গোপালগঞ্জে ছয়টি ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় পৌর এলাকার নিলারমাঠ শহীদ মাহাবুব প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহরের বিনাপানি স্কুল, রঘুনাথপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুর্গাপুর হাই স্কুল, মাঝিগাতী হাই স্কুল এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াদানা বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রঘুনাথপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের ওপর একটি এবং অন্য পাঁচটি কেন্দ্রের সামনে মোট পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশেই এসব বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।’ এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত ৩০ জানুয়ারি শহরের বেদগ্রাম এলাকায় আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কম্পাউন্ডে, ২৮ জানুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের বাসভবনে, ২৬ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে এবং গত বছরের ১২ ডিসেম্বর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়।
গুজবকে পাত্তা না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ অনুরোধ জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, লাইলাতুল গুজব চলছে। সবাই সাবধান, এই সমস্ত গুজবকে পাত্তাই দেবেন না। ইনশা আল্লাহ সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কেউ ভোট চুরি করতে এলে বা কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না। তিনি বলেন, সারাদেশে ১১ দলীয় জোট ও এনসিপির পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কেউ ধানের শীষে ভোট দিতে চাইলে তিনিও যেন তার ভোটটা নির্বিঘ্নে দিতে পারেন— এটা নিশ্চিত করতে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে প্রস্তুত থাকবেন তারা। একই সঙ্গে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান থাকবে, দলমত নির্বিশেষে সবার ভোটাধিকার নিশ্চিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসবেন। তিনি বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো। যে কোনো সমস্যা প্রতিহত করবো এবং প্রতিরোধ গড়ার মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো।
জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির আরো বলেন, জামায়াতের জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনে ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী ভোটারদের বিভ্রান্ত করার জন্য এ ধরনের অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব অপপ্রচারে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। ভোটারদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভোট আপনার অধিকার এবং পবিত্র দায়িত্ব। আপনার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট প্রদান করুন। গোটা দেশবাসী সেটিই প্রত্যাশা করে। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন। এর আগে বুধবার দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির বেলাল উদ্দিনকে ৫০ লাখ টাকা সঙ্গে থাকার অভিযোগে আটক করে পুলিশ।
গুজবকে পাত্তা না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ অনুরোধ জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, লাইলাতুল গুজব চলছে। সবাই সাবধান, এই সমস্ত গুজবকে পাত্তাই দেবেন না। ইনশা আল্লাহ সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।’
গোপালগঞ্জে ছয়টি ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় পৌর এলাকার নিলারমাঠ শহীদ মাহাবুব প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহরের বিনাপানি স্কুল, রঘুনাথপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুর্গাপুর হাই স্কুল, মাঝিগাতী হাই স্কুল এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াদানা বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রঘুনাথপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের ওপর একটি এবং অন্য পাঁচটি কেন্দ্রের সামনে মোট পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশেই এসব বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।’ এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত ৩০ জানুয়ারি শহরের বেদগ্রাম এলাকায় আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কম্পাউন্ডে, ২৮ জানুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের বাসভবনে, ২৬ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে এবং গত বছরের ১২ ডিসেম্বর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়।
১৫ ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে মহারণের আগে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে পাকিস্তান শিবির। বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পরই দলটি জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে তারা মাঠে নামবে ইতিবাচক ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩২ রানের জয়ের পর ম্যাচসেরা হওয়া ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান বলেছেন, ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচগুলোর মতোই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চায় পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে ফারহান বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলব। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে যেমন খেলেছি, এবারও একইভাবে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। ফারহান জানান, অনুশীলন থেকেই নিজের ছন্দ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। এমনকি ম্যাচসেরা হওয়ার লক্ষ্যও আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন। বিশ্বকাপে অন্তত দুই থেকে তিনটি ম্যাচসেরা হওয়ার ব্যক্তিগত লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা বলেন, দল রান তাড়া করা এবং আগে ব্যাট করা—দুই পরিস্থিতিতেই প্রস্তুত। ‘আমরা চেষ্টা করি আগে ব্যাট করে গড়ের চেয়ে বেশি রান তুলতে এবং তা রক্ষা করতে। আমাদের ব্যাটিং অর্ডার নমনীয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কেউ উপরে বা নিচে খেলতে পারে,’ বলেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অনেক বেশি গুছানো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে পাকিস্তান। ১৯০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে সেটি সফলভাবে রক্ষা করে দলটি। তবে অধিনায়ক স্বীকার করেছেন, পাওয়ারপ্লে বোলিংয়ে আরো উন্নতির সুযোগ আছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে এখন সমর্থকদের উন্মাদনা তুঙ্গে।