোশ একসময় খুলে পড়ে। আজ নারীদের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগে আজ তিন জেলার নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী কলেজ মাঠ, দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ এবং দুপুর ২টায় গাজীপুরের জয়দেবপুর রাজবাড়ী মাঠে তিনি বক্তব্য দেবেন। এদিকে কটিয়াদি সরকারি কলেজ মাঠে সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। ভোর থেকেই মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দলে দলে সমাবেশস্থলে আসছেন। কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করি সমাবেশে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ উপস্থিত হবেন। দলমত নির্বিশেষে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনার জন্য মানুষ উপস্থিত হবেন। নির্বাচনের আগে জামায়াতের আমিরের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত।
গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উচ্চতর সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান দলটি থেকে পদত্যাগ করে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীসহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলার গণঅধিকার পরিষদের বহু নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে অন্তর্ভুক্ত হন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার অনন্তপুরে অবস্থিত জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও হবিগঞ্জ–৩ আসনের এমপি প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদের নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নবযোগদানকারীদের দলে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুখলিছুর রহমান অ্যাডভোকেট আশরাফুল বারী নোমানসহ নবাগত নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামী হবিগঞ্জ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, অ্যাডভোকেট নোমান একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীর যোগদানের ফলে হবিগঞ্জ জেলায় জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে। আগামীর রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচিতে এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নবযোগদানকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতি ও দেশ গঠনের লক্ষ্যে তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে দলের সকল কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার অঙ্গীকারও করেন তারা। উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে দলবদল ও নতুন সমীকরণ সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না। কেন্দ্র দখল যেন না হয় সে জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। এ ছাড়া পুলিশের জন্য ২৫ হাজার ৭০০ বডি ক্যাম দিচ্ছি। আমরা ড্রোন ব্যবহার করছি, সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করছি। এর পরও এবার কেউ যদি কোনো রকম কিছু করতে যায় তাহলে সে ভাই হোক বা বোন হোক, কেউ ছাড় পাবে না। তিন দিন, চার দিন বা ছয় মাসের জামিন নিয়ে এলেও সে ধরা খাবে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর সিটি করপোরেশনের শহীদ সাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে নির্বাচনসংক্রান্ত আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শুধু অবৈধ অস্ত্র নয়, বৈধ অস্ত্রও বাইরে আছে, বিভিন্ন থানা থেকে যেসব অস্ত্র লুট হয়েছে তার সবগুলো এখনো উদ্ধার হয়নি। এর পরও উদ্ধারের পরিমাণ বেড়েছে। আমি আশা করি, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে।’ তিনি সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন। ঝিনাইগাতীর ঘটনা খুবই দুঃখজনক ঘটনা বলে জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে এটার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা নিচ্ছি। এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ঘটনা ঘটিয়ে দুষ্কৃতকারীরা এলাকা থেকে দূরে চলে যায়। এ জন্য একটু সময় লাগলেও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক।’ তাদের এই প্রস্তুতি নিয়ে জাতিকে একটি ভালো এবং সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের প্রতিটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষ্যে ডিএমপি প্রণীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। থানা এলাকা থেকে দূরবর্তী কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখতে হবে। থানা এলাকায় পুলিশি টহল আরও জোরদার করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এবারের নির্বাচন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হচ্ছে। এই বিষয় মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সমন্বয় সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় বিভিন্ন মতামত প্রদান করেন এবং কমিশনার বিভিন্ন নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।