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ঋণখেলাপির কারণে প্রার্থিতা হারানো মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আজ বুধবার বেলা আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে তাকে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি থেকে জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুম এ নির্দেশ দেন। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে বিষয়টি কমিটির কাছে লিখিতভাবে জানান দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দল তাকে বহিষ্কার করলেও তিনি আমৃত্যু বিএনপিকে ধারণ করবেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া সত্ত্বেও একটি মহল তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এতে আরো বলা হয়, দেবীদ্বার আসনে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় বিএনপি গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে ট্রাক প্রার্থীকে ভোট দিয়ে এ আসনের বিজয় সুনিশ্চিত করে তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মঞ্জুরুল মুন্সী। ‘যদি ক্ষমতায় বিএনপি থাকে, আর যদি আপনারা অন্য দলকে ভোট দেন, আমি কিন্তু আপনাদের কাউকে ছাড়ব না। প্রয়োজনে ঘরবাড়ি পোড়াইয়া সব ছারখার করে দেব’— মঞ্জুরুল মুন্সীর দেওয়া এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই গতকাল রাতে বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। উল্লেখ্য, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতার বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের আদেশে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার পর কুমিল্লা-৪ আসনটিতে গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে সমর্থন জানায় বিএনপি।
প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মোট সম্পদ কিছুটা কমলেও তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী ৩০ জুন ২০২৪ ও ৩০ জুন ২০২৫ তারিখের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। এক বছর পর ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা। অন্যদিকে, একই সময়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ০২৬ টাকা, যা ২০২৫ সালের ৩০ জুন কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ০২৬ টাকায়। প্রকাশিত তালিকায় আরো দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ে অধিকাংশ উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে। তবে ফারুকী ছাড়াও আরো দুই উপদেষ্টার সম্পদ কমেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সম্পদ কমেছে প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার সম্পদ কমেছে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কেউ ভোট চুরি করতে এলে বা কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না। তিনি বলেন, সারাদেশে ১১ দলীয় জোট ও এনসিপির পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কেউ ধানের শীষে ভোট দিতে চাইলে তিনিও যেন তার ভোটটা নির্বিঘ্নে দিতে পারেন— এটা নিশ্চিত করতে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে প্রস্তুত থাকবেন তারা। একই সঙ্গে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান থাকবে, দলমত নির্বিশেষে সবার ভোটাধিকার নিশ্চিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসবেন। তিনি বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো। যে কোনো সমস্যা প্রতিহত করবো এবং প্রতিরোধ গড়ার মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো।
গুজবকে পাত্তা না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ অনুরোধ জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, লাইলাতুল গুজব চলছে। সবাই সাবধান, এই সমস্ত গুজবকে পাত্তাই দেবেন না। ইনশা আল্লাহ সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কেউ ভোট চুরি করতে এলে বা কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না। তিনি বলেন, সারাদেশে ১১ দলীয় জোট ও এনসিপির পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কেউ ধানের শীষে ভোট দিতে চাইলে তিনিও যেন তার ভোটটা নির্বিঘ্নে দিতে পারেন— এটা নিশ্চিত করতে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে প্রস্তুত থাকবেন তারা। একই সঙ্গে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান থাকবে, দলমত নির্বিশেষে সবার ভোটাধিকার নিশ্চিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসবেন। তিনি বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো। যে কোনো সমস্যা প্রতিহত করবো এবং প্রতিরোধ গড়ার মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো।
জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির আরো বলেন, জামায়াতের জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনে ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী ভোটারদের বিভ্রান্ত করার জন্য এ ধরনের অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব অপপ্রচারে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। ভোটারদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভোট আপনার অধিকার এবং পবিত্র দায়িত্ব। আপনার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট প্রদান করুন। গোটা দেশবাসী সেটিই প্রত্যাশা করে। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন। এর আগে বুধবার দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির বেলাল উদ্দিনকে ৫০ লাখ টাকা সঙ্গে থাকার অভিযোগে আটক করে পুলিশ।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ঋণখেলাপির কারণে প্রার্থিতা হারানো মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আজ বুধবার বেলা আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে তাকে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি থেকে জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুম এ নির্দেশ দেন। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে বিষয়টি কমিটির কাছে লিখিতভাবে জানান দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দল তাকে বহিষ্কার করলেও তিনি আমৃত্যু বিএনপিকে ধারণ করবেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া সত্ত্বেও একটি মহল তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এতে আরো বলা হয়, দেবীদ্বার আসনে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় বিএনপি গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে ট্রাক প্রার্থীকে ভোট দিয়ে এ আসনের বিজয় সুনিশ্চিত করে তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মঞ্জুরুল মুন্সী। ‘যদি ক্ষমতায় বিএনপি থাকে, আর যদি আপনারা অন্য দলকে ভোট দেন, আমি কিন্তু আপনাদের কাউকে ছাড়ব না। প্রয়োজনে ঘরবাড়ি পোড়াইয়া সব ছারখার করে দেব’— মঞ্জুরুল মুন্সীর দেওয়া এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই গতকাল রাতে বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। উল্লেখ্য, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতার বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের আদেশে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার পর কুমিল্লা-৪ আসনটিতে গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে সমর্থন জানায় বিএনপি।
নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরও আপনার ভোট চুরি হতে পারে। তাই ভোটের ফলাফল না নিয়ে কেউ ফিরবেন না। এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। গণভোটের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা আশা করছি, ‘হ্যাঁ’ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। ‘হ্যাঁ’ যদি বিজয়ী হয়, বাংলাদেশ জিতে যাবে, জুলাই বাস্তবায়ন হবে। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে আবরার থেকে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হবে। আমরা ১১ দলীয় জোটের দলগুলো বরাবরের মতো সংস্কারের পক্ষে ছিলাম। আমরা পরিবর্তনের পক্ষে ছিলাম। জাতি অতীতের রাজনীতির ভুক্তভোগী। তিনি আরও বলেন, আমরা সমাজে সর্বত্র ন্যায়বিচার দেখতে চাই। এটি যদি করা যায়, তাহলে আমাদের সমাজ যে অবস্থায় আছে, তা থেকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাব। আমাদের যুবকরা কাজ চায়, তারা কারও দয়া চায় না। তারা নিজে বাংলাদেশ গড়ার অংশীদার হতে চায়। আমরা তাদের হাতে কাজ তুলে দিয়ে বলতে চাই, এবার তোমরা বাংলাদেশটা গড়ো। আমরা তরুণদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০০৮ এর পরে দেশে কোনো গণরায়ের প্রতিফলন হয়নি উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। যাদের ভোট গ্রামে আছে, নাড়ির টানে গ্রামে ফিরে যাচ্ছে এবং উৎসাহ নিয়ে ভোট দেবে তারা। আমরা আশা করছি, গণরায় প্রতিফলিত হলে বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক ধারায় হাঁটবে এবং নতুন যে বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা মানুষ অন্তরে পোষণ করে, তা বাস্তবায়িত হবে। তিনি আরও বলেন– নির্বাচন পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি অনুরোধ করছি, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ আপনাদেরও। আপনারা ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাহলে জনগণের ভালোবাসা পাবেন, সমর্থন পাবেন এবং জনগণ আপনাদের কাজের প্রতি সম্মান জানিয়ে মূল্যায়ন করবে। আমার অতীতের মতো দেখতে চাই না, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে কেউ নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নেবেন। আমরা কারও আনুকূল্য চাই না, কারও প্রতি আনুকূল্য দেখানো হোক, সেটাও চাই না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা তরুণদের হাত ধরতে চাই। এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়তে। তাদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই। বাংলাদেশ টেলিভিশনে গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের। ’ গণভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ চায় নিরাপত্তা, সুশাসন, ইনসাফ। বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার আর মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে। সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন দেশ চাই যেখানে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত আবরার ফাহাদ, আবু সাইদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদি ও তাদের সহযোদ্ধারা দেখিয়েছে। এই দেশ সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতে তুলে দিতে চাই। তারাই এ দেশের ভবিষ্যৎ রচনা করবে।’ জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের শাসক শ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদের দেশের মালিক দাবি করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবি-নীতি-প্রতিষ্ঠান, সবকিছু ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসাবে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। ফলে চুরি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রতারিত করে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুণ্ঠনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অতীতে জামায়াতে ইসলামীর থেকে যারা জনপ্রতিনিধি হিসাবে সংসদ, সরকার ও স্থানীয় সরকারে দায়িত্ব পালন করেছে তারা কেউই দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়নি। তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আপনারা দেশের মানুষ আপনারাই তার সাক্ষী।’ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভিতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। করপোরেট জগৎ থেকে রাজনীতি-সবখানে তাদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যেখানে কোনো মা বা বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আমাদের নির্বাচিত করুন।’
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। এই প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই।’ আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি। পাঠকদের জন্য জামায়াত আমিরের পুরো বক্তব্যটি দেওয়া হলো— ‘প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করি আল্লাহর মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে এখানে এসেছি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক ভাষণ দিতে নয়। আজ আমি একেবারে মনের ভেতরের কিছু কথা বলতে চাই। যে কথাগুলো একজন জেন-জি, একজন যুবক, আর আমাদের প্রজন্ম সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন মুসলমানের জন্য যেমন, তেমনি আমাদের দেশের অন্য ধর্মের ভাই-বোনদের জন্যও।’ ‘প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি এখানে যাদের কারণে কথা বলছি, সেই জুলাইয়ের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদেরও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে এখনো বহু মানুষ আহত আছেন। আমি তাদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি। জুলাই হয়েছিল কারণ আমাদের দেশ এক হয়েছিল। জুলাইতে রাস্তায় নেমেছিল আমার তরুণ বন্ধুরা। রাস্তায় নেমেছিল আমাদের প্রিয় মা-বোন-মেয়েরা। রাস্তায় নেমেছিল শ্রমিক, রিকশাশ্রমিক ভাইয়েরা এবং সব মেহনতি জনতা। ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তখন এক হয়েছিল। শিক্ষক, প্রকৌশলী, ডাক্তারসহ সব শ্রেণির পেশাজীবী মানুষও রাস্তায় নেমে এসেছিল। দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও সে সময়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে। আমরা জুলাই আর চাই না; আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে না হয়। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য। জুলাই হয়েছিল একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